১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল ভোর রাতে সিরাজগঞ্জ শহরে পাক বাহিনী ঢোকে। মেজর মোহাম্মদ আরিফ পাক বাহিনীর কমান্ডিং অফিসার স্বচক্ষে সিরাজগঞ্জ জেলখানার বীভৎস্য চেহারা দেখার পর সিরাজগঞ্জ শহর ও গ্রামের ১০ মাইল পর্যন্ত জ্বালিয়ে দেয়ার হুকুম দেন। ঐদিন ভোর রাত হতে সিরাজগঞ্জ শহর ও আশপাশের গ্রাম সমূহ দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। ২৭-২৮ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ শহরের সকল দোকান পাট, আবদুল্লাহ
আল মাহমুদ এভিনিউ, ধানবান্ধি, আটাচড়া, হোসেনপুর, রৌহাবাড়ী, মালশাপাড়া, পুঠিয়াবাড়ী, মীরপুর, রায়পুর, চর রায়পুর, রহমতগঞ্জ, ভাঙ্গাবাড়ী, রানীগ্রাম, দোয়াতবাড়ী, কোবদাসপাড়া, সয়াগোবিন্দ, মাহমুদপুর, মাছিমপুর, গুণেরগাঁতি প্রভৃতি পৌর মহল্লার অসংখ্য নিরীহ নাগরিকের বসতগৃহ ভস্মীভূত করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধ ও সিরাজগঞ্জ মহকুমা
মুক্তি সংগ্রাম আমাদের জাতীয় জীবনে এক অবিষ্মরণীয় অধ্যায়। সিরাজগঞ্জের আপামর জনসাধারণ স্বাধীনতার শক্তিতে উজ্জীবিত হয়ে এই সংগ্রামে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের প্রথম ভাগেই স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত, যানবাহন, রেলস্টীমার, মিল কারখানা সব বন্ধ রাখতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ঘোষণা দেন ও আওয়ামীলীগ কর্মীবৃন্দ সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন। আওয়ামী সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি ছিলেন মরহুম মোতাহার হোসেন তালুকদার এমএলএ এবং সদস্য সচিব ছিলেন জনাব আনোয়ার হোসেন রতু। একই সাথে জেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়, যার আহবায়ক ছিলেন আলমগীর। ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে ৩ মার্চ, ১৯৭১ জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তৎকালীন ছাত্র নেতা জনাব এম.এ রউফ পাতা প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
৮ মার্চ, ১৯৭১ তারিখ হতে আওয়ামী সংগ্রাম পরিষদ এবং ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে কলেজ মাঠ ও স্টেডিয়াম মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাথমিক অস্ত্র প্রশিক্ষণ শুরু হয়। কলেজ মাঠে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আনসার কমান্ডার আব্দুর রহমান, ল্যান্স নায়েক লুৎফর রহমান অরুন এবং রবিউল ইসলাম (গেরিলা)। স্টেডিয়াম মাঠে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী আনসার কমান্ডার বাহাজ আলী, সেনা সদস্য আমজাদ হোসেন ও রাইফেল ক্লাবের সদস্য জহুরুল ইসলাম মিণ্টু ।
পাক বাহিনী যাতে সিরাজগঞ্জে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য শাহজাদপুর উপজেলাধীন বাঘাবাড়ী ফেরীঘাটে স্থানীয় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তৎকালীন মহকুমা প্রশাসক শহীদ শামসুদ্দিন উক্ত প্রতিরোধ যুদ্ধে সার্বিকভাবে অংশ গ্রহণ করেন। এমনকি তিনি অস্ত্রাগার হতে সকল অস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে তুলে দেন। প্রবল প্রতিরোধের কারণে এক মাস পর ২৬ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ শহরে পাক হানাদার বাহিনী প্রবেশ করে। পাক বাহিনী প্রবেশ করেই নির্বিচারে শহরের ঘর-বাড়ী জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়, লুটতরাজ করে, নিরীহ জনগনকে হত্যা, ধর্ষণ এবং নির্যাতন করতে থাকে।
পাক সেনারা সিরাজগঞ্জ দখল করার পর মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধারা উচচতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং আধুনিক অস্ত্রের জন্য বিচ্ছিন্নভাবে ভারতে গমন করেন। ভারতে প্রশিক্ষণগ্রহণ শেষে মুক্তিযোদ্ধাগণ সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েন এবং পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা ও সম্মুখ যুদ্ধে লিপ্ত হন। উল্লেখযোগ্য যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে যুব শিবিরের নেতৃত্বে ভদ্রঘাট, ব্রক্ষ্মগাছা ও নওগাঁর যুদ্ধ। এ যুদ্ধ উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম যুদ্ধ ছিল। ৭ নং সেক্টরের এফ উইং এর নেতৃত্বে কাজিপুর থানা দখলের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা দুবার থানা আক্রমণ করেন এবং বড়ইতলীতে পাক সেনাদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ সকল যুদ্ধে বেশ কিছু পাকসেনা হতাহত হয় এবং সাত জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।
৭ নং সেক্টরের এফ উইং এর নেতৃত্বে বেলকুচি থানা দখলের জন্য আরও একটি ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং মুক্তিযোদ্ধারা থানার দখল গ্রহণ করে থানার সকল অস্ত্র হেফাজতে নেন এবং ১২ জন রাজাকারকে গ্রেফতার করেন। এতে দুইজন মুক্তিযোদ্ধা আহত হন। বেলকুচির রাজাপুর, শমেসপুর ও কালিয়াহরিপুর ব্রীজে এফএফদের নেতৃত্বে পাক সেনাদের সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। পলাশডাঙ্গা যুব শিবির, এফএফ ও বিএলএফ এর মুক্তিযোদ্ধাগণ একে একে তাড়াশ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া ও শাহ্জাদপুরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে পাক বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে ঐ সকল এলাকা দখল করে নেয়। সবশেষে ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১ সিরাজগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাগণের অধিকাংশ দল একত্রে সিরাজগঞ্জ শহরের উত্তরে শৈলাবাড়ি পাক হানাদার ক্যাম্প আক্রমণ করেন। এখানে সিরাজগঞ্জ এর সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে পাক বাহিনী পরাজিত হয়ে পশ্চাদপসরণ করে এবং তারা ব্যাপকভাবে হতাহত হয়। তাছাড়া ইঞ্জিনিয়ার আহসানুল হাবিব ও সোহরাব আলীসহ ছয় জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। অবশেষে মিত্র বাহিনীর কোনরূপ সহায়তা ছাড়াই ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সিরাজগঞ্জ এর বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ সিরাজগঞ্জ শহরকে এবং ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ সমগ্র সিরাজগঞ্জকে শত্রুমুক্ত করেন। সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্নস্থানে পাক বাহিনীর সাথে সম্মুখ ও গেরিলা যুদ্ধে যে সকল মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধা নেতৃত্ব প্রদান করেছিলেন তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মরহুম মোতাহার হোসেন তালুকদার এমএলএ, মরহুম আব্দুল মোমিন তালুকদার এমএলএ, সৈয়দ হায়দার আলী এমপিএ, মরহুম রওশনুল হক এমপিএ, আনোয়ার হোসেন রতু, মরহুম শহিদুল ইসলাম তালুকদার, মরহুম আমির হোসেন ভুলু, মরহুম আব্দুল লতিফ মির্জা, আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, আব্দুস সামাদ, ইসমাইল হোসেন, জহুরুল ইসলাম তালুকদার, গোলাম হায়দার খোকা, আবু মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, মোজাফ্ফর আহমেদ, ইসাহাক আলী, এম এ রউফ পাতা, বিমল কুমার দাস, শেখ আলাউদ্দিন, সোহরাব আলী, আমজাদ হোসেন মিলন, লুৎফর রহমান অরুণ, খ ম আকতার হোসেন, ফজলুল মতিন মুক্তা, টি এম শামীম পান্না, মরহুম শাহ্জাহান আলী তারা, মরহুম ইসমাইল হোসেন, শফিকুল ইসলাম শফি, কে এম হোসেন আলী হাসান, আবু ইউসুফ সূর্য্য প্রমুখ।
১৯৭১’র ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে আমরা স্বাধীনতার রক্তসূর্য পতাকা ছিনিয়ে এনেছি। পেয়েছি স্বাধীনতা, একটি মানচিত্র। লাখো বাঙালীর রক্তে কেনা স্বাধীনতার মধ্যে রয়েছে অনেক আখ্যান, আছে বহু মানুষের আত্মবলিদানের ইতিহাস। এই আখ্যানে সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি গণহত্যা। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও শান্তি কমিটি পরিকল্পিতভাবে নিরস্ত্র বাঙালীকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। এই গণহত্যার মর্মন্তুদ কাহিনী আমদের নাড়া দেয়। সারাদেশের মতো ১৯৭১ এ সিরাজগঞ্জেও চালিয়েছিল গণহত্যা।
সিরাজগঞ্জের সেই গণহত্যার কাহিনী আমরা হারিয়ে ফেলছি। প্রায় দু’বছর অনুসন্ধানের পর একটি তালিকা সংগ্রহ করতে পেরেছি। সিরাজগঞ্জ জেলার শহর বন্দর গ্রামে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও এদেশীয় দোসর যে গণহত্যা চালিয়েছে সেই মর্মন্তুদ কাহিনী বর্ণনা স্বল্প পরিসরে সম্ভব নয়। যেটুকু সংগৃহীত হয়েছে তা নগণ্য যতটুকু পেরেছি সত্যকে তুলে আনার চেষ্টা করেছি। অনেক ক্রুটি বিচ্যুতি থাকতে পারে সংশোধনের দায়িত্ব আমাদের সকলের।
সিরাজগঞ্জ সদরের হরিণাগোপাল, বাগবাটি, পিপুলবাড়িয়া, ঢলডোব গণহত্যা। পিতা পুত্রকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে। রাজাকার, আলবদর বাহিনী ও শান্তি কমিটির নেতৃবৃন্দ উল্লাস করেছে।
সিরাজগঞ্জ শহরের প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে একয়েকটি গ্রাম। ১৯৭১’র ৩১শে মে একয়েকটি গ্রামে ঘটে নির্মম হত্যাযজ্ঞ। সিরাজগঞ্জ শহর দখলের পর জীবন বাঁচাতে শত শত নর-নারী ও শিশু শহর ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছিল এসব গ্রামে। আশ্রিত অধিকাংশই ছিল হিন্দু। পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও শান্তি কমিটির সাথে গ্রাম ঘেরাও করে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে নিরস্ত্র হিন্দু ও মুসলমানকে।
গণহত্যার শিকার মানুষগুলোকে বাগবাটি ও ঢলডোব পরিত্যক্ত জমিদার বাড়ির কূপের মধ্যে ফেলে দেয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, ৩টি গ্রুপে ভাগ হয়ে রাজাকার, আলবদর ও শান্তি কমিটি গ্রাম ঘেরাও করে। রাজাকার, আলবদর ও শান্তি কমিটি গ্রুপের দায়িত্ব ছিল অগ্নিসংযোগ, আলবদরের দায়িত্ব ছিল হত্যা ও পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী চালিয়েছে গণধর্ষণ।
আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন (১৯৩০-১৯৯৮)
Skip to Main Content Area
বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
সিরাজগঞ্জ জেলা
• প্রথম পাতা
• জেলা সম্পর্কিত
o জেলা পরিচিতি
এক নজরে সিরাজগঞ্জ জেলা
জেলার পটভূমি
ভৌগলিক পরিচিতি
মানচিত্রে জেলা
উপজেলা ও ইউনিয়ন
o ইতিহাস-ঐতিহ্য
জেলার ঐতিহ্য
দর্শনীয় স্থান
পুরাকীর্তির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
মুক্তিযুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলা
১৯৭১ গণহত্যায় শহীদ মুক্তিযুদ্ধাদের তালিকা
সম্মূখ সমরে সিরাজগঞ্জ
প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব
ভাষা ও সংস্কৃতি
খেলাধূলা ও বিনোদন
o ভৌগলিক
নদ-নদী
যোগাযোগ ব্যবস্থা
o অর্থনৈতিক
প্রাকৃতিক সম্পদ
ব্যবসা বাণিজ্য
হাট-বাজার
হোটেল ও আবাসন
o অন্যান্য
জনপ্রতিনিধি
পত্রপত্রিকা
বিশেষ অর্জন
o সরকারের উন্নয়ন মূলক কার্যাবলী
ইকোনোমিক জোন
১৫০ মে. বিদ্যুৎ পিকিং পাওয়ার প্লান্ট
বিসিক শিল্পপার্ক
রেলওয়ে ষ্টেশন
ইকোপার্ক
• জেলা প্রশাসন
o জেলা প্রশাসক
জেলা প্রশাসকের বার্তা
জেলা প্রশাসকের প্রোফাইল
মাসিক ভ্রমণসূচী
জনগনের সভা
সাধারণ দায়িত্বাবলী
পুর্বতন জেলা প্রশাসকবৃন্দ
o জেলা প্রশাসকের কার্যালয়
জেলা প্রশাসনের পটভূমি
বিশেষ অর্জন
সাংগঠনিক কাঠামো
তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
সার্কিট হাউস
ফ্রস্ট ডেস্ক (জেলা-ই-সেবাকেন্দ্র)
সম্পদ ও লজিষ্টিক
যোগাযোগ
o শাখা সম্পর্কিত
জেলা প্রশাসনের শাখাসমূহ
সিটিজেন চার্টার
শাখাভিত্তিক ফর্মস
সভার কার্যবিবরণী
আইন ও পলিসি
ডিজিটাল গার্ড ফাইল
o গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
কি সেবা কি ভাবে পাবেন
প্রশাসন কর্তৃক পালিত দিবস
তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মামলা সংক্রান্ত তথ্য
o অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি)
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)
o কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ
জেলা প্রশাসনের কর্মচারীবৃন্দ
উপজেলা নির্বাহী অফিসার
সহকারী কমিশনার (ভূমি)
o জেলা ই-সেবা কেন্দ্র
নাগরিক আবেদন
দাপ্তরিক আবেদন
নকলের আবেদন
সর্বশেষ অবস্থা জানুন
o অন্যান্য
বিসিক শিল্প পার্ক প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ এবং ক্ষতিপূরণ বিষয়ক তথ্যাবলী
ইনোভেশন টিম
ওয়েব পোর্টাল বিষয়ক যোগাযোগ
• স্থানীয় সরকার
o জেলা পরিষদ
প্রেক্ষাপট
এক নজরে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
পূর্বতন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ
জনশক্তি
সিটিজেন চার্টার
সাংগঠনিক কাঠামো
কার্যাবলী
আইন ও বিধি
যোগাযোগ
নিজস্ব ওয়েবসাইটের লিঙ্ক
o পৌরসভা
এক নজরে সিরাজগঞ্জ পৌরসভা
নিজস্ব ওয়েবসাইটের লিঙ্ক
মেয়র
মেয়রের বার্তা
পূর্বতন চেয়ারম্যান/মেয়রবৃন্দ
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
পূর্বতন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বৃন্দ
সংগঠন
জনশক্তি
কর্মকর্তাবৃন্দ
কর্মচারীবৃন্দ
কাউন্সিলরগণ
শাখাসমূহ ও কার্যাবলী
উল্লেখযোগ্য কাযর্ক্রম
ডিজিটাল গার্ডফাইল
নোটিশ
• সরকারী অফিস
o আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক
পুলিশ সুপারের কার্যালয়
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অধিদপ্তর
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ সার্কেল
জেল সুপারের কার্যালয়, জেলা কারাগার, সিরাজগঞ্জ।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স
র্যাব-১২
o শিক্ষা ও সংস্কৃতি
জেলা শিক্ষা অফিস,সিরাজগঞ্জ
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস
জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো
জেলা শিল্পকলা একাডেমী
শিশু একাডেমী
জেলা ক্রীড়া অফিস
o কৃষি ও খাদ্য বিষয়ক
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ।
জেলা মৎস্য অফিস
জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর
বি এ ডি সি (বীজ)
বি এ ডি সি (সার)
বিএডিসি (ক্ষুদ্র সেচ)
বর্তমানে কৃষি বিপনন অধিদপ্তর
বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
o স্বাস্থ্য বিষয়ক
সিভিল সার্জনের কার্যালয়
উপ-পরিচালকের কার্যালয়, পরিবার পরিকল্পনা
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর
o প্রকৌশল ও যোগাযোগ
গণপূর্ত বিভাগ
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর
পানি উন্নয়ন বোর্ড (নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর)
বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানী লিঃ
বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি(বিআরটিএ)
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
ডাক বিভাগ
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি , সিরাজগঞ্জ
o মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক
শহর সমাজসেবা কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ।
সরকারি শিশু পরিবার , সিরাজগঞ্জ
জেলা সমাজ সেবা অফিস
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর
জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড( বি আর ডি বি)
জেলা সমবায় কার্যালয়
জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র
জেলা সঞ্চয় অফিস, সিরাজগঞ্জ।
o অন্যান্য অফিসসমূহ
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, সিরাজগঞ্জ
জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়
জেলা হিসাব রক্ষণ অফিস , সিরাজগঞ্জ ।
উপ কর কমিশনারের কার্যালয়
আমদানি রপ্তানি সহকারী নিয়ন্ত্রকের দপ্তর
জেলা তথ্য অফিস
জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়
• অন্যান্য প্রতিষ্ঠান
o শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
মহাবিদ্যালয়
মাধ্যমিক বিদ্যালয়
নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
প্রাথমিক বিদ্যালয়
মাদ্রাসা
o সংস্থা/সংগঠন
রেড ক্রিসেন্ট
রাইফেলস ক্লাব
মহিলা ক্রীড়া সংস্থা
o বেসরকারী প্রতিষ্ঠান
এন জি ও
বীমা
ব্যাংক
o ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
মসজিদ
মন্দির
• ই সেবা
o জাতীয় ই-সেবা
সরকারী ফরম ডাউনলোড
ই-তথ্য কোষ
কৃষি তথ্য সার্ভিস
বাংলাদেশ কোড
ই-বুক
o জেলা ই-সেবা কেন্দ্র
নাগরিক আবেদন
দাপ্তরিক আবেদন
নকলের আবেদন
সর্বশেষ অবস্থা জানুন
• ফটো গ্যালারী
এক নজরে সিরাজগঞ্জ
সাধারণ তথ্যঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ আয়তন ২৪৯৭.৯২ বর্গ কিলোমিটার
২ ভৌগলিক অবস্থান অক্ষাংশ ২৪০ ০০’- ২৪০ ৪০’
দ্রাঘিমাংশ ৮৯০ ২০’- ৮৯০ ৫০’
৩
জনসংখ্যা
(ক) পুরুষঃ ১৪,৯৫,০০০ জন
(খ) মহিলাঃ ১৪,৪৯,০৮০ জন
মোট = ২৯,৪৪,০৮০ জন
৪ শিক্ষার হার ৬৮%
৫ উপজেলার সংখ্যা ০৯ টি।
৬ থানার সংখ্যা ১২ টি।
৭ পৌরসভার সংখ্যা ০৬ টি।
৮ ইউনিয়নের সংখ্যা ৮৩ টি।
৯ মৌজার সংখ্যা ১৪৭২ টি।
১০ গ্রামের সংখ্যা ২,১৮০ টি।
১১ নদীর সংখ্যা ০৮ টি।
১২ নদী পথের দৈর্ঘ্য ৩৫০ কিলোমিটার।
১৩ বিলের সংখ্যা ৫২ টি।
১৪ মসজিদের সংখ্যা ৩৯১৬ টি।
১৫ এনজিও’র সংখ্যা ৬৫ টি।
১৬ খাদ্য গুদামের সংখ্যা ৪৩ টি।
১৭ খাদ্য গুদামের ধারণ ক্ষমতা ২৭,০০০ মেঃ টন।
১৮ ব্যাংকের সংখ্যা ১২৬ টি।
১ টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ০৯ টি।
২০ সিনেমা হল ২৯ টি।
২১ ডাকঘর ১৬৪ টি।
শিক্ষা বিভাগঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ মহাবিদ্যালয়ের সংখ্যা ৭৭ টি।
২ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩৭৪ টি।
৩ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৮৮০ টি।
৪ বেসরকারী রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৮৩ টি।
৫ মাদ্রাসার সংখ্যা ২১১ টি।
৬ এবতেদায়ী মাদ্রাসার সংখ্যা ১৪৫ টি।
৭ পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট ০১ টি।
৮ মেডিক্যাল এ্যাসিসট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল ০১ টি।
৯ বেসরকারী মেডিক্যাল কলেজ ০২ টি।
কৃষি বিভাগঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ মোট জমির পরিমান ১,৯৫,৯৩৭ হেক্টর।
২ আবাদী জমির পরিমান ১,৮৩,২২০ হেক্টর।
৩ সেচযোগ্য জমির পরিমান ১,৩৫,২৫০ হেক্টর।
৪ অনাবাদী জমির পরিমান ২১,৩৩৭ হেক্টর।
৫ গভীর নলকূপের সংখ্যা ৫৯৭ টি।
৬ অগভীর নলকূপের সংখ্যা ৩১৭৮ টি।
৭ শক্তি চালিত পাম্পের সংখ্যা ১৩১৮ টি।
রাজস্ব বিভাগ :
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ উপজেলা ভূমি অফিস ০৯ টি।
২ ইউনিয়ন ভূমি অফিস ৭২ টি।
৩ বন্দোবস্তযোগ্য খাস জমির পরিমান (কৃষি) ৬৩৬.৬৮৪ একর।
৪ বন্দোবস্তযোগ্য খাস জমির পরিমান (অকৃষি) ২১০.১৫০৩ একর।
৫ আদর্শ গ্রামের সংখ্যা ৪০ টি (বাস্তবায়িত)।
৬ আশ্রয়ণ প্রকল্পে সংখ্যা ১৭ টি (বাস্তবায়িত)।
৭ আবাসন প্রকল্প ২৬ টি (বাস্তবায়নাধীন)।
৮ দারিদ্র বিমোচন প্রকল্প ০১ টি।
৯ সায়রাত মহালের সংখ্যা ১৯ টি।
১০ হাট-বাজারের সংখ্যা ১৬২ টি।
১১ খাস পুকুরের সংখ্যা ৭২৩ টি।
১২ পরিত্যক্ত সম্পত্তির পরিমাণ ১৩.৬৬৫৫ একর।
১৩ অর্পিত সম্পত্তির পরিমান ১১,২৩৩.৫৮ একর।
১৪ ভূমি উন্নয়ন করের দাবী (সর্বমোট) (২০০৮- ২০০৯) ৬,১৩,৬৮,৪৬৭.০০ টাকা।
১৫ ভূমি উন্নয়ন করের আদায় -ঐ- ৫,৭০,৫৪,৮৩৫.০০ টাকা।
১৬ ভূমি উন্নয়ন করের আদায়ের হার -ঐ- ৯২.৯৭%।
১৭ ভূমি উন্নয়ন করের দাবী (সর্বমোট) (২০০৭-২০০৮) ৩,১৯,৮৬,৭৬৮/- টাকা।
১৮ ভূমি উন্নয়ন করের আদায় -ঐ- ২,৯১,৮২,৭৭৪.২৫/- টাকা।
১৯ ভূমি উন্নয়ন করের আদায়ের হার -ঐ- ৯১.২৩%।
শিল্প সংক্রান্তঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ স্পিনিং মিল ০১ টি ।
২ জুট মিল ( বর্তমানে বন্ধ রয়েছে ) ০১ টি ।
৩ দুগ্ধ প্রক্রিয়াকরণ কারখানা ০১ টি ।
৪ কুটির শিল্প ২৪,৩১৬ টি ।
৫ ক্ষুদ্র শিল্প ১,০৪৬ টি ।
৬ মাঝারি শিল্প ৬৮৮ টি ।
৭ বৃহৎ শিল্প ০৩ টি ।
পশু সম্পদ বিভাগঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ পশু চিকিৎসালয় ০৯ টি ।
২ কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র ০৯ টি ।
৩ পশু কল্যাণ কেন্দ্র ০৪ টি ।
৪ গবাদি পশু খামার ১২১৫ টি ।
৫ মুরগীর খামার ২৯৬ টি ।
৬ দুগ্ধ খামার ২৬৪৭ টি ।
স্বাস্থ্য বিভাগঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ জেনারেল হাসপাতাল ০১ টি ।
২ সরকারি হাসপাতাল ১৫ টি ।
৩ বেসরকারি হাসপাতাল ০৯ টি ।
৪ চক্ষু হাসপাতাল ০২ টি ।
৫ মেডিক্যাল এ্যাসিসট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল ০১ টি ।
৬ বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ০২ টি ।
৭ এফ.ডব্লিউ.সি’র সংখ্যা ৭২ টি ।
৮ ইপিআই কভারেজ ৮৫% ।
৯ স্যানিটেশন কভারেজ ৮১% ।
১০ বিশুদ্ধ পানীয় জল ব্যবহার ৯৬% ।
১১ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ০৮ টি ।
১২ পুলিশ হাসপাতাল ০১ টি ।
১৩ রেলওয়ে ডিসপেন্সারী ০১ টি ।
১৪ মাতৃমঙ্গল ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র ০১ টি ।
১৫ টিবি ক্লিনিক ০১ টি ।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ পাকা রাস্তা ৬৩৭.৪২ কিঃ মিঃ ।
২ কাঁচা রাস্তা ৪৭৬.৭৩ কিঃ মিঃ ।
৩ এইচবিবি রাস্তা ৩৪.২৫ কিঃ মিঃ ।
৪ রেলপথ ৪৯ কিঃ মিঃ ।
মৎস্য বিভাগঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ মৎস্য খামার ০৬ টি ।
২ মৎস্য পোনা উৎপাদন খামার ০২ টি ।
৩ মৎস্য চাষের আওতাধীন পুকুরের সংখ্যা ৮২৩ টি ।
বিদ্যুৎ বিভাগঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
মেগাওয়াট- ০৩ টি (৭১ মেগাওয়াট বাঘাবাড়ী, ৯০
বার্জ মাউন্টেড, ১০০ মেঘাওয়াট- বাঘাবাড়ী)
২ গ্রীড সাব-স্টেশন ০২ টি
৩ ৩৩ কেভি লাইন (পিডিবি) ৫০ কিঃ মিঃ
৪ ১১ কেভি লাইন ৯৫ কিঃ মিঃ
৫ ০৪ কেভি লাইন ১৫০ কিঃ মিঃ
৬ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ০১ টি
অন্যান্য বিভাগঃ
ক্রম বিষয় সংখ্যা
১ বাফার গুদাম, (বিসিআইসি) ০১ টি
২ ডাক বাংলো ১৩ টি
৩ হেলি প্যাডের সংখ্যা ০৯ টি
৪ মাইক্রোওয়েভ ষ্টেশন ০১ টি
৫ রেল ষ্টেশন ০৯ টি
৬ কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি ০৯াট
৭ কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক ০১ টি
৮ দৈনিক পত্রিকা ০৮ টি
৯ সাপ্তাহিক পত্রিকা ০১ টি
১০ পাক্ষিক পত্রিকা ০১ টি
কেন্দ্রীয় ই-সেবা
• ই-বুক
• জাতীয় ই-তথ্যকোষ
• সরকারি ফরম ডাউনলোড
ই-সেবা কেন্দ্র, জেলা প্রশাসন
• নাগরিক আবেদন
• দাপ্তরিক আবেদন
• নকলের জন্য আবেদন
• নকলের সর্বশেষ অবস্থা জানুন
অন্যান্য ই-সেবা
• প্রয়োজনীয় কিছু লিংক
• কৃষি তথ্য সার্ভিস
• তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
• তথ্য অধিকার আইন
• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন
• ই-ডিরেক্টরী
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: একসেস টু ইনফরমেশন প্রোগ্রাম ও বেসিস
কারিগরী সহায়তায়: রাইট ব্রেন সলিউশন লিমিটেড