Ibrahimpur, Sunamganj.

Ibrahimpur, Sunamganj.

Share

To represent the beauties, culture and festivals of Ibrahimpur. Our group's link:
https://mobile.facebook.com/groups/242843209477407?refid=27

11/04/2025

আপনার শিশুকে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে সময়মতো সবগুলো টিকা দিন, বাচ্চার শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন।
টিকা সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে আপনার এলাকার স্বাস্থ্য সহকারী/টিকাদনকারীর সাথে যোগাযোগ করুন।

03/04/2025

সুরমা ইউনিয়নের সকল নতুন ভোটারদের ছবি তোলার -

স্থান: ইব্রাহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
তারিখ: ৪ ও ৫ এপ্রিল ২০২৫

31/03/2025

তাকাবালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
ঈদ মোবারক 🌙🫂🤝 ❤️
১ শাওয়াল ১৪৪৬ হিজরি

Ibrahimpur, Sunamganj.

16/04/2022

বাচ্চাদের মসজিদে আসতে নিষেধ করা বা বড়দের কাতার থেকে সরিয়ে দেয়া কি শরীয়ত সম্মত?
-------------------------------------------------------------------
আমাদের সমাজে অনেকে তাদের ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে নিয়ে মসজিদে নামায পড়তে আসেন। শিশু-কিশোররা তাদের বাবা, চাচা, মামা বা বড় ভাইদের সঙ্গে নামায আদায় করতে আসে। আর এভাবেই তারা ধীরে ধীরে মসজিদে আসতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। ছোট বাচ্চাদের এভাবে মসজিদে আসা একটি দীর্ঘ পারিবারিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যরূপে বিবেচিত হয় আমাদের সমাজে। এতে তারা নামাযসহ দ্বীনের বিভিন্ন বিষয় শিখতে পারে। এবং ছোটবেলা থেকেই তাদের নামাযের অনুশীলন হতে থাকে। কিন্তু আমাদের অনেকের নেতিবাচক ধারণা ও কর্মপন্থা এই ঐতিহ্যময় ধর্মীয় শিক্ষাকে ম্লান করে দিচ্ছে। বাধাগ্রস্ত করছে ইসলামের চেতনাকে। ছোটদের বঞ্চিত করছে ইসলামের আলো থেকে।

সমাজে কিছু মানুষ আছেন, যারা মসজিদে বাচ্চাদের একেবারে সহ্যই করতে পারেন না। মসজিদে বাচ্চা দেখলেই তারা রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে যান। কারণে অকারণে তাকে ধমক দেন, বকাঝকা করেন। আশপাশ থেকে তাকে তাড়িয়ে দেন। সামনের কাতারে বসলে তাকে পিছনে সরিয়ে দেন। পিছনের জন তাকে আরো পিছনে পাঠান। এভাবে পিছনে যেতে যেতে তাকে যেতে হয় সবচেয়ে পিছনের কাতারে। আর মসজিদে জায়গা না হলে হয়তো মসজিদের বাহিরে দাঁড়ানো ছাড়া তার আর কোনো উপায় থাকে না। কখনো বড়দের কাতারে কোনো বাচ্চাকে নামাযরত দেখলে তাকে পাশে সরিয়ে নিজে সেখানে দাঁড়ান।

বাংলাদেশের অধিকাংশ মসজিদের চিত্রই এরকম। বড়দের এধরনের আচরণের কারণে বাচ্চারা মসজিদবিমুখ হচ্ছে। তাদের মনে মসজিদ এবং মসজিদের মুসল্লিদের ব্যবহার সম্পর্কে একটি নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হচ্ছে, যা আমরা কেউই খেয়াল করছি না। এভাবে চলতে থাকলে এই শিশু-কিশোরদের হয়তো ভবিষ্যতে মসজিদমুখী করা কষ্টকর হয়ে যেতে পারে। তাই শিশুদের মসজিদে নিয়ে আসা ও বড়দের সাথে তাদের নামাযে দাঁড়ানোর শরয়ী বিধান আমাদের সকলের জানা থাকা দরকার। নিম্নে হাদীস ও আছারের আলোকে এবিষয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা করা হলো।

একাধিক হাদীস থেকে জানা যায় যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ছোট্ট নাতিনাতনিদের মসজিদে নিয়ে আসতেন। এবং তাদের কেউ নিজে থেকে মসজিদে চলে আসলেও তিনি তাদের বারণ করতেন না। যেমন-

১. হযরত শাদ্দাদ রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন-

ﺧﺮﺝ ﻋﻠﻴﻨﺎ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﻲ ﺇﺣﺪﻯ ﺻﻼﺗﻲ اﻟﻌﺸﻲ، اﻟﻈﻬﺮ - ﺃﻭ اﻟﻌﺼﺮ - ﻭﻫﻮ ﺣﺎﻣﻞ اﻟﺤﺴﻦ - ﺃﻭ اﻟﺤﺴﻴﻦ - ﻓﺘﻘﺪﻡ اﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﻮﺿﻌﻪ، ﺛﻢ ﻛﺒﺮ ﻟﻠﺼﻼﺓ، ﻓﺼﻠﻰ، ﻓﺴﺠﺪ ﺑﻴﻦ ﻇﻬﺮاﻧﻲ ﺻﻼﺗﻪ، ﺳﺠﺪﺓ ﺃﻃﺎﻟﻬﺎ قاﻝ: ﺇﻧﻲ ﺭﻓﻌﺖ ﺭﺃﺳﻲ، ﻓﺈﺫا اﻟﺼﺒﻲ ﻋﻠﻰ ﻇﻬﺮ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ، ﻭﻫﻮ ﺳﺎﺟﺪ، ﻓﺮﺟﻌﺖ ﻓﻲ ﺳﺠﻮﺩﻱ، ﻓﻠﻤﺎ ﻗﻀﻰ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ اﻟﺼﻼﺓ، ﻗﺎﻝ اﻟﻨﺎﺱ: ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ، ﺇﻧﻚ ﺳﺠﺪﺕ ﺑﻴﻦ ﻇﻬﺮاﻧﻲ ﺻﻼﺗﻚ ﻫﺬﻩ ﺳﺠﺪﺓ ﻗﺪ ﺃﻃﻠﺘﻬﺎ، ﻓﻈﻨﻨﺎ ﺃﻧﻪ ﻗﺪ ﺣﺪﺙ ﺃﻣﺮ، ﺃﻭ ﺃﻧﻪ ﻳﻮﺣﻰ ﺇﻟﻴﻚ، ﻗﺎﻝ: " ﻓﻜﻞ ﺫﻟﻚ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻭﻟﻜﻦ اﺑﻨﻲ اﺭﺗﺤﻠﻨﻲ، ﻓﻜﺮﻫﺖ ﺃﻥ ﺃﻋﺠﻠﻪ ﺣﺘﻰ ﻳﻘﻀﻲ ﺣﺎﺟﺘﻪ.

قال الشيخ شعيب الأرناؤوط : ﺇﺳﻨﺎﺩﻩ ﺻﺤﻴﺢ، ﺭﺟﺎﻟﻪ ﺛﻘﺎﺕ.

‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৈকালীন কোনো এক নামাযে অর্থাৎ যোহর বা আছরের সময় স্বীয় দৌহিত্র হাসান বা হুসাইন রাযি.কে কোলে নিয়ে আমাদের মাঝে আগমন করেন। অতঃপর তিনি ইমামতির স্থানে এগিয়ে যান এবং তাকে কোল হতে নামিয়ে রেখে তাকবীরে তাহরীমা বলে নামায আরম্ভ করেন। নামাযের একটা সিজদা খুব দীর্ঘায়িত করেন। শাদ্দাদ রাযি. বলেন, আমি সিজদা হতে মাথা তুলে দেখি নবীজী এখনো সিজদায় রয়েছেন আর বাচ্চাটি তাঁর পিঠের উপর চড়ে বসে আছে। অতঃপর আমি সিজদায় ফিরে যাই।
নামায শেষ হলে সাহাবাগণ আরজ করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আজকের এই নামাযে একটি সিজদা এতোই দীর্ঘায়িত করলেন যে, আমরা ভেবেছি আপনার কোনো সমস্যা হয়েছে, অথবা আপনার উপর ওহী নাযিল হচ্ছে। (তাই আপনি সিজদা থেকে উঠতে পারছেন না)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এরকম কিছুই হয়নি আমার। আসলে, আমি যখন সিজদায় ছিলাম তখন আমার নাতী আমার কাঁধে চেপে বসেছিলো। ওর ইচ্ছা পূরণ হওয়ার আগে ওকে ঘাঁড় থেকে নামাতে আমার মন চাইছিলো না।’
[মুসনাদে আহমাদ, হাদীস : ১৬০৩৩]

লক্ষণীয় বিষয় হলো, নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং আপন দৌহিত্র ছোট্ট বাচ্চা হাসান রাযি.কে মসজিদে নিয়ে এসেছেন। আবার সেই দৌহিত্র নামায অবস্থায়ই নবিজীর ঘাঁড়ে চেপে বসেছে। এতে করে কিন্তু তিনি মোটেও বিরক্ত হননি। নামায শেষ করে তাকে কোনো ধমকও দেননি।

২. অপর এক হাদীসে আছে, হযরত আবু কাতাদাহ রাযি. বর্ণনা করেন,

ﺑﻴﻨﺎ ﻧﺤﻦ ﻓﻲ اﻟﻤﺴﺠﺪ ﺟﻠﻮﺱ، ﺧﺮﺝ ﻋﻠﻴﻨﺎ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳﺤﻤﻞ ﺃﻣﺎﻣﺔ ﺑﻨﺖ ﺃﺑﻲ اﻟﻌﺎﺹ ﺑﻦ اﻟﺮﺑﻴﻊ، ﻭﺃﻣﻬﺎ ﺯﻳﻨﺐ ﺑﻨﺖ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ، ﻭﻫﻲ ﺻﺒﻴﺔ ﻳﺤﻤﻠﻬﺎ ﻋﻠﻰ ﻋﺎﺗﻘﻪ، ﻓﺼﻠﻰ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ، ﻭﻫﻲ ﻋﻠﻰ ﻋﺎﺗﻘﻪ، ﻳﻀﻌﻬﺎ ﺇﺫا ﺭﻛﻊ، ﻭﻳﻌﻴﺪﻫﺎ ﺇﺫا ﻗﺎﻡ، ﺣﺘﻰ ﻗﻀﻰ ﺻﻼﺗﻪ ﻳﻔﻌﻞ ﺫﻟﻚ ﺑﻬﺎ.

‘একদা আমরা মসজিদে উপবিষ্ট ছিলাম। ইত্যবসরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নাতনী উমামা বিনতে আবুল আসকে নিয়ে আমাদের নিকট আসেন, যার মাতা ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা হযরত যয়নব রাযি.। ঐ সময় তিনি (উমামা) শিশু ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কাঁধে করে নিয়ে আসেন এবং ঐ অবস্থায় নামায আদায় করেন। তিনি রুকু করার সময় তাকে নামিয়ে রাখতেন এবং সিজদা শেষে দাঁড়ানোর সময় তাকে আবার উঠিয়ে নিতেন। এভাবে নামায সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত তিনি এমনটি করে যান।’
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস : ৯১৮]

৩. হযরত বুরাইদা রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন-

ﺧﻄﺒﻨﺎ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ، ﻓﺄﻗﺒﻞ اﻟﺤﺴﻦ، ﻭاﻟﺤﺴﻴﻦ ﺭﺿﻲ اﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ، ﻋﻠﻴﻬﻤﺎ ﻗﻤﻴﺼﺎﻥ ﺃﺣﻤﺮاﻥ ﻳﻌﺜﺮاﻥ ﻭﻳﻘﻮﻣﺎﻥ، ﻓﻨﺰﻝ ﻓﺄﺧﺬﻫﻤﺎ، ﻓﺼﻌﺪ ﺑﻬﻤﺎ اﻟﻤﻨﺒﺮ، ﺛﻢ ﻗﺎﻝ: " ﺻﺪﻕ اﻟﻠﻪ: {ﺇﻧﻤﺎ ﺃﻣﻮاﻟﻜﻢ ﻭﺃﻭﻻﺩﻛﻢ ﻓﺘﻨﺔ}، ﺭﺃﻳﺖ ﻫﺬﻳﻦ ﻓﻠﻢ ﺃﺻﺒﺮ "، ﺛﻢ ﺃﺧﺬ ﻓﻲ اﻟﺨﻄﺒﺔ.

‘একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে খুতবা দেয়ার সময় হাসান ও হুসাইন (রাযি.) সেখানে আসেন। তারা লাল ডোরাকাটা জামা পরিহিত ছিলেন এবং পিছলে পড়ে যাচ্ছিলেন আবার উঠে দাঁড়াচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (খুতবা বন্ধ করে) মিম্বার হতে অবতরণ করেন এবং তাদেরকে নিয়ে পুনরায় মিম্বারে আরোহণ করেন। অতঃপর বলেন, আল্লাহ তাআলা সত্য বলেছেন, “তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তানাদি ফিতনাস্বরূপ।” আমি এদেরকে দেখে খুতবা শেষ করা পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করতে পারিনি। অতঃপর তিনি পুনরায় খুতবা দেয়া শুরু করেন।’
[সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ১১০৯; সুনানে নাসায়ী, হাদীস : ১৪১৩; জামে তিরমিযী, হাদীস : ৩৭৭৪; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস : ২২৯৯৫]

৪. হযরত আবূ কাতাদা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

ﺇﻧﻲ ﻷﻗﻮﻡ ﻓﻲ اﻟﺼﻼﺓ ﺃﺭﻳﺪ ﺃﻥ ﺃﻃﻮﻝ ﻓﻴﻬﺎ، ﻓﺄﺳﻤﻊ ﺑﻜﺎء اﻟﺼﺒﻲ، ﻓﺄﺗﺠﻮﺯ ﻓﻲ ﺻﻼﺗﻲ ﻛﺮاﻫﻴﺔ ﺃﻥ ﺃﺷﻖ ﻋﻠﻰ ﺃﻣﻪ.

‘আমি অনেক সময় দীর্ঘ করে নামায আদায়ের ইচ্ছা নিয়ে দাঁড়াই। পরে শিশুর কান্নাকাটি শুনে নামায সংক্ষেপ করি। কারণ আমি শিশুর মাকে কষ্টে ফেলতে পছন্দ করি না।’
[সহীহ বুখারী, হাদীস : ৭০৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ৪৭০]

এ হাদীস থেকেও প্রমাণিত হয় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে বাচ্চারা তাদের মায়ের সাথে মসজিদে আগমন করতো। কিন্তু বাচ্চাদের কান্নাকাটির কারণে নবীজি তাদেরকে মসজিদে আনতে নিষেধ করেছেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায় না। তিনি মসজিদের ফটকেও বিলবোর্ড টানিয়ে দেননি যে - ‘মসজিদে বাচ্চা নিয়ে প্রবেশ নিষেধ’।

৫. হাদীস শরীফে নাবালেগ বাচ্চাদের মসজিদে নেওয়ার ব্যাপারে স্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়। হযরত আবূ মাসউদ রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের সময় বলতেন,

ﻟﻴﻠﻨﻲ ﻣﻨﻜﻢ ﺃﻭﻟﻮ اﻷﺣﻼﻡ ﻭاﻟﻨﻬﻰ ﺛﻢ اﻟﺬﻳﻦ ﻳﻠﻮﻧﻬﻢ، ﺛﻢ اﻟﺬﻳﻦ ﻳﻠﻮﻧﻬﻢ.

‘তোমাদের মধ্যে যারা অধিক জ্ঞানী ও সমঝদার, তারা আমার কাছাকাছি দাঁড়াবে। অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী, তারা তাদের পর। অতঃপর যারা তাদের নিকটবর্তী, তারা তাদের পর দাঁড়াবে।’
[সহীহ মুসলিম, হাদীস : ৪৩২; সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস : ৬৭৪; জামে তিরমিযী, হাদীস : ২২৮]

এই হাদীসের আলোকেই ফুক্বাহায়ে কেরাম বলেছেন, নামাযে প্রথমে ইমামের সরাসরি পিছনের কাতারে প্রাপ্তবয়স্করা দাঁড়াবে। এরপর তাদের পিছনে বয়ঃসন্ধির নিকটবর্তীরা দাঁড়াবে। তারপর সবার পিছনে সমঝদার নাবালেগ বাচ্চারা দাঁড়াবে।
[মিরকাতুল মাফাতীহ ৩/১৫৪]

মসজিদে শিশুরা কোথায় দাঁড়াবে?

জামাআতে একজন নাবালেগ শিশু উপস্থিত থাকলে তাকে বড়দের সঙ্গেই কাতারের মধ্যে দাঁড় করানো নিয়ম। আর একাধিক নাবালেগ শিশু উপস্থিত হলে প্রাপ্তবয়স্কদের পিছনের কাতারে তাদেরকে দাঁড় করানো মুস্তাহাব, ওয়াজিব নয়। অপরদিকে স্বভাবগত কারণে কয়েকজন বাচ্চা এক জায়গায় একত্রিত হলে তাদের সম্মিলিত শোরগোল ও দুষ্টুমি আরম্ভ হয়ে যায়। বর্তমান যুগে বাচ্চাদের যথাযথ পারিবারিক অনুশাসন না থাকায় মসজিদেও তাদের দ্বারা এমনটি সংঘটিত হয়ে থাকে। তাই বাচ্চাদেরকে কাতারের এক পাশে পাঠানো হলে বা পিছনে পৃথক কাতারে দলবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হলে সেখানে তারা একত্রে শোরগোল ও হাসাহাসি শুরু করবে। যার ফলে অন্যান্য মুসল্লীদের নামাযের ধ্যান ও মনোযোগ নষ্ট হয়ে নামায পর্যন্ত ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

একারণে পরবর্তীকালের ফকীহগণ বলেছেন, বর্তমানে বাচ্চাদেরকে বড়দের কাতারের মাঝে মাঝে দাঁড় করানোই বাঞ্চনীয়। কেননা অভিভাবক বা বড়দের সঙ্গে থাকলে তারা আর শোরগোল করার সুযোগ পাবে না। অভিভাবকরাও নিশ্চিন্ত থাকবে। ফলে সকলের নামায সুষ্ঠুভাবে আদায় হবে। উপরন্তু বড়দের নামায দেখে শিশুরা নামাযের সঠিক প্রশিক্ষণও নিতে পারবে। কোনো কোনো সাহাবীর কর্মপন্থা থেকেও বিষয়টির প্রমাণ পাওয়া যায়। বর্ণিত আছে,

ﺃﻥ ﺣﺬﻳﻔﺔ ﻛﺎﻥ ﻳﻔﺮﻕ ﺑﻴﻦ اﻟﺼﺒﻴﺎﻥ ﻓﻲ اﻟﺼﻒ.

‘হুযাইফা রাযি. কাতারের মধ্যে বাচ্চাদেরকে পরস্পর থেকে আলাদা করে দিতেন।’
[মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, আছার : ৪১৭০; তাকরীরাতে রাফেয়ী : ৭৩; আহসানুল ফাতাওয়া ৩/২৮০; কিতাবুন নাওয়াযিল ৪/৪৩৯; আপকে মাসায়িল আওর উনকা হল ৩/৪০৭; ফাতাওয়া দারুল উলূম দেওবন্দ ৩/৩৪১; কিতাবুল ফাতাওয়া ২/২৭৭-২৭৮; ফাতাওয়া দারুল উলূম যাকারিয়া ২/৩৪৫]

এক্ষেত্রে অনেকে বলে থাকেন, নামাযে বড়দের সঙ্গে ছোটরা দাঁড়ালে বড়দের নামায মাকরুহ হয়ে যায়। এটা একটা ভুল ধারণা। নামাযে বড়দের পাশে ছোটরা দাঁড়ালে বড়দের নামাযের কোনো ক্ষতি হয় না। হাদীস থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, বড়দের সাথে শিশুদের কাতারে স্থান দিতে কোনো অসুবিধা নেই।

আল্লামা আইনী রহ. সহীহ বুখারীর এক হাদীসের ব্যাখ্যায় লিখেছেন, এই হাদীসে একথার প্রমাণ রয়েছে যে, নামাযে পুরুষদের সাথে শিশুরাও একই কাতারে দাঁড়াতে পারবে।
[উমদাতুল ক্বারী ৪/১১২]

ইমাম নববী রহ. বলেন, এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নামাযে প্রাপ্তবয়স্কদের কাতারে শিশুরও দাঁড়াবার অধিকার আছে। আমাদের মাযহাবে এটাই বিশুদ্ধ ও প্রসিদ্ধ অভিমত। অধিকাংশ আলেমদের মতও এটিই।
[শারহুন নববী আলা সহীহি মুসলিম ৫/১৬৩]

ইমাম নববী রহ. আরো বলেন, যদি জামাআতে একাধিক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ আর একাধিক নাবালেগ বাচ্চা উপস্থিত হয় তাহলে প্রাপ্তবয়স্করা ইমামের পিছনের কাতারে দাঁড়াবে, আর বাচ্চারা তাদের পিছনের কাতারে দাঁড়াবে। তবে এক মতানুসারে প্রত্যেক দু’জন পুরুষের মাঝখানে একজন করে শিশু দাঁড়াবে, যাতে শিশুরা বড়দের দেখে দেখে নামাযের কার্যাবলী শিখতে পারে।
[রওযাতুত তালেবীন ১/৩৫৯]

এভাবে আমরা স্নেহ-মমতা ও সুন্দর কৌশলের মাধ্যমে মসজিদে আগত শিশুদের অভ্যাস পরিবর্তন করার চেষ্টা করতে পারি, যা কখনো ধমক দিয়ে করা সম্ভব নয়। তাই ব্যাপকভাবে বাচ্চাদের মসজিদে আসতে নিষেধ করা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ।

এছাড়া শিশুদের সময়মতো নামাযের আদেশ দেয়ার প্রতি অভিভাবকদের তাগিদ দেয়া হয়েছে। বাচ্চার বয়স ৭ বছর হয়ে গেলে হাদীস শরীফে তাকে নামাযের আদেশ করতে বলা হয়েছে। ১০ বছর বয়সে নামায না পড়লে শাসন করতে বলা হয়েছে। তাই কমপক্ষে ৭ বছর বয়স থেকেই শিশুদের নামাযের প্রশিক্ষণ ও তাতে অভ্যস্ত করানোর জন্য তাদেরকে মসজিদে নিয়ে যাওয়া উচিত। তাদেরকে মসজিদে আসতে না দিলে তাদের নামাযের অনুশীলন হবে না। আর ছোটবেলা থেকে তাদের মসজিদের সাথে সম্পর্ক গড়ে না ওঠলে বড় হওয়ার পর আর তারা মসজিদে আসতে চাইবে না। সুতরাং বুঝমান বাচ্চাদের মসজিদে আসতে নিষেধ করা সম্পূর্ণ শরীয়ত পরিপন্থী কাজ।

বাচ্চারা মসজিদে এসে দুষ্টুমি ও শোরগোল করলে তাদেরকে নম্রভাবে বুঝাতে হবে। অভিভাবকগণ বাসায় তাদেরকে নামাযের গুরুত্ব ও মসজিদের আদব রক্ষার শিক্ষা দিবেন। প্রয়োজনে মৃদু শাসনও করবেন। মসজিদ আল্লাহ তাআলার পবিত্র ঘর। আল্লাহর যিকির ও ইবাদতের স্থান। তাই কারো সন্তান যেন মসজিদে এসে হট্টগোল না করে সে ব্যাপারে পারিবারিকভাবে সচেতন হতে হবে। এ পন্থায় বাচ্চাদের মসজিদে যাতায়াতের আগ্রহ বাড়বে। ধীরে ধীরে তারা নিয়মিত জামাআতের সাথে নামায আদায়ে অভ্যস্ত হয়ে ওঠবে।

উল্লেখ্য যে, একদম ছোট্ট ও অবুঝ শিশু, যারা পবিত্রতা ও নামাযের গুরুত্ব সম্পর্কে কিছুই বোঝে না, তাদেরকে মসজিদে নিয়ে আসা ঠিক নয়। কেননা এদের দ্বারা মসজিদ অপবিত্র হওয়ার এবং তাদের অবুঝ নড়াচড়া ও খেলাধুলার কারণে মুসল্লীদের নামাযে ধ্যান ও মনোযোগ নষ্ট হওয়ার প্রবল আশংকা রয়েছে।

হাদীস শরীফে আছে, হযরত ওয়াসিলা ইবনুল আসকা’ রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

ﺟﻨﺒﻮا ﻣﺴﺎﺟﺪﻛﻢ ﺻﺒﻴﺎﻧﻜﻢ، ﻭﻣﺠﺎﻧﻴﻨﻜﻢ

‘তোমরা অবুঝ শিশু ও উন্মাদদের মসজিদ থেকে দূরে রাখো।’
[সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ৭৫০]

অতএব আমরা আশা করবো, মসজিদের ইমাম ও খতিব সাহেবগণ মুসল্লিদের সামনে বিষয়টি সুন্দরভাবে আলোচনা করে তাদের ভ্রান্তি নিরসনে সহযোগিতা করবেন। আল্লাহ তাআলা সকলকে তাওফিক দান করুন।

-মুহাম্মদ ইমদাদুল্লাহ
জামেআ হাকীমুল উম্মত
কেরানীগঞ্জ, ঢাকা

Photos from Ibrahimpur, Sunamganj.'s post 09/04/2022

ফিতরা কী ও কেন আদায় করতে হয়?
ফিতরা কী ও কেন আদায় করতে হয়?
ইসলামি অনুশাসনের এক অনন্য নির্দশন ফিতরা। সাদকাতুল ফিতর দ্বিতীয় হিজরির শাবান মাসে বিধিবদ্ধ হয়। এটি অসহায় গরিব দুঃখীর ন্যয্য পাওনা। রমজান, ফিতরা ও ঈদ এক সূত্রে গাঁথা। ফিতরার মধ্যেই আছে গরিব প্রতিবেশির আনন্দ ও ঈদ উৎসব। রমজান মাসে ঈদের আগে ফিতরা আদায় করা উত্তম। এ ফিতরা কি? কেন তা দিতে হয়?

ফিতরাঃ

ফিতরা বা সাদকাতুল ফিতর হলো সেই নির্ধারিত সাদকা, যা ঈদের নামাজের আগে অসহায় গরিব-দুঃখীদের দিতে হয়। এটিকে জাকাতুল ফিতরও বলা হয়। ঈদের দিন সকালেও যদি করো কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ- সাড়ে ৭ ভরি সোনা বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা বা সমমূল্যের ব্যবসাপণ্য থাকে তবে তাকে তাঁর নিজের ও পরিবারের ছোট–বড় সবার পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব।

‘ফিতর’ মানে হলো ‘রোজা ছাড়া’। অর্থাৎ যা রমজানের রোজা ছাড়ার কারণে আদায় করতে হয়। ফিতরা মানে হলো প্রকৃতি। যেহেতু ফিতরার মাধ্যমে মানুষ তার পালণীয় রোজার যাবতীয় খতগুলো; ভুলগুলো থেকে আত্মশুদ্ধি ও আত্মার আমলকে নির্মল করার জন্য অসহায়দের মাঝে দেয়া আবশ্যক, তাই এর নাম ফিতরা।

অসহায় প্রতিবেশি ও স্বজনদের জন্য ফিতরা, দান-অনুদান ও উপহার সামগ্রী প্রদান আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ারও অন্যতম মাধ্যম। রোজা পালনে কোনোভাবে যদি রোজার আংশিক ক্ষতি, ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়; তার সমাধান ও মুক্তির মাধ্যম হচ্ছে- অসচ্ছল, অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে ঈদগাহে যাওয়ার পূর্বে ফিতরা আদায় করা। যা আমাদের জন্য একান্ত আবশ্যকীয়।

ফিতরা আদায়ের উপকারিতা

> এই সাদাকাহ হবে রোজার ভুল-ত্রুটির ঘাটতির ক্ষতির পরিপূরক। কেননা সাওয়াবের কাজ-কর্ম মানুষের পাপ তথা গোনাহকে ধ্বংস করে দেয়।

> এ সাদকাহকে আবশ্যক করার আরেকটি কারণ হচ্ছে- ঈদের দিন গরিব ও মিসকিনদের আনন্দ-বিনোদন, উত্তম পোশাক ও খাবারের সহজলভ্যতার জন্য। যাতে তারাও ধনীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারে। এ জন্যই সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ সমাজবিজ্ঞানী, উম্মতের দরদী নবি হজরত মুহাম্মাদুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই সুব্যবস্থার প্রচলন করে গেছেন। হাদিসে এসেছে-

- হজরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিমদের স্বাধীন ও ক্রীতদাস পুরুষ ও নারী এবং ছোট ও বড় সবার জন্য এক সা’ (প্রায় সাড়ে ৩ কেজি) খেজুর বা যব খাদ্য (আদায়) ফরজ করেছেন। (বুখারি, মুসলিম)

- হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জামানায় এর জমানায় আমরা সাদকাতুল ফিতর দিতাম এক সা (সাড়ে তিন কেজি প্রায়) খাদ্যবস্তু, তিনি বলেন, তখন আমাদের খাদ্য ছিল: যব, কিশমিশ, পনির ও খেজুর। (বুখারি)

- তিনি আরও বলেন, আমরা সাদকাতুল ফিতর আদায় করতাম এক সা খাদ্যবস্তু। যেমন- এক সা যব, এক সা খেজুর, এক সা পনির, এক সা কিশমিশ। (বুখারি)

> আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দীর্ঘ একটি বছর মুমিন মুসলমানকে সুস্থ্য ও নিরাপদ রাখার পর বরকতময় মাস রমজান দান করেছেন। তাই এ সুস্থ্য দেহের জাকাত হল ফিতরা।

> এই সাদকাহ আদায় করতে হয় আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের জন্য। কেননা আল্লাহ মেহেরবানী করে তার বান্দাদের দীর্ঘ এক মাস মহামূল্যবান ফরজ ইবাদত রোজা রাখার তাওফিক দান করেছেন।

সর্বোপরি এই নিয়ামতের মাস, আনুগত্যের মাসের শেষে যাতে আত্মশুদ্ধি প্রক্রিয়া পরিপূর্ণ হয়। সব হ্যাঁ-সূচক ও না-সূচক আনুগত্যের পর আত্মাকে বিশুদ্ধ ও পবিত্র করার লক্ষ্যে আল্লাহর পথে মাল (অর্থ) খরচের মাধ্যমে নিজেদের পবিত্র করার জন্যই ফিতরার ব্যবস্থা করেছেন।


ফিতরা আদায়ের পরিমান

- হজরত ইমাম আজম আবু হানিফা রাহমাতুল্লাহি আলাইহির মতে, অধিক মূল্যের দ্রব্য দ্বারা ফিতরা আদায় করা উত্তম; অর্থাৎ যা দ্বারা আদায় করলে গরিবদের বেশি উপকার হয়, সেটাই উত্তম ফিতরা।

- হজরত ইমাম মালিক রাহমাতুল্লাহি আলইহির মতে, খেজুর দ্বারা ফিতরা আদায় করা উত্তম এবং খেজুরের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত ‘আজওয়া’ খেজুর দ্বারাই আদায় করা উত্তম।’

- হজরত ইমাম শাফেঈ রাহমাতুল্লাহি আলইহির মতে, হাদিসে উল্লিখিত বস্তুসমূহের মধ্যে সর্বোত্কৃষ্ট ও সর্বোচ্চ মূল্যের দ্রব্য দ্বারা সদকা আদায় করা শ্রেয়। অন্য সব ইমামের মতও অনুরূপ।’

- হজরত ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রাহমাতুল্লাহি আলইহির মতে, সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম আজমাঈনের অনুসরণ হিসেবে খেজুর দ্বারা ফিতরা আদায় করা উত্তম।’

- এ ছাড়া সাদকার ক্ষেত্রে সব ফকিহর সর্বসম্মত ঘোষণা হলো- ‘যা গরিবদের জন্য বেশি উপকারী তাই আদায় করা।’ (আল মুগনি, আওজাজুল মাসালিক)

প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফিতরা আদায় করা ওয়াজিব। নাবালক ছেলে-মেয়ের পক্ষ থেকে বাবাকে এ ফিতরা আদায় করে দিতে হবে। আর তা ঈদুল ফিতরের নামাজের আগেই আদায় করা সর্বোত্তম।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, রমজনের রোজায় ফিতরা আদায় করে গরিবের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে ভূমিকা রাখা। তাদের মুখে হাসি ফোটানো। তাদের আনন্দ ও উৎসবে অংশগ্রহণে সহযোগিতা করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের রোজা রাখার এ সময় থেকেই সাধ্যমতো ফিতরা আদায় করার তাওফিক দান করুন। ফিতরা আদায় করার মাধ্যমে রোজার ভুলগুলো থেকে মুক্ত হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

05/12/2021

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে কি কি প্রয়োজন?

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তিতে কোন ভর্তি ফী লাগে না। ভর্তিতে যা যা সংযুক্ত করতে হবে।

(সংগৃহীত)

Photos from Ibrahimpur, Sunamganj.'s post 28/11/2021

আলহামদুলিল্লাহ্‌
অভিনন্দন সুরমা ইউনিয়নের নির্বাচিত জননন্দিত চেয়ারম্যান আমির হোসেন রেজা✌️✌️✌️❤️❤️❤️❤️

Want your business to be the top-listed Government Service in Sunamganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

North Surma
Sunamganj
3000