Pirgachha J.N Model Government High School

Pirgachha J.N Model Government High School

Share

This is oldest School on PIRGACHHA. This is also most popular school in Pirgachha Upozella.

01/07/2025

"জুলাই ৩৬ – রক্তে লেখা এক সাহসের নাম।
যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, তাদের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা।
তাদের লড়াই আজও আমাদের প্রেরণা।" ✊🇧🇩

দিনগুলোর কথা মনে পড়লে এখনো দুচোখের অশ্রু ধরে রাখতে পারিনা 🥲🥲

#জুলাই৩৬ #সাহসিকতারগাথা #গর্ববাংলার ❤️

#বীরযোদ্ধা #বাংলাদেশ

28/06/2025

পীরগাছা জে এন উচ্চ বিদ্যালয় এর অতীত ইতিহাস
মরহুম সিরাজুল ইসলাম স্মরণে "

আজ থেকে প্রায় এক শতাব্দী আগে পীরগাছা জে এন উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রথম ভিততৈরি হয়েছিল তৎকালীন একটি গ্রাম্য সাধারন পাঠশালায়! একথা কেউ জানেন কী ?

কয় জনে বা জানেন, ৭৫ বছর আগে আজকের জে এন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়টি ঘটনাচক্রে একটি গোয়াল ঘরে পরিণত হচ্ছিলোই প্রায়!!
এরপর কি ঘটেছিল? সিরাজুল ইসলাম কিভাবে সেই গোয়াল ঘরে পা রাখলেন? এরপর একি করলেন তিনি ?
এমন সব তথ্য নিয়েই এই লেখাটি। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
*

১৯২৮ সাল।

আজ থেকে ৯৬ বছর আগের কথা। পীরগাছা মন্থনার জমিদার জ্ঞানেন্দ্রনারায়ণ এই অঞ্চলে শিক্ষার বিস্তার কল্পে তার জমিদার বাড়ির কাছেই একটি গ্রাম্য পাঠশালা স্থাপনের মনস্থ করেন। স্থাপনও করে ফেলেন। প্রথমে এটি মাইনর স্কুল বা পাঠশালা হিসেবে ছিলো। দিনকাল যেতে থাকে। জ্ঞানেন্দ্রবাবু ধীরে ধীরে এক পর্যায়ে স্কুলটিকে ১০ম শ্রেণী পর্যন্ত উন্নীত করে তোলেন।
বেশ কয়েক বছর পর এক সময় জমিদার বাবু পরলোক গমন করলে উত্তরাধিকার সূত্রে পোষ্য পুত্র ভূপেন্দ্র রায় মন্থনার জমিদারি প্রাপ্ত হন।

এই ভূপেন্দ্র বাবুও ছিলেন খুব শিক্ষানুরাগী সৎ ও জনহিতৈষী এক ব্যক্তি। তার যোগ্য পরিচালনায় হিন্দু মুসলিম ছাত্র শিক্ষক সমৃদধ ইস্কুটি পরিচালিত হয়ে আসছিল। কিন্তু তার পরেই আসে ১৯৪৭ সাল।

পাক ভারত বিভক্তির সন্ধিক্ষণে হিন্দু মুসলিম ভয়াবহ এক দাঙ্গার সূত্রপাত ঘটে। ভয়ে আতঙ্কে দিশেহারা অত্র অঞ্চলের প্রায় সকল হিন্দু পরিবার ভারতে পালিয়ে যেতে থাকে। ফলে এই বিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক সংখ্যা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়। প্রাতিষ্ঠানিক সকল কার্যক্রম বিপর্যস্ত ও স্থবির হয়ে পড়ে। এই অবস্থা চলছিল বেশ কিছুকাল যাবত।
জানা গেছে, এক পর্যায়ে এই জে এন উচ্চ বিদ্যালয়ে মাত্র ৪৭ জন ছাত্র অবশিষ্ট ছিল।
এই সময়ে ম্যানেজিং কমিটিতে ছিলেন তৎকালীন নাম করা ব্যক্তিত্ব আব্দুল গফুর সরকার, খন্দকার আব্দুল করিম মিয়া, আব্দুল হামিদ সরকার, ও আব্দুল মান্নান প্রমুখ বিশিষ্ট সমাজসেবী বিদ্বানুরাগী গন। তারা এবং স্থানীয় অন্যান্য বিশিষ্ট সব ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়ের এই চরম সংকটে মন্থনার জমিদার ভূপেন্দ্রনারায়ণের সাথে অনেক -- অনেক বার আলোচনায় মিলিত হয়েছিলেন। পীরগাছা জে এন উচ্চ বিদ্যালয়টিকে রক্ষা কলপে পীরগাছা বাসীরসাথে জমিদার ভূপেন্দ্র বাবুর সকল রকম আন্তরিক প্রচেষ্টার কোন ঘাটতি ছিল না। কিন্তু পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট এমনভাবে বদলে যেতে থাকে যে তাদের সব প্রচেষ্টাই একে একে ব্যর্থ হতে থাকে। জানা যায়, এক পর্যায়ে পীরগাছার শিক্ষা সচেতন বহু ব্যক্তির সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় জমিদার বাবু অপরিসীম দুঃখ বেদনায় হতাশ চিত্তে এক উক্তি করেছিলেন_ _
‘’দেখো যদি কিছুই করা না যায় তবে ওটিকে তোমরা গোয়াল ঘরে পরিণত কর।‘’

এসব ১৯৪৭ সালের ঘটনা।

অতঃপর ঘটনা ক্রমঃ
এমন পরিস্থিতিতেও তৎকালীন স্কুল ম্যানেজিং কমিটি কিন্তু হাল ছাড়েন নি। হঠাৎ তাদের দৃষ্টি পড়ে দামুর চাকলা হাসনা নিবাসী সিরাজুল ইসলামের দিকে। সিরাজুল ইসলাম তখন ডাক্তার বয়েজ উদ্দিন সরকার ফ্যামিলির একজন শিক্ষিত নবীন ব্যক্তিত্ব। সিরাজুল ইসলাম বিদ্যালয়টির এই সংকট অবস্থার কথা অবহিত ছিলেন। অবশেষে পীরগাছার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের আহবানে সাড়া দিয়ে ওই বছরই অর্থাৎ ১৯৫০ সালের ৫ই মে জে এন উচ্চ বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। একটি বিলুপ্ত প্রায় বিদ্যালয়কে এরপর নিজস্ব উদ্যোগে নবরুপ দেয়ার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে অক্লান্তভাবে শ্রম দিতে থাকেন। তারই ফলশ্রুতিতে ১৯৫২ সালের ব্যাচে সাত জন ছাত্রকে তিনি মেট্রিক পরীক্ষার্থী হিসাবে তৈরি করেন ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করান।
প্রত্যেককেই অত্যন্ত ভালো ভাবে উত্তীর্ণ হয়। এতে গোটা পীরগাছা অঞ্চলে এক আলোড়ন সৃষ্টি হয়ে যায়।

এখানে একটা কথা উল্লেখ করতেই হয় সেই আমলে পরীক্ষায় পাস ও ফেল দুটোই ছিল শিক্ষাঙ্গনের দুই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এখনকার মত পাশের এতো হিড়িক ছিলনা।
এমনই কড়াএক শিক্ষা প্রণালীর মাঝে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হওয়া সহজ কথা ছিল না। কিন্তু সিরাজুল ইসলামের সুদক্ষ প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও যথাযথ গাইডেন্সে ছাত্রদের এই অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছিল। ম্যানেজিং কমিটি ও তার এই অসামান্য কৃতিত্বের পুরস্কার স্বরূপ ওই বছরেই তাকে একটি সোনার পদক প্রদান করেন।

এভাবে জেএন উচ্চ বিদ্যালয়ের এক সময়ের ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটানোর মধ্য দিয়ে শুরু সিরাজুল ইসলামের শিক্ষকতা জীবনের এক সাফল্যময় কর্মজীবন। প্রকৃতপক্ষে তার কর্ম জীবন আলোচনা এক অর্থে বর্তমান পীরগাছা জে এন উচ্চ বিদ্যালয়ের অতীত ইতিহাস ছাড়া আর কিছুই নয়। মন থনার জমিদারের হতাশা মাখা সেই গোয়াল ঘরের উক্তি তিনি ৫০ থেকে ৭০ এই দুই দশকে অত্যন্ত সার্থকতার সাথে পীরগাছা জে এন বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নীত করেন। একদিকে প্রধান শিক্ষক আর একদিকে সর্বজন স্বীকৃত স্বনামধন্য একক এক প্রতিষ্ঠাতায় পরিণত হন।

আজকে জে এন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়টি রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের একটি নাম করা উচ্চ বিদ্যালয়। উত্তর জনপদের একটি শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। (উইকিপিডিয়া)

১৯৭০ সালের জুলাই মাসে সিরাজুল ইসলাম অবসর গ্রহণ করেন। ১৯৮১ সালের আগস্টে অসুস্থ হন। অক্টোবরের ২ তারিখে মৃত্যু বরণ করেন(ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)

আজ সিরাজুল ইসলাম বেঁচে নেই। কিন্তু আজও তার স্মৃতি অসংখ্য বিশিষ্টজনের হৃদয়ের মনি কোঠায় অম্লান হয়ে আছে। আজও হয়তো এমন অনেক ছাত্রছাত্রী আছে যারা উচ্চপর্যায়ে দেশ ও জাতির সেবা করেছেন, এখনো করে চলেছেন।

কে জানে হয়তো কখনো নিরবে-নিভৃতে আবেগ আপ্লুত হয়ে তারা বলতে ও চান -

নয়ন সম্মুখে তুমি নাই
নয়নের মাঝখানে নিয়েছো যে ঠাঁই

এই লেখনি তৈরিতে যারা গুরুত্ব পূর্ন তথ্য প্রদান করেছেন
(এক) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ( মজনু) অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পীরগাছা জে এন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
(দুই) খন্দকার মোঃ মতিয়ার রহমান
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জে এন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়
(তিন) পীরগাছার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এক কালিন সিরাজুল ইসলামের ছাত্র (পরলোকগত) আব্দুল করিম মিয়া
(চার) এক কালিন সিরাজুল ইসলামের ছাত্র
পীরগাছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সহকারি শিক্ষক সুকুমার চক্রবর্তী (গোপাল)

তথ্য সংগ্রহ কার্যে সার্বিক সহযোগিতায় মোহাম্মদ আলতাফ হোসেনঃ
শিক্ষক দেওয়ান ছালেহ দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসা

সবাইকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা

19/05/2025

আমরা কী সত্যিই বদলাতে চাই?

আমরা বাঙালিরা—ভালো কিছু দেখলেও চোখে পড়ে না, প্রশংসা করতেও কৃপণতা করি।
আর যদি কোনো খারাপ কিছু চোখে পড়ে, তখন যেন আমাদের একমাত্র কাজ হয়ে যায় সেটাকে হাজারগুণ বাড়িয়ে, প্রকাশ্যে টেনে এনে, গলা ফাটিয়ে অভিযোগ করা।

কেন এমনটা করি আমরা?

চিন্তা করে দেখলাম—আমরা প্রত্যেকেই ভাবি, "আমি তো ঠিক আছি, খাঁটি আমি; বাকিরা সবাই ভুলে ভরা!"
এই মানসিকতা থেকেই জন্ম নেয় অসহিষ্ণুতা।
কারো সামান্য ভুল দেখলেই যেন আমরা তাকে নাস্তানাবুদ করতে উঠে পড়ি।
কিন্তু নিজের ভুলগুলো? ওগুলো তো 'কারণ ছিল', 'পরিস্থিতি খারাপ ছিল', 'মন খারাপ ছিল' ইত্যাদি বলে হালকা করে দেই।

এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ড যদি না বদলাই, তাহলে জাতি হিসেবে আমরা কোথায় দাঁড়াব?

ভুল হবে—এটাই স্বাভাবিক।
ভুল থেকে শেখাই হলো প্রগতি।
যারা জীবনে সফল, তারা বারবার ভুল করে, বারবার শিখে উঠে দাঁড়ায়।
আর আমরা? একটু ভুল দেখলেই পুরো মানুষটাকে বাতিল করে দেই।

এখনই সময় আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর।
পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সামনে এগোনোই হলো মূল চাবিকাঠি।
নেগেটিভিটি দিয়ে শুধু হতাশা বাড়ে, সমাধান আসে না।

ভালোকে উদ্‌যাপন করুন। ভুল দেখলে গঠনমূলকভাবে বলুন।
জাতি গড়তে হলে, আগে মনটা গড়ুন।

আপনার কী মনে হয়?
কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

05/08/2024

Somoy TV
haaaha ha

11/02/2024
Photos from Pirgachha J.N Model Government High School's post 28/06/2022

৫০ হেক্টরে ধান হয়নি, পথে বসেছেন চাষিরা!
----------------------------------------------
চলতি বোরো মৌসুমে রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে কোনো ধান হয়নি। কৃষকদের অভিযোগ, দেশের দুটি কোম্পানির বীজের চারা রোপণ করেন তাঁরা। গাছ ভালো হলেও শেষ পর্যন্ত শিষ বের হয়নি। এতে শতাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এ ঘটনায় ৮ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে হাসান আলী নামে ক্ষতিগ্রস্ত এক কৃষক লিখিত অভিযোগ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে মাঠ পরিদর্শন করে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা বলেন, বোরো মৌসুমে পীরগাছা উপজেলার তালুক ইসাদ নয়াটারী ও নাগদহ গ্রামের শতাধিক কৃষক স্থানীয় দেউতি বাজারের মেসার্স শামীম সিড স্টোর থেকে পৃথক দুটি কোম্পানির হাইব্রিড জাতের প্যাকেট বোরো বীজ কিনে চারা করেন। এরপর সেই চারা তাঁরা অন্তত ৫০ হেক্টর জমিতে রোপণ করেন। গাছ বড় হলেও কোনো শিষ বের হয়নি।

এক একর জমি চুক্তি নিয়ে ধার করে ধান লাগিয়েছিলাম। কোনো ধান হয়নি। কীভাবে সংসার চলবে বুঝতে পারছি না।
নাজমুল ইসলাম, কৃষক
দেউতি গ্রামের কৃষক হাসান আলী বলেন, তিনি ধারদেনা করে নয়াটারী গ্রামে এবারে শুধু বোরো চাষের জন্য একরপ্রতি ৩ হাজার টাকা চুক্তিতে সাড়ে ১২ একর জমি বর্গা নিয়েছিলেন। ধানের ফলন না হওয়ায় তাঁর প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা গচ্চা গেছে। এ অবস্থায় তিনি পাঁচ সদস্যের পরিবার নিয়ে পথে বসেছেন।

ওই বীজের চারা রোপণ করে দেউতি, নয়াটারী ও নাগদহ গ্রামের শতাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কৃষক নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘এক একর জমি চুক্তি নিয়ে ধারদেনা করে ধান লাগিয়েছিলাম। কোনো ধান হয়নি। এবারে কীভাবে সংসার চলবে বুঝতে পারছি না।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বীজ বিক্রেতা শামীম হোসেন বলেন, কেন এমনটা হলো তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তবে বীজ কোম্পানির কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল আলম বলেন, কৃষকের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর সপ্তাহখানেক আগে তিনি বিষয়টি লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কৃষি কর্মকর্তাদের জানান। এরপর বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত জমি থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে গেছেন।

তাঁরা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দিলে বোঝা যাবে ধান না হওয়ার পেছনে সমস্যা কী ছিল। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার কৃষি অধিদপ্তর থেকে প্রতিনিধিদল এসে সরেজমিনে মাঠ পরিদর্শন করে গেছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রংপুর ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রাকিবুল আলম বলেন, কৃষকের ক্ষতির পরিমাণ বেশি। তাঁরা মাঠে গিয়ে কৃষক ও বীজ কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে নমুনা সংগ্রহ করেছেন। পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেবেন।

09/12/2021

👇👇👇

08/12/2021

😍👌

Want your business to be the top-listed Government Service in Rangpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Pirgachha
Rangpur
5050

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 16:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00