To Be Honest

To Be Honest To Be Honest. Mob justice fuels more violence and injustice. True justice seeks peace, not chaos.

08/09/2026

আওয়ামী লীগারেরা জানে আমি কোথায় থাকি, আমার অফিস কোথায়। কোন রাস্তা দিয়া কখন অফিসে যাই, কোন রাস্তা দিয়া ফিরি, সেইটাও জানে। এর একটা প্যাটার্ন আছে, আর প্যাটার্ন যার জানা থাকে তার আর কিছু জানা লাগে না। ফ্রান্সে তাদের জন্য সবচেয়ে সহজ টার্গেট আমিই। জানুক। আমি রাস্তা বদলাই নাই, সময় বদলাই নাই, লেখা বন্ধ করি নাই, ভিডিও বানানো বাদ দেই নাই, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত পজিশন ছাড়ি নাই। বদলাইলে ওইটাই হইতো তাদের প্রথম জয়, আর ওই জয়টা আমি তাদের দিবো না।

এতদিনে তারা কিছু করে নাই। আওয়ামী আমলেও না, হাসিনার পতনের পরেও না। একবার একটা অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় সমাবেশ কইরা আটকাইতে চাইসিলো, ওইটুকুই। এইটা তাদের দয়া না, এইটা তাদের হিসাব। এই কাজ করলে যেই সামাজিক, রাজনৈতিক, আইনি আর পুলিশি ঝামেলায় পড়তে হবে, ওই দাম দিতে তাদের কেউ রাজি হয় নাই। দাম দিতে রাজি হয় নাই মানে এই না যে কোনদিন হবে না।

আমার উপরে তাদের বাড়তি ক্ষোভটা ধানমন্ডি ৩২ এর জন্য। ওইটার জন্য আমি গর্বিত। সম্ভবত আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।

আমি সম্ভাবনাটা মাথায় নিয়াই চলি। আর কিছু না পারুক, হাঁটার পথে পিছন থেকে ডিম তো ছুঁড়তে পারেই। ছুঁড়ুক।

ঘোরাঘুরিও আমার কম না। ব্যক্তিগত কাজ আর অফিসের ট্যুর মিলায়া ফ্রান্সের ভিতরে আর ইউরোপে বেশ ব্যাপকই। ফ্রান্সের বাইরে চেষ্টা করাটা আরো সহজ। ওই হিসাব কইরা কেউ ঘরে বইসা থাকলে ফ্যাসিবাদ এমনিতেই জিতা যায়। আমি ওইটা ভাগ্যের উপরে ছাইড়া দিসি, আর কাজটা চালায়া যাইতেসি।কারণ একটা ফ্যাসিস্ট শক্তির সাথে মোকাবেলা সহজ জিনিস না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় গ্রিস দখল কইরা রাখসিলো জার্মানি আর ইতালির ফ্যাসিস্ট বাহিনী। দখল জিনিসটা এইভাবে চলে। বিদেশি সৈন্য দেশটা চালায়, আর দেশের ভিতরের একদল লোক তাদের হইয়া কাজ করে। ধরায়া দেয়, মাল সরবরাহ করে, বন্দুক হাতে পাহারা দেয়। এই দলটাই দালাল। আরেক দল লড়ে। এরা প্রতিরোধ যোদ্ধা। গ্রিসে এই যোদ্ধাদের সংগঠনটা ছিল প্রধানত বামপন্থীদের, আর দখলদারদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি রক্ত তারাই দিসে।১৯৪৪ সালে দখলদাররা চইলা গেলো। ফ্যাসিবাদ হারলো। এরপর হিসাবমতো কী হওয়ার কথা? দালালদের বিচার হওয়ার কথা, যোদ্ধাদের সম্মান পাওয়ার কথা। যা হইলো তার উল্টা।

১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার যোদ্ধাদেরই অস্ত্র জমা দিতে বাধ্য করলো। তারপর দখলদারদের সাথে যারা হাত মিলাইসিলো, তাদের জেল থেকে ছাইড়া দেওয়া হইলো। শুধু ছাড়াই না, নতুন ন্যাশনাল গার্ডের উর্দি পরায়া তাদেরই আবার মাঠে নামানো হইলো। গতকাল যে বিদেশি বাহিনীর হইয়া গ্রাম পুড়াইসে, আজকে সে রাষ্ট্রের বন্দুক হাতে ওই একই গ্রামে ঢুকতেসে। এরপর তারা গ্রাম ধইরা ধইরা খুঁজলো, কারা প্রতিরোধে ছিল। ১৯৪৫ আর ৪৬, এই দুই বছরে এই বাহিনী আর তাদের সহযোগীরা প্রায় ১,১৯০ জন বামপন্থী বেসামরিক মানুষ মারসে, হাজার হাজার মানুষকে নির্যাতন করসে। যারা দখলদারদের বিরুদ্ধে লড়সিলো তাদের নামে মামলা হইলো, আর যারা দালালি করসিলো তারা রাষ্ট্রের বেতন পাইলো। এর পরেই গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তিন বছর চলে। পরাজিতরা উধাও হয় নাই। তারা নতুন রাষ্ট্রের উর্দি পইরা ফিরা আসছিলো।

ক্রোয়েশিয়ায় ১৯৪৫ সালের ৮ মে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রটা আত্মসমর্পণ করসে, কিন্তু তাদের বাহিনীর একটা অংশ করে নাই। তারা অস্ত্র নিয়া জঙ্গলে আর পাহাড়ে ঢুইকা গেলো, আর সেইখান থেকে বছরের পর বছর নতুন সরকারের কর্মকর্তা, দলের কর্মী আর সৈনিক মারতে থাকলো। ১৯৫০ পর্যন্ত রীতিমতো চলসে, ছোট ছোট দল ষাটের দশক পর্যন্ত টিকা ছিল। যুদ্ধ শেষ হওয়ার বিশ বছর পরেও।

ইতালিতে ফ্যাসিবাদের পরাজয়ের পঁয়ত্রিশ বছর পরেও তারা টেররিস্ট এট্যাক করে মানুষ মার্সে। মাঝখানে এই লোকগুলা কই ছিল? কোথাও যায় নাই। দল বদলাইসে, নাম বদলাইসে, রাষ্ট্রের ভিতরে জায়গা কিনসে, আর সুযোগের অপেক্ষায় বইসা থাকসে।

ক্ষমতা হারানো আর অস্ত্র নামানো এক জিনিস না। এই দুইটা এক জিনিস ভাবাটাই সবচেয়ে বড় ভুল, আর ওই ভুলটা যেই জাতি করসে সেই জাতি দ্বিতীয়বার একই জিনিস ভোগ করসে।

তাইলে আমরা নতুন কোন পরিস্থিতির ভিতরে পড়ি নাই। এই কাজ আগেও হইসে, অন্য দেশে, অন্য মানুষের সাথে। যারা লড়াইটা টাইনা নিতে পারসে তারা বাঁচসে, আর যারা ক্লান্ত হইয়া থাইমা গেসে তাদের দেশে পরাজিতরাই ফিরা আসছে। আমাদের সামনেও একই দুইটা রাস্তা।

জুলাইয়ের সাথে যুক্ত কেউই এই আক্রমনের লক্ষ্যবস্তু হওয়ার সম্ভাবনার বাইরে না। এইটা মাথায় নিয়াই আরো অনেকটা পথ আমাদের হাঁটতে হবে। যে ভয় পাইতেসেন তার দোষ নাই, ভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু ভয় পাওয়া আর থাইমা যাওয়া এক জিনিস না।

আমার উপরে হামলা হইলে কেউ কিছু করুক, এইটা আমি চাই না। ওইটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত হিসাব, ফয়সালাটা আমি তাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবেই কইরা নিবো। আমাকে নিয়া মিছিল করতে হবে না। আমার নামে বিবৃতি লাগবে না।

এই লড়াইয়ে যদি আমাদের প্রাণও যায়, ক্ষতি নাই। শুধু লড়াইটা চালায়ে নিয়ে যাইয়েন। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

01/03/2026

ইনকিলাব জিন্দাবাদ আজাদী জিন্দাবাদ
21/02/2026

ইনকিলাব জিন্দাবাদ
আজাদী জিন্দাবাদ

21/02/2026

ইনকিলাব জিন্দাবাদ।

19/02/2026

হাদী ভাই আপনাকে খুব মিস করি ভাই

সাংবাদিকদের বুক ফুলিয়ে ইনসাফের কথা বলা এই দেশে হলো না আর ইনশাআল্লাহ জামাত সরকার গঠন করে এই অধিকার আদায় করবেই
19/02/2026

সাংবাদিকদের বুক ফুলিয়ে ইনসাফের কথা বলা এই দেশে হলো না আর ইনশাআল্লাহ জামাত সরকার গঠন করে এই অধিকার আদায় করবেই

জুলাই পরবর্তী ১৮ মাস এই চার সাংবাদিক নিয়ে কোনো চাপ ছিল না। বিএনপি - সরকার গঠনের একদিন পরেই কোথা থেকে চাপ এসে হাজির হইলো?

মুল বিষয় হলো শুধু জুলাইয়ের পক্ষে দাঁড়ানোর “অপরাধে” এখন টিভির চার সাংবাদিককে একসাথে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে! তারা কেন জুলাই নিয়ে কথা বলে, জুলাইকে ধারণ করে! এটাই বড় অপরাধ।

এই সরকার জুলাইয়ের উপর দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেই সরকারের সময় জুলাইয়ের পক্ষ নিলে চাকরি চলে যাওয়ার হ'তাশার।

কমরেড মাহমুদ

ফাসি চাই
19/02/2026

ফাসি চাই

জুলাই গ ণ হ ত্যা র অন্যতম মাস্টারমাইন্ড জয়-পলক: চিফ প্রসিকিউটর

Address

London

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when To Be Honest posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category