07/01/2026
শেখ হাসিনার বর্তমান বয়স ৭৮ বছর।এর মধ্যে দীর্ঘ ২১ বছর তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষমতাসীন নারী সরকার প্রধান শেখ হাসিনা।আরব নিউজ এই বিষয়ে বলতে গিয়ে বলেছিল, " Bangladesh dynamic leap Sheikh Hasina's landmark fifth term."
🔴টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় শেখ হাসিনা ৩০ তম অবস্থানে ছিলেন। ব্রিটিশ মিডিয়া ১৪ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে " মাদার অফ হিউম্যানিটি ' উপাধিতে ভূষিত করেছে। শেখ হাসিনার শাসনামল সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিখ্যাত কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেছিলেন, " আমার বিশ্বাস, হাসিনার শাসনামল একদিন অতীতের হোসেনশাহী শাসনামলের মতো বাংলার ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে সংযুক্ত হবে।পৃথিবী বিখ্যাত মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষাবিদ রিচার্ড ও ব্রায়ান তাদের " উইমেন প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড প্রাইম মিনিস্টার'স ' বইটিতে বিশ্বের ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ৭ জন নারী রাষ্ট্রপ্রধানের একজন হিসেবে শেখ হাসিনাকে স্থান দিয়ে তার সংগ্রামী জীবন পুরো বিশ্বের মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন।২০১১ সালে বিশ্বের সেরা ও ক্ষমতাধর নারী হিসেবে শেখ হাসিনা সপ্তম স্থানে ছিলেন।ফরেন অ্যাফেয়ার্স এর মত বিখ্যাত সাময়িকীতে পৃথিবীর ১০০ চিন্তাশীল মানুষের তালিকায় শেখ হাসিনার অবস্থান ছিল ১৩ তম। পিপলস্ অ্যান্ড পলিটিক্স এর মতে , পৃথিবীর ১৭৩ টি রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে সৎ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা ৩ য় স্থানে ছিলেন।২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ডেকিন ইউনিভার্সিটির ' সেন্টার ফর হিউম্যান লিডারশিপ ' জরীপে পোপ ফ্রান্সিস ও বিল গেটসকে পেছনে ফেলে দিয়ে শেখ হাসিনা " মানবতার চ্যাম্পিয়ন ' হয়েছেন। একজন রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য এসব অন্যতম পাওয়া।
🔴প্রধানমন্ত্রীত্ব বাদ দিয়ে ১৯৬৬ সাল থেকে শেখ হাসিনা দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছরের রাজপথে সংগ্রামের ইতিহাস আছে।১৯৬৬ এর ছয় দফা থেকে আমার এক জীবনের সমান সংগ্রাম শেখ হাসিনা রাজপথেই করেছেন। দীর্ঘ ২১ বছর পর পিতা হত্যার বিচার করেছেন। দীর্ঘ ৪০ বছর পর জার্মানির নূরেমবার্গ ট্রায়ালের আদলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে রাজাকারের বিচার করেছেন।তিনটি সামরিক জান্তার পতন ঘটিয়েছেন।জিয়া , এরশাদ ও মঈন ইউ আহমেদের সামরিক শাসনের অবসান ও কৃতিত্বের সাথে রাজপথে নিজের সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছেন।এর মধ্যে দীর্ঘ ছয় বছরের নির্বাসনে থাকার ইতিহাস আছে শেখ হাসিনার। শেখ হাসিনার নির্বাসিত জীবন নিয়েই তৈরি হয়েছে ' আ ডটার'স টেল ' ( Hasina : A Daughter's Tale)। রাজনীতির অলি গলি হেঁটে বেড়িয়েছেন শেখ হাসিনা। হাঁটু পরিমান জলে পা ডুবিয়ে বন্যার্তদের ঘরে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন শেখ হাসিনা।২১ বার মৃত্যু থেকে বেঁচে গিয়েছেন শেখ হাসিনা।এমন বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস পৃথিবীতে আর কয়জন রাষ্ট্রীয় নেতার আছে ?
🔴মাত্র ৭৮ বছরের জীবনে শেখ হাসিনা ৫৪ টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিজপয়েন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, জাপানের ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়, স্কটল্যান্ডের অ্যবার্টয় বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বেলজিয়ামের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়, রাশিয়ার পিপলস ফ্রেন্ডশিপ ইউনিভার্সিটি ও ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় সহ পৃথিবীর বিভিন্ন নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শেখ হাসিনা ডক্টরেট ডিগ্রি পেয়েছেন। সম্মানসূচক এইসব ডিগ্রি সম্মানিত মানুষের একটি অলংকারও বটে।
🛑সম্ভবত ৪৮ বছর বয়সে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। মাত্র ৩৩ বছর বয়সে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী নির্বাচিত হন। বিগত ৪৫ বছর ধরে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
১৯৯৬ ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই মাত্র এক বছরের মাথায় ১৯৯৭ সালের ২ রা ডিসেম্বর " ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তি" করে দীর্ঘ দুই দশকের পাহাড়ের রক্তপাতের অবসান করেন।অতীতে জিয়া, এরশাদ , খালেদা জিয়া সবাই শান্তি চুক্তি করতে চেয়েছেন। কিন্তু সফল হয়েছেন শেখ হাসিনা।এতেই সবার শেখ হাসিনা নিয়ে গা জ্বলে পুড়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মাত্র একবছরের মাথায় শেখ হাসিনার সূযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস তথা বিশ্ব মঞ্চে ক্রিকেট খেলার যোগ্যতা লাভ করে। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পায়। আজ যে ক্রিকেট নিয়ে এত লাফালাফি করছেন, এসব শেখ হাসিনার অবদান।বাকিরা শুধু দেশের জন্য কচু নিয়ে এসেছেন।১৯৯৯ সালে শেখ হাসিনাই প্রথম বাংলাদেশকে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশের স্বীকৃতি এনে দেন।এর জন্য শেখ হাসিনা " সেরেস পদক" লাভ করেন।১৯৯৯ সালেই শেখ হাসিনা বাঙালির রক্ত দেওয়া একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি এনে দেন।।
শেখ হাসিনার এত এত অর্জনের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা বাংলাদেশের আর কোন রাষ্ট্রপ্রধানের নেই, সেই সুযোগও নেই।
🛑 দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়াত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার পর শেখ হাসিনা ' টেগর শান্তি পুরস্কার ' পান।১৯৯৮ সালে শেখ হাসিনা ইউনেস্কো ' হুপে - বোয়ানি ' শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।২০১৪ সালে ইউনেস্কো শেখ হাসিনাকে ' শান্তির বৃক্ষ ' উপাধি দেয়।চরম ধৈর্য ও সাহসিকতার সাথে বিএনপি ও জামায়াতের অপরাজনীতির মোকাবেলা করে টিকে ছিলেন শেখ হাসিনা। কলম্বিয়ায় ফর্ক বিদ্রোহীদের সাথে শান্তি চুক্তি করার জন্য কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সন্তোষ ২০১৬ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী হলেও প্রায় ত্রিশ বছরের পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা সমাধান ও ১৯৯৭ সালের ' ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি ' এর জন্য শেখ হাসিনা শান্তির নোবেল পুরস্কার পাননি। বিষয়টি নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে একটি লজ্জাজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত থাকবে।একই কাজ কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়াল সন্তোষের ১৯ বছর আগে শেখ হাসিনা করেও নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি।২০০৬ সালে সেই শান্তির নোবেল দিয়ে দেওয়া হয় জোবরা গ্রামের সুদখোর প্রকল্প শুরু করা ইউনূসকে। পৃথিবীর ইতিহাসে এর চেয়ে হাস্যকর আর কি হতে পারে? কলম্বিয়ায় প্রেসিডেন্ট চুক্তি করে তা বাতিল হওয়ায় পরও শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। হিটলারের মতো কুখ্যাত ব্যক্তিরা শান্তির নোবেলের জন্য মনোনীত হলেও লেখ হাসিনা মনোনীত হননি। তবুও শেখ হাসিনা এখন পর্যন্ত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছেন। মহাত্মা গান্ধী ও ভ্লাদিমির লেনিনের মতো শেখ হাসিনাও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নোবেল পুরস্কার পাননি।এটা শেখ হাসিনার মাথা আরও উঁচু করেছে। তাঁর সততা, নীতি , আদর্শ ও সাহসিকতাকে আরও সম্মানিত করেছে। হেনরি কিসিঞ্জারের মত কুখ্যাত মানুষ যেখানে শান্তির নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হয় , সেখানে শেখ হাসিনার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী না হওয়া বাংলাদেশের মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।
🛑শেখ হাসিনার সমালোচনা করা খুব সহজ। কিন্তু একজন শেখ হাসিনা হতে হলে হাজারবার জন্ম নিতে হবে। শেখ হাসিনা শুধু একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক নন, তিনি একজন সফল মা। তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ।এক সন্তানের তিনটি বিষয়ে ডিগ্রী আছে এটাই বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ জানে না। তাই তারা অনেক সময় জয়ের সাথে খাম্বা তারেক মিলিয়ে ফেলে।
সজীব ওয়াজেদ জয় ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপরে ডিগ্রি নিয়েছেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোক প্রশাসনের উপর ডিগ্রি নিয়েছেন এবং ব্যাঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়েছেন। শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা World Health organisation ( WHO) এর আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। শেখ হাসিনার স্বামী ওয়াজেদ মিয়া একজন নামকরা পরমাণু বিজ্ঞানী।" ফান্ডামেন্টাল অব থার্মোডায়ানামিক্স ও ফান্ডামেন্টাল অব ইলেকট্রোম্যাগনেটিক্স ইংরেজি বইয়ের লেখক। তিনি লন্ডনের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন। তাঁর নামে বাংলাদেশে একটি রিসার্চ সেন্টার রয়েছে। শেখ হাসিনার পরিবারের সমান যোগ্যতা সম্পন্ন পুরো বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে আর একটিও পরিবার আপনি/ আপনারা দেখাতে পারবেন না।শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সমকক্ষ হওয়া তো হিমালয় জয় করার সমান। আর শেখ হাসিনার জন্য সারা পৃথিবীতে শুধুই ' বঙ্গবন্ধুর মেয়ে" এই পরিচয়টা যথেষ্ঠ।তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৭ ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ইউনেস্কোর " মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার" এ অন্তর্ভুক্ত। শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বলা হয়,
" 𝐒𝐡𝐞𝐢𝐤𝐡 𝐌𝐮𝐣𝐢𝐛𝐮𝐫 𝐑𝐚𝐡𝐦𝐚𝐧, 𝐤𝐧𝐨𝐰𝐧 𝐚𝐬 𝐁𝐚𝐧𝐠𝐚𝐛𝐚𝐧𝐝𝐡𝐮, 𝐢𝐬 𝐫𝐞𝐯𝐞𝐫𝐝𝐞𝐝 𝐚𝐬 𝐭𝐡𝐞 𝐅𝐚𝐭𝐡𝐞𝐫 𝐎𝐟 𝐓𝐡𝐞 𝐍𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧( 𝐉𝐚𝐭𝐢𝐫 𝐣𝐚𝐧𝐚𝐤/𝐩𝐢𝐭𝐚) 𝐢𝐧 𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐝𝐞𝐬𝐡 𝐟𝐨𝐫 𝐡𝐢𝐬 𝐩𝐢𝐯𝐨𝐭𝐚𝐥 𝐫𝐨𝐥𝐞 𝐢𝐧 𝐥𝐞𝐚𝐝𝐢𝐧𝐠 𝐭𝐡𝐞 𝐜𝐨𝐮𝐧𝐭𝐫𝐲 𝐭𝐨 𝐢𝐧𝐝𝐞𝐩𝐞𝐧𝐝𝐞𝐧𝐜𝐞 𝐟𝐫𝐨𝐦 𝐏𝐚𝐤𝐢𝐬𝐭𝐚𝐧 1971."
পৃথিবীর কোন কন্যার জন্য এর চেয়ে বড় পুরস্কার ও সম্মান আর কিছু হয় বলে আমি মনে করি না। শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ সম্মানের চূড়ায় অবস্থান করছেন। হাজার বছর পর হলেও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র শেখ হাসিনা নিয়ে গবেষণা করবে, স্কুলের বাচ্চাদের শেখ হাসিনার ইতিহাস , সক্ষমতা , অভিজ্ঞতা ও অর্জনের গল্প পড়ানো হবে। বঙ্গবন্ধুর মতো শেখ হাসিনাও বাংলাদেশের ইতিহাস। এজন্য শেখ হাসিনাকে বলা হয় রাজনীতির ফিনিক্স পাখি। শেখ হাসিনার জানাযা কোথায় হবে , কতজন হবে ? এই বাংলাদেশে তিনি আদৌ ফিরতে পারবেন কিনা এই দিবা স্বপ্ন দেখা আহম্মকদের বলবো ,
" শেখ হাসিনা পৃথিবীর যেখানেই থাকবেন তিনি সর্বোচ্চ সম্মানিত হবেন। ব্রিটিশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এইভাবে পা মুড়ে সন্তানের মতো শেখ হাসিনাকে সম্মান জানিয়েছেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো শেখ হাসিনাকে যে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানিয়েছেন তা বাংলাদেশের আর কোন প্রধানমন্ত্রীর ভাগ্য নসীব হবে না। শেখ হাসিনার অন্যতম শুভাকাঙ্ক্ষীদের একজন হচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সম্মানিত লোকের সম্মানের অভাব হয়নি , কোনদিন হবে না। জানাযা দিয়ে সম্মান মাপে এয়াজিদ , মুয়াবিয়া , ফেরাউন ও নমরুদের মতো শাসক।শেখ হাসিনার যোগ্যতা তার শরীরের চেয়েও হাজার গুণ উঁচু। শেখ হাসিনা তার কর্ম গুণে সারাবিশ্বে এই সম্মান অর্জন করে নিয়েছেন। এজন্য দিল্লীর রাষ্ট্রীয় " লোধি গার্ডেনে ভারতের মত পৃথিবীর চতুর্থ অর্থনীতির দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তায় শেখ হাসিনার সম্মানের ব্যবস্থা হয়েছে। এজন্য বলা হয়,
" 𝐑𝐞𝐬𝐩𝐞𝐜𝐭 𝐢𝐬 𝐧𝐨𝐭 𝐠𝐢𝐯𝐞𝐧, 𝐢𝐭'𝐬 𝐞𝐚𝐫𝐧𝐞𝐝.
( সম্মান দেওয়া হয় না, অর্জন করতে হয়।)
সত্য সবসময় সুন্দর।
লুসিড ড্রিম
০৬-০১-২০২৬

30/12/2025