27/04/2026
২৭ এপ্রিল শের-ই-বাঙলা এ.কে. ফজলুল হক-এঁর ৬৪তম ওফাত দিবস স্মরণে পাঠচক্র অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্রধর আবুল বারাকাত নাহিদ শের-ই-বাঙলার বিষয়ে ইতিহাস ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে আলোচনা করেন। সবার উপস্থিতিতে একটা প্রাণবন্ত পাঠচক্র অনুষ্ঠিত হয়েছে।
26/04/2026
২৭শে এপ্রিল শের-ই বাঙলা এ.কে. ফজলুল হক-এঁর ৬৪তম ওফাত দিবস।
স্মরণে শের-ই বাঙলা
সমসাময়িক আলাপ-০৯ আপনাদের আমন্ত্রণ।
12/04/2026
প্রাচীন পারস্যের নওরোজ থেকে বাংলা নববর্ষ: ইতিহাসের বয়ানের পুনঃনিরীক্ষা শীর্ষক পাঠচক্রের সমসাময়িক আলাপে সকলকে স্বাগত।
বয়ানে: মেহেদী সজীব
বিয়াল্লিশের স্কুলের এই পাঠচক্রে আপনাদের আমন্ত্রণ।
25/12/2025
হাদি ভাই থেমে যেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন—বিপ্লবীদের সামনে দু’টি পথই খোলা থাকে, আজাদী অথবা শাহাদাত।
এই ভূখণ্ডে, এই জনপদে আজাদীর জন্য লড়াইয়ের সিলসিলা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ধ্বনিত হয়ে এসেছে। আধিপত্যবিরোধী সংগ্রামে তিতুমীর থেকে ওসমান হাদি আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন।
আজাদীর এ রক্তভেজা পথ নিয়েই ছিল আমাদের আজকের পাঠচক্র।
সূত্রধর হিসেবে ছিলেন- Mehedy Sajeeb
বিশ্বাসীদের আলাপ চলুক ইনশাআল্লাহ।
24/12/2025
“দোহাই, শুধু মস্তিষ্কটা খেয়ো না আমার
তাহলে শীঘ্রই দাস হয়ে যাবে তোমরাও।”
তিতুমীর থেকে আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ হয়ে ওসমান হাদি-আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে এই জমিন রক্তে উর্বর।
শহীদ ওসমান হাদি যে বিশ্বাসের লড়াই শুরু করেছিলেন,
তা তার শাহাদাতে শেষ হয়ে যাবে না ইনশাআল্লাহ। এ এই প্রজন্মের চলমান দায়। সে দায় আমাদের বহন করতেই হবে। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আমাদের আওয়াজ থামবে না। প্রশ্ন চলুক, প্রতিরোধ চলুক, আলাপ চলুক।
বিয়াল্লিশের স্কুল–এর সমসাময়িক আলাপের ৭ নম্বর পর্বে ‘‘তিতুমীর থেকে হাদি: আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রামের সিলসিলা’’ শীর্ষক পাঠচক্রে আপনাদের সকলকে আমন্ত্রণ।
সূত্রধর: মেহেদী সজীব
তারিখ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি, বৃহস্পতিবার, বিকেল: ৪টা
স্থান: শহীদুল্লাহ্ কলা ভবনের সামনে।
16/08/2025
সমসাময়িক আলাপ ০৫-এ বিষয়বস্তু ছিল—
আজাদি ’৪৭: উপমহাদেশের স্বাধীনতা ও মুসলমানদের নতুন মানচিত্র
আলোচক ছিলেন মেহেদী সজীব। নির্মোহ ইতিহাসের নিরিখে বিভিন্ন মত-অভিমতের ভেতর দিয়ে অত্যন্ত জম্পেশ একটা পাঠচক্র হয়েছে।
আগামী পাঠচক্রে উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান। আসুন, বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনা হোক। কথা হোক, হোক মত-অভিমতের আলাপ।
14/08/2025
মানব জাতির ইতিহাস কখনো সরলরৈখিক ছিল না। বিভিন্ন কণ্টকাকীর্ণ আঁকাবাঁকা পথ-রাস্তা পাড়ি দিয়ে—আজকের আধুনিক জামানায় নোঙর ফেলেছে। সভ্যতার উত্থান-পতন ও যুদ্ধবিগ্রহের বিপরীতে সময়ে-সময়ে স্বাধীনতা ও মুক্তির আলো নিজের করে নিয়েছে। মানবমুক্তির চিন্তাকে কোন বাঁধা কখনো দমিয়ে রাখতে পারেনি; পারেনি থামিয়ে রাখতে মানুষের চিন্তা-দর্শন কিংবা ইতিহাস-ঐতিহ্যের অগ্রগামী পথচলাকে। এটাই হয়তো মানবজাতির সবচে’ ভয়ঙ্কর সুন্দর অনন্য বৈশিষ্ট্য।
ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে স্বৈরশাসকদের উপস্থিতি মেলে—যারা জাতীর খরস্রোতা রক্ত প্রবাহের বিপরীতে অবস্থান নিয়ে—ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। একটা জাতিরাষ্ট্রের উৎপত্তির ইতিহাস-সংস্কৃতি-ঐতিহ্যকে জাতীর সম্মুখে ভুলভাবে উপস্থাপন করার অপপ্রয়াস করে—জাতির মেরুদণ্ডকে ভেঙে দেয়। বিকিয়ে দেয় রক্তকেনা স্বাধীনতার সূর্য অন্য দেশে—পরিণত হয় নিজে তার করদরাজ্যে।
বাংলাদেশ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ফলে জন্মলাভ করে; আর সে-ই একাত্তরের ভিত্তি রচিত হয় সাতচল্লিশের আজাদের মধ্যদিয়ে। ‘সাতচল্লিশের আজাদ’ দুইশো বছরের ইংরেজদের কলোনিয়াল করালগ্রাসের অপশাসন থেকে উপমহাদেশের মুক্তির ইতিহাস। ‘সাতচল্লিশের আজাদ’ পুরোধা পুরুষ কায়েদে আজম আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে মুসলমানদের পাকিস্তান ভূখণ্ডের জন্মলাভের ইতিহাস। সেই ইতিহাসের কঠিন পথযাত্রায়—ইতিহাসের ইউনিয়নের যোগসাজশে আজকের এই চব্বিশের অনন্য বাঙলাদেশ আমরা পেয়েছি।
গত স্বৈরশাসনামলে ইতিহাস-ঐতিহ্য চর্চার কোনো ফুরসত ছিল না। ইতিহাসের শুভ্র পাতার সমুদ্রে ডুব দিয়ে— মণিমুক্তাতুল্য বয়ান জাতির সামনে উপস্থাপন করার কোনো পরিবেশ ছিল না। স্বৈরশাসকের নিজস্ব ইতিহাসের ন্যারোটিভের বাইরে—ব্যক্তি মানুষের কোন নিজস্ব বয়ান ডেলিভারি দেওয়ার এবং প্রচলনের কোন সুযোগ ছিল না। কুক্ষিগত করে রাখা হয়েছিল একাত্তরের আমাদের সামগ্রিক স্বাধীনতা—সেই স্বাধীনতা ফের অর্জন করেছি সহস্রাধিক শহীদের বিনিময়ে, জুলাই চব্বিশে।
তার-ই আলোকে আমরা ইতিহাসের দায় ও বোঝাপড়া নিয়ে মুক্তালোচনার আয়োজন করেছি। জুলাইয়ের পরিচিত মুখ, গণতন্ত্রকামী Mehedy Sajeeb আলোচনা রাখবে। ইতিহাস কেবল অনর্গল কথা বলা নয়—ইতিহাসকে পাঠ করতে হয় নির্মোহ থেকে পলিসি-ফিলোসপি-পলিটিক্স সবগুলোকে একইসাথে সামনে রেখে। সেক্ষেত্রে মেহেদী সজীব অনন্য।
বিয়াল্লিশের স্কুল আয়োজিত আগামীকালের আলোচনায় আপনি আসুন। সব মতাদর্শের উর্ধ্বে যেয়ে—সঠিক ইতিহাসকে দিলখোলা মনে জানুন, বুঝুন। সবাইকে আমন্ত্রিত।
02/08/2025
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শিরোনামে আজকের পাঠচক্রের স্থিরচিত্র।
সূত্রধর: সুহাইল মাহমুদ
01/08/2025
দেখতে দেখতেই যেন জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর হয়ে গেল। গতবছর জুলাইয়ে কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলন শুরু করলে—পতিত স্বৈরাচার সরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় আন্দোলনকারীদের উপর হত্যাযজ্ঞ, দমন-পীড়ন শুরু করে। আন্দোলনকারীদের রাজাকারের নাতিপুতি বলে অভিহিত করে, পতিত হাসিনা সরকার।
নিষিদ্ধ হেলমেটবাহিনী আন্দোলনকারীদের উপর চড়াও হয়ে প্রকাশ্যে নির্যাতন ও মারপিট করে। পুলিশ-বিজিবি প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণ করে আন্দোলনকে দমানোর অপচেষ্টা করে। খুন, গুম ও আকাশ থেকে হেলিকপ্টার সহযোগে আন্দোলনকারীদের গুলি করে হত্যার এক নিকৃষ্ট রাজনীতি করে। ফ্যাসিবাদী সরকার স্বৈরাচারী কায়দায় রক্ত মাড়িয়ে ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার চেষ্টা করলেও—আন্দোলকারীদের অবস্থানকে একটা সময় নিয়ে যায় বিপ্লব-অভ্যুত্থানে। ফলত, জুলাই ৩৬ দিনের ব্যবধানে সহস্রাধিক শহীদের প্রাণোৎসর্গের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি নূতন সূর্যের, নূতন এক অনন্য বাঙলাদেশ।
এই স্বৈরাচার পতনের সফল অভ্যুত্থানকে ঘিরে আমাদের আশা আকাঙ্ক্ষার কোন কমতি ছিল না। জাতীয় সরকারের পরিবর্তে ৮ই আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার মধ্যেদিয়ে গত এক বছরে আমরা কী করতে পেরেছি? কী পেয়েছি? কী অর্জন করেছি? কতটুকু প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে সরকার? ব্যর্থতার দায়ভারই বা কার-কাদের?
এইসব নিয়ে আগামীকাল বিয়াল্লিশের স্কুলের সমসাময়িক আলোচনা-০৪ অনুষ্ঠিত হবে শহীদুল্লাহ্ কলা ভবনের সামনে।
• সূত্রধর: Suhail Mahmud
• তারিখ: আগস্ট ২, ২০২৫ খ্রি.
• সময়: শনিবার, বিকেল ৫:০০ টা
বিয়াল্লিশের স্কুল কর্তৃক আয়োজিত সমসাময়িক আলোচনা-০৪-এ সকলে আমন্ত্রিত।