19/07/2026
মেজর সত্য গুপ্ত: ঢাকা থেকে রাইটার্স হয়ে বাগুর পথচলা
জন্ম: ১৮ জুলাই ১৯০২, তেজগাঁও, ঢাকা | প্রয়াণ: ১৯ জানুয়ারি ১৯৬, বাগু, উত্তর ২৪ পরগনা
১৯০২ সালের ১৮ই জুলাই আজকের দিনে, তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার ঢাকা জেলার তেজগাঁও অঞ্চলে এক শিক্ষিত ও দেশপ্রেমিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন *সত্য গুপ্ত*। পিতা প্যারীমোহন গুপ্ত ছিলেন সমাজসচেতন মানুষ। ছোটবেলা থেকেই সত্য গুপ্ত ছিলেন মেধাবী ও দৃঢ়চেতা।
শিক্ষা ও বিপ্লবে প্রবেশ
১৯১৯ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর ঢাকা কলেজে ভর্তি হন। ঠিক তখনই শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন ১৯২১। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, অশ্বিনীকুমার দত্তের বক্তৃতা ও গান্ধীজীর ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি আই.এ পরীক্ষা বয়কট করে পড়াশোনা ছেড়ে আন্দোলনে ঝাঁপ দেন।
বিপ্লবী জীবনের হাতেখড়ি হেমচন্দ্র ঘোষের "মুক্তি সংঘ"-র মাধ্যমে। পরে যুক্ত হন অনুশীলন সমিতির সঙ্গেও। অস্ত্রসংগ্রহ, গুপ্ত বৈঠক, প্রচারপত্র বিলি - সব কাজেই তিনি ছিলেন অগ্রণী।
কলকাতা ও বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স
১৯২৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ পাস করার পর ১৯২৭ সালে সংগঠনের নির্দেশে কলকাতায় আসেন। এখানেই ঘনিষ্ঠতা হয় *সুভাষচন্দ্র বসু ও শরৎচন্দ্র বসু*র সঙ্গে। সুভাষচন্দ্রের সাংগঠনিক ভাবনা ও যুবশক্তিকে কাজে লাগানোর আদর্শ তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
১৯২৮ সালের কলকাতা কংগ্রেস অধিবেশনে সুভাষচন্দ্রের নেতৃত্বে গঠিত হয় "বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স" বা B.V.। সামরিক কায়দায় প্রশিক্ষিত এই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়ে সত্য গুপ্ত "মেজর" উপাধিতে ভূষিত হন। B.V.-র সর্বাধিনায়ক ছিলেন স্বয়ং সুভাষচন্দ্র।
রাইটার্স আক্রমণ ও দীর্ঘ কারাবাস
B.V. ছিল ব্রিটিশ অত্যাচারের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিরোধের সংগঠন।
1. ১৯৩০, ২৯শে আগস্ট: পুলিশ কমিশনার চার্লস টেগার্টকে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রথমবার গ্রেপ্তার হন। প্রমাণের অভাবে মুক্তি পান।
2. ১৯৩০, ৮ই ডিসেম্বর: বিনয়-বাদল-দীনেশের ঐতিহাসিক *রাইটার্স বিল্ডিং আক্রমণ। এই ঘটনার পর ব্রিটিশ সরকার B.V. নেতাদের উপর দমনপীড়ন শুরু করে। মেজর সত্য গুপ্ত পুনরায় গ্রেপ্তার হন এবং "রাজবন্দি" হিসেবে চিহ্নিত হন।
এরপর টানা ৮ বছর তাঁকে দেশের বিভিন্ন জেলে বন্দি করে রাখা হয় - *আলিপুর সেন্ট্রাল জেল, বক্সার জেল, মিয়াঁওয়ালি জেল পাঞ্জাব, ইয়ারবাদা জেল পুনা, এবং হিজলি ডিটেনশন ক্যাম্প*। জেলে থেকেও তিনি রাজবন্দিদের মনোবল অটুট রাখতে নেতৃত্ব দেন।
নেতাজীর সহচর ও দ্বিতীয়বার কারাবাস
১৯৩৮ সালে মুক্তি পেয়ে আবার সুভাষচন্দ্রের সঙ্গে কংগ্রেস ও ফরওয়ার্ড ব্লকের কাজে যুক্ত হন। *১৯৪১ সালের ১৬ই জানুয়ারি নেতাজীর মহানিষ্ক্রমণের* পর ব্রিটিশ সরকার আবারও তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এবার তিনি বন্দি থাকেন *১৯৪১ থেকে ১৯৪৬* সাল পর্যন্ত। এই সময়েই তিনি নেতাজীর আজাদ হিন্দ ফৌজের খবর পেয়ে আরও উদ্দীপ্ত হন।
স্বাধীনতার পর: বাগুর সমাজসেবী
১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হলেও, মেজর সত্য গুপ্ত রাজনীতির মসনদ চাননি। তিনি বেছে নিলেন গ্রামের পথ। *উত্তর ২৪ পরগনার বাগু-সপ্তগ্রাম* অঞ্চলে এসে শুরু করলেন পল্লী উন্নয়নের কাজ।
তাঁর উদ্যোগে গড়ে ওঠে "বাগু সপ্তগ্রাম পল্লী নিকেতন"। এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন তিনি, আর সম্পাদক ছিলেন আরেক বিপ্লবী *নিকুঞ্জ সেন*। এখানে স্কুল, পাঠাগার, কৃষি ও সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতির কাজ হতো। তাঁর বিশ্বাস ছিল - "রাজনৈতিক স্বাধীনতার সাথে অর্থনৈতিক মুক্তিও চাই"।
*শেষ দিন*
দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের পর, স্বাধীন ভারতের ১৯ বছর কাটিয়ে ১৯৬৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি বাগুতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই নির্ভীক বিপ্লবী।
---
মেজর সত্য গুপ্ত আমাদের কী শেখান?
তিনি ছিলেন *ছাত্র থেকে সৈনিক, সৈনিক থেকে সমাজসেবী*। বন্দুকও ধরেছেন, লাঙলও ধরেছেন। তাঁর জীবন বলে - দেশের জন্য লড়াই শুধু রাজপথে নয়, গ্রামের মাটিতেও করতে হয়।
"তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব"* - নেতাজীর এই ডাকে সাড়া দেওয়া অন্যতম সৈনিক ছিলেন মেজর সত্য গুপ্ত।
জয় হিন্দ! জয়তু মেজর সত্য গুপ্ত!
নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম
#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম
18/07/2026
Big shout out to my newest top fans! 💎 Chiranjit Malik, Desh O Subhas, Gopal Halder, Sreyasi Trisha Jana, Samir Midya, Barid Baran Bose, Pintu Das, Sabyasachi Deb, Suvarna C. R, Aakash Nil, Sambik Neogi, M D Hasim, Dipenkar Karmakar, Pradip Panja, Vinod Shubhash, Atanu Sardar, Mamata Bhadra, Kalyan Chatterjee, विप्लव आर्य, Suvabrata Chatterjee, Satya Barman, Manobendro Sarkar, Tapu Saha, Joydeep Ghose, Duttagupta Amit, Subhadip Dutta
Drop a comment to welcome them to our community, fans
17/07/2026
মেদিনীপুরের অগ্নিপুরুষ প্রভাংশুশেখর পাল: এক অপরাজেয় সংগ্রামের উপাখ্যান
"আজকের সংগ্রাম, আগামীকালের স্বাধীনতা।" — নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু।
বাংলার বিপ্লবী ইতিহাসের পাতা ওল্টালেই যে জেলাটি সবার আগে ব্রিটিশদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেয়, তা হলো মেদিনীপুর। এই মেদিনীপুরেরই এক অগ্নিগর্ভ মাটি থেকে উঠে এসেছিলেন এক দুর্ধর্ষ দেশপ্রেমিক— প্রভাংশুশেখর পাল। তাঁর অসমসাহসী লড়াই এবং অপরাজেয় মানসিকতা আজও আমাদের "নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড এক সংগ্রাম"-এর প্রতিটি সদস্যের ধমনীতে দেশপ্রেমের আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
✊ শৈশবেই বিপ্লবের ডাক
১৯১৩ সালের ১৫ জুলাই, দাসপুর থানার খাঞ্জাপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া এই দামাল ছেলেটি মাত্র ১৪ বছর বয়সে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশের মুক্তির লড়াইতে। মেদিনীপুরের বিপ্লবী হাওয়া তাঁকে টেনে নিয়েছিল ‘বেঙ্গল ভলান্টিয়ার্স’-এর গোপন জোয়ারে।
⚡ ডগলাস হত্যা ও সিনেমার মতো পলায়ন
১৯৩২ সালের ৩০ এপ্রিল। অত্যাচারী ম্যাজিস্ট্রেট রবার্ট ডগলাস মেদিনীপুর জেলা বোর্ডের সভায় বসে আছেন। ছদ্মবেশে সেখানে প্রবেশ করলেন দুই তরুণ— প্রভাংশুশেখর পাল ও প্রদ্যোৎকুমার ভট্টাচার্য। মুহূর্তের মধ্যে গর্জে উঠল বিপ্লবীদের পিস্তল। লুটিয়ে পড়ল অত্যাচারী ডগলাস।
এরপর শুরু হলো সেই রোমহর্ষক পলায়ন পর্ব, যা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়! প্রদ্যোৎকুমার ধরা পড়লেও, অসাধারণ প্রত্যুৎপন্নমতিত্বের পরিচয় দেন প্রভাংশু। মুহূর্তের মধ্যে নকল গোঁফ খুলে ফেলা, জুতো দিঘির জলে ছুঁড়ে ফেলা আর অস্ত্র লুকিয়ে ভিড়ের মাঝে সাধারণ মানুষের মতো মিশে গিয়ে বাড়ি ফিরে আসা— ব্রিটিশ পুলিশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছিলেন এই বীর। পরে গ্রেপ্তার হলেও পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ জোগাড় করতে পারেনি। ডগলাস মামলা থেকে তিনি খালাস পান।
🛡️ ভাঙেনি মনোবল, শুরু হলো নতুন লড়াই
খালাস পেলেও বিপ্লবের পথ থেকে তিনি একচুলও সরেননি। বার্জ হত্যাকাণ্ডের প্রস্তুতি থেকে শুরু করে অস্ত্র সংগ্রহ ও গোপন বৈঠক— প্রতিটিতেই ছিল তাঁর সক্রিয় নেতৃত্ব। ব্রিটিশের নির্মম অত্যাচার সহ্য করেও তিনি কখনো নতি স্বীকার করেননি। পরবর্তীকালে জেল থেকে মুক্ত হয়ে তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মাধ্যমে মানুষের সেবা শুরু করেন এবং নিঃস্ব প্রাক্তন বিপ্লবীদের আশ্রয়ের জন্য গড়ে তোলেন ‘বিপ্লবী নিকেতন’। ১৯৭২ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘তাম্রপত্র’ দিয়ে সম্মানিত করে। ২০০৭ সালের ২ জুন এই মহান বিপ্লবী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
🇮🇳 নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড এক সংগ্রাম: আমাদের অঙ্গীকার
বিপ্লবী প্রভাংশুশেখর পালের মতো বীরদের আত্মত্যাগ এবং নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর আপসহীন সংগ্রামের আদর্শকে বুকে ধারণ করেই আমাদের পথচলা— "নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড এক সংগ্রাম"।
নেতাজী বলেছিলেন, "অধিকার দেওয়া হয় না, অধিকার কেড়ে নিতে হয়।" প্রভাংশুশেখরের মতো বিপ্লবীরা ব্রিটিশদের থেকে সেই অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার লড়াই লড়েছিলেন। আজ আমরা সেই বিপ্লবীদের উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ:
ঐতিহ্যের সম্মান রক্ষা: বাংলার বিপ্লবীদের বিস্মৃতপ্রায় ইতিহাসকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
নেতাজীর আদর্শের প্রচার: নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর আপসহীন দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারাকে ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেওয়া।
জনসেবা ও ঐক্য: সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটি শোষণমুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা।
মেদিনীপুরের বীর সন্তান প্রভাংশুশেখর পালের চরণে আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণাম। তাঁর দেখানো সাহস ও বুদ্ধিমত্তার পথেই চলুক আমাদের সংগ্রাম!
"রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ!"
আসুন, বিপ্লবীদের আদর্শকে পাথেয় করে আমরা এগিয়ে চলি এক নতুন ভোরের অভিমুখে।
জয় হিন্দ! বন্দে মাতরম্!
— নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড এক সংগ্রাম
#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম
17/07/2026
নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম
আমাদের এই লড়াই ও মহান আদর্শের সাথে যুক্ত হতে এবং আমাদের অফিশিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) গ্রুপে শামিল হতে নিচে দেওয়া লিঙ্কে ক্লিক করুন:https://chat.whatsapp.com/JQr1U9YCF0f7p72wAgqoK4?s=cl&p=a&ilr=4&amv=3
👉 হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন
সাথে আপনারা
প্রসেনজিৎ ঘোষ-9874642957
অর্পণ কুণ্ডু-8777684768
সন্ধি কাঞ্জিলাল-8327519425
সুব্রত মান্না-8584854050 এই ফোন নম্বর এ যোগাযোগ করুন.
আসুন, সকলে মিলে একসাথে দেশ ও সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসি।
#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম
chat.whatsapp.com
17/07/2026
"ভারতের ভাগ্যের ওপর থেকে কখনো বিশ্বাস হারিও না। পৃথিবীর বুকে এমন কোনো শক্তি নেই যা ভারতকে পরাধীন করে রাখতে পারে।"
#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম
16/07/2026
কী মনোমুগ্ধকর _স্নিগ্ধ _শান্ত _সৌম্য _প্রসস্তিকর মূর্তি !! তুমি কবে_ কোথায়_ কেনো_ কি ভাবে চির দিনের জন্য অন্তর্হিত রয়ে গেলে ?? তুমি কার কাছে কোন বার্তা, শেষ বারের জন্য, হে মহাত্মা বীর, আমাদের জন্যে বলে গেলে, সেটা যে আমরা জানিনা !! হে বীর মুক্তিযোদ্ধা, তুমি হিরন্ময়, চির ভাস্বর তুমি, করুণাময় তুমি! থেকে গেলে সে কোন্ অন্তরালে, রেখে গেলে সার্ধশতকোটি ভারতবাসীকে যুগান্তরের কোন্ অসীম_ তমসাচ্ছান্ন অন্তরলোকে !! ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণী আমরা, তুমহীনতা এতো কষ্ট আর সহ্য হয় না। কেবল হাতড়ে মরি আর, তোমাকে খুঁজি! আমরা বড়ো অসহায়। হে বীর, তোমার জ্যোতির্ময়ী আলো বর্ষিত হোক আমাদের সকলের জীবনে, হে ধ্যানী যোগিন্দ্র, তোমার যোগ সাধনায় সিদ্ধ হোক প্রতিটি ভারতবাসী। তোমার কাঙ্খিত লক্ষ্যে যেনো পৌঁছাতে পারে ভূভারত। মুছে যাক হিংসার অভিশাপ, সকলের প্রাণে আসুক পারস্পরিক হৃদয়ের অনুভূতি। একাত্ম হোক গোটা বৃহত্তর সমাজ। সকলের মুখে ধ্বনিত হোক "ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে", বলো"জীর্ণ আবেশ কাটো সুকঠোর ঘাতে", বলো "মৃত্যুর হোক লয়", বলো "তোমোরি হোক জয়"...... বলো "বন্দেমাতরম"...... যতো হিংসা ক্রোধ লোভ বলিদান করে বলো "জয় হিন্দ, জয় হিন্দ, জয় হিন্দ", আবার বলো "বন্দেমাতরম, বন্দেমাতরম, বন্দেমাতরম"।।
#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম
15/07/2026
চরম অবমাননা ও উদাসীনতা!
জয় হিন্দ! জয়তু সুভাষ! 🇮🇳
অত্যন্ত বেদনা ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি যে, খোদ দেশের রাজধানী দিল্লির 'কর্তব্যপথ'-এ (Kartavya Path) সগৌরবে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের মহানায়ক, আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক, নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর পূর্ণাবয়ব গ্রানাইট মূর্তিটি আজ চরম অবমাননা ও প্রশাসনিক উদাসীনতার শিকার।
মূর্তির উপরিভাগ এবং মাথায় পাখির বিষ্ঠা জমে নোংরা হয়ে রয়েছে। যে মানুষটি নিজের রক্ত দিয়ে, সর্বস্ব ত্যাগ করে ভারতকে ব্রিটিশদের দাসত্ব থেকে মুক্ত করার পথ দেখিয়েছিলেন, আজ দেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্রে তাঁরই স্মৃতিরক্ষায় এই উদাসীনতা?
আমাদের সকলের প্রশ্ন: নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ন্যূনতম দায়িত্বটুকু নেওয়ার মতো কি কেউ নেই?
আমাদের আবেদন: এটি শুধু একটি মূর্তির অবমাননা নয়, এটি গোটা জাতি এবং আমাদের জাতীয় আবেগের অবমাননা। অবিলম্বে এই ঐতিহাসিক স্মারকটি যথাযথ মর্যাদার সাথে পরিষ্কার করা হোক এবং স্থায়ী রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হোক।
আমরা যাঁরা Social media তে কথায় কথায় দেশপ্রেমের বুলি আওড়াই তাঁদের নজর কি এই চরম উদাসীনতার দিকে পড়ে না? নেতাজীর আদর্শকে শুধু মুখে নয়, তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাটুকু যেন কাজের মাধ্যমেও প্রকাশ পায়।
এই রকম অবহেলা, গাফিলতি, উদাসীনতার বিরুদ্ধে আমরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ ও যতো শীঘ্র সম্ভব যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছি।
নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম
#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম
14/07/2026
🚨 অবহেলা নয়, শ্রদ্ধাই হোক আমাদের শেষ কথা: ডালহৌসির নেতাজী মূর্তি পরিষ্কারে 'নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম' 🚨
স্থান: নেতাজী সুভাষ রোড (কোলইন্ডিয়া অফিসের সামনে), ডালহৌসি, কলকাতা - ৭০০০০১।
অত্যন্ত দুঃখ এবং ক্ষোভের সাথে আমাদের জানাতে হচ্ছে যে, কলকাতার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা ডালহৌসির কোলইন্ডিয়া অফিসের সামনে অবস্থিত মহান দেশনায়ক নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিটি দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলিত ও নোংরা অবস্থায় পড়েছিল। যে মানুষটি নিজের জীবনের সমস্ত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়েছিলেন, আজ তাঁরই মূর্তি শহরের বুকে এভাবে ধুলো-বালি আর নোংরায় ঢেকে থাকবে, তা কোনো সচেতন ভারতবাসী মেনে নিতে পারে না।
গতকাল আমাদের 'নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম' সংগঠনের এক নিষ্ঠাবান সদস্যের চোখে এই দুঃখজনক দৃশ্যটি ধরা পড়ে। আমরা তক্ষুনি সিদ্ধান্ত নিই—শুধু ক্ষোভ প্রকাশ নয়, কর্মের মাধ্যমেই এর প্রতিবাদ জানাতে হবে।
আজ সেই লক্ষ্যেই আমাদের সংগঠনের একদল নির্ভীক ও উদ্যোগী সহযোদ্ধা উক্ত স্থানে উপস্থিত হন। তাঁরা পরম শ্রদ্ধা ও নিষ্ঠার সাথে সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে নেতাজীর মূর্তিটি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন।
আমাদের বার্তা স্পষ্ট:
প্রশাসন বা পুরসভার উদাসীনতার ভরসায় বসে না থেকে, আমাদের জাতীয় নায়কদের সম্মান রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। আজ আমাদের সহযোদ্ধারা যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন, তা প্রতিটি নাগরিকের চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আসুন, আমরা আমাদের ইতিহাস, আমাদের ঐতিহ্য এবং আমাদের নায়কদের উপযুক্ত সম্মান দিতে শিখি।
এই মহৎ কাজে যুক্ত থাকা প্রতিটি সহযোদ্ধাকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে সেলাম ও ধন্যবাদ। আমাদের এই লড়াই জারি থাকবে।
"কদম কদম বাড়ায়ে যা, খুশী কে গীত গায়ে যা..." 👣
জয় হিন্দ! জয়তু নেতাজী! 🇮🇳
নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম
#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম