মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন লালমনিরহাট ০১ ধানের শীষের প্রার্থী
বিএনপি পাটগ্রাম উপজেলা শাখা
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বিএনপি পাটগ্রাম উপজেলা শাখা, Political Party, Girls School Road, Patgram.
মহান স্বাধীনতার ঘোষক ১৯৭৮খ্রিঃ( ০১)সেঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল গঠন করেন। বিএনপি পাটগ্রাম উপজেলা শাখা। সভাপতিঃআলহাজ্ব সফিকার রহমান সাঃ সম্পাদকঃমোঃ ওয়ালিউর রহমান সোহেল প্রধান শিক্ষক পানবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়। যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ সৈকত হায়াত প্রধান বাবু
মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় এত জীবন যাওয়ায় ও হতাহত হওয়ায় পাটগ্রাম উপজেলা বিএনপি গভীর শোকাহত
এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। মহান আল্লাহ দেশবাসীকে ও শোক সন্তপ্ত পরিবারকে এই শোক কাটিয়ে উঠার তাওফিক দান করুণ।
16/07/2025
নায় ও সত্য প্রতিস্ঠার রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকা মানেই অন্যায়ের পক্ষে থাকা, আজকের এই দুঃসময়ে যেখানে জনগণের কণ্ঠরোধ করতেছে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক ফ্যাসিবাদী শক্তিতে পরিণত করা হয়েছে সেখানে রাজনীতি থেকে দূরে থাকা আর অন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো একই কথা।রাজনীতি মানে শুধুই দলীয় লেজুরবৃত্তি নয়।
রাজনীতি মানে মানুষের অধিকার রক্ষা ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং সত্যকে সাহসের সাথে উচ্চারণ করা।
সচেতন নাগরিক যদি রাজনীতিকে এড়িয়ে চলে তাহলে সেই শূন্যস্থান পূরণ করে স্বৈরাচার দুর্নীতি আর লুটেরা চক্র। তাই আমাদের দরকার সব পেশা ও সেক্টরে — প্রকৌশলী, চিকিৎসক, শিক্ষক, সাংবাদিক, শ্রমিক — সুন্দর নৈতিক ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশগ্রহণ।
কারণ রাজনীতি সচেতন না হলে নীতি নির্ধারকরা জনগণের নয় গোষ্ঠীর স্বার্থে কাজ করবে।
রাজনীতিতে ভালো মানুষের অনুপস্থিতি মানে খারাপ মানুষের আধিপত্য।
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, প্রযুক্তি কোনো ক্ষেত্রই রাজনীতির প্রভাব থেকে মুক্ত নয়।
তাই সব সেক্টরেই দরকার জনগণের প্রতিনিধি ও সুশিক্ষিত বিবেকবান নেতৃত্ব।
আজ আমরা যদি নীরব থাকি আগামীকাল আমাদের সন্তানেরা আমাদের নির্লজ্জ আত্মসমর্পণের জন্য ধিক্কার দিবে।
এই নীরবতা ভাঙতেই আমাদের রাজনীতিকে ফেরত আনতে হবে জনগণের হাতে জনকল্যাণের পথে শান্তির পথে
তাই আসুন আমরা রাজনীতিকে ঘৃণা না করে শুদ্ধ করি।
আমাদের অবস্থান হোক মানুষের পক্ষে আইনের পক্ষে ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
এটাই হোক নতুন প্রজন্মের প্রতিজ্ঞা —
"চুপ থাকবো না, সরে যাবো না — ইতিহাসের সঠিক পক্ষে থাকবো।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদীদল জিন্দাবাদ।
#ঐক্যের_আহ্বান সংগৃহীত হোয়াটসআ্যাপ
04/07/2025
এই কমিটি কি মানা যায় বলুন।
04/07/2025
মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উনিশ ১৯ দফা।
১৯ দফা কর্মসূচি হচ্ছে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল প্রদত্ত একটি রাজনৈতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
১৯ দফা সমূহ
দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিম্নলিখিত ১৯ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করেছিলেন।
১/সর্বোতভাবে দেশের স্বাধীনতা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
২/শাসনতন্ত্রের চারটি মূলনীতি অর্থাৎ সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ও আস্থা, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের সমাজতন্ত্র জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে প্রতিফলন করা।
৩/সর্ব উপায়ে নিজেদেরকে একটি আত্বনির্ভরশীল জাতি হিসেবে গড়ে তোলা।
৪/প্রশাসনের সর্বস্তরে, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং আইন-শৃংখলা রক্ষার ব্যাপারে জনসাধারনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
৫/সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ তথা জাতীয় অর্থনীতিকে জোরদার করা।
৬/দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ করা এবং কেউ যেন ভুখা না থাকে তার ব্যবস্থা করা।
৭/দেশে কাপড়ের উৎপাদন বাড়িয়ে সকলের জন্য অন্তত মোটা কাপড় সরবরাহ নিশ্চিত করা।
৮/কোন নাগরিক গৃহহীন না থাকে তার যথাসম্ভব ব্যবস্থা করা।
৯/দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা।
১০/সকল দেশবাসীর জন্য ন্যূনতম চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা।
১১/সমাজে নারীর যথাযোগ্য মর্যাদা প্রতষ্ঠা করা এবং যুব সমাজকে সুসঙ্গহত করে জাতি গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।
১২/দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারী খাতে প্রয়োজনীয় উৎসাহ দান।
১৩/শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতি সাধন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে সুস্থ শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।
১৫/সরকারি চাকুরীজীবিদের মধ্যে জনসেবা ও দেশ গঠনের মনোবৃত্তিতে উৎসাহিত করা এবং তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করা।
১৬/জনসংখ্যা বিস্ফোরন রোধ করা।
সকল বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং মুসলিম দেশগুলির সাথে সম্পর্ক জোরদার করা।
১৭/প্রশাসন এবং উন্নয়ন ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় সরকাররে শক্তিশালী করা।
১৮/দুর্নীতিমুক্ত ন্যায়নীতিভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা।
১৯/ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার পূর্ন সংরক্ষণ করা এবং জাতীয় ঐক্য এবং সংহতি সুদৃঢ় করা।
কর্মসূচির উদ্দেশ্য
দফা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল উন্নয়নের হার বাড়ানো, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরনির্ভরশীলতা কমানো, আয়ের সুষম বণ্টন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমিয়ে আনা, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন। এজন্য ১৯৮০ সালের জুলাইয়ে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য জিয়াউর রহমানের ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেন। জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও রফতানি আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বনির্ভরতা অর্জন। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রামের জনগণকে সম্পৃক্ত করে গ্রামীণ জীবনযাত্রার মান উন্নত করা ছিল পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য। বাংলাদেশের একটি স্বতন্ত্র শক্তিশালী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ব্যাপারে জিয়াউর রহমানের অগ্রণী ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। এ ছাড়া ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি, স্বনির্ভর প্রকল্প এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও তিনি ছিলেন প্রধান প্রবক্তা। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
29/06/2025
পাটগ্রাম হাতীবান্ধার গণমানুষের দাবী ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান এমপি।
29/06/2025
যৌথ কর্মিসভা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন।
দিক নির্দেশনা ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Patgram
5540
