Netaji Subhas Brigade Ek Sangram

Netaji Subhas Brigade Ek Sangram Society for Research and Awareness on the True History of Netaji and India's Freedom Fighters
(A Non-Political Initiative)

23/10/2026

জয় হিন্দ জয়তু সুভাষ 🙏
নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ঐতিহাসিক বক্তব্যের কিছু অংশ.
জয় হিন্দ

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

২১শে অক্টোবর - ভারতের প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস১৯৪৩ সাল। সিঙ্গাপুরের রাজপথ দিয়ে চলেছেন অখন্ড ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি, প্রধান...
21/10/2026

২১শে অক্টোবর - ভারতের প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস

১৯৪৩ সাল। সিঙ্গাপুরের রাজপথ দিয়ে চলেছেন অখন্ড ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী তথা আজাদ হিন্দ ফৌজের সর্বাধিনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।

যাঁকে এক ঝলক দেখার জন্য রাজপথের দু'ধারে ভিড় জমিয়েছেন অগণিত ভারতবাসী। তাঁদের চোখে জল, বুকে আশা - এই মানুষটাই আমাদের মুক্তি দেবে। আর তিনিও তাঁর সেই চিরপরিচিত নিষ্পাপ হাসি নিয়ে সকলের অভিবাদন গ্রহণ করছেন।

আজ ২১শে অক্টোবর।

আজ থেকে ঠিক ৮২ বছর আগে, ১৯৪৩ সালের আজকের দিনেই অখন্ড ভারতবর্ষের স্বাধীনতার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল।

সিঙ্গাপুরের ক্যাথে হলে ভারতমায়ের শ্রেষ্ঠ সন্তান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ঘোষণা করেছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম সার্বভৌম সরকার - আজাদ হিন্দ সরকার।

এটা শুধু একটি সরকার ছিল না, ছিল একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র -

- নিজস্ব রাষ্ট্রপ্রধান - নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
- নিজস্ব মন্ত্রিসভা, নিজস্ব পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত
- নিজস্ব নোট, ডাকটিকিট, ব্যাঙ্ক ও বিচার ব্যবস্থা
- নিজস্ব সেনাবাহিনী - আজাদ হিন্দ ফৌজ

যে সরকারকে তৎকালীন বিশ্বের ৯টি শক্তিধর দেশ স্বীকৃতি দিয়েছিল।

ইতিহাস সাক্ষী, ব্রিটিশরা ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হয়েছিল নেতাজির সেই আজাদ হিন্দ ফৌজের বীরত্ব এবং তাদের সৃষ্ট গণ-জাগরণের ভয়েই। তাই নেতাজির নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ সরকারের যুদ্ধাভিযানের ফলেই আমরা প্রকৃত স্বাধীনতা পেয়েছি।

তাই ১৫ই আগস্ট নয়, ২১শে অক্টোবরই ভারতের প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস।

আসুন, আজকের এই পবিত্র প্রতিষ্ঠা দিবসে আমরা শপথ নিই, নেতাজির আদর্শ, তাঁর ত্যাগ ও দেশপ্রেমকে দিগ্বিদিকে ছড়িয়ে দেব।

জয় হিন্দ!
নেতাজি জিন্দাবাদ!
আজাদ হিন্দ সরকার অমর রহে!

নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

২১শে অক্টোবর - ভারতের প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস!আজকের দিনে ইতিহাসের বইতে অনেকের নাম নেই, কিন্তু এই দিনেই প্রথমবার স্বাধীন হয...
21/10/2026

২১শে অক্টোবর - ভারতের প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস!

আজকের দিনে ইতিহাসের বইতে অনেকের নাম নেই, কিন্তু এই দিনেই প্রথমবার স্বাধীন হয়েছিল ভারত।

১৯৪৩ সালের ২১শে অক্টোবর, সিঙ্গাপুরের ক্যাথে হলে* নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ঘোষণা করেছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম সরকার - আজাদ হিন্দ সরকার।

সেদিন তিনি শুধু একটি সরকার গঠন করেননি, তিনি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছিলেন।

🔶 নিজস্ব সরকার - রাষ্ট্রপ্রধান স্বয়ং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
🔶 নিজস্ব পতাকা - ঝাঁপিয়ে পড়া বাঘের আজাদ হিন্দ পতাকা
🔶 নিজস্ব মুদ্রা, ডাকটিকিট ও জাতীয় সঙ্গীত
🔶 নিজস্ব সেনাবাহিনী - আজাদ হিন্দ ফৌজ
🔶 নিজস্ব ব্যাঙ্ক

এবং সবচেয়ে বড় কথা, বিশ্বের ৯টি দেশ - জাপান, জার্মানি, ইটালি, বার্মা, ফিলিপাইন সহ সেই সরকারকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

আজ আমরা ১৫ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালন করি, কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তর দিবস নয়, প্রকৃত স্বাধীনতা দিবস তো ২১শে অক্টোবর। যেদিন একজন বাঙালি ব্রিটিশকে তোয়াক্কা না করে বিশ্বের দরবারে বলেছিল - "আমার দেশ স্বাধীন।"

দুঃখের বিষয়, স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এই দিনটিকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম এর পক্ষ থেকে আমরা শপথ নিচ্ছি, এই ইতিহাস আমরা ভুলতে দেব না। নতুন প্রজন্মকে জানাতেই হবে ভারতের প্রকৃত স্বাধীনতার গল্প।

আজকের এই পুণ্য দিনে আজাদ হিন্দ সরকারের সকল বীর সেনানী ও রাষ্ট্রপ্রধান নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চরণে জানাই শত কোটি প্রণাম।

জয় হিন্দ!
আজাদ হিন্দ সরকার অমর রহে!
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু অমর রহে!

বিনীত -
নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম
সত্য | ন্যায় | ত্যাগ

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

।। আজাদ হিন্দ সরকার প্রতিষ্ঠা দিবস : ২১শে অক্টোবর ।।কার্য্যকাল : ২১ অক্টোবর ১৯৪৩ থেকে ১৮ আগস্ট ১৯৪৫জাপানে মহাবিপ্লবী বিপ...
21/10/2026

।। আজাদ হিন্দ সরকার প্রতিষ্ঠা দিবস : ২১শে অক্টোবর ।।

কার্য্যকাল : ২১ অক্টোবর ১৯৪৩ থেকে ১৮ আগস্ট ১৯৪৫

জাপানে মহাবিপ্লবী বিপ্লবীগুরু রাসবিহারী বসুর নেতৃত্বে গড়া আজাদ হিন্দ ফৌজ, ১৯৪৩ সালে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুকে সর্বাধিনায়ক নির্বাচিত করেন। ১৯৪৩ সালের ২১শে অক্টোবর নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ সরকার স্থাপন করেন এবং পরাধীন ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। জার্মানি, জাপান, ইতালি, থাইল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, ব্রহ্মদেশ, ফিলিপাইন, মাঞ্চুকু ও নানজিঙের ওয়াং জিংওয়ে সরকার, এই নয়টি রাষ্ট্র আজাদ হিন্দ সরকারকে সমর্থন করেন ও স্বীকৃতি দেন।
এই সময় জাপানের কাছ থেকে আজাদ হিন্দ সরকার আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কর্তৃত্ব পান। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু এই দ্বীপ দুটির নাম রাখেন, শহীদ ও স্বরাজ দ্বীপ।
দলে দলে ভারতীয়রা আজাদ হিন্দ ফৌজের বাহিনীতে যোগ দেন এবং প্রবাসী ভারতীয়রা যুদ্ধ তহবিলে মুক্ত হস্তে দান করতে থাকেন।
১৯৪৪ সালে রেঙ্গুনে সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
আজাদ হিন্দের মূল নীতি কথা - একতা, বিশ্বাস ও বলিদান।

ভারতবর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে তাঁদের অবিস্মরণীয় অবদান চিরস্মরণীয় ও অমর হয়ে থাকবে।

বন্দে মাতরম্ । জয়হিন্দ।

আজাদ হিন্দ ফৌজ জিন্দাবাদ।

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু জিন্দাবাদ।

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

উত্তর কলকাতার চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গা পূজা মণ্ডপে ঘটিত মর্মান্তিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকস্তব্ধ।সপ্তমীর সন...
20/10/2026

উত্তর কলকাতার চোরবাগান সার্বজনীন দুর্গা পূজা মণ্ডপে ঘটিত মর্মান্তিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকস্তব্ধ।

সপ্তমীর সন্ধ্যায় আনন্দ করতে গিয়ে যে ১৯ জন নিরীহ মানুষের প্রাণ চলে গেল, যার মধ্যে ১৩ জন মা-বোন এবং ৪ জন নিষ্পাপ শিশু রয়েছে, এই ঘটনা বাংলার দুর্গাপূজার ইতিহাসে এক কলঙ্কময় ও হৃদয়বিদারক অধ্যায় হয়ে থাকবে।

আমাদের সংগঠন নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম এর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি।

যাঁরা এই নিদারুণ দুর্বিপাকে প্রাণ হারিয়েছেন, ঈশ্বরের কাছে তাঁদের আত্মার চিরশান্তি কামনা করি। তাঁদের মর্মাহত পরিবারের প্রতি হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে গভীর সমবেদনা জানাই। এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ঈশ্বর তাঁদের দিন।

একই সাথে সদা মঙ্গলময় ভগবানের কাছে সকল আহত ও চিকিৎসাধীন ২৫ জন ব্যক্তির দ্রুততম আরোগ্য কামনা করি। তাঁরা শীঘ্রই সুস্থ হয়ে আপনজনদের কাছে ফিরে আসুন।

এই শোকের সময় আমরা সকল রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে নিহতদের পরিবারের পাশে আছি।

বিনীত -
নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

।। গান্ধীবুড়ি মাতঙ্গিনী হাজরা ।। ১৯/১০/১৮৭০-২৯/০৯/১৯৪২"ইংরেজ তুমি ভারত ছাড়ো!"মিছিল চলে যায় এগিয়ে, "ভারত স্বাধীন স্বদেশ ...
19/10/2026

।। গান্ধীবুড়ি মাতঙ্গিনী হাজরা ।।
১৯/১০/১৮৭০-২৯/০৯/১৯৪২

"ইংরেজ তুমি ভারত ছাড়ো!"
মিছিল চলে যায় এগিয়ে,
"ভারত স্বাধীন স্বদেশ হবে
মহারানিকে বলে দে গিয়ে।

আর নয় বৃটিশ সরকার
ভারত চাইছে গণতন্ত্র,
সারাদেশে মুখে মুখে গাইছে
বন্দেমাতরম মহামন্ত্র। "

মুখে এই শ্লোগানে গান্ধীবুড়ি
বাজায় স্বাধীনতা-শঙ্খ,
মিছিলের শ্লোগানে ইংরেজ -
ভয়ে পায় আতঙ্ক।

"ইংরেজ তুমি ভারত ছাড়ো
গুলিতে বুক হোক ঝাঁঝরা!
দেশের পতাকা তুলেছে হাতে
বিপ্লবী মাতঙ্গিনী হাজরা। "

।। ইতি ধন্যবাদান্তে দেশ ভক্ত ভারত ভক্ত ছদ্মনামে সন্তু ভক্ত বিরচিত গান্ধীবুড়ি মাতঙ্গিনী হাজরা নামক একটি নিবেদিত পদ্ম কবিতা সমাপ্ত।।

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

জয় হিন্দ জয়তু সুভাষ 🙏১০ হাজার নয়, ১০ হাজার আবেগআজ আমরা ১০,০০০নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম পরিবার আজ ১০ হাজার সদস্...
18/10/2026

জয় হিন্দ
জয়তু সুভাষ 🙏
১০ হাজার নয়, ১০ হাজার আবেগ

আজ আমরা ১০,০০০

নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম পরিবার আজ ১০ হাজার সদস্যের এক বিশাল পরিবারে পরিণত হলো।

এই সংখ্যাটা শুধু একটা Follower Count নয়। এই ১০ হাজার হলো ১০ হাজার দেশপ্রেমিকের বিশ্বাস, ১০ হাজার সুভাষ প্রেমী মানুষের ভালোবাসা, যারা নেতাজির আদর্শকে বুকে নিয়ে আমাদের পাশে থেকেছেন।

আজকের এই আনন্দের দিনে সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাদের হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই🙏

আমাদের সকল সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী ও প্রতিটি ফলোয়ারকে, যারা দিনের পর দিন লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে আমাদের প্রতিটি পোস্টকে মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। আপনাদের ছাড়া এই পথ চলা অসম্ভব ছিল।

এবং বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ আমাদের সংগঠনের প্রাণ, আমাদের সংগঠনের প্রত্যেক সক্রিয় সদস্য কে যাদের
অক্লান্ত পরিশ্রম, নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা ও নেতাজির প্রতি অগাধ ভালোবাসা ছাড়া এই ১০ হাজারের স্বপ্ন সত্যি হতো না।

আমরা শুরু করেছিলাম একটি লক্ষ্য নিয়ে - নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শ, তাঁর ত্যাগ ও তাঁর সংগ্রামের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। আজ আপনারা প্রমাণ করে দিলেন, বাঙালি এখনও নেতাজিকে ভোলেনি।

এটা সবে শুরু। ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষের পথে আমাদের যাত্রা শুরু হলো। আপনারা পাশে থাকুন। নেতাজির আদর্শকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে আমাদের সাহায্য করুন।

জয় হিন্দ
বন্দে মাতরম

বিনীত -
নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম (পরিবার)

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

18/10/2026

I got over 4,400 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

18/10/2026

যে ভাষণ বদলে দিয়েছিল অনেক কিছু:
১৯৪২ সালের হ্যামবুর্গে নেতাজির সেই ঐতিহাসিক জার্মান বক্তৃতা

এটা শুধু একটা বক্তৃতা ছিল না, এটা ছিল স্বাধীন ভারতের জন্মের প্রথম ঘোষণা।

নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম এর পক্ষ থেকে আজ সেই ইতিহাসের পাতা থেকে তুলে আনা এক অসাধারণ দেশপ্রেমের গল্প।

১৯৪১ সালের জানুয়ারিতে ব্রিটিশের চোখে ধুলো দিয়ে কলকাতা থেকে মহানিষ্ক্রমণ। কাবুল, মস্কো হয়ে বার্লিন। নেতাজি ভেবেছিলেন হিটলারের জার্মানি তাঁকে অস্ত্র, অর্থ দিয়ে সাহায্য করবে ভারত আক্রমণ করতে। কিন্তু বার্লিনে গিয়ে তিনি বুঝলেন, হিটলার ভারত নিয়ে মোটেও আগ্রহী নয়।

তিনি হতাশ হননি। শত্রুর দেশে বসেই তিনি গড়তে শুরু করলেন এক নতুন ভারতের ভিত।

আর সেই ভিতের সবচেয়ে শক্ত পাথরটি গাঁথা হয়েছিল ১৯৪২ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর, জার্মানির হ্যামবুর্গ শহরে।

হোটেল আটলান্টিকে কী ঘটেছিল সেদিন?

সেদিন হ্যামবুর্গের বিখ্যাত হোটেল আটলান্টিকে প্রতিষ্ঠা হল "Deutsch-Indische Gesellschaft" - ভারত-জার্মান সংঘের। উদ্দেশ্য - দুই প্রাচীন সভ্যতার মধ্যে সাংস্কৃতিক ও দার্শনিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।

উপস্থিত ছিলেন হ্যামবুর্গের মেয়র ডঃ ক্রোগম্যান, জার্মানির বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি, বিদেশি কূটনীতিক, এবং মধ্যমণি হয়ে ছিলেন এক বাঙালি - সুভাষচন্দ্র বসু।

এখানেই তিনি দিলেন সেই ঐতিহাসিক বক্তৃতা। জার্মান ভাষায় তিনি বললেন, তিনি চান স্বাধীন ভারত এবং জার্মানি পাশাপাশি বিজয়ীর বেশে দাঁড়াক।

কিন্তু ভাষণ শেষ হতেই যা হল, তাতে ইতিহাস বদলে গেল -

তিনটি ঘটনা একসাথে ঘটল, যা আজও আমাদের পরিচয়:

১. প্রথমবার বাজল 'জন গণ মন': সেদিন নেতাজির বক্তৃতার পর রেডিও হ্যামবুর্গের চেম্বার অর্কেস্ট্রা প্রথমবারের মতো বাজালো রবীন্দ্রনাথের লেখা 'জন গণ মন'। নেতাজি ঘোষণা করলেন, এটাই হবে স্বাধীন ভারতের জাতীয় সঙ্গীত। তার ৮ বছর পর, ১৯৫০ সালের ২৪শে জানুয়ারি ভারতের গণপরিষদ সেটাই গ্রহণ করল।

২. জন্ম হল 'জয় হিন্দ' ধ্বনির:জার্মানিতে থাকাকালীনই নেতাজি চালু করলেন এক নতুন অভিবাদন - 'জয় হিন্দ'। যাতে হিন্দু-মুসলমান, জাত-পাত সব ভুলে ভারতীয়রা একসাথে একে অপরকে ডাকতে পারে। এই হ্যামবুর্গের মঞ্চই ছিল সেই নতুন ভারতের সূচনা।

৩. 'নেতাজি' নামের জন্ম: জানেন কি, আমাদের প্রাণের 'নেতাজি' নামটি প্রথম কোথায় ব্যবহার হয়? জার্মানিতেই। ১৯৪২ সালের শুরুর দিকে আজাদ হিন্দ ফৌজের ভারতীয় সৈন্যরা এবং বার্লিনে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের কর্মীরাই প্রথম তাঁকে শ্রদ্ধাভরে 'নেতাজি' বলে ডাকতে শুরু করেন।

হ্যামবুর্গের সেই বক্তৃতা হিটলারকে টলাতে পারেনি, কিন্তু হাজার হাজার যুদ্ধবন্দী ভারতীয় সৈনিকের বুকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। উত্তর আফ্রিকায় ব্রিটিশদের হয়ে যুদ্ধ করা ৩০০০ ভারতীয় যুদ্ধবন্দী নেতাজির ডাকে সাড়া দিয়ে যোগ দিলেন ইন্ডিয়ান লিজিয়নে- ব্রিটিশের বিরুদ্ধে লড়তে।

নেতাজি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন - স্বাধীনতা ভিক্ষা করে পাওয়া যায় না, তা ছিনিয়ে নিতে হয়। দেশের ভিতরে না পারলে বিদেশের মাটি থেকেই যুদ্ধ শুরু করতে হয়।

এই হলেন আমাদের নেতাজি। যিনি জার্মানির মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত বাজিয়েছিলেন, যখন ভারত তখনও পরাধীন।

এই ইতিহাস ভুলে গেলে চলবে না।

জয় হিন্দ!
নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড - এক সংগ্রাম

#নেতাজীসুভাষব্রিগেডএকসংগ্রাম

17/10/2026

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Netaji Subhas Brigade Ek Sangram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share