গোদাগাড়ী উপজেলা
🗺 উপজেলার মোট আয়তন = ৪৭৫.২৬ বর্গ কিলোমিটার
🏛 ইউনিয়নের সংখ্যা = ০৯ (নয়) টি
🏛 পৌরসভার সংখ্যা = ০২ (দুই) টি
🌍 মৌজার সংখ্যা = ৩৯২ টি
🏘 গ্রামের সংখ্যা = ৪১৫ টি
👨👨👧👧 উপজেলার মোট জনসংখ্যা = ৩,৩০,৯২৪ জন
🏡 খানা/পরিবারের সংখ্যা = ৭২,২৮০ টি
🏫 মহাবিদ্যালয়/কলেজ = ১৪ টি
🏫 মাধ্যমিক বিদ্যালয় = ৬৩ টি
🏫 মাদ্রাসা = ৩০ টি
🏫 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় = ১৬২ টি
🏫 অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান = ২৫৭ টি
🏦 বাণিজ্যিক ব্যাংক = ১৪ টি
🏬 ডাকঘর = ১৮ টি
🏨 উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র = ০১ টি
🏨 ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল = ০১ টি
🏨 ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র (FWC) = ০৩ টি
🏨 ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র (RD) =০৮ টি
🏨 কমিউনিটি ক্লিনিক = ৩৪ টি
🔥 ফায়ার সার্ভিস = ১ টি
🚔 পুলিশ স্টেশন (থানা) = ০১ টি
🎪 পুলিশ ক্যাম্প/তদন্ত কেন্দ্র = ০২ টি (প্রেমতলী ও কাঁকনহাট)
📃 সাব-রেজিস্ট্রী অফিস = ০১ টি
🏢 ইউনিয়ন ভূমি অফিস = ০৫ টি
🛣 পাকা রাস্তা = ২৭৯ কিলোমিটার
🚧 কাঁচা রাস্তা = ৭৪৩ কিলোমিটার
🛤 রেল লাইন = ১৯ কিলোমিটার
🚉 রেল স্টেশন = ০৩ টি
🌊 নদী প্রবাহ = ০২ টি (পদ্মা ও মহানন্দা)
🏪 হাট ও বাজারের সংখ্যা = ২৬ টি
🕌 মসজিদের সংখ্যা = ৮৪০ টি
⛪ মন্দিরের সংখ্যা = ৩৭ টি
⛪ গীর্জার সংখ্যা = ৮৭ টি
🕌 ঈদগাহ্ এর সংখ্যা = ২২৫ টি
🕌 গোরস্থানের সংখ্যা = ২৪১ টি
Kakon hat municipality-কাকন হাট পৌরসভা
Kakon hat
Rajshahi
16/06/2022
⭕ কিছু ধার দেনা করে হলেও বিয়ে করেই ফেলুন!
এই সমাজ তোমাকে ভাল কিছু দিতে চায়না!
বরং তোমাকে পাপের সাগরে ডুবাতে চায়।
শেষ হয়ে যাচ্ছে যুবকদের চরিত্র,
পারে না যৌবনকে রাখতে পবিত্র।
কারণ যৌবন হচ্ছে এক ধরণের ক্ষুদা।
ক্ষুদা লাগলে যেমন খাবারের দরকার হয়,
ঠিক তেমন যৌবনের ক্ষুদা লাগলে বউ দরকার হয়।
কিন্তু সমাজ বলছে আগে প্রতিষ্ঠিত হও।
তারপর বিয়ের পিড়িতে বসো।
অথচ এই আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন,
وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
অর্থঃ তোমাদের মধ্যে যাদের স্বামী-স্ত্রী নেই, তাদের বিবাহ দাও এবং তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ, তাদেরও। তারা অভাবগ্রস্ত হলে, আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।
★সুতরাং, বিয়ে করো...
তোমায় প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব আমি আল্লাহর।
অভাবে আছো অভাব দূর করে দেব।
আল্লাহ বলেন ধনী হতে চাও বিয়ে করো।
আবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
ثَلَاثَةٌ حَقٌّ عَلَى اللَّهِ عَوْنُهُمْ: المُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ، وَالمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الأَدَاءَ، وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ العَفَافَ
অর্থঃ তিন ব্যক্তিকে সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালার জন্য কর্তব্য হয়ে যায়।
(১) আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় জিহাদকারী।
(২) চুক্তিবদ্ধ গোলাম যে তার মনিবকে চুক্তি অনুযায়ী
সম্পদ আদায় করে মুক্ত হতে চায়।
(৩) ওই বিবাহিত ব্যক্তি যে (বিবাহ করার মাধ্যমে) পবিত্র থাকতে চায়।
(তিরমিজি-১৬৫৫, নাসায়ি-৩২১৮, ৩১২০, সহিহ ইবনে হিব্বান-৪০৩০, বায়হাকি, সুনানুল)
মানব জাতির জন্য উত্তম আদর্শ হচ্ছেন- নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, অথচ আমরা কি জানি মুহাম্মদ (সঃ) তিনি কত বৎসর বয়সে, কোন অবস্থায় বিবাহ করেছিলেন..?
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের প্রত্যেককে বিষয়টি উপলব্ধি করার তাওফীক দান করুন। আমীন
( সংগৃহীত )
ইফতারের সময় বেশি বেশি আল্লাহর কাছে চাইবেন।
একমাত্র মূসা নবীই আল্লাহর সাথে ঘন ঘন সাক্ষাৎ করার বায়না ধরতেন এবং সুযোগও পেতেন। একবার তিনি মহান আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার কে জিজ্ঞেস করেছিলেন__"হে আল্লাহ্ একমাত্র আমাকে আপনার সাথে সরাসরি কথা বলার সম্মান ও সুযোগ দিয়েছেন।এমন সুযোগ কি অন্য কাউকে দিয়েছেন বা দিবেন?"
আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা বললেন __"পরবর্তীকালে আমি একদল লোক পাঠাবো যারা মুহাম্মদ (সঃ) এর উম্মত হবে,যারা রোজা রাখবে এবং রোজা অবস্থায় তারা তোমার চেয়েও আমার অধিক নিকটবর্তী হবে।হে মূসা যখন তুমি আমার সাথে কথা বলো তখন আমার আর তোমার মধ্যে ৭০,০০০ সূক্ষ পর্দা থাকে যা তুমি দেখতে পাও না। কিন্তু ইফতারের সময় আমার ও আমার ঐ সব বান্দার মাঝে একটি পর্দা ও থাকবে না। (সুবহানাল্লাহ)হে মূসা আমি দায়িত্ব নিচ্ছি__ইফতারের সময় আমি একজন রোজাদারের দোয়াও অস্বীকার করব না।"
সুবহানাল্লাহ,, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু-আকবার।
19/02/2022
আমি নিজেও কখনাে এভাবে ভাবিনি...
ফজর- ২ x ৩৬৫ দিন = ৭৩০ রাকাআত
যােহর- ৪ x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
আসর- ৪x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
মাগরিব- ৩ x ৩৬৫ দিন = ১০৯৫ রাকাআত
এশা- ৪x ৩৬৫ দিন = ১৪৬০ রাকাআত
মােট = ৬২০৫ রাকাআত
সুন্নাত এবং নফল সালাত তাে বাদই দিলাম !!
১ বছরে (৩৬৫ x ৫) = ১৮২৫ ওয়াক্ত সালাত।
অর্থাৎ বছরে ১৮২৫ বার আপনাকে আযানের মাধ্যমে
ডাক দেয়া হয়।
আপনি কয়বার সাড়া দিয়েছিলেন ?
আপনার মনে কি একটুও অনুশােচনা হওয়ার কথা না ?
কি ভেবেছেন আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে না?
এখানে শুধু ১ বছরের একটু ধারণা তুলে ধরা হল,
আল্লাহ্'র কাছে পুরাে জীবনের হিসাব কিভাবে দিবেন. ?
কি অবস্থা হবে সেদিন ?
আসুন!!
আজ থেকেই ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা শুরু করি।
আল্লাহর ডাকে সাড়া দেই।আল্লাহ্ কে ডাকি।
আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের ডাকে সাড়া দেবেন।
মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত
নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুক......
আমিন
11/08/2021
এক লোক একটা আস্ত বড় পশু গ্রীল করে তার মেয়েকে বললেন– 'আমাদের আত্মীয়স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশী আর প্রিয়জনদের ভোজের জন্য ডেকে নিয়ে এসো'।
মেয়ে রাস্তায় গিয়ে চিৎকার করতে থাকলো– 'আমাদের বাসায় আগুন লেগেছে। আপনারা আগুন নিভাতে সাহায্য করুন'।
কিছুক্ষণ পরে অল্প কিছু সংখ্যক মানুষ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসলো। বাকিরা এমন ভাব করলো যেনো তারা কিছু শুনতেই পায়নি! যারা আসলেন তারা পেট পুরে মজাদার সেই খাবার খেলেন।
মেয়েটির বাবা খুব আশ্চর্য্য হয়ে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলেন– 'এই যে অল্প সংখ্যক মানুষ যারা এসেছেন তাদেরকে প্রায় কাউকেই আমি চিনিনা এবং অনেককেই কখনোও দেখিনি। আমাদের আপনজনরা সব কোথায়?'।
মেয়েটি উত্তর দিলো– 'এই যে যারা এসেছেন, তারা কিন্তু খাবার খেতে আসেননি। বরং এসেছেন আমাদের বাসায় আগুন নিভানোর কাজে সাহায্য করতে। তারাই আসলে আমাদের আতিথেয়তার যোগ্য'।
নীতিবাক্যঃ যারা তোমার বিপদের সময় তোমার পাশে থাকেনি, তারা তোমার আনন্দের অংশীদারী হওয়ার যোগ্যতাও রাখেনা।
"আমার মায়ের জন্য ঔষধ বাবদ প্রতি মাসে পনেরো থেকে বিশ হাজার টাকার লাগতো। গত দুই মাস আগে তিনি দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। মা মারা যাওয়ার কারণে আমার তো এখন প্রতিমাসে পনেরো থেকে বিশ হাজার টাকা অতিরিক্ত থাকার কথা। কিন্তু সে টাকা কই ? আমি টাকার কোন হিসেব পাই না।"
--- স্যার শাহ্ আব্দুল হান্নান ---(সাবেক সচিব)।
স্যারের কথার সারমর্ম হল, মানুষ যখন চলে যায়, তার রিযক্বের অংশও সাথে করে নিয়ে যায়। অর্থাৎ ভাই-বোন, আত্নীয়-স্বজন, পিতা-মাতার রিযিক্বের অংশ আপনার আয়ের মধ্যেই দেওয়া থাকে। কখনো ভাববেন না যে, আপনি যদি তাদের জন্য খরচ না করেন, তাহলে বরাদ্দকৃত অংশ আপনার মূল টাকায় যোগ হবে। তারা তাদের রিযক্ব খাচ্ছে, ঠিক যতটুকু আপনার ভান্ডারে তাদের জন্য তিনি (রিযক্বদাতা) রেখেছেন। পরিবারের জন্য খরচ করার মতো সৌভাগ্য সবার হয়না, আর না সবাই সেই মানসিকতা রাখে।
30/07/2021
শনিবার থেকে রামেকে নিবন্ধনকারীদের করোনা টিকা দেওয়া হবে রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে
>>> করোনার টিকা প্রদানের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল কেন্দ্রটি পরিবর্তন করে রাজশাহী সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আগামী শনিবার (৩১ জুলাই) থেকে রামেক হাসপাতাল কেন্দ্রের টিকার নিবন্ধনকারীকে রাজশাহী সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে স্থাপিত বুথসমূহ থেকে টিকা গ্রহণ করতে হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ১৬টি বুথে করোনার টিকা প্রদান করা হবে।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এফএএম আঞ্জুমান আরা বেগম জানান, নগরবাসীর সুবিধার্থে ও একসাথে বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা প্রদানের লক্ষ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কেন্দ্রটি পরিবর্তন করে রাজশাহী সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে রামেক হাসপাতালে ৮টি বুথে টিকা প্রদান করা হচ্ছে। শনিবার থেকে রাজশাহী সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে ১৬টি বুথে করোনার টিকা প্রদান করা হবে। রামেক হাসপাতাল কেন্দ্রের টিকার নিবন্ধনকারীকে রাজশাহী সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজে স্থাপিত বুথসমূহ থেকে টিকা গ্রহণের অনুরোধ করছি।
© সিল্কসিটিনিউজ
03/07/2021
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ একই হলে সন্তানের কোনো সমস্যা হয়?
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হওয়া ভালো নয়, এটি একটি বহুল প্রচলিত গুজব। কিন্তু সঠিক তথ্য হচ্ছে, স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে সন্তানের কোনো সমস্যা হয় না। হওয়ার কোনো কারনও নাই।
তবে স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজিটিভ, স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ এবং প্রথম সন্তানের রক্তের গ্রুপ পজিটিভ হলে সমস্যা হয়ে থাকে যাকে Rh Isoimmunization বলে। কারণ এই বিশেষ ক্ষেত্রে স্ত্রীর শরীরে RH Antibody তৈরি হয় যা পরবর্তী গর্ভাবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলে। পরবর্তী গর্ভাবস্থার বাচ্চাটি যদি আবার পজিটিভ গ্রুপের হয় তবে মায়ের এই RH Antibody-এর কারণে পরবর্তী পজিটিভ বাচ্চা জন্মগতভাবে রক্তশূন্যতা, জন্ডিস নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে, এমন কি গর্ভে সন্তান মারাও যেতে পারে।
এ কারনে, প্রথম পজিটিভ সন্তান জন্মের ৭২ ঘণ্টার ভেতর ‘Rh Anti-D Antibody’ নামক একটি প্রতিরোধক ইঞ্জেকশান মাকে দিতে হবে।
(ছবির চার্টটি সেইভ করে রাখুন... প্রয়োজনে কাজে লাগবে)
© রক্তদানের অপেক্ষায় বাংলাদেশ
22/06/2021
ওটা একজন নারী মৃত্যু বরণ করেছে।
লাশ কাপড় দিয়ে ঢেকে খাটনির উপর রাখা হয়েছে। লাশের পাশে দারিয়ে একজন পুরুষ বলতেছে, আমি মৃত ব্যক্তিকে দেখতে চাই।
তখনি সকল নারী-পুরুষ বলো উঠলো,
মৃত নারীর লাশ দেখা পর-পুরুষের জন্য জায়েজ না,
এটা সম্পূর্ণ হারাম।
অথচ ঐ পুরুষটার সাথে সে নারী জীবিত থাকাকালীন খোলামেলা ভাবে চলতো।
হাসি ঠাট্টায় মত্ত থাকতো,
সব পুরষের সামনে নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করত।
ফ্রি-মিক্সিং ছিল তার জন্য খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। মানে ফ্রেন্ডলি।
আচ্ছা বোনেরা বলেন তো যদি মৃত নারীকে দেখা হারাম হয় তাহলে জীবিত নারীকে দেখা কি হবে...??
আমি কিছুক্ষণ অবাক দৃষ্টিতে তাকালাম,
যে নারীকে মৃত্যুর পর পাঁচ কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।
যেন পর-পুরুষের দৃষ্টি না পরে।
অথচ, সেই নারী জীবিত অবস্থায় ছিলো বেপর্দা৷
এই নারীর পোশাক-আশাক আর শরীরের গঠন দেখে রাস্তার মানুষ মজা নিতো।
আর মরার পর তাকে এখন পর্দা করানো হচ্ছে।
বাহ...... সত্যি এটাই যে আমরা বেঁচে থাকতে পর্দা করি না। পর্দা করি মরার পরে,
যে পর্দা কোনো ফায়দা বা কোনো লাভ নেই।
আমাদের হিসাব হবে বেঁচে থাকাকালীন আমরা জীবন কীভাবে পরিবাহিত করছি।
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে পর্দায় আবৃত করছি কি না??
খারাপ রাস্তায় মানুষের খোরাক হিসেবে আকর্ষনীয় ভাবে নিজেকে প্রদর্শন করে বেরাইছি।
তাই অনুরোধ করছি বোন আমার...!!
শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বেপর্দায় চলবেন না। জীবিত অবস্থায় আল্লাহর সন্তুষ্টির লাভের চেষ্টা করুন। ফিরে আসুন রবের নিকট।
আল্লাহ আপনার সহায় হবেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে বোঝার তাওফিক দান করুক। আমিন🌸
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Rajshahi
6000
