26/02/2026
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর জন্য কবর খুঁড়তে হয়েছিলো ২ টা। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন, একটা না।
২ টা...
ফাঁসির ৪ ঘন্টা আগেও সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী জানতেন না, আজকেই তাকে যেতে হবে।
ফ্যামিলি যখন শেষবারের মতো দেখা করতে যায়, তখন সেই ফ্যামিলির কাছেই তিনি প্রথম জানতে পারেলেন যে আজকেই সেই দিন। তাঁর হাতে সময়
আছে আর ৪ ঘন্টা।
উনি কিছুটা কষ্ট পেয়েছিলেন। জেলারকে বলেছিলেন, অন্তত আমাকে তো বলতে পারতি রে, একটা
প্রিপারেশন নেওয়ার ব্যাপার আছে না?
এরপর তিনি ফ্যামিলিকে জানান, উনি ১৯৭৮ সালে এক বক্তব্যে রাঙ্গুনিয়ার মানুষের কাছে ওয়াদা করেছিলেন, যে আমার কবর এখানেই হবে।
তো শেষ ইচ্ছা শুনেই চৌধুরী পরিবার রাঙ্গুনিয়াতে
কবর খননের কাজ শুরু করে।
কী অদ্ভুত জীবন!!
মানুষটা তখনও বেঁচে আছে, অথচ কবর
খোড়া শুরু হয়ে গেছে 😥
কিন্তু ফাঁসি কার্যকরের পর জেলার সাফ জানিয়ে দেন, লাশ রাঙ্গুনিয়া যাবে না। লাশ অবশ্যই রাউজানে নিতে হবে।
অনেক চেষ্টা করেও যখন মানানো যায়নি, তখন
সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কাজিন সালমান এফ
রহমানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারের কাছে বলা হয়, উনি যেন জেলারকে বলে দেন, লাশ রাঙ্গুনিয়াতে দাফ
করার ব্যাপারে।
ফ্যাসিবাদী সরকার স্পষ্ট জানাইয়া দেন, রাঙ্গুনিয়া না, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর দাফন রাউজানেই করতে হবে।
শেষ পর্যন্ত রাউজানে আরেকটা কবর খোড়া হয়।ওখানেই সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে দাফন করা হয়। আমি শুধু ভাবি, ঠিক কতটা বিদ্বেষ পুষে রাখলে
এই কাজটা করা যায়?
সালাউদ্দিন কাদেরকে বার বার বলা হয়েছিল,
"তুমি যদি রাষ্ট্রপতির কাছে জীবন ভিক্ষা চাও, তাহলে
তোমার ফাঁসি দেওয়া হবে না "। কিন্তু ইতিহাসের এই
নেতা বলেছিলেন, " জীবন দেওয়া নেওয়ার মালিক
আল্লাহ। আর আমি রাজাকার নই, তাই মিথ্যাকে
স্বীকার করে নিয়ে জীবন ভিক্ষা চাইবো?? "। উনি
সত্যের প্রতি অনড় ছিলেন।
সালাউদ্দিন চৌধুরির হয়ে আদালতে যে আইনজীবী লড়াই করেছিলেন, পরবর্তীতে সেই আইনজীবীকেও
শোকজ করা হয়েছিল।
আজকে যারা নতুন করে "রাজাকার" বলে স্লোগান
দেন, তাদেরকে মনে করিয়ে দিতে চাই, এই নেতাকে কিন্তু রাজাকার তকমা দিয়েই ফ্যাসিবাদী সরকার হ*ত্যা করেছে। সুতরাং রাজাকার বলার আগে একটু ভেবে বলিয়েন।
যারা অন্ধের মতো ফ্যাসিস্টদের পূণর্বাসন করার চেষ্টা করছেন, তারা দয়াকরে এমন বিভীষিকাময় অতীত ঘেটে আসুন। আপনাদের অন্ধ চোখ খুলে যাবে।
31/01/2026
সুযোগ পাইলেই মিথ্যা খবর দিয়ে ছাত্রলীগ নেতার প্রতি সিমপ্যাথি তৈরি আর মিথ্যা তথ্য দিয়ে জুলাই এর নেতাদের টেনে নামানোর চেষ্টা, মিডিয়া এইটা নিয়মিতই করবে।
মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার এই শয়তানিগুলো বুঝতে না পারলে, আমরা আমাদের জুলাই আর ইনসাফকে হায়েনাদের হাত থেকে বাঁচাতে পারব না।
27/01/2026
হাদির অবর্তমানে কারো যদি সংসদে যেতেই হয় — তাহলে তিনি হবেন মা'মুনুল হক। তিনি ভা/রতবিরোধী প্রধান প্রক্সি এবং আধিপত্যবাদ বিরোধী ট্রাম্প কার্ড। ওসমান হাদির আগে ভা/রতের প্রধান টার্গেটও এই লোক।
বিগত ১৭ বছর একাই হাসিনা সরকারকে দৌড়ের উপর রেখেছিলেন এই মাওলানা। ২১ সনে খু'নিদের গডফাদার মোদিকে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে অপমান করে আধিপত্যবাদের মুখে জুতা নিক্ষেপ করা ব্যক্তি তিনি। ১৩ সন এবং ২১ সনের ফ্যা'সিবাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম রুপকার। হাসিনার জু'লুমের বি'রুদ্ধে আপনাদের জন্য পাগলের মতো চিৎকার করত মানুষটা। পরিণামে কারাগারে থেকেছেন প্রায় চার বছর। নেতৃত্বদেওয়া আলেমদের মধ্যে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে তিনিই প্রধানমুখ। মাদ্রাসালাইনে পড়াশোনায় সর্বোচ্চ যোগ্যতা এবং গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ডে ডিগ্রি নেওয়া কওমি আলেমদের মধ্যে তিনি বিরল। খান্দানী বংশে বেড়ে ওঠাসহ ডজনখানেক খেতাব তাঁর নামে লাগানো যায়।
ঢাকা- ১৩ থেকে তাঁকে বিজয়ী করে সংসদে না পাঠাতে পারলে হেরে যাবেন। যেমন আমরা হেরেছি ওসমানকে হারিয়ে।
- Muhammadullah
জাস্টিস ফর হাদি
27/01/2026
মামুনুল হককে চিনেন?
এই বীর যেখানেই যাবে সেটাই পরিশুদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ, জামাত সহ ১০ দলীয় জোটে মামুনুল হক থাকায় (১০ দলীয় সরকার গঠন হলে) মামুনুল হককে ছাড়া সেখানে একটি সিদ্ধান্ত ও বাস্তবায়ন হবেনা ইনশাআল্লাহ, তখনই বুঝবেন মামুনুল হক যে কি জিনিস (ইনশাআল্লাহ)
25/01/2026
একটা বিষয় খেয়াল করেন। ৫ আগস্টের পর থেকে মাওলানা মামুনুল হকই একমাত্র শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ, যিনি বড় ধরনের কোনো বিতর্কে জড়ান নাই। জামাতের সাথে জোটে যাওয়ার আগ-পরে, জামাত/চরমোনাই সম্পর্কে তো নয়ই, বিএনপি/জমিয়ত নিয়েও তিনি বাঁকা কোনো কথা বলেন নাই। অন্তত আমার চোখে পড়ে নাই।
নতুন বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত অন্য রাজনৈতিক পক্ষগুলোর সাথে সবচেয়ে ভালো ও সফল নেগোসিয়েশনটা তিনিই করেছেন। জাতীয় ইস্যুগুলোতেও তাঁর অবস্থান ও কার্যক্রম ছিল অবিতর্কিত এবং প্রজ্ঞাপূর্ণ।
এই প্রজ্ঞা দিয়ে নিজ দলের সাংগঠনিক পাটাতন দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও জোট থেকে বিশের অধিক আসন বাগিয়ে নিয়েছেন এবং যার মধ্যে অন্তত ৪/৫টি আসনে জিতে আসার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।
তাঁর আরও একটা সফলতা হলো, এ দেশের হকপন্থি অন্তত ৩টা প্রভাবশালী খানকাহর উত্তরসূরিদেরকে নিজের দলের মার্কা দিয়ে নির্বাচনে দাঁড় করাতে পেরেছেন।
তাঁরা হলেন, হাজি শরিয়তুল্লাহর সপ্তম বংশধর মাওলানা হানযালা, আল্লামা গহরপুরীর পুত্র মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু এবং শায়খে বরুণার নাতি মাওলানা নুরে আলম হামিদী।
মামুন সাহেবের জেলপরবর্তী রাজনীতির এই ধারা যদি অটুট থাকে, তাহলে দেওবন্দী আলেমদের রাজনীতি প্রভাবশালী একটা পাটাতনে গিয়ে দাঁড়াবে।
বাকি যা রটতেসে—'জামাতের সাথে এই করে ফেলসেন সেই করে ফেলসেন, কওমি মাদরাসার ঐতিহ্য নষ্ট হইতেসে তারা দ্বারা' এইগুলা হইলো ভুগিচুগি আলাপ।
আলেম সমাজের পক্ষ থেকে জামাতের শফিক মাসুদের হাতে দাঁড়িপাল্লা তুলে দিলে তোর সমস্যা কী?
তোর ভালো না লাগলে তুই মামুন সাহেবের প্রতিনিধিত্বশীল আলেম সমাজ থেকে আলাদা থাক।
বিএনপির ছাপড়িগিরি করতে জাত যায় না, মামুন সাহেব তার জোটের প্রার্থীর হাতে মার্কা তুলে দিলেই সব জাত চলে যায়?
25/01/2026
আপনি বা আপনার নেতা ইচ্ছেমতো আপনার জোটের বা জোট নেতাদের চামচামি করছে—এতে কোনো সমস্যা নেই। মাওলানা মা +মু*নু*ল হক সাহেব শুধু তাঁর জোটের প্রার্থীকে মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন, এতেই আপনার জাত গেল? গাত্রদাহ শুরু হয়ে গেছে?
তিনি কী বলছেন? তিনি বলছেন—আলেম সমাজের পক্ষ থেকে শফিকুল ইসলাম মাসুদকে প্রার্থী দেওয়া হলো। তিনি কি এটা বলতে পারেন না? মা +মু*নুল হক সাহেব কি আলেম সমাজের প্রতিনিধিত্ব করেন না?
আমি যদি বলি—আমিরে হেফাজতসহ আমরা সবাই যদি অন্য জোটেও থাকি, আর এক মা +মু*নুল হক সাহেব যদি জামাত জোটে থাকেন, তাহলে এ দেশের ৯০ ভাগ মানুষ বলবে—হেফাজত জামাতের সঙ্গে আছে। মা +মু*নু*ল হক সাহেব হেফাজতের ব্র্যান্ড বা মুখপাত্র।
দেশের ৯০% মানুষ যেখানে মনে করে মা +মু*নুল হক মানে হেফাজত আর হেফাজত মানেই মা *মু*নুল হক,এটা হলো রিয়েল বাস্তবতা!