24/08/2025
We are helping people through some social work
24/08/2025
19/08/2025
একটি ছোট ছেলে অনাথ আশ্রমে বেড়ে উঠছিলো। তার স্বপ্ন ছিলো সে একদিন পাখির মতো উড়তে পারবে।সে বুঝতে পারতো না যে কেন সে উড়তে পারে না। চিড়িয়াখানায় তার চেয়ে বড় বড় পাখিদেরকেও সে খাঁচার ভেতর উড়তে দেখেছে। সে মনে মনে ভাবতো আমি কেন পারি না? আমার কি তাহলে
কোনো সমস্যা আছে?
আরেকটি ছোট ছেলে ছিলো,যে পায়ের সমস্যার জন্যে ঠিক মতো হাঁটতে পারতো না।সে স্বপ্ন দেখতো তার বয়সের অন্য ছেলে-মেয়েদের মতো সে হাটতে পারছে। দৌড়ে বেড়াচ্ছে।সে ভাবতো,আমি কেন ওদের মতো নই?
একদিন সেই অনাথ ছেলেটি,যে পাখি হতে চাইতো,সে হাঁটতে হাঁটতে সমুদ্র সৈকতে এসে পড়লো। সেখানে সে দেখলো যে পঙ্গু ছেলেটি বালিতে বসে খেলছে। বালি দিয়ে বাড়ি-ঘর বানাচ্ছে। পাখি বানাচ্ছে।
তাকে পাখি বানাতে দেখে সে তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
-তুমিও কি পাখির মত আকাশে উড়ার স্বপ্ন দেখো?
-না। কিন্তু আমি আর সবার মতো হাঁটতে পারার স্বপ্ন দেখি, দৌড়ে গিয়ে বাবার কোলে ওঠার স্বপ্ন দেখি।
তার কথা শুনে ছেলেটি খুব কষ্ট পেল।সে বললো,
-আমরা কি বন্ধু হতে পারি?
-অবশ্যই আমরা বন্ধু হতে পারি।
এরপর তারা দুইজন মিলে প্রায় ঘন্টাখানেক খেললো । তারা মাটির প্রাসাদ বানালো, পাখি বানালো,দুজনমিলে অদ্ভুত অদ্ভুত শব্দ করলো। এক সময় পঙ্গু ছেলেটির বাবা হুইল চেয়ার নিয়ে ছেলেটিকে নিতে এলো।যে ছেলেটি পাখির মত উড়তে চাইতো সে পঙ্গু ছেলেটির বাবার কানে কানে কিছু একটা বললো। উত্তরে তিনি বললেন
-ঠিক আছে।আমার কোনো আপত্তি নেই।
ছেলেটি তখন তার পঙ্গু বন্ধুকে বললো,
-তুমি আমার একমাত্র বন্ধু। আমি যদি কিছু করতে পারতাম যাতে তুমি আর সবার মতো হাঁটতে আর দৌড়াতে পারতে তাহলে আমি খুব খুশি হতাম।কিন্তু আমি তো তা পারি না।কিন্তু আমি কিছু একটা করতে চাই।
এই বলে সে ঘুরে দাড়ালো এবং তার বন্ধুকে বললো তার পিঠে উঠে বসতে। সে উঠে বসলে ছেলেটি বালুর উপর দিয়ে ধীরে ধীরে দৌড়াতে শুরু করলো। দৌড়াতেই থাকলো। দৌড়ের গতি বাড়লে তাদের দুজনের মুখে সমুদ্রের বাতাস এসে ধাক্কা দিতে লাগলো।
দূর থেকে এই দৃশ্য দেখে তার বাবা চোখের পানি আটকে রাখতে পারলো না। পঙ্গু ছেলেটি খুশিতে তার দু হাত দুদিকে মেলে ঠিক একটি পাখির মতো উপরে নিচে করতে লাগলো,এবং চিৎকার করে বলতে লাগলো
''আমি উড়ছি, বাবা, আমি উড়ছি!''
অন্যের স্বপ্ন পূরণ করুন,আপনার স্বপ্ন নিজে নিজেই সত্যি হয়ে যাবে।
ধর্ম হলো মানুষের বিশ্বাস ও আচরণের এমন একটি পদ্ধতি বা ব্যবস্থা যা সাধারণত অতিপ্রাকৃত, আধ্যাত্মিক বা ঐশ্বরিক কিছুর সাথে সম্পর্কিত। এটি সামাজিক, সাংস্কৃতিক, এবং ব্যক্তিগত জীবনের উপর গভীর প্রভাব ফেলে।
আরও বিস্তারিতভাবে, ধর্মকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়:
বিশ্বাস ও রীতিনীতি:
ধর্ম সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট বিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান, এবং নৈতিকতার নিয়মাবলী নিয়ে গঠিত হয়।
অতিপ্রাকৃত ধারণা:
এটি অতিপ্রাকৃত শক্তি, দেবতা বা ঈশ্বরের ধারণা এবং তাদের সাথে মানুষের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে।
জীবনদর্শন:
ধর্ম একটি জীবনদর্শন প্রদান করে, যা মানুষের জীবনকে অর্থ দেয় এবং তাদের পথ দেখায়।
সামাজিক গঠন:
ধর্ম সামাজিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা মানুষের আচার-আচরণ, রীতিনীতি, এবং সামাজিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করে।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা:
ধর্ম ব্যক্তিগতভাবেও অভিজ্ঞত ।
ঈশ্বর (Ishwar) হলেন সর্বোচ্চ সত্তা, স্রষ্টা, এবং জীবনের কেন্দ্রবিন্দু, যা বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্মে বিভিন্ন নামে পরিচিত। সাধারণভাবে, ঈশ্বরকে সর্বশক্তিমান, সর্বজ্ঞ, সর্বত্র বিরাজমান, এবং নিরাকার হিসেবে ধারণা করা হয়।
বিভিন্ন ধর্মে ঈশ্বরের ধারণা:
হিন্দুধর্ম:
হিন্দুধর্মে ঈশ্বরকে বিভিন্ন রূপে পূজা করা হয়, যেমন- ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব, এবং দেবী। এই রূপগুলো ঈশ্বরের বিভিন্ন দিকের প্রকাশ।
ইসলাম:
ইসলামে আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যিনি নিরাকার এবং সমস্ত সৃষ্টির উৎস।
খ্রিস্টধর্ম:
খ্রিস্টধর্মে ঈশ্বরকে পিতা, পুত্র (যীশু খ্রিস্ট), এবং পবিত্র আত্মা হিসেবে ত্রয়ী রূপে পূজা করা হয়।
সাধারণভাবে, ঈশ্বরকে:
সৃষ্টিকর্তা, পরম শক্তি, সর্বোচ্চ বিচারক, প্রেম ও করুণার উৎস হিসেবে গণ্য করা হয়.
ঈশ্বর সম্পর্কে ধারণা মানুষের বিশ্বাস ও দর্শনের উপর নির্ভরশীল, তাই বিভিন্ন মানুষ ঈশ্বরকে বিভিন্নভাবে উপলব্ধি করে।
24/11/2024
Tree Planting
A tree is a life.
The importance of trees in protecting the environment and biodiversity is therefore immense. Because the tree takes in the carbon-dioxide released with our breath and emits oxygen, the main element for the survival of all animals including humans. Keeps the environment pure and clean by absorbing excess noise and temperature. The existence of any animal without trees is unimaginable.