09/03/2026
#বিশ্বনাগরিক #শান্তি #মানবতা #যুদ্ধনয়শান্তিচাই #বাংলাদেশ
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from দেশপ্রেমিক জনতা পার্টি/djp, Political Party, sylhet, Sylhet.
আমাদের দেশ আমাদের একটি নিরাপদ বাড়ি।
বাংলাদেশের নাগরিক সকলে এই বাড়ির মালিক।
আমরা বিশ্বাস করি,বিশ্বের নাগরিকরা এক সময় বলবে "বাংলাদেশ শান্তিপ্রিয় সুখী সমৃদ্ধ ও মানবতাবাদী দেশ। আমরা আশা রাখি বহির্বিশ্বের মানুষ বাংলাদেশের নাম শোনার পর ইতিবাচক চিন্তা করবেন
09/03/2026
#বিশ্বনাগরিক #শান্তি #মানবতা #যুদ্ধনয়শান্তিচাই #বাংলাদেশ
শিক্ষা না দাসত্ব?
যে শিক্ষা মানুষ গড়ে না,
যে শিক্ষা চিন্তা শেখায় না,
যেখানে লক্ষ্য শুধু পদ, ডিগ্রি আর টাকা —
সেই শিক্ষা আসলে দাস তৈরির কারখানা।
আপনি যদি শিক্ষিত হয়ে
অর্থনীতিকেই বড় মনে করেন,
সংস্কারক হতে না পারেন,
স্বার্থপর হয়ে ওঠেন —
তাহলে জেনে রাখুন,
আপনি শিক্ষিত নন,
আপনি দীক্ষা নিয়েছেন
অর্থনীতির পাঠশালায়,
যেখানে আপনাকে বানানো হয়েছে
একজন পরিকল্পিত দাস।
মুক্তি সম্ভব —
যেদিন আমরা সত্য জানব,
সেদিনই আমরা নিজেকে চিনব,
আর তখনই ভাঙবে দাসত্বের শৃঙ্খল।
আমাদের সবার সহযোগিতা প্রয়োজন, কারণ জুলুমবাজ ও বেইমানদের সংস্কার করতে হলে জনগণের মধ্য থেকেই কেউ না কেউ আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবে।
আমার রাজনৈতিক পুনর্জন্ম
মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন
সিলেট
যদি কেউ প্রশ্ন করে —
এই দেশে এত দল থাকতে আপনি কেন আবার রাজনীতিতে এলেন?
উত্তর একটাই:
“আমার মালিকানায় ফিরে যাওয়াই আমার রাজনৈতিক পুনর্জন্ম।”
আমি সেই মাটি, সেই মানচিত্র, সেই জাতির প্রতিনিধি —
যা একদিন ছিল আমাদের।
কিন্তু ভুল সিদ্ধান্ত, ধর্মভিত্তিক বিভাজন,
রাজনৈতিক অপকৌশল ও দুর্বৃত্তায়নের কারণে
আমরা আমাদের প্রকৃত অধিকার হারিয়েছি।
আজ শত শত দল থাকলেও —
তারা কেউই জনগণের নয়।
তারা কারো তাবেদার, কারো গোলাম —
আবার কেউ আবার গোলাম হতে চায়।
তাই আমি ফিরে এসেছি।
আরও সোজা করে বলি — আসতে বাধ্য হয়েছি।
যখন দেখেছি —
২০০ বছরের দাসত্বের ইতিহাস শেষে
আমরা এখনও পরাধীন, বিভক্ত, দুর্বল, আত্মবিচ্ছিন্ন।
আমি বুঝেছি —
পুকুরে চাষ করা মাছ আর সমুদ্রের স্বাধীন মাছের স্বাদ এক নয়।
আমাদের পূর্বসূরিরা প্রতারিত হয়ে সেই সমুদ্র হারিয়েছেন।
আমি ফিরতে চাই সেই সমুদ্রে,
যেখানে ছিল আমার জাতির ইতিহাস,
যেখানে ছিল আমাদের চৌহদ্দি,
যেখানে ছিল আমাদের প্রকৃত মালিকানা।
এই ফিরে আসা কেবল আমার একার নয় —
এটা আমাদের সকলের অধিকারের জন্য,
আমাদের আত্মপরিচয়ের জন্য,
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।
আমার সন্তানেরা যেন একদিন বলতে পারে —
“আমরা দেউলিয়া হয়ে যাইনি। আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছিলাম।”
আমরা শুরু করেছি এক নতুন যাত্রা —
ভুলগুলোকে স্বীকার করে,
সেগুলোকে সংশোধন করে,
আমাদের সঠিক ঠিকানা থেকে
আমাদের মহাবিশ্বকে দেখব বলে।
[email protected]
#বাংলাদেশ_সংস্কারবাদী_চিন্তা_চেতনা
#রাজনৈতিক_পুনর্জন্ম
#আমার_প্রকৃত_মালিকানা
#নতুন_প্রজন্মের_রাজনীতি
#সিলেট
#রাজনীতি_মানেই_জনগ
শোকবার্তা
মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন
২১ জুলাই ২০২৫ | সিলেট
বেদনাভরা হৃদয়ে আজ আমি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে ঘটে যাওয়া বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার প্রতি।
এই দুর্ঘটনায় যেসব নিষ্পাপ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং কর্মজীবী মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন—তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে আজকের দিনটি একটি গভীর দুঃখ ও শোকের প্রতিচ্ছবি হয়ে থাকবে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ট্রাজেডি আমাদের জাতিগত নিরাপত্তা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।
আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি—
দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে,
আহত ও নিহতদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে,
এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধে বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করতে।
যারা আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন, তারা শুধুই নাম নয়—প্রতিটি মুখ ছিল একেকটি ভবিষ্যৎ, একেকটি স্বপ্ন। তারা ছিল জাতির সম্ভাবনার প্রদীপ। এক একজন ভবিষ্যৎ সংস্কারক, যারা আর কোনোদিন ক্লাসে ফিরবে না, আর কোনোদিন মা-বাবার কোলে হাসবে না।
আর যারা আজ তাদের সন্তান হারিয়েছেন, তাদের হৃদয়ে যে বেদনা বইছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব। একজন পিতা-মাতার কাছে সন্তান মানে জীবন, ভবিষ্যৎ, গর্ব, ভালোবাসা—সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু। আজ যাদের সন্তানরা স্কুলের ইউনিফর্ম পরে শিক্ষার আলয় থেকে লাশ হয়ে ফিরেছে, তাদের চোখের জল এই জাতির বিবেককে নাড়া দেওয়া উচিত।
আমি শোকাহত পিতা-মাতাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও গভীর সহমর্মিতা জানাচ্ছি।
আপনারা একা নন—সমস্ত বাংলাদেশ আজ আপনাদের সঙ্গে কাঁদছে, আপনাদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। আমরা কাঁদছি, ভাবছি এবং পরিবর্তনের প্রত্যয় নিচ্ছি।
আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং আমাদের জাতি যেন এই শোক কাটিয়ে উঠে সামনে এগিয়ে যেতে পারে—সেই আশা রাখি।
মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন
২১ জুলাই ২০২৫
উদিত সূর্যের সোনালী আলোয় আলোকিত সবুজ বটবৃক্ষের নিচে আশ্রয় নেওয়া ক্লান্ত প্রাণ আজ গভীর প্রশ্ন করে— "কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ?"
এই ক্লান্ত প্রাণগুলো আজ মিলিত হয়েছে একটি ছায়ার নিচে, যাকে আমরা বলি এখানে দাঁড়িয়ে আমরা ভাবছি, এই উর্বর ভূমি একদিন মরুভূমি হয়ে যাবে কি না, এই সহজ-সরল মানুষগুলো একদিন কলুষিত নগরীর বন্দী হবে কি না!
তবুও আমরা আশাহত নই, কারণ আমাদের মধ্যে কেউ একজন আছে। এক সাহসী যুবক— যিনি দেশের কোন অবহেলিত প্রান্তর থেকে আমাদের হৃদয়ে আলো জ্বালিয়ে দিল। তার কণ্ঠে মিশে আছে সাহসের ধ্বনি, তার কথায় ফুটে ওঠে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। সে বলল, "সংস্কার আসবে, তবে সেটা কেবল কথায় নয়, কেবল লেখায় নয়— সত্যিকার পরিবর্তনে।"
আমরা তার প্রত্যেকটি বাক্য যেন হৃদয়ের গভীরে অনুভব করি। শত ব্যস্ততার মাঝেও সে আমাদের জন্য সময় দিল, তার মুল্যবান মুহূর্তগুলো উৎসর্গ করল এই পথচলার জন্য। তার কণ্ঠ আমাদের বলল, "আমরা সবাই সংস্কারক হবো। আমরা একসাথে এই পরিবর্তনের বীজ রোপণ করব, যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক নতুন পথের দিশা দেখাবে।"
এখন আমরা শুধু পরিচিত হতে চাই সেই সকল সংস্কারকের সাথে, যারা আমাদের মতোই স্বপ্ন দেখে। আমরা একসাথে চলব, একসাথে গড়ে তুলব সেই নতুন ভবিষ্যৎ, যার জন্য আমাদের পূর্বসূরিরা সংগ্রাম করেছিল।
আসুন, আমরা এক হই।
আসুন,
আমরা সকল সংস্কারক এক হয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য পথ তৈরি করি।
আহ্বানে
#শ
#বৈষম্যহীন_প্রাণের_বাংলাদেশ
শাহীন মোস্তাফিজুর রহমান
সকাল দুপুর সন্ধ্যা কিংবা রাত্রি দ্বিপ্রহরে
বঙ্গ জনতার প্রাণের বাংলাদেশ
বিশ্ব জয় করে, বিশ্ব জয় করে
আমাদের
একটি দেশের একটি বাড়ি
কত রঙের আলপনায়
আমাদের কিশোর আমাদের তরুণ
প্রয়োজন মতো করে সাজায়
ওরা রাঙ্গে ওরা রাঙায়
ওরা গড়ে ওরা ভাঙ্গায়
জলে কিংবা জঙ্গলে ওরা
সাহসের আলো জ্বালায়
ওরা ধৈর্যের মতো শীতল
ওরা সময়ের মত শৃংখল
ওরা প্রকৃতির মত নির্মল
ওদের দেহে শ্রেষ্ঠ বল,
জাগ্রত বিবেকে মানব সমাজ গড়তে
খেয়ালী কল্যাণে ওরা গণ উৎসব করে
সকাল দুপুর সন্ধ্যা কিংবা রাত্রি দ্বিপ্রহরে
বঙ্গজনতার প্রাণের বাংলাদেশ
বিশ্ব জয় করে বিশ্ব জয় করে।।
আমি এ ঘরের সন্তান
সকলে মোর দেশি ভাই
ভাতের চিন্তা দুধের চিন্তা
সবার জন্য করে খাই,আর
এই পৃথিবীর সকল প্রাণের
উন্নতিতে জ্ঞান জড়াই
জীবন যৌবন রাখতে ধরে
আমরা করি মেধার লড়াই
তাই,
শপথ বাক্যে বলে যাই:
ও আমার প্রানের বাংলা
তোমাতেই শুরু তোমাতেই শেষ
তোমাতেই চাওয়া তোমাতেই পাওয়া
তোমাতেই হই নিরুদ্দেশ
তুমি নিও আমায় আপন করে
সকাল দুপুর সন্ধ্যা কিংবা রাত্রি দ্বিপ্রহরে।।
বঙ্গজনতার প্রাণের বাংলাদেশ বিশ্বজয় করে।।
প্রকল্প: 50T2000Y60
এটি শাহীন মোস্তাফিজুর রহমানের একটি নতুন প্রকল্প, যার উদ্দেশ্য দেশের প্রতিটি নাগরিককে ট্যাক্সের আওতায় আনা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় নিশ্চিত করা হবে।
ট্যাক্সের ভিত্তিতে ঋণের সুবিধা
প্রকল্পটি নিম্নলিখিতভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে:
1. প্রতিদিনের ট্যাক্সের পরিমাণ:
যেসব নাগরিক প্রতিদিন ৫০ টাকা ট্যাক্স প্রদান করবেন, তাদের জন্য ১০ লক্ষ টাকা ঋণ সুবিধা প্রদান করা হবে।
যারা প্রতিদিন ১০০ টাকা ট্যাক্স দেবেন, তাদের জন্য ২০ লক্ষ টাকা ঋণ সুবিধা থাকবে।
এভাবে ক্রমান্বয়ে, যেসব নাগরিক প্রতিদিন দুই হাজার টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স দেবেন, তাদের জন্য নির্ধারিত ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।
ব্যাংকিং ব্যবসার সূচনা
এই ঋণ সুবিধা বিশেষভাবে তাদের জন্য থাকবে যারা একটি ব্যাংকিং ব্যবসা শুরু করতে চান। তবে, এই ব্যবসার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে:
ঋণ গ্রহণকারীদের অবশ্যই একটি স্থায়ী বাড়িঘর থাকতে হবে।
প্রাথমিকভাবে, তাদের বাড়িঘর মরগেজ দিতে হবে যাতে ঋণ প্রদান প্রক্রিয়া নিরাপদ থাকে।
ঋণের পরিমাণ ব্যবহার করে তারা তাদের নিজস্ব গ্রামে একটি ক্ষুদ্র ব্যাংক স্থাপন করতে পারবেন, যেখানে তারা সর্বনিম্ন সুদে টাকা ঋণ দিতে পারবেন।
সামাজিক এবং অর্থনৈতিক প্রভাব
এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে ট্যাক্সের আওতায় এনে একটি সমৃদ্ধিশালী এবং ন্যায়সঙ্গত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে অগ্রসর হওয়া সম্ভব হবে। ট্যাক্সের ভিত্তিতে ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে যা তাদের আত্মনির্ভরশীলতা এবং অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
(এই সিস্টেম তৈরির পিছনে এক করুণ গল্প রয়েছে একদা আমরা সবাই বুঝতে পারব।)
কিন্তু প্রতিদিন ২৫ হাজার কোটি টাকা কোথা থেকে আসবে?
যিনি এই সিস্টেম তৈরি করেছেন তিনি তার আয়ের পথ তৈরি করেছেন
যেহেতু এটা উন্মুক্ত একটা মাধ্যম সেহেতু এটা প্রচার যোগ্য নয়।
যদি কেউ একটু সুন্দরভাবে স্বচ্ছ ভাবে চিন্তা করে বর্তমান সময় আর আমাদের বিশ্বকে নিয়ে সে উত্তরটা নিজে নিজেই পেয়ে যাবে।
Centralized System & Combined system
একটি পয়েন্টের উপর পুরো সিস্টেম নির্ভরশীল থাকে, যা আক্রমণ, ত্রুটি বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে সহজেই ভেঙে পড়তে পারে। একবার এটি অকার্যকর হলে, পুরো সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই সিস্টেমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারে না এবং তাদের নিজস্ব প্রয়োজন বা চিন্তাভাবনা অনুযায়ী কাজ করার ক্ষমতা সীমিত থাকে, ফলে উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতা বাধাগ্রস্ত হয়।
প্রতিটি ছোটো সিদ্ধান্তের জন্য কেন্দ্রীয় অনুমোদন প্রয়োজন হওয়ায় সিস্টেমটি ধীরগতিতে চলে। ফলে জরুরি বা সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কেন্দ্রীয় সিস্টেমে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যা বা সংকট দেখা দিলে সিস্টেমটি সামাল দিতে পারে না, এবং পুরো সিস্টেম বিপর্যয়ের মুখে পড়ে।
কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী অংশের হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা থাকায় ক্ষমতার অপব্যবহার ঘটে, যা সিস্টেমে দুর্নীতি ও পক্ষপাত তৈরি করে এবং সাধারণ মানুষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কেন্দ্রীভূত সিস্টেম প্রায়ই নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে ধীর হয়, কারণ প্রতিটি পরিবর্তনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অনুমোদন প্রয়োজন।
যা দেখেছি, তা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়েছে যে, আমাদের সংস্কার দরকার। সংস্কার মানে সবকিছু মুছে ফেলা নয়; বরং পুরাতন পদ্ধতির সাথে নতুন পদ্ধতি যোগ করে একটি কার্যকরী ব্যবস্থাপনা তৈরি করা। আমি এটার নাম দিয়েছি #যুক্ত_পদ্ধতি।
আমার এই যুক্ত পদ্ধতির সিস্টেমটি শুরু করার আগেই বর্তমান ডিজিটাল যুগ শুরু হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, "অনলাইনে এমন কিছু অ্যাপ আছে যেগুলো টাকা দিয়ে কিনতে হয়, কিন্তু কিছু অ্যাপ টাকা এবং বিজ্ঞাপন দেখে ব্যবহার করা যায়"—এটাও একটি যুক্ত পদ্ধতির উদাহরণ।
তাহলে, আমাদের শক্ত ও মজবুত ভিত্তি তৈরি করতে, যেকোনো সংগঠন গঠনের জন্য দুটি ব্যবস্থাপনা থাকা প্রয়োজন: একটি কেন্দ্রীয় এবং একটি বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থাপনা। বিকেন্দ্রীভূত সিস্টেমকে বেশি উপযোগী মনে করা হয়, বিশেষ করে যেখানে স্থিতিশীলতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ।
দেশপ্রেমিক জনতা পার্টি/djp অবশ্যই পুরাতন নীতির অনুসরণ করবে না।
সংস্কার আসবেই।
শাহীন মোস্তাফিজুর রহমান
এই সময় সেই সময় কিছুই নতুন নয়
আমার আত্মঘাতী চিন্তায় অপ্রাপ্তির ভয়
জীবনটা শেষ বিকেলে জং ধরা মস্তিষ্ক নিয়ে_ কামনার উৎসবে ইশারা পাঠায়:
"ওরা আগুনের খেলায় শুদ্ধ হতে চায়"
আমরা জানি তারাও জানে
এই সময় সেই সময় কিছুই নতুন নয়
কারণ সকল নতুনেই ওদের ভয়,আর,
আমাদের থাকে মানবিক সংশয়
আরেকটু সুযোগ দিলে হয়তো ওরা হয়ে_ উঠতে সম্ভাবনাময়।
এই গ্রহের অনেক প্রাণী জানে
আমাদের আছে শান্তির সম্পদ ফেরেশতা
আর, ওহী গ্রস্ত একদল শান্তির যোদ্ধা
ওদের মধ্য থেকে কেউ অভাব বুঝে
স্বজাতিদের মস্তিষ্ককে উত্তাল করে উত্তর সাগরের মত
ওরা সুরে সুরে শোনায় মরুভূমির অন্ধকার শীতল বালুর গল্প।
চাইলে ওরা গাইতে পারতো পলিদ্বীপে_ ভাটায় আটকে পড়া নৌকা মুক্তির গান
ওদের প্রভুর অনেক অভিমান তাই ওরা অভিশপ্ত এবং মস্তিষ্কে দারিদ্রতা।
শুধুমাত্র কণ্ঠে ধারা লোক প্রতারক সুর
তাদের সুরে চিৎকার করে মরুভূমি উত্তপ্ত দুপুরে।
ওদেরকে কেউ বলে না তোমরা নদীর দেশের মাঝি তোমাদের খেয়াল ফেরাও
এই স্বাধীন তরী একদিন তোমাদেরকেই ফেরাতে হবে মানুষের ঘাটে
তোমরা বুঝতে চেষ্টা করো
শান্তির ফেরেশতারা বড়ই চতুর।
আমার তো অনেক চিন্তা হয়
কখন না জানি পড়ে যাও তাদের বাটে
এখানে বাটে পড়া নতুন কিছু নয়
যুগে যুগে ওরা অসুবিধায় থাকা মানুষকে বাটে ফেলে যায় ওরা শুধু রেখে যায় তাদের স্বাক্ষর।
দোহাই লাগে তোমরা তাদের স্বাক্ষর দেয়া কলমের তাজা রক্ত হয়ে যেওনা।
কেউ না ভাবুক আমি তো ভেবেছি তোমাদের যত ক্ষয়
দোহাই লাগে দূর করে দাও আমার এই দূর কর সব যত ভয় যত সংশয়।
ঝুঁকিপূর্ণ সরকারি কাজ।
1. পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী
2. সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)
3. ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স
4. বিদ্যুৎ বিভাগ
5. নদী শাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ
6. পাহাড়ি এলাকায় সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ
7. স্বাস্থ্য খাতে (ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী)
8. রেলওয়ে ও সড়ক পরিবহন শ্রমিকরা
9. নগর উন্নয়ন ও পৌরসভা কর্মী (ড্রেনেজ পরিষ্কারকর্মী)
10. সেতু ও বড় অবকাঠামো নির্মাণের কাজ
11. পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিভাগ
12. আবহাওয়া বিভাগ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মী
13. মেরিন ও নৌ বাহিনী
14. বন বিভাগ ও বনরক্ষী কর্মী
15. প্রকৌশল বিভাগে রাসায়নিক বা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মী
যেখানে শ্রমিক ও কর্মীদের সুরক্ষা এবং ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য নীতিমালা ও উন্নত ব্যবস্থা গ্রহণ।
শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন: একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় একটি নতুন প্রক্রিয়া প্রবর্তন করা জরুরি, যা শিক্ষার্থীদের বাস্তবজীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত করে। নিম্নলিখিত বিষয়গুলোকে ভিত্তি করে শিক্ষার নতুন একটি কাঠামো গড়ে তোলা যেতে পারে:
1. খাদ্য শিক্ষা (প্রাইমারি)
প্রাথমিক স্তরে খাদ্য শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। শিশুরা স্বাস্থ্যকর খাদ্য নির্বাচন এবং পুষ্টির মৌলিক ধারণাগুলি জানতে পারবে। এর মাধ্যমে তারা সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে উৎসাহী হবে।
2. বস্ত্রশিক্ষা (কিশোর)
কিশোরদের জন্য বস্ত্রশিক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা তাদের সৃজনশীলতা ও শৈল্পিক দক্ষতা বিকাশে সহায়তা করবে। তারা বস্ত্র ডিজাইন, তৈরির প্রক্রিয়া এবং সেলাইয়ের মৌলিক ধারণা অর্জন করবে।
3. বাসস্থান শিক্ষা (তরুণ)
তরুণদের জন্য বাসস্থান শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তারা বাড়ির নকশা, নির্মাণ পদ্ধতি এবং পরিবেশবান্ধব নির্মাণ পদ্ধতি সম্পর্কে জানবে। এটি তাদের স্থায়ী ও উন্নত জীবনের জন্য প্রস্তুত করবে।
4. বিষয়ভিত্তিক (কারিগরি)
কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করতে পারবে। এটি তাদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হতে সহায়তা করবে।
5. স্বাস্থ্য ও মানবিক উন্নয়ন
স্বাস্থ্য ও মানবিক উন্নয়ন সম্পর্কিত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করবে। এটি সামাজিক ও মানবিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্যও সহায়ক হবে।
6. রাজনীতি
রাজনৈতিক শিক্ষা তরুণদেরকে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করবে। তারা সমাজের উন্নয়নে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে এবং তাদের অবস্থান বুঝতে পারবে।
ও একটি বাধ্যতামূলক নাগরিক শিক্ষা
যে শিক্ষার প্রমাণপত্র না থাকলে ওই দেশের মুক্ত সুযোগ সুবিধা পাবে না।
যেমন নাগরিক সনদপত্র।
7. শরীরচর্চা ও সামরিক প্রশিক্ষণ (১৮ বছরের পর)
১৮ বছর বয়সের পর, প্রতিটি নাগরিককে শরীরচর্চা ও শারীরিক সক্ষমতার উন্নয়নের জন্য একটি বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এই প্রশিক্ষণ বাংলাদেশ যৌথ বাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত হবে। নাগরিকদের একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে, যতক্ষণ না তারা একজন প্রতিষ্ঠিত এবং সক্ষম সৈনিক হয়ে উঠতে সক্ষম হয়।
শাহীন মোস্তাফিজুর রহমান
সংস্কারক