19/01/2026
বইয়ে এত ধুলা-বালু জমে গিয়েছিল যে, উপরের বাইন্ডিংটা যেন ধূসর আর একটু বিষণ্ন দেখাচ্ছিল। তাই সবগুলো বই পেপার পলি দিয়ে ভালো করে মুড়ে রাখলাম, এখন সেল্ফের দিকে তাকালেই মনটা বেশ ফুরফুরে লাগছে।
নিভৃতচারী পাঠকের নীরব আশ্রয়— বিহান।
19/01/2026
বইয়ে এত ধুলা-বালু জমে গিয়েছিল যে, উপরের বাইন্ডিংটা যেন ধূসর আর একটু বিষণ্ন দেখাচ্ছিল। তাই সবগুলো বই পেপার পলি দিয়ে ভালো করে মুড়ে রাখলাম, এখন সেল্ফের দিকে তাকালেই মনটা বেশ ফুরফুরে লাগছে।
17/01/2026
বইয়ের সাথে আমার কখনো বিচ্ছেদ না হোক ❤️
12/01/2026
মাসিক টার্গেট ছিল দুটি বই, অলরেডি কেনা শেষ তিনটি।
মজার বিষয় হলো, মাস এখনো অর্ধেকও পেরোয়নি।
Day–01 || 150 Page Reading Challenge
আলহামদুলিল্লাহ, অবশেষে নন-ফিকশন বই থেকে ১৫০ পৃষ্ঠা পড়েছি। বইটি হলো—
লে. কর্নেল (অব.) শরিফুল হক ডালিম রচিত“আমি মেজর ডালিম বলছি”
📌 আজ নতুন যেসব তথ্য জানলাম:
🔸 বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রী চুক্তি সোভিয়েত–ভারত মৈত্রী চুক্তির আলোকেই প্রণীত হয়েছিল।
🔸 ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ১০০০ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্রশস্ত্র, মেশিনগান, যুদ্ধ সরঞ্জাম ও কাঁচামাল ভারতে নিয়ে যায় (অনিক পত্রিকা, ১৯৭৪)।
🔸 ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত সময়ে চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ২০০০ মিলিয়ন ডলারের দ্রব্য ভারতে পাচার হয়।
🔸 মাওলানা ভাসানী ধর্ম ও সমাজতন্ত্রের সমন্বয়ে হুকুমতে রব্বানিয়া কায়েম করতে চেয়েছিলেন।
🔸 অসৎ কাজ ও অসাধু তৎপরতা কোনো আমলেই নতুন কিছু নয়।
🔸 ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনকে ইসলামবিরোধী সংগ্রাম বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিল।
🔸 ঐতিহাসিকভাবে আমাদের রাজনীতিতে কাজের চেয়ে কথার ফুলঝুরি বেশি ঝরেছে; তার চেয়েও বেশি থেকেছে প্রতিশ্রুতি।
🔸 দৈনিক বাংলার সহকারী সম্পাদক নির্মল সেন (অনিকেত) মার্চের নির্বাচনের কয়েক দিন পর “আমি স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই” শীর্ষক একটি উপসম্পাদকীয় নিবন্ধ লেখেন।
🔸 মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীকে সাম্রাজ্যবাদের চর বলে অভিহিত করা হয়।
🔸 ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের দিন গণভবনেই নির্বাচনী কন্ট্রোল রুম স্থাপিত হয়েছিল এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করেন।
🔸 শেখ মুজিবুর রহমান দম্ভের সঙ্গে সমালোচকদের উদ্দেশ্যে বলেন,
“আমি আমার লাল ঘোড়া দাঁড় করিয়ে দেবো।”
🔸 মুজিববাদের চার স্বপ্ন: গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
📌 নতুন বইয়ের খোঁজ:
আজকে নতুন কোনো বইয়ের সন্ধান পাইনি। তবে সে সময়ের বেশ কিছু দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও সম্পাদকীয় লেখক সম্পর্কে জানতে পেরেছি, যাদের লেখাগুলো তখন ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
এই ছিল আজকের ১৫০ পৃষ্ঠা নন-ফিকশন পড়ার আপডেট। আবার কাল কথা হবে, ইনশাআল্লাহ।
— আল্লাহ হাফিজ
« 150 Page Reading Challenge »
হয়তো অনেকের শুনে অবাক লাগবে—১৫০ পৃষ্ঠা পড়াও আবার চ্যালেঞ্জ! কিন্তু আমার জন্য এটি মোটেও সহজ নয়। দৈনন্দিন ব্যস্ততার মধ্যে একটানা নন-ফিকশন বই পড়তে সময় বের করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। বিশেষ করে যদি বইটি ইতিহাস, রাজনীতি বা দর্শনের মতো গবেষণাধর্মী হয়—তাহলে তো কথাই নেই!
তাই আজ থেকে শুরু করছি“150 Page Reading Challenge”। প্রতিদিন ১৫০ পৃষ্ঠা পড়ার চেষ্টা করব, আর শেষ হলে জানাবো—কি বই পড়লাম এবং নতুন কী জানলাম।
আপনাদের দোয়া ও শুভকামনা চাই ❤️
—আল্লাহ হাফিজ
11/01/2026
কেউ কেউ বলেন, "বই পড়লে নাকি ধনী হওয়া যায়।"
আবার কেউ বলেন, "বই পড়ে কেউ আসলে ধনী হয় না।"
কোনটা আসলে সত্যি?
10/01/2026
Miles to go before I sleep!
জীবন আমাকে একটাই কথা শিখিয়েছে—সবকিছু একদিন ছেড়ে যাবে, কিন্তু থেমে থাকা যাবে না। ভালো যে কোনো শিক্ষা সারাজীবন সঙ্গী হয়, পথ দেখায় নীরবে। তাই অসুস্থতাও যেন আমার এগিয়ে চলার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়—সেদিকেই সতর্ক থাকতে হবে।
10/01/2026
ব্যাগ ভর্তি প্রশান্তি..!
—বাতিঘর, রাজশাহী।
10/01/2026
আচ্ছা পাঠক হিসেবে আপনার কি মনে হয়, কিছু বইয়ের পৃষ্ঠার অর্ধেক হাওয়া? পাতা খুললেই চারপাশে দুই ইঞ্চি করে ফাঁকা, মাঝখানে ছোট্ট লেখার ব্লক। দেখে যেন মনে হয় কোনো পত্রিকার কলাম।
কিন্তু কেন এমন হয়? এটা শুধু ডিজাইনের স্টাইল নাকি এর পেছনে কোনো কারিগরি যুক্তি আছে?
অনেক নামী প্রকাশনী এই পদ্ধতি ব্যবহার করে। তারা বলে—ফাঁকা জায়গা নাকি বইকে শ্বাস নেওয়ার অবকাশ দেয়, মানে পড়ার সময় চোখে আরামে লাগে। কেউ আবার বলে, এতে নাকি প্রোডাকশন কোয়ালিটি বাড়ে। আপনার কি তা-ই মনে হয়?
পাঠকের দৃষ্টিতে ব্যাপারটা উল্টোও হতে পারে—ফাঁকা বেশি মানে পৃষ্ঠা বেশি, দামও বেশি। তাহলে কি এ শুধু প্রকাশনার এক ধরনের কৌশল?
অন্যদিকে, অনেক ছোট প্রকাশনীর বই দেখি—পাতা জুড়ে লেখা, খুবই স্মার্ট লেআউট। তবুও কোনোভাবে নান্দনিকতায় কমতি নেই। তাহলে প্রশ্নটা থেকেই যায়—বইয়ের সৌন্দর্য বাড়াতে কি সত্যিই ফাঁকা দরকার, নাকি আমরা শুধু অভ্যেসে সেটাকেই স্ট্যান্ডার্ড ভাবি?