Sabz Asrar

Sabz Asrar

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sabz Asrar, Nature Preserve, Sakhipur, Tangail., .

24/12/2025

জামাইকে বলছিলাম chikon(pen) highlighter আনতে pen টা উল্লেখ করি নাই
জামাই ভাবছে এই চিকেন হাইলাইটার 🤦‍♀

11/08/2025

From beginning to end🌱

21/04/2025

তাদের পরিকল্পনা স্পষ্ট—তারা প্রস্তুত আপনাকে ক্লোন করতে!

হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন। আপনার দেওয়া ছবি, ভিডিও, ভয়েস, প্রোফাইল ইনফো—সবকিছু তারা সংরক্ষণ করছে। এআই (AI) প্রযুক্তির মাধ্যমে আপনার মতো করে একটা ক্লোন বানানো হচ্ছে। হতে পারে সেটা রোবট, হিউম্যানয়েড অথবা ভার্চুয়াল সত্তা।

এই ক্লোন শুধু আপনার চেহারা বা কণ্ঠ নয়—আপনার আবেগ, আচরণ, স্টাইল সব নকল করতে পারবে। এখান থেকেই দাজ্জালের ফিতনা শুরু হবে।

কীভাবে?
এই ক্লোনের ভেতর মৃত মানুষের জিন/কারিন ঢুকিয়ে তাকে জীবিত মনে করিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় তারা কাজ করছে। আপনার প্রিয় কেউ মারা গেছে—হঠাৎ একদিন সেই মানুষটাই দাঁড়িয়ে থাকবে আপনার সামনে! বলবে আপনার পরিচিত ভাষায়, আপনার সুরে—"আমি ফিরেছি..."।

আপনি হতবাক হয়ে যাবেন। অনেকেই বিশ্বাস করবে, অনেকেই ধোঁকায় পড়বে। যারা বুদ্ধিমান তারা হয়ত ধরে ফেলবে, এটা প্রযুক্তিল খেল।

_____

কেন এটা সম্ভব?

• AI (Artificial Intelligence)
• Deepfake প্রযুক্তি
• জিন (কারিন)
• রোবট ও ক্লোনড বডি
• আপনার ছবি, তথ্য, ভিডিও প্রায় সবই আজ অনলাইনে।
• প্রত্যেকের হাতে মোবাইল, সবকিছু ভিডিও হচ্ছে।
• AI + ডেটা + জ্বিন—দাজ্জালের ফিতনাকে বাস্তব করছে।
• সার্ভার-ভিত্তিক ক্লোনিং এখন বাস্তবতা, কাল্পনিক বিষয় নয়।

এসব মিলিয়ে ভবিষ্যতে এমন প্রতারক প্রযুক্তি ব্যবহার হতে পারে, যা মৃত মানুষকে “জীবিত” বলে মিথ্যে উপস্থাপন করা হবে‌।

_____

কী করা উচিত?

• ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, ভিডিও অপ্রয়োজনে শেয়ার বন্ধ করুন।
• নিজের ও সন্তানদের তথ্য গোপন রাখুন।
• AI-কে খেলাচ্ছলে সব দিয়ে দেবেন না।
• সর্বদা আল্লাহর জিকিরে থাকুন, দোয়া ও ইস্তেগফার করুন।

শেষ কথা, ক্লোনিং বিজ্ঞানের একটি বাস্তব দিক। মানুষের সম্পূর্ণ হুবহু কপি তৈরির চেষ্টা চলছে। আত্মা দেওয়া সম্ভব নয়—এই জায়গাটায় দাজ্জাল জিন/কারিন ব্যবহার করতে পারে। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি দাজ্জালের ফিতনার অংশ হতে পারে।

©

17/04/2025

দৃশ্যটি এশিয়া মহাদেশেরই একটি দেশের। দেশটির নাম জাপান । সে দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ হয়। আন্তর্জাতিক খেলায় নিজ দেশ বাজেভাবে হারলেও লাথি মেরে কেউ স্টেডিয়ামের চেয়ার ভাঙ্গে না। সে দেশের প্রাইমারী লেভেলের ছাত্র-ছাত্রীদের হোমওয়ার্ক থাকে রোবট বানানো।

আমাদের দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ তো দূরের কথা, ঢাকার ঐতিহ্য বুড়িগঙ্গা নদীই মাছ চাষের জন্য অনুপযোগী। আমাদের গায়ে বীরের রক্ত টগবগ করে; সুতরাং দেশ হারলে স্টেডিয়ামের দু-চারটা চেয়ার আমরা ভাঙতেই পারি। সম্ভব হলে সাকিব তামিমকে স্টেডিয়ামে বসেই খেলা শিখিয়ে আসি আমরা।

প্রাইমারী লেভেলে আমরা হোমওয়ার্ক হিসেবে পেয়েছি হাতের লেখা সুন্দর করার দায়িত্ব। এস.এস.সি, এইস.এস.সিতে ভাগ্য খুব ভাল হলে বাড়ির কাজ হিসেবে পেয়েছি বোতলের দৈর্ঘ্য, প্রস্ত বের করার দায়িত্ব। বোতলের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ মাপতে মাপতে হয়ত একদিন আমাদের মধ্যেই কেউ বোতলের আয়তন বের করা শিখবে। কিন্তু বিল গেটস, স্টিভ জবস, মার্ক জাকারবার্গের মতো কাউকে তৈরী করতে হলে
তো সেই মানের ভিত্তি চাই।

আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় অপ্রাপ্তি ঠিক এই জায়গাতে। আমাদের ভাল কোন ভিত্তি নেই, দিকনির্দেশনা নেই। আমরা বুয়েটে পড়ে হচ্ছি পুলিশ অফিসার, মানবিকে পড়ে হচ্ছি ব্যাংক অফিসার। পাঠ্য বিষয় এবং জবের মধ্যে যেখানে থাকসে বিস্তর ফারাক।

আমরা ঠিক জানি না কিসের জন্য আমরা হাসিমুখে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত। আমরা জানি না রাতের পর রাত, আমরা কেন পড়ার টেবিলে কাটাই।
গ্রাফ থেকে মান বের করি বা এ্যাসাইনমেন্ট তৈরী করি। আমরা ঠিক জানিনা কেন আমরা বৈমানিক হতে চাই, ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই, ডাক্তার হতে চাই।
আমরা জানিনা এই বিশাল পৃথিবীতে আমাদের অবস্থানটা ঠিক কোথায়???
জানি না ঠিক কিসের জন্য আগামীদিন আমরা ঘুম থেকে উঠব!.......

আমরা চাকুরীর পরিক্ষার জন্য মুখস্ত করি জাপানের মুদ্রার নাম কি?
অথচ জানার দরকার ছিল জাপান কেন আজ পৃথিবী সেরা।
আমরা মুখস্থ করি বাঘের ডাককে কি বলে? যেখানে জানার দরকার ছিল সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় আমাদের করনীয় কী?

ইংরেজী সাহিত্যে পড়াশুনা শেষ করেও আমরা বাংলা সাহিত্যের সন্ধি মুখস্ত করতে গিয়ে মুখস্ত করি পাগল+আমি=পাগলামী।
বাংলা সাহিত্যের নিগূঢ়তম রহস্য গুলো নখদর্পণে থাকার পরেও মাস্টার্স শেষ করে আমরা মুখস্ত করি ইংলিশের পার্টস অফ স্পিস।

আমরা মুখস্ত করি কোন রাজার শালার নাম কি? ঘোড়ার ডাকের প্রবর্তক কে? চাঁদ কোন দেশের উপনিবেশ ???

© সংগৃহীত

11/04/2025

চীনের মতো আমাদেরও ভাবা উচিত!

চীনে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, গুগল, গুগল ম্যাপ, হোয়াটসঅ্যাপ, এমনকি ক্রোম ব্রাউজারও ব্যান!
শুরুতে শুনে বিরক্ত লাগলেও এখন বুঝতে পারছি—ওরা আসলে অনেক আগেই অনেক বড় এক বিপদ থেকে নিজেদের রক্ষা করেছে।

আজকের একটি নিউজ দেখে বুকটা কেঁপে উঠল।
দেখলাম, ইস’রা’য়েল এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ব্যবহার করে ফি-লি’স্তি,নি মানুষদের টার্গেট করে হ,ত্যা করছে!

AI নিয়ে কাজ করি বলেই মাঝে মাঝেই গভীরে ঘাঁটতে হয়, আর সেখান থেকেই একটা কথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় AI-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে ডেটা। যত বেশি ডেটা, তত বেশি শক্তিশালী মডেল। আর এই ডেটা আমরা নিজেরাই প্রতিদিন ফ্রিতে দিয়ে যাচ্ছি—একটা বড় মস্ত ভুল করে।

🔹 আপনি গুগল ম্যাপ ব্যবহার করলেই গুগল আপনার লোকেশন ট্র্যাক করে
🔹 ফেসবুক চায় আপনার কনট্যাক্ট লিস্ট, যেন আপনাকে আর আপনার নেটওয়ার্ককে পুরোপুরি চিনে ফেলে
🔹 আপনার ফোনে “Ma”, “Baba”, “Boro Vai” নামে সেভ করা নম্বরগুলো থেকেই তারা বুঝে ফেলে কার সাথে আপনার কী সম্পর্ক
🔹 আপনার ব্রাউজার (ক্রোম) মনে রাখে সব পাসওয়ার্ড, মেইল, ব্রাউজিং হিস্ট্রি—একদম হাতের মুঠোয় আপনার ডিজিটাল লাইফ!

আর আপনি যেসব পারিবারিক ছবি পোস্ট করেন… আপনি ভাবতেই পারবেন না, সেগুলো একেকটা ডেটা পয়েন্ট।
একটা যুদ্ধের সময় এগুলোই আপনার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়াবে।

এখন প্রশ্ন হলো—উপায় কী?
🔸 ছোট্ট সমাধান: ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে না দেওয়া
🔸 বড় সমাধান: আমাদের নিজেদের বিকল্প তৈরি করা—যেমন চীন করেছে।

চীনের মতো নিজেদের প্ল্যাটফর্ম না বানালে আমরা কখনোই স্বাধীন নই, শুধু আধুনিক দাস! যাদের হাতে আপনার সবকিছু—তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আগে ভাবুন, আপনার শক্তি আসলে কোথায়?

~ Masuk Sarker

09/04/2025

আজকে অনেকে দেখলাম পোস্ট করতেছে তারা এ্যা*মে*রিকার ভিসা পেলেও যাবে না৷ ভাইসাব ভিসা বা স্কলারশিপ ছেড়ে দেওয়ার কথা বলার আগে একটু ভাবো। কোক ছাড়তে পারো নাই, নেসক্যাফে ছাড়া সকাল জমে না, ডাভ সাবান বা শ্যাম্পু ছাড়া চুল-ত্বক স্যুট করে না—এই যখন অবস্থা, তখন কি সত্যিই তুমি ইউরোপ-আ*মে*রিকার ভিসা ছেড়ে দিতে পারবে?

তখন তুমি বলো, বলো, “এক ঢোক খাইলে কী হয়?”
এভাবেই —নিজেকে ফাঁকি দিচ্ছো।

তৃষ্ণার্ত দুপুরে যদি দোকানে কেবল কোক থাকে, তুমি কি ফিরে আসো?
যখন মাথাব্যথায় ম*র*তেছো, তখন নেসক্যাফে ছাড়া কি বিকল্প খুঁজো?

এই ত্যাগগুলো না শিখে, শুধু মুখে বয়কট বয়কট বললে সেটা আদর্শ না, সেটা ফ্যাশন।
বয়কট মানে লাইফস্টাইল।
এর মানে হচ্ছে নিজের আরাম, চেনা স্বাদ, পছন্দের জিনিসগুলো ছেড়ে দেওয়া—কারণ তুমি একটা আদর্শে বিশ্বাস করো।

তাই টেবিলে কোকের ক্যান আর নেসক্যাফের জার রেখে ভিসা বয়কটের কথা বলো না।
নিজেকে হাস্যকর লাগবে।

আসল পরিবর্তন আসে ভিতর থেকে। আগে সেই ত্যাগ শেখো, তারপর না হয় আদর্শের কথা বলো।

08/04/2025

সময়টা ছিল ২০০৮/০৯ সাল। তখন লোডশেডিং ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। সন্ধ্যার পর নিয়ম করে কারেন্ট চলে যেত। অন্ধকারে ছেয়ে যেত আশপাশ।

কারেন্ট চলে গেলে পরিবারের সবাই চাটাই নিয়ে উঠোনে চলে যেতাম। সেখানে বসে একসাথে গল্প করতাম, শুনতাম। বড়রা আমাদের ভূতের কাহিনি শোনাতেন। আমরা মুগ্ধ হয়ে কান পেতে শুনতাম সেই সব গল্প।

তখন ছিল না কোনো স্মার্টফোন, ছিল না অপ্রয়োজনীয় ব্যস্ততার উপকরণ। সময়গুলো ছিল সহজ, সম্পর্কগুলো ছিল বেশ আন্তরিক।

একসাথে থাকা, কথা বলা আর মুহূর্তগুলো উপভোগ করার মধ্যেই ছিল জীবনের মূল্যবান স্বাদ।

আর আজ? এই যান্ত্রিক জীবনের সবকিছু হারিয়ে গেছে।

- মাহমুদ বিন নুর!

08/04/2025

😄

08/04/2025
08/04/2025

আপনি কখনো শুনেছেন কি, এক খাবার যেটি শরীরের পাশাপাশি মনেরও প্রশান্তি এনে দেয়? এমন এক খাবারের কথা যা খেলে রোগী শক্তি ফিরে পায়, মন শান্ত হয়, এবং শরীর সুস্থ থাকে? সেই খাবারটি হল তালবিনা।

তালবিনা হলো যবের গুঁড়া, যা দুধ বা পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়া হয়। ইসলামে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাবার হিসেবে বিবেচিত। নবী (সাঃ) নিজে এটি খেতে উৎসাহিত করেছেন এবং বলেছেন, “তালবিনা রোগীকে শক্তি দেয় এবং তার মনকে শান্ত করে।” (সহীহ বুখারী)

তালবিনা শরীরের জন্য বিভিন্ন উপকারিতা নিয়ে আসে। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, পেটের সমস্যা দূর করে, এবং শরীরকে পুষ্টি দেয়। এর পুষ্টিগুণ মস্তিষ্কের শক্তি ও সতেজতা বাড়ায়, যা মানসিক শান্তি আনে।

তালবিনা শুধু শারীরিক নয়, মানসিক সুস্থতার জন্যও খুব উপকারী। এটি মনকে প্রশান্ত করে, দুঃখ ও চিন্তা কমায়। ইসলামের দৃষ্টিতে, তালবিনা একটি পূর্ণাঙ্গ খাবার যা শরীর ও মনের জন্য এক অনন্য উপহার।

তাহলে, আপনি কি চান না আপনার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় তালবিনাকে অন্তর্ভুক্ত করতে?

Want your business to be the top-listed Government Service?

Culinary Team

Attire

Website