Total History Of Bhurungamari Thana/ Upazilla. "We want to connect people of Bhurungamari. We want to inform news of Bhurungamari."
This profile is non-political,unprofitable and result of voluntary action.We are some students of Bhurungamari whose love so much their birthplace & homeland. উপজেলার নামকরণ কিভাবে হল:
ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নামকরণের নির্ভরযোগ্য কোন তথ্য না থাকলেও লোক মুখে প্রচলিত আছে এই এলাকার রুই মাছ তিন শ্রেণীতে বিভক্ত। ৯র্ ইঞ্চির নিচের রুই পোনাকে ভূরুঙ্গা, ৯র্-১৮র্ পর্যন্ত ডেমনা এবং ১৮র্ ইঞ্চির উপরে রুই নামে অবহ
িত করা হয়। কথিত আছে প্রাচীন কালে এ অঞ্চলের নদী-নালা ও খাল বিলে ‘‘ভূরুঙ্গা’’ নামে পরিচিত ছোট আকারে প্রচুর রুই মাছ পাওয়া যেত। এই মাছ ধরতে দূর-দূরান্ত থেকে চলো ‘‘ভূরুঙ্গা মারতে যাই’’ এই কথা বলে লোকজন জড় হত। এ থেকেই এলাকাটির নামকরণ ভূরুঙ্গা মারা থেকে ভূরুঙ্গামারী নামে পরিচিতি লাভ করে বলে কথিত আছে। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা কুড়িগ্রাম জেলার সর্ব উত্তরে অবস্থিত। তিন দিকে ভারত বেষ্ঠিত এই থানার পশ্চিমে পশ্চিম বঙ্গের কুচবিহার জেলার দিনহাটা থানা, উত্তরে কুচবিহার জেলার তুফানগঞ্জ থানা, পূর্বে আসামের ধুবরী জেলার গোলকগঞ্জ থানা, দক্ষিণে কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানা। পূর্বে এটি থানা ছিল। ২৪/৩/১৯৮৩ সালে এটি উপজেলায় আপগ্রেড করা হয়।
Historical events During the war of liberation the Freedom Fighters of the upazila fought heroically. On 11 November 1971 in liberating Bhurungamari from the Pak occupant army 59 members of the Indian allied force including Major Ram Singh and five freedom fighters were killed. Having liberated Bhurungamari, on 20 November, a fierce direct encounter was held to liberate Raiganj in which more than one hundred member of the Pak army were killed and so were freedom fighter Lt Abu Sayed Muhammad Ashfaqus Samad (Bir Uttam) and some of his compatriots. Marks of the War of Liberation About 30-32 human skulls have been discovered from the back-side of the residence of Altaf Uddin Compounder of village Baghbhandar under Bhurungamari Union. Mass grave behind the residence of the TNO of Bhurungamari; mass killing site: backyard of the Hospital.
উপজেলার ভৌগোলিক অবস্থান:
উপজেলাটি ২৬০ উত্তর অক্ষাংশ হতে ২৬০ -১৫র্ উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত এবং ৯০-৩৫র্ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ হতে ৮৯০-৫৫র্ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। উপজেলাটির অধিকাংশ এলাকা সমতল ভূমি। কিছু অংশ নদী বিধৌত চর ভূমি। মাটি দোআঁশ ও এটেল দোআঁশ, কিছু বালু ভূমি আছে। জেলা সদর থেকে উপজেলার দুরুত্ব ৩৭কিঃমিঃ। রাজধানী ঢাকার দুরুত্ব ৪২০ কিঃমিঃ। জলবায়ু চরমভাবাপন্ন। উৎপাদিত ফসলের মধ্যে ধান, পাট, গম, সরিষা, আলু অন্যতম। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ছিটমহল- ১০টি, আয়তন ২২০.৩৯ একর, লোকসংখ্যা- ৭৯৭ জন।
ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ছিটমহল- ১৬ টি, আয়তন- ২,০২৯.৭৪ একর, লোকসংখ্যা- ৪,৬৫২ জন।
লোক সংখ্যাঃ
পুরুষ ঃ ৯৭,৭৭৫ জন।
মহিলা ঃ ৯৯,২৯৫ জন।
মোট ঃ ১,৯৭,০৭০ জন।
ভোটার সংখ্যা: পুরুষ ঃ ৬৫,৯৯২ জন মহিলা ঃ ৭১,৮২৬ জন
মোট ঃ ১,৩৭,৮১৮ জন।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ঃ ২.৬ মুসলিম জনসংখ্যা ঃ ১,৯৩,৬৩৬ জন। অমুসলিম জনসংখ্যা ঃ ৩,৪৩৪ জন।
কৃষি পরিবার ঃ ২৭,৯৭০ জন। অকৃষি পরিবারের সংখ্যা ঃ ১০,৫৮০ টি।
ভূমিহীন পরিবার সংখ্যা ঃ ৬,২৪০ টি (প্রায়)।
মোট পরিবারের সংখ্যা ঃ ৫০,৮৭৩টি।
শিক্ষা সংক্রান্ত:
কলেজ ঃ ৫টি। উচ্চ বিদ্যালয় ঃ ২৩ টি। বালিকা বিদ্যালয় ঃ ৫টি।
জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ঃ ১৯ টি।
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ঃ ৬২ টি।
বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ঃ ৪৪টি।
মাদ্রাসা ঃ ১৭ টি। শিক্ষার হার ঃ ৩১.৫%
পুরুষ শিক্ষার হার ঃ ৩৪.৯৩%
মহিলা শিক্ষার হার ঃ ২৪.৪৩%
যোগাযোগ ব্যবস্থা সংক্রান্ত:
মোট সড়ক পথ ঃ ৪১৭.৯৭ কিলোমিটার।
পাঁকা রাস্তা ঃ ৮২.৫৬ কিলোমিটার। কাঁচা রাস্তা ঃ ৩৩৫.৪১ কিলোমিটার।
সারা বৎসর ব্যাপি নৌপথ ঃ ৩৫ কিলোমিটার।
বর্ষার সময় নৌপথ ঃ ১১৫ কিলোমিটার।
পোষ্ট অফিস ঃ ৯টি।
টেলিফোন অফিস ঃ ১টি। ব্রীজ কালভার্টের সংখ্যা ঃ ৩১২ টি।
খাদ্য-শষ্য সংক্রান্ত:
বাৎসরিক মোট উৎপাদন ঃ ৪৮,৯৯২.০০ মেঃ টন।
বাৎসরিক মোট ভোগ ঃ ২৮,৪৪৯.৭৫ মেঃ টন।
বন সংক্রান্তঃ
সরকারী নার্সারীর সংখ্যা ঃ ১টি।
বেসরকারী নার্সারীর সংখ্যা ঃ ১৪ টি।
গবাদী পশু সংক্রান্ত: গবাদী পশুর সংখ্যা ঃ ১,২০,০০০টি।
হাঁস-মুরগীর খামারের সংখ্যা ঃ ১৯টি।
কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের সংখ্যা ঃ ১টি।
ভেটেরেনারী হাসপাতালের সংখ্যা ঃ ১টি।
মৎস্য সংক্রান্ত:
পুকুর/দীঘির সংখ্যা ঃ ১,২৬৫ টি।
জলমহালের সংখ্যা ঃ ২৫টি।
নার্সারী পুকুরের সংখ্যা ঃ ৩০টি।
অন্যান্য মৎস্য এলাকা ঃ ৩০টি।
বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন ঃ ১,০০০.০০ মেঃ টন।
বাৎসরিক মৎস্য চাহিদা ঃ ২,৫৫৫.০০ মেঃ টন।
শিল্প সংক্রান্তঃ
বিদ্যুৎ বিহীন কুটির শিল্পের সংখ্যা ঃ ৩টি।
জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত ঃ
বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারকারীর সংখ্যা ঃ ৯৫%
স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ঃ ১০০%
অন্যান্য তথ্যাবলীঃ
পাবলিক লাইব্রেরীর সংখ্যা ঃ ১টি।
প্রেসক্লাবের সংখ্যা ঃ ১টি।
তহশীল অফিসের সংখ্যা ঃ ১০টি।
কমিউনিটি সেন্টারের সংখ্যা ঃ ৮টি।
সিনেমা হলের সংখ্যা ঃ ১ টি।
বিদ্যুৎ সুবিধা প্রাপ্ত মৌজার সংখ্যা ঃ ২৭টি (আংশিক)
এনজিও এর সংখ্যা ঃ ১৪টি।
এতিমখানার সংখ্যা ঃ ৯টি।
সোনাহাট ব্রীজ :ভুরুঙ্গামারী উপজেলা সদর থেকে 5/6 কিঃ মিঃ পূর্ব দিকে বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নে সোনাহাট ব্রীজটি অবস্থিত | ১৮৮৭-১৮৮৭-তে ইংরেজরা তাদের সৈন্য ও রসদ চলাচলের জন্য লালমনিরহাট থেকে ভুরুঙ্গামারী হয়ে ভারতের মনিপুর রাজ্যে যাবার জন্য গোয়াহাটি পর্যন- যে রেল লাইন স’াপন করে তারই অংশ হিসাবে সোনাহাট রেলওয়ে ব্রিজ তৈরী করা হয়। ব্রিজটি প্রায় ১২০০ ফুট লম্বা। ১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধারা এই ব্রিজের একটি অংশ ভেঙ্গেদেয়। পরবর্তীকালে তা প্রেসিডেন্ট এরশাদ সরকারের আমলে কুড়িগ্রাম জেলার সাবেক গভর্নর কুড়িগ্রাম-১ আসনের তৎকালীন এম,সি, ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ,মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ভুরুঙ্গামারীতে ১ম উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম শামসুল হক চৌধুরীর প্রানের দাবী সোনাহাট ব্রীজ পুনঃ সংস্কারের আবেদন কয়েক বার জাতীয় সংসদে পেশ হলে কচাকাটার কৃতি সন্তান জাতীয় পার্টির সাংসদ মরহুম আ,খ,ম, শহীদুল ইসলাম বাচ্চুর সময়ে তা আবারও মেরামত করা হয়।এই ব্রিজটি দুধকুমর নদীর উপর র্নিমিত। বর্তমানে এটি সাধারন ব্রিজের মতোই ব্যবহৃত হচ্ছে।
কিভাবে যাবেন :বাংলাদেশের যেকোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রাম এসে ভুরুঙ্গামারী গামী লোকাল বাসে মাত্র ৪০ টাকা ভাড়ায় ভুরুঙ্গামারীতে নামতে হবে। পরে মাদার গঞ্জ গামী লোকাল বাসে মাত্র ৫ টাকা অথবা ১০ টাকায় অটোরিক্সা যোগে অথবা ১৫টাকায় রিক্সায় সোনাহাট ব্রীজে পৌছাতে পারবেন। সারাদিন ব্রীজ সহ আশেপাশের বৃটিশ আমলে দুধকুমর নদের ব্রীজ রক্ষায় ভারী পাথরের সমারোহ দেখে আপনার দু চোখ জুড়িয়ে যাবে। শীত মৌসুমে বাংলাদেশের অনেক ভ্রমন পিপাসু লোকজন এখানে পিকনিক করতে আসে। ব্রীজের ১ কিলোমিটার পশ্চিমে পাটেশ্বরী বাজারটিও বৃটিশ আমলে খুব জাকজমক পুর্ন ছিল। এখানে রেলওয়ে ষ্টেশন সহ কর্মচারীদের আবাসিক দালান কোঠা ইতিহাসের স্বাক্ষী হলে থাকা অবস্থায় বিগত বি,এন,পি,সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর নেতা কর্মীরা রেলওয়ের নিকট হতে নিলামে নিয়ে দালান কোঠা গুলো ভেঙ্গে নিয়ে গেছে। পাটেশ্বরী বাজারের কয়েক কিলোমিটার দুরেই রয়েছে ১৬৬০ সালে মীরজুমলা কর্তৃক নির্মিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মাদারঞ্জের প্রাচীন ঐতিহ্য : কুড়িগ্রাম জেলার কচাকাটা থানার মাদারগঞ্জের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনগুলো সরকারী উদ্যোগ ও সংস্কারের অভাবে এবং এশিয়া মহাদেশের বৃহৎ পর্বত শৃঙ্গ হিমালয় হতে বাংলাদেশে প্রবেশকৃত গঙ্গাধীর ও ব্র?হ্মপুত্র নদের করাল গ্রাসে হারিয়ে যেতে বসেছে। ইতিমধ্যে মাদারঞ্জের প্রাচীন ঐতিহ্যের মধ্যে রাজা কৃষ্নগীর সন্ন্যাসীর ইন্দিরা, মঠ ও অলৌকিক কর্ম সম্বলিত দীঘি, মাদারের পাটটিও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। প্রাচীন গ্রন্থ ও ইতিহাস পাঠে জানা যায় প্রাচীন কল্পকাহিনীর হজরত আলীর সন্তান বলে খ্যাত মাদারমনির পাঠটিতে হিন্দু ও মুসলমানেরা প্রাচীন কাল হতে পুজা ও আরাধনা করে আসছে। প্রতি বছরই ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে হাজার হাজার হিন্দু মুসলমানেরা বিশেষ সময়ে একত্র হলে বিশাল মেলা বসত। মাদারমনির পাঠটি গত বছর নদীতে বিলীন হলেও আজও স্মৃতি হিসাবে পুজা আরাধনা চলছে। হিন্দু শাস্ত্র মতে চৈত্র সংক্রান্তিতে ত্রি নদীর মোহনায় স্ন্যান করলে ১৪ কোটি বছরের পাপ মোচন হয়। অথচ ঐ স্থানটিও মাদার গঞ্জে অবস্থিত। স্থানটি বর্তমান মাদারগঞ্জের কালাডাঙ্গা কৃষনপুর জেলেপাড়া সংলগ্ন। দুঃখের বিষয় এ যাবৎ সরকারীভাবে কোন উদ্যোগ নেয়া হয় নাই । মাদারগঞ্জের ঐতিহাসিক নিদর্শন গুলোর মধ্যে রাজা কৃষনগীর সন্ন্যাসীর মঠ, অলৌকিক কর্ম সম্বলিত দীঘির একাংশ এখনও কালের সাক্ষী হয়ে আছে। এখনও বাংলাদেশ ভারতের অনেক পুন্ন্যার্থীরা চৈত্র সংক্রান্তিতে হাজার হাজার পুন্ন্যার্থীদের আগমন ঘটবে। হিন্দু শাস্ত্র মতে মাদারগঞ্জের অনেক বর্ননা মহাভারতেও বর্নিত রয়েছে। রাজা কৃষনগীর সন্ন্যাসী নিঃ সন্তান ছিলেন এবং গয়বাড়ি পরগনার রাজা শ্রীশ চন্দ্র নন্দীর মাদারগঞ্জ এলাকার জমিদারী পরিচালনা করতেন। বর্তমানে । রাজা কৃষনগীর সন্ন্যাসীর বংশধরদের মধ্যে শিবুরাম চক্রবর্তী ও তার বংশধরেরা বিশাল সম্পত্তি ভোগ করে আসলেও নদী গর্ভে সকল জমিজমা বিলীন হওযায় মানবেতর দিন যাপন করছে। যারা একবার মাদার গজ্ঞে এসেছে তাদের যাবার প্রাক্কালে মাদার মনি আজও হাতছানি দিয়ে ডেকে বলে কে আছ ? আমার ঐতিহ্যকে আকড়ে ধরে রাখ আজীবন আমার ইতিহাস শুনেও শেষ হবে না। ঘুরে আসুন পাটেশ্বরীর ২য় প্রাচীন সোনা ব্যাপারীর মসজিদ :
প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন হিসাবে ভুরুঙ্গামারী উপজেলার আনাচে কানাচে অনেক প্রাচীন নিদর্শন ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এদের মধ্যে আরেক মসজিদের নাম পাটেশ্বরী সোনা ব্যাপারীর তিন গম্বুজ মসজিদটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসাবে স্থান প্রাপ্ত। মসজিদটির ইতিহাস সম্পর্কে জানাগেছে, কুড়িগ্রাম জেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের ব্যাপারী টারী গ্রামে আনুমানিক ২৫০ বছর পুর্বে তৎকালীন এলাকার সম্ব্রান্ত মুসলিম পরিবার হিসাবে খ্যাত মাসুম ব্যাপারী, ওয়াহাব ব্যাপারী, ইছিম মামুদ ব্যাপারী এলাকায় নিজ উদ্দোগে একটি কাঁচা মসজিদ নির্মান করে। ১৯৪৭ সালে ব্যাপারী পরিবারের পরবর্তী বংশধর বাহার ব্যাপারীর পুত্র মুজির ব্যাপারী,আবুল হাসান ব্যাপারী, মেহার উদ্দিন ব্যাপারী ও ইছিমুদ্দিন ব্যাপারীর পুত্র আইনুদ্দিন ব্যাপারী সকলে মিলে ঐতিহাসিক তারা মসজিদের অনুকরনে তিন গম্বুজ বিশিষ্ট একটি সুদর্শনীয় মসজিদ নির্মান করলে মসজিদটির কারুকাজ দেখার এবং নামাজ আদায় করার জন্য প্রতি জুম্মাবার অসংখ্য মুসল্লিরা নামাজ পড়তে আসতো। ধীরে ধীরে মসজিদটির ইট ধ্বসে পড়ার উপক্রম হলে ব্যাপারী পরিবারের মেহারউদ্দিনের পুত্র ঢাকায় সচিবালয়ে চাকুরী করা কালীন নিজ অর্থায়নে মসজিদটির মুল গম্বুজ গুলো ঠিক রেখে সংস্কার করেন। বর্তমানে মসজিদ টি ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রাক-প্রাইমারী শিক্ষা কেন্দ্র চালু সহ নিয়মিত মুসল্লিরা নামাজ আদায় করে আসছেন। এমন মনোমুগ্ধকর মসজিদ ভুরুঙ্গামারীতে আপনার চোখে পড়বে না। কিংবদন্তি আছে এখানে অনেক জীন পরীরা রাতের বেলায় নামাজ পড়তে আসতো এবং অনেকের চোখে দৃষ্টিও হয়েছে। কোন দিন ভুরুঙ্গামারীতে বেড়াতে এলে এ মসজিদটি দেখতে ভুলবেন না।
আসার রাস্তাঃ বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে কুড়িগ্রামে এসে ভুরুঙ্গামারী গামী লোকাল বাসে মাত্র ৪০ টাকা ভাড়ায় ভুরুঙ্গামারীতে নেমে মাত্র ২০ টাকা রিক্সা ভাড়ায় এ মসজিদ টি দেখে যেতে পারেন। থাকার জন্য ভুরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী ও কুড়িগ্রাম সদরে ভালমানের নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা সহ অনেক আবাসিক হোটেল আছে । এছাড়া আপনি ডাকবাংলোতেও রাত্রি যাপন করতে পারেন