21/05/2026
"বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি"
আজকের এই বিশেষ দিনে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি এক অনন্য আলোকবর্তিকাকে—যার পুণ্য স্মৃতি ও আদর্শকে বুকে ধারণ করে পথ চলছে 'অগ্রদূত দুলু পাইকার স্মৃতি পাঠাগার'। আজ তাঁর প্রয়াণ দিবস।
তিনি কেবল একজন মানুষ ছিলেন না; তিনি ছিলেন একাধারে মানবিক, প্রখর জীবনবোধ ও গভীর জ্ঞানসম্পন্ন এক পরোপকারী ব্যক্তিত্ব। জ্ঞানের প্রতি তাঁর যে অদম্য তৃষ্ণা ছিল, তা সমাজের বুকে আলো ছড়ানোর এক চিরন্তন প্রেরণা হয়ে আছে। নিঃস্বার্থভাবে মানুষের কল্যাণ করা এবং সমাজের মানুষকে বই ও জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করার যে স্বপ্ন তিনি দেখতেন, সেই স্বপ্নেরই এক জীবন্ত ফসল আমাদের এই পাঠাগার।
আজ তাঁর এই প্রয়াণ দিবসে আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীরতম শ্রদ্ধা।
আল্লাহ তাআলা তাঁর সমস্ত নেক আমল কবুল করুন, তাঁর ভুলত্রুটি ক্ষমা করে তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।
“মানুষ মরে যায়, কিন্তু তার রেখে যাওয়া আলো আর মানবিক কর্ম কীর্তি হয়ে বেঁচে থাকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।”
#শ্রদ্ধাঞ্জলি #স্মরণ #অগ্রদূত_দুলু_পাইকার_স্মৃতি_পাঠাগার #জ্ঞানের_আলো #স্মৃতিচারণ
02/05/2026
সিরাজগঞ্জের অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন 'প্রসূন সাহিত্য সংসদ'-এর আয়োজনে মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কবিতা পাঠ ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অগ্রদূত পাঠাগারের পরিচালক- লেখক, কবি ও গবেষক Sarkar Raihan
অনুষ্ঠানে মে দিবসের তাৎপর্য এবং একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের কাঠামোবদ্ধ শোষণ প্রতিরোধে আমাদের করণীয় ও ভূমিকা নিয়ে তাঁর ভাবনাগুলো তুলে ধরেন। সুন্দর এই আয়োজনের জন্য প্রসূন সাহিত্য পরিবারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
জয় হোক শ্রমজীবী মানুষের। মে দিবস অমর হোক।
#মে_দিবস #প্রসূন_সাহিত্য_সংসদ #সিরাজগঞ্জ #শোষণ_মুক্ত_সমাজ
23/04/2026
"বিটিভি ও রেডিওর নেশা থেকে ২ হাজার বইয়ের পাঠাগার: আমার পাঠযাত্রার গল্প"
শৈশবের শুরুটা বই দিয়ে নয়, ছিল বিটিভির 'আলিফ লায়লা' আর রেডিওর গানে। সত্যি বলতে, পাঠ্যবইয়ের প্রতি বিন্দুমাত্র টান ছিল না। এমনকি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত দেখে দেখে রিডিং পড়তে আমার রীতিমতো কালঘাম ছুটে যেত। আমার জগৎ তখন দখল করে ছিল ভাড়ার ভিসিডিতে দেখা বাংলা সিনেমা, বিটিভির সেই জাদুকরী সব সিরিজ আর বাবার রেডিও। সকালে 'গানের ডালি', দুপুরে সিনেমার গান আর বিকেলে খুলনা বেতারের সুর না শুনলে যেন দিনই কাটত না।
বাকি সময়টা কাটত সমবয়সীদের সাথে ধুলোবালিতে—ক্রিকেট, ফুটবল, মার্বেল কিংবা গোল্লাছুট খেলে। স্কুলকে মনে হতো অনেকটা কারাগারের মতো। তবে মায়ের কড়া শাসনের কাছে আমার সব ফাঁকিবাজি হার মানত। তিন বেলা ভাত খাওয়ার শর্তই ছিল একটাই—স্কুল যেতে হবে। স্কুলের ভয়ে কিংবা টিভির মোহে যখন লুকিয়ে থাকতাম, দাদী খুঁজে বের করে এক প্রকার জোর করেই আমাকে স্কুলের গেট পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে আসতেন।
পরিবর্তনটা এল চতুর্থ শ্রেণিতে ওঠার পর। রিডিং পড়া শেখার পর হঠাৎ করেই আবিষ্কার করলাম পত্রিকার বিনোদন পাতা! শুক্রবারে বিটিভিতে কোন সিনেমা দেবে, সেই খবরটা জানার নেশায় স্থানীয় বাজারের সেলুনে গিয়ে পত্রিকা পড়তাম। পড়ার প্রতি এই আগ্রহটি বাবার নজর এড়ায়নি। তিনি বাড়িতে পত্রিকা আনা শুরু করলেন এবং আমাকে দিয়ে জোরে জোরে পড়িয়ে শুনতেন।
বাবা-মায়ের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না, কিন্তু শিক্ষার গুরুত্ব তাঁরা জানতেন মর্মে মর্মে। বাবা আক্ষেপ করে বলতেন, "বাবা, ছোটবেলায় এতিম হওয়ায় পড়াশোনার সুযোগ পাইনি। তুমি ভালো করে পড়ো। আমাদের চোখ থাকলেও আমরা আজ জগতের আলো থেকে বঞ্চিত।" বাবার এই কথাগুলো মনের ভেতর অবচেতনেই এক গভীর দাগ কেটে গিয়েছিল। পঞ্চম শ্রেণি পার হওয়ার আগেই পড়ার ঝোঁক বাড়ল; ছোট মামার আলমারি থেকে লুকিয়ে আনা প্রেমের উপন্যাস বন্ধুকে নিয়ে গোপনে পড়ার রোমাঞ্চ আজও মনে পড়ে।
জীবনের মোড় ঘুরে গেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির পর। পরিচয় হলো মোকছেদুর রহমান (দুলু) ভাইয়ের সাথে। আমার পড়ার নেশা দেখে তিনি তাঁর পারিবারিক লাইব্রেরি থেকে বই আর জাতীয় পত্রিকা পড়ার সুযোগ করে দিলেন। তাঁর উচ্চশিক্ষিত পরিবারের গল্প আর জীবনের গভীর বোধের কথাগুলো আমার সামনে নতুন এক দিগন্ত খুলে দিল। বই তখন কেবল অক্ষর নয়, আমার কাছে জীবনের মানে হয়ে দাঁড়ালো।
বইয়ের প্রতি এই ভালোবাসা থেকেই ইচ্ছা জাগল—নিজের এলাকায় যদি একটা লাইব্রেরি থাকত! ভাবনাটা শেয়ার করলাম বন্ধু মিন্টু রহমানের সাথে। অবিশ্বাস্যভাবে, মাত্র একদিনের উদ্যোগে মিন্টু পীরগাছা বাজারে জায়গা ভাড়া করে পাঠাগারের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করে ফেলল। সাথে পেলাম বড় ভাই সরকার হাসান এবং দুলু ভাইয়ের পরিবারের মান্না ভাইয়ের অকুণ্ঠ সমর্থন।
আজ আমাদের সেই ক্ষুদ্র স্বপ্ন 'অগ্রদূত দুলু পাইকার স্মৃতি পাঠাগার' ২ হাজারেরও বেশি বইয়ে সমৃদ্ধ। কেবল বই পড়া নয়, ‘অগ্রদূত ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে আমরা এখন বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কাজও পরিচালনা করছি।
বই পড়া দিবসে পেছনে ফিরে তাকালে অবাক হই—স্কুল পালানো সেই ছেলেটি আজ বইয়ের মাঝেই সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখে। আমাদের এই যাত্রার কেবল শুরু, পথ চলা এখনো অনেক বাকি। আজকের দিনে প্রত্যাশা এটুকুই—বই হোক সবার নিত্যসঙ্গী, আর আলো ছড়িয়ে পড়ুক ঘরে ঘরে।
আমাদের এই স্বপ্নযাত্রায় আপনাদের সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা কাম্য।
লেখক: সরকার রায়হান
২৩-৪-২০২৬
#বইপড়াদিবস #বইয়েরদুনিয়া #পাঠাগার #স্মৃতিচারণ #শৈশব #বইপড়া #আলোকিতমানুষ
#অগ্রদূতফাউন্ডেশন #অগ্রদূতদুলুপাইকারস্মৃতিপাঠাগার #বগুড়া #পীরগাছা #সমাজসেবা
20/04/2026
প্রসূন সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে কবিতা পাঠ ও আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন অগ্রদূত দুলু পাইকাড় স্মৃতি পাঠাগারের পরিচালক সরকার রায়হান। তিনি তার লেখা কবিতা ও সাহিত্য ও সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরেন।
04/04/2026
কলম হোক যুদ্ধের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র
যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই; ধ্বংস নয়, সৃষ্টি চাই।
সম্প্রতি বিদ্যাকোষ আদর্শ পাঠাগার সিরাজগঞ্জ -এর উদ্যোগে আয়োজিত মাসিক পাঠচক্রে উপস্থিত ছিলেন অগ্রদূত দুলু স্মৃতি পাঠাগার এর পরিচালক লেখক ও কবি সরকার রায়হান।
আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য ছিল— "বিশ্ব সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে যুদ্ধ ও আগ্রাসন বিরোধী অবস্থান"।
সভ্যতা যখন প্রযুক্তির শিখরে, ঠিক তখনই সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য আর পুঁজিবাদের করাল গ্রাসে নিষ্পাপ শিশুদের রক্তে ভিজে যাচ্ছে ফিলিস্তিন থেকে ইরানের মাটি।
শাসকের খামখেয়ালি আর ধর্মের মিথ-যুদ্ধের দোহাই দিয়ে যে অস্থিরতা আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, তার বিরুদ্ধে কবি ও সাহিত্যিকদের নীরব থাকার সুযোগ নেই।
অনুষ্ঠানে সমবেত লেখক ও সুধীজনদের উপস্থিতিতে সরকার রায়হান তাঁর স্বরচিত দ্রোহ ও মানবতার কবিতা পাঠ করেন। কবিতায় উঠে এসেছে—
শাসকের শঠতা আর জনগণের অন্তহীন ভোগান্তির কথা।
ইব্রাহিম, মুসা, যিশু ও মোহাম্মদ (সা.)-এর প্রদর্শিত সাম্য ও ন্যায়বিচারের সেই শাশ্বত আহ্বান।
অসম উন্নয়ন ও বৈষম্যের শৃঙ্খল ভেঙে একটি মানবিক পৃথিবী গড়ার স্বপ্ন।
আলোচনা পর্বে বক্তারা অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরেন যে, ইতিহাসের পাতায় ফেরাউনি দম্ভ টেকেনি, আর আধুনিক এই সাম্রাজ্যবাদও টিকবে না। কবিতাই পারে শোষিতের আর্তনাদকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিতে এবং মানুষের হৃদয়ে প্রতিরোধের আগুন জ্বালাতে।
বিদ্যাকোষ আদর্শ পাঠাগারকে ধন্যবাদ এমন একটি সময়োপযোগী ও জ্ঞানগর্ভ আড্ডা আয়োজনের জন্য। পাঠাগারই হোক আমাদের চেতনার বাতিঘর।
জয় হোক কবিতার, জয় হোক মানবতার।
#বিদ্যাকোষআদর্শপাঠাগার #পাঠচক্র #কবিতা #যুদ্ধবিরোধী #সাম্য #মানবিকতা #সাহিত্যআড্ডা #বগুড়া #সকাররায়হান #দ্রোহেরকবিতা
29/03/2026
"প্রসূন সাহিত্য সংসদের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন ও কাব্যস্মৃতি"
সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী প্রসূন সাহিত্য সংসদ-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মহান স্বাধীনতা দিবসের ৫৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ও সাহিত্য আড্ডা। উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অগ্রদূত দুলু পাইকার স্মৃতি পাঠাগারের সুযোগ্য পরিচালক ও সাধারণ সম্পাদক, শ্রদ্ধেয় সরকার রায়হান।
অনুষ্ঠানে তিনি স্বাধীনতার প্রকৃত তাৎপর্য এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। আলোচনার পাশাপাশি তিনি স্বরচিত একটি কবিতা পাঠ করেন, যেখানে উঠে এসেছে স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরবর্তী সমাজ ও রাজনীতির এক রূঢ় ও বাস্তব চিত্র।
কবিতার কিছু পঙক্তি আপনাদের জন্য তুলে ধরা হলো:
"স্বাধীনতা, তুমি আজ এক বিষণ্ণ বিকেলের মলিন মুখ,
ঠিক যেমন নিঃসঙ্গ কোনো বৃদ্ধের কোঁচকানো চামড়ায়
লেপ্টে থাকে এক বুক দীর্ঘশ্বাস আর হারানো যৌবনের স্মৃতি।"
সুন্দর এই আয়োজনের জন্য প্রসূন সাহিত্য সংসদকে আন্তরিক ধন্যবাদ। শিল্প, সাহিত্য ও দেশপ্রেমের এই ধারা অব্যাহত থাকুক।
#স্বাধীনতাদিবস #প্রসূনসাহিত্যসংসদ #সরকাররায়হান #সাহিত্যআড্ডা #সিরাজগঞ্জ #কবিতা
19/03/2026
"বগুড়ায় ‘অগ্রদূত ফাউন্ডেশন’ ও ‘অগ্রদূত পাঠাগার’-এর উদ্যোগে ৫৫ পরিবারে ঈদ সামগ্রী ও ১২০ জনের ইফতার বিতরণ"
পবিত্র ঈদুল ফিতর ও মাহে রমজান উপলক্ষে বগুড়া সদরের লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নের পীরগাছা বাজারে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সম্পন্ন করেছে সামাজিক সংগঠন ‘অগ্রদূত ফাউন্ডেশন’ ও ‘অগ্রদূত দুলু পাইকাড় স্মৃতি পাঠাগার’।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় পাঠাগার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৫৫টি নিম্নআয়ের পরিবারের মাঝে উন্নতমানের ঈদ উপহার সামগ্রী এবং প্রায় ১২০ জন রোজাদারের মাঝে ইফতারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতিটি ঈদ উপহার বক্সে ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিনি, ১ কেজি ছোলা এবং ২ কেজি ২ পদের সেমাই এর সাথে সেমাই মসলা ও গুড়া দুধের প্যাকেট প্রদান করা হয়েছে।
উপহার বিতরণ শেষে স্থানীয় ১২০ জন রোজাদারকে চিকেন তেহেরী দিয়ে ইফতার করানো হয়।
ব্যতিক্রমী এই আয়োজনের বিশেষত্ব ছিল এর তহবিল সংগ্রহ পদ্ধতি। সংগঠনের পরিচালক সরকার রায়হানের ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচিত মহলে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা হয়। মাত্র কয়েক দিনের এই ক্যাম্পেইনে ২৯ জন হৃদয়বান মানুষ আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন, যার ওপর ভিত্তি করেই প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অতিরিক্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে এক পর্যালোচনায় সংগঠনের পরিচালক সরকার রায়হান বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল ৫০টি পরিবার, কিন্তু মানুষের অভূতপূর্ব সাড়ায় আমরা ৫৫টি পরিবার এবং ১২০ জন রোজাদারের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি।
এই উদ্যোগটি সফল করতে আমাদের শিক্ষক, বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা যেভাবে এগিয়ে এসেছেন, তা আমাদের জন্য বড় এক অনুপ্রেরণা। মানুষের এই আস্থাই আমাদের আগামী দিনের পথচলার শক্তি।”
তিনি আরও যোগ করেন, “ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গা থেকে আমি অনেককে অনুদানের জন্য নক দিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল একটি মহৎ কাজে সবাইকে যুক্ত করা। এই কাজের স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতা বজায় রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।”
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, অগ্রদূত দুলু পাইকাড় স্মৃতি পাঠাগার ও অগ্রদূত ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় শিক্ষা ও মানবিক সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
বিনীত,
প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগ,
অগ্রদূত দুলু পাইকাড় স্মৃতি পাঠাগার ও অগ্রদূত ফাউন্ডেশন।
পীরগাছা বাজার, বগুড়া সদর, বগুড়া।
13/03/2026
আমাদের কার্যক্রমের কিছু ছবি, চিকিৎসা, শিক্ষা ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে আমরা সব সময়।