Taylor Allen

Taylor Allen

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Taylor Allen, Political organisation, Patenga.

19/01/2026

গণভোটে হ্যাঁ দিন
দেওয়াল ঘড়িতে ভোট দিন।

#নির্বাচন #গণভোট #হ্যাঁ #দেওয়ালঘড়ি #খেলাফতমজলিস

16/01/2026

ওয়ান বক্স পলিসি ও খেলাফত মজলিসের প্রাপ্ত আসন
Fujail Ahmad Najmul

এক আসনে একটি ইসলামী দলের প্রার্থী নিয়ে যে নির্বাচনী সমঝোতা বা One Box Policy তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।

আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে অর্থাৎ ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিতে গিয়ে এই প্রস্তাবনা পেশ করেছিলেন।

যদিও আরো কয়েক বছর আগে আগে আল্লামা নুর হুসাইন কাসেমী রহ: জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি থাকাকালীন সময়ে সমমনা ইসলামী দলসমূহের ঘরোয়া বৈঠকে One Box Policy এর চিন্তা শেয়ার করেছিলেন ড. আহমদ আবদুল কাদের।

এরপর ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ড. আহমদ আবদুল কাদের যুক্তরাজ্যে সফরকালে ২ অক্টোবর লন্ডনে এক গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি ইসলামী দলগুলোর নির্বাচনী সমঝোতা বা One Box Policy বিষয়ে পূণরায় আশা ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছিলেন।

এছাড়াও জুলাই বিপ্লবের পর ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে "বিভেদ নয় ঐক্য - কল্যাণমূলক রাষ্ট্র" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের সকল শক্তির প্রথম ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ তৈরি করেছিল খেলাফত মজলিস। সেখানে সকল দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

পরবর্তীতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করেছিল। তবে খেলাফত মজলিসের মঞ্চে যেভাবে সকল ফ্যাসিবাদ বিরোধী শীর্ষ নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়েছিলেন সেভাবে বাকি দুই দলের সমাবেশে দেখা যায়নি।

আজকে ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে বলা হয় যে, পীর সাহেবে চরমোনাই One Box Policy এর রূপকার। অথচ ড. আহমদ আবদুল কাদের যখন ২০২৩ সালে One Box Policy এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন তখন পীর সাহেব চরমোনাই এই চিন্তার ধারেকাছেও ছিলেন না। তিনি খেলাফত মজলিসের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশের পর থেকে কথা বলা শুরু করেন। সুতরাং One Box Policy এর রূপকার বলতে গেলে সর্বপ্রথম যে নামটি আসবে সেটি হচ্ছে ড. আহমদ আবদুল কাদের। এ সত্যটুকু অন্তত স্বীকার করা উচিত।

দুই ||

খেলাফত মজলিস One Box Policy এর রূপকার হয়েও আসন সমঝোতায় এতো পিছনে কেন? বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সাংগঠনিকভাবে খুব শক্তিশালী না হয়েও তারা কিভাবে খেলাফত মজলিস থেকে ডাবল আসন নিশ্চিত করতে পারল? এমন প্রশ্ন গতকাল থেকে বেশ কয়েকজন ভাই করেছেন।

প্রথমত: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খেলাফত মজলিস ২৫৬টি সংসদী আসনে প্রার্থী ঘোষণা করলেও আসন সমঝোতার কারণে ৭৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। খেলাফত মজলিস চেয়েছিল সমঝোতার ভিত্তিতে অন্তত ৩০টা আসনে দেওয়াল ঘড়ি মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং এই ৩০টা আসন দলের A এবং B গ্রেডের তালিকায় ছিল। কিন্তু ১১ দল থেকে মূলত ৯টা আসন ফাইনাল করা হয়েছে খেলাফত মজলিসের জন্য।

কথা হচ্ছে, ১১ দলের লিয়াজো কমিটিতে থাকা খেলাফত মজলিসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আসন আদায়ে কি শক্ত ভুমিকা রাখেননি? হ্যাঁ, ঐক্য রক্ষার স্বার্থে যতটুকু রাখা যায় ততটুকু রেখেছেন। এখানে কোন ত্রুটি ছিল না। রাগ-গোস্বা, মান-অভিমান এবং হুমকি-দমকি দেখালে হয়তো আসন আরো অনেকটা বাড়তো। কিন্তু খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ এসব করেননি। কারণ, One Box Policy এর রূপকার হিসেবে ঐক্য ধরে রাখাই ছিল খেলাফত মজলিসের অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

১১ দলে এমনও আছেন যারা একটা লিস্ট লিয়াজো কমিটির হাতে তুলে দিয়ে বলেছেন যে, এই লিষ্ট কনফার্ম না হলে আমরা অন্য চিন্তা করতে বাধ্য হব। খেলাফত মজলিস এমন করতে যায়নি। খেলাফত মজলিস এতটুকু বলেছে আসন সমঝোতা যেন ইনসাফভিত্তিক হয়।

এছাড়াও খেলাফত মজলিসে এমন কোন প্রার্থী কনফার্ম করা হয়নি যে, সেই তালিকায় শুধুমাত্র মনোনয়ন পাওয়ার স্বার্থে অন্য দল থেকে নতুন এসে দলে যোগদান করেছেন। যারাই ১১ দল থেকে পেয়েছেন তারা সবাই দলের পোড়খাওয়া মাঠ থেকে উঠে আসা নেতা। অথচ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে রিকশা মার্কা নিয়ে যেসব নেতার আসন কনফার্ম করা হয়েছে তার অনেকজনই এই কয়েক মাস আসে বিভিন্ন দল থেকে রিকশা মার্কা বুঝিয়ে পাওয়ার শর্তে বিডি মজলিসে যোগদান করেছেন।

খেলাফত মজলিসেও অন্য দলের অনেক প্রভাবশালী নেতা যোগ দিতে চেয়েছিলেন ১১দল থেকে দেওয়াল ঘড়ি মার্কা নিশ্চিত হওয়ার শর্তে। কিন্তু খেলাফত মজলিস এমন শর্ত গ্রহণ করেনি।

যাক, চাহিদার তুলনায় খেলাফত মজলিসের আসন সংখ্যা অনেক কম। যা দলের নেতাকর্মীদের হতাশ করেছে। তারা মনে করেন খেলাফত মজলিসের সাথে ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বে-ইনসাফি করেছেন। তবে খেলাফত মজলিস মনে করে যে ক'টি সমঝোতা থেকে এসেছে বা আসবে সেগুলোতে ভাল কাজ করতে পারলে বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব। খেলাফত মজলিস এখনো আশাবাদী ইনসাফ রক্ষার্থে আরো কয়েকটি আসন নিশ্চিত করা হবে দেওয়াল ঘড়ি মার্কার জন্য।

(২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর One Box Policy নিয়ে ড. আহমদ আবদুল কাদের এর বক্তব্য)

https://www.facebook.com/share/v/1GmfGVueda/

(২০২৩ সালের ২ অক্টোবর লন্ডনের এক সমাবেশে One Box Policy নিয়ে ড. আহমদ আবদুল কাদের এর বক্তব্য)

https://www.facebook.com/share/v/1BkKNjUAfp/

14/01/2026

কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরার জরুরি অধিবেশন অনুষ্ঠিত
------------------------------------
১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন - খেলাফত মজলিস

ঢাকা, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় সমঝোতা কেন্দ্রিক উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার জরুরি এক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

রাজধানীর একটি মিলনায়তনে সকাল ১১ টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত উক্ত অধিবেশনে মজলিসে শুরা সদস্যবৃন্দ ১১ দলীয় সমঝোতা কেন্দ্রিক উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বলেন, জাতির প্রত্যাশা পূরণে ১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখতে হবে। ১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন।

অধিবেশনে খেলাফত মজলিস নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ইসলামী শক্তির মধ্যে ঐক্য খেলাফত মজলিসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। এক আসনে একটি ইসলামী দলের প্রার্থী নিয়ে যে নির্বাচনী সমঝোতা বা One Box Policy তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে জনাব ড. আহমদ আবদুল কাদের জাতীয় নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাগিদ দিতে গিয়ে উপরোক্ত প্রস্তাবনা পেশ করেছিলেন।

গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের সকল শক্তির প্রথম ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ তৈরি করেছিল খেলাফত মজলিস। ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খেলাফত মজলিসের সাধারণ পরিষদের দ্বাদশ অধিবেশনে অভ্যুত্থান পরবর্তী সকল পক্ষের নেতৃবৃন্দ সেদিন দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষ ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন।

ইতিমধ্যে ইসলামী সমমনা ৫ দল, ৮ দল এবং সর্বশেষ ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতার সাথে ঐক্যবদ্ধতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে খেলাফত মজলিস। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ১১ দলের শরীকদের সাথে সর্বশেষ আলোচনায় খেলাফত মজলিসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থী ও অঞ্চল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা থেকে থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে, যা শুধু খেলাফত মজলিসের জন্যই নয় জোটের জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে। উল্লেখ্য সারাদেশে খেলাফত মজলিসের ৭৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে ৭২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

তারপরও ইসলাম, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের স্বার্থে চলমান ১১ দলীয় নির্বাচনী সমঝোতার সাথে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যাবে খেলাফত মজলিস। তবে তা হবে ইনসাফ ও সম্মানজনক আসন সমঝোতার ভিত্তিতে। সম্ভাবনাময় ও বিজয়ী হয়ে আসার মত আসনসমূহে সম্মানজনক সমঝোতার দাবি রাখে খেলাফত মজলিস। প্রতিটি বিভাগে খেলাফত মজলিসের জন্য ন্যূনতম প্রতিনিধিত্বের স্বার্থে আসন সমঝোতা ইনসাফের দাবি।

খেলাফত মজলিস শুরা সদস্যবৃন্দ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবণতিতে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও তার প্রশাসন কাযর্ত কোন কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারছে না। সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মাঠে রাখা হলেও আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি ঘটছে না। ৫ আগস্ট পরবর্তি লুট হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়নি। অপরাধীদের উপর গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি হয়নি। অন্যদিকে নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো প্রস্তুত নয়। পেশীশক্তির রাজনীতি ও কালো টাকার প্রভাবে রাজনৈতিক সহিংসতায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। এমতাবস্থায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োগ করতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য প্রশাসনকে সকলে সর্বোতভাবে সহযোগীতা করতে হবে।

রাজধানীর শাহজাহানপুরস্থ একটি হলে আজ সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার জরুরি অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আমীরে মজলিস মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরায় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হেসাইন, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, অধ্যাপক সিরাজুল হক, মুফতি আবদুল হামিদ, যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, ডাঃ এ এ তাওসিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, মাওলানা সামছুজ্জামান চৌধুরী, মাস্টার আবদুল মজিদ, অধ্যাপক মাওলানা এ এস এম খুরশীদ আলম, অধ্যাপক একেএম মাহবুব আলম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মাওলানা আবু সালমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো: জহিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক আবদুল করিম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রিফাত হোসেন মালিক, দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক: মুফতি শিহাবুদ্দীন, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট হাফেজ মাওলানা শায়খুল ইসলাম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মাহবুবুর রহমান সহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্যবৃন্দ।

Photos from Taylor Allen's post 14/01/2026

খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার জরুরী অধিবেশন আমীরে মজলিস মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে আজ সকাল ১১.০০ টায় রাজধানীর একটি মিলনায়তনে শুরু হয়।

13/01/2026

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে আজ ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়

13/01/2026

এমপি হলে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিবেন না নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুন।

#নারায়ণগঞ্জ #দেওয়াল #খেলাফত #মজলিস

11/01/2026

কোন দল কতটি আসনে নির্বাচন করবে তার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের সাতটি আসন দেওয়ার যে কথা প্রচার করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়।

আমরা ৭৪টিতে প্রার্থী দিয়েছি, এর মধ্যে অন্তত ৩০টিতে নির্বাচন করা দরকার। আমাদের প্রার্থীরা প্রস্তুতি নিচ্ছে। আশা করি আলোচনার মাধ্যম সব সমাধান হবে।

উদ্ভূত বিভিন্ন বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত নিতে আগামী ১৪ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। শূরার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দল আগামীর করণীয় নির্ধারণ করবে।

অধ্যাপক আব্দুল জলিল
যুগ্ম-মহাসচিব ও সদস্য সচিব
জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি
খেলাফত মজলিস

Photos from Taylor Allen's post 10/01/2026

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা খেলাফত মজলিসের মজলিশে শুরার অধিবেশন অনুষ্ঠিত।

10/01/2026

শরীফ উসমান হাদীর হ‘ত্যার বিচার চাই। ✊

#বাংলাদেশরাজনীতি #জুলাই #ওসমান #হাদী #বিচারচাই

08/01/2026

আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায়: ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন।

মনোনয়ন বৈধতা-অবৈধতার প্রশ্নে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান ভালো চোখে দেখছে না জামায়াত-এনসিপি জোট। ভোটের আয়োজন নিরপেক্ষ হবে কি না, এ নিয়েও তারা আশঙ্কার কথা বলছেন। তাদের অবস্থান আসলে কতটা যৌক্তিক? সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি জোটের অবস্থান আসলে কী? এসব নিয়ে আলোচনা করবেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।

08/01/2026

যে দলেই ভোট দিন।।
দেশকে সঠিক রাস্তায় রাখতে গণভোটে হ্যাঁ দিন।

৫৫ বছর আগের ৭২ সালের সংবিধান পরিবর্তন করে আপডেট সংবিধান চাইলে গণভোটে হ্যাঁ দিন।

Want your business to be the top-listed Government Service in Patenga?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Patenga