ইচ্ছা পূরণের সালাতকেই সালাতুল হাজত বলা হয়!
সালাতুল হাজত পড়ার নিয়মঃ
" কোন হালাল চাহিদা পুরনের জন্য আল্লাহ'র
সন্তষ্টির উদ্দেশ্যে দুই রাকাত নফল সালাত আদায় করাকে
“সালাতুল হাজত” বলা হয়"
[ইবনু মাজাহঃ হা/১৩৮৫]
কখন পড়বেনঃ
কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে কিংবা
শারীরিক-মানসিকভাবে কোনো দুশ্চিন্তা
দেখা দিলে এ নামাজ পড়তে হয়!
নিষিদ্ধ সময়ঃ
সালাতুল হাজত নিষিদ্ধ ওয়াক্ত ব্যাতীত
যেকোনো সময়েই পড়তে পারেন!
নিয়মঃ
নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই।
হাজতের নিয়তে অন্যান্য নামাজের মতোই
দু-রাকাত নফল নামাজ আদায় করবেন!
করণিয়ঃ
--সালাতুল 'হাজত' নামাজের আলাদা কোনো নিয়ম নেই।
স্বাভাবিক নামাজের মতোই উত্তমভাবে অজু করে
দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বে।
নামাজ শেষে আল্লাহ তায়ালার হামদ ও ছানা
(প্রসংসা) এবং নবী করিম সা. এর ওপর
দরুদ শরিফ পাঠ করে নিজের মনের কথা
ব্যক্ত করে আল্লাহর নিকট দোয়া করবে!!
এই দোয়া পড়বেন মুনাজাতে ইনশাআল্লাহঃ
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
[রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল
আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া ক্কিনা আজাবানা নার]
অথবাঃ
الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ
أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ
لَا تَدَعْ لِي ذَنْبًا إِلَّا غَفَرْتَهُ وَلَا هَمًّا إِلَّا فَرَّجْتَهُ وَلَا حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلَّا قَضَيْتَهَا
يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ: লাইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারিম, সুবহানাল্লাহি রাব্বিল আরশিল আজিম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন, আছআলুকা মুজিবাতি রাহমাতিক; ওয়াআজা-ইমা মাগফিরাতিক, ওয়াল গানিমাতা মিন কুল্লি
বিররিউ ওয়াসাতা মিন কুল্লি ইছমিন লা তাদাঅলি- জাম্বান ইল্লা গাফারতাহুওয়ালা হাম্মান ইল্লা ফাররাজতাহু ওয়ালা হাজাতান হিয়া লাকা রিজান- ইল্লা কাজাইতাহা ইয়া আর হামার রাহিমীন।
[তিরমিজি, মিশকাতঃ হা/৮৭৩,
আবু দাউদঃ ১৩১৯; সালাত অধ্যায়-২]
নিজে পড়ুন আর শেয়ার করে অন্যকে পড়ার সুযোগ দিন।
IQRAA
''Books are the gateway to knowledge, which is the key to success''
"বই হল জ্ঞানের প্রবেশদ্বার, যা সাফল্যের চাবিকাঠি"
শুভেচ্ছা সকলকে
📚ইকর্(পড়ো) পাঠাগারের তরফ থেকে। 📚
📚জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জ্ঞান আহোরন, অর্জন, সাধনা একমাত্র মানব সম্প্রদায়ের জন্য মহান আল্লাহতায়ালা নির্ধারন করে দিয়েছেন পৃথিবীতে ।
তাই বই বা পাঠাগারের গুরুত্ব বলাবাহুল্য।
📚আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জ্ঞান আহোরনে বই এর প্রতি আকর্ষণ বাড়ানোর প্রচেষ্টা এবং সেই সাথে বই-প্রেমীদেরকে ভালো লেখকের বই পড়তে দেওয়ার একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা।
📚এই ম
02/04/2026
ইসলামকে গভীরভাবে জানা ও অন্তরে ধারণ করার জন্য আমাদের সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম হলো সিরাত সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সম্পর্কে যখন আপনি ধীরে ধীরে জ্ঞান অর্জন করবেন ও ওনার দেখানো শিখানো পথ অনুসরণ করতে শুরু করবেন - ঠিক তখনই আপনি আল্লাহর ইবাদতের আসল স্বাদ অনুভব করতে পারবেন ইনশা আল্লাহ। রাসূল সাঃ কে জানার আরেকটি বিশ্বস্ত মাধ্যম হলো রাসূলের সর্বঘনিষ্ট সাহাবীদের বর্ণনা জানা।
সাহাবায়ে কেরামের ঈমানদীপ্ত জীবন - ১ম ও ২য় খন্ডের এই বইটি থেকে আপনারা মোট ৫৪জন সাহাবীর জীবনী ও তাদের মুখ থেকেই রাসূল সাঃ এর সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন ইনশা আল্লাহ।
আমি কথা দিচ্ছি - এই বই যদি কেউ অন্তরে রাসূলের প্রতি প্রেম থেকে পড়ে তবে প্রতি লাইনে আপনার শরীর শিহরিত হতে বাধ্য হবে। আপনার চোখ অশ্রুসিক্ত হবে৷ আপনি উপলব্ধি করতে পারবেন আল্লাহ ও রাসুলের সাঃ এর প্রতি প্রেম কেমন হওয়া উচিত। আমাদের মাঝের ঘাটতি কি? ও আমাদের কিভাবে এই ঘাটতি পূরণ করতে হবে!
সকলের প্রতি এই বই পড়ার আমন্ত্রণ রইল।
জাযাকাল্লাহ খইরন।
29/03/2026
•গায়রত কী?
→
গায়রত (আরবি: غَيْرَة) বা গাইরাহ হলো আত্মসম্মানবোধ, রক্ষামূলক ঈর্ষা বা শালীনতাবোধ, যা নিজের পরিবার, স্ত্রী বা নারীদের সম্মান রক্ষায় একজন মুসলমানের মনে জাগ্রত হয়। এটি অশ্লীলতা বা অন্যায় সহ্য না করার এবং পরিবারকে পর্দা ও শালীনতার মধ্যে রাখার এক ধরনের ইতিবাচক অনুভূতি । সহজ কথায়, এটি নিজের প্রিয়জনদের সম্মান রক্ষায় সক্রিয় সচেতনতা।
গায়রতহীন ব্যক্তিকে দাইয়ুস বলা হয়।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না: ১. পিতামাতার অবাধ্য সন্তান, ২. নেশাদার দ্রব্যে আসক্ত ব্যক্তি, ৩. দাইয়ুস"
অন্য হাদিসে এসেছে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তিন ব্যক্তির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেবেন না—পিতামাতার অবাধ্য, পুরুষের বেশ ধারণকারী নারী এবং দাইয়ুস।
26/03/2026
ইফতেখার সিফাত রচিত একটি অসাধারণ বই এটি। অশ্লীলতার কাছেও যেয়ো না সিরিজের প্রথম বই। এখানে আপনারা পর্দার আসল মানে সম্পর্কে জানতে পারবেন৷ এবং এই আধুনিক যুগের পর্দার মাঝে আমরা কি কি ভুল করছি তা সম্পর্কেও অনেক ধারণা হবে ইনশা আল্লাহ।
বইটি সিজদাহ পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
বিশেষ করে নারীদের জন্য এই বইটি পড়া খুবই জরুরি।
জাযাকাল্লাহ খইরন।
25/03/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ। পবিত্র রমজান শেষ করে ঈদের আনন্দ উপভোগ শেষে সবাই আবার ফিরতে শুরু করেছেন নিজ কর্মক্ষেত্রের পথে। এদিকে আমরাও ফিরে এলাম আমাদের অন্তরের খোরাক নিয়ে৷ বেশ কিছু বইয়ের কালেকশন জমেছে আলহামদুলিল্লাহ। প্রতিটি বই যেন একেকটি রহমতের বাণী নিয়ে অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। ধীরে ধীরে প্রতিটি বইয়ের খুব সংক্ষিপ্ত রিভিউ আসবে ইনশা আল্লাহ।
ইকরার সাথেই থাকুন। জাযাকাল্লাহ খইরন।
28/08/2024
পবিত্র কোরআন অবতরণের প্রথম বাণী ‘পড়’।
আরবি ‘ওয়াও’ হরফের বাংলা উচ্চারণ হয় ‘ব’। ‘ওহি’র বাংলা উচ্চারণ হয় ‘বহি’। ধীরে ধীরে ভাষার পরিবর্তনে ‘বহি’টি ‘বই’ রূপ ধারণ করেছে। মানে ওহি থেকে বহি; বহি থেকে বই। এভাবে বইয়ের সঙ্গে ওহির জ্ঞানের একটা সম্পর্ক রয়েছে।
পবিত্র কোরআনে রয়েছে, ‘আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে জ্ঞানীরাই কেবল আল্লাহকে ভয় করে।’ (সুরা ফাতির : ২৮)।
পবিত্র কোরআনে যেসব দৃষ্টান্ত রয়েছে, তা অনুধাবনের জন্যও জ্ঞানী হওয়া প্রয়োজন। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর এসব দৃষ্টান্ত আমি মানুষের জন্য উপস্থাপন করি, আর জ্ঞানী লোকেরা ছাড়া কেউ তা বুঝে না।’ (সুরা আনকাবুত : ৪৩)
আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে প্রেরিত ‘ওহি’ পবিত্র কোরআনের প্রথম ৫ আয়াত হচ্ছে পাঠ করা। আল্লাহ বলেন, ‘পড়ূন আপনার প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন...’ (সুরা আলাক)
এর মধ্যে প্রথম বাণীটিই হলো ‘ইকরা-পড়’। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনের অন্তত ৯২ জায়গায় জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার প্রসঙ্গ এনেছেন। ‘আল-কোরআন’ শব্দটির একটি অর্থও ‘অধ্যয়ন’।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমানের ওপর ফরজ।’ (ইবনে মাজাহ)
যারা জ্ঞান অর্জন করে আল্লাহ তাদের মর্যাদা সমুন্নত করে দেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের জ্ঞান দান করা হয়েছে আল্লাহ তাদের মর্যাদা সমুন্নত করবেন। আর তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে সম্যক অবহিত।’ (সুরা মুজাদালাহ : ১১)
সর্বপরি পড়ার বিকল্প কিছুই নেই। এবং আমরা আপনাদের এই পড়ার ক্ষিধে মেটাতে কিছু নতুন বই সংগ্রহ করেছি আলহামদুলিল্লাহ। প্রতিটি বইয়ের রিভিউ ইনশা আল্লাহ আস্তে আস্তে আপনার জন্য দেয়া হবে৷ আশা করি সকলে আমাদের সাথেই থাকবেন। এবং বই পড়ার প্রতি আরো আগ্রহী হয়ে উঠবেন ইনশা আল্লাহ।
26/08/2024
আস্সালামুআলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ্
🇧🇩💧🇮🇳
#ভারতীয়_পানিসন্ত্রাস
#নদীশাসন
#সমাধান
দেশের মতো পাঠাগারের অবস্থাটাও নবজাতকের মতন।
আন্তরিক দুঃখিত হলেও সত্য যে কোনো প্রকার পোস্ট করার মতন সময় এবং পরিস্তিতি ছিলো না। তবে স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন পরিকল্পনাকরীদের আল্লাহ সহায় করুক।
সেই সাথে বাংলাদেশের সমসাময়িক পরিস্থিতির জন্য আমাদের সবাইকে ভারতীয় আগ্রাসন থেকে নিজেদেরকে মোকাবিলা করতে হবে।
পানি, নদী কিংবা সাগর এগুলো নিছক নিষ্প্রাণ কোন জড় পদার্থ নয়। এগুলো মহাপরাক্রমশালী মহান আল্লাহ সুবহানাহুয়া তা'য়ালার সৃষ্টি। এগুলোর আত্মা বা রুহ আছে। নদীর পানিকেই আমরা তার দেহ বলি। এর আত্মা হল তার ভেতরের বয়ে আনা পলি! নদীও মহান আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করে! তার স্বাভাবিক একটা গতি আছে। সেটা স্বাভাবিক রাখলে পুরো পানিচক্রই স্বাভাবিক থাকে। স্বাভাবিক থাকে জীবন!
আর যখনই আমরা এই নদীপ্রবাহকে বাঁধা দিব তখন তা হবে নদীশাসন। নদীও তখন চুপ করে বসে থাকবে না।
বরং প্রতিশোধ নেবে! দেখা দেবে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ধুধু মরুপ্রান্তর, ব্যাপক বন্যা, কমবে কৃষিজমি, উৎপাদন, বাড়বে উজানের ভাংগন, পলিহীনতার ফলে সাগর গিলবে দেশ,ধ্বংস হবে অর্থনীতি! কারণ মাত্র একটি! ফলাফল কিন্তু অসীম!
বাংলাদেশের প্রায় ৫৪ টি নদীর প্রায় ৩০ টিতেই ভারত বাধ বসিয়ে যুগের পর যুগ ধরে করে আসছে এই নদীশাসন! শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রেখে বাংলাদেশকে মরুকরণের নীল নকশা, বর্ষায় বাঁধগুলো খুলে দিয়ে বাংলার মানুষ ডুবিয়ে মারা! কি ফেরাউনি উপহাস!
এক বাক্যে পানিসন্ত্রাস!
একই সাথে আল্লাহর দেয়া প্রাকৃতিক নিয়ম এবং আন্তর্জাতিক পানিবন্টনচুক্তিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পুতুল সরকারের দ্বাসত্বের সুযোগে যুগের পর যুগ এভাবেই জালিমের জুলুমের শিকার হয়ে আসছে বাংলার আপামর কোটি জনগণ!
আজকের মত শুধু একটা উদাহরণ দিচ্ছি! দেখুন।
ফারাক্কা! যা আগামী ২০২৬ এ শেষ হতে যাচ্ছে।
১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়। চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে। পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ। অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে। আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত। অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।তবে কোন কারণে যদি ফারাক্কা নদীর পানির প্রবাহ ৫০ হাজার কিউসেকের নীচে নেমে যায় তাহলে দুই দেশে কে কী পরিমাণ পানি পাবে সেটা পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে...........
বিগত প্রায় দুই যুগে উক্ত চুক্তির বাস্তবায়ন তো দুরের কথা, ঘটেছে সম্পূর্ণ বিপরীত! শুধু বাংলাদেশ নয়, এ চুক্তি স্বয়ং ভারতের জন্যেও বয়ে এনেছে সীমাহীন দুর্ভোগ!
প্রায় ৪৩ বছর আগে ১৬ই মে তারিখেই ভারতে নির্মিত ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে লং মার্চে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মৌলানা ভাসানি!
এই দিনটি 'ফারাক্কা লং মার্চ দিবস' হিসেবে পালিত
হয়ে আসছে, যদিও বিগত পাঁচ দশকে ফারাক্কা নিয়ে ভারতের অনড় অবস্থানে বিশেষ পরিবর্তন হয়নি।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারতেও ফারাক্কার বিরুদ্ধে জনমত জোরালো হচ্ছে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার তো ফারাক্কা ব্যারাজ ভেঙে ফেলারও প্রস্তাব করেছেন। তার কথায়, "প্রতি বছরই আমরা ফিল্ড ট্রিপে সেখানে যাই। পাঁচ-ছবছর আগে যখন মালদার পঞ্চানন্দপুরের ভাঙন খতিয়ে দেখতে যাই, তখন দেখেছিলাম ফারাক্কার বুকে মাঝগঙ্গাতেও কিন্তু বক দাঁড়িয়ে আছে।"
তিনি বলেন: "আমরা ফারাক্কাকে এই অবস্থাতেই ফেলে রেখেছি যেখানে এত বিপুল পরিমাণ সেডিমেন্টেশন হচ্ছে যে নদীর চ্যানেলটার আর জল ধরে রাখার ক্ষমতা নেই - আর সেটা দুপারে উপছে পড়ছে।"
ভারতের স্থানীয় একজন গ্রামবাসী সুন্দর উপমা টেনে বলেছিলেন, সাপের মুখটা জোরে ধরে রাখলে সাপটা যেমন ছটফট করে, নদীটাও এখানে সেভাবে ছটফট করছে। আর সাপের মুখটা ধরে রাখা হচ্ছে এই ফারাক্কা ব্যারাজ!"
মেধা পাটকরেরও কোনও সংশয় নেই, ভারতের জন্যও ফারাক্কা এখন যত না উপযোগী - তার চেয়ে অনেক বেশি ধ্বংস ডেকে আনছে।
পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা উর্মিলা দাস দেখাচ্ছেন গঙ্গার ভাঙনে কীভাবে তিনি ভিটে হারিয়েছেন তিনি পরিষ্কার জানাচ্ছেন, "না ভাটিতে, না উজানে - ফারাক্কার প্রভাব কোথাওই সুখকর হয়নি। বলা হয়েছিল ফারাক্কা বন্যা রুখতে পারবে, অথচ দেখা গেছে বন্যা আর খরার চক্র ঘুরেফিরে এসেছে।"
ভারতের বিশেষজ্ঞদের মতে: "ফারাক্কার অভিজ্ঞতা আমাদের এটাই শিখিয়েছে যে বড় নদীর বুকে জল নিয়ে খেলতে নেই।" "তুমি বরং সেই জলটাকে ক্যাচমেন্টে আটকাতে পারো, বড় নদীতে মেশার আগেই সেই জলটা কাজে লাগিয়ে নিতে পারো।"
প্রায় অর্ধশতাব্দীর পুরনো ফারাক্কা ব্যারাজ যে ভারতের আর বিশেষ কোনও কাজে আসছে না - বরং নানা ধরনের পরিবেশগত বিপদ ডেকে আনছে বিশেষজ্ঞরা অনেকেই তা খোলাখুলি বলছেন। আজ তারাই ফারাক্কা ভেংগে দেয়ার পক্ষে জনমত গঠন করছেন।
তাহলে সমাধান কি?
১.বাঁধের বিপরীতে বাঁধ নির্মাণ পুরোটাই একটি দেশীয় আবেগ! এটি কস্মিনকালেও কোন সমাধান নয়। বরং বাঁধ পুরোপুরি ভেংগে ফেলাটা অবশ্যই একটি স্থায়ী সমাধান। শুধু ফারাক্কা নয়! এক একটা বাঁধ। অথবা সারা বছর প্রাকৃতিক নিয়মে নদীকে চলতে দেয়ার স্বার্থে প্রতিটি গেইট খুলে রাখা। এটি দুদেশের কোটি কোটি মানুষের জন্যই কল্যাণের।
২. আন্তর্জাতিক পানিচুক্তির আওতায় ভারতকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার চেষ্টা করা। ব্যাপক চাপ প্রয়োগ করা। বুঝতে শেখা কেন সে চায়না বা অন্য কোন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি ভেজা বেড়াল আর আমাদের মত রাষ্ট্রের বেলায় বাঘ সাজতে চায়।
তার সাথে কথা বলার ভাষা বদল করা।
৩. মানসিকতার পরিবর্তন আনা। এটা ভুল ধারণা যে আমরা চারদিক দিয়ে ভারতবেষ্টিত বরং ভারতই তার চারদিক দিয়ে শত্রুবেষ্টিত। গভীরভাবে মানচিত্র দেখুন। চায়না পাকিস্তান নেপাল আফগান ইত্যাদি রাষ্ট্রের সাথে বিচক্ষণ কুটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করা। এটাই মোক্ষম সময়। বৈশ্বিক এলাইয়েন্স বলয় পরিবর্তন করা। নতুন
এলায়েন্স বলয় তৈরি করা।
৪. আমাদের সমস্যা ভারতের সাধারণ মানুষের সাথে নয়, ভারত সরকারের ফেরাউনি নীতির সাথে। ভারতে রয়েছে আমাদের ইতিহাস,আকাবির ও দ্বীনি ভাই ও বোন৷ তাই ঢালাওভাবে সবাইকে গালি না দেয়া। বরং ভারত সরকারের সাথে বিগত ৩০ বছরের সমস্ত চুক্তির নথিপত্র রি-ওপেন করা৷ জাতীয় স্বার্থ বিরোধী সমস্ত চুক্তি বাতিল করা। রেল ট্রাঞ্জিট, মংলা, সব। শুধু পণ্য বয়কট নয়, এবার পুরো ভারতীয় পলিসি বয়কটের আওয়াজ তোলা! কারণ প্রজন্মের কাছে তাদের স্বরুপ ইতিমধ্যেই দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট হয়ে গেছে! তাই সময়টা কাজে লাগানো!
৫. আমাদের প্রতিটি নদীকে মেগাড্রজিং প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা, এতে আমাদের নদীর পানি সারা বছর আমরাই ধরে রাখব ইনশাআল্লাহ। যেমন চায়নার দেয়া তিস্তা প্রস্তাবকে সতর্কতার সাথে ডিল করা। এতে জালেমের গালে বেশাক চপেটাঘাত করা হবে। ড্রেজিং একটি উত্তম সমাধান।
আপাতত এতটুকুই!
ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে আরও বিস্তারিত বলার বা লেখার চেষ্টা করব। তবে সব কথাই একটি মৌলিক দর্শনে গিয়ে ঠেকে!
যতদিন না আল্লাহর জমিনে আল্লাহর শাসন ও হুকুম প্রতিষ্ঠা হচ্ছে ততদিন আমরা কেউই স্বাধীন নই!
কস্মিনকালেও নই!
আর যতদিন না আমরা নাবী (স) এর পরিপূর্ণ সিরাত ও সুন্নাতের ভাষায় দ্বীন কায়েমের পথে না হাটছি ততদিন কোন তন্ত্র মন্ত্র আমাদের শারিয়াহ ইমারাহ ও খিলাফাহও এনে দিতে পারবে না। কস্মিনকালে নয়।
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের প্রজন্মের মাঝে আছে সাহস, দৃঢ়তা,আবেগ,ত্যাগ ও বিচক্ষণতা। কোন কোন ক্ষেত্রে অসংখ্য বকধার্মিক দের চেয়েও অনেক বেশি।
তাদের প্রতি সালাম। তবে দ্বীনের জিম্মাদারি থেকে আমার আপনার উপর ওয়াজিব হল তাদেরকে সিরাত ও সুন্নাতের আদলে পরিপূর্ণ ইসলামি হুকুমাত, শারিয়া ইমারাহ ও খিলাফাহর দিকে দাওয়াত দেয়া। কারণ সব মওজুদ থেকেও যদি তাওহিদুল্লাহ! অনুপস্থিত থাকে তবে দ্বাসত্বের শিকল আমাদের গর্দান থেকে নামানো সম্ভব নয়।
তাই আসুন! বন্যা থেকে শেকড়ের শিক্ষাটুকু গ্রহন করি। আজকের বিপদ কেটে যাবেই ইনশাআল্লাহ! তবে মনে রাখা জরুরী যে: এটা শো অফের সময় নয়, যে কে কি করলাম! কতটুকু করলাম, কত টাকা দিলাম, কালেক্ট করলাম, ত্রাণ দিলাম! এটা শো-অফের সময় নয় যে আমি,আমরা,আমার দল বা আমার ফাউন্ডেশন ইত্যাদি ইত্যাদি কে কি করলাম!
বরং এটা সমস্যার শেকড়ে আঘাত করার সময়।
এটা সমস্যার গভীরে গিয়ে সিরাতের শেকড়ে আঘাত করার সময়!
মহান আল্লাহই একমাত্র তাওফিকদাতা। আল্লাহুমা সল্লি আ'লা মুহাম্মাদ ওয়া সাল্লিম।
Abu Taw Haa Muhammad Adnan
মদিনা মুনাওওয়ারা।
১৮ সফর ১৪৪৬ হিজরি।
ভুল হ্যাশট্যাগ এর কারণ হ্যাশট্যাগ কাউন্ট হচ্ছে না, এটা কপি করে রাখেন সবাই, ১মিলিয়ন হতে বেশি দেরি নেই।
✅
✅
✅
✅
✅
#কোটা_সংস্কারচাই✅
#বাংলাদেশ_কোটাআন্দোলন ✅
#কোটাআন্দোলন২০২৪✅
✅
✅
✅ ✅
✅
✅
✅ ✅ ✅
✅ ✅
✅ ✅ ✅
✅ ✅ ✅ ✅
✅ ✅ ✅
24/04/2024
___🖋️🖋️🖋️ ২৪ এপ্রিল ২০২৪ খ্রিঃ
আজ(২৩ এপ্রিল)বিশ্ব গ্রন্থ ও কপিরাইট দিবসে ইকর্ পাঠাগারের পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল আর সাথে কিছু তথ্য ও এই দিবস সম্পর্কে কিছু ইতিহাস।
Book & Copyright Day 📚
The theme of 2024 is-
"Read Your Way" emphasizes nurturing a love for reading across all ages.
History of World Book and Copyright Day👇👇
However, to commemorate the deaths of several literary giants, including Cervantes, William Shakespeare, and Inca Garcilaso de la Vega, UNESCO decided to mark April 23 as World Book and Copyright Day in 1995.
Check out from the official website of
https://www.unesco.org/en/days/world-book-and-copyright #:~:text=World%20Book%20and%20Copyright%20Day%20is%20a%20celebration%20to%20promote,between%20generations%20and%20across%20cultures.
World Book and Copyright Day 23 April 2024
20/04/2024
_🖋️🖋️🖋️ ২০ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিঃ
ইকর্ পাঠাগারের অন্যতম সংগ্রহ-
বই- ইজ মিউজিক হালাল?
লেখক - ড. গওহর মুশতাক
প্রকাশক- সমকালীন প্রকাশন
পৃষ্ঠা সংখ্যা - 232
এ বইটি মুসলিম-অমুসলিম, যুবক-বৃদ্ধ, ছাত্র-শিক্ষক নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের জন্য চমৎকার একটি রচনা। মিউজিক কেউ ভালোবাসুক বা না বাসুক-গ্রন্থটির পরিসর সবাইকে ঘিরেই। ইসলামে মিউজিকের প্রকৃত অবস্থান জানানো এবং অন্বেষণকারীদের জন্য তিয়াস নিবারণ গ্রন্থটির প্রধান উদ্দেশ্য। তবে ধর্মীয় সূত্র ছাড়াও এখানে স্থান পেয়েছে সামাজিক, ঐতিহাসিক এবং চিকিৎসাবিজ্ঞান থেকে সংগৃহীত অসংখ্য দলিল-প্রমাণ। ফলে বইটির গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে গেছে বহুগুণে। মিউজিক ও ইসলাম সম্পর্কে আমাদের না জানা, না বোঝা কিংবা ভুল বোঝার অবসান আবদ্ধ রয়েছে এই দুই মলাটের মধ্যে।
20/04/2024
__🖋️🖋️🖋️ ২০ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিঃ
ইকর্ পাঠাগারের অন্যতম সংগ্রহ-
Category- মুসলিম ব্যক্তিত্ব-(২ বোনের ইসলামের পথে ফিরে আসার সত্যি গল্প)
#ফেরা 1-
#ফেরা 2-
প্রতিটি পাতায় শিহরণ তৈরি করেছে বইটি।মুসলিম হয়েও আমরা অনেক এই ইসলাম সম্পর্কে জানে না কিন্তু বইটিতে সিহিন্তা মেয়েটি যে আগে খৃষ্টান ছিলো,আল্লাহর রহমতে মুসলিম হয়েছে,এই মুসলিম হয়ে মুসলিম ধর্ম সম্পর্কে জানা তা পালন করায় তাকে যে কষ্ট করতে হয়েছে তা দেখে রীতি মতো আমি অবাক।সে নব মুসলিম এতো কষ্ট করে হলেও ধর্ম পালন করছে কিন্তু জন্মগত মুসলিম হয়েও অনেক মুসলিম ধর্ম নিয়ে কোনে মাথাই ঘামায় না।এই বই থেকে এতোটুকু বুঝলাম মুসলিম ধর্মে জন্মে কত টা ভাগ্যবান আমি,আমরা। আমাদের উচিত আমাদের ধর্ম কে মন থেকে পালন করা কারণ এতেই রয়েছে প্রকৃত প্রশান্তি এবং আল্লাহ রব্বুল আলামীন খুশিতে আমাদের জান্নাত দান করবেন।
সবাইকে আল্লাহ রব্বুল আলামীন সঠিক পথ চলার ও বুঝার তৌফিক দান করুন আমিন।
"মুসলিম নামধারী মানুষদেরও কিছু কথা বলতে ইচ্ছে করে। আল্লাহ মানুষকে যা কিছু দিয়েছেন তা একদিক থেকে দেখলে যেমন আশীর্বাদ অন্যদিক থেকে দেখলে পরীক্ষা। আমি অনেক খুঁজে ফিরে ইসলাম পেয়েছি। যারা মুসলিম ঘরে জন্মগ্রহণ করে সহজেই ইসলাম পেয়েছেন, তারপরেও ইসলাম সম্পর্কে জানেন না, জানার চেষ্টা করেন না, ইসলাম মানেন না-তারা আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে কী জবাব দেবেন?"
লেখক - সিহিন্তা শরীফা , নাইলাহ আমাতুল্লাহ
প্রকাশক- সমকালীন প্রকাশন
পৃষ্ঠা সংখ্যা - ১২০
ছবি সংগৃহিত - বই নিবাস https://www.facebook.com/BoiNibas?mibextid=ZbWKwL
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Puran Bogra
5850
Opening Hours
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |
