12/02/2026
সাঘাটা–ফুলছড়ির জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আমার এই পোস্ট।
নির্বাচনের আগে বিষয়টি দেইনি—কারণ তখন রঞ্জুর সমর্থকরা বলত, এটা তার ভোটের ক্ষতি করার জন্য করা হয়েছে। বাস্তবে রঞ্জুর আশেপাশে যারা সবসময় থাকে, তাদের অধিকাংশই নেশাগ্রস্ত; তবে কিছু ভালো মানুষও আছেন, যারা গুলাম শহীদ রঞ্জুকে একজন মহান নেতা হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেন—তাদের জন্যই জানাচ্ছি নিম্নরূপঃ
১) ২০২৪ সালের নির্বাচনে ‘আতা’র কাছ থেকে নির্বাচনী কাজে সহযোগিতা করার শর্তে ১০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন।
২) একই নির্বাচনে ডেপুটি স্পিকারের কন্যা ফারজানা রাব্বি বুবলীর কাছ থেকেও বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেন।
৩) একই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহমুদ হোসেন রিপনের কাছ থেকেও অর্থ গ্রহণ করেন।
৪) এর চেয়েও ভয়াবহ ঘটনা হলো—গাইবান্ধা-০৫ আসনের উপনির্বাচনে প্রথমবার ভোট বাতিল হয়ে যায়। দ্বিতীয়বার উপনির্বাচনে রঞ্জু শর্ত দিয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও মহাসচিবের কাছ থেকে ভোট করার জন্য ২০ লাখ টাকা নেন। কিন্তু আড়ালে এমপি রিপনের কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা গ্রহণ করে তিনি মাঠে শুধুমাত্র ডামি প্রার্থী হিসেবে থাকেন।
সাঘাটা–ফুলছড়ির বাসিন্দারা যদি এর প্রমাণ চান, পরবর্তী পোস্টে আমরা রঞ্জুকে উন্মোচন করব। তাই সাঘাটা–ফুলছড়িবাসীর কাছে আমাদের প্রশ্ন—রঞ্জু সাহেবকে যেভাবে আপনারা মহান নেতা হিসেবে উপস্থাপন করতে চান, বাস্তবে তিনি তা নন। উপরে উল্লেখিত অর্থ লেনদেনের প্রমাণ আমাদের কাছেই আছে।
