Health & Family Welfare Department -Govt. of Tripura

Health & Family Welfare Department -Govt. of Tripura

Share

The Government recognizes that investing in health results in invaluable gains in human development. Health and Family Welfare Department, Governm

It has as its goal the improvement of health of its people and equitable access to good quality health care.

Photos from Health & Family Welfare Department -Govt. of Tripura's post 01/06/2026

দুর্জয়নগরে নবনির্মিত এএনএম ইনস্টিটিউট ভবন পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্য সচিব

আগরতলা, গত ৩১ মে,২০২৬ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সচিব শ্রী কিরণ গিত্যে, আইএএস আজ দুর্জয়নগরে নবনির্মিত এএনএম (ANM) ইনস্টিটিউট ভবন পরিদর্শন করেন। ভবনটিকে নির্ধারিত নির্দেশিকা অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার লক্ষ্যে বিভিন্ন অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিকারের অধিকর্তা ডা. দেবশ্রী দেববর্মা, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকারের অধিকর্তা ডা. এইচ. পি. শর্মা, হেড অব অফিস-কাম-ডেপুটি ডিরেক্টর (ডেন্টাল) ডা. রাজেশ অনিল আচার্য, ডেপুটি ডিরেক্টর, স্বাস্থ্য অধিকার
ডা. শঙ্খ শুভ্র দেবনাথ, আগরতলা গভর্নমেন্ট নার্সিং কলেজ এবং এএনএম ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ নার্সিং কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ এবং পূর্ত দপ্তরের (এমসিডি ডিভিশন) এসডিও।

প্রতিনিধি দলটি ভবনের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি, প্রশাসনিক অবকাঠামো, আবাসন ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করেন। এএনএম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং অবশিষ্ট কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ইনস্টিটিউটটিকে দ্রুত কার্যকর করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। নবনির্মিত এই প্রতিষ্ঠান চালু হলে রাজ্যে দক্ষ নার্সিং ও স্বাস্থ্যকর্মী তৈরির ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

Photos from Health & Family Welfare Department -Govt. of Tripura's post 30/05/2026

প্রেস রিলিজ
অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার সেন্টারে স্বাস্থ্য অধিকর্তার পরিদর্শন

অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার সেন্টার আজ (২৯ মে, ২০২৬) স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ দেবশ্রী দেববর্মা সহ এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করেন। উক্ত পরিদর্শনে প্রতিনিধি দলের সদস্যগণ অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার সেন্টারের সামগ্রিক পরিষেবা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেন। এছাড়াও হাসপাতালে জরুরি পরিষেবা এবং অপারেশন থিয়েটারসহ বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এরপর প্রতিনিধি দলের সদস্যরা পেট স্ক্যান,লিনিয়াক,সার্জিক্যাল ওয়ার্ড,অমৃত ফার্মা ইউনিট সহ ল্যাব,ওপিডি পরিদর্শন ও পর্যালোচনা করেন। রোগীদের সঙ্গেও স্বাস্থ্য অধিকর্তাসহ প্রতিনিধি দল কথাবর্তা বলেন এবং পরিষেবা নিয়ে তাদের সঙ্গে মত বিনিময় করেন। এরপর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সামগ্রিক পরিষেবা প্রদান ব্যবস্থা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ দেবশ্রী দেববর্মা সহ স্বাস্থ্য অধিকারের হেড অফ অফিস এবং উপ অধিকর্তা (ডেন্টাল) ডাঃ রাজেশ অনিল আচার্য, উপ অধিকর্তা ডাঃ শঙ্খ শুভ্র দেবনাথ, অটল বিহারী বাজপেয়ী রিজিওন্যাল ক্যান্সার সেন্টারের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ শিরোমণি দেববর্মার সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।

29/05/2026

প্রেস রিলিজ
ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে জটিল অস্ত্রোপচারে মা ও গর্ভস্থ শিশুর প্রাণ রক্ষা


চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ঊনকোটি জেলার কৈলাশহরস্থিত কালিপুর এলাকার ২২ বৎসর বয়সী এক গর্ভবতী মহিলা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মহিলাটি ৩৬ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন, হঠাৎ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত ১৯ মে, ২০২৬ রাত প্রায় ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ পরিবারের সদস্যরা তাকে সংকটজনক অবস্থায় ঊনকোটি জেলা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসেন। জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেন যে, সে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ প্লাসেন্টা প্রিভিয়া উইথ এপিএইচ সমস্যায় ভুগছিলেন, অর্থাৎ প্লাসেন্টা জরায়ুর নিচের অংশে অবস্থান করার কারণে প্রসবের আগেই অতিরিক্ত রক্তপাত হচ্ছিল। এই অবস্থায় মা ও গর্ভস্থ শিশুর জীবনহানির আশঙ্কা থাকে।পাশাপাশি রোগিণীর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তাকে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালে রেফার করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু পরিবারের পরিজনেরা গর্ভবতী মহিলাকে জিবিপি হাসপাতালে নিয়ে যেতে অস্বীকার করে এবং ঊনকোটি জেলা হাসপাতালেই গর্ভবতী মহিলার চিকিৎসা করার জন্য অনুরোধ জানান। সেই অনুযায়ী, ঊনকোটি জেলা হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ সুজিত দাস পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে জেলা হাসপাতালেই মহিলার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। ডাঃ দাসের নেতৃত্বে একটি মেডিক্যাল টিম গত ২০ মে ২০২৬ ভোর ৩টা ১৫ মিনিট নাগাদ রোগিণীর প্লাসেন্টা জরায়ুর নিচের অংশে অবস্থান করার সত্ত্বেও লোয়ার সেগমেন্ট সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে শিশুর জীবন রক্ষা করতে সক্ষম হন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উক্ত গর্ভবতী মহিলা ২ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের এক সুস্থ কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। অস্ত্রোপচারের পর মা ও নবজাতককে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ধীরে ধীরে উভয়েরই শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটে এবং তারা সুস্থ হয়ে উঠেন। পরবর্তীতে গত ২৩ মে, ২০২৬ তাদের হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়। বর্তমানে মা ও নবজাতক উভয়েই সুস্থ রয়েছেন। এই অস্ত্রোপচারে ঊনকোটি জেলা হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ সুজিত দাসের সঙ্গে ছিলেন অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট ডাঃ অমিত পাল। এছাড়াও নার্সিং অফিসার ছিলেন মুনদিপা দেববর্মা ও অপারেশন থিয়েটার টেকনিশিয়ান ছিলেন সুরঞ্জিত দাস। মা ও শিশু উভয়েই জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সুস্থ হয়ে উঠায় মহিলার পরিবারের পরিজনেরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন।

Photos from Health & Family Welfare Department -Govt. of Tripura's post 22/05/2026

প্রেস রিলিজ
আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য শিবির ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি


সিপাহীজলা জেলার বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষে গত ১৫ মে, ২০২৬ বিশালগড় আরডি ব্লকের অন্তর্গত বাতাঢেপা মহানামব্রত ব্রহ্মচারী উচ্চ বিদ্যালয়ে এক স্বাস্থ্য শিবির ও স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উক্ত কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের মোট ৮০জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। এই কর্মসূচির আওতায় স্বাস্থ্যকর্মীরা বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চোখের ছানি শনাক্তকরণ এবং আরবিএসকে স্ক্রিনিং পরিচালনা করেন। উপস্থিত সকল ছাত্র-ছাত্রীর আরবিএসকে টিমের চিকিৎসক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। তাতে স্বাস্থ্যকর্মীরা সাতজন ছাত্র-ছাত্রীর ত্বক ও দাঁতজনিত সমস্যা শনাক্ত করেন। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে রেফার করা হয়। পাশাপাশি চারজন ছাত্র-ছাত্রীর চোখের সমস্যা ধরা পড়ে, তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়াও, কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে এদিন স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্যোগে এক যোগা সেশন-এর আয়োজন করা হয়। যোগাভ্যাসের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার গুরুত্ব নিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীরা আলোচনা করেন। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালের আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ডাঃ সুব্রত দেববর্মা, আরবিএসকে টিমের চিকিৎসক ডাঃ সম্রাট দেববর্মা, অপটোমেট্রিস্ট বিশ্বদীপ দত্ত সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা।

Photos from Health & Family Welfare Department -Govt. of Tripura's post 22/05/2026

প্রেস রিলিজ
উত্তর জেলা হাসপাতালে আড়াই বছরের এক শিশুর চক্ষু সফল অস্ত্রোপচার


চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং পরিবারের সাহসিকতায় আড়াই বছরের এক ছোট্ট শিশু আবার সুস্থ জীবনের পথে এগিয়ে চলেছে। সময়মতো উত্তর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক টিমের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং মানবিক উদ্যোগে শিশুটির জীবন রক্ষা সম্ভব পেয়েছে। উত্তর জেলার কদমতলা পেয়ারিছড়া এলাকার এই আড়াই বছরের এক শিশুটি গত ১৭ মে, ২০২৬ একটি দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হয়। বাড়িতে খেলাধুলার সময় হঠাৎ একটি ধারালো বস্তুর আঘাতে শিশুটির বাম চোখে অতিরিক্ত রক্তপাত শুরু হয় এবং ব্যথায় শিশুটি চিৎকার করতে থাকে। তখন পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত শিশুটিকে উত্তর জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা শিশুটির চোখ পরীক্ষা করে দেখেন যে শিশুটির বাম চোখে “ওপেন গ্লোব ইনজুরি” হয়েছে। শিশুটির কর্নিয়া ফেটে গিয়ে চোখের ভেতরের আইরিস অংশ ছিদ্র হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। পাশাপাশি শিশুটির রেটিনাতেও আঘাতের লক্ষণ ধরা পড়ে। এই অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক ছিল এবং দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে দৃষ্টিশক্তি হারানোর আশঙ্কা ছিল। শিশুটির অবস্থায় উত্তর জেলা হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ সন্দীপক রায়ের নেতৃত্বে একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করে জেনারেল অ্যানাস্থেশিয়ার মাধ্যমে অস্ত্রোপচার করে। গত ১৭ মে, ২০২৬ শিশুটির জটিল চক্ষু অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করেন। এই অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কর্নিয়ার ক্ষত মেরামত করেন এবং চোখের অভ্যন্তরীণ অংশকে পুনরায় সুরক্ষিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনেন। শিশুটির বয়স অত্যন্ত কম হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়াটি চিকিৎসকদের কাছে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। অস্ত্রোপচারের পর শিশুটিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। চোখের ব্যথা ও রক্তপাত বন্ধ হয় এবং শিশুটি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এই অস্ত্রোপচারে ছিলেন উত্তর জেলা হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ সন্দীপক রায়, অ্যানাস্থেটিস্ট ডাঃ সৌমালি নাথ, ওটি অ্যাসিস্ট্যান্ট মৌসুমি চৌধুরী ও তপতী চক্রবর্তী এবং নার্সিং অফিসার রেখা শর্মা সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা। শিশুটি সুস্থ হয়ে উঠায় তার পরিবার-পরিজনেরা উত্তর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

Photos from Health & Family Welfare Department -Govt. of Tripura's post 21/05/2026

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টে রাজ্যে প্রথমবারের মতো সফলভাবে জটিল ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(AVM) এম্বোলাইজেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। তীব্র পেট ব্যথা ও যোনি পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা নিয়ে ধলাই জেলার ডেমছড়া এলাকার ৩৮ বছর বয়সী এক মহিলা জিবিপি হাসপাতালে ভর্তি হন। রোগীর জটিল অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন করে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক (ডাঃ) জে. এল. বৈদ্য তাৎক্ষণিক রেডিওলজি ও কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময়ের ভিত্তিতে রোগীর চিকিৎসা শুরু করেন। তাতে রোগীর রোগ নির্ণয় ত্বরান্বিত হয় এবং সমন্বিত চিকিৎসা সহযোগিতায় রোগী সুস্থ হয়ে উঠে। অত্যন্ত জটিল এন্ডোভাসকুলার পদ্ধতিতে রোগীর ডানদিকের জরায়ু আর্টারি ও ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(AVM)-তে রক্ত সরবরাহকারী অতিরিক্ত ফিডার ভেসেলে একাধিক কয়েল স্থাপন করা হয়। গত ১৫ মে,২০২৬ কোনো ধরনের ওপেন সার্জারি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অত্যাধুনিক ক্যাথেটার-ভিত্তিক মিনিমালি ইনভেসিভ পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই জটিল চিকিৎসা সফলভাবে সম্পন্ন করেন কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ও বিভাগীয় প্রধান ডাঃ অনিন্দ্য সুন্দর ত্রিবেদী। সহযোগিতায় ছিলেন কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ রাকেশ দাস ও ডাঃ মান্না ভট্টাচার্য। অ্যানেস্থেসিয়া টিমে ছিলেন কনসালটেন্ট কার্ডিয়াক ডাঃ রিমঝিম চাকমা, কনসালটেন্ট অ্যানেস্থেটিস্ট ডাঃ মনিময় দেববর্মা সহ কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ সম্রাট দাস, ডাঃ অ্যারিস্টটল ত্রিপুরা, ডাঃ খামিলি দেববর্মা ও ডাঃ দেবাশিস রিয়াং।এছাড়া ইকো টেকনিশিয়ান ছিলেন কিষান রায়, ক্যাথল্যাব ও টেকনিক্যাল টিমে ছিলেন ক্যাথল্যাব নার্স ছিলেন দেবব্রত দেবনাথ, প্রাণকৃষ্ণ দেব, মানস দত্ত, তিতিক্ষা মজুমদার, টেকনিশিয়ান সঞ্জয় ঘোষ ও অরিজিৎ পাল প্রমুখ। রাজ্যের ইতিহাসে এই প্রথমবার এমন ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(AVM) এম্বোলাইজেশন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, রোগী আয়ুষ্মান কার্ডের সহায়তা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই চিকিৎসার সুযোগ লাভ করেছে। এছাড়া আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ বিধান গোস্বামী এবং আর.এম.ও ডাঃ বিকাশ দেববর্মা রোগীর জীবনরক্ষাকারী প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দুর্লভ কয়েল ইমপ্ল্যান্টের ব্যবস্থা করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

21/05/2026

প্রেস রিলিজ
কেন্দ্রীয় সরকারের সমীক্ষায় রাজ্যের ইতিহাসে শিশু মৃত্যুর হার সর্বনিম্ন

শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসে ত্রিপুরা সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের সাফল্য আবারও উঠে এল কেন্দ্রীয় সরকারের সমীক্ষায় । রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া কর্তৃক মে ২০২৬ এ প্রকাশিত স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম ( এসআরএস) বুলেটিন অনুসারে ২০২৪ সালে প্রতি ১০০০ জন জীবিত শিশুর ক্ষেত্রে ত্রিপুরাতে শিশু মৃত্যুর হার ১২, যেখানে জাতীয়স্তরে এই সংখ্যাটি ২৪। যেখানে আসামে এই হার ২৯, মেঘালয়ে ৩১, এবং অরুণাচল প্রদেশে ১৭ । রাজ্যের ইতিহাসে এখনও পর্যন্ত এই সংখ্যাটি সর্বনিম্ন। ত্রিপুরাতে গ্রামীণ এলাকায় এই হার ১৪(জাতীয় গড় ২৭) ও শহর এলাকায় এই হার ৭ (জাতীয় গড় ১৭) । রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় রাজ্যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছে । উল্লেখ্য রেজিস্ট্রার জেনারেল অব ইন্ডিয়া কর্তৃক প্রকাশিত স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম ( এসআরএস) বুলেটিন অনুসারে ২০১৮ সালে প্রতি ১০০০ জন জীবিত শিশুর ক্ষেত্রে ত্রিপুরাতে শিশু মৃত্যুর হার ছিল ২৪। গত তিন বছরে এই হার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়ে যথাক্রমে ২০২২ সালে ১৭, ২০২৩ সালে ১৫ এবং ২০২৪ সালে দাঁড়ায় ১২। ত্রিপুরাতে গ্রামীণ এলাকায় শিশু মৃত্যুর হার প্রতি ১০০০ জন জীবিত শিশুর ক্ষেত্রে ২০১৮ সালে গ্রামীণ এলাকায় ছিল ৩২ ও শহর এলাকায় এই হার ছিল ২০। ২০২৪ সালে হ্রাস পেয়ে গ্রামীণ এলাকায় ১৪ ও শহর এলাকায় এই হার ৭ এ দাঁড়িয়েছে।এসআরএস বুলেটিন অনুসারে বর্তমানে এ রাজ্যে জন্মের হার প্রতি হাজার জনসংখ্যায় ১৫ ,যা জাতীয় গড় (১৮.৩) থেকে কম , মৃত্যুর হারও প্রতি হাজার জনসংখ্যায় (৫.৯) জাতীয় গড় (৬.৪) থেকে কম । ন্যাচারাল গ্রোথ রেট বা প্রবৃদ্ধির হারও (৯.১)জাতীয় গড় (১১.৯) থেকে কম ।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের চিকিৎসক সহ সমস্ত স্তরের কর্মচারীদের নিরলস প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্য পরিষেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।গত কয়েক বছরের মধ্যে রাজ্য সরকারের প্রসবপূর্ব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা, শিশুদের টিকাদান, পুষ্টির ব্যবস্থাপনা, এবং হাসপাতাল ভিত্তিক প্রসব ইত্যাদি বিভিন্ন কর্মসূচির সফলবাস্তবায়ন শিশু মৃত্যুর হার কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। এরই ফসল এই সাফল্য।

Photos from Health & Family Welfare Department -Govt. of Tripura's post 21/05/2026

প্রেস রিলিজ
জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের ঐতিহাসিক সাফল্য
রাজ্যে প্রথমবার জটিল ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(এ.ভি.এম)এম্বোলাইজেশনে সংকটাপন্ন রোগিণী পেল নতুন জীবন।

আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টে রাজ্যে প্রথমবারের মতো সফলভাবে জটিল ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(AVM) এম্বোলাইজেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ। তীব্র পেট ব্যথা ও যোনি পথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা নিয়ে ধলাই জেলার ডেমছড়া এলাকার ৩৮ বছর বয়সী এক মহিলা জিবিপি হাসপাতালে ভর্তি হন। রোগীর জটিল অবস্থার গুরুত্ব অনুধাবন করে আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক (ডাঃ) জে. এল. বৈদ্য তাৎক্ষণিক রেডিওলজি ও কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের চিকিৎসকদের সাথে মতবিনিময়ের ভিত্তিতে রোগীর চিকিৎসা শুরু করেন। তাতে রোগীর রোগ নির্ণয় ত্বরান্বিত হয় এবং সমন্বিত চিকিৎসা সহযোগিতায় রোগী সুস্থ হয়ে উঠে। অত্যন্ত জটিল এন্ডোভাসকুলার পদ্ধতিতে রোগীর ডানদিকের জরায়ু আর্টারি ও ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(AVM)-তে রক্ত সরবরাহকারী অতিরিক্ত ফিডার ভেসেলে একাধিক কয়েল স্থাপন করা হয়। গত ১৫ মে,২০২৬ কোনো ধরনের ওপেন সার্জারি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অত্যাধুনিক ক্যাথেটার-ভিত্তিক মিনিমালি ইনভেসিভ পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই জটিল চিকিৎসা সফলভাবে সম্পন্ন করেন কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ও বিভাগীয় প্রধান ডাঃ অনিন্দ্য সুন্দর ত্রিবেদী। সহযোগিতায় ছিলেন কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ রাকেশ দাস ও ডাঃ মান্না ভট্টাচার্য। অ্যানেস্থেসিয়া টিমে ছিলেন কনসালটেন্ট কার্ডিয়াক ডাঃ রিমঝিম চাকমা, কনসালটেন্ট অ্যানেস্থেটিস্ট ডাঃ মনিময় দেববর্মা সহ কার্ডিওলজি ডিপার্টমেন্টের কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ সম্রাট দাস, ডাঃ অ্যারিস্টটল ত্রিপুরা, ডাঃ খামিলি দেববর্মা ও ডাঃ দেবাশিস রিয়াং।এছাড়া ইকো টেকনিশিয়ান ছিলেন কিষান রায়, ক্যাথল্যাব ও টেকনিক্যাল টিমে ছিলেন ক্যাথল্যাব নার্স ছিলেন দেবব্রত দেবনাথ, প্রাণকৃষ্ণ দেব, মানস দত্ত, তিতিক্ষা মজুমদার, টেকনিশিয়ান সঞ্জয় ঘোষ ও অরিজিৎ পাল প্রমুখ। রাজ্যের ইতিহাসে এই প্রথমবার এমন ইউটেরাইন আর্টেরিওভেনাস ম্যালফরমেশন(AVM) এম্বোলাইজেশন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, রোগী আয়ুষ্মান কার্ডের সহায়তা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই চিকিৎসার সুযোগ লাভ করেছে। এছাড়া আগরতলা গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ (এজিএমসি) অ্যান্ড জিবিপি হাসপাতালের মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট ডাঃ বিধান গোস্বামী এবং আর.এম.ও ডাঃ বিকাশ দেববর্মা রোগীর জীবনরক্ষাকারী প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দুর্লভ কয়েল ইমপ্ল্যান্টের ব্যবস্থা করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

21/05/2026

প্রেস রিলিজ
রাজ্যে “লঙ্গিটিউডিনাল এজিং স্টাডি ইন ইন্ডিয়া”(এল,এ,এস,আই)ওয়েব-২ সমীক্ষা শুরু

ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমগ্র দেশে শুরু হয়েছে “লঙ্গিটিউডিনাল এজিং স্টাডি ইন ইন্ডিয়া”(এল,এ,এস,আই)ওয়েব-২ সমীক্ষা। ত্রিপুরায় ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ হেলথ ম্যানেজমেন্ট রিসার্চ(আই,আই,এইচ,এম,আর)এই সমীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরত্রিপুরা সরকারের সহযোগিতায় এই সমীক্ষা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এই সমীক্ষার মাধ্যমে ৪৫ বছর বা তার ঊর্ধ্বে নাগরিকদের স্বাস্থ্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই সংগৃহীত তথ্য ভবিষ্যতে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা ও কল্যাণমূলক পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়ক হবে। এই প্রকল্পের নোডাল সংস্থা হিসেবে কাজ করছে মুম্বাইস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর পপুলেশন সায়েন্সেস(আই,আই,পি,এস)। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের সহযোগিতায় রাজ্যে নির্বাচিত এলাকায় উক্ত সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল নাগরিকদেরকে সমীক্ষক দলের সঙ্গে সহযোগিতা করে সঠিক তথ্য প্রদানের জন্য আন্তরিক অনুরোধ জানানো হচ্ছে। জনসাধারণের সার্বিক ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সমীক্ষাকে সফল করে তুলবে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Agartala?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

P. N Complex, P. S/NCC, P. O-Kunjaban
Agartala
799006