রামের আগে যদি বামকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয় তাহলে জনগণের সামনে রামের মুখোশ টাকে টেনে খুলে ফেলতে হবে । চারিদিকে স্লোগান তুলতে হবে, "সীতার অগ্নি পরীক্ষার মাধ্যমে সমাজে নৃশংস সতী দাহ প্রথার জনক শয়তান রাম মুর্দাবাদ ! মুর্দাবাদ !" শুধু এই শ্লোগানটিই ভারতের সমগ্র জনগণের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি করবে ।
মার্কসবাদীরা শুনুন, ভারতে লোক মার্কসবাদকে কেনো অবজ্ঞা করে এবং কেনো মার্কস বাদের প্রতি লোকেদের আস্থা উঠে যাচ্ছে, কেনো লোকে রামের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে তার কারণ জানার প্রয়োজন আছে । দিনের পর দিন নির্বাচনে কমিউনিস্ট পার্টির হেরে যাওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন আছে । লোকেরা মনে করে কার্ল মার্কস সমাজের বড়ো লোকদের কাছ থেকে জমি ছিনিয়ে গরিবদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলে । শুধু এই কথাটাই সমগ্র ভারতের কৃষি জমির মালিকদের সতর্ক করে দিয়েছে । তাই যাদের কাছে বেশ কয়েক বিঘা কৃষি জমি আছে তারা সতর্ক হয়ে গেছে । কার্ল মার্কসকে লোকেদের চোখে একটি খারাপ বিষয় হিসেবে দেখানো হয়েছে । লোকেরা গুজব রটিয়েছে যে মার্কসবাদ শেষ হয়ে গেছে । এখন আর মার্কসবাদ দিয়ে দেশ চালানো সম্ভব নয় । লোকেরা রামের প্রতি বেশি আস্থাবান হয়ে পড়েছে । লোকেদের বোঝাতে হবে যে আমরা কিভাবে বাঁচবো কার্ল মার্কস আমাদের তার রাস্তা দেখিয়ে গিয়েছিলেন । লোকেদের মধ্যে প্রচার করতে হবে যে রাম ইচ্ছে করে রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করিয়েছিলেন । রাম রাবণকে আগে থেকেই বলে রেখেছিলো সে যেন সীতার অপহরণ করে এবং তার অপরাধে রাম রাবণকে হত্যা করবে এবং রামের হাতে মারা গেলে রাবণ আবার খুব শীঘ্র বৈকুণ্ঠে ফিরে যেতে পারবে । রামের এই শয়তানির কথা ভারতের লোকেদের মধ্যে প্রচার করতে হবে । শুধু তাই নয় রামের এই শয়তানির ফলে আসল সীতাকে তার পবিত্রতা প্রমাণ করার জন্য অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল মানে আসল সীতাকে আগুনের মধ্যে বসতে হয়েছিল । শর্ত ছিল যদি সীতা আগুনে পুড়ে যায় তাহলে সীতা অপবিত্র প্রমাণিত হবে এবং ধরে নেওয়া হবে যে রাবণ সীতার সাথে সেক্স করেছিল কিন্তু সীতা যদি আগুনে না পোড়ে তাহলে বুঝতে হবে যে সীতা পবিত্র আছে । রামের দ্বারা সংঘটিত এই অগ্নি পরীক্ষা ভারতীয় সমাজে নিয়ে এসেছিল একটি নৃশংস সামাজিক প্রথা, সতী দাহ প্রথা । এই প্রথার জন্য রামের সময় থেকে 1929 সাল পর্যন্ত না জানি কতো কোটি বিধবা মহিলাকে হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হয়েছে । সতী দাহ প্রথার জনক শয়তান রাম এই কথা ভারতের লোকেদের মধ্যে পরোক্ষভাবে প্রচার করতে হবে যাতে রাম চরিত্রটি লোকেদের কাছে একটি খারাপ চরিত্র হিসেবে ভেসে ওঠে । কমিউনিস্ট পার্টির ক্যাডাররা যখন চায়ের দোকানে চা খেতে যাবে তখন দুজন নিজেদের মধ্যে বলাবলি করবে, "জানো, রাম ইচ্ছে করে রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করিয়েছিল আর রাম সীতার যে অগ্নি পরীক্ষা করেছিল তার থেকে সমাজে নৃশংস সতী দাহ প্রথা শুরু হয় । রাম ছিলো বড়ো শয়তান প্রকৃতির লোক । এই সতিদাহের ফলে কতো কোটি বিধবা মহিলাকে হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হয়েছে। এতো দেখছি রাম পৃথিবীর কুখ্যাত এবং নৃশংস খুনি ।" এই কথাগুলো চায়ের দোকানে স্টেশনে এমনভাবে আলোচনা করতে হবে যাতে অন্য লোকেরা শুনতে পায় । পুরো ভারতে পার্টির ক্যাডার দিয়ে এই গুজব ছড়াতে হবে এবং এটা মাইক টানিয়ে বলার দরকার নেই । সাধারণ লোক হিসেবে চায়ের দোকানে, স্টেশনে, মদ খাওয়ার বারে বসে এই কথাগুলো দুজন ক্যাডার একে অপরের সাথে আলোচনা করবে যাতে পাশের লোকগুলো আলোচনা শোনে। গুজব বা রিউমার আগুনের মত কাজ করে । ভারতের বিভিন্ন জায়গায় যদি এই কথাগুলো ধীরে ধীরে লোকেদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে লোকে রামকে সামনে রেখে রাজনীতি করা বন্ধ করে দেবে । ভারতের বিভিন্ন জায়গায় যেখানে সি পি আই এমের সমর্থক এবং ক্যাডার আছে তাদের এই নির্দেশ দেওয়া হোক তারা যেন সাধারণ লোকের মতো ট্রেনে, বাসে, চায়ের দোকানে নিজেদের মধ্যে এই আলোচনা করে যাতে পাশের লোকগুলো শুনতে পায়।
"জানিস, রাম ইচ্ছে করে রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করিয়েছিলেন । রামের এই শয়তানির কারণে আসল সীতাকে অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল আর এই অগ্নি পরীক্ষা দেখে অযোধ্যার বানরেরা সতী দাহ প্রথা শুরু করে দেয় আর সেটা সমগ্র ভারতে ছড়িয়ে পড়ে । রাম কতো নৃশংস ছিলো !"
মুখে বলতে যদি অসুবিধা হয় তাহলে পোস্টার লিখে লিখে রাতের বেলা গোপনে পাবলিক প্লেসে আঠা দিয়ে আটকিয়ে চলে যেতে হবে । অথবা দেওয়ালে লিখতে হবে যাতে আসা যাওয়ার পথে লোকের নজরে পড়ে । এইভাবে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় লোকেদের মধ্যে এই রিউমার ছড়িয়ে দিতে হবে যে, " সীতার অগ্নি পরীক্ষার মাধ্যমে রাম সমাজে নৃশংস সতী দাহ প্রথার প্রচলন করেছিলেন এবং এই প্রথা রামের সময় থেকে 1929 সাল পর্যন্ত দীর্ঘ কয়েক লক্ষ বছর পর্যন্ত ভারতে চলতে থাকে । এই নৃশংস সতী দাহ প্রথার জন্য রাম দায়ী । রামকে কোনোভাবেই মর্যাদা পুরুষোত্তম খেতাব দেওয়া যায় না । রাম তারকা রাক্ষসীর থেকেও বড় নৃশংস কাজ করে গিয়েছিলেন ।" এই কথাগুলো যাতে মানুষের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে তার জন্য সাম্যবাদী দের গোপনে কাজ করতে হবে । লোকে যাতে বুঝতে না পারে এই প্রচার কার্যে সাম্যবাদীরা বা মার্কসবাদীরা জড়িত । দেওয়ালে লিখলে বা পোস্টার মারলে তার নিচে সিপিআই(এম) লেখার কোনো দরকার নেই । যখন এই প্রচার তুঙ্গে উঠবে তখন হস্তক্ষেপ করতে হবে এবং পার্লামেন্টে বিষয়টি উত্থাপন করতে হবে । ভারতের লোক রামের উপর বেশি আস্থাশীল হয়ে উঠেছে তাই বিভিন্ন রাজ্যে গরীব লোকেদের মধ্যে রামের এই গুপ্ত রহস্যকে ফাঁস করে দিতে হবে । পোষ্টার এবং দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে বেনামীভাবে গ্রামের অগণিত মানুষের মধ্যে এই রহস্য ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব । কমিউনিস্ট পার্টির ক্যাডাররা যদি ফেসবুকে ফলস একাউন্ট বানিয়ে বিষয়টি প্রচার করে তাহলে ফেসবুকে ঝড় তোলা সম্ভব । ডি এম কে পার্টির নেতাদের মাথার মধ্যে যদি বিষয়টি ঢুকিয়ে দেওয়া যায় তাহলে খুব ভালো হবে । ভারতে যতো মুসলমান এবং খ্রিষ্টান আছে তাদের মাথায় বিষয়টি ঢুকিয়ে দিতে হবে ।
এই কথাগুলো শুনলেই রামভক্তদের গায়ে প্রথমে খুব জ্বালা ধরবে তারপর বাড়ি গিয়ে বারবার এই কথাগুলো তার মনে পড়বে । পরে সে যখন কোনো রামায়ণ পাঠক সাধুকে জিজ্ঞেস করবে যে সাধুবাবা এই কথা কি ঠিক যে রাম ইচ্ছে করে রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করিয়েছিলেন ? তাহলেই সে জেনে যাবে যে রাম শয়তান ছিলো । তখন সে রামকে নিয়ে রাজনীতি করার সাহস পাবে না । এই কথাগুলো গুজবের মাধ্যমে সমাজের লোকেদের মধ্যে রটাতে হবে । একবার গুজব রটে গেলে তা লোকেদের মধ্যে চলতে থাকবে । সাম্যবাদী চিন্তাধারাকে পুনরায় সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে এই গুজব ছড়িয়ে দিতে হবে । অযোধ্যার লোকেদের গুজবের কারণেই সীতার অগ্নি পরীক্ষা হয়েছিল এবং সেই অগ্নি পরীক্ষা দেখেই অযোধ্যার লোকেরা সমাজে নিষ্ঠুর এবং নৃশংস সতী দাহ প্রথা শুরু করে দেয় এবং রামের পূর্ব পরিকল্পিত শয়তানি এই নৃশংস প্রথার জন্য দায়ী । "শয়তান রাম ই হলো নৃশংস সতী দাহ প্রথার জনক ।"
ভারতের লোকেরা রামের উপর অত্যন্ত আস্থাশীল । তারা ভাবে রামের উপর আর কিছু হতে পারে না । তারা রাম নামকে সামনে রেখে ইহ জগতের সব কিছুকে প্রত্যাখ্যান করে । তারা রামকে সামনে রেখে আধুনিকীকরণ, সাম্যবাদ, সমাজবাদ, মার্কসবাদ সব কিছুকে প্রত্যাখান করেছে । তারা ইংরেজদের বানানো রাস্তায় চলে কিন্তু চলার সময় তারা সর্বদা ইংরেজদের গালি দেয় । ট্রেন 1 ঘণ্টার জন্য বন্ধ থাকলে তারা সবকিছু ভাঙচুর করে, সাথে সাথে যারা ট্রেন বানিয়েছে তাদের গালি দেয় । তারা সমস্ত রকমের সুযোগ সুবিধা ভোগ করে কিন্তু যারা এই সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করে দিয়েছে তাদের উৎখাত করার জন্য সতত প্রস্তুত । তারা সাম্যবাদের উপর রামকে টেনে আনে কিন্তু তারা রামের শয়তানি স্বরূপ সম্পর্কে অবহিত নয় । রাম সীতার পবিত্রতা প্রমাণ করার জন্য যে অগ্নি পরীক্ষার আয়োজন করেছিল সেই অগ্নি পরীক্ষা থেকে ভারতীয় সমাজে নৃশংস সতী দাহ প্রথা শুরু হয়ে যায়। কোনো মহিলার স্বামী মারা গেলে তার আর বাঁচার কোনো অধিকার নেই এই তত্ত্ব সমাজে চালু হয় । রামের সময় থেকে 1929 সাল পর্যন্ত ভারতে না জানি কত কোটি হিন্দু বিধবা মহিলাকে হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হয়েছে । এই নৃশংস প্রথার জন্য শয়তান রাম দায়ী । সীতার অগ্নি পরীক্ষার মাধ্যমে সমাজে নৃশংস সতী দাহ প্রথা সৃষ্টির জন্য রাম দায়ী । রামকে কোনোভাবেই মর্যাদা পুরুষোত্তম খেতাব দেওয়া যায় না । তিনি সমাজে শান্তির পরিবর্তে ধর্মের নামে নৃশংস সতী দাহ প্রথার সৃষ্টি করেছিলেন । সীতা স্বয়ং লক্ষ্মীর অবতার । তিনি আগুনের মধ্যে বসলে আগুন তার কিছুই করতে পারবে না সেকথা আমরা জানি । কিন্তু আমাদের সাধারণ মানুষের সে ক্ষমতা নেই সে কথা রাম তার গেরুয়া বস্ত্র পরিহিত ভক্তদের বুঝিয়ে বলতে পারে নি । সহমরণের নামে কোনো বিধবা মহিলাকে হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা রামের ধর্ম । পৃথিবীর অন্য কোনো ধর্মে এতো নৃশংস প্রথার কথা শোনা যায় না । আজ যদি এই নিয়ম করা হয় যে গেরুয়া বস্ত্র পরিহিত সাধু প্রকৃত সাধু কিনা তা পরীক্ষা করতে আমরা অগ্নি পরীক্ষার ব্যবস্থা করবো । সাধুদের হাত পা লোহার তার দিয়ে ভালকরে বেঁধে তারপর গাছের সাথে বা কারেন্টের পিলারের সাথে বা ঘরের জানালার রডের সাথে লোহার তার দিয়ে বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে কপালে তিলক লাগিয়ে আগুন ধরিয়ে দিতে হবে । যদি ওই সাধু আগুনে না পুড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে সে সৎ সাধু আর যদি সে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে যে ওই সাধু অসৎ ছিলো । এই নিয়মের কথা বললে ভারতের রাম ভক্ত সাধুরা শিউরে উঠবে । শুধু তাই নয় শ্রী কৃষ্ণ এবং শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর সময়েও সমগ্র ভারতে এই নৃশংস প্রথা পুরো দমে চলছিল । শ্রী কৃষ্ণ এবং শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু এই প্রথার বিরুদ্ধে কিছু বলেনি । তাই উত্তর প্রদেশের দুই মস্ত শয়তান রাম এবং কৃষ্ণকে নিয়ে যে মহামন্ত্র রচিত হয়েছে সেই মহামন্ত্রকে 24 ঘণ্টা ব্যাপী মাইক বাজিয়ে কীর্তন করা বের করে দিতে হবে । নবদ্বীপ ময়াপুরের শয়তানরা কেঁদে কেঁদে এই দুই শয়তানের নাম কীর্তন করে কলিযুগে উদ্ধার চায় । এদের উদ্ধারের জন্য খুব সহজ উপায় করে দিতে হবে যাতে এদের দিবারাত্র এই দুই শয়তানের নাম কীর্তন করতে না হয় । সমগ্র মায়াপুর নবদ্বীপকে ধ্বংস স্তুপে পরিণত করতে হবে এবং যারা মুক্তির জন্য উত্তর প্রদেশের এই দুই শয়তানের নাম উচ্চারণ করে তাদের এই ধ্বংস স্তুপের নীচে চাপা মেরে মারতে হবে । সমগ্র মায়াপুর এবং নবদ্বীপে যতো লাউরে চোদার বাল আছে সবাইকে হাত পা বেঁধে সাধু দাহ করতে হবে এই পরীক্ষা করার জন্য যে সে প্রকৃত সাধু কিনা ।
নীচের লেখাগুলো প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের "মহাকাব্যের যুগ" অধ্যায়ে সংযোজন করা হোক । সত্যকে সবার সামনে আনা হোক ।
ভারতে কিভাবে সতী দাহ প্রথার সৃষ্টি হয়েছিল ?
অযোধ্যার উন্নতি করা প্রকৃতির বিরুদ্ধে কাজ করার মতো । অযোধ্যার লোকেরা মা সীতার প্রতি যে অন্যায় অবিচার করেছিল তার জন্য অযোধ্যার লোকেদের শাস্তি পাওয়া উচিৎ । অযোধ্যার লোকেদের জন্য মা সীতাকে অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল আর এই অগ্নি পরীক্ষা ভারতের কোটি কোটি মহিলার জন্য এনে দিয়েছিল অমানুষিক নৃশংস বর্বরতা । সীতা আগুনে প্রবেশ করে নিজের বিশুদ্ধতা প্রমাণ করেছিলেন আর তাই দেখে অযোধ্যার বানরের দল সতী দাহ প্রথার সৃষ্টি করে । সীতার অগ্নি পরীক্ষা দেখে অযোধ্যার বানরেরা সিদ্ধান্ত নেয় যে কোনো মহিলার স্বামী মারা গেলে তাকে তার স্বামীর চিতায় বসিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করতে হবে ।অযোধ্যার লোকেরা সারা ভারতের হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলাদের জীবনে নিয়ে আসে এক বর্বর এবং নৃশংস প্রথা । এই প্রথা কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত ভারতে চলতে থাকে । যতদিন না এই প্রথা সম্বন্ধে ইংরেজ সরকার জানতে না পারে ততদিন এই প্রথা ভারতীয় সমাজে চলতে থাকে আর এর জন্য দায়ী অযোধ্যার লোক । সীতা মাতা অভিশাপ দিয়ে গিয়েছিলেন যে অযোধ্যার যেনো কোনোদিন বিকাশ না হয় । এতদিন সেটাই চলছিল কিন্তু নরেন্দ্র মোদী প্রধান মন্ত্রী হয়ে অযোধ্যার যে বিকাশ করলেন সেটা সীতা মাতার অভিশাপের বিরুদ্ধে এবং প্রকৃতির বিরুদ্ধে । যাদের জন্য সমগ্র ভারতের হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলাদের হাত পা বেঁধে তার মৃত স্বামীর চিতায় বসিয়ে পুড়িয়ে মারা হতো তাদের বিকাশ প্রকৃতির বিরুদ্ধে । অযোধ্যার লোকেদের জন্য সারা ভারতে নৃশংস প্রথা কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত চলেছিল । এতো আমাদের ভাগ্য ছিলো যে দেবতা ইংরেজরা ভারতে এসেছিল এবং নৃশংস প্রথা সম্পর্কে জানতে পেরেছিল । না হলে এখনও পর্যন্ত এই অমানবিক প্রথা চলতে থাকতো । অযোধ্যার লোকেরাই সতী দাহ প্রথার জনক এবং তারা সীতার অগ্নি পরীক্ষা দেখে এটা শিখেছিল ।আর সীতাকে এই অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল রামের শয়তানির কারণে কারণ রাম রাবণকে ফোন করে বলেছিল, "হ্যালো রাবণ, আমি সোনার হরিণ খুঁজতে গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবো আর আমাকে খোঁজার জন্য লক্ষণও গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবে । সেই সময় সীতা কুটিরে একা থাকবে আর সেই সুযোগে তুমি সীতাকে অপহরণ করে নাও ।" এই ছিলো রামের শয়তানিমূলক পরিকল্পনা আর এই শয়তানি সীতার জীবনে নিয়ে এসেছিল অকথ্য কষ্ট এবং সামাজিক অপমান । পরবর্তীকালে এই সামাজিক অপমানটাই ভারতীয় নারীদের ক্ষেত্রে বৈধ অপমান হয়ে দাঁড়িয়েছিল । কয়েক হাজার বছর ধরে ভারতের হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলারা তাদের স্বামীর চিতায় জীবন্ত দগ্ধ হয়ে যে আগুনের তাপ সহ্য করেছে সেই তাপকে যোগ করলে যে যোগফল বেরোবে সেটা একটি নিউক্লিয়ার বম্ব থেকে উৎপন্ন তাপের থেকে অনেক বেশি । তাই অযোধ্যার উপর নিউক্লিয়ার বম্ব ফেলে এমনভাবে ধ্বংস করতে হবে যে ওখানে মন্দির তো দূরের কথা হাজার হাজার বছর পর্যন্ত যাতে ওখানে কোনো ঘাস জন্মাতে না পারে । একটি জীবন্ত নারীকে হাত পা বেঁধে তার স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন ধরিয়ে জীবন্ত দগ্ধ করা হতো । এভাবে না জানি কতো কোটি মহিলাকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল । সেই আগুনের তাপকে যোগ করতে হবে । দেখতে হবে সেই তাপ কতো কোটি সেন্ট্রিগ্রেড পর্যন্ত পৌঁছলো এবং সেই পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করতে কতগুলো নিউক্লিয়ার বম্ব অযোধ্যার উপর ফেলতে হবে সেটা হিসেবে করে দেখতে হবে । রামকে কোনোভাবেই মর্যাদা পুরুষোত্তম খেতাব দেওয়া যায় না কারণ তার পূর্ব পরিকল্পিত যোজনা অনুসারে সীতার অপহরণ করানো হয়েছিল এবং তার জন্য সীতাকে যে অগ্নি পরীক্ষা দিতে হয়েছিল সেই অগ্নি পরীক্ষা দেখে অযোধ্যার লোকেরা সতী দাহ শিখেছিল এবং এই সতীদাহ ভারতে কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত চলতে থাকে । কয়েক হাজার বছর পর্যন্ত ভারতীয় মহিলাদের হাত পা বেঁধে তার স্বামীর চিতায় বসিয়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারা হতো ।
এতো আমাদের ভাগ্য ছিলো যে মানবতাবাদী খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোক ইংরেজরা ভারতের শাসক হতে পেরেছিল এবং এই নৃশংস প্রথাকে আইন বলে বন্ধ করতে পেরেছিল । এইজন্য দেবতা ইংরেজদের বিরুদ্ধে যারা স্বাধীনতা আন্দোলন করেছিল তাদের মুখ পেঁচিয়ে আমি লাথি মারি । ধোনের বালদের আমি সর্বদা লাথি মারি । যারা ইংরেজদের এদেশ থেকে তাড়িয়েছে তাদের এদেশে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই । সম্মানের সাথে ভাইরাস মিশিয়ে এদের পোঙ্গার মধ্যে ঢুকিয়ে দেবো । এদের সাথে গায়ের বলে পারা যাবে না । এদেরকে ধ্বংস করার সহজ উপায় হলো ধীরে ধীরে এদের রক্তে ভাইরাস ঢুকিয়ে দিতে হবে যাতে এরা নিজেদের বাড়ির মধ্যে পচে পচে মরে । তবুও এদের সতীদাহের মতো আগুনে পুড়ে মরতে হবে না । আরামসে বাড়ির মধ্যে শুয়ে শুয়ে পচে মরবে । বেশি যন্ত্রণা পেতে হবে না । বল, তোরা সীতা মাতার অভিশাপের বিরুদ্ধে গিয়ে অযোধ্যার কেনো রাম মন্দির নির্মাণ করলি ? অযোধ্যার লোকেদের চরম দুঃখ কষ্টে রাখতে হবে ।
হিন্দীভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা কৃষ্ণের থেকে রামকে বেশি পসন্দ করে । তারা মনে করে শ্রী কৃষ্ণ ছল করে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ জিতেছিলেন । তাই তারা শ্রী কৃষ্ণকে ছলিয়া বলে এবং খারাপ মনে করে । তারা রামকে অতি মহান বলে মনে করে কিন্তু তারা রামের ছলের কথা ভুলে গেছে । একটু স্বরণ করিয়ে দেওয়া দরকার । ।
হিন্দী ভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা হয়তো জানে না অথবা তারা হয়তো আবেগে ভুলে গেছে যে শ্রী রাম রাবণকে ফোন করে বলেছিলেন, "রাবণ, আমি ফল খুঁজতে বনের মধ্যে অনেক দূর যাচ্ছি, এই সুযোগে তুমি সীতাকে অপহরণ করে নাও ।" যে নিজের বউকে অপহরণ করার জন্য অন্যকে উস্কানি দেয় সে তো কৃষ্ণের থেকে বেশি শয়তান, কৃষ্ণের থেকে বেশি ছলিয়া । কিন্তু হিন্দী ভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা রামের এই শয়তানির কথা ভুলে গেছে তাই তারা রামকে আগে রেখে শ্রী কৃষ্ণকে দূরে সরিয়ে রাখতে চায় । শ্রী কৃষ্ণের প্রতি তাদের অভিযোগ, "শ্রী কৃষ্ণ পাণ্ডবদের হারানো সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করার জন্য একই পরিবারের মধ্যে ভাই ভাইয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিয়েছিলেন এবং ছল করে কৌশল করে এই যুদ্ধ জিতেছিলেন । তাই শ্রী কৃষ্ণ ছলিয়া এবং খারাপ ।" কিন্তু হিন্দীভাষী ক্ষেত্রের লোকেদের মনে করিয়ে দেওয়া দরকার যে শ্রী কৃষ্ণের থেকে শ্রী রাম বেশি ছলিয়া ছিল কারণ শ্রী রাম আগে থেকেই রাবণকে ফোন করে বলে রেখেছিলেন যে তিনি একটু পর ফল খুঁজতে এবং সোনার হরিণ ধরতে গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবেন আর সেই সুযোগে তিনি যেনো সীতাকে অপহরণ করে নেয় । তাহলে দেখা যাচ্ছে রামও অনেক বড়ো ছলিয়া ছিলো । একথা হিন্দী ভাষীদের স্বরন করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন আছে । রামের এই শয়তানি বা নাটক স্ত্রী জাতিকে অবিশ্বাসের পথে ঠেলে দিয়েছে । আজকের সমাজেও যদি কোনো নারীকে কেউ অপহরণ করে এবং সে যদি অপহরণকারীদের চঙ্গুল থেকে ছাড়া পেয়ে বেচে আসে তাহলেও তাকে সন্দেহের চোখে দেখা হয় । সবাই মনে করে যে অপহরণকারীরা তার সাথে সেক্স করেছে এবং সে অপবিত্র হয়েছে । কিন্তু কোনো নারীকে অপহরণ করে জোর করে যদি তার সাথে কেউ সেক্স করে তাহলে সে নারী কখনোই অপবিত্র হয় না । আপনার সাথে যদি কেউ খারাপ কিছু করে তাহলে আপনিও অপবিত্র হবেন না কিন্তু সমাজের লোক যদি আপনাকে অপবিত্র বলা শুরু করে তাহলে আপনার মনের অবস্থা কেমন হবে বলুন তো ? রামের এই শয়তানি নাটক সীতার জীবনে নিয়ে এসেছিল দুঃখ কষ্ট এবং বদনাম । এতো বদনাম যে রাম সীতাকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হয়েছিল এবং সমাজ থেকে দূরে বনের মধ্যে থাকতে বাধ্য করেছিল । কোনো নারীকে বনের মধ্যে বনবাসে পাঠিয়ে দিলে তার নিরাপত্তা যে আরো কম হয়ে যায় তার কোনো চিন্তা হিন্দীভাষী ক্ষেত্রের লোকেদের নেই । সীতাকে বনের মধ্যে নিয়ে ছেড়ে আসা হয়েছিল । বনের মধ্যে কোনো নারীকে একা ছেড়ে দেওয়াটা কোনো নারীর প্রতি যে কতো অপমানের তার কোনো খেয়াল হিন্দীভাষী ক্ষেত্রের লোকেরা করে নি । তারা রামের আদর্শকে সমাজে চালু করতে চায় কিন্তু সমাজে রামের আদর্শ চালু হলে নারীজাতির জীবনে নেমে আসবে চরম দুঃখ কষ্ট । রাম কতো বড়ো শয়তান । একে তো সে চোদাচুদির ব্যবস্থা বানিয়েছে আবার কোনো নারীর সাথে যদি কেউ চোদাচুদি করে তাহলে সে নারী অপবিত্র হবে । এ যে কতবড় শয়তানি । কোনো নারীকে কেউ যদি বলপূর্বক ধরে নিয়ে যায় এবং চোদে তাহলে সেই নারী কখনোই অপবিত্র নয় । রাম একথা অযোধ্যা বাসীকে বোঝাতে ভুলে গিয়েছিল আর তাই সীতার জীবনে নেমে এসেছিল দুঃখের ঢল । শুধু তাই নয় সীতাকে অপবিত্র মনে করে তাকে রাম ত্যাগ করেছিল মানে ডিভোর্স দিয়েছিল এবং তাকে সমাজের বাইরে গভীর বনের মধ্যে পাঠিয়ে দিয়েছিল । আর সীতা যতদিন বনের মধ্যে ছিলো সেই সময় অযোধ্যার শয়তান লোকেরা আরামসে ঘরের মধ্যে সেক্স করেছে । দেখুন শয়তানি কাকে বলে ।
রাবণ সীতার সাথে সেক্স করেছে এই অজুহাতে সীতাকে গভীর বনের মধ্যে পাঠিয়ে দিয়ে অযোধ্যার লোকেরা আরামসে নিজেদের ঘরের মধ্যে প্রতিদিন চোদাচুদি করেছে । আর আজকে নরেন্দ্র মোদি সেই শয়তান অযোধ্যা বাসীর উন্নতি কল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করছে । এটা স্ত্রী জাতির প্রতি অন্যায় । অযোধ্যার বিকাশ না করে অযোধ্যার লোকদের লাথি মেরে ফেলে দেওয়া উচিৎ ।
রাম আগে থেকেই রাবণকে বলে রেখেছিলেন যে সে যেনো সীতাকে অপহরণ করে । তাই রাম নিঃসন্দেহে শয়তান প্রকৃতির লোক ছিল । কারণ যে আগে থেকে রাবণকে বলে রেখেছিলেন যে রাবণ যেনো তার পত্নী সীতাকে অপহরণ করে । এ ধরনের শয়তানি আমরা সাবধান ইন্ডিয়াতে দেখতে পাই । রাম রাবণের থেকে বেশি শয়তান ছিলো । যারা জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম স্লোগান দেয় তারা নিঃসন্দেহে শয়তান প্রকৃতির লোক । উত্তর প্রদেশের প্রত্যেকটা লোক শয়তান প্রকৃতির । যারা রামকে অতি উচ্চে রাখেন তারা প্রত্যেকে শয়তান প্রকৃতির লোক । রামের এই শয়তানির কারণে সীতা মাতাকে সারাজীবন দুঃখ কষ্ট ভোগ করতে হয়েছিল । শুধু তাই নয়, রামের এই শয়তানির কারণে পৃথিবীতে ডিভোর্স প্রথা এবং স্ত্রী জাতির প্রতি অন্যায় অবিচার শুরু হয়েছে । এই সাজানো ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীতার প্রতি যে অন্যায় অবিচার করা হয়েছিল তা আমাদের সমাজে চালু হয়ে যায় । তখন থেকেই স্ত্রী জাতির লোককে সন্দেহের চোখে দেখা হয় । তারা কোনো কারণে বাড়ির বাইরে থাকলে তাদের সাথে যৌন সম্পর্ক হয়েছে এই সন্দেহে দেখা হয় । সীতা মাতার প্রতি যে সন্দেহ করা হয়েছিল এবং তার প্রতি যৌন সম্পর্কের যে অভিযোগ করে তাকে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল তা আজকের সমাজে চালু হয়ে গেছে । আজকের সমাজেও তাই নারী জাতির প্রতি অন্যায় অবিচার করা হয় । গ্রামাঞ্চলে লোকেরা কোনো মহিলাকে রেপ করে উল্টো ওই মহিলার চরিত্র যে খারাপ সেই দাগ লাগিয়ে তাকে উল্টো পেটানো হয়, তার উপর অত্যাচার করা । আর এ সব কিছুর জন্য রামের ওই শয়তানি দায়ী । রাম শয়তানি করার জন্য রাবণকে বলে রেখেছিলেন, "তুই আমার বউকে চুরি করে আমার সাথে শত্রুতা করবি আর আমি তোর গলা কেটে তোকে মুক্তি দেবো ।" এই শয়তানি করতে গিয়ে সীতাকে যে কষ্ট, অপমান, ঘৃনা, সন্দেহ, অপবাদ সহ্য করতে হয়েছিল তা আজকে ভারতের গ্রামাঞ্চলে হয়ে থাকে । গ্রামের কোনো মহিলাকে ধর্ষণ করে গ্রামের কিছু লোক ওই মহিলা যে খারাপ সে অপবাদ ছড়িয়ে দেওয়া হয় । গ্রামের মহিলারা বিচার পায় না ।
রামের ওই শয়তানির কারণে গ্রামাঞ্চলের মহিলাদের প্রতি এ রকম অন্যায় হয়ে আসছে । গ্রামের মহিলাদের ধরে ক্ষেতের মধ্যে রেপ করে দেওয়া হয় আর অপবাদের ভয় দেখিয়ে ওই মহিলাকে চুপ থাকতে বলা হয় । এ রকম ভগবান সত্যিই বিরল । এইজন্য অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ হলে সমাজে পুনরায় অন্যায় অবিচার মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে । তাই শুধু অযোধ্যার রাম মন্দির নয়, উত্তর প্রদেশে যতো রাম মন্দির আছে টা ধ্বংস করে সেখানে শ্রী কৃষ্ণের মূর্তি স্থাপন করতে হবে । শ্রী কৃষ্ণই হলো কলিযুগের ভগবান । রাম পুরনো যুগের ভগবান । সমাজে রামের আদর্শ স্থাপিত হলে গ্রামের মহিলাদের রেপ করে লোকেরা উল্টো তার চরিত্র খারাপ হওয়ার দোষ লাগিয়ে দেবে । তাই ভারতীয় নারীদের উচিৎ রাম মন্দিরের বিরোধিতা করা । রাম মন্দির মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে থাকলে সমাজে মহিলাদের প্রতি অন্যায় অবিচার হতে থাকবে । অযোধ্যার লোকেরা হলো শয়তান । তাই অযোধ্যার বিকাশ এবং উন্নতি করা হবে প্রকৃতির বিরুদ্ধে । অযোধ্যার বাসীর উন্নতি করার অর্থ শয়তানদের উন্নতি করা । অযোধ্যার বাসীর উন্নতি করার অর্থ হলো মহিলাদের প্রতি অন্যায় করে উল্টো তার মাথায় দোষ চাপিয়ে দেওয়া । কোনো মহিলাকে ধর্ষণ করে তার বিরুদ্ধে প্রচার করা যে মহিলাটির চরিত্র খারাপ । এইজন্য উত্তর প্রদেশে গ্রামাঞ্চলে মহিলারা সন্ধ্যা বেলা ক্ষেতের মধ্যে পায়খানা করতে যায় আর গ্রামের লোকেরা ক্ষেতের মধ্যে ওট পেতে থাকে । মহিলার পায়খানা করা হয়ে গেলে তাকে জাপটিয়ে ধরে ক্ষেতের মধ্যে রেপ করে দেওয়া হয় । উল্টো ধমকি দেওয়া হয় যে যদি ঐ মহিলা রেপের ব্যাপারটি লোককে জানায় তাহলে উল্টো তার উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া হবে এবং সীতার মতো গ্রাম থেকে বহিষ্কার করা হবে । প্রসঙ্গত উল্লেখ করি যে উত্তর প্রদেশে গ্রামের দিকে মহিলারা সন্ধ্যা বেলা একটু অন্ধকার হলে গমের ক্ষেতে, আখের ক্ষেতে, ডালের ক্ষেতে, বাজরার ক্ষেতে, সরষের ক্ষেতে পায়খানা করতে যায় । আবার খুব ভোরবেলাও যায় । এই সুযোগে গ্রামের কিছু লোক তাদের ধরে রেপ করে । মহিলা মুখ খুললে তার উপর উল্টো চরিত্রহীনতার দোষ লাগিয়ে দেওয়া হয় ।
রাবণকে উদ্ধার করার জন্য রাম সীতা মাতার প্রতি রাম যে অন্যায় করেছিলেন সেই অন্যায় ভারতীয় সমাজে প্রচলিত আইনের মতো ছেয়ে গেছে । রামের আদর্শ অনুসারে দেশ চললে গ্রামের লোকেরা মহিলাদের প্রতি অন্যায় করতে থাকবে আর উল্টো ওই মহিলাকে চরিত্রহীন বানিয়ে ছেড়ে দেবে । রাম রাবণকে উপদেশ দিয়েছিলেন যাতে রাবণ সীতাকে অপহরণ করে আর পুরো নাটক করা যায় ।
কিন্তু এই নাটক সীতার জীবনকে নষ্ট করে দেয় । সীতার প্রতি এই অন্যায় ভারতীয় সমাজে নারীদের প্রতি একটা আইনের মতো চালু হয়ে যায় ।
অযোধ্যায় যে রাম মন্দির নির্মিত হয়েছে তার প্রবেশদ্বারে বা মন্দিরের মধ্যে নিচের কথাগুলো বোর্ডে লেখা হোক বা পাথরে খোদাই করে লেখা হোক ।
ছলিয়া রাম রাবণকে ফোন করেছিলো, "রাবণ, আমি সোনার হরিণ খুঁজতে গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবো আর আমাকে খোঁজার জন্য লক্ষণও গভীর বনের মধ্যে প্রবেশ করবে । সেই সময় সীতা কুটিরে একা থাকবে । সেই সুযোগে তুমি সীতাকে অপহরণ করে নাও।"
এই কথাগুলো রাম মন্দিরের চারিদিকে পাথরে খোদাই করে লেখা হোক ।
সীতার অগ্নি পরীক্ষার মাধ্যমে সমাজে নৃশংস সতী দাহ প্রথার জনক শয়তান রাম মুর্দাবাদ, মুর্দাবাদ । অযোধ্যার শয়তান রামের মন্দির ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও । নিজের ইচ্ছায় রাবণকে দিয়ে সীতার অপহরণ করিয়ে ভারতীয় মহিলাদের চরিত্রের প্রতি সন্দেহ সৃষ্টি করার সুযোগ তৈরি করার জন্য শয়তান রামের মন্দির গুলি ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও। সীতার অপহরণের আগে রাবণকে ফোন করার অপরাধে শয়তান রামের শয়তানি বন্ধ করো, বন্ধ করো । পরিকল্পনা করে নিজের ইচ্ছায় সীতাকে অপহরণ করিয়ে ভারতীয় মহিলাদের জীবনে নৃশংস সতী দাহ প্রথা চালু করার অপরাধে শয়তান রামের মন্দির ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও । রাবণকে দিয়ে নিজের বউ সীতার অপহরণ করিয়ে ভারতীয় মহিলাদের চরিত্রে সন্দেহ সৃষ্টি করার অবকাশ তৈরি করার জন্য শয়তান রামের ভক্তদের শেষ করে দাও শেষ করে দাও ।
aa
Revolutionary Socialist Party RSP
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Revolutionary Socialist Party RSP, Political organisation, KOLKATA.
Want your business to be the top-listed Government Service in KOLKATA?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Kolkata
700001
