BJYM - Purba Bardhaman
The Bharatiya Janata Yuva Morcha (BJYM) (translation: Indian People's Youth Front) is the youth wing of the Bharatiya Janata Party (BJP)
01/11/2025
ঐতিহাসিক মাইলফলক উদঘাটিত হয়েছে -
২৫০ GW অ-জীবাশ্ম শক্তি -
১২৩.১৩ GW সৌর শক্তি
৫৫.২২ GW জলবিদ্যুৎ শক্তি
৫২.৬৮ GW বায়ু শক্তি
১১.৬ GW জৈব শক্তি
৮.৭৮ GW পরমাণু শক্তি
অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মহাশয় কে।
01/11/2025
01/11/2025
বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বাঁকাদহে মৃত চিতাবাঘের দেহের পাশে উদ্ধার হয়েছে সুইসাইড নোট, চিতাবাঘটি লিখে গেছে মৃত্যুর জন্য এনআরসি দায়ী....
এইবার আপনারা প্রশ্ন করবেন যে, চিতাবাঘের হাত নেই তাহলে সুইসাইড নোট লিখলো কিভাবে?
ঠিক যেভাবে পানিহাটীর প্রদীপ কর হাতের আঙ্গুল ছাড়া সুইসাইড নোট লিখেছিলো ঠিক সেই ভাবেই লিখেছে....
01/11/2025
24/07/2025
ইলেকশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাস থেকে দেশ জুড়ে শুরু করতে চলেছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) ।।
এই প্রক্রিয়ায় বুথ লেভেল অফিসার বা BLO আপনার বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে একটা ফরম ফিল আপ করাবে ,সঙ্গে লাগবে ডকুমেন্ট ( উল্লিখিত ১১ টা ডকুমেন্ট এর মধ্যে যেকোনো একটি)।।সেগুলি হল:-
১. পৌর সংস্থা, পঞ্চায়েত বা অন্য কোনও সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত জন্ম শংসাপত্র
২. বিদেশ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা পাসপোর্ট
৩. স্বীকৃত বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন বা উচ্চশিক্ষার সার্টিফিকেট
৪. সরকার কর্তৃক জারি করা পরিচয়পত্র বা পেনশন অর্ডার (কেন্দ্রীয়/রাজ্য/পিএসইউ)
৫. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুরূপ কর্তৃপক্ষের স্থায়ী বসবাসের (বাসস্থান) সার্টিফিকেট
৬. বন অধিকার আইনের অধীনে বন-অধিকার সনদপত্র
৭. উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারি করা জাতিগত শংসাপত্র (এসসি/এসটি/ওবিসি)
৮. এনআরসি ডকুমেন্ট (যেখানে প্রযোজ্য)
৯. স্থানীয় সংস্থা কর্তৃক জারি করা পারিবারিক নিবন্ধন
১০. সরকারি অফিস থেকে জমি বা বাড়ি বরাদ্দের সার্টিফিকেট
১১. ১৯৮৭ সালের পূর্ববর্তী সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র
*এই অনুশীলনের জন্য আধার, প্যান এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স স্বতন্ত্র প্রমাণ হিসেবে প্রযোজ্য নয়।*
**পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে যে SIR বা 'Special Intensive Revision' বা 'বিশেষ নিবিড় সংশোধন' চালু হতে চলেছে আগামী অগাষ্ট-সেপ্টেম্বর মাস থেকে সেক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে- ২০০২ সালে যাদের পুরোনো SIR এ নাম উঠেছিল তাদের কোনো কাগজই দেখাতে হবে না। দেখাতে হবে তার পরবর্তীতে যাদের নাম উঠেছিল অর্থাৎ ২০০৩-২০২৫ এর মধ্যে। আর এই কাগজগুলোর মধ্যে থাকছে ১১ টি ডকুমেন্ট আঁধার,প্যান এবং রেশন কার্ড ছাড়া। আর হ্যাঁ ওই ১১ টি ডকুমেন্টের যেকোনো একটি দেখালেই চলবে......
চারিদিকে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে যে জন্ম প্রমাণপত্র বা বার্থ সার্টিফিকেট দেখাতেই হবে, সেটা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য করা হচ্ছে...জন্ম শংসাপত্র আর বাকি ১০ টি ভ্যালিড ডকুমেন্টের মতোই একটি শুধুমাত্র...কেউ ওটা থাকলে দিতে পারে,না থাকলে আর বাকি ১০ টির যেকোনো একটি দিলেও হবে।
২০০২ সালে ইতিমধ্যেই তালিকাভুক্ত ভোটার এবং তাদের সন্তানদের জন্য কোনও অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই। যাদের ১১টি প্রমাণ নেই, তাদের ক্ষেত্রে নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা (ERO) মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করতে পারেন।
**এই প্রক্রিয়ায় তিন ধরনের আবেদনকারী থাকবেন ।
১)- *জুলাই,১৯৮৭ এর আগে জন্মগ্রহন করা ভোটার*।
*এদের শুধু নিজের ডকুমেন্ট দিলেই হবে ওই ১১ টার মধ্যে।*
২)- *(১৯৮৭ - ২০০২) এর মধ্যে জন্ম নেওয়া ভোটার ।*
*এদের দিতে হবে বাবা অথবা মায়ের ডকুমেন্ট ওই ১২ টির মধ্যে,(তবে ২০০২ সালে আমাদের রাজ্যে হওয়া শেষ SIR এ যদি তাদের নাম থেকে থাকে সেই লিস্ট এর পাতা টি দিলেই আর কোনো ডকুমেন্ট দরকার নেই)।।*
৩)- *২০০২ এর পর জন্ম নেওয়া ভোটার।।*
*এদের ক্ষেত্রে লাগবে বাবা ও মায়ের উভয়ের ই ডকুমেন্ট ।*
*এই ক্ষেত্রেও ২০০২ এর শেষ SIR তালিকায় তাদের নাম থাকলে সেই তালিকার পাতা টি জমা দিলেই হবে ।।*
যদি কেউ বাইরের রাজ্যেও থাকেন কোনো চিন্তা নেই,আপনি অনলাইনেও ফরম ফিলাপ করতে পারবেন।
**উল্লেখ্য যে অনুপ্রবেশকারি আর শরনার্থি কিন্তু গুলিয়ে ফেলবেন না।*
অপপ্রচারে কান দিবেন না।
ভয় পাবেন না।।
**এসআইআরের প্রচেষ্টা হল "কোনও যোগ্য নাগরিক বাদ না পড়েন এবং কোনও অযোগ্য ব্যক্তি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হন তা নিশ্চিত করা।"*
এর আগেও অনেকবার :-ইসিআই অনুসারে, ১৯৫২-৫৬, ১৯৫৭, ১৯৬১, ১৯৬৫, ১৯৬৬, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৮৭-৮৯, ১৯৯২, ১৯৯৩, ১৯৯৫, ২০০২, ২০০৩ এবং ২০০৪ সালে নতুন ভোটার তালিকা তৈরির উদ্দেশ্যে দেশের সমস্ত বা কিছু অঞ্চলে অনুরূপ এসআইআর পরিচালিত হয়েছিল।
*পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার শেষবারের মতো SIR করা হয়েছিল ২০০২ সালের জানুয়ারিতে, বামফ্রন্ট শাসনকালে, এবং তাই ২৩ বছর পর এই নতুন SIR পরিচালিত হবে।
(সনাতনী হিন্দুদের ভয়ের কোনো কারণ নেই নিশ্চিন্তে থাকুন)
*কাজ শুরু হওয়ার আগেই যাতে সবাই যতগুলো বেশি সম্ভব ডকুমেন্ট জোগাড় করতে পারেন, সেকারনেই জনস্বার্থে পোস্টটি করা।*
**(সংগৃহীত )
24/07/2025
গত ১৪ বছরে পশ্চিমবঙ্গ ছেড়েছে ৬৬৮৮টি কোম্পানি!
২০১১ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে ৬৬৮৮টি কোম্পানি তাদের রেজিস্টার্ড অফিস পশ্চিমবঙ্গ থেকে অন্য রাজ্যে স্থানান্তর করেছে।
এই ৬৬৮৮টি কোম্পানির মধ্যে ১১০টি ছিল স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত।
বছরভিত্তিক পরিস্থিতি:
🔹 ২০১৫–১৬: ৮৬৯টি কোম্পানি স্থানান্তরিত
🔹 ২০১৬–১৭: ৯১৮টি কোম্পানি
🔹 ২০১৭–১৮: ১০২৭টি কোম্পানি
*এই কোম্পানিগুলি কোথায় গিয়েছে?*
➡️ মহারাষ্ট্র – ১৩০৮টি কোম্পানি
➡️ দিল্লি – ১২৯৭টি
➡️ উত্তরপ্রদেশ – ৮৭৯টি
➡️ ছত্তিশগড় – ৫১১টি
➡️ গুজরাট – ৪২৩টি
➡️ রাজস্থান – ৩৩৩টি
➡️ আসাম, ঝাড়খণ্ড, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং তেলেঙ্গানাতেও শতাধিক কোম্পানি স্থানান্তরিত করেছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Bardhaman
