22/09/2026
বাঁকুড়া জেলা তথা স্থানীয় ইতিহাসের প্রতি আগ্রহী সকল পাঠক-পাঠিকাদের জন্য নিয়ে এসেছি দুটি অমূল্য গ্রন্থের সন্ধান!
১. 📖 'আমি ও আমরা'
✍️ লেখক: শ্রী গোপাল চন্দ্র পাল (প্রাক্তন শিক্ষক, বালসী উচ্চ বিদ্যালয়)
১৯২৯ সালে জন্মগ্রহণকারী ৯৬ বছর বয়সী প্রবীণ শিক্ষক গোপালবাবুর কলমে উঠে এসেছে তৎকালীন বালসী গ্রামের এক প্রামাণ্য ইতিহাস। ২০২২ সালের বালসী বইমেলায় প্রথম প্রকাশিত এই আকর গ্রন্থটিতে লেখক নিজের জীবনের কথার পাশাপাশি তুলে ধরেছেন সেকালের বালসী উচ্চ বিদ্যালয়, ধ্রুব সংহতি লাইব্রেরী,তৎকালীন আর্থ-সামাজিক জীবন, ইউনিয়ন বোর্ড ও BDR রেলওয়ে যাতায়াতের খুঁটিনাটি। বিশেষ করে ভাদ্র মাসে প্রান্তিক কৃষক, মুনিশ ও মাহিন্দারদের চরম কষ্টের যে মর্মস্পর্শী বর্ণনা এতে রয়েছে, তা ইতিহাস সন্ধানী পাঠকদের মুগ্ধ করবে।
২. 📖 'প্রবীণদের মজলিস: বালসী ডাকঘর'
✍️ সংকলক: শ্রী অসীম কুমার পূজারী (প্রাক্তন গ্রন্থাগারিক, বালসী ধ্রুব সংহতি পাঠাগার)
গত শতাব্দীর সত্তরের দশকে বালসী ডাকঘরের দাওয়ায় আড্ডা দিতেন গ্রামের বেশ কয়েকজন প্রবীণ মানুষ, যাঁদের জন্ম গত শতাব্দীর প্রথম ভাগে। অসীমবাবু তাঁদের একটি ছবি তুলে প্রত্যেককে ডায়েরিতে নিজেদের জীবনী লিপিবদ্ধ করতে বলেছিলেন। সেই অমূল্য ডায়েরিগুলির সংকলনই এই বই! তৎকালীন বালসী গ্রামের রাস্তাঘাট, স্কুল, লাইব্রেরি, হাট থেকে শুরু করে— গ্রামে কে প্রথম ধুতি ছেড়ে প্যান্ট পরলেন, কে প্রথম রেডিও বা সাইকেল কিনলেন, তার সব মজাদার ও ঐতিহাসিক তথ্য খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে এখানে।
যাঁরা স্থানীয় ইতিহাস, সমাজনীতি ও ফেলে আসা গ্রামীণ জীবনের শিকড়ের খোঁজ পেতে ভালোবাসেন, তাঁদের কাছে আমার একান্ত আবেদন— আজই সংগ্রহ করুন এই দুটি অনবদ্য বই। আমাদের নিজেদের ইতিহাস বাঁচিয়ে রাখার এই উদ্যোগকে সমর্থন করুন।
বইগুলি পেতে WhatsApp করুন 9475874465 নম্বরে।