এক অপুর্ব সুন্দরী নারী এক কৃষক কে বলল আমি তোমাকে
বিবাহ করব ।
কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল । কৃষক দেরি না করে নারী কে নিয়ে কাজী অফিস গিয়ে বলল তাড়াতাড়ি
আমাদের বিবাহ দাও । কাজী নারীর
চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল।
কাজী বলে আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই নারীর উপযুক্তই না,আমি বিবাহ করিব । কৃষক আর কাজীর মধ্য ঝগড়া লেগে গেল ।
এক পর্যায় কৃষক আর কাজী বিচার নিয়ে গেল বাদশাহের দরবারে । বাদশাহ নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল । বাদশাহ বলেন তোরাতো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য বিবাহ আমি করিব । তখন নারী কে বলা
হল তুমি সিদ্ধান্ত দাও কাকে বিবাহ
করিবে? নারী সিদ্ধান্ত দিল, যে আমাকে দৌড়ে ধরতে পারবে আমি তাকে বিবাহ করিব।
নারী দৌড় দিল পিছে পিছে কৃষক
কাজী ও বাদশাহ দৌড় দিল। দৌড়াতে দৌড়াতে এক
সময় ছটফট করতে করতে কৃষক মারা গেল। তার কিছু দূর পর একই অবস্থায় কাজী টাও মারা
গেল। বাদশাহ নারী কে বলেন এখন
তো আমি একা, চল বিবাহ করিব।
তবুও নারী বলে না, আমাকে দৌড়ে
ধরতে হবে। তখন বাদশাহ বলেন, হে নারী দাড়াও, বল, আসলে তুমি কে?? নারী বলে আমি হলাম দুনিয়া । আমার মধ্য আছে সুধু
চাকচিক্য মোহ আর লোভ লালসা । আমার পিছে যে দৌড়াবে সে শুধু এভাবেই মরবে বিনিময়ে কিছুই
পাবে না।
Limonkhan
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Limonkhan, Public & Government Service, Sirajganj.
# আমি বৃষ্টির ফোটায় তোমায় দেখছি, জানিনা তুমি আমায় দেখছো কি ।
উদাসী বিকেল আর ক্লান্ত দুপুরে ভাবছি, যানিনা তুমি আমায় ভাবছ কি ।
কথা হয় দেখা হয়না, জানিনা জানিনা কেন?
ফোন হারানোর যন্ত্রণা সবাইকে কখনো না কখনো পেতে হয়েছে। সোফার খাঁজে লুকাল, নাকি অফিসের ফাইলপত্তরের ভেতর, নাকি বাসাতেই রেখে এলেন—নানা দুশ্চিন্তা ঘিরে ধরে আপনাকে। অন্য কোনো নম্বর থেকে ফোন করে নিশ্চিত হবেন, সে উপায়ও হয়তো নেই! নিজেই যে মোবাইলকে ‘সাইলেন্ট’ মুডে রেখেছিলেন কাজের সুবিধার্থে! এমন যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার সুযোগ গুগলই করে দিচ্ছে। শুধু এই পাঁচটি ধাপ অনুযায়ী চলতে হবে আপনাকে—
প্রথমেই আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে আপনি সুবিধাটা ব্যবহার করবেন কি না।১. আপনার অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের জন্য যে জিমেইল আইডি ব্যবহার করেন, সেটি মনে আছে তো? তবে কোনো কম্পিউটারে বসে প্রথমে এই ঠিকানাটা লিখুন (https://www. google. com/android/find)। সেখানে আপনার জিমেইল আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। তখন ফাইন্ড মাই ডিভাইস নামে একটা অপশন দেখাবে, যেটি ‘একসেপ্ট’ করলেই আপনার প্রাথমিক ধাপ শেষ।
২. আপনার ডিভাইসের লোকেশন অপশনটি চালু থাকলেই শুধু এ ধাপ কাজ করবে। সার্ভারে আপনার মোবাইলের ব্র্যান্ড ও মডেল নম্বরটি দেখে সেটি খুঁজে নেবে গুগল ম্যাপ। মোবাইল থেকে পাওয়া তথ্য সার্ভারের মাধ্যমে গুগল ম্যাপে দেখিয়ে দেওয়া হবে। মনে রাখবেন, এখানে কিন্তু সম্ভাব্য কাছাকাছি লোকেশনই দেখানো হবে।
৩. মোবাইলকেও যদি আপনার এলাকাতেই দেখানো হয়, সে ক্ষেত্রে বাঁ দিকে থাকা (PLAY SOUND) অপশনটি ব্যবহার করুন। এর ফলে কম্পিউটার থেকেই আপনার মোবাইলে রিংটোন বাজানো যাবে। মোবাইল সাইলেন্ট মুডে থাকলেও কোনো সমস্যা নেই, পাঁচ মিনিট ধরে নিজেকে জানান দেবে মোবাইল।
৪. কিন্তু মোবাইল যদি সত্যিকারেই হারিয়ে যায় এবং দ্রুত খুঁজে পাওয়ার সুযোগও যদি খুঁজে না পান, সে ক্ষেত্রে আপনি মোবাইল লক করে দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে পারেন। একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করে দিতে পারবেন সেট। উদ্ধারের পর সে পাসওয়ার্ড দিয়ে সেট আনলক করে নিতে পারবেন।
মোবাইল হারিয়ে গেলে এই তিনটি সুযোগ হাতে পাবেন আপনি।৫. কিন্তু সেট উদ্ধারের সব আশাই যদি জলাঞ্জলি দিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে এটাই আপনার শেষ আশ্রয়। মোবাইলে থাকা মহাগুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেন অন্য কারও হাতে না পড়ে, সে ব্যবস্থাও নিতে পারেন। (ERASE DATA) অপশনটি ব্যবহার করে, মোবাইলের সব ডেটা মুছে ফেলতে পারবেন। মোবাইল যদি অফলাইনে থাকে, তবে যখনই অনলাইনে আসবে, সঙ্গে সঙ্গে সব তথ্য মুছে যাবে। তবে এর ফলে গুগলের সাহায্য নিয়ে আর সেট খুঁজে পাওয়ার উপায় খোলা থাকবে না। তবে সেট খুঁজে পেলে জিমেইল আইডি দিয়ে আবারও ব্যবহার করতে পারবেন সেই সেট।
চোখ মারা নয়,চোখের জল
মুছার নাম LovE !!!
টাচ নয় অনোভবে অন্তরে ছোয়ার
নাম LovE !!!
জড়িয়ে ধরা নয়,মায়ায় বেধে
রাখাই LovE !!!
Kiss করা নয়, Miss করাই
LovE !!!
একটি শিশুর বিয়ে হচ্ছে। ছবি: ইউটিউব থেকে নেওয়া।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত ১৫ বছরে দুই লাখেরও বেশি শিশুর বিয়ে হয়ে গেছে। বাল্যবিবাহ হওয়া এসব শিশুর মধ্যে ১০ বছর বয়সী তিনটি মেয়েশিশু এবং ১১ বছর বয়সী একটি ছেলে শিশুও রয়েছে। প্রচলিত আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক এসব শিশুর বিয়ে অনুমোদন দেয় দেশটি। সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের জন্য নির্ধারিত সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর। তবে প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে এ ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়। যেমন মা-বাবার সম্মতি বা গর্ভাবস্থার কারণে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ের অনুমোদন দেয় দেশটি।
এ বছরের মে মাসে নিউ জার্সির প্রভাবশালী রিপাবলিকান গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি বাল্যবিবাহ রোধে আনা একটি আইনে সই করতে অস্বীকৃতি জানান। ক্রিস্টির দাবি, আইনটি ধর্মীয় রীতিনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তবে ক্রিস্টির বিরোধিতার পরও বিলটি ইতিমধ্যে দেশটির আইনসভার উভয় কক্ষ অনুমোদন দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে অন্তত ২ লাখ ৭ হাজার ৪৬৮টি বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে। বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করা এমন কিছু সংস্থা এবং এ-সংক্রান্ত অনুসন্ধানী তথ্যচিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্রন্টলাইন’-এর জরিপে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাল্যবিবাহের বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ হতে পারে। কারণ, দেশটির ১০টি অঙ্গরাজ্য বাল্যবিবাহ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য অথবা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে। ফলে বাল্যবিবাহের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
বেসরকারি সংস্থা ‘আনচেইন্ড’-এর প্রতিষ্ঠাতা ফ্রাইডে রেইস বলেন, বাল্যবিবাহ-সংক্রান্ত নিউ জার্সির তথ্য-উপাত্ত পেয়ে তিনি প্রকৃত অর্থে ‘ধাক্কা’ খেয়েছিলেন। কারণ, তাঁরা যে যে তথ্য-উপাত্ত পেয়েছিলেন, তা ছিল ভয়াবহ। ১৯৯৫ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে সেখানে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে।
‘এটি আমার চিন্তা-ধারণার বাইরে ছিল’ উল্লেখ করে ফ্রাইডে রেইস আরও বলেন, ওই সব বিয়ের ক্ষেত্রে অধিকাংশেরই বয়স ছিল ১৩ বছর এবং তাদের বিয়ে হয় প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের সঙ্গে।
আলাস্কা, লুইজিয়ানা ও সাউথ ক্যারোলাইনায় শিশুদের ১২ বছরের বিয়ের অনুমোদন আছে। অপর ১১টি অঙ্গরাজ্য ১৩ বছরে বিয়ে করা অনুমতি আছে। এক হাজারের বেশি শিশু, যাদের বয়স ১৪ বছর বা নিচে, তারা বিয়ের অনুমতি পেয়েছে।
দেশটির বেশির ভাগ অঙ্গরাজ্যে যৌনসম্মতির বয়স ১৬ থেকে ১৮ নির্ধারণ করা আছে। কোনো ব্যক্তি যদি শিশুর সঙ্গে যৌন সংসর্গে লিপ্ত হয়, তবে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণেরও অভিযোগ আনা যাবে। তবে বাল্যবিবাহের এসব ঘটনা বিচারক দ্বারা অনুমোদিত হয়ে থাকে। ফলে যৌন নির্যাতনের নানান অভিযোগ সেভাবে প্রকাশ্যে আসে না।
জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ১৪ শতাংশ শিশু তাদের জীবনসঙ্গী হিসেবে প্রায় সমবয়সীদের পেয়েছে। অধিকাংশ শিশু যাদের বিয়ে করেছে, তারা ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সের ব্যক্তি। এদের মধ্য ৬০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ২০-এর মধ্য।
আলবামা অঙ্গরাজ্যে দেখা গেছে, ১৪ বছরের এক শিশুর সঙ্গে ৭৪ বছরের এক বৃদ্ধের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওহাইওতে ১৭ বছরের শিশুর সঙ্গে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের বিয়ের ঘটনা ঘটেছে।
দেশটির তাহিরিহ বিচারকেন্দ্র সহিংসতার শিকার নারীকে আইনি সেবা প্রদান করে। এ সংস্থা আইনজীবী জেনে স্মুথ বলেন, শিশুর বিয়ের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এরা সাধারণত দরিদ্র পরিবার থেকে আসা। সংস্থাটি বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছে।
জেনে স্মুথ আরও বলেন, ‘প্রায় সব তথ্য-প্রমাণ নির্দেশ করছে যে নগরের মেয়েরা তরুণদের বিয়ে করতে পারছে না। মধ্যবিত্ত বা ধনী পরিবার থেকে আসা মেয়েরাও তরুণদের বিয়ে করতে পারছে না। এটি একটি গ্রামীণ প্রপঞ্চ এবং এটি দারিদ্র্যের কারণে ঘটছে।’
গেল মাসে নিউইয়র্ক ১৭ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিয়ে নিষিদ্ধ করেছে। এর আগে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের বাবা-মা ও আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী বিয়ের অনুমতি পেত।
একটি শিশুর বিয়ে হচ্ছে। ছবি: ইউটিউব থেকে নেওয়া।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গত ১৫ বছরে দুই লাখেরও বেশি শিশুর বিয়ে হয়ে গেছে। বাল্যবিবাহ হওয়া এসব শিশুর মধ্যে ১০ বছর বয়সী তিনটি মেয়েশিশু এবং ১১ বছর বয়সী একটি ছেলে শিশুও রয়েছে। প্রচলিত আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক এসব শিশুর বিয়ে অনুমোদন দেয় দেশটি। সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের জন্য নির্ধারিত সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর। তবে প্রতিটি অঙ্গরাজ্যে এ ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেয়। যেমন মা-বাবার সম্মতি বা গর্ভাবস্থার কারণে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ের অনুমোদন দেয় দেশটি।
এ বছরের মে মাসে নিউ জার্সির প্রভাবশালী রিপাবলিকান গভর্নর ক্রিস ক্রিস্টি বাল্যবিবাহ রোধে আনা একটি আইনে সই করতে অস্বীকৃতি জানান। ক্রিস্টির দাবি, আইনটি ধর্মীয় রীতিনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তবে ক্রিস্টির বিরোধিতার পরও বিলটি ইতিমধ্যে দেশটির আইনসভার উভয় কক্ষ অনুমোদন দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ২০০০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে অন্তত ২ লাখ ৭ হাজার ৪৬৮টি বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে। বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করা এমন কিছু সংস্থা এবং এ-সংক্রান্ত অনুসন্ধানী তথ্যচিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘ফ্রন্টলাইন’-এর জরিপে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
বাল্যবিবাহের বাস্তব চিত্র আরও ভয়াবহ হতে পারে। কারণ, দেশটির ১০টি অঙ্গরাজ্য বাল্যবিবাহ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য অথবা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে। ফলে বাল্যবিবাহের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
বেসরকারি সংস্থা ‘আনচেইন্ড’-এর প্রতিষ্ঠাতা ফ্রাইডে রেইস বলেন, বাল্যবিবাহ-সংক্রান্ত নিউ জার্সির তথ্য-উপাত্ত পেয়ে তিনি প্রকৃত অর্থে ‘ধাক্কা’ খেয়েছিলেন। কারণ, তাঁরা যে যে তথ্য-উপাত্ত পেয়েছিলেন, তা ছিল ভয়াবহ। ১৯৯৫ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে সেখানে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে।
‘এটি আমার চিন্তা-ধারণার বাইরে ছিল’ উল্লেখ করে ফ্রাইডে রেইস আরও বলেন, ওই সব বিয়ের ক্ষেত্রে অধিকাংশেরই বয়স ছিল ১৩ বছর এবং তাদের বিয়ে হয় প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের সঙ্গে।
আলাস্কা, লুইজিয়ানা ও সাউথ ক্যারোলাইনায় শিশুদের ১২ বছরের বিয়ের অনুমোদন আছে। অপর ১১টি অঙ্গরাজ্য ১৩ বছরে বিয়ে করা অনুমতি আছে। এক হাজারের বেশি শিশু, যাদের বয়স ১৪ বছর বা নিচে, তারা বিয়ের অনুমতি পেয়েছে।
দেশটির বেশির ভাগ অঙ্গরাজ্যে যৌনসম্মতির বয়স ১৬ থেকে ১৮ নির্ধারণ করা আছে। কোনো ব্যক্তি যদি শিশুর সঙ্গে যৌন সংসর্গে লিপ্ত হয়, তবে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণেরও অভিযোগ আনা যাবে। তবে বাল্যবিবাহের এসব ঘটনা বিচারক দ্বারা অনুমোদিত হয়ে থাকে। ফলে যৌন নির্যাতনের নানান অভিযোগ সেভাবে প্রকাশ্যে আসে না।
জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ১৪ শতাংশ শিশু তাদের জীবনসঙ্গী হিসেবে প্রায় সমবয়সীদের পেয়েছে। অধিকাংশ শিশু যাদের বিয়ে করেছে, তারা ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সের ব্যক্তি। এদের মধ্য ৬০ শতাংশের বয়স ১৮ থেকে ২০-এর মধ্য।
আলবামা অঙ্গরাজ্যে দেখা গেছে, ১৪ বছরের এক শিশুর সঙ্গে ৭৪ বছরের এক বৃদ্ধের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওহাইওতে ১৭ বছরের শিশুর সঙ্গে ৬৫ বছরের বৃদ্ধের বিয়ের ঘটনা ঘটেছে।
দেশটির তাহিরিহ বিচারকেন্দ্র সহিংসতার শিকার নারীকে আইনি সেবা প্রদান করে। এ সংস্থা আইনজীবী জেনে স্মুথ বলেন, শিশুর বিয়ের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এরা সাধারণত দরিদ্র পরিবার থেকে আসা। সংস্থাটি বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছে।
জেনে স্মুথ আরও বলেন, ‘প্রায় সব তথ্য-প্রমাণ নির্দেশ করছে যে নগরের মেয়েরা তরুণদের বিয়ে করতে পারছে না। মধ্যবিত্ত বা ধনী পরিবার থেকে আসা মেয়েরাও তরুণদের বিয়ে করতে পারছে না। এটি একটি গ্রামীণ প্রপঞ্চ এবং এটি দারিদ্র্যের কারণে ঘটছে।’
গেল মাসে নিউইয়র্ক ১৭ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিয়ে নিষিদ্ধ করেছে। এর আগে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের বাবা-মা ও আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী বিয়ের অনুমতি পেত। তথ্যসূত্র: ইনডিপেনডেন্ট।
জীবন হচ্ছে সফলতা-ব্যর্থতার পালাবদলের এক অবিরাম ধারা। কোনো একটি কাজে ব্যর্থ হওয়া মানে শেষ হয়ে যাওয়া নয়। এ জন্য আত্মহত্যা করাটা বোকামি। পরীক্ষায় ব্যর্থতা বা যেকোনো ব্যর্থতার পর কেউ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে, কেউ তীব্র নেতিবাচক আবেগে বিস্ফোরিত হয় (এরাই আত্মহত্যার চেষ্টা নেয়), আবার কেউ সাময়িক আপসেট থাকে মাত্র। কে কোন ধরনের আবেগীয় প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা অনেক দেহ-মনো-সামাজিক কারণের ওপর নির্ভর করে।
যারা পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে বা হবে, তাদের মনে রাখা ভালো, পৃথিবীর অনেক সফল, বিখ্যাত ব্যক্তি পড়াশোনায় তেমন ভালো করতে পারেননি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল, বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন, স্টিভ জবস, বিল গেটস, এমনকি আইনস্টাইন।
"রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন"
==================================
রেগে গেলে মানুষ কীভাবে হেরে যায় তার একটি চমৎকার আমেরিকান গল্প আছে। এক মার্কিন ধনকুবেরের একমাত্র সুন্দরী কন্যা। কন্যার ছেলে-বন্ধুর কোনো অভাব নেই। অভাব থাকার কথাও নয়, একে তো সুন্দরী তারপর ধনকুবেরের মেয়ে।
মেয়ের যখন বিয়ের বয়স হলো বাবা তাকে বললেন, এখন তো তোমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বলো তোমার কাকে পছন্দ। যাকে পছন্দ তার সাথেই তোমার বিয়ের ব্যবস্থা করবো।
মেয়ে পছন্দ প্রকাশে অপারগতার কথা জানালো। বলল আমি কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। কারণ সবাই বলে তারা আমাকে ভালবাসে। আমার জন্যে প্রয়োজনে জান দিয়ে দেবে। বাবা চিন্তায় পড়ে গেলেন। কী করা যায় ভাবতে ভাবতে বুদ্ধি বেরিয়ে এলো। মেয়ের সাথে আলাপ করে বাবা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন- প্রতিযোগিতা হবে। প্রতিযোগিতায় যে প্রথম হবে তাকেই মেয়ে বিয়ে করবে।
প্রতিযোগিতার দিন দেখা গেল শতাধিক যুবক সুন্দর পোশাকে পরিপাটি অবস্থায় ধনকুবেরের বাড়িতে এসে উপস্থিত। ধনকুবের সবাইকে বাড়ির সুইমিং পুলে নিয়ে গেলেন। সুইমিংপুলের পাশে সবাইকে দাঁড় করিয়ে বললেন, দেখো, প্রতিযোগিতা খুব সহজ। সাঁতার প্রতিযোগিতা হবে। সাঁতারে যে প্রথম হবে তার সাথেই আমার মেয়ের বিয়ে দেব। তবে সুইমিং পুলে ঝাঁপ দেয়ার আগে ভালো করে খেয়াল করো।
পানির নিচে বহু কুমির অপেক্ষা করছে। আর এই কুমিরগুলোকে এক মাস ধরে কোনো খাবার দেয়া হয় নি। ধনকুবেরের কথা শেষ হতে না হতেই দেখা গেল যে, এক যুবক পানিতে পড়ে চোখ বন্ধ করে দুই হাত পা নাড়ছে। কুমিররা কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেই যুবক ভাগ্যক্রমে কিছুক্ষণের মধ্যেই সুইমিংপুলের ওপারে গিয়ে উঠেছে। ঘটনার আকস্মিকতায় সবাই হতবাক।
বিস্ময়ের ঘোর কাটতেই ধনকুবেরের মেয়ে দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরলো যুবককে। বিস্ময়াবিষ্ট কষ্ঠে বলল, "তোমার মত বীরকেই আমি চাচ্ছিলাম। তুমিই আমার স্বামী হওয়ার একমাত্র উপযুক্ত।"
"এদিকে যুবকের রাগ তখনও থামেনি। উত্তেজনায় হাত-পা কাঁপছে। এক ঝটকায় মেয়েটিকে দূরে ঠেলে দিয়ে যুবক চিৎকার করে উঠল,
-"কোন ... জাদা আমাকে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দিয়েছিলো? তাকে আগে দেখে নেই।"
সুন্দরী স্ত্রী ও ধনকুবেরের সম্পদ ঐ যুবকের হাতের মুঠোর চলে এসেছিলো। ধাক্কা যে-ই দিক, সে সুইমিং পুল অতিক্রম করে সবার চোখে বিজয়ী বীর বলে গণ্য হয়েছিলো, কিন্তু শুধুমাত্র রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় সৌভাগ্য এসেও তা হাতের নাগালের বাইরে চলে গেল।
অথচ রাগ দমন করতে পারলে, ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি অনুসারে সিদ্ধান্ত নিতে পারলে সে অনায়াসে মুচকি হেসে বলতে পারতো, ‘পুরুষ তো আমি একাই, ওরা আবার পুরুষ নাকি!’
নিজের জীবন অনুসন্ধান করলেও আপনি হয়তো দেখতে পাবেন অনেক সুযোগ নষ্টের পিছনে রয়েছে আপনার রাগ, ক্ষোভ ও অভিমান। তাই সবসময় স্মরণ রাখুন ‘রেগে গেলেন, তো হেরে গেলেন’।
২০৩০ সালে যা ঘটতে
পারে........
…
…
…
→মেয়ের বাবাঃ- আমার মেয়ে
আপনার
ছেলেকে পছন্দ করে'
বিয়ে করতে চাই।
…
…
…
→ ছেলের বাবাঃ- অসম্ভব ঐ
বখাটে মেয়ের হাতে আমার
ছেলেকে কিছুতেই
তুলে দিতে পারি না। রাত দিন
আড্ডা মারবে রাস্তাঘাটে আর
পাড়ার
ছেলেদের টিজ করে
বেড়াবে।
পাড়ার
ছেলেরা তার জন্যে ঘর
থেকে বের
হতে চায় না। সেই সহজ সরল
লজ্জাবতী ছেলেটাকে ঐ
মেয়ের
হাতে 'আমি বাবা হয়ে কিছুতেই
তুলে দিতে পারব না।
…
…
…
→ মেয়ের বাবাঃ- বুঝেছি সহজ কথায়
কাজ হবে না। তাহলে, আপনার
ছেলের
সাথে আমার মেয়ের সেই রুম
ভিডিও
টা নেটে ছেড়ে দিবো। দরকার
হলে আপনার ছেলের মুখে
এসিড
মারবো।
…
…
…
→ ছেলের বাবাঃ -
ইয়ে আচ্ছা আপনি যা বলবেন তাই
হবে দয়া করে আমার ছেলের
এত্তবড়
সর্বনাশ করবেন না।
আমি এমন কাউকে হারিয়েছি যে আমাকে ভালোবাসে নি; আর তুমি এমন কাউকে হারিয়েছো যে তোমাকে ভালবেসেছিল।
মেয়ে: তুই একটা পাগল।
ছেলে: হুম তোর জন্য।
মেয়ে: যা দুষ্ট।
ছেলে: আমি তোর দুষ্ট। শুধু তোর।
মেয়ে: ভালোবাসিস?
ছেলে: কোনো সন্দেহ আছে নাকি?
মেয়ে: হ্যাঁ আছে।
ছেলে: কিসের সন্দেহ?
মেয়ে: একদিন আমাকে ভুলে যাবি জানি।
ছেলে: আর কি জানিস?
মেয়ে: আর জানি অনেক দূরে হারিয়ে যাবি।
ছেলে: আর?
মেয়ে: আর জানি আমাকে একটুও মিস করবি না।
ছেলে: আর?
মেয়ে:আর বলবো না যাহ্।
ছেলে: বল না শুনি। খুব ভালো লাগছে শুনতে।
মেয়ে: ভালো তো লাগবেই সত্য কথা যে।
ছেলে: কানের নিচে দুইটা খাবি।
এতো বেশি বেশি বুঝিস কেনো?
মেয়ে:রেগে যাচ্ছিস কেনো?
ছেলে:রাগ করিনি ব্যথা পেয়েছি।
মেয়ে:কোথায় দেখিতো।
ছেলে: বুকে কান লাগিয়ে দেখ...
ব্যথায় ভেতরটা কাঁদছে।
মেয়ে:কই দেখি?
হাতটা সরা জড়িয়ে ধরে শক্ত করে বুকে মাথা রাখি।
ছেলে: আয় বুকে আয়...
এভাবেই বুকে রাখবো তোকে সারা জীবন
যখন ২য় শ্রেণীর ছাত্র বলে,
ছেলেঃ i love you.
মেয়েঃ যাও, আমার চকলেটের ভাগ দেবোনা।.
যখন ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র,
ছেলেঃ i love you.
মেয়েঃ ছিঃ কী বলছো এসব? লজ্জা শরম নাই?
যখন ৯ম শ্রেণীর ছাত্র,
ছেলেঃ i love you.
মেয়েঃ আস্তে বলো, কেউ শুনে ফেলবে তো।
যখন কলেজের ছাত্র,
ছেলেঃ i love you.
মেয়েঃ চলো কফি হাউজে যাই।.
যখন ভার্সিটির ছাত্র,
ছেলেঃ i love you.
মেয়েঃ বিয়ে করবে কবে?.
বিয়ের পর,
স্বামীঃ i love you.
স্ত্রীঃ হয়েছে হয়েছে, এত ঢং দেখাতে হবেনা।
যখন এক সন্তানের বাবা,
স্বামীঃ i love you.
স্ত্রীঃ কী বলছো, বাবু শুনে ফেলবে তো।.
স্বামী যখন দাদু,
স্বামীঃ i love you.
স্ত্রীঃ দিন দিন ছোট হচ্ছো নাকি?
ভালোবাসা সত্যিই ভালোবাসা, যার কোনো তুলনা হয়না, হয়না ব্যাখ্যা। স্থান, কাল, পাত্রভেদে ভালোবাসা সবসময়েই রোমান্টিক.............
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
6700
