Wisdom Of The Sage

Wisdom Of The Sage

Share

দিব্যত্রয়ীর নিত্য দর্শন, জীবনী, বাণী, শিক্ষা ও ভাবপ্রচার আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।

19/03/2026

"অহংকার পতনের মূল"- ব্যাখ্যা করছেন স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ

13/03/2026

অন্যের ধর্মকে নিন্দকরা কি ঠিক ? - ব্যাখ্যা করছেন স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ

05/03/2026

অবতার পৃথিবীতে কি জন্য অবতীর্ণ হন ? - ব্যাখ্যা করছেন স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ

02/03/2026

বিজ্ঞাপন দেখে আসল নকল কিকরে বুঝবেন ?
- ব্যাখ্যা করছেন স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ

18/03/2025

কোনো নিকট আত্মীয় মারা গেলে অশৌচ হয়, কিছু দিন মন্দিরে যেতে বরণ করা হয়, এর পিছনে কারণ কি ? - ব্যাখ্যা করছেন স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ

13/03/2025

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত (শ্রীম কথিত) | Sri Sri Ramkrishna Kathamrita by Swami Ishatmananda | Part 42
স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত (শ্রীম কথিত) পাঠ করে তার অন্তর্নিহিত অর্থ অতি সহজ ভাষায় আমাদের বোঝাচ্ছেন ।
বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করছি :
স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ
Vivekananda Vedanta Society of Chicago
Sri Sarada Sangha, Newtown Kolkata West Bengal ও
Sadananda UTube চ্যানেল কে
আমাদের একমাত্র লক্ষ্য শ্রী শ্রী ঠাকুরের কথা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া |
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত বাংলা ভাষায় লেখা একটি হিন্দু ধর্মগ্রন্থ। মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৮৫৪-১৯৩২) পাঁচ খণ্ডে এই বইটি রচনা করেন। এই বইতে উনিশ শতকের হিন্দু ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের কথোপকথন ও কার্যকলাপের বিবরণী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। কথামৃত-এর পাঁচটি খণ্ড যথাক্রমে ১৯০২, ১৯০৪, ১৯০৮, ১৯১০ ও ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয়। বইটিকে বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদি গ্রন্থ বলে মনে করা হয়। ভক্ত শাক্তরা বইটিকে পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা দেন।
মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (যিনি "শ্রীম" ছদ্মনামে কথামৃত রচনা করেন) ছিলেন কলকাতার রিপন কলেজের অধ্যাপক। কলকাতার একাধিক স্কুলে তিনি শিক্ষকতাও করেছিলেন। তের বছর বয়স থেকে তিনি ডায়েরি লিখতেন। ১৮৮২ সালে রামকৃষ্ণ পরমহংসের সঙ্গে তার আলাপ হয়। রামকৃষ্ণের ব্যক্তিত্বে আকর্ষিত হয়ে মহেন্দ্রনাথ তার কথোপকথন ও কার্যকলাপের স্টেনোগ্রাফিক রেকর্ড রাখতে শুরু করেন নিজের ডায়েরিতে। এই রেকর্ডটিই পরবর্তীকালে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত নামক বইয়ের আকার নেয়। প্রথম দিকে মহেন্দ্রনাথ যখন ডায়েরি লিখতে শুরু করেছিলেন, তখন তার সেটি প্রকাশের কোনো পরিকল্পনা ছিল না। রচনাপদ্ধতি সম্পর্কে তিনি লিখেছিলেন, "বাড়ি ফেরার পর স্মৃতি থেকে সব কিছু লিখে রাখতাম। মাঝে মাঝে সারা রাতও জেগে থাকতে হত...মাঝে মাঝে টানা সাত দিন বসে থেকে লিখতে হত। গানগুলিকে স্মরণে আনতে হত, কোন ক্রমে সেগুলি গাওয়া হয়েছিল, সেগুলিও মনে করতে হত, সমাধি ও অন্যান্য সব ঘটনার কথা মনে করতে হত।" কথামৃতের প্রতিটি পরিচ্ছেদে মহেন্দ্রনাথ তথ্যের পাশাপাশি সময় ও স্থানের উল্লেখ করেছেন। "কথামৃত" শব্দটি বৈষ্ণব ধর্মগ্রন্থ ভাগবত পুরাণ-এর ১০।৩১।৯ সংখ্যক শ্লোক থেকে গৃহীত।

10/03/2025

ঈশ্বর দর্শন কিকরে হয় ? Sri Sri Ramkrishna Kathamrita by Swami Ishatmananda | Part 41

স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত (শ্রীম কথিত) পাঠ করে তার অন্তর্নিহিত অর্থ অতি সহজ ভাষায় আমাদের বোঝাচ্ছেন ।
বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করছি :
স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ
Vivekananda Vedanta Society of Chicago
Sri Sarada Sangha, Newtown Kolkata West Bengal ও
Sadananda UTube চ্যানেল কে
আমাদের একমাত্র লক্ষ্য শ্রী শ্রী ঠাকুরের কথা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া |
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত বাংলা ভাষায় লেখা একটি হিন্দু ধর্মগ্রন্থ। মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৮৫৪-১৯৩২) পাঁচ খণ্ডে এই বইটি রচনা করেন। এই বইতে উনিশ শতকের হিন্দু ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের কথোপকথন ও কার্যকলাপের বিবরণী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। কথামৃত-এর পাঁচটি খণ্ড যথাক্রমে ১৯০২, ১৯০৪, ১৯০৮, ১৯১০ ও ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয়। বইটিকে বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদি গ্রন্থ বলে মনে করা হয়। ভক্ত শাক্তরা বইটিকে পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা দেন।
মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (যিনি "শ্রীম" ছদ্মনামে কথামৃত রচনা করেন) ছিলেন কলকাতার রিপন কলেজের অধ্যাপক। কলকাতার একাধিক স্কুলে তিনি শিক্ষকতাও করেছিলেন। তের বছর বয়স থেকে তিনি ডায়েরি লিখতেন। ১৮৮২ সালে রামকৃষ্ণ পরমহংসের সঙ্গে তার আলাপ হয়। রামকৃষ্ণের ব্যক্তিত্বে আকর্ষিত হয়ে মহেন্দ্রনাথ তার কথোপকথন ও কার্যকলাপের স্টেনোগ্রাফিক রেকর্ড রাখতে শুরু করেন নিজের ডায়েরিতে। এই রেকর্ডটিই পরবর্তীকালে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত নামক বইয়ের আকার নেয়। প্রথম দিকে মহেন্দ্রনাথ যখন ডায়েরি লিখতে শুরু করেছিলেন, তখন তার সেটি প্রকাশের কোনো পরিকল্পনা ছিল না। রচনাপদ্ধতি সম্পর্কে তিনি লিখেছিলেন, "বাড়ি ফেরার পর স্মৃতি থেকে সব কিছু লিখে রাখতাম। মাঝে মাঝে সারা রাতও জেগে থাকতে হত...মাঝে মাঝে টানা সাত দিন বসে থেকে লিখতে হত। গানগুলিকে স্মরণে আনতে হত, কোন ক্রমে সেগুলি গাওয়া হয়েছিল, সেগুলিও মনে করতে হত, সমাধি ও অন্যান্য সব ঘটনার কথা মনে করতে হত।" কথামৃতের প্রতিটি পরিচ্ছেদে মহেন্দ্রনাথ তথ্যের পাশাপাশি সময় ও স্থানের উল্লেখ করেছেন। "কথামৃত" শব্দটি বৈষ্ণব ধর্মগ্রন্থ ভাগবত পুরাণ-এর ১০।৩১।৯ সংখ্যক শ্লোক থেকে গৃহীত।

25/02/2025

কিসের অত অহংকার মৃত্যুর পরে সবাই সমান ! - ব্যাখ্যা করছেন স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ

11/02/2025

জপ করলে কি হয় ? - ব্যাখ্যা করছেন স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ

06/02/2025

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত (শ্রীম কথিত) | Sri Sri Ramkrishna Kathamrita by Swami Ishatmananda | Part 40
স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত (শ্রীম কথিত) পাঠ করে তার অন্তর্নিহিত অর্থ অতি সহজ ভাষায় আমাদের বোঝাচ্ছেন ।
বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করছি :
স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ
Vivekananda Vedanta Society of Chicago
Sri Sarada Sangha, Newtown Kolkata West Bengal ও
Sadananda UTube চ্যানেল কে
আমাদের একমাত্র লক্ষ্য শ্রী শ্রী ঠাকুরের কথা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া |
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত বাংলা ভাষায় লেখা একটি হিন্দু ধর্মগ্রন্থ। মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৮৫৪-১৯৩২) পাঁচ খণ্ডে এই বইটি রচনা করেন। এই বইতে উনিশ শতকের হিন্দু ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের কথোপকথন ও কার্যকলাপের বিবরণী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। কথামৃত-এর পাঁচটি খণ্ড যথাক্রমে ১৯০২, ১৯০৪, ১৯০৮, ১৯১০ ও ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয়। বইটিকে বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদি গ্রন্থ বলে মনে করা হয়। ভক্ত শাক্তরা বইটিকে পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা দেন।
মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (যিনি "শ্রীম" ছদ্মনামে কথামৃত রচনা করেন) ছিলেন কলকাতার রিপন কলেজের অধ্যাপক। কলকাতার একাধিক স্কুলে তিনি শিক্ষকতাও করেছিলেন। তের বছর বয়স থেকে তিনি ডায়েরি লিখতেন। ১৮৮২ সালে রামকৃষ্ণ পরমহংসের সঙ্গে তার আলাপ হয়। রামকৃষ্ণের ব্যক্তিত্বে আকর্ষিত হয়ে মহেন্দ্রনাথ তার কথোপকথন ও কার্যকলাপের স্টেনোগ্রাফিক রেকর্ড রাখতে শুরু করেন নিজের ডায়েরিতে। এই রেকর্ডটিই পরবর্তীকালে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত নামক বইয়ের আকার নেয়। প্রথম দিকে মহেন্দ্রনাথ যখন ডায়েরি লিখতে শুরু করেছিলেন, তখন তার সেটি প্রকাশের কোনো পরিকল্পনা ছিল না। রচনাপদ্ধতি সম্পর্কে তিনি লিখেছিলেন, "বাড়ি ফেরার পর স্মৃতি থেকে সব কিছু লিখে রাখতাম। মাঝে মাঝে সারা রাতও জেগে থাকতে হত...মাঝে মাঝে টানা সাত দিন বসে থেকে লিখতে হত। গানগুলিকে স্মরণে আনতে হত, কোন ক্রমে সেগুলি গাওয়া হয়েছিল, সেগুলিও মনে করতে হত, সমাধি ও অন্যান্য সব ঘটনার কথা মনে করতে হত।" কথামৃতের প্রতিটি পরিচ্ছেদে মহেন্দ্রনাথ তথ্যের পাশাপাশি সময় ও স্থানের উল্লেখ করেছেন। "কথামৃত" শব্দটি বৈষ্ণব ধর্মগ্রন্থ ভাগবত পুরাণ-এর ১০।৩১।৯ সংখ্যক শ্লোক থেকে গৃহীত।

05/02/2025

স্বামী বিবেকানন্দের বাণী যা আপনার জীবনে চমৎকার ঘটাতে পারে | Swami Vivekananda Bani

31/01/2025

ভক্তিযোগ ও জ্ঞানযোগ | Sri Sri Ramkrishna Kathamrita by Swami Ishatmananda | Part 39
স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত (শ্রীম কথিত) পাঠ করে তার অন্তর্নিহিত অর্থ অতি সহজ ভাষায় আমাদের বোঝাচ্ছেন ।
বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ করছি :
স্বামী ইসত্মানন্দ মহারাজ
Vivekananda Vedanta Society of Chicago
Sri Sarada Sangha, Newtown Kolkata West Bengal ও
Sadananda UTube চ্যানেল কে
আমাদের একমাত্র লক্ষ্য শ্রী শ্রী ঠাকুরের কথা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া |
শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত বাংলা ভাষায় লেখা একটি হিন্দু ধর্মগ্রন্থ। মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (১৮৫৪-১৯৩২) পাঁচ খণ্ডে এই বইটি রচনা করেন। এই বইতে উনিশ শতকের হিন্দু ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের কথোপকথন ও কার্যকলাপের বিবরণী লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। কথামৃত-এর পাঁচটি খণ্ড যথাক্রমে ১৯০২, ১৯০৪, ১৯০৮, ১৯১০ ও ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয়। বইটিকে বাংলা সাহিত্যের একটি ধ্রুপদি গ্রন্থ বলে মনে করা হয়। ভক্ত শাক্তরা বইটিকে পবিত্র ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা দেন।
মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত (যিনি "শ্রীম" ছদ্মনামে কথামৃত রচনা করেন) ছিলেন কলকাতার রিপন কলেজের অধ্যাপক। কলকাতার একাধিক স্কুলে তিনি শিক্ষকতাও করেছিলেন। তের বছর বয়স থেকে তিনি ডায়েরি লিখতেন। ১৮৮২ সালে রামকৃষ্ণ পরমহংসের সঙ্গে তার আলাপ হয়। রামকৃষ্ণের ব্যক্তিত্বে আকর্ষিত হয়ে মহেন্দ্রনাথ তার কথোপকথন ও কার্যকলাপের স্টেনোগ্রাফিক রেকর্ড রাখতে শুরু করেন নিজের ডায়েরিতে। এই রেকর্ডটিই পরবর্তীকালে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত নামক বইয়ের আকার নেয়। প্রথম দিকে মহেন্দ্রনাথ যখন ডায়েরি লিখতে শুরু করেছিলেন, তখন তার সেটি প্রকাশের কোনো পরিকল্পনা ছিল না। রচনাপদ্ধতি সম্পর্কে তিনি লিখেছিলেন, "বাড়ি ফেরার পর স্মৃতি থেকে সব কিছু লিখে রাখতাম। মাঝে মাঝে সারা রাতও জেগে থাকতে হত...মাঝে মাঝে টানা সাত দিন বসে থেকে লিখতে হত। গানগুলিকে স্মরণে আনতে হত, কোন ক্রমে সেগুলি গাওয়া হয়েছিল, সেগুলিও মনে করতে হত, সমাধি ও অন্যান্য সব ঘটনার কথা মনে করতে হত।" কথামৃতের প্রতিটি পরিচ্ছেদে মহেন্দ্রনাথ তথ্যের পাশাপাশি সময় ও স্থানের উল্লেখ করেছেন। "কথামৃত" শব্দটি বৈষ্ণব ধর্মগ্রন্থ ভাগবত পুরাণ-এর ১০।৩১।৯ সংখ্যক শ্লোক থেকে গৃহীত।

Want your business to be the top-listed Government Service in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


P-9, Dalimtala Lane Bagan
Kolkata
700006