06/06/2026
“একটি হলেও বৃক্ষরোপণ
করবো জনে জনে
সবুজ দেশের সুস্থ বাতাস
লাগুক সবার প্রাণে”
বৃক্ষরোপণ অভিযান ২০২৬
(১ জুন থেকে ৩০ জুন)
কর্মসূচিসমূহ
✓ প্রত্যেক জনশক্তি ১টি করে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ এবং অন্তত ২টি করে চারা বিতরণ করা।
✓ শাখাভিত্তিক সচেতনতামূলক র্যালির আয়োজন করা।
✓ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি পালন করা- বিশেষত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল এবং মাদরাসার ছাত্রদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা।
✓ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদের আঙিনায় ও বাড়ির ছাদে অনুমতি সাপেক্ষে গাছের চারা রোপণ করা।
✓ সকল ক্যাম্পাসের হলগুলোতে টবসহ গাছ লাগানো।
✓ শহর অঞ্চল বিশেষ করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাসার বারান্দা ও ছাদে বাগান তৈরিতে জনশক্তিদের উদ্বুদ্ধ করা।
✓ শহীদের নামে তৈরিকৃত বাগানসমূহ পরিচর্যা ও নতুন গাছ লাগানোর বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা।
✓ গাছের চারা রোপণের পর তার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় তত্ত্বাবধান চালানো এবং বিগত বছরের রোপিত চারা গাছের পরিচর্যা করা।
বিশেষ নির্দেশনা : চাষাবাদযোগ্য জমির আশপাশে বৃক্ষরোপণ না করা এবং অনুমতি ছাড়া কোনো স্থানে বৃক্ষরোপণ থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।
05/06/2026
আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব
মোকাবিলা এবং একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে
নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সচেতন করুন এবং বেশি বেশি গাছ লাগান।
ছোট ছোট দায়িত্বশীল পদক্ষেপেই গড়ে উঠবে সবুজ ভূখণ্ড ও টেকসই ভবিষ্যৎ।
04/06/2026
একটি হলেও বৃক্ষরোপণ
করবো জনে জনে,
সবুজ দেশের সুস্থ বাতাস
লাগুক সবার প্রাণে।
ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে জুন ‘মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ২০২৬' ঘোষণা ।
আসুন, নিজে অন্তত একটি গাছ লাগাই এবং অন্যকেও উদ্বুদ্ধ করি।
📅 সময়সীমা: ১ জুন থেকে ৩০ জুন।
#বৃক্ষরোপণঅভিযান #সবুজবাংলাদেশ #ছাত্রশিবির #সিরাজগঞ্জ
28/05/2026
পবিত্র ঈদুল আজহা মোবারক! 🌙✨
পবিত্র ঈদুল আজহার এই মহিমান্বিত ক্ষণে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল সুধী, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং প্রিয় ছাত্রসমাজকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।
সবাই সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন এবং পরিবারের সাথে
আনন্দের সাথে ঈদ উদযাপন করুন।
শুভেচ্ছান্তে,
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা।
20/05/2026
রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন-
“আল্লাহর নিকট জিলহজ্জের প্রথম দশ দিনের
নেক আমলের চেয়ে অধিক প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই।”
(সহীহ বুখারী : ৯৬৯)
18/05/2026
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, বগুড়া অঞ্চলের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী ‘সদস্য শিক্ষাশিবির-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত শিক্ষাশিবিরে অংশগ্রহণ করেন সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সদস্যবৃন্দ।
কেন্দ্রীয় প্ল্যানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মু. রিয়াজুল ইসলামের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম।
শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য পেশ করেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি রাজিবুর রহমান পলাশ ও মু. মঞ্জুরুল ইসলাম।
17/05/2026
ডুয়েটে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদল, যুবদল ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সংঘবদ্ধ বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) উপাচার্য নিয়োগের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপিপন্থি শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সংঘবদ্ধ বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। আজ ১৭ মে (রবিবার) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “নিজ ক্যাম্পাসে বহিরাগত কোনো শিক্ষককে নয়, বরং ডুয়েটের নিজস্ব শিক্ষকদের মধ্য থেকেই যোগ্য ও দলীয় লেজুড়বৃত্তিমুক্ত উপাচার্য নিয়োগের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা গত তিন দিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১৭ মে সকালে ডুয়েটের প্রধান ফটকে পূর্বঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালে ডুয়েট ও মহানগর ছাত্রদল, যুবদল এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বিএনপিপন্থি শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এতে অংশ নেন। এতে অন্তত ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত কাজে বাধা প্রদান, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের গুলি ও টিয়ার শেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। আমরা এই ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “ডুয়েটের এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং দেশব্যাপী ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রদলের চলমান সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নতুন দখলদারিত্বের রাজনীতিরই বহিঃপ্রকাশ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর তেজগাঁও কলেজের ছাত্রাবাসে মেধাবী ছাত্র সাকিবুল হাসান রানাকে পিটিয়ে হত্যার মাধ্যমে ছাত্রদলই দেশের শিক্ষাঙ্গনে পুনরায় লাশের রাজনীতি শুরু করে। এরপর তারা ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ, রুয়েট এবং ডাকসু নেতৃবৃন্দের ওপর হামলাসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের নানা ধরনের ট্যাগিং ও ফ্রেমিং করে নির্যাতনের প্রেক্ষাপট তৈরি, ক্যাম্পাসগুলোতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল সৃষ্টি এবং পেশিশক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে তারা শিক্ষাঙ্গনের স্বাভাবিক পরিবেশ ধ্বংস করে আবারও ক্যাম্পাসগুলোকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।”
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ শিক্ষাঙ্গনের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মূল কারণ তুলে ধরে বলেন, “রাষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার নীলনকশার অংশ হিসেবে সম্পূর্ণ দলীয় বিবেচনায় জেলা ও সিটি কর্পোরেশনগুলোতে প্রশাসক এবং ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দলীয় নিয়োগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমরা এই হঠকারী সিদ্ধান্ত ও পরিকল্পিত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
নেতৃবৃন্দ বলেন, “আমরা বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ করেছি, বরাবরের ন্যায় এই হামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ছাত্রশিবিরের ওপর দায় চাপিয়ে বিবৃতি দিয়েছে হামলাকারী সংগঠন ছাত্রদল, যা তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের বহিঃপ্রকাশ। আমরা অনতিবিলম্বে ডুয়েট ক্যাম্পাসে হামলাকারী বহিরাগত ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা এবং আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিতর্কিত ও দলীয় উপাচার্য নিয়োগের বৈষম্যমূলক নীতি পরিহার করে শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”