20/05/2026
শিরোপা রেইজ কুষ্টিয়া
Implementing the PKSF RAISE Project on behalf of Shiropa Development Society-SDS. Our Slogan: "Empowering Human Potential through Micro-Initiatives".
Join us in building a better future, one small step at a time!
20/05/2026
13/05/2026
নতুন দিগন্তের সূচনা: দক্ষ জনশক্তি গড়তে শিরোপা ও এক্সিকিউটিভ বিল্ডার্স-এর মেলবন্ধন 🤝🏗️
বেকারত্ব দূরীকরণ এবং তরুণদের টেকসই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে আরও একধাপ এগিয়ে গেল শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি। অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, RAISE প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষানবিশিদের সরাসরি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে আবাসন খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান এক্সিকিউটিভ বিল্ডার্স লিমিটেড-এর সাথে একটি সমঝোতা স্মারক বা MoU স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই চুক্তির মাধ্যমে প্রকল্পের দক্ষ তরুণদের জন্য সরাসরি পেশাদার কর্মক্ষেত্রে যোগদানের এক অনন্য সুযোগ তৈরি হলো। আলোচনার ভিত্তিতে এক্সিকিউটিভ বিল্ডার্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন যে, তারা প্রাথমিক পর্যায়ে দক্ষ শিক্ষানবিশিদের নিয়োগ দিয়ে এই অগ্রযাত্রা শুরু করবেন। শুধু তাই নয়, প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন ও প্রকল্পের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে আরও অধিক সংখ্যক প্রশিক্ষিত জনবলকে তাদের বিভিন্ন প্রজেক্টে স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি বিশ্বাস করে, কেবল প্রশিক্ষণ নয় বরং প্রশিক্ষণের সাথে সঠিক কর্মসংস্থানের সমন্বয়ই পারে একজন তরুণের জীবন বদলে দিতে। RAISE প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা যে কারিগরি ও জীবনমুখী শিক্ষা প্রদান করছি, এই চুক্তির ফলে তা পূর্ণতা পেল।
আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই এক্সিকিউটিভ বিল্ডার্স লিমিটেড কর্তৃপক্ষকে, যারা আমাদের প্রশিক্ষণার্থীদের ওপর আস্থা রেখে তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে সহযোগী হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছেন। সুবিধাবঞ্চিত ও সম্ভাবনাময় তরুণদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটির এই সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
23/04/2026
শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন তথা পিকেএসএফ-এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত রাইজ প্রকল্পের অধীনে আজ বিউটিফিকেশন ট্রেডের শিক্ষানবিশিদের চূড়ান্ত মূল্যায়ন বা সামেটিভ এ্যাসেসমেন্ট অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নারীদের আত্মনির্ভরশীলতা এবং কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের চূড়ান্ত পরীক্ষা ছিল আজ। দীর্ঘ কয়েক মাসের নিবিড় প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন এই মূল্যায়নের মাধ্যমে।
এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষণার্থীরা সাজসজ্জা, রূপচর্চা এবং ত্বকের যত্নের আধুনিক পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত নিপুণভাবে প্রদর্শন করেন। পিকেএসএফ এবং শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধি ও অভিজ্ঞ মূল্যায়নকারীদের উপস্থিতিতে প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে যাচাই করা হয়। হেয়ার স্টাইল থেকে শুরু করে মেকআপ এবং স্কিন কেয়ার—প্রতিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের পেশাদারিত্ব ছিল সত্যি মুগ্ধ করার মতো।
কারিগরি শিক্ষা এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ একজন মানুষকে সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সাহায্য করে। রাইজ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যই হলো তরুণীদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা যাতে তারা নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অন্যের কর্মসংস্থানও তৈরি করতে পারে। এই মূল্যায়নে উত্তীর্ণ হওয়া মানেই এখন তারা পেশাদার বিউটিশিয়ান হিসেবে আত্মবিশ্বাসের সাথে কর্মক্ষেত্রে যোগদানের যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
এই সফল প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে অনেকেই আগামীতে নিজেদের বিউটি পার্লার বা রূপচর্চা কেন্দ্র গড়ে তুলে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন বলে আমরা আশা করি। শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি দক্ষ মানবসম্পদ ও নারী ক্ষমতায়নে সবসময়ই অঙ্গীকারবদ্ধ। পিকেএসএফ-এর এই চমৎকার উদ্যোগের সাথে যুক্ত থাকতে পেরে আমরা গর্বিত। দক্ষ ও সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ গড়তে আমাদের এই প্রচেষ্টা সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।
ধন্যবাদান্তে,
শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি।
#উদ্যোক্তা #দক্ষতা_উন্নয়ন
23/04/2026
শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন তথা পিকেএসএফ-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত রাইজ প্রকল্পের অধীনে আজ এক বিশেষ মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মোবাইল ফোন সার্ভিসিং ট্রেডের শিক্ষানবিশিদের চূড়ান্ত মূল্যায়ন বা সামেটিভ এ্যাসেসমেন্ট। আমাদের তরুণরাই আগামী দিনের কারিগরি বিপ্লবের সারথি। দীর্ঘমেয়াদী নিবিড় প্রশিক্ষণ এবং হাতে-কলমে শিক্ষার পর আজ ছিল তাদের অর্জিত দক্ষতা প্রমাণের দিন।
এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় প্রশিক্ষণার্থীরা মোবাইল ফোনের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিল সমস্যার সমাধান অত্যন্ত দক্ষতার সাথে প্রদর্শন করেন। পিকেএসএফ এবং শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটির প্রতিনিধি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মানদণ্ড অনুযায়ী অভিজ্ঞ মূল্যায়নকারীদের উপস্থিতিতে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। সার্কিট মেরামত থেকে শুরু করে আধুনিক স্মার্টফোনের নানা যান্ত্রিক ত্রুটি নিরসন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রশিক্ষণার্থীদের পারদর্শিতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
প্রশিক্ষণ শুধু জ্ঞান দেয় না বরং এটি স্বাবলম্বী হওয়ার সাহস যোগায়। রাইজ প্রকল্পের মূল লক্ষ্যই হলো আমাদের পিছিয়ে পড়া তরুণ সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা। এই মূল্যায়নের মাধ্যমে সফলভাবে উত্তীর্ণ শিক্ষানবিশিরা এখন আত্মবিশ্বাসের সাথে শ্রমবাজারে প্রবেশের জন্য প্রস্তুত। তারা কেবল চাকরিপ্রার্থী নয় বরং অনেকে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টার চালু করে স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি সবসময়ই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পিকেএসএফ-এর এই মহতী উদ্যোগের অংশ হতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। আগামীর দক্ষ বাংলাদেশ গড়তে আমাদের এই পথচলা অব্যাহত থাকবে।
ধন্যবাদান্তে,
শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি।
#সাফল্যেরগল্প #দক্ষতা_উন্নয়ন
18/04/2026
শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি এবং পিকেএসএফ-এর যৌথ প্রচেষ্টায় পরিচালিত রেইজ প্রকল্পের জন্য আজ একটি অবিস্মরণীয় সাফল্যের দিন। অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের প্রকল্পের অধীনে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী শিক্ষানবিশিরা তাদের যোগ্যতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা এনএসডিএর অধীনে অনুষ্ঠিত আরপিএল অ্যাসেসমেন্টে আমাদের সকল অংশগ্রহণকারী পূর্ণাঙ্গভাবে উত্তীর্ণ হয়ে তাদের পেশাদারিত্বের প্রমাণ দিয়েছে।
এই অসাধারণ অর্জন শুধুমাত্র আমাদের প্রশিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমেরই ফল নয়, বরং এটি সঠিক দিকনির্দেশনা এবং নিবিড় তদারকির এক সম্মিলিত ফসল। মাঠপর্যায়ে বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতাকে যখন প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিতে রূপান্তর করা হয়, তখন তা তরুণদের কর্মসংস্থানে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকের এই সাফল্য আগামীর দক্ষ জনশক্তি গড়তে আমাদের আরও উৎসাহিত করবে।
অংশগ্রহণকারী প্রতিটি কৃতি শিক্ষানবিশিকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন। তাদের এই অগ্রযাত্রা অটুট থাকুক এবং তারা সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করুক। সেই সাথে এই মহতী উদ্যোগের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল প্রশিক্ষক, কর্মকর্তা এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক দক্ষতা এবং সুযোগ পেলে আমাদের দেশের যুবসমাজ যেকোনো চ্যালেঞ্জ জয় করে দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম। রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষ বাংলাদেশ গড়ার এই পথচলা অব্যাহত থাকবে। 💡🚀
16/04/2026
আজ পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (PKSF) কর্তৃক আয়োজিত "Employment Support & Job Placement Strategies" শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ অরিয়েন্টেশন কর্মশালায় অংশগ্রহণ করলাম। Recovery and Advancement of Informal Sector Employment (RAISE) প্রকল্পের আওতায় এই আয়োজনটি ছিল আগামীর দক্ষ জনশক্তি গঠন এবং তাদের সঠিক কর্মসংস্থানের পথ সুগম করার এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ।
অনুষ্ঠানে শিরোপা (SHIROPA) PIU টিমের প্রতিনিধি হিসেবে আমাদের সক্রিয় উপস্থিতি ছিল। কর্মশালায় অত্যন্ত মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান করেন শ্রদ্ধেয় ডেপুটি প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর (DPC) খালেদ মাহফুজ স্যার এবং জিলানী স্যার। তাঁদের প্রতিটি কথা আমাদের আগামীর পরিকল্পনাগুলোকে আরও সুসংগঠিত করতে সাহায্য করবে। এছাড়া প্রকল্পের মহাব্যবস্থাপক ও প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর (PC) দিলিপ স্যারসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
একতা ও অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন
এই অরিয়েন্টেশনে শুধুমাত্র আমরাই নই, বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত আরও ৪৫টি সহযোগী সংস্থার (PO) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সবার সাথে মতবিনিময় করে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তাদের মূলধারার শ্রমবাজারে অন্তর্ভুক্ত করতে আমরা একযোগে কাজ করে যাচ্ছি।
🎯 আমাদের লক্ষ্য ও অঙ্গীকার
'RAISE' প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। আজকের কর্মশালায় জবে প্লেসমেন্টের আধুনিক কৌশল, নেটওয়ার্কিং এবং কর্মসংস্থান সহায়তার বিভিন্ন প্রায়োগিক দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, সঠিক কৌশল এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারব।
শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে আমরা এই মহৎ উদ্যোগের অংশ হতে পেরে গর্বিত। আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ যে, কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আমাদের মাঠপর্যায়ের প্রতিটি কাজে প্রতিফলিত হবে এবং আমরা লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সফল হব।
অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা জানাই PKSF কর্তৃপক্ষকে এমন একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর কর্মশালা আয়োজনের জন্য।
08/04/2026
শ্রম অধিকার ও সচেতনতার নতুন দিগন্ত ,তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই গড়ে ওঠে একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর জাতি। তবে কেবল কারিগরি প্রশিক্ষণই একজন দক্ষ কর্মীর পূর্ণাঙ্গ পরিচয় হতে পারে না; বরং কর্মক্ষেত্রে নিজের অধিকার, নিরাপত্তা এবং আইনি সুরক্ষা সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকাও সমানভাবে জরুরি। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি এক অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) এর অর্থায়নে বাস্তবায়িত 'রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অফ ইনফর্মাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট' বা রেইজ (RAISE) প্রকল্পের আওতায় শিক্ষানবিশিদের জন্য আয়োজন করা হয় শ্রম আইন ও অধিকার সচেতনতা বিষয়ক এক বিশেষ ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম।
একটি উন্নয়নকামী রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড হলো তার শ্রমশক্তি। বিশেষ করে যারা অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করছেন, তাদের জন্য কর্মপরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির এই আয়োজনের মূল সুর ছিল শিক্ষানবিশিদের আইনিভাবে সচেতন করে তোলা। প্রকল্পের আওতায় যারা বিভিন্ন ট্রেডে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, তাদের জন্য বাংলাদেশ শ্রম আইনের মৌলিক বিষয়গুলো সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। অনেক সময় তথ্যের অভাবে তরুণ কর্মীরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। ওরিয়েন্টেশনের মূল আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে কর্মঘণ্টা, মজুরি কাঠামো, পেশাগত স্বাস্থ্য এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মতো অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো।
এই ওরিয়েন্টেশনের গভীর বিশ্লেষণে দেখা যায়, এটি কেবল একটি সাধারণ প্রশিক্ষণ সেশন ছিল না, বরং এটি ছিল আত্মমর্যাদা বোধ জাগ্রত করার একটি প্ল্যাটফর্ম। একজন শিক্ষানবিশি যখন তার কাজের আইনি সীমাবদ্ধতা ও সুযোগগুলো জানতে পারেন, তখন তার আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে যায়। এটি তাদের কর্মক্ষেত্রে শোষণমুক্ত থাকতে সাহায্য করে এবং নিয়োগকর্তার সাথে একটি সুস্থ ও পেশাদার সম্পর্ক বজায় রাখতে উদ্বুদ্ধ করে। রেইজ প্রকল্পের এই দূরদর্শী চিন্তা আসলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনেরই বহিঃপ্রকাশ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষকগণ চমৎকারভাবে বিশ্লেষণ করেছেন কীভাবে একটি উন্নত কর্মপরিবেশ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। শ্রম অধিকার নিয়ে সচেতনতা শুধু কর্মীর একার জন্য নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক উন্নতির জন্যও অপরিহার্য। যখন একজন কর্মী অনুভব করেন যে তার অধিকার সুরক্ষিত, তখন তার কাজের মান ও নিষ্ঠা বাড়ে। শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি তাদের এই সেশনের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে এই বোধটি ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে যে, অধিকার সচেতন হওয়া মানে বিশৃঙ্খলা নয়, বরং সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ পেশাজীবনের পথে এগিয়ে যাওয়া।
সমাপনী বক্তব্যে ফুটে উঠেছে আগামীর স্বপ্ন। এই সচেতনতা ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণার্থীদের শুধু দক্ষ কারিগর হিসেবে নয়, বরং সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। পিকেএসএফ-এর সার্বিক সহযোগিতায় শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির এই প্রচেষ্টা দেশের শ্রমবাজারের গুণগত পরিবর্তনে এক নীরব বিপ্লব ঘটাচ্ছে। শিক্ষিত ও সচেতন শ্রমশক্তিই আগামীর বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের প্রধান হাতিয়ার। শ্রম আইনের প্রতিটি পাঠ যেন প্রতিটি প্রশিক্ষণার্থীর জীবনে আলোর দিশারি হয়ে থাকে, সেই প্রত্যাশাই আমাদের আগামীর পাথেয়।
#শিরোপা_ডেভেলপমেন্ট_সোসাইটি #পিকেএসএফ #রেইজ_প্রকল্প #শ্রম_আইন #অধিকার_সচেতনতা #দক্ষ_জনশক্তি #বাংলাদেশ
08/04/2026
তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন আর বাস্তব কর্মক্ষেত্রের মধ্যে যে ব্যবধান থাকে, তা ঘোচাতে দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি দরকার সঠিক দিকনির্দেশনা এবং আত্মবিশ্বাস। শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি এই সত্যকে ধারণ করেই পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (PKSF)-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত 'রেইজ' (RAISE) প্রকল্পের আওতায় আয়োজন করেছে এক অনন্য 'মক জব মার্কেট অরিয়েন্টেশন'। এই উদ্যোগটি কেবল একটি সাধারণ প্রশিক্ষণ সেশন নয়, বরং এটি তরুণ শিক্ষানবিশিদের জন্য আগামীর চ্যলেঞ্জিং কর্মজীবনে প্রবেশের এক শক্তিশালী মহড়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একটি কার্যকর পেশাদার জীবন গড়তে হলে কেবল কাজের দক্ষতা থাকাই যথেষ্ট নয়, বরং বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজেকে কীভাবে তুলে ধরতে হয়, সেটি জানাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই অরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষানবিশিদের মনের ভেতর জমে থাকা জড়তা এবং অজানা ভয় দূর করা। যখন একজন তরুণ প্রথমবারের মতো চাকরির বাজারের মুখোমুখি হতে যায়, তখন তার সামনে অসংখ্য প্রশ্ন আর অনিশ্চয়তা এসে দাঁড়ায়। এই আয়োজনের মাধ্যমে সেই অনিশ্চয়তাকে আত্মবিশ্বাসে রূপান্তরের এক নিবিড় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
মক জব মার্কেট অরিয়েন্টেশনের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিকটি ছিল এর বাস্তবমুখী উপস্থাপন। অংশগ্রহণকারী তরুণরা এখানে সরাসরি অভিজ্ঞ মেন্টরদের সান্নিধ্য পেয়েছেন, যারা তাদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের চাহিদা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দিয়েছেন। একজন কর্মী হিসেবে কীভাবে পেশাদার আচরণ করতে হয়, কর্মস্থলে যোগাযোগের ধরণ কেমন হওয়া উচিত এবং ইন্টারভিউ বোর্ডে নিজের দক্ষতাকে কীভাবে মার্জিতভাবে উপস্থাপন করা যায়—এসব সুক্ষ্ম বিষয়গুলো এখানে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। এটি মূলত তাত্ত্বিক জ্ঞানের বাইরে গিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতার এক অসাধারণ মেলবন্ধন তৈরি করেছে।
শিক্ষানবিশিরা এই সেশনের মাধ্যমে বুঝতে পেরেছেন যে, একজন নিয়োগকর্তা কেবল প্রার্থীর কাজ করার ক্ষমতাই দেখেন না, বরং তার ধৈর্য, প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার শক্তি এবং দ্রুত শেখার মানসিকতাকেও গুরুত্ব দেন। অরিয়েন্টেশনে অংশ নেওয়া তরুণরা নিজেদের ভুলগুলো চিহ্নিত করার এবং সেগুলো সংশোধনের এক বিরল সুযোগ পেয়েছেন। এটি তাদের জন্য একটি আয়নার মতো কাজ করেছে, যেখানে তারা নিজেদের সক্ষমতা যেমন দেখতে পেয়েছেন, তেমনি উন্নয়নের জায়গাগুলো সম্পর্কেও সচেতন হতে পেরেছেন।
শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি এবং পিকেএসএফ-এর এই উদ্যোগটি প্রমাণ করে যে, তারা কেবল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি টেকসই এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রেইজ প্রকল্পের মাধ্যমে এই যে তরুণদের গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে, তা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। যখন একজন তরুণ পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে শ্রমবাজারে পা রাখে, তখন তার ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।
পরিশেষে বলা যায়, মক জব মার্কেট অরিয়েন্টেশনের মতো আয়োজনগুলো আমাদের দেশের তরুণদের বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করে একজন গর্বিত পেশাজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে অনন্য ভূমিকা রাখছে। এই অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান শিক্ষানবিশিদের মনে যে উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে, তা তাদের আগামীর পথচলায় পাথেয় হয়ে থাকবে। শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটির এই দূরদর্শী পদক্ষেপ আমাদের তরুণদের মাঝে এক নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে, যা তাদের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ার পথে এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে। তরুণদের এই জয়যাত্রায় রেইজ প্রকল্পের প্রতিটি ধাপ আমাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির এক বলিষ্ঠ প্রতিশ্রুতি।
08/04/2026
শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (PKSF)-এর কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় বাস্তবায়িত 'রেইজ' (RAISE) প্রকল্পের অধীনে তরুণ শিক্ষানবিশিদের জন্য আয়োজিত মক ইন্টারভিউ সেশনটি কেবল একটি গতানুগতিক অনুশীলন নয়, বরং এটি তাদের আগামীর কর্মজীবনের এক শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর। এই বিশেষ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল তরুণদের ভেতরে লুকিয়ে থাকা জড়তা দূর করা এবং পেশাদার জগতের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় তাদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করে তোলা।
একটি সফল কর্মজীবন শুরুর ক্ষেত্রে কেবল কারিগরি দক্ষতা থাকাই যথেষ্ট নয়; বরং সেই দক্ষতাকে সঠিক উপায়ে উপস্থাপন করার ক্ষমতা থাকাটাও সমান জরুরি। মক ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে শিক্ষানবিশিরা বাস্তবসম্মত এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, যেখানে তাদের কথা বলার ভঙ্গি, দেহভঙ্গি এবং প্রশ্নের তাৎক্ষণিক উত্তর দেওয়ার দক্ষতা যাচাই করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় তারা বুঝতে পেরেছেন যে, একজন নিয়োগকর্তা কেবল প্রার্থীর কাজের অভিজ্ঞতা দেখেন না, বরং তার আত্মবিশ্বাস এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সমস্যা সমাধানের মানসিকতাকেও গুরুত্ব দেন।
সাক্ষাৎকার গ্রহণের এই বিশেষ মুহূর্তে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকগণ যেভাবে প্রতিটি শিক্ষানবিশির সবলতা ও দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে দিয়েছেন, তা তাদের আত্মোন্নয়নের পথে এক অনন্য নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করবে। সরাসরি ফিডব্যাক পাওয়ার ফলে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ভুলগুলো থেকে শিখতে পারছেন এবং পরবর্তী আসল সাক্ষাৎকারে নিজেদের কীভাবে আরও মার্জিত ও বুদ্ধিদীপ্তভাবে তুলে ধরা যায়, সেই কৌশল রপ্ত করছেন। এটি মূলত তাত্ত্বিক জ্ঞান এবং বাস্তব কর্মক্ষেত্রের মধ্যকার বিশাল দূরত্বকে কমিয়ে আনার একটি কার্যকর সেতু।
'রেইজ' প্রকল্পের এই চমৎকার উদ্যোগটি প্রমাণ করে যে, শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি কেবল তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে না, বরং তাদের পূর্ণাঙ্গ পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতেও বদ্ধপরিকর। যখন একজন তরুণ প্রথমবার কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সাক্ষাৎকারে বসেন, তখন নার্ভাস হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই ধরনের মহড়া বা অনুশীলন সেশন সেই ভীতিকে জয় করতে সাহায্য করে। ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে কীভাবে প্রবেশ করতে হয়, কীভাবে প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় এবং এমনকি কীভাবে বিদায় নিতে হয়—এসব সুক্ষ্ম বিষয়গুলো যখন শিক্ষানবিশিরা হাতে-কলমে শিখে নেন, তখন তাদের মাঝে এক ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তনের সঞ্চার হয়।
পরিশেষে বলা যায়, আজকের এই মক ইন্টারভিউ সেশনটি আগামীর দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী এক তরুণ প্রজন্ম তৈরির পথে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। শিরোপা ডেভলপমেন্ট সোসাইটি এবং পিকেএসএফ-এর এই সম্মিলিত প্রচেষ্টা স্থানীয় শ্রমবাজারে যোগ্য ও দক্ষ জনশক্তি সরবরাহে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এভাবেই নিবিড় যত্ন আর সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে আমাদের দেশের তরুণ সমাজ হয়ে উঠবে স্বাবলম্বী এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কারিগর। তরুণদের এই পথচলায় 'রেইজ' প্রকল্পের প্রতিটি পদক্ষেপ আমাদের আগামীর সুন্দর ও উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা বলে। এই মহতী উদ্যোগের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।
08/04/2026
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্স (AmCham) এবং ঢাকাস্থ ইউএস এম্বাসি কর্তৃক আয়োজিত তিন দিনব্যাপী 'ইউএস ট্রেড শো ২০২৬' আগামী ৯ মে ২০২৬ থেকে ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে শুরু হতে যাচ্ছে।
উক্ত মেলায় RAISE প্রকল্পের আওতায় শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির শিক্ষানবিশি কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত *তৃপ্তি বুটিক হাউজ* অংশগ্রহণ করছে।
আমাদের দক্ষ শিক্ষানবিশিদের নিপুণ হাতে তৈরি বিভিন্ন মানসম্মত পণ্য সেখানে প্রদর্শন ও বিক্রয় করা হবে। সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের কর্মসংস্থান এবং কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের এই প্রতিফলন সরাসরি দেখার এটি একটি চমৎকার সুযোগ।
মেলা সংক্রান্ত তথ্য:
• স্থান: ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা।
• তারিখ: ৯ মে ২০২৬ থেকে (৩ দিন ব্যাপী)।
• প্রদর্শক: তৃপ্তি বুটিক হাউজ (শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি)।
RAISE প্রকল্পের সকল সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং PKSF-এর শ্রদ্ধেয় কর্মকর্তাদের আমাদের স্টলটি পরিদর্শনের জন্য বিনীত আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আপনাদের উপস্থিতি এবং গঠনমূলক পরামর্শ আমাদের তরুণ শিক্ষানবিশিদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।
বিঃদ্রঃ উক্ত ছবি গুলোতে যে গুলো দেখছেন এগুলো আমাদের শিক্ষানবিশিদের হাতে তৈরী ( ডেমো ফ্যাশান ছবি)
আমরা আপনার অপেক্ষায় থাকব।
*ধন্যবাদান্তে,*
সবুজ
এমপ্লয়মেন্ট অফিসার, রেইজ (RAISE) প্রকল্প
শিরোপা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
