SDPI Raidighi Assembly

SDPI Raidighi Assembly

Share

ক্ষুধা থেকে মুক্তি !
ভয় থেকে মুক্তি !

Photos from SDPI Raidighi Assembly's post 02/04/2026

SDPI সর্বভারতীয় সভাপতি Mk ফাইজি কে স্বাগত জানাতে কলকাতা এয়ারপোর্ট

Photos from SDPI Bengal's post 31/03/2026
24/03/2026

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কলকাতা হেড অফিসে অনুষ্ঠিত হল এসডিপিআই-এর রাজ্য কমিটির বৈঠক।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ ফারাঙ্গিপেটে এবং সম্পাদক ইয়া মহিউদ্দিন। তাঁদের উপস্থিতিতে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

বৈঠকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার সাংগঠনিক অবস্থা, মানুষের দৈনন্দিন সমস্যাবলী এবং গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার প্রশ্নকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। নেতৃবৃন্দ বলেন, এসডিপিআই প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সাংবিধানিক মূল্যবোধ, সামাজিক ন্যায়, সমতা ও প্রান্তিক মানুষের অধিকার রক্ষার নীতিকে সামনে রেখে রাজনীতি করে আসছে। ধর্ম, জাতি, ভাষা বা বর্ণের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক, সামাজিক গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলাই দলের মূল লক্ষ্য।

বৈঠকে বর্তমান রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। নেতারা বলেন, বিজেপির সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের রাজনীতি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের স্বৈরাচারী প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষ ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়ছে। এবং নির্বাচন কমিশন দ্বারা পরিকল্পিতভাবে বৈধ নাগরিকদের ডি-ভোটার করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে মানুষের কাছে একটি বিকল্প, নীতিনিষ্ঠ ও জনগণের স্বার্থে কাজ করা রাজনৈতিক শক্তির প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সামাজিক ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক অধিকার ও মানুষের মৌলিক দাবিদাওয়ার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার কারণে এসডিপিআইকে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ একটি শক্তিশালী বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে গ্রহণ করবে।

বৈঠকের শেষে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা, বুথ স্তরে জনসংযোগ বৃদ্ধি করা এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

21/03/2026

তৃণমূল কংগ্রেস পুরো রাজ্যকে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে। আর হাসপাতাল গুলো হল তাদের পার্টি অফিস। রাজ্যের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস করে ভাতা চালু করে মানুষের মন পাওয়ার চেষ্টা করছে।

আর জি কর হাসপাতালে লিফটে বন্ধ হয়ে মর্মান্তিকভাবে নিহিত অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে হত্যা করেছে রাজ্য সরকারের অবহেলা। সরকার প্রতিটা হাসপাতালে প্রতিনিয়ত মানুষকে হত্যা করে— অবহেলায়, বিনাচিকিৎসা, ভুয়ো ওষুধ ও নিম্ন মানের যন্ত্রের দ্বারা ভুল চিকিৎসায়।

হাকিকুল ইসলাম
রাজ্য সভাপতি
এসডিপিআই

03/03/2026

বিচারাধীন ভোটারদের শুনানি ভোটারদের উপস্থিতিতে করার দাবিতে, SDPI-এর ডাকে—

🔴 রাজ্য মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর অভিযান

৪ মার্চ ২০২৬ | কলকাতা
জমায়েত : স্টেটম্যান হাউস কলকাতা।

বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে নির্বাচনী কমিশনের চক্রান্তের বিরুদ্ধে সমস্ত মানুষ এক হও।

সোস্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া - পশ্চিমবঙ্গ

27/02/2026

ভারতের পররাষ্ট্রনীতি জাতীয় স্বার্থের সেবায় নিয়োজিত হওয়া উচিত, বিজেপির আদর্শিক ঘনিষ্ঠতার জন্য নয়

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইসরায়েল সফরের তীব্র সমালোচনা করেছেন সোস্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়ার জাতীয় সভাপতি এম কে ফাইজি। এমন এক সময়ে এই সফর হচ্ছে, যখন অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এই সফর পশ্চিম এশিয়ায় ন্যায়বিচার, ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের প্রতি ভারতের ঐতিহাসিক অঙ্গীকার থেকে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিচ্যুতি নির্দেশ করে। গাজায় ব্যাপক মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষাপটে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও কৌশলগত সমন্বয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে সরকার ভারতের দীর্ঘদিনের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির কাঠামোকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
দশকের পর দশক ধরে ভারত দৃঢ়ভাবে ফিলিস্তিনি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।

১৯৪৭ সালে ভারত ফিলিস্তিন বিভাজনের বিরুদ্ধে ভোট দেয়। ১৯৭৪ সালে ভারত প্রথম অ-আরব দেশ হিসেবে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-কে ফিলিস্তিনি জনগণের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ১৯৮৮ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে। এই নীতিগত অবস্থান ছিল ঔপনিবেশিকতাবিরোধী সংহতি ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত। অথচ বর্তমানে গাজায় ব্যাপক বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে হাজার হাজার নারী ও শিশু রয়েছে; ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে; হাসপাতাল ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; এবং চিকিৎসক ও মানবিক সহায়তাকর্মীদের হত্যার ঘটনাও ঘটেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি, খাদ্যসংকট এবং মৌলিক সেবাব্যবস্থার ভেঙে পড়ার বিষয়টি নথিভুক্ত করেছে। এমন এক সংকটপূর্ণ সময়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বার্তা বহন করে।

প্রধানমন্ত্রী পূর্বেও ইসরায়েলকে ভারতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও শক্তিশালী মিত্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন, এবং বর্তমান সফর সেই প্রকাশ্য অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করছে। ভারত-ইসরায়েল দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা বাণিজ্যের পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, নজরদারি প্রযুক্তি এবং মানববিহীন আকাশযানসহ বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রে ভারত ইসরায়েলের অন্যতম বৃহৎ ক্রেতা। ক্রমবর্ধমান ও প্রকাশ্যে রাজনৈতিকভাবে উদ্‌যাপিত এই অংশীদারিত্ব পূর্ববর্তী পরিমিত ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পৃক্ততা থেকে একটি বিচ্যুতি নির্দেশ করে।

এসডিপিআই জোর দিয়ে বলেছে যে, ভারতের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ ও গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যাবশ্যক। লক্ষ লক্ষ ভারতীয় উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাস ও কর্মরত, এবং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এই অঞ্চলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট। গভীরভাবে মেরুকৃত আঞ্চলিক সংঘাতে ভারত যদি একপাক্ষিক অবস্থান নিচ্ছে—এমন ধারণা সৃষ্টি হয়, তবে তা কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। ইরানকে ঘিরে ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনা বিশেষভাবে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, বিশেষ করে চাবাহার বন্দর এবং আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে ভারতের কৌশলগত বিনিয়োগের প্রেক্ষাপটে।

সোস্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা আদর্শিক ঘনিষ্ঠতার পরিবর্তে জাতীয় স্বার্থভিত্তিক, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির প্রতি তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের প্রকৃত পুনরুজ্জীবনের পক্ষে ভারতের সোচ্চার থাকা উচিত।

ভারতের পররাষ্ট্রনীতি দেশের জনগণের বিবেক, নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের প্রতিফলন হওয়া প্রয়োজন। এটি কোনো দলীয় আদর্শ বা প্রতীকী অবস্থান দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না।

এম কে ফাইজি
জাতীয় সভাপতি
এসডিপিআই

27/02/2026

রাজ্যসভা নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে স্বচ্ছতা চাই, Rss ঘনিষ্ট অভিযোগে অভিযুক্ত তানভীর নাসরীন জনগণের প্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না : তায়েদুল ইসলাম

রাজ্য থেকে আসন্ন রাজ্যসভায় মনোনয়ন ঘিরে ড. সৈয়দ তানভীর নাসরীনের নাম নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে যে, তৃণমূল সরকার কেন আরএসএস এর সাথে ঘনিষ্ঠ একজনকে রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রার্থী করছে। তাকে কেন্দ্র করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এসডিপিআই। রাজ্যসভার মতো উচ্চকক্ষে মনোনয়ন কেবল রাজনৈতিক সমীকরণের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রার্থীর নীতিগত স্বচ্ছতা ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।

ড. নাসরীনের রাজনৈতিক অতীত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি একসময় দিল্লির গেরুয়া শিবিরের 'প্রগতিশীল মুসলিম মুখ' হিসেবে আরএসএস ও সঙ্ঘ পরিবারের সংস্কার এজেন্ডা বাস্তবায়নে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। সারাজীবন বিজেপির মুসলিম বিদ্বেষী এজেন্ডার সহযোগী হিসেবে কাজ করার পর রাতারাতি তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ হওয়াকে 'আদর্শিক বিবর্তন' নয়, বরং ক্ষমতার লোভে এক 'কৌশলী ভোলবদল' হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

ড. নাসরীনের মতো একজনকে রাজ্যসভায় পাঠানোর এই প্রয়াস প্রকারান্তরে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে থাকা 'গোপন আঁতাত'-এর অভিযোগকেই শক্তিশালী করে। গ্রাসরুট স্তরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো আত্মিক যোগাযোগ না থাকা এবং কেবল মিডিয়া ইমেজ ও পারিবারিক প্রভাবের উপর ভর করে একজনকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত তৃণমূলের দিশাহীন সুবিধাবাদী রাজনীতি ছাড়া আর কিছুই নয়। বিজেপি তথা আরএসএস এর পরামর্শেই এই সিদ্ধান্ত। রাজ্যসভায় যাবেন বিজেপির স্লিপার সেল তৃণমূলের টিকিটে।

রাজ্য সরকারের কাছে দাবি—কোনো মনোনয়নের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিজেপি-আরএসএস বিরোধী আপোষহীন সংগ্রামের নজিরকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তায়েদুল ইসলাম
জাতীয় সম্পাদক
এসডিপিআই

22/02/2026

জনগণের সাহসই গণতন্ত্রকে জীবিত রাখে

ক্ষমতার দ্বারা ন্যায়বিচার সৃষ্টি করা যায় না, যেমন প্রাতিষ্ঠানিক অপব্যবহারের মাধ্যমে সত্যকে চিরদিন চাপা দিয়ে রাখা যায় না।

এসডিপিআই-এর সভাপতি এম. কে. ফাইজির জামিন মঞ্জুর হওয়া এই সত্যেরই সুস্পষ্ট প্রমাণ যে, অবিরাম আইনি লড়াই এবং গণতান্ত্রিক দৃঢ় বিশ্বাস রাজনৈতিক স্বার্থে ভিন্নমতকে স্তব্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে শেষ পর্যন্ত পরাভূত করবে। এই মুহূর্ত সংবিধানিক নীতিমালার স্থায়ী শক্তি এবং আইনের শাসনের প্রতি জনগণের অটল আস্থার প্রতিফলন।
যারা ক্ষমতার আসনে থেকে বিরোধী কণ্ঠকে ভীতিপ্রদর্শনের জন্য বিভিন্ন সংস্থাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য এই ঘটনা একটি গম্ভীর সতর্কবার্তা—সংবিধান জবরদস্তির চেয়ে শক্তিশালী, এবং জনগণের সম্মিলিত ইচ্ছাশক্তি যেকোনো ভয়ের যন্ত্রের চেয়ে অধিক বলীয়ান। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশ্য স্বাধীনতাকে সুরক্ষা দেওয়া, তা দমন করা নয়; এবং এই পথ থেকে কোনো বিচ্যুতি ঘটলে তা শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার ও জনমতের শক্তিতেই সংশোধিত হবে।

আমি আমাদের কর্মী, সমর্থক এবং ন্যায় ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাই—এই মুহূর্ত থেকে নতুন করে সাহস সঞ্চয় করুন। আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধ, নির্ভীক ও অটল থেকে মর্যাদা, সাম্য এবং প্রতিটি নাগরিকের অধিকারের পক্ষে নীতিনিষ্ঠ সংগ্রাম চালিয়ে যাই। ক্ষমতা হয়তো পথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করবে, কিন্তু সত্য তার গতিপথে অগ্রসর হয়েই চলে; আর জনগণের সাহসের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্র বিজয়ী হবে।

মোহাম্মদ শাফি
জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি
সোস্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া

20/02/2026

একটি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত মামলায় দীর্ঘ এক বছর কারাবাসের পর আমি জামিনে মুক্তি পেয়েছি। এই কঠিন সময়ে মহান আল্লাহর অশেষ রহমত ও সকলের দোয়ার জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। যাঁরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আমার পাশে অবিচলভাবে দাঁড়িয়ে থেকেছেন, সেই সব ভাই-বোনদের প্রতি জানাই আন্তরিক ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।

আমাদের পরিশ্রমী ও নিবেদিতপ্রাণ দলীয় কর্মী, জাতীয় ও প্রাদেশিক নেতৃত্ব, সম্মানিত আইনজীবী দল এবং দেশজুড়ে থাকা শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি বিশেষ ধন্যবাদ। তাঁদের অটুট সমর্থন, সাহস এবং প্রার্থনা আমাকে শক্তি জুগিয়েছে এবং আমাদের সম্মিলিত সংকল্পকে আরও দৃঢ় করেছে।

এই সময় আমাকে আরও দৃঢ়ভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, ন্যায়বিচার, সাংবিধানিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে আমাদের অবস্থান অটল। মর্যাদা, ধৈর্য ও দৃঢ় প্রত্যয়ে আমরা আমাদের ন্যায্য সংগ্রাম অব্যাহত রাখব—ইনশাআল্লাহ।
আন্তরিক ধন্যবাদ ও অটুট প্রতিশ্রুতি সহকারে।

এম. কে. ফাইজি
জাতীয় সভাপতি
সোস্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া

Want your business to be the top-listed Government Service in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Kolkata