IAB Thakurgaon

Website

IAB Thakurgaon ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর পরিচিতি
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
ভূমিকাঃ
আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীন মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের সঠিক পথে পরিচালনার জন্য যুগে যুগে সত্য দীনসহ অগণিত নবী-রাসূল সা. প্রেরণ করেছেন। নবী-রাসূলগণ সা. হক-বাতিল, ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, সফলতা-ব্যর্থতার মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিধানপূর্বক শান্তি, কল্যাণ ও মুক্তির সঠিক পন্থা নির্ধারণ করে গেছেন। তাঁরা ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের প্রতিরোধের মাধ্যমে মানবজীবনকে সুন্দর , সফল, সার্থক ও শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদায় সমাসীন করেছেন। আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ সা.-এর পর এ দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে উম্মতে মুহাম্মদী অর্থাৎ গোটা মুসরিম জাতির ওপর। এ দায়িত্ব মুসলমানরা যে যুগে যতটুকু পালন করেছেন সে যুগে ততটুকু শান্তি, কল্যাণ ও মুক্তি পেয়েছেন।
আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামের সুমহান আদর্শে দেশের শতকরা প্রায় ৯০ জন লোক বিশ্বাসী।ইসলামের প্রতি এদেশের মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও দরদ অত্যন্ত গভীর। জনগণ চায় ইসলামী আদর্শ অনুযায়ী দেশ পরিচালিত হোক। কিন্তু শাসকগোষ্ঠী, কায়েমী স্বার্থবাদী মহল, সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের এজেন্টদের বহুমুখী ষড়যন্ত্র ইসলামী আদর্শ কায়েমের পথে অন্তরায় হয়ে রয়েছে। একদিকে জনগণকে বার বার ধোকা দিয়ে ক্ষমতায় থাকার জন্য শাসকগোষ্ঠী ইসলামের নাম ব্যবহার করে আসছে। অন্যদিকে ইসলামের উত্থানকে ঠেকানোর জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ফলে দেশে বিরাজ করছে অগণিত সমস্যা। এ সমস্যার কথা অনেকেই স্বীকার করেন এবং তা সমাধানে বার বার আন্দোলনও হয়েছে, কিন্তু সমস্যা রয়েই গেছে। সমস্যার স্থায়ী সমাধানেরর জন্য সর্বাগ্রে মূল কারণ চিহ্নি করা প্রয়োজন। আমরা মনে করি, যতক্ষণ পর্যন্ত নৈতিক আদর্শ বিবর্জিত সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন ও দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়ে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা এবং সমাজের সর্বস্তরে যোগ্য, খোদাভীরু লোকের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত দেশের কোন সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এ সত্য উপলব্ধির প্রেক্ষিতে দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় ওলামায়ে কিরাম, পীর-মাশায়েখ ও দীনদার বুদ্ধিজীবীগণের নেতৃত্বে ১৯৮৭ সালের ১৩ই মার্চ জালেম শাসকগোষ্ঠী ও শোষণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে দেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। যা গত ২০ নভেম্বর’০৮ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’ নামে নিবন্ধন লাভ করে। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’ এর নিবন্ধন নং-০৩৪।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রচলিত কোন রাজনৈতিক দল নয়। দলাদলী ইসলাম সমর্থন করে না, কারণ দলীয় রাজনীতি সংকীর্ণতা, কোন্দল ও হানাহানি সৃষ্টির নামান্তর। দলীয় রাজনীতি মুসলিম উম্মাহর সংহতি ও ঐক্যকে বিনষ্ট করে উম্মাহকে শতধাবিভক্ত করে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বস্তুতঃ ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দল-মত নির্বিশেষে একটি সর্বজনীন ইস্যুভিত্তিক আন্দোলন। স্বাধীনতা আন্দোলন কিংবা ভাষা আন্দোলন যেমন কোন দলীয় আন্দোলন ছিল না, যা ছিল দু’টি ইস্যুকে সামনে রেখে দলমত নির্বিশেষে একটি সর্বজনীন আন্দোলন। অনুরূপ নিছক নেতা বা সরকার পরিবর্তন নয়, দেশে প্রচলিত মানবরচিত সকল অনৈসলামী নীতি এবং জাহেলী সমাজের সার্বিক পরিবর্তন সাধন করে ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে একটি বিজয়ী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই ইসলামী আন্দোলনের চূড়ান্ত লক্ষ্য। এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ৫২’র ভাষা আন্দোলন বা ’৭১ এর স্বাধীনতা আন্দোলনের সাথে ইসলামী আন্দোলনের কোনরূপ তুলনা করা হয়নি। কারণ ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সাথে অন্য কোন আন্দোলনের তুলনা করা আদৌ যুক্তিসঙ্গত নয়। এটা শুধুমাত্র আন্দোলনের ধরণ বুঝাবার জন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের মূল ইস্যু হচ্ছে ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা।
অতএব, যতদিন বাংলার জমিনে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠা না হবে ততদিন পর্যন্ত এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
উদ্দেশ্যঃ দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতের মুক্তি লাভের জন্য আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি অর্জন।
লক্ষ্যঃ প্রচলিত জাহেলী সমাজব্যবস্থার পরিবর্তন সাধন করে ইসলামী আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে খেলাফতে রাশেদার নমুনায় বাংলাদেশকে একটি কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করা।

কর্মসূচিঃ
১. দাওয়াত: একটি সুখী সমৃদ্ধ কল্যাণরাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য জনসাধারণকে সচেতন করা এবং সর্বস্তরে ‘আমর বিল মা’রূফ ও নাহি আনিল মুনকার’ তথা ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা চালাতে সকলকে উদ্বুদ্ধ করা।
২. সংগঠন: আন্দোলনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে প্রতি আগ্রহী সংগঠন, প্রতিষ্ঠান, দল ও ব্যক্তিদেরকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কাফেলায় সংঘবদ্ধ করা।
৩. জ্ঞানার্জন ও প্রশিক্ষণ: নৈতিকতাসমৃদ্ধ আলোকিত মানুষ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ধর্মীয় জ্ঞান প্রসারের পাশাপাশি প্রচলিত জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, কর্মমূখি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনগণকে সুশিক্ষিত, দক্ষ ও আদর্শিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। সংঘবদ্ধ লোকদের আদর্শিক আধ্যাত্মিক রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক দিক থেকে ইসলামী সমাজ গঠনের যোগ্য সৈনিক হিসেবে গড়ে তোলা।
৪. ঐক্য: ইসলামের সুমহান আদর্শের ভিত্তিতে গণমানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সংহতি সৃষ্টির চেষ্টা চালানো।
৫. শিক্ষা সংস্কার: জাতীয়ভাবে সর্বজনীন কল্যাণকে সামনে রেখে প্রচলিত মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়ন এবং স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষাকে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার সমন্বয়ে কর্মমূখি শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনের চেষ্টা চালানো।
৬. খেদমতে খালক: খেদমতে খালক বা সমাজের অবহেলিত, বঞ্চিত মানুষের সেবা, জালিমের প্রতিরোধ এবং খেটে খাওয়া মজলুম মানুষের অধিকার আদায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা।
৭. সমাজ সংস্কার ও অর্থনৈতিক মুক্তি: সর্বস্তরে সুদ, ঘুষ দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন, ধর্ষণ, চুরি-ডাকাতি ইত্যকার সামাজিক ব্যাধি উচ্ছেদ করে গণবিপ্লবের মাধ্যমে একটি আদর্শ সমাজ গঠন করা। অপরদিকে দারিদ্রের অভিশাপ থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করতে সম্পদের সর্বোত্ত ও সঠিক ব্যবহার, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দেশীয় শিল্পের বিকাশ এবং কৃষি বিপ্লবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের পাশাপাশি দুসভিত্তিক সমাজব্যবস্থা উৎখাত করে ইসলামের যাকাত ও হালাল ব্যবসার নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা।
৮. অপশক্তি-অপসংস্কৃতি প্রতিরোধ: জাহেলী অপশক্তি ও অপসংস্কৃতির সয়লাব রোধ করে সুস্থ্য ধারার সৃজনশীল ইসলামী সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানোর সক্রিয় প্রয়াস চালানো।
৯. অমুসলিম বা সংখ্যালঘুদের অধিকার: অমুসলিম বা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জান-মাল, ইজ্জত-আবরুর নিরাপত্তা ও ধর্মীয় স্বাধীনতাসহ সকল নাগরিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান।
১০. গণআন্দোলন: সমাজ ও রাষ্ট্রের অকল্যাণকামী ভোগবাদী ও খোদাদ্রোহী নেতৃত্বের অবসান ঘটিয়ে খোদাভীরু দেশপ্রেমিক যোগ্য লোকের নেতৃত্বে ইসলামী আদর্শভিত্তিক একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য জনসাধারণকে অনুপ্রাণিত করে গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা।

সাংগঠনিক কাঠামোঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাশে-এর কেন্দ্রীয় কাঠামোতে রয়েছে ঃ
ক. একজন আমীর
খ. মজলিসে সাদারাত (প্রেসিডিয়াম)
গ. মজলিসে শুরা (পরামর্শ পরিষদ)
ঘ. মজলিসে আমেলা (কার্যনির্বাহী পরিষদ)
সাংগঠনিক স্তরঃ
আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত লোকদের সাংগঠনিক মানে উন্নীত করার জন্য তিনটি স্তর রয়েছে: (ক) সদস্য (খ) কর্মী (গ) মুবাল্লিগ।
ক. সদস্য:
যিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের সাতে একমত হয়ে সদস্য ফরম পূরণ এবং সাপ্তাহিক বৈঠকসহ বিভিন্ন সভা-সমাবেশে উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন তিনি আন্দোলনের একজন সদস্য বলে গণ্য হবেন।
খ. কর্মী:
যে সদস্য নিম্মলিখিত ছয়টি কাজ নিয়মিত আঞ্জাম দিবেন তিনি আন্দোলনের কর্মী বলে গণ্য হবেন।
১. নিয়িমিত সাপ্তাহিক, মাসিক বৈঠক ও সভা-সমাবেশে যোগদান।
২. নির্ধারিত হারে নিয়মিত মাসিক এনায়ত (চাঁদা) প্রদান।
৩. নিয়মিত কুরআন-হাদীস, বুজুর্গানেদীনের কিতাব, ইসলামী সাহিত্য ও সাংগঠনিক সিলেবাসভুক্ত বই অধ্যয়ন করা।
৪. নির্ধারিত ফরমে ব্যক্তিগত রিপোর্ট সংরক্ষণ।
৫. তিন ছবকের বাস্তবায়ন (ক. দীন কায়েমের নিয়তে প্রতিদিন দু’রাকাত নামাজ আদায় খ. সাধ্যানুযায়ী আল্লাহর রাস্তায় দান করা,
গ. মাসে কমপক্ষে ৪ জনকে দাওয়াতের মাধ্যমে আন্দোলনের সদস্য করা।)
গ. মুবাল্লিগ:
উপরোক্ত পাঁচটি কাজ অব্যাহত রেখে যে কর্মী নিুলিখিত পাঁচটি গুণ অর্জন করবেন তিনি আন্দোলনের সর্বোচ্চ স্তরের অধিকারী অর্থাৎ মুবাল্লিগ হবেন।
১. ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার কাজকে জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বানানো অর্থাৎ সকল কাজের উপর আন্দোলনের কাজকে প্রাধান্য দান।
২. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উন্নতির-জন্য সার্বক্ষণিক চিন্তা-ফিকির করবেন।
৩. উত্তরোত্তর ইলম-আমল, জান-মাল ও সময়ের কুরবানী বৃদ্ধির চেষ্টা চালাবেন।
৪. সকল প্রকার প্রলোভন ও ভয়কে পরিহার করে আন্দোলেনর জন্য যেকোন ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকবেন।
৫. দশটি মৌলিক দোষ: যথা- কাম, ক্রোধ, লোভ, হিংসা, মিথ্যা, কীনা, গীবত, কৃপনতা, রিয়া ও বড়াই বর্জন করা এবং দশটি মৌলিক গুণাবলী: যথা- ছবর, শোকর, ভক্তি একীন, ইলম, তওবা, খুলুছ ভয়, তাওয়াক্কুল ও মহব্বত অর্জন করা।

বাইতুল মালঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নীতিমালা অনুযায়ী সংগঠনের সর্বস্তরে বাইতুল মাল বা অর্থ তহবিল থাকবে। দায়িত্বশীল, সদস্য, কর্মী, মুবাল্লিগ, অধঃস্তন শাখাসমূহ, শুভাকাক্সক্ষী ও সহযোগি সংগঠনের নিয়মিত মাসিক এককালিন এয়ানত-ই (চাঁদা) এ আন্দোলনের আয়ের উৎস। প্রকাশ থাকে যে, নিরীক্ষা কমিটির মাধ্যমে আয়-ব্যয়ের সার্বিক হিসাব নিরীক্ষা করা হয়।

বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
১. ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রচলিত কোন দলীয় রাজনীতি নয় বরং এটা দীন কায়েমের এক সর্বজনীন আন্দোলন যা সম্পূর্ণরূপে আল্লাহ ও রাসূল সা. নির্দেশিত এবং হযরত সাহাবায়ে কিরামের অনুসৃত পথে পরিচালিত।
২. হক্কানী ওলামা-পীর-মাশায়েখ ও দীনদার বুদ্ধিজীবীদের সমন্বিত নেতৃত্ব।
৩. পরামর্শের ভিত্তিতে (শুরা) সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
৪. দেশে বিরাজমান মতাদর্শগত (অর্থাৎ এদেশের মানুষ পুঁজিবাদী, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, চায় না ইসলামী আদর্শভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র চায়) সংকট নিরসনকল্পে গণভোট (রেফারেন্ডাম) ও মুসলিম জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রবক্তা।
৫. রূহানিয়াত ও জিহাদের সমন্বিত প্রয়াস।
৬. অপশক্তি (ঊারষভড়ৎপব), অপসংস্কৃতি (উবাবষরংয ঈঁষঃঁৎব) ও সকল প্রকার জুলুম-নির্যাতন প্রতিরোধে সোচ্চার কণ্ঠ।
৭. আদর্শ মানুষ গড়ার এক অনন্য সংগঠন।
৮. প্রচলিত ধারার রাজনীতি নয় বরং আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকারের দায়িত্ব পালনে একটি ঐক্যপ্রয়াসী শক্তি।
৯. ইসলামীবিরোধী নারী নেতৃত্বসহ সকর বাতিলের বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থান।
১০. এই আন্দোলনের বিপ্লবী শ্লোগান-
“শুধু নেতা নয়, নীতির পরিবর্তন চাই”
অতএব, দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে উদাত্ত আহ্বান, আসুন দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে যোগদানের মাধ্যমে ঈমানী দায়িত্ব পালন করি এবং বাংলাদেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করার সর্বাত্মক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে উভয় জাহানের কামিয়াবী অর্জন করি।

কর্মী /মুবাল্লিগদের দৈনন্দিন আমলঃ
১. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামায়েতে আদায় ও তাহাজ্জুদের অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করা।
২. প্রতিদিন ফজর ও মাগরিব নামাজের পর কিছু সময় জিকির, অযিফা, তেলাওয়াতে কুরআনসহ নফল ইবাদতের চেষ্টা করা।
৩. নিয়মিত কুরআন-হাদীস, মাসয়ালা-মাসায়েল,আল্লাহর অলীদের কিতাব, আন্দোলনের বই পুস্তক ও পত্র-পত্রিকা পড়ার অভ্যাস করা।
৪. সাধ্য মোতাবেক চলতে-ফিরতে , ওঠতে-বসতে সর্বদা জিকরুল্লাহ ও দরুদ শরীফ জারী রাখা।
৫. দৈনিক সাধ্যানুযায়ী আন্দোলনের দাওয়াত দেয়া।
৬. দীন কায়েমের নিয়তে প্রতিদিন দু’রাকাত নামায (সালাতুল হাজত) আদায় করা।
৭. আল্লাহর পথে পরিমানে কম হলেও নিয়মিত দান করা ও জান-মাল কুরবানীর জন্য আল্লাহর দরবারে তাওফীক কামনা করা।
৮. প্রতিদিনের পারস্পরিক লেনদেন পরিস্কার রাখা এবং আচার-আচরণ সুন্দর হওয়ার দিকে লক্ষ্য রাখা।
৯. প্রত্যহ কারো কোন উপকার করা।
১০. হালাল উপার্জন ও হারাম থেকে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করা।
১১. অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে আদায়ের চেষ্টা করা।
১২. রাতে ঘুমানোর পূর্বে সমস্ত দিনের কাজকর্মের এহতেসাব (আত্মসমালোচনা করে ভুল-ত্র“টির জন্য আল্লাহর দরবারে এস্তেগফার ও ভাল কাজের জন্য শুকরিয়া আদায় করা।
১৩. ঘুমানোর সময় অজু রেখে সুরায়ে ফাতেহা ও সুরায়ে এখলাসসহ দোয়া-দরুদ পড়ার অভ্যাস করা।
আল্লাহ্ আমাদের সকলকে দ্বীন কায়েমের পথে শহীদ অথবা গাজী হিসেবে কবুল করুন-আমীন।

Email: [email protected]
Facebook: www.facebook.com/iabthakurgaon1987
Website: www.islamiandolanbd.org
Twitter: www.twitter.com/islamiandolanbd
Youtube: www.youtube.com/islamiandolanbd

জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ (ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া) বিনির্মাণের লক্ষ্যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আ...
08/10/2026

জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ (ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া) বিনির্মাণের লক্ষ্যে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত
সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী

হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম-কে

হাতপাখা মার্কায় ভোট দিন

#শরীয়ার_পক্ষে_হাতপাখা



#হাতপাখা
#শরীয়াহ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ডা. হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম-কে দলীয় প্রতীক "হাতপাখা" বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।০৮ অক্টোবর'২৬ বৃহস্পতিবার সকাল ১...
08/10/2026

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ডা. হাফেজ মো. খাদেমুল ইসলাম-কে দলীয় প্রতীক "হাতপাখা" বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

০৮ অক্টোবর'২৬ বৃহস্পতিবার সকাল ১১.৩০ টায় ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয় মিলনায়তনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৩ ঠাকুরগাঁও-১ শূন্য আসনের নির্বাচন-২০২৬ এর জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম কে দলীয় প্রতীক "হাতপাখা" বরাদ্দ দিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জনাব মোঃ কামরুল ইসলাম।

প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা মুহাম্মাদ জামাল উদ্দীন, যুগ্ম সমন্বয়কারী মুহাম্মাদ মতিউর রহমান বায়েজিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বার্তা প্রেরক
মুফতি রাহাত ইসলাম
প্রচার সমন্বয়কারী
নির্বাচন পরিচালনা কমিটি
ঠাকুরগাঁও-০১
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ভূল্লী উপজেলায় দায়িত্বশীল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।‘শরীয়াভিত্তি...
08/10/2026

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ভূল্লী উপজেলায় দায়িত্বশীল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও ভূল্লী উপজেলায় দায়িত্বশীল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

০৭ অক্টোবর'২৬ সোমবার রাত ৮ টায় ভূল্লী উপজেলা-এ দায়িত্বশীল মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) শেখ মুহাম্মদ আল আমিন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি হা: ডা: খাদেমুল ইসলাম।
জেলা নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন।

বার্তাপ্রেরক
মুফতী মুহাম্মাদ রাহাত ইসলাম
প্রচার সমন্বয়কারী
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ০২নং সালান্দর ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।‘শরীয়াভিত্তিক জন...
06/10/2026

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ০২নং সালান্দর ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ০২নং সালান্দর ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

০৫ অক্টোবর'২৬ সোমবার রাত ১০ টায় বরুনাগাও-এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি হা: ডা: খাদেমুল ইসলাম , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দ্বীনি সংগঠন ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা জামাল উদ্দিন।

বার্তাপ্রেরক
মুফতী মুহাম্মাদ রাহাত ইসলাম
প্রচার সমন্বয়কারী
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ০৫ নং শুখানপুকুরী ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।‘শরীয়াভিত্তি...
06/10/2026

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ০৫ নং শুখানপুকুরী ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও ভূল্লী উপজেলার ০৫ নং শুখানপুকুরী ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

০৫ অক্টোবর'২৬ সোমবার রাত ৯ টায় জাঠিভাংগা বাজারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি হা: ডা: খাদেমুল ইসলাম , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক মাওলানা মো. রুহুল আমিনসহ উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

বার্তাপ্রেরক
মুফতী মুহাম্মাদ রাহাত ইসলাম
প্রচার সমন্বয়কারী
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ০১ নং গড়েয়া ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্...
06/10/2026

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ০১ নং গড়েয়া ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ০১ নং গড়েয়া ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

০৫ অক্টোবর'২৬ রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় শিমুল ডাঙ্গী বাজারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি হা: ডা: খাদেমুল ইসলাম , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক মাওলানা মো. রুহুল আমিন।

বার্তাপ্রেরক
মুফতী মুহাম্মাদ রাহাত ইসলাম
প্রচার সমন্বয়কারী
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ২ নং বালিয়া ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্...
05/10/2026

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ২ নং বালিয়া ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও ভূল্লী উপজেলার ০২ নং বালিয়া ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

০৪ অক্টোবর'২৬ রবিবার রাত ১০টায় বালিয়া ইউনিয়নের আদর্শ বাজারে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ খাদেমুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার নির্বাচন ও জনপ্রতিনিধি সম্পাদক মাওলানা মো. রুহুল আমিন।

বার্তাপ্রেরক
মুফতী মুহাম্মাদ রাহাত ইসলাম
প্রচার সমন্বয়কারী
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ১৬ নং নারগুন ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।‘শরীয়াভিত্তিক জনপ...
04/10/2026

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ১৬ নং নারগুন ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

‘শরীয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশার ঠাকুরগাঁও-০১ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১৬ নং নারগুন ইউনিয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

০৪ অক্টোবর'২৬ রবিবার রাত ৮টায় ছোট খোচাবাড়িস্থ দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মো. মুছা আলম, বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ওবায়দুর রহমান এবং ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী মুহাম্মদ রাহাত ইসলাম।

বার্তাপ্রেরক
মুফতী মুহাম্মাদ রাহাত ইসলাম
প্রচার সমন্বয়কারী
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা

04/10/2026
কেন্দ্র নির্দেশিত কর্মসূচি পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম, রংপুর, গাইবান্ধা ও ঠাকুরগা...
04/10/2026

কেন্দ্র নির্দেশিত কর্মসূচি পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুড়িগ্রাম, রংপুর, গাইবান্ধা ও ঠাকুরগাঁও জেলা এবং রংপুর মহানগর শাখাকে সংবর্ধিত করা হয়।

০৩ অক্টোবর'২৬ শনিবার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আয়োজিত বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে নগর ও জেলা শাখাসমূহের নেতৃবৃন্দের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন।

Address

Abeda Super Market (1st Floor), Art Gallery Mor
Thakurgaon
5100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IAB Thakurgaon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share