Meem Agrobiodiversity Integrated Farm

Meem Agrobiodiversity Integrated Farm

Share

Fish Farm in Rangamati, Chittagong, Bangladesh Agrobiodiversity integrated farm in Rangamati, Chittagong, Bangladesh

31/10/2024

খেতির জন্য মেট তৈরির কাজ শুরু।

22/08/2024

রাত জেগে জীবন ঝুঁকি নিয়ে যারা মানুষ ও গ্রহপালিত প্রাণীর জীবন বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তাদের জন্য অকুন্ঠ প্রার্থনা। প্রার্থনা রইলো বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বানভাসি মানুষের জন্য। সৃষ্টিকর্তা সবার প্রতি সহায় হোন।

10/08/2024

স্থানীয় ও দেশের ইংরেজি/বাংলা দৈনিকগুলোতে স্বাধীন সাংবাদিকতা (ফ্রিল্যান্স), কলাম লেখালেখি, মাইক্রোব্লগিং, কমিউনিটি সেবা করি বলে একই পেশাদারী ভিন্ন দেশির অনেকের সাথে সখ্যতা রয়েছে বিশেষকরে ভারতীয়, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার নাগরিকদের সাথে। এই ছবিটা আলাদাভাবে পাঠিয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের দুইজন ভারত ও কাতার প্রবাসী সাংবাদিক।

এমন না যে ছবিগুলো তারা পাঠানোর পর দেখছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, এক্স এর সুবাদে ছবিগুলো বারংবারে স্ক্রিনে এসেছে। মাঝেমাঝে তাদের দেশে কোন অশান্তি, বিক্ষোভ বা বিশৃঙ্খলা হলে আমি তাদের সংবাদপত্রের নিউজ কাটিং বা ফেসবুকের লিংক পাঠিয়ে তাদের উত্যক্ত বা টিজ করতাম। আমাকেও শুধু টিজ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে একভাবে বুঝতাম – তারা আমাকে টিজ করেনি, ভারী শব্দে এমন কিছু লিখেছে যা একজন মানুষ হিসাবে এটা হজম করা কঠিন ছিল।

গলায় পেঁচানো জাতীয় পতাকা আর হাতে একমাস পরে ৭৭ বছরে পদার্পণ করবে এমন একজন নারী যিনি দুই মেয়াদে ২০ বছর ২৩৪ দিন এই দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তার অন্তর্বাস নিয়ে উল্লাস। কোন জাতের প্রজনন আমরা? মানুষের বীর্য থেকে এমন পশুবৎ ও পশু-প্রকৃতির কেউ জন্ম নিতে পারে? সাইজে ভিন্ন হতে পারে হয়তো, এমন অন্তর্বাস ঠিক তার মা, বোনও পরে, আমার মাও পরতো, আমার বোনেরা পরে। আমাদের সমাজে নারীরা এসব অন্তর্বাস লোক চোখের অন্তরালে রাখে – জানিনা তার পরিবারে কীভাবে রাখে? শিক্ষিত আর সভ্য এক জিনিষ নয়। 'মান' আর 'হুঁশ' হারিয়ে রাজনৈতিক সুবিধাবাদী উন্মাদ মানুষগুলো দিনের পর দিন বর্বর, অসভ্য আর অমানুষ হয়ে যাচ্ছি!! আমাদের মগজে দুরারোগ্য অধঃপতন, ক্ষয়িষ্ণুতা ও ক্রমাগত অবক্ষয় ক্যান্সার রোগে বাসা বেঁধেছে।

আমাদের মত সাদা রাজনৈতিক সচেতন মানুষের সমস্যা হল আমরা সাদাকে কালো বলতে পারি না। যেদিন বেগম জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল এবং ফ্রিজ ও ঘরের বিভিন্ন ছবি প্রকাশ করেছিলো কিছু অতি-উৎসাহীরা সেদিনও বলেছিলাম “দিস ইজ অ্যাবসোলুটলি রং। সেদিনও সভ্য ছিলাম না, আজও অসভ্য রয়ে গেলাম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নাকি বলেছিলেন “মূর্খের দেশে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়, তারা তো ঠিকমতো কথাই বলতে জানেনা!” যদিও এটা একটা নিছক জনশ্রুতি বা গুজব – এখন ভাবছি কাশ! তিনি যদি সত্যিই বলে যেতেন শুধু ঠিকমতো কথা নয়, অসভ্যতা, অশিষ্টতা ও বন্যতায় আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী পৃথিবীতে দ্বিতীয় কেউ নেই।

ফিরছি ভিনদেশের মানুষের মন্তব্য নিয়ে। পাকিস্তানের সাংবাদিক লিখেছেন এ কেমন মুসলমান? দাঁড়িও আছে দেখছি!! প্রত্যুত্তরে আমি লিখেছিলাম-
For the past three decades, while representing my country abroad, I have continuously told you guys that I am exceedingly proud to be a Bangladeshi. Looking such this heinous photograph has made such a scaring impact on my mind that I will never be able to call myself a proud Bangladeshi. What we’ve celebrated today may remain a national humiliation causing us to keep our heads down in the decades to come.

09/08/2024

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন - অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমার অভিনন্দন জানানো দিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কিছু যায় আসে না তবুও ড. ইউনূসের ৪-৫ কিলোমিটার দূরত্বের প্রতিবেশী হিসেবে অভিনন্দন জানিয়ে আমার “ক্ষুদ্র ঋণ” পরিশোধ করলাম আরকি!!

◾️ গত জুলাই মাসের ১৫ তারিখ আপনি বলেছিলেন – “নিরপরাধ নাগরিককে খাঁচার ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে আদালতে, এটা অত্যন্ত অপমানজনক” আজ সেই খাঁচার চাবি আপনার হাতে। ১৫ জুলাইয়ে আসামীর কাঠগড়ায় আর ৮ আগস্ট রাষ্ট্র ক্ষমতায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বাদে ২৭টি মন্ত্রণালয় আপনার সরাসরি অধীনে। Nature has its powerful arsenal of weapons to take revenge. এখন আপনার হাতে দু’টো অপশন আছে ১) সেই খাঁচার সুরক্ষা দেওয়া ২) সেই খাঁচার বিলুপ্তি।
◾️ বাংলাদেশ নামক যেই রাষ্ট্রের জ্যোতি আপনি সারা বিশ্বে প্রদীপ্ত করেছেন সেই রাষ্ট্র ইচ্ছাকৃত-ভাবে হোক বা জেদের বশবর্তী হয়ে হোক- আপনার সাথে অবিচার করেছে, ন্যায়বিরুদ্ধতা করেছে (সেই কথাটি আমার মত একজন ক্ষুদ্র ও অপরিপক্ক লেখকসত্তা থেকে বারবার আমার বিভিন্ন লেখায় লিখেছি) কিন্তু আপনি সৃষ্টিকর্তার নামে শপথ নিয়েছেন জেদের বশবর্তী না হয়ে কিংবা রাগ-রোষের ঊর্ধ্বে থেকে দেশ পরিচালনার জন্য। আপনার কাছে পুরো বাংলাদেশ ও বিশ্বের অনেক প্রত্যাশা।
◾️ বিগত কয়েকদিনে নজিরহীন লুট, ডাকাতি, নরহত্যা, ধ্বংসোন্মাদনা, বর্বরতা, নিষ্ঠুরতা, পশুত্ব, পাশবতা, নৃশংসতার পাশাপাশি আমাদের ছাত্রসমাজকে দেখেছি দেশ গড়ার কাজে নিজেদের উদার মনে উজাড় করে দিতে। দেশের অলিগলি পরিষ্কার করে নতুন এক বাংলাদেশ দেখেছি। ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনায় নিজেরা অপ্রশিক্ষিত হয়েও খালি হাতে বিশ্বের উন্নত দেশের চেয়েও উন্নত ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা উপহার দিতে। মৌলবাদীদের লাগানো ব্যানার, দেওয়াল লিখন মুছিয়ে শিক্ষার্থীরা পুরো বাংলাদেশের দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতি এঁকে নতুন এক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চিত্র দেখিয়ে স্বপ্নে বিভোর করেছে আমাদের।
◾️ সেকেলের আর কারো দেখা স্বপ্নে বিমোহিত, বিনোদিত হতে চাই, আমরা নিজের স্বপ্ন নিজেরা দেখতে চাই। আমাদের ছেলে মেয়েরা নিজেদের স্বপ্ন নিজেরা দেখুক। এবার তারা নিজেদের স্বপ্নের সীমা ছাড়িয়ে যাক। বাংলাদেশ নিয়ে তাদের স্বপ্ন বাস্তবসম্মত, স্পষ্ট, এবং বেশ জ্যোতির্ময়। আপনার একটা বই পড়েছি “A World of Three Zeros” যেখানে আপনি শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য নেট কার্বন নির্গমনের উপর জোর দিয়েছেন। বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনি অন্য “তিন শূন্য” মেকানিজমকে প্রাধান্য দিতে পারেন -
১) বিচার ব্যবস্থায় সরকারের হস্তক্ষেপ “শূন্য”
২) পুলিশ বাহিনীর কার্যক্ষমতায় এবং পদোন্নতিতে রাজনীতিবিদদের হস্তক্ষেপ “শূন্য”
৩) দল, মত, রং, জাতি, ধর্ম, বর্ণ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নির্বিশেষে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সহনশীলতা “শূন্য”
---------------আজ এই পর্যন্ত – শুভ কামনা ------------------

05/08/2024

🇧🇩 ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে বসেও যেন “লাশের গন্ধ” শোঁকতে পাচ্ছি। প্রতিটা মৃত্যুর খবরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছি, অশান্ত হচ্ছি, বিশেষ করে গতকাল ১০৩ জনের প্রাণহানি, আরো বিশেষভাবে ১৩ জন পুলিশের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী পুলিশকে হত্যার বিষয়টি। বাংলাদেশ ও বাঙালির এই বীভৎস চেহারা আগে তো দেখিনি। রাজপথে হামলা-পাল্টা-হামলা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, গোলাগুলিতে মারা গেলে সেটা একভাবে দেখতাম। থানার ভিতরে গিয়ে এভাবে ব্যাপক-হত্যা (Mass murder) মনস্তাত্ত্বিকভাবে মেনে নিতে পারছি না। লেখালেখি কারো না কারো পক্ষে-বিপক্ষে যাবে তাই ভেবেছিলাম এই বিষয়ে আর লেখালেখি করবো না কিন্তু ৮-১০ ঘণ্টার ব্যবধানে ১০৩ মায়ের বুক খালি !!!- না লিখে পারলাম না।

🇧🇩 নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান দেখেছি, গত তিন শতকের গণ-আন্দোলনও দেখেছি কিন্তু এবারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া যেভাবে উজ্জীবিত, প্রবল সক্রিয় হয়েছে তা লক্ষণীয়, দৃষ্টান্তমূলক – এর পিছনে আন্দোলনকারীদের আধ্যাত্মিক শক্তি বা যাদু নেই বরং আছে মানুষের ক্রমাগত দুঃখকষ্ট, বেকারত্ব, মাত্রাতিরিক্ত দুর্নীতি, বিরক্তি, অসন্তোষ, বিদ্বেষ, মূল্যস্ফীতি – বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে সরকার দলীয় বেশিরভাগ নেতাকর্মীদের জুলুম, নিপীড়ন, নির্যাতন, অত্যাচারের "সম্মিলিত বহিঃপ্রকাশ" এই আন্দোলন। লগুলো কোথায় এবং কীভাবে হয়েছিলো - যদি সময় ও সুযোগ থেকে আওয়ামী লীগ দল হিসেবে বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করে দেখতে পারে।

🇧🇩 জনসভায় কতজন ভাড়া করে লোক আনা হয়েছে সেই হিসেব অনেক নেতাকর্মীদের আছে ঠিকই কিন্তু এই দেশে কতজন বেকার আছে, কতজনের ঘরের চুলা জ্বলে না, দিনে এবং রাতে - সেই হিসেব সাদা, কালো, লাল বা রঙিন কোন রাজনৈতিক দলের কাছে নেই। আমদের রাজনীতি এতই উচ্চাভিলাষী যে আমরা হাজারো লাশের স্তূপের উপর দিয়ে ক্ষমতায় যেতে বা থাকতে চাই।

🇧🇩 আপনার/আমার রাজনৈতিক বিশ্বাসগুলো আমাদের উপরের লেবেলে কিলো, তার উপরের লেভেলে কুইন্টাল এবং একেবারে শীর্ষ স্তরে টন হিসেবে বিক্রি হয়। আপনি আমি জাস্ট প্রোডাক্ট, আমাদের অনুভূতিগুলো আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন মাত্র। জাতি হিসেবে আমরা কতই "ক্ষমতার ক্ষুধাকাতর" গবেষকরা একদিন হয়তো এই বিষয়গুলো গবেষণা করবে।

🇧🇩🇧🇩 ফিরছি গর্ভবতী নারী পুলিশের হত্যা নিয়ে। আমি সেই শহীদ মায়ের গর্বের জন্ম না নেওয়া অজাত শিশুকে নিয়ে অনেক খুশি। প্রচণ্ড ঘৃণা, প্রবল সংঘাত, প্রবল দ্বন্দ্ব, অন্তর্বেদনার দেশে তাকে জন্ম নিতে হয়নি। জন্ম নিয়ে তার গায়ে রাজাকারের তকমা লাগেনি। প্রিয় দেশ, জীবনের প্রথম উপার্জন দেশের বাহিরে এসে করেছি – সেই থেকে ঘর্মাজিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে দেশ গড়ার অংশীদার হয়েছি। প্রতিদানে কিছু চাই নি, চাই না – শুধু দেশ ও দেশের মানুষ শান্তিতে থাকুক। আর যেন কোন মায়ের বুক খালি না হয়, কোন বোন যেন বিধবা না হয়।

31/07/2024

আওয়ামী লীগের জন্য ঘুমভাঙ্গার ডাক (Wakeup call)

জয়বাংলা সাইবার টিম, জয় সাইবার টিম, বঙ্গবন্ধু সাইবার টিম, শেখ হাসিনা সাইবার টিম বাহারি নামে কত সাইবার দোকান, সারাদেশের পাড়া-মহল্লা, রাস্তাঘাট, বাজার, ফেসবুক, আওয়ামী শিশু লীগ থেকে বয়স্ক লীগ, তরবারি থেকে তরকারি লীগ, অনলাইন থেকে আওয়ামী অনলাইন লীগ, জননেত্রী পরিষদ থেকে থেকে বিশ্ব আওয়ামী পরিষদ বাহারি সব নামে অসংখ্য দোকান। তাঁত শিল্প বিলুপ্ত হয়েছে অনেক আগে কিন্তু তাঁতী লীগ নেতা ও কমিটি আছে। কৃষক লীগের নিউইয়র্কে শাখা আছে। সবই হাওয়া হয়ে উড়ে গেল এক নিমিষে। এমনই হবে – এমন পূর্বাভাস দিয়ে লেখালেখি করে দলের অনেক নেতাকর্মী বিরাগভাজন হয়েছি তবুও লিখেছি। যাদের বিরাগভাজন হয়েছি তাদের অপমৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি কারণ গত ১৫ জুলাই থেকে তাদের ফেসবুক ওয়াল নীরব কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। পক্ষে-বিপক্ষে এক লাইন লেখা নাই। আওয়ামী লীগ কে আম্লিক বলা মানুষের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিলো।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি সরকার পরিচালনায় ব্যস্ত কিন্তু যার দল দেখার কথা ছিল তাকে দিয়ে রেখেছেন সবচেয়ে কর্মব্যস্ত মন্ত্রণালয়। কাশির আগে পাদ বের হয়ে যাওয়া এমন একজন যে হাটতে পারেন না, হাঁটলে তৃতীয় লিঙ্গের মত হাটে, মলদ্বার থেকে কোঁৎ মেরে সার্কাস্টিক কথাবার্তা বলা ৭২ বছরের এই দাদুর কথা এই প্রজন্ম অনুসরণ, অনুধাবন বা অনুগমন করবে কিনা তা বিবেচনা করেন।

টানা ১৬ বছর ক্ষমতায়, তারও আগে ২ বছর (২০০৬-২০০৮) ৩ উদ্দিনের শাসন। দেশের শাসনব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা (Governance and government systems) বোঝার ন্যূনতম বয়স যদি ১০ বছরও ধরি তাহলে যাদের বর্তমান বয়স ২৮ বছর তাদের অনেকে ১৯৯৬-২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার কথাও স্মরণ নেই। যা মনে পড়ে তা হল গতকালের, গত মাসের বা গত বছরের বেশিরভাগ ঘটনা। দুর্ভাগ্যবশত, অতীতের ঘটনার গতিপথ এতটা সুখকর নয়। সবমিলিয়ে আজকে ১৮ বছর বয়সের যুবক-যুবতী যারা ভোটার আইডি বানাচ্ছে তাদের জীবদ্দশায় বিএনপি-জামায়াতের গ্রেনেড-বোমাময় শাসনামল দেখেনি। তারা জানে না -
#২০০১ সালে পল্টন সমাবেশে বোমা হামলা, রমনা বটমূলে হুজির বোমা হামলা, গোপালগঞ্জের বানিয়ারচরের গির্জায় বোমা হামলা, নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলা, বাগেরহাটে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচারণায় বোমা হামলা, অধ্যক্ষ গোপালকৃষ্ণ মুহুরীকে হত্যা। #২০০২ সালে বৌদ্ধ ভিক্ষু জ্ঞানজ্যোতি মহাথেরাকে হত্যা, সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগের জনসভায় বোমা হামলা, সাতক্ষীরার বড়পুকুরে সার্কাস প্রাঙ্গণে বোমা হামলা, ময়মনসিংহের ৩টি সিনেমা হলে বোমা হামলা। #২০০৩ সালে টাঙ্গাইলের সখিপুরে মাজার-মেলায় বোমা হামলা, দিনাজপুর শহরে জামায়াতের জঙ্গিদের বোমা হামলা, খুলনায় বাণিজ্য মেলায় বিএনপি-জামায়াতের জঙ্গিদের বোমা হামলা, মহালছড়িতে চাকমা ও মারমাদের তিনশ বাড়ি পুড়িয়ে ২ জন হত্যা, ১০ জন নারীকে ধর্ষণ করে জামায়াত-শিবির-পন্থীরা। #২০০৪ সালে হযরত শাহজালালের মাজারে গ্রেনেড হামলা, খুলনায় পরিকল্পিত বোমা-হামলা, চাঞ্চল্যকর ১০ ট্রাক অস্ত্রের চালান, আহসানউল্লাহ মাস্টারকে হত্যা, ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা, সিলেটে আওয়ামী লীগের সভায় হুজির গ্রেনেড হামলা, ২১ আগস্ট ২০০৪- জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা। #২০০৫ সালে শেরপুর ও জামালপুরে জামায়াত বিএনপির সন্ত্রাসীদের বোমা হামলা, বগুড়া ও নাটোরে যাত্রা-পালা অনুষ্ঠানে জামায়াতের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের বোমা হামলা, হবিগঞ্জে বিএনপি জামায়াত সন্ত্রাসীদের গ্রেনেড হামলা, অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া হত্যা, লক্ষ্মীপুর-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম কোর্টে জেএমবির বোমা হামলা, ঝালকাঠি জেলা আদাতে বোমা-হামলা, চট্টগ্রামে হাইকোর্টে বোমা হামলা, গাজীপুরে আইনজীবী ভবনে বোমা হামলা, গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বোমা হামলা, নেত্রকোনায় উদীচী কার্যালয়ে বোমা হামলা, চট্টগ্রামে পুলিশ বক্সে বোমা হামলা - এই ইতিহাস এই প্রজন্মকে জানাতে না পারাটা আপনাদের সমষ্টিগত ব্যর্থতা।

শেখ হাসিনার বিকল্প সরকার কি আছে এই জাতির কাছে? এই আন্দোলন সরকার পতনের আন্দোলন ছিল না। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবীর সাথে ছিলাম, ধ্বংসযজ্ঞ বা সরকার পতনের সাথে নয়। শিক্ষার্থীদের দাবীর চেয়ে বেশি এই দেশের সর্বোচ্চ আদালত দিয়েছে। এই আন্দোলনে শিশু, শিক্ষার্থী, পদযাত্রী, পুলিশ এবং দাঙ্গাহাঙ্গামাকারী বা হুজুগে জনসাধারণ সহ সকল মৃত্যুর বিচারবিভাগীয় বা অন্তর্জাতিক তদন্ত শেষে দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

28/07/2024

একটু ঠেস মারার আড়ালে দেশের এক সাংবাদিক বন্ধু জানতে চাইলো চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আমি তেমন লেখালেখি করিনি যেমনটা ২০১৮ সালে করেছি। একই অনুযোগ অনেক বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুসারীও। ব্যাখ্যা করছি।

ম্যাসোসিজম (Masochism) আর স্যাডিজম(sadism) - শব্দ দুটো হুবহু বাংলা জানি না তবে সার্বিক অর্থ হলো ম্যাসোসিজম মানে নিজেকে নিজে ব্যথা দিয়ে সুখ অনুভব বা উপভোগ করা আর স্যাডিজম অন্য কাউকে ব্যথা দিয়ে উপভোগ করা বোঝায়। আমরা কমবেশি অন্যকে শারীরিক বা মানসিক বেদনা, কষ্ট, ব্যথা, হয়রানি বা অপমান করে নিজে আনন্দ পাই। এই প্রবণতা বেশি থাকলে ধরে নেবেন আপনি স্যাডিজম আক্রান্ত।

ধরুন, দুইজন রেসলার অথবা পালোয়ান একজন আরেকজনকে মেরে রক্তাক্ত করছে আর আপনি দর্শক সিটে বসে মার, আরও মার বলে চিৎকার করছেন অথবা সিনেমায় ভিলেনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করছে নায়ক, আপনি নিজেই মারছেন ভেবে পুলকিত হচ্ছেন, উল্লসিত হচ্ছেন তাহলে আপনি স্যাডিজম আক্রান্ত। সোলেমান নামে এক বন্ধুর পাশে বসে সিনেমা দেখতে পারিনি কখনো। পর্দায় ভিলেনকে মারার দৃশ্য দেখে সে আমাদের মেরে কাত করে দিত। এখন বুঝছি সে স্যাডিজম আক্রান্ত ছিল।

Haemophobia (হেমোফোবিয়া) বা Haematophobia (হেমাটোফোবিয়া-ব্রিটিশ ইংরেজি)- যার অর্থ হল রক্তপাতের প্রতি একটি অস্বাভাবিক এবং ক্রমাগত ভয় আর শেষের শব্দটা Necrophobia (নেক্রোফোবিয়া) মৃতের ভয়, লাশের ভয়। আমি হেমোফোবিয়া এবং নেক্রোফোবিয়া উভয়ে আক্রান্ত। রক্ত এবং লাশ দেখলে আমি পুলকিত হতে পারিনি, আলাদাভাবেও না – হোক না সেই লাশ বা রক্ত ছাত্রলীগের, সাধারণ ছাত্র কিংবা বা পুলিশ সদস্যের। উৎসাহিত না করতে ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রামে কোন রক্তাক্ত, সহিংস আক্রমণের ছবি বা ভিডিয়ো পাবলিশ করে না। আমারও নীতিবোধ ও বিচারবুদ্ধিতে একটা ফিল্টার আছে, আমি কারো মৃত্যুতে উচ্ছ্বাস করতে পারি না।

ছাত্রলীগ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র বা একজন উনিফর্ম পরা পুলিশ - সব মৃত্যুতে একটা মিল খুঁজে পাই; তা হল এসব মৃত্যুতে কারো না কারো বুক খালি হয়েছে, প্রিয়জনের শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। মৃত দেখে যেমন ব্যথিত হয়েছি তেমন ধ্বংসযজ্ঞ। তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশ হিসাবে এই ধরনের অগ্নিমূল্য ও বিলাসী ধ্বংসের সাক্ষী হওয়া আমাদের লজ্জার বিষয়। বহির্বিশ্ব থেকে সরকার এসব ভিক্ষা করে এনেছিল জনগণের সুবিধার জন্য – আগামীতে অনুপযোগী বা অবিবেচনাপ্রসূত জাতি মনে করে আমাদের ভিক্ষা দেওয়া যদি বন্ধ করে দেয় তাহলে তাজ্জব হবো না।

সায়ানের কন্ঠে গাওয়া গানটি বেশ জুতসই -

আজ নিচ্ছে ওজন, দেখছে বাঙালী
কোনটা বেশী ভারী
কোনটা পরিত্যাজ্য আর
কোনটা দরকারী
.......................
তর্কে নেমেছে, নেমেছে বাঙালী
আজকে কোমর বেঁধে
মাঝখানে পড়ে মরছে শিল্প
পাথর চোখে কেঁদে

25/07/2024

“একবার রা*জা*কা*র মানে চিরকাল রা*জা*কা*র; কিন্তু একবার মুক্তিযোদ্ধা মানে চিরকাল মুক্তিযোদ্ধা নয়। ” প্রথাবিরোধী এবং বহুমাত্রিক লেখক হুমায়ুন আজাদ।

শুরুতে সরকার ও দলের মতামতের বিপরীতে গিয়ে কোটা আন্দোলনের পক্ষে লিখেছি আমি - টাইমলাইনে জমা আছে। শুধু এবার নয়, ২০১৮ সালেও তাই করেছি। আমার কাছে এই দাবিটি যৌক্তিক ও সময়পোযোগী মনে হয়েছে। দাবীর সাথে সন্মতি আর আন্দোলনের সাথে একাত্মতা এক কথা নয়। যতক্ষণ দাবী ক্যাম্পাসের ভিতরে শিক্ষার্থীদের হাতে ছিল ততক্ষণ সাথে ছিলাম। থাকার কারণও রয়েছে। ১৯৭২ সালের দামাল মুক্তিযোদ্ধারা বেশিরভাগ বেঁচে নেই অথবা জীবনের শেষ প্রান্তে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী সাড়ে ৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধার জন্ম হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের পরে আর প্রায় আট হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করছে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় নিজে কিন্তু প্রতারণা বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার কারণে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, ভাতাও ফেরত নেয়নি।

মৃত্যুর কাফন মাথায় বেঁধে জীবিত ফিরে না আসার প্রত্যয় নিয়ে যারা এই দেশ স্বাধীন করেছিলো সেসব মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের ছেলেমেয়েরা সুবিধা পাক এই প্রশ্নে কারো অসম্মতি বা মতানৈক্য ছিল না কিন্তু তাদের নাতি-নাতনি!! বায়োলজিকালি বা জৈবিক-ভাবে দাদা’র ২৫% ডিএনএ আসে নাতি-নাতনির কাছে সেখানে পরিবর্তিত পৃথিবীতে নাতি-নাতনির ৩০% কোটা ন্যায্য ছিল না- তখনও বলেছি, এখনো বলছি। আজকে বাংলাদেশের সাথে কারো যুদ্ধ হলে শুধু কি মুক্তিযোদ্ধার নাতিনাতনিরা যুদ্ধে যাবে? বা মুক্তিযোদ্ধার পরিবার যুদ্ধে যাবে বিষয়টি কি এমন? যদি তাই হয় তাহলে সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীতে সবাই মুক্তিযোদ্ধার নাতিনাতনিরা ভর্তি হওয়া বাধ্যতামূলক হতো।

আমাদের পাশের দেশ ভারতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা না, ভাতা আছে। স্বতন্ত্রতা সৈনিক সম্মান যোজনা বা পরিকল্পনা (SSSY) যার মাধ্যমে জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা (স্বতন্ত্রতা সৈনিক), শহীদ মুক্তিযোদ্ধার আশ্রিত: বিধবা, বিপত্নীক, অবিবাহিত কন্যা (সর্বোচ্চ ৩ কন্যা), মাতা-পিতা তারা আর্থিক পেনশন পায়, চাকুরী না। এই পেনশন ২০২৬ সালের পরে বন্ধ করে দেওয়া হবে। ভারতে কোটা আছে তবে সেগুলো নির্ধারিত জাত ও উপজাত এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য।

ইবিআরসি’র মতে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ৭০ হাজার ৮৯৬ জন। মুক্তিযুদ্ধের পর সেক্টর কমান্ডার ও সাবসেক্টর কমান্ডারদের প্রকাশনা মতে মুক্তিযুদ্ধে নিয়মিত ২৪ হাজার ৮০০ এবং অনিয়মিত ১ লাখ ৭ হাজার সংখ্যা ছিল অর্থাৎ মোট ১ লাখ ৩১ হাজার ৮০০ জন। ২০০৩ ও ২০০৪ সালে জোট সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা ৪৫ হাজার বেড়ে দুই আলাদা গেজেট অনুযায়ী সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৫৯ হাজার জন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত গেজেট-ভুক্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দুই লাখ ৩৮ হাজার ৮৪১ জন। আমাদের দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পাল্লা দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাও বেড়েছে সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের জামাত-প্রেমও বেড়েছে।

রবীন্দ্রনাথ এক বক্তৃতায় মজা করে বলেছিলেন “নতুবা বরযাত্রী ও কন্যাপক্ষে ঝগড়া হলে বিবাহটাই পণ্ড হয়”। হয়েছে এমনটাই – আলোচনা হলে মুক্তিযোদ্ধা ৩০%, জেলা ১০%, নারী ১০% এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫% শতাংশ বিলুপ্ত না করে কমানো যেত। এখনের মত মুক্তিযোদ্ধা ৫%, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ১% ও তৃতীয় লিঙ্গ ১% নির্ধারণ হতো না। রবীন্দ্রনাথ আরও বলেছিলেন মতবিরোধ ভালো, কিন্তু তার প্রকাশের উপর একটা নিয়ম ও ভাষা আছে। একটা সহজ সমাধান চেয়েছিলাম, সহিংসতা নয়। আন্দোলনের নামে পিছনের দরজা দিয়ে আগুন-সন্ত্রাসী, ধর্মান্ধ ও উগ্রান্ধের অনুপ্রবেশের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ধ্বংসযজ্ঞ , সহিংসতা ও নৃশংসতা তো একেবারে নয়।

23/07/2024

বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। (সূত্র-বাংলাদেশের একাধিক টেলিভিশন)

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই বছর জানুয়ারি মাসে ১০ হাজার ২৯৬ জন, ফেব্রুয়ারি মাসে ৭ হাজার ৭৪৬ জন, মার্চে ৪ হাজার ৭১৮ জন, এপ্রিলে ৩ হাজার ৪৩২ জন, মে মাসে ৩ হাজার ৪৮ জন, জুনে ৪ হাজার ২২৫ জন – গত ৬ মাসে সর্বমোট ৩৩ হাজার ৪৬৫ জন মানে গড়ে প্রতিমাসে ৫ হাজার ৫৭৮ জন বাংলাদেশি আমিরাতে তাদের ভাগ্য বদলাতে এসেছে।

যাদের কারণে এতো সংখ্যক মানুষের আমিরাত আসা বন্ধ হলো তাদের প্রতি ঘৃণা আর ঘৃণা।

Photos from Meem Agrobiodiversity Integrated Farm's post 21/07/2024

আজ (২১ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল ও কলেজের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোঃ আনোয়ার খুরশীদ (অব.) ও অধ্যক্ষ মো. জুলফিকার আজাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ স্কুল ও কলেজ অভিভাবক ফোরাম – কাতারের একটি প্রতিনিধি দল।

এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের একমাত্র অভিভাবক ফোরাম বাংলাদেশ স্কুল ও কলেজ অভিভাবক ফোরাম - কাতারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে শিক্ষার্থীদের গুণগত শিক্ষা, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সন্তানদের প্রতি অভিভাবকদের সক্রিয় অভিনিবেশ সহ বিভিন্ন বিষয়ে ফোরামের পক্ষ থেকে স্কুল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা আশ্বাস দেওয়া হয়।

বৈঠকে অভিভাবক ফোরামের সভাপতি জনাব মোঃ শহিদুল্লাহ হায়দার, সাধারণ সম্পাদক জনাব নূর মোহাম্মদ (নূর), সহসভাপতি ইঞ্জি. কামরুল আহসান মিয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জি. আব্দুল মতিন ও ইঞ্জি. শফিকুল ইসলাম মুরাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

20/07/2024

কোটা ও আদ্যোপান্তঃ- শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। পরে এ কোটায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং তারপর নাতি-নাতনি যুক্ত করা হয়। বিপত্তিটা নাতি-নাতনিদের নিয়ে।

⦿ ১৯৭২ সাল - আওয়ামী লীগ সরকার কোটা ব্যবস্থার শুরু করেন – তখন মুক্তিযোদ্ধা, জেলা ও নারী কোটা ছিল। ২০ শতাংশ মেধা এবং বাকি ৮০ শতাংশ জেলা কোটা রাখা হয়। এই ৮০ শতাংশ জেলা কোটার মধ্য থেকেই ৩০ শতাংশ কোটা মুক্তিযোদ্ধা এবং ১০ শতাংশ কোটা যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য বরাদ্দ ছিল।
⦿ ১৯৭৬ সাল - কোটার ৪০ শতাংশ মেধা, ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, ১০ শতাংশ নারী, ১০ শতাংশ যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত নারী এবং বাকি ১০ শতাংশ কেবলই জেলার ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয় – ক্ষমতায় ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
⦿ ১৯৮৫ সাল - ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষদের কোটায় অন্তর্ভুক্ত করে এবং মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের পরিমাণ আরও বাড়ানো হয়। “১ম ও ২য় শ্রেণির পদসমূহের জন্য মেধাভিত্তিক কোটা ৪৫ শতাংশ এবং জেলাভিত্তিক ৫৫ শতাংশ - এই জেলাভিত্তিক কোটার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ এবং উপ-জাতীয়দের জন্য ৫ শতাংশ পদের সমন্বয় - ক্ষমতায় জাতীয় পার্টি
⦿ ১৯৮৫ সাল - কোটা বণ্টন অপরিবর্তিত রেখে কেবল ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় “উপযুক্ত মুক্তিযোদ্ধা প্রার্থী পাওয়া না গেলে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা”র জন্য তা বরাদ্দের আদেশ জারি করা হয়।
⦿ ২০০২ সাল - পরিপত্র জারি করে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বরাদ্দ কোটা বণ্টনের বিষয়ে আগের জারি করা পরিপত্রগুলো বাতিল করা হয় – এতে বলা হয় মুক্তিযোদ্ধা কোটার ৩০ শতাংশে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা তালিকার প্রার্থী থেকে নিয়োগ দেওয়া যাবে -ক্ষমতায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার।
⦿ ২০০৯ সাল - এই নির্দেশনাও বাতিল করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য নির্ধারিত কোটা পূরণ করা সম্ভব না হলে পদ খালি রাখার নির্দেশ দেয় – ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ।
⦿ ২০১১ সালে - এসময় মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যার পাশাপাশি নাতি-নাতনিদেরও ঐ ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় - ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ।
⦿ ২০১২ সাল - এক শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা যুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার – ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ।

কোটার পরিমাণ বেশি থাকায় এটি নিয়ে বরাবরই অসন্তোষ ছিল। ২০১৮ সালে দেশজুড়ে ছাত্র আন্দোলনের মুখে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে সরকার। তবে ২০২১ সালে ৭ জন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট করলে গত ৫ জুন এক রায়ের মাধ্যমে কোটা আবারও ফিরে আসে। এ রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে যা ৯ জুন চেম্বার আদালতে ওঠে। সেদিন চেম্বার আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ৪ জুলাই শুনানির জন্য নির্ধারণ করলেও সরকার শুনানীর তারিখ এগিয়ে আনার জন্য আজ ২১ জুলাই আবেদন করবেন।

⚫ শিক্ষার্থীদের দাবী -
১. সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বর্তমান কোটা ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করা।
২. কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া।
৩. সরকারি চাকরিতে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা নির্ধারণ।
৪. কোটায় কোনও ধরনের বিশেষ পরীক্ষা না রাখা।
৫. চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করা।

একটি যৌক্তিক দাবি যখন এত হিংস্রতা পায় যেখানে দেশের অগ্রযাত্রার প্রতীক মেট্রো রেলে আগুন, বিটিভি ভবনে ও রামপুরা পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন সহ শতাধিক মানুষের জীবন কেড়ে নেয় তখন সেটা আর কোটার আন্দোলন নয়, অন্যকিছুর আন্দোলন। এই আন্দোলন আর সেসব ছাত্রছাত্রীদের হাতে নেই যাদের প্রতি আমাদের গুণাট্য ও নীতিগত সমর্থন ছিল ।

18/07/2024

আমরা প্রবাসীদের তো ছেড়ে দেয় ভ্যাম্পায়ার বাদুড়ের দল। আমাদের পাঠানো টাকা ঘামার্জিত ও কষ্টার্জিত।

Want your business to be the top-listed Government Service in Rangamati?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Rangamati
1321