বিসিএস : লক্ষ্য যখন একটাই
আসুন নিজেকে প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাবার য?
ব্রেকিং!
৪৭ বিসিএস থেকে তিন ধাপের(প্রিলি-রিটেন-ভাইভায়) প্রাপ্ত নম্বর জানতে পারবেন প্রার্থী!
আন্দোলন হয়েই ছিলো সরকারি চাকরিকে কেন্দ্র করে। কিন্তু তিতো হলেও এটাই সত্যি যে বর্তমান সরকার অনেক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঠিকই শুধুমাত্র সরকারী চাকরি কেন্দ্রিক ছাড়া।
সকল নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত। ৩৫ জন্য একদল ছাত্র ছাত্রী দিনের পর দিন আন্দোলন করছে,তাদের সাথে কোনো আলোচনা নেই।
মূল বিষয়টা হচ্ছে সমন্বয়কদের এখন আর চাকরির প্রয়োজন নেই, তারা এখন তাদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়া নিয়েই ব্যস্ত। সেজন্যই সরকারি চাকরি বিষয়ক সংস্কারের চেয়ে রাজনৈতিক সংস্কার প্রাধান্য বা বেশি জরুরী তাদের কাছে। তা না হলে যেখানে সরকারি, বেসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের পদ থেকে সরানো এবং সর্বশেষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনার কেও পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে সেখানে পি এস সির চেয়ারম্যান এখোনো স্বপদে বহাল যার হাত ধরে বিসিএস চাকরীপ্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
👉বিসিএস (ক্যাডার) পদে নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি👈
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।
♦বিসিএস এর তিনস্তর বিশিষ্ট পরীক্ষা পদ্ধতি:
বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪-এর বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে উপযুক্ত প্রার্থী মনোনয়নের উদ্দেশ্যে সরকারী কর্ম কমিশন নিম্নোক্ত ৩ স্তর বিশিষ্ট নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে।
✅প্রথম স্তরঃ ২০০ নম্বরের MCQ Type Preliminary Test ।
✅দ্বিতীয় স্তরঃ প্রিলিমিনারি টেস্টে কৃতকার্য প্রার্থীদের জন্য ৯০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা।
✅তৃতীয় স্তরঃ লিখিত পরীক্ষায় কৃতকার্য প্রার্থীদের জন্য ২০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা।
☆প্রথম স্তরঃ ২০০ নম্বরের MCQ Type Preliminary Test
শূন্য পদের তুলনায় প্রার্থী সংখ্যা বিপুল হওয়ায় লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই-এর জন্য বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪-এর বিধি-৭ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন ২০০ নম্বরের MCQ Type প্রিলিমিনারি টেস্ট গ্রহণ করে থাকে। ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষা পর্যন্ত ১০০ নম্বরে প্রিলিমিনারি টেস্ট গ্রহণ করা হতো। বিসিএস পরীক্ষা বিধিমালা-২০১৪-এর বিধানমতে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষা হতে ২০০ নম্বরের ২ ঘণ্টা সময়ে ১০টি বিষয়ের উপর MCQ Type প্রিলিমিনারি টেস্ট গ্রহণের ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে।
●প্রিলিমিনারি টেস্ট-এর বিষয় ও নম্বর বণ্টন:
১.বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-৩৫
২.ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য-৩৫
৩.বাংলাদেশ বিষয়াবলি-৩০
৪.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি-২০
৫.ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা-১০
৬.সাধারণ বিজ্ঞান-১৫
৭.কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১৫
৮.গাণিতিক যুক্তি-১৫
৯.মানসিক দক্ষতা-১৫
১০.নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন-১০
মোট = ২০০
☆২য় স্তরঃ
৯০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা (গড় পাস নম্বর ৫০%)প্রিলিমিনারি টেস্ট-এ কমিশন কর্তৃক কৃতকার্য ঘোষিত প্রার্থীদের ৯০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী ২৭টি ক্যাডার সাধারণ ক্যাডার এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার এই দুই ক্যাটাগরিতে বিভক্ত।
ক. সাধারণ ক্যাডারের প্রার্থীদের জন্য ৯০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা।
খ. কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারের প্রার্থীদের ৯০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা।
ক. সাধারণ ক্যাডারের প্রার্থীদের জন্য লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক নম্বর বণ্টন:
⭐আবশ্যিক বিষয়ও নম্বর বণ্টন⭐
১.বাংলা - ২০০
২.ইংরেজি - ২০০
৩.বাংলাদেশ বিষয়াবলি - ২০০
৪.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি - ১০০
৫.গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা - ১০০
৬.সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - ১০০
মোট = ৯০০
খ. কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারের প্রার্থীদের জন্য লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক নম্বর বণ্টন
⭐আবশ্যিক বিষয় ও নম্বর বণ্টন⭐
১.বাংলা-১০০
২.ইংরেজি-২০০
৩.বাংলাদেশ বিষয়াবলি-২০০
৪.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি-১০০
৫.গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা-১০০
৬.পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়-২০০
মোট-৯০০
🔰লিখিত পরীক্ষার বিস্তারিত সিলেবাস:
●পদ সংশ্লিষ্ট (Job-related) বিষয়ের পরীক্ষা:
যে সকল প্রার্থী সাধারণ ও কারিগরি/পেশাগত উভয় ক্যাডারের পদের জন্য পছন্দক্রম দেবেন, তাদেরকে সাধারণ ক্যাডারের জন্য নির্ধারিত বিষয়ের ৯০০ নম্বরের অতিরিক্ত সংশ্লিষ্ট পদ বা সার্ভিসের জন্য প্রাসংগিক বিষয়ের ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়।
☆৩য় স্তরঃ
বিসিএস-এর ২০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা (পাস নম্বর ৫০%)
বিসিএস-এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০%।
বাংলাদেশ বিষয়ক
🔴🔴🔴
1. বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (The Peple’s Republic of BD)
2. বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভ করেছে- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর।
3. এদেশের রাজধানী- ঢাকা।
4 বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী- চট্টগ্রাম।
5 এদেশের আয়তন- ১.৪৭.৫৭০ বর্গ কি.মি অথবা ৫৫ হাজার বর্গামাইল।
6. আয়তনের ভিত্তিতে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান- ৯০তম।
7 এদেশের আইন পরিষদের নাম- পার্লামেন্ট বা জাতীয় সংসদ।
8 বাংলাদেশের বিভাগ সংখ্যা- ৮টি।
9. সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা- ১২টি।
10. এদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি।
11. বাংলাদেশের সাথে যে দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে- ভারত ও মায়ানমার।
12. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.৩২%।
13. এখানকার মানুষের গড় আয়ু- ৬৬.৮ বছর।
14. এদেশের মানুষের মাথাপিছু আয়- ৭৫০ মার্কিন ডলার।
15. বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত- ২০৩ সে.মি।
16. এদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত মোট নদ-নদীর সংখ্যা- ২০৩টি।
17. এদেশের মানুষের গড়পড়তার হার- ৫৪৮% (সূত্র- অর্থনৈতিক সীমানা ২০১০ ও প্রাথমিক গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ব্যান বেইস= ৬৫.৫%)
18. জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান- নবম।
19. এদেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়- সিলেট জেলার লালখানে।
20. সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়- নাটোর জেলার লালপুরে।
21. উচ্চমত মাস- এপ্রিল।
22 শীতলতম মাস-
23. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা- কক্সবাজার।
24. সর্ব উত্তরের জেলা- পঞ্চগড়।
25. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা- কক্সবাজার।
26. সর্ব উত্তরের জেলা- পঞ্চগড়।
27. বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দর- ২টি।
28. আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর- ২টি।
29. জনসংখ্যার ঘনত্ব- ৯৯০ জন প্রতি বর্গ কি.মি. এ।
30. সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা।
31. সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- বান্দরবান।
32. বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করে- ১৯৭৪ সালে।
33. বাংলাদেশের জাতিসংঘের- ১৩৬তম সদস্য।
বাংলাদেশের উৎপত্তি, অবস্থান, সীমানা ও আয়তন
34. বাংলাদেশ নামের উৎপত্তি হয়েছে নিম্নোক্ত ক্রমধারায়- বাঙ্গাল > সুবাহ-ই বাঙলা > পূর্ববঙ্গ > পূর্ব পাকিস্তান > বাংলাদেশ।
35. বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান -- ২০০৩৪´ উত্তর থেকে ২৬০৩৮´উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮০০১´ পূর্ব থেকে ৯২০৪১´পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
36. বাংলাদেশের সীমানা- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং মায়ানমার, বাংলাদেশের দক্ষিণে রয়েছে বঙ্গোপসাগর।
37. বাংলাদেশের আয়তন- ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. বা ৫৬, ৯৭৭ বর্গ মাইল।
38. বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান- ছেড়াঁ দ্বীপ (না থাকলে সেন্টমার্টিন হবে)।
39. বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান- আখাইনঠং (থানচি, বান্দরবন)।
40. বাংলাদেশের পশ্চিমের স্থান- মনাকসা (শিবগড়, চাঁপাই নবাবগড়)।
41. বাংলাদেশের বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান- জায়গীর জোত, বাংলাবান্ধা।
42. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিভাগ- চট্টগ্রাম।
43. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ- সিলেট।
44 আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা- রাঙামাটি।
45. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা- মেহেরপুর।
46. আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা- শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)।
47 বাংলাদেশের দক্ষিণে ভারতের কোন প্রদেশ অবস্থিত- আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।
48. বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় সীমার দৈর্ঘ্য- ৭১১ কি.মি.।
49. বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা- ১২ নটিক্যাল মাইল।
50. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য- ২০০ নটিক্যাল মাইন বা ৩৭০.৪ কি.মি.।
51. বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য- ৫টি।
52. বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩২টি।
53 ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
54 মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।
55. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমারের যৌথ সীমান্ত রয়েছে- রাঙামাটি।
56. বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারতের কোন সংযোগ নেই- বান্দরবান ও কক্সবাজার।
57. বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে ভারতের ফারাক্কা বাঁধের দৈর্ঘ্য- ১৬.৫ কি.মি. বা ১১ মাইল।
58. বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে- কর্কট ক্রান্তি রেখা বা ৯০ ি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা বা ট্রপিক অব ক্যানসার।
59. ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬ মে ১৯৭৪ সালে।
60. বাংলাদেশের অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে।
বাংলাদেশের ছিট মহল ও সীমান্তবর্তী স্থান সমূহ
61. বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধি।
62. বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ১৬মে ১৯৭৪ (নয়াদিল্লী)।
63. বাংলাদেশের সব কটি ছিট মহল- ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার জেলার অর্ন্তগত।
64. ছিটমহল সংক্রান্ত ‘মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি- ১৯৭৪’ এর বিষয়বস'- নিজ ভিটায় বসবাস।
65. ‘তিন বিঘা করিডোর’ এর বিনিময়ে বাংলাদেশ ভারতকে দেয়- বেরু বাড়ী ছিটমহল।
66 ভারত বাংলাদেশের জন্য ‘তিনবিঘা করিডোর’ খুলে দেয়- ২৬ জুন ১৯৯২ সালে।
67. বাংলাদেশের ভিতর ভারতের ছিটমহল আছে- ১১১টি।
68. ভারতের ভিতর বাংলাদেশের ছিট মহল আছে- ৫১টি।
69. ভারত ও বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো নির্ধারণ করা হয়- ‘র্যাড ক্লিফ কমিশন’ অসুসারে।
70. ভারতের অধিকাংশ ছিটমহল বাংলাদেশের- লালমনির হাট জেলায় (৫৯টি)।
71. বাংলাদেশের সাথে ভারতের- ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
72. বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
73. ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
74. বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমারকে সভার্শ করেছে- রাঙ্গামাটি জেলা।
75. ভারত কর্তৃক দখলকৃত ‘পদুয়া’ নামক স্থানটি- সিলেট সীমান্তে অবস্থিত।
76. বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের সাথে ভারতের কোন সীমান্ত সংযোগ নেই।
::::
্চবার্ষিকী_পরিকল্পনা
☑মেয়াদকাল: জুলাই, ২০২০ থেকে জুন, ২০২৫
☑প্রস্তাবিত স্লোগান: দক্ষতার উন্নয়নে বিনিয়োগ
☑গুরুত্বপূর্ণ খাত:
১. কর্মসংস্থান তৈরিতে প্রবৃদ্ধি বা জিডিপি গ্রোথ,
২. সবার সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা এবং
৩. জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
☑গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যসমূহ:
১. ৭৫ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
২. ৭৭ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ। যার ৭৬% বেসরকারি খাতের।
৩. ডেল্টা ২১০০ প্ল্যানের কার্যক্রম শুরু।
৪. ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫% অর্জন।
৫. দারিদ্র্যের হার ১২.১৭% এ নামিয়ে আনা৷
☑মনে রাখুন, ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে মোট পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা থাকছে ৪টি। ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা হচ্ছে এর প্রথম।
#রুপকল্প -২০৪১
ভিশন-২১’র পর এবার উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্নপূরণে তৈরি হচ্ছে ‘রূপকল্প-২০৪১’। এজন্য নতুন অর্থনৈতিক রূপরেখা তৈরি করছে সরকার। আওয়ামী লীগের বিগত সম্মেলনেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্নপূরণে দিকনির্দেশনা ও এ সংক্রান্ত পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
#সংক্ষেপে_রুপকল্পের_লক্ষ্যমাত্রা
১) রূপকল্প-৪১ বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও বাড়ানো হবে।
২) বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬০০০০ মেগাওয়াট হবে।
৩) প্রাচ্য ও পশ্চাত্যের বানিজ্যিক হাব হবে বাংলাদেশ। যেমন-দুবাই।
৪) বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বহির্বিশ্বের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক স্থাপনে জোর দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
৫) আগামী ২৬ বছরের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী দেশের কাতারে দেশকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
৬) সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার। এ পরিকল্পনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কারিগরি ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন মানবসম্পদ গঠন এবং সরকারী-বেসরকারী বিনিয়োগে গতিশীলতা আনয়ন।
৭) এ লক্ষ্য অর্জনে চারটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে- জিডিপিসহ মাথাপিছু জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা, উচ্চতর আয়ের সুফল সাবর্জনীন করা, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
৮) বাংলাদেশ এখন নিম্ন মধ্যম আয়ের অর্থনীতি, যেখানে মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলারের ওপরে (১৬১০) কিন্তু ৪ হাজার ১২৫ ডলারের নিচে। উচ্চ মধ্যম আয়ের অর্থনীতির দেশ হতে হলে মাথাপিছু জাতীয় আয় হতে হবে ৪ হাজার ১২৫ ডলারের ওপরে ১২ হাজার ৭৩৬ ডলারের নিচে। আর উচ্চ আয়ের অর্থনীতির দেশ হতে মাথাপিছু জাতীয় আয় হবে ১২ হাজার ৭৩৬ ডলারের ওপরে।
৯) ২০১৮ সাল থেকেই সেই ইশতেহার (ভিশন ডকুমেন্ট) তৈরির কাজ শুরু হবে।
১০) ব্লু-ইকোনোমি (সমুদ্র অর্থনীতি) ও এনার্জি (জ্বালানি) সেক্টরের উন্নয়ন এবং শিক্ষিত যুব সমাজকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী একইভাবে রুপকল্প ২০২১ এর মত করে নতুন পরিকল্পনাটি সম্পন্ন করতে চাইছেন। এবারো প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মাত্র ৩/৪ জন এই প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকবেন। তিনি বলেন, "একই ধরনের একটি ডকুমেন্ট ২০২১ সাল নাগাদ তৈরি করতে চান তিনি (প্রধানমন্ত্রী)। এটি হলো ২০৪১ সালের জন্য ভিশন ডকুমেন্ট। আমার মতে, দলের জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আগের পরিকল্পনাটিও আমি করেছিলাম, তাই জানি, এর সঙ্গে কতটা নিষ্ঠার সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে হয়।"
২০২৪ সাল নাগাদ বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে। তখন থেকে বিদেশী সহায়তা কমে যাবে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গঠনের কাজটি সত্যি ই তখন অনেক চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে আমরা আশাবাদী, আশাবাদী এই কারন যে, ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হওয়া পাকিস্তান থেকে ২৪ বছর পরে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ আজ শুধু পাকিস্তানের কাছেই রোল মডেল নয়, রোল মডেল বিশ্বের প্রতিটা দেশের কাছে, যারা আজ স্বপ্ন দেখতে শিখেছে, স্বপ্ন দেখছে তাদের উন্নয়ন নিয়ে।
তাই ত জাতিসংঘের ৭০ অধিবেশনে সাবেক মহাসচিব বান কি মুন পৃথিবীর সকল উন্নয়নশীল দেশককে লক্ষ্য করে বলেছিলেন-"আপনারা যদি উন্নয়নের কোন ধারাকে রোল মডেল হিসেবে নিতে চান তাহলে বাংলাদেশকে দেখুন, বাংলাদেশের উন্নয়নকে দেখুন"।
#অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯
🌀জনসংখ্যা: ১৬কোটি ৩৭লক্ষ বা ১৬৩.৭ মিলিয়ন।
🌀শিশু মৃত্যুহার, প্রতি হাজারে: ২৪জন।
🌀স্থুল মৃত্যুহার, প্রতি হাজারে: ৫.১জন।
🌀প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল: ৭২.০ বছর, পুরুষ- ৭০.৬ বছর ও মহিলা- ৭৩.৫ বছর।
🌀সাক্ষরতার হার, ৭বছর ঊর্ধ্ব: ৭২.৩%, পুরুষ- ৭৪.৩% ও মহিলা- ৭০.২%।
🌀দারিদ্র্যের হার: ২১.৮%।
🌀চরম দারিদ্র্যের হার: ১১.৩%।
🌀GDP, চলতি মূল্যে: ২৫,৩৬,১৭৭ কোটি টাকা ও স্থির মূল্যে: ১১,০৫,৫১৪ কোটি টাকা।
🌀স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৮.১৩%।
🌀চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি: ১,৫৩,১৯৭ টাকা বা ১,৮২৭ মার্কিন ডলার।
🌀চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয়: ১,৬০,০৬০ টাকা বা ১,৯০৯ মার্কিন ডলার।
🌀বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ: ৩২,১২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
🌀মোট শ্রমশক্তি, ১৫বছর ঊর্ধ্ব: ৬.৩৫ কোটি, পুরুষ- ৪.৩৫ কোটি ও মহিলা- ২.০ কোটি।
🌀দেশজ সঞ্চয়: ২৩.৯৩%।
🌀জাতীয় সঞ্চয়: ২৮.৪১%।
🌀মোট ব্যাংক: ৫৯টি, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি, বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি, বেসরকারি ব্যাংক: ৪১টি, বৈদেশিক ব্যাংক: ৯টি।
🌀ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৪টি।
🌀রিজার্ভ মুদ্রা: ২,২৬,৭৪৩ কোটি টাকা।
🌀মূল্যস্ফীতি: ৫.৪৪%।
♣️দেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র- ২৭টি।
♠️মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যা- ১৫.৭৫ কোটি।
♣️বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ- যুক্তরাষ্ট্র।
♠️বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে- চীন।
♣️বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে- সৌদি আরব থেকে।
♠️বঙ্গোপসাগর নিয়ে ভারত ও মিয়ানমারের সাথে আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়ে বাংলাদেশ লাভ করে- ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি এলাকা।
♣️বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (BGMC) নিয়ন্ত্রণাধীন মিল-কারখানার সংখ্যা- ২৬টি।
♠️দেশে বর্তমানে মোট EPZ রয়েছে- ৮টি।
♣️দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
♠️দেশে ঔষধ কারখানা- ৫৪টি, রপ্তানি করা হয়- ১৪৬টি দেশে।
♣️দেশে সেক্টরভিত্তিক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, শিল্প- ৬টি; বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি- ৬টি; পরিবহন ও যোগাযোগ- ৭টি; বাণিজ্য- ৩টি; কৃষি- ২টি; নির্মাণ- ৬টি ও সার্ভিস- ১৯টি।
♠️চারলেনের মহাসড়ক রয়েছে- ৪১৭ কি.মি।
♣️সমুদ্র বন্দর- ৩টি; চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা।
♠️স্থল বন্দরের সংখ্যা- ২৩টি।
♣️বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অধীনে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, ৭টি অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর ও ২টি স্টলপোর্ট রয়েছে।
♠️বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডে ৭টি অভ্যন্তরীণ ও ১৫টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সার্ভিস পরিচালনা করছে।
♣️বাংলাদেশ বিমানের আন্তর্জাতিক গন্তব্যসমূহ- সার্কভূক্ত দেশে ২টি, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ৪টি, মধ্যপ্রাচ্যে ৮টি ও ইউরোপে ১টি।
♠️দেশে ডাকঘরের সংখ্যা- ৯,৮৮৬টি।
♣️কর্মক্ষম জনসংখ্যা- ৫৮.৭%।
♠️দেশে মোট প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা- ১,৩৪,১৪৭টি, ধরন- ২৫টি।
♣️সর্বপ্রথম বিনামূল্যে ব্রেইল পদ্ধতির পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হয়- ২০১৭ সালে।
♠️কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধীনে মোট প্রতিষ্ঠান- ৮,৮৫২টি; সরকারি- ১১৯টি ও বেসরকারি- ৮,৭৩৩টি।
♣️সারাদেশে এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা রয়েছে- ৭,৬৪২টি।
♠️বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বাংলাদেশকে পোলিওমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করে- ২০১৪ সালে।
♣️প্রথমবারের মতো গ্রাম/ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক সেবা কার্যক্রম চালু হয়- ১৯৯৮ সালে।
♠️দেশে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ- ৩৬টি, ডেন্টাল কলেজ- ৯টি।
♣️বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ- ৬৯টি, ডেন্টাল কলেজ- ২৬টি।
♠️দেশের সর্ববৃহৎ এনজিও- ব্রাক।
♣️রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ২টি বীমা- জীবন বীমা ও সাধারণ বীমা; বেসরকারি বীমা ৭৬টি- সাধারণ বীমা- ৪৫টি ও জীবন বীমা- ৩১টি।
♠️মোট বনভূমির পরিমাণ- ২.৩২ মিলিয়ন হেক্টর।
♣️GDPতে কৃষি খাতের অবদানের হার- ১৩.৬০% ও প্রবৃদ্ধির হার- ৩.৫১%।
♠️GDPতে শিল্প খাতের অবদানের হার- ৩৫.১৪% ও প্রবৃদ্ধির হার- ১৩.০২%।
♣️GDPতে সেবা খাতের অবদান- ৫১.২৬% ও প্রবৃদ্ধির হার- ৬.৫০%।
।।।।
#এক নজরে সপ্তম পঞ্চ বার্ষিক পরিকল্পনা ২০১৬-২০২১।
# # # যেই তিনটি লক্ষ্যের ‘টেকসই উন্নয়নের রূপকল্প’ বলা হচ্ছে প্রণীত এই সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে তাহলো,
১. স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী,
২. ভিশন ২০২১ এবং,
৩. মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া।
************
# # # পরিকল্পনার সময়সীমা,
>> অর্থবছর ২০১৬-২০২০
# # # প্রতিপাদ্য বিষয়,
>> প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণ, নাগরিকের ক্ষমতায়ন,
# # # কর্মসূচি পরিচালিত হবে,
>> ১৩টি সেক্টরে ভাগ করে
সপ্তম পঞ্চ বার্ষিক পরিকল্পনার
# # # লক্ষমাত্রা সমূহ,
************
১। প্রবৃদ্ধি অর্জন >>> ৮%
==============
২০১৬-১৭> ৭%
২০১৭-১৮ > ৭.২%
২০১৮-১৯>>৭.৪%
২০১৯-২০ >> ৭.৬%
২০২০-২১>> ৮ .
২। গড় প্রবৃদ্ধি>> ৭.৪% করা ।
যেখানে,
===========
ক. শিল্প >> ১০.৮%
খ. সেবা >> ৬.৪৯%
গ. কৃষি >>> ৩.৪%
৩। দারিদ্র্যের হার
>> ১৮.৬% এ কমিয়ে আনা
৪। অতি দারিদ্রের হার
>>>> ৮.৯ % করা
৫। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার
>>> ১% এ কমিয়ে আনা
৬।মূল্যস্ফীতি
>>> ৫.৮% এ কমিয়ে আনা
৭। জাতীয় সঞ্চয় জিডিপি‘র
৩২% করা
৮। মোট বিনিয়োগ জিডিপি‘র
>> ৩৪.৪%
৯। কর্মসংস্থান
>>>১কোটি ২৯ লাখ সৃষ্টি করা (যার মধ্যে দেশে ১ কোটি ১০ লাখ এবং বিদেশে ১৯ লাখ)
১০। রপ্তানি আয়
>> ৫৪.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
১১। ৫বছরের নিচের বয়সের শিশু মৃত্যুহার
>>(প্রতি হাজারে ) ৩৭জন
১২। বিদ্যুত্ উত্পাদন
>> ২৩ হাজার মেগাওয়াট
১৩।দেশের মোট এলাকার বিদ্যুতের আওতায় আসবে
>> ৯৬%
১৪।দেশের মোট আয়তনের বনাঞ্চল হবে
>> ২০%
১৫। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার হার
>>> ১০০%
১৬। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার হার
>> ৬০%
১৭। দেশের মোট জনসংখ্যার
>>২০% হবে উচ্চ শিক্ষিত
১৮। নতুন রেলপথ নির্মাণ করা
>>৮৫৬কিলোমিটার
১৯। মোট প্রবাসী আয়
>> ১০, ৩৫৮ কোটি টাকা
২০। গবেষণা ও উন্নয়নে সরকারি ব্যয় জিডিপির
>>১% এ উন্নীত করা
২১। ২০২০সালের মধ্যে শেষ হবে
>>পদ্মা সেতু ও ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এর কাজ ।
২২। স্যানিট্যারি ল্যাট্রিনের আওয়তায় আসবে শহর
>> ১০০%,
২৩। স্যানিট্যারি ল্যাট্রিনের আওয়তায় আসবে গ্রাম
>> ৯৬%।
২৪. শিক্ষায় তথ্য-প্রযুক্তি (আইসিটি)
>> বাধ্যতামূলক করা।
#বিসিএস
কোন ক্যাডারে কি সুযোগ-সুবিধা জেনে নিন
বিসিএস
কোন ক্যাডারে কি সুযোগ-সুবিধা জেনে নিন
বিসিএস পরীক্ষার আবেদন করার সময় ক্যাডার পছন্দক্রম
দেয়া লাগে। যেহেতু সবার চাহিদা আলাদা তাই
পছন্দক্রমও আলাদা হওয়াই স্বাভাবিক। নিচে বিভিন্ন
ক্যাডারের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সংক্ষেপে
আলোকপাত করা হয়েছে যাতে পছন্দক্রম দিতে কিছুটা
হলেও দ্বিধাদ্বন্দ্ব কম কাজ করে।
#পররাষ্ট্র ক্যাডার
বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের চাকরি হলে আপনি
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সহকারী সচিব হিসেবে যোগদান
করবেন। প্রথম অবস্থায় কাজের চাপ অনেক বেশি পাবেন।
টাইপিং থেকে শুরু করে সংসদ অধিবেশন চলাকালীন
পার্লামেন্টে ডিউটি করতে হতে পারে। আর গাড়ী
সার্ভিস বলতে বাসায় যাওয়া আসা করার জন্য
মাইক্রোবাস সার্ভিস পাবেন। বিভাগীয় ট্রেনিং হয়
ঢাকার বেইলী রোডে। চাকরি স্থায়ী হলে আপনাকে
দূতাবাসে পদায়নের জন্য বিবেচনা করা হবে। সেখানে
থার্ড সেক্রেটারী হিসেবে যোগ দেবেন। ছয় বছর দুই
দেশে কাজ করার পর তিন বছরের জন্য ঢাকায় পোস্টিং
পাবেন। এভাবে চক্রাকারে চলবে।
দূতাবাসে পদায়ন হলে দেশের নিয়মিত স্যালারীর বাইরে
ফরেন ভাতা (মাসে ১২০০ ডলার), বাসা ভাড়া (বছরে
২০০০০ ডলার), দুই জন ছেলেমেয়ের পড়াশুনার খরচ,
পরিবারের চিকিৎসার ৯০% খরচ ও বিনোদন ভাতা
(মাসিক ৩০০ ডলার) পাবেন। যদিও দেশে আনতে ট্যাক্স
দিতে হবে তথাপিও পোস্টিংয়ে থাকা অবস্থায় ট্যাক্স
ফ্রি গাড়ী কিনতে পারবেন। দেশি বিদেশি অনেক
ট্রেনিং পাবেন। এখান থেকেও ভালো অংকের একটা
টাকা পকেটে ভরতে পারবেন।
লোকবল কম বলে পদোন্নতির সুযোগ ভালো । প্রায় সবারই
রাষ্ট্রদূত হওয়ার সুযোগ থাকে।
#প্রশাসন ক্যাডার
বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের চাকরি হলে আপনাকে মাঠ
প্রশাসনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী
কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে
নিয়োগ দেয়া হবে। এই ক্যাডারের প্রধান কাজ হলো অন্য
সব ক্যাডার অফিসারদের কাজের সমন্বয় করা। মোবাইল
কোর্ট পরিচলনা করাও একটা কাজ। কাজের চাপ আছে
মারাত্বক। ছুটি ছাটা কম।
ম্যাজিস্ট্রেট, এসি (ল্যান্ড), ইউএনও, ডিসি, বিভাগীয়
কমিশনার হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
যোগদানের দুই তিন বছর পরেই এসি (ল্যান্ড) হিসেবে
পোস্টিং পাবেন। ইউএনও হিসেবে বাড়ী ও গাড়ীর
সুবিধা পাবেন। উপজেলা ও জেলায় আপনাকে অনেকেই
চিনবে। সচিবালয়ে পোস্টিং হলে সরকারের পাঁচটি
সচিবালয়ে (বাংলাদেশ সচিবালয়, পাবলিক সার্ভিস
কমিশন সচিবালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, জাতীয়
সংসদ সচিবালয়, মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়) সহকারী সচিব
হিসেবে যোগদান করবেন। দেশের বাইরে বিভিন্ন
দূতাবাসেও পদায়ন হতে পারে।
ট্রেনিং ও স্কলারশীপ ভালোই পাবেন। এতে বিদেশ
ভ্রমণ থেকে শুরু করে আর্থিকভাবেও লাভবান হতে
পারবেন। লিয়েন ও প্রেষনে কাজ করার ভালো সুযোগ
আছে। আর লিয়েন ও প্রেষণে থাকলে আর্থিকভাবেও
লাভবান হওয়া যায়। বিভাগীয় ট্রেনিং হয় ঢাকার
শাহবাগে।
এই ক্যাডারে পদোন্নতি মোটামুটি। ছয় বছরে ইউএনও আর
দশ বছরে উপসচিব হওয়ার আশা করতে পারেন। একদম
কাছে থেকে সাধারণ জনগণের সেবা করার জন্য এই
ক্যাডার সবচেয়ে ভালো।
#পুলিশ ক্যাডার
বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে চাকরি হলে আপনি স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ে এএসপি (এসিস্ট্যান্ট সুপারিনটেন্ডেট অব
পুলিশ) হিসেবে যোগদান করবেন। সেখান থেকে
আপনাকে এক বছরের প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ
পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহীতে পাঠানো হবে।
কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে আপনাকে রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুলিশ সাইন্সে মাস্টার্স ডিগ্রী
প্রদান করা হবে। এরপর আপনার পোস্টিং জেলা পুলিশে
হবে। সেখানে এএসপি হিসেবে কাজ করবেন। আপনার
পোস্টিং বিভিন্ন মেট্রোপলিটন পুলিশে হতে পারে।
মেট্রোপলিটন পুলিশে হলে আপনি সহকারী পুলিশ
কমিশনার হিসেবে যোগদান করবেন।
সিভিল সার্ভিসের ক্যাডারগুলোর মধ্যে একমাত্র পুলিশ
ক্যাডারের সব অফিসারদেরই ইউএন মিশনে যাওয়া সম্ভব।
মিশনে গেলে এক বছরে আপনি বিশ থেকে চল্লিশ লক্ষ
টাকা আয় করতে পারবেন। দেশে থাকলে ঝুকি ভাতা
পাবেন। রেশন পাবেন। পুলিশ হাসপাতালে সুচিকিৎসা
পাবেন।
যোগদানের কিছুদিন পর থেকেই বাড়ী, গাড়ী, ড্রাইভার,
বডিগার্ড ইত্যাদি বরাদ্দ পাবেন। তাছাড়া যেখানেই
পোস্টিং হোক না কেন থাকা ও যাতাযাতের ব্যবস্থা
সরকারীভাবে দেয়া হবে। দেশে ও বিদেশে প্রশিক্ষণ ও
উচ্চশিক্ষার সুযোগ আছে।
মূল ধারার পুলিশিং ভালো না লাগলে আপনি স্পেশাল
সিকিউরিটি ফোর্স (SSF), র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন
(RAB), ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (DB), স্পেশাল ব্রাঞ্চ (SB),
সিআইডি (Criminal Investigation Department), পিবিআই
(Police Bureau of Investigation), সোয়াট (Special Weapond
And Tactics), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (APBn),
এসপিবিএন (SPBn), রেলওয়ে পুলিশ, শিল্প পুলিশ, পর্যটন
পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ ইত্যাদিতে কাজ করতে পারবেন।
তবে এই ক্যাডারে নয়টা পাঁচটা ডিউটি বলে কিছু নাই।
রাতে ঘুমাচ্ছেন হটাৎ শুনবেন অমুক জায়গায় অমুক ঘটনা
ঘটেছে এখনই যেতে হবে। সমাজের অন্ধকার দিকের
সঙ্গে ভালোভাবে পরিচিত হবেন। সারাদিন খুন,
ডাকাতি, হত্যা, ফাঁসি, লাশ, চোরাচালান ইত্যাদি
নিয়েই থাকতে হতে পারে। ছুটি ছাটাও কম।
#কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ ক্যাডার
বিসিএস কাস্টমস ক্যাডারে চাকরি হলে আপনাকে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে সহকারী কাস্টমস কমিশনার
হিসেবে মনোনীত করা হবে। শুল্ক ও আবগারী বিভাগ
সরকারের পক্ষ থেকে পরোক্ষ কর আহরণ করে। শুল্ক
গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করার সুযোগ আছে। কাস্টম
হাউজ, স্থল বন্দর, বন্ডে কাজ করতে পারবেন।
পদোন্নতি দ্রুত। এই ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ জাতীয়
রাজস্ব বোর্ডে সদস্য। শুল্ক ফাকি ও চোরাচালান ধরতে
পারলে ইনসেন্টিভের ব্যবস্থা আছে। গাড়ী সুবিধা
পাবেন। দেশে ব্যবসা বাণিজ্য যত বাড়বে এই ক্যাডারের
কাজ তত বাড়বে। বিভাগীয় ট্রেনিং হয় চট্টগ্রামে।
#নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডার
বিসিএস নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে চাকরি হলে
আপনি মহাহিসাব নিরীক্ষক এর কার্যালয়ে সহকারী
হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে যোগদান করবেন।
তবে পোস্টিং ভেদে ভিন্ন ভিন্ন নাম হতে পারে । তবে
নাম যাই হোক কাজ প্রায় একই।
সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন / পেনশন / ট্রেনিং
বিল / জ্বালানি বিল / ক্রয়সহ যেখানেই সরকারী অর্থ
ব্যয়ের প্রশ্ন জড়িত সেখানেই এই ক্যাডারের কাজ। তাই
প্রায় সব অফিসেই আপনাদের পদচারণা থাকবে। যেহেতু
ভুল ধরা আপনার কাজ তাই সব অফিসেই সম্মান পাবেন।
গাড়ী সুবিধাও আছে। সব মিনিষ্ট্রি ও বিভাগে প্রায় ৪৯
টি Chief Accounts Officer এর অফিস রয়েছে । প্রত্যেক
অফিসে একজন CAO এর অধীনে A-CAO গণ কাজ করেন । এই
ক্যাডারে ৯০% পোষ্টিং ঢাকায় হয় । এই ক্যাডারের
সর্বোচ্চ পদ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
#কর ক্যাডার
বিসিএস কর ক্যাডারে চাকরি হলে আপনাকে জাতীয়
রাজস্ব বোর্ডে সহকারী কর কমিশনার হিসেবে যোগদান
করবেন। আয়কর বিভাগ সরকারের একমাত্র বিভাগ যা
দেশের জন্য প্রত্যক্ষ রাজস্ব আহরণ করে। আয়কর রিটার্ন
দাখিলের সময় কাজের চাপ বাড়ে। তাছাড়া অন্যসময়
মোটামুটি কাজ থাকে।
সরকারী বেসরকারী কোন আয়ের বিষয়ে সিআইসি
গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। উক্ত
কার্যক্রমের মাধ্যমে আহরিত রাজস্বের জন্য ইনসেন্টিভ
পেয়ে থাকেন। গাড়ী সুবিধা পাবেন। পদোন্নতি দ্রুত। এই
ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে সদস্য।
#ইকনোমিক ক্যাডার
বিসিএস ইকনোমিক ক্যাডারে চাকরি হলে আপনি
পরিকল্পনা কমিশনে সহকারী প্রধান হিসেবে যোগদান
করবেন। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন
সংস্থা কর্তৃক প্রস্তুতকৃত Development Project Proposal
(DPP) যাচাই বাছাই করেন ইকনোমিক ক্যাডাররা।
এই ক্যাডারের ১০০% পোষ্টিং ঢাকায় । ট্রেনিংয়ের
জন্য হোক আর স্কলারশীপ নিয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের
জন্য হোক এই ক্যাডাররা ঘনঘন বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ
পান। ফলে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। রিসার্সের
সুযোগ ভালো। ঢাকার কাটাবনে অবস্থিত NADP-তে
(National Academy for Planning & Development) বিভাগীয়
প্রশিক্ষণ হয়। এই ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ বিভাগীয়
প্রধান।
#আনসার ক্যাডার
বিসিএস আনসার ক্যাডারে চাকরি হলে আপনি আনসার ও
ভিডিপি অধিদপ্তরের অধীনে সহকারী জেলা
এ্যাডজুটেন্ট হিসেবে যোগদান করবেন। এই জবের
ঝামেলা কম। শুরু থেকেই গাড়ী ও বাড়ী সুবিধা আছে।
পদোন্নতি ভালোই। মহাপরিচালক পর্যন্ত হতে পারবেন।
এর পরের পদগুলো প্রতিরক্ষা বাহিনী (আর্মি, নেভী,
এয়ারফোর্স) থেকে আসেন। বিভাগীয় ট্রেনিং হয়
গাজীপুরে আনসার ও ভিডিপি একাডেমীতে।
#তথ্য ক্যাডার
বিসিএস তথ্য ক্যাডারে আপনার চাকরি হলে আপনি
সহকারী পরিচালক বা সমমানের পদে যোগদান করবেন।
জেলায় তথ্য অফিসার হিসেবে কাজ করতে পারবেন।
সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) পদে যোগদান করলে
টিভিতে ও বেতারে অনুষ্ঠান প্রচারের সব দায়িত্বে
থাকবেন।
মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীদের Public Relations officer (PRO),
বিদেশে কয়েকটা দূতাবাসে তথ্য কর্মকর্তা, এমনকি
প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির অফিসেও তথ্য কর্মকর্তা
হতে পারেন। এই ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ প্রধান তথ্য
অফিসার।
#সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে চাকরি হলে আপনি
সরকারি কলেজসমূহে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করবেন।
এই ক্যাডারে অন্যান্য ক্যাডারের মত ক্ষমতার প্রয়োগ
করতে পারবেন না। অধ্যক্ষ স্যারদের জন্য পর্যন্ত গাড়ী
সুবিধা নাই। অবকাশ বিভাগের কর্মকর্তা হিসেবে
পরিগণিত হবেন।
পরীক্ষার হলে ইনভিজিলেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন ও
খাতা মূল্যায়ন আপনি গড়ে প্রতি মাসে দশ থেকে
পনেরো হাজার টাকা পাবেন। ইচ্ছা করলে প্রাইভেট
টিউশন করেও অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। দেশে
ও দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষা ও ট্রেনিংয়ের সুযোগ আছে।
সেখান থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হবে। বিভাগীয়
ট্রেনিং হয় ঢাকা কলেজের পাশে নায়েমে।
এছাড়া বিভিন্ন কমিটি যেমনঃ ক্রয় কমিটি, টেন্ডার
কমিটি, স্পোর্টস কমিটি, কালচারাল কমিটি, ভর্তি
কমিটি, ফরম ফিলাপ কমিটি, পরীক্ষা কমিটি, বিভিন্ন
জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি ইত্যাদি কমিটির দায়িত্ব
পালন করে আপনি আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবেন।
অনার্স বা মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণি থাকলে একটা
ইনক্রিমেন্ট বেশি পাবেন। এমফিল করলে দুইটা আর
পিএইচডি করলে তিনটা ইনক্রিমেন্ট পাবেন।
পদোন্নতি মোটামুটি। তবে শিক্ষা ক্যাডার মানে শুধু
কলেজে শিক্ষকতা করাই না। আপনি দেশের সব
শিক্ষাবোর্ড, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর
(মাউশি), জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমী
(নায়েম), জাতীয় কারিকুলাম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
(এনসিটিবি), আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটসহ
বিভিন্ন শিক্ষা সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে
পারবেন।
#সুশাসন
[সুশাসন থেকে ৫৭টি প্রশ্ন করা হয়। এখানে একটু সতর্ক থাকলেই ৫-৬ (প্রিলি টেকার মতো মার্কস) পাওয়া যায়।]
১। Man multiplies like mice in a bran. উক্তিটি করেছেন কে?
উত্তরঃ কনটিলন।
২। "সুশাসন মানবাধিকার ও আইনের শাসনকে নিশ্চিত করে , জনপ্রশাসনে দক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে গণতন্ত্রের ভিতকে শক্তিশালী করে " কার উক্তি ?
উত্তরঃ কফি আনান।
৩। "সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের , সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্কে বুঝায়।- কে বলেছেন?
উত্তরঃ ম্যাককরনী
৪। শাসক যদি ন্যায়বান হয় তাহলে আইন অনাবশ্যক, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হয় তাহলে আইন নিরার্থক’ – বলেছেন কে ?
উত্তরঃ প্লেটো।
৫। ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভার্নেন্স’ – ?
উত্তরঃ বিশ্বব্যাংক।
৬। আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান’ –একথা বলেছেন—
উত্তরঃ অধ্যাপক ডাইসি।
৭। সুশাসন প্রত্যয়টি উদ্ভাবন করে কে ?
উত্তরঃ বিশ্ব ব্যাংক(1989)। ধারণা দেয় ১৯৯৪ সালে।
৮। সুশাসন প্রত্যয়টিকে প্রথম সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেয় কে ?
উত্তরঃবিশ্ব ব্যাংক
৯। সুশাসনের মূলনীতি প্রকাশ করে কে ?
উত্তরঃ ইউএনডিপি (১৯৯৭)
১০। WB সুশাসনকে এজেন্ডা হিসেবে গ্রহণ করে কবে ?
উত্তরঃআশির দশকের দ্বিতীয়ার্ধে
১১। Good governance is a manner in which power is exercised in the management of a country's economic and social reasons for development. উক্তিটি কার?
উত্তরঃ বিশ্বব্যাংক।
১২। বিশেষ মূল্যবোধ কোন ধরণের মূল্যবোধ?
উত্তরঃ কার্যকারিতাভিত্তিক।
১৩। মূল্যবোধকে মোটামুটি কত ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ ৬ ভাগে।
১৪। Law of the constitution গ্রন্থের রচয়িতা কে?
উত্তরঃ ডাইসী।
১৫। অামলাতন্ত্রের অবস্থানের দিক থেকে এশিয়ায় সবচেয়ে ভাল অবস্থানে অাছে -
উত্তরঃ সিঙ্গাপুর।
১৬। একটি রাষ্ট্র কিভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করে তার দ্বারা সে রাষ্ট্রের নৈতিকতার মান সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়।- উক্তিটি কার?
উত্তরঃ লাস্কি।
১৭। বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যবস্থাপকদের সংজ্ঞানুযায়ী কোন বয়সসীমার নারী-পুরুষ ৮ ঘণ্টা কাজ না করলে বেকার?
উত্তরঃ ১৮ থেকে ৬৫ বছর।
১৮। দৈনন্দিন জীবনের ক্ষুদ্র ও সাধারণ বক্তব্যকে উপলব্ধি সহকারে লিখতে এবং পড়তে অক্ষম ব্যক্তিই নিরক্ষর। সংজ্ঞাটি কার -
উত্তরঃ ইউনেস্কোর।
১৯। দেশর শতকরা কতজন স্কুলগামী মেয়ে ইভটিজিং এর শিকার হয়?
উত্তরঃ ৬২ জন।
২০। Values are the standard used to judge behavior and to chase among various possible goals (মূল্যবোধ হচ্ছে সম্ভাব্য বিভিন্ন থেকে পছন্দ করার এবং অাচরণ মূল্যায়ণের মানদণ্ড)- সংজ্ঞাটি দিয়েছেন কে?
উত্তরঃ এম স্পেন্সার।
২১। কে মূল্যবোধকে মানুষের ইচ্ছার একটি মানদণ্ড বলেছেন?
উত্তরঃ M R William.
২২। জাতিসংঘ সনদে কতটি গুরত্বপূর্ণ মানবাধিকারের ঘোষণা দেয়া হয়েছে?/সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের অনুচ্ছেদ সংখ্যা কতটি?
উত্তরঃ ৩০ টি।
২৩। Modern Moral Philosophy গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
উত্তরঃ W. D. Hudson.
২৪। অামলাতন্ত্রের উপর বিশেষ গুরত্ব প্রদান করে রচিত "The Ruling Class' গ্রন্থটি কার?
উত্তরঃ গাইটানো মসকার।
২৫। অাইনের উৎস কতটি?
উত্তরঃ ৬টি।
২৬। নৈতিকতা হলো বিজ্ঞান ও দর্শনের ঐ সকল কাজ যা মানুষের নৈতিক অাচরণ, কর্তব্য এবং বিচার-বিবেচনা নিয়ে বিশ্লেষণ করে। - কার উক্তি?
উত্তরঃ নিউনার ও কিলিং
২৭। মুল্যবোধ হলো ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ। উক্তিটি কার?
উত্তরঃ এম ডব্লিউ পামফ্রে।
২৮। অপরাধ একটি সামাজিক ঘটনা এবং সমাজের 'স্বাভাবিক' রূপ কথাটি কে বলেছেন?
উত্তরঃ এমিল ডুর্খেইম।
২৯। ন্যায় সংরক্ষণের তাগিদে রাষ্ট্র যেসব নীতি স্বীকার করে এবং প্রয়োগ করে তাই অাইন। উক্তিটি করেছেন --
উত্তরঃ অধ্যাপক স্যালমন্ড।
৩০। The British and Irish Ombudsman Association কর্তৃক কার্যকর জন প্রশাসন গড়ে তোলার জন্য যতটি নীতির কথা বলা হয়েছে -
উত্তরঃ ৬টি।
৩১। 'শিক্ষা হলো মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের বিকাশ। - এটি কার উক্তি?
উত্তরঃ সক্রেটিস।
৩২। শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হল নৈতিকতা- কথাটি কে বলেছেন?
উত্তরঃ জি. ই ম্যুর।
৩৩। কোন বিষয়কে বাস্তবিকভাবে বোঝার সামর্থ্যকে কি বলে?
উত্তরঃ বুদ্ধিবৃত্তিক মূল্যবোধ।
৩৪। Values are the customs, standards of conduct and principles considered by a culture group of a people or an individuals (মূল্যবোধ হলো সেসব প্রথা, অাচরণের মানদণ্ড এবং নীতি যেগুলো কোন একটি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, একটি দলের সাম্যে অথবা ব্যক্তি প্রকাশিত বা বাঞ্ছিত বলে বিবেচনা করে)। - সংজ্ঞাটি কার?
উত্তরঃ সমাজকর্ম অভিধান।
৩৫। কত সালে অামেরিকা সমাজকর্মী সমিতির প্রতিনিধিগণের সম্মেলনে নির্ধারিত সমাজকর্মীদের অাচার-অাচরণের নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত মূল্যবোধ ও নীতি অনুমোদিত হয়?
উত্তরঃ ১৯৬০ সালে।
৩৬। কয়টি মূল্যবোধ সমাজে সর্বদা বিরাজ করে এবং সমাজকে গতিশীল ও ঐক্যবদাধ করে?
উত্তরঃ ৬ টি।
৩৭। ধর্ম, ঐতিহ্য এবং মানব অাচরণ এ তিনটি থেকে নৈতিকতার উদ্ভব ঘটতে পারে। কথাটি কে বলেছেন?
উত্তরঃ জোনাথন হ্যাইট।
৩৮। মূল্যবোধ হলো অাবেগিক ও অাদর্শগত ঐক্যের বোধ। উক্তিটি কার?
উত্তরঃ ফ্রাঙ্কেল।
৩৯। ব্যক্তিস্বার্থ অর্জনের বা ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহারই দুর্নীতি। - এ সংজ্ঞাটি প্রদান করেছে -
উত্তরঃ দুর্নীতি দমন কমিশন।
৪০। ই-গভার্ন্যান্সকে SMART সরকার ব্যবস্থা বলে অাখ্যায়িত করেছেন কে?
উত্তরঃ চন্দ্র বাবু নাইডু।
৪১। IMF সুশাসনকে এজেন্ডা হিসেবে গ্রহণ করে কবে ?
উত্তরঃ ১৯৯৬
৪২। সুশাসনের উপাদান কতটি ?
- UNDP এর মতে - ৯টি।
- জাতিসংঘ এর মতে - ৮টি।
- বিশ্বব্যাংকের মতে- ৬টি।
- UNHCR এর মতে- ৫টি।
- AFDB এর মতে- ৫টি।
- IDA এর মতে - ৪টি (ক. দায়িত্বশীলতা খ. স্বচ্ছতা গ. আইনি কাঠামো ও ঘ. অংশগ্রহণ)।
৪৩। "শাসক ও উন্নয়ন"শীর্ষক প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে ?
উত্তরঃ বিশ্বব্যাংক (১৯৯২)।
৪৪। "শাসন ও ক্রমবর্ধমান মানবিক উন্নয়ন' শীর্ষক প্রতিবেদন প্রথম প্রকাশ করে?
উত্তরঃ জাতিসংঘ (১৯৯৭)।
৪৫। বৈশ্বিক মানব উন্নয়ন সূচক প্রকাশ করে কে?
উত্তরঃ ইউএনডিপি।
৪৬। সুশাসন নিশ্চিত করতে 'White paper' প্রকাশ করে কে ?
উত্তরঃ EEC.
৪৭। সুশাসন প্রতিষ্ঠার অপরিহার্য বিষয় হলো?
উত্তরঃ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ।
৪৮। জনগণ ও সরকারের Win Win Game বলা হয় -
উত্তরঃ সুশাসনকে।
৪৯। Power : A New Social Analysis' গ্রন্থটি কার লেখা ?
উত্তরঃ বার্ট্রান্ড রাসেল।
৫০। Something intrinsically valuable or desirable (এমন কিছু যা স্বাভাবিকভাবে মূল্যবান বা অাকাঙ্ক্ষিত তাই মূল্যবোধ)- সংজ্ঞাটি কার?
উত্তরঃ ওয়েস্টার।
৫১। যেসব মূল্যবোধ ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে অাশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে লাভ করে খুশি হয়, সেসব মূল্যবোধই সমাজকর্ম মূল্যবোধ। সংজ্ঞা কে দিয়েছেন?
উত্তরঃ সমাজবিজ্ঞানী স্টুয়ার্ড সিডড।
৫২। নীতিবিদ্যার মূলধারা কয়টি?
উত্তরঃ ৪টি।
৫৩। অাইনের অনুশাসন বলতে প্রধানত দুটি ধারাকে বুঝায়। কি কি?
উত্তরঃ অাইনের প্রাধান্য এবং অাইনের দৃষ্টিতে সাম্য।
৫৪। শারীরিক মূল্যবোধকে সৌন্দর্যবোধ হিসেবে অাখ্যায়িত করেছেন কে?
উত্তরঃ এডওয়ার্ড স্পেন্সার।
৫৫। সামাজিক মূল্যবোধ হলো সমাজ জীবনে বাঞ্ছিত ও অবাঞ্ছিত বিষয়ে সমাজবাসীদের সমবেত ঐক্য। - সংজ্ঞাটি কে দিয়েছেন?
উত্তরঃ ওলসেন।
৫৬। _______হলো সেসব রীতিনীতির সমষ্টি, যা ব্যক্তি সমাজের নিকট হতে পেতে চায় এবং যা সমাজ ব্যক্কির নিকট হতে লাভ করে।
উত্তরঃ মূল্যবোধ।
৫৭। কারাগার যে ধরনের শিক্ষা প্রদান করে তাকে কি বলা হয়?
উত্তরঃ মূল্যবোধ শিক্ষা।
পোস্টটি শেয়ার/কপি করে নিজের টাইমলাইনে রাখুন যাতে পরবর্তীতে সহজেই পেয়ে যান।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
1230
