23/12/2013
“আমি রংপুরের সেই রনি রহমান’’
আমি রংপুরের সেই রনি রহমান
৭১ এ কুষ্টিয়ায় প্রথম শহীদান।
জিলা স্কুলের শিক্ষক দেওয়ান সাহেবের ২য় সন্তান
মা রহিমা খাতুন আমায় খুঁজিয়া বেড়ান।।
৭১'র ২১ ফেব্রুয়ারি প্রেসক্লাবে পতাকা তুলে
করি স্বাধীনতা ঘোষণা
রংপুরবাসী হতবাক হয়ে যায়
এ কার ঘটনা?
কৃষাণের ছদ্মবেশে চলে এলাম কুষ্টিয়ায়
মাটি-মানুষের ভালোবাসায়, সংগ্রামী চেতনায়।
হাত বোমা তৈরী করে পাকবাহিনী মারবো বলে
কুষ্টিয়ায় দামাল ছেলের সঙ্গী হলাম দলে দলে।।
সেনা ভর্তি গাড়ী উড়িয়ে দেয়ার প্রাক্কালে
আহঃ আহঃ আহঃ হটাত একটি গুলি বুকে লাগে
“নিজামত উল্লাহ সংসদ’’ এর ছাদে পড়ে যাই ঢলে।।
২৭ মার্চ ১৯৭১ সাল, সকাল ১১টার ঘটনা
বিপ্লবী স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ঘোষণা,
আকাশবাণী কলকাতা হতে জানায় মৃত্যুর বর্ণনা।।
সবাই শুনলো কিন্তু, মা রইল অজানা
১৬ ডিসেম্বর সবাই এলো, কিন্তু মা আমাকে পেলো না।
৩৫ বছর ধরে শুয়ে আছি কুষ্টিয়ায়,
বছরে একদিনও কেউ দেখতে আসে না আমায়।।
আরও দশ বছর বেঁচে থেকেও মা স্বীকৃতি পেলো না
চেষ্টা করেও জাতীয় তালিকায় মোর নাম এলো না।
দুঃখ করোনা বন্ধু তোমরা আমার এ বেদনায়
মায়ের দোয়ায় ভালো আছি আল্লাহর তালিকায়।।
(কবিতাটি শহীদ রনী রহমান স্মরণে ২৬ মার্চ ২০০৭ “শতাব্দীর আহ্বান’’, রংপুর ও “নিজামত উল্লাহ সংসদ’’, কুষ্টিয়ার সৌজন্যে প্রকাশিত হয়)
আমি রংপুরের সেই রনি রহমান, একাত্তরে কুষ্টিয়ায় প্রথম শহীদান
“আমি রংপুরের সেই রনি রহমান’’ আমি রংপুরের সেই রনি রহমান ৭১ এ কুষ্টিয়ায় প্রথম শহীদান। জিলা স্কুলের শিক্ষক দেওয়ান সাহেবের ২য় সন্তান মা রহিমা খাতুন আমায় খুঁজিয়া বেড়ান।। ৭১'র ২১ ফেব্রুয়ারি প্রেসক্লাব
23/12/2013
রংপুর থেকে প্রকাশিত এবং রংপুরের প্রথম জনপ্রিয় শিশুকিশোর পত্রিকা মাসিক বর্ণমালা এর ৬ষ্ঠ সংখ্যা আগামী জানুয়ারী (২০১৪) মাসে প্রকাশিত হবে। আপনারা যারা পত্রিকার গ্রাহক হতে চান তারা আমাদের অফিসিয়াল পেজে ম্যাসেজ করতে পারেন।
যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুনঃ ০১৭৩৮১৫১৪৭৭
মাসিক বর্ণমালা-শিশুপত্রিকা
Monthly Bornomala Is A Children Newspaper It Publish From Rangpur. Our Contact No : 01738151477 Or b
24/08/2013
~~ রংপুর জিলা স্কুলের মান্নান ভাই লাঞ্ছনার স্বীকার, স্কুলে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা~~
রংপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান রংপুর জিলা স্কুল । ১৮৩২ সালে যাত্রা করে প্রতিষ্ঠানটি । দেশের বড় বড় ব্যক্তিত্বরা পড়াশোনা করেছেন এ প্রতিষ্ঠানটিতে । উত্তরবঙ্গের নামকরা এ প্রতিষ্ঠানটির খ্যাতি দেশের সর্বত্র রয়েছে এমনকি বিদেশেও ।
রংপুর জিলা স্কুলের বটগাছের নীচে ৫৪ বছর ধরে ঝালমুড়ি বিক্রি করে আসছেন সবার প্রিয় মান্নান। সবাই তাকে ডাকেন মান্নান ভাই বলে। স্কুলের এক জীবন্ত ও অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন যুগ যুগ ধরে । স্কুলে যারা পড়েছেন এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবেনা যে তাকে ভুলে গেছেন । স্কুল থেকে বহু বছর আগে পাশ করে যাওয়া শিক্ষার্থীরা এখনও দেশের যে প্রান্তেই থাকুন না কেন খোঁজ নেন মান্নান ভাইয়ের । রংপুরে আসলে দেখা করে যান মান্নান ভাইয়ের সাথে । কিন্তু , সেই মান্নান ভাইকে এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না রংপুর জিলা স্কুলে । বটতলাটাও তাকে ছাড়া ফাঁকা ফাঁকা লাগে । বেশ কয়েক বছর আগে বিভিন্ন অজুহাতে মান্নান ভাইকে বটতলা থেকে সরিয়ে স্কুলের গেটের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তিনি সেখানেই ছিলেন ।
কিন্তু গত ৪-০৭-২০১৩ ইং তারিখে বেলা ১২ টা নাগাদ স্কুলের বাইরের দোকানপাট উচ্ছেদ অভিযান চলা কালে স্কুলের ভিতরে পুলিশ প্রবেশ করে এবং বর্তমান প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান আপেল এর প্রত্যক্ষ মদদে স্কুল থেকে মান্নান ভাইকে শারীরিক ভাবে লান্ঞ্চিত করে স্কুল গেটের বাইরে বের করে দেওয়া হয় । এ ব্যাপারে ঐ দিন সন্ধ্যায় ঐ স্কুলের শিক্ষক জনাব শফিয়ার রহমান এর সাথে কথা বলা হলে তিনি মান্নান ভাইকে পুনরায় স্কুলে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দেন । এই ঘটনাটাকে সম্পুর্ন পুলিশ প্রশাসনের নিজেস্ব কাজ বলে দাবী করেন । এদিকে গত ৮-০৭-২০১৩ তারিখে পুনরায় মান্নান ভাই স্কুলের ভিতরে প্রবেশ করলে প্রধান শিক্ষক জনাব মিজানুর রহমান আপেল পুলিশকে তা জানায় এবং কিছুক্ষন পরেই পুলিশ এসে মান্নান ভাইকে লান্ঞ্চিত করে স্কুল থেকে বের করে দেয় ।
এখন স্কুল খোলা । কিন্তু মান্নান ভাই স্কুলে প্রবেশ করতে পারেন না । এদিকে তার সংসারের অবস্থাও খুব খারাপ । বহুদিন থেকে কোন বেচা কেনা নেই । এমতাবস্থায় তিনি সকল প্রাক্তন এবং বর্তমান ছাত্রের সাহায্য কামনা করেছেন ।
20/05/2013
রংপুরের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, রংপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল মনসুর আহমেদের মরদেহ সোমবার বেলা বারোটায় রংপুর পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে আনা হলে সেখানে মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করে সকল রাজনৈতিক দল, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনসহ রংপুরের সর্বস্তরের জনতা। পরে সেখানে মরহুমের দ্বিতীয় নামাজে জানাজায় শরীক হন সকল স্তরের মানুষ। বাদ জোহর তাজহাট শরিফিয়া ইদগাহ মাঠে তৃতীয় জানাজা শেষে তাজহাট কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর দাফন কার্য সম্পন্ন করা হবে।
উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম সংগঠক ও রংপুর জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি জননেতা আবুল মনসুর আহমেদ গত রোববার রাত সাড়ে আটটায় রংপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।
09/05/2013
পরমাণু বিজ্ঞানী ডঃ এম ওয়াজেদ মিয়ার ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি » প্রজন্ম ব্লগ :: Projonmo Blo
নিজের সম্পর্কে বলা খুব কঠিন কাজ। খুব সাধারণ মানুষ আমি যার চাহিদা খুব বেশী নয়। খুব অল্পতেই খুশী হওয়ার একটা গুণ (!) আমার আছে। শিখছি এখনও এবং আজীবন শিখতে চাই। তবে "পণ্ডিত" হওয়ার কোন ইচ্ছা আমার নেই। বরং পণ্ডিত টাইপ মানুষদের থেকে সচেতন ভাবেই দূরে থাকার চেষ্টা করি। একটু ঠোঁট কাটা স্বভাবের জন্য আমাকে অপ...
09/05/2013
‘বাঙালিরা মুসলমান নয় দাফন-কাফনের দরকার নেই’ » প্রজন্ম ব্লগ :: Projonmo Blog
নিজের সম্পর্কে বলা খুব কঠিন কাজ। খুব সাধারণ মানুষ আমি যার চাহিদা খুব বেশী নয়। খুব অল্পতেই খুশী হওয়ার একটা গুণ (!) আমার আছে। শিখছি এখনও এবং আজীবন শিখতে চাই। তবে "পণ্ডিত" হওয়ার কোন ইচ্ছা আমার নেই। বরং পণ্ডিত টাইপ মানুষদের থেকে সচেতন ভাবেই দূরে থাকার চেষ্টা করি। একটু ঠোঁট কাটা স্বভাবের জন্য আমাকে অপ...
06/05/2013
আজ সাত মে, রংপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বেদনা বিধুর দিন। একাত্তুরের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী জুম্মার নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হওয়া মুসল্লীদের সারিবদ্ধভাবে হাত পিঠমোড়া করে বেঁধে গুলি করে হত্যা করে। শহীদ হন ৩২ জন নিরীহ মানুষ। যাদের হয়নি দাফন, জোটেনি কাফনের কাপড়। ধর্মের রক্ষক দাবীদারদের বর্বর পাক বাহিনী এমন বহু হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত করে রংপুরে। অথচ, বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণের নেই কোন কার্যকর উদ্যোগ। আজকের এই দিনে সেই সব শহীদের জানাই শশ্রদ্ধ সালাম।
৭ মে, লাহিড়ীরহাট গণহত্যা : জুমার নামাজ শেষে মুসল্লীদের নির্বিচারে হত্যা করলো পাক বাহিনী
০৭ মে, রংপুরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক বেদনা বিধুর দিন। ১৯৭১ এর এই দিনে রংপুর শহরতলীর লাহিড়ীরহাটে এক বর্বর হত্যাকাণ্ড চালায় পাক হানাদার বাহিনী। মুক্তিযুদ্ধে নয় মাস সারাদেশের মতো রংপুরেও পাকিস্তানি
18/04/2013
রংপুরবাসীর প্রিয় জররেজ ভাই। মুক্তিযুদ্ধে রংপুরের অন্যতম শহীদ, ২৩ মার্চ ১৯৭১ নবাবগঞ্জ বাজারের স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলক, রংপুরের গণ মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা শহীদ এ্যাডঃ এওয়াইএম ইয়াকুব মাহফুজ আলী (জররেজ) সাহবকে ২৭ মার্চ গ্রেফতার করা হয় মুন্সীপাড়ার বাসভবন থেকে। অমানুষিক নির্যাতনের পরে দখিগঞ্জ শ্মশান বধ্যভুমিতে অন্যদের সাথে গুলি করে হত্যা করে পাক বাহিনী। তারিখটি ছিল ০৩ এপ্রিল ১৯৭১।
রংপুরের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত এ্যাডঃ কাজী মোঃ এহিয়া সাহেব তার আত্মজীবনী "রাজনীতি আমার জীবন" এ লিখেছেন, পিতৃ মাতৃহীন জররেজ থাকতেন মুন্সীপাড়ায় চাচার বাসায়। ২৩ মার্চ পতাকা উত্তোলন করার কারণে তাঁর উপর ছিল গোয়েন্দাদের নজরদারি। এমন অবস্থায় ২৭ মার্চ কিছুক্ষণের জন্য কারফিউ প্রত্যাহার করা হলে শহীদ জররেজ বাজারে আসেন অসুস্থ চাচার জন্য ওষুধ নিতে। বাজার থেকে এক সাথে ফেরার পথে কাজী এহিয়া তাঁকে সতর্ক করেছিলেন বাসা ত্যাগ করার জন্য। কিন্তু তিনি রাজী হননি অসুস্থ চাচাকে বাসায় রেখে যেতে। কেরামতিয়া মসজিদ সংলগ্ন বাসায় তাঁকে রেখে কাজী এহিয়া কেবল মাত্র নিজ বাসায় (কেরামতিয়া স্কুল মোড়, কাজী জুন্নুনদের পরিবার) পৌঁছেছেন এমন সময় পাশের বাসার কে একজন দৌড়ে এসে বললেন জররেজকে আর্মি ধরে নিয়ে গেছে। শুনে কাজী এহিয়া সাহবে কোন রকমে একটি শার্ট গায়ে দিয়েই বাসার পিছন দিকের রাস্তা দিয়ে বাবুখার দিকে চলে যান। যাওয়ার পথেই দেখা পান কোন রকমে পুলিশকে ধোঁকা দিয়ে বাসা থেকে পালিয়ে আসা মোহাম্মদ আফজাল সাহেবের। তারপরে দুজনে দুই গন্তব্যে চলে যান।
চাচার প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে নিশ্চিত বিপদ জেনেও সরে জাননি শহীদ জররেজ। এই কারণেই তিনি মাত্র ৫৫ বছর বয়েসে হয় উঠেছিলেন রংপুরের সর্ব জন শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদ। তাঁর নামে নগরীর মূল সড়কের জেলা প্রশাসকের বাসভবন থেকে রাম মোহন মার্কেট পর্যন্ত অংশের নাম করণ করা হয় শহীদ জররেজ সরণী। জিলা স্কুলের ঝর্ণার মোড়ে স্কুলের দেয়াল সংলগ্ন ফুটপাতের পাশে এখন শহীদ জররেজ সরণী লেখা সেই ফলক আছে। এছাড়া একটি মার্কেটের নাম করা হয়েছে শহীদ জররেজ মার্কেট।
বাসার অবস্থান : কেরামতিয়া মসজিদের সামনে যে মাঠ সেই মাঠের দক্ষিণ পশ্চিম কোনে যে বাড়িটি সেটাই মুন্সীপাড়ার বড় বাসা। সেখানেই শায়িত আছেন রংপুরবাসীর প্রিয় জররেজ ভাই। বাসার গেটে লাগানো রয়েছে এই স্মৃতিফলক।
সৌজন্য : শাহ রিয়াদ আনোয়ার
24/03/2013
আজ ২৫ মার্চ, বিশ্ব মানবতার ইতিহাসের এক কালো দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে নজিবিহীনভাবে আদিম হিংস্রতায় মুক্তিকামী নিরস্ত্র মানুষদের উপরে ঝাঁপিয়ে পরে পাক হানাদার বাহিনী। হত্যা করে হাজার হাজার মানুষ। বিশ্ব মানবতার ইতিহাসে এমন নারকীয় হত্যাজজ্ঞের দ্বিতীয় কোন নজীর নেই। আজকের এই দিন গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য জীবন উৎসর্গ করা সেই সব শহীদদের। অভিবাদন। আমরা তোমাদের ভুলবো না।