ISF Bhangar Assembly

ISF Bhangar Assembly

Share

All India Secular Front(ISF), Bhangar- 148 Assembly, West Bengal

14/02/2026

Photos from ISF Bhangar Assembly 's post 29/01/2026

প্রেস বার্তা
ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের একটি প্রতিনিধিদল আজ কলকাতায় দলের চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী'র নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে এসে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করেন। মূলত বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর নামে যেভাবে মানুষকে আতঙ্কিত করা হচ্ছে, সেই বিষয়ে কথা হয়। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে নওসাদ সিদ্দিকী বলেন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সন্দেশখালি বিধানসভা এলাকার বেশ কিছু গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোটারদের বিএলও মারফত কিছু কাগজ বিলি করা হচ্ছে। সেখানে অনেককে ভারতীয় নাগরিক নন বলে দেখানো হচ্ছে। কোথাও বা জীবিতকে মৃত বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে এতে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সংবিধানের ৩২৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। কমিশনের কোন এক্তিয়ার নেই কে নাগরিক, কে নাগরিক নয়, সেটা খোঁজা। নওসাদ সিদ্দিকী আরো জানান, এই বিষয়টি মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে জানালে, তিনি সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে এইধরণের কোন বিজ্ঞপ্তি তাঁর দপ্তর থেকে দেওয়া হয়নি। মূলত তাঁর কাছে দাবি জানানো হয়েছে যে যারা এই কাজে লিপ্ত তাদের খুঁজে বের করে আইনী ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে মানুষকে আশ্বস্ত করতে হবে। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জেলাশাসককে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সাংবাদিকদের আইএসএফ চেয়ারম্যান জানান, এই ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত থাকতে পারে। এগুলি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঐ অঞ্চলের বেশকিছু ভুক্তভোগী মানুষও নির্বাচন দপ্তরে হাজির ছিলেন। প্রতিনিধিদলে অন‌্যদের মধ্যে ছিলেন আইএসএফ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সদস্য আইনজীবী সাবির আলি, দলের দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি আবদুল মালেক মোল্লা, সন্দেশখালি বিধানসভার দলীয় পর্যবেক্ষক আইনজীবী পৃথ্বীরাজ বিশ্বাস।
২৯/১/২৬

আইএসএফ, ভাঙড় বিধানসভা

29/01/2026

উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকের আগরহাটি, বায়েরমারি-১, বায়েরমারি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি সহ বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের বেনাগরিক বলে, জীবিতকে মৃত বলে আতঙ্কিত করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার আবেদন জানিয়ে আইএসএফ চেয়ারম্যান, বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করে মিডিয়ার সামনে বক্তব্য রাখেন।

আইএসএফ, ভাঙড় বিধানসভা

29/01/2026

নরেন্দ্রপুরের নাজিরাবাদে শ্রমিকদের পুড়িয়ে মারার প্রেক্ষিতে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির প্রতিক্রিয়া

পূর্ব কলকাতার বিস্তীর্ণ জলাভূমিকে ২০০২ সালের আগষ্টে 'রামসার এলাকা' বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপর একদশক পরে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারে আসার পর থেকে জমির চরিত্র বদলাতে শুরু করে। জমি মাফিয়াদের হাতে চলে যায় নিয়ন্ত্রণ। জলাভূমি বুজিয়ে আইনকানুনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একের পর এক সংস্থার গোডাউন তৈরি হয়। ঐ মোমো কোম্পানির গোডাউনও ঐভাবে হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে সোনারপুর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কের স্বামী জমির মাফিয়াদের অন্যতম। রামসার এলাকার অনেকটা অংশ ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যেও পড়ে। ২০২১ সালে বিধায়ক নির্বাচিত হবার পর থেকে আইএসএফ চেয়ারম্যান নওসাদ সিদ্দিকী বারেবারে বিধানসভার মধ্যে এই বেআইনীভাবে জলাভূমি বুজিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে মুখর হয়েছেন। বিধায়ক ও আইএসএফের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য শাসকদলের সর্বোচ্চ স্তর থেকে শুরু করে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কাছে চিঠিচাপাটি গেছে। কিন্তু তাদের কোন হেলদোল নেই।

এইভাবে আজ যখন অসহায় শ্রমিকদের বলতে গেলে পুড়িয়ে মারা হলো, এর বর্বরতার দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। এখনও পর্যন্ত ঐ মোমো কোম্পানির মালিকদের গ্রেফতার করা হয়নি কেন? তলে, তলে এখানেও কি টাকার লেনদেন চলছে?

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি'র দাবী মৃত শ্রমিকদের পরিবারকে উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পরিবার পিছু একজনকে সরকারী চাকরি দিতে হবে। ঐ কোম্পানির মালিকদের এই পরিবারগুলিকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য বাধ্য করতে হবে। কোম্পানির মালিকদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে জামিন অযোগ্য ধারায় বিচার করতে হবে। এর পাশাপাশি নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে অবিলম্বে দমকল মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। কতটা অপদার্থ, অমানবিক হলে এই মন্ত্রী ঘটনাস্থলে আসেন ৩২ ঘন্টার পর?
২৮/১/২৬

29/01/2026

আগত হাই মাদ্রাসা, আলিম ও ফাজিল পরীক্ষার্থীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।
প্রত্যেকের সার্বিক সফলতা কামনা করি।
শুভেচ্ছান্তে,
আইএসএফ, ভাঙড় বিধানসভা

28/01/2026

"লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি"র নামে গোটা রাজ্য জুড়ে সাধারণ মানুষ অহেতুক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অনেকে আত্মহত্যাও করেছেন। এর বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট সোচ্চার হয়ে মাঠে, ময়দানে প্রচার চালাচ্ছে। এবার বিধানসভাতেও নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপন করা হল। আজ রুল ১৮৫ অনুসারে বিধানসভায় লিখিত নিন্দা প্রস্তাব জমা করলেন ভাঙড়ের বিধায়ক ও পার্টির চেয়ারম্যান মহঃ নওসাদ সিদ্দিকী।

আইএসএফ, ভাঙড় বিধানসভা।

26/01/2026

রেল মানচিত্রে ভাঙড়কে যুক্ত করার দাবি—রেলমন্ত্রীকে চিঠি নওশাদ সিদ্দিকীর
শিয়ালদহ থেকে ঘটকপুকুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত রেল সংযোগ প্রকল্পের সমীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।
চিঠিতে তিনি ভাঙড় এলাকাকে রেল মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করার জোরালো আর্জি জানান।
নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, এই রেল সংযোগ বাস্তবায়িত হলে ভাঙড়সহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের যাতায়াত ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড়সড় পরিবর্তন আসবে।

আইএসএফ, ভাঙড় বিধানসভা।

| #ভাঙ্গড় |

26/01/2026

ভোটাধিকার দিবস শুধু একটি স্মরণদিন নয়, এটি গণতন্ত্রের আত্মপরীক্ষার মুহূর্ত। ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া এখন চলছে। তখন এর তাৎপর্য বিপুল। ভোটাধিকার নাগরিকের সেই মৌলিক ক্ষমতা, যার মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতার উপর জনসাধারণের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। দক্ষিণপন্থীরা ক্ষমতাসীন হয়ে এটার পরিবর্তন ঘটিয়ে দিচ্ছে। এখন রাষ্ট্র জনসাধারণের ওপর এমন সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে যে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। সাংবিধানিক অধিকার ক্রমশই আনুষ্ঠানিকতায় রূপ নিচ্ছে—বাস্তব অংশগ্রহণ, সচেতনতা ও বিশ্বাসের সংকটে।
একদিকে অর্থবল, ধর্মীয় মেরুকরণ ও বিভ্রান্তিকর প্রচার ভোটকে প্রভাবিত করছে; অন্যদিকে বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি ও সামাজিক বৈষম্যের মতো মৌলিক প্রশ্নগুলো নির্বাচনী রাজনীতির প্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ভোটার হয়ে উঠছেন ‘সংখ্যা’, নাগরিক নন। ফলে ভোট দেওয়ার অধিকার থাকলেও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে ভোটাধিকার দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ভোট শুধু ব্যালট বাক্সে একটি চিহ্ন নয়, এটি প্রশ্ন তোলার, জবাবদিহি দাবি করার এবং ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ করার অধিকার। গণতন্ত্র টিকে থাকে ভোটারদের নীরবতায় নয়, তাদের সচেতন অংশগ্রহণে।

আইএসএফ, ভাঙড় বিধানসভা

23/01/2026

শোক সংবাদ
ভাঙড় মহাবিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র এবং হাড়োয়া গোয়ালপোতা গ্রামের স্টুডেন্টস ফ্রন্ট এর তরুণ ও সাহসী ছাত্রনেতা মইদুল ইসলাম বিধাননগরে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। তাঁর আত্মার চির শান্তি কামনা করি। পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।

আইএসএফ, ভাঙড় বিধানসভা

23/01/2026

আইএসএফের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে কলকাতার শহীদ মিনারে যে জনপ্লাবন, সেটা এককথায় ঐতিহাসিক।

অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট, ভাঙড় বিধানসভা।

23/01/2026

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন বহু অসামান্য ব্যক্তিত্বকে আমাদের সামনে নিয়ে এসেছে। তার মধ্যে বোধহয় সুভাষচন্দ্র অন্যতম উজ্জ্বল এক চরিত্র। পরাধীন দেশকে মুক্ত করতে সুভাষচন্দ্র যে দুর্জয় সাহসের পরিচয় দিয়েছিলেন তা এক কথায় অতুলনীয়। কোটি, কোটি মানুষের চোখে তিনি একজন আইকন। এই রাজনৈতিক দুর্যোগের সময়ে যেখানে রাজনৈতিক দল ও নেতারা দুর্নীতি, ঘৃণা, গণতন্ত্র হত্যার মতো জঘন্য খেলায় মেতেছে উঠছে তখন নেতাজির সমাজ-রাজনৈতিক, সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক আদর্শ, তাঁর জাতি-দেশ গঠনের ভুমিকা ও প্রচেষ্টাকে প্রচার ও প্রসারের মাধ্যমেই আমরা এক আদর্শ দেশ ও সমাজ পেতে পারি।
তিনি জন্মেছিলেন ১৮৯৭ সালে আজকের দিনে ওড়িশার কটকে। তিনি ছিলেন কংগ্রেস দলের বামপন্থী নেতা। পরে, কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৈরি করেন ফরওয়ার্ড ব্লক। ছিলেন আজাদ হিন্দ ফৌজ (ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি)-র সর্বাধিনায়ক। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে তাঁর উচ্চশিক্ষা শুরু হয়। পরে স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে দর্শনে অনার্স ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯১৯ সালে ইংল্যান্ডে গিয়ে সাফল্যের সাথে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন। কিন্তু সিভিল সার্ভিস থেকে ইস্তফা দিয়ে চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বে ভারতের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯২৪ সালে সুভাষ বসুকে কলকাতা কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিযুক্ত করা হয়। ১৯৩০ সালে তিনি অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে গান্ধীর লবণ সত্যাগ্রহ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন এবং এ জন্য তাঁকে আবার কারারুদ্ধ করা হয়। জেল থেকে মুক্তি লাভের পর তিনি ১৯৩১-এর গান্ধী-আরউইন চুক্তির বিরোধিতা করেন। ১৯৩৮ সালে সুভাষ সর্বসম্মতিক্রমে কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হন। পরের বছর তিনি ঐ একই পদে পুনঃনির্বাচিত হন। দলের আভ্যন্তরীণ কোন্দলের দরুন ১৯৩৯ সালের এপ্রিলে তিনি কংগ্রেস সভাপতি পদে ইস্তফা দেন। তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচার ও জোরদার করার জন্য তিনি ঐ বছরই কংগ্রেসের ভেতরেই ফরওয়ার্ড ব্লক প্রতিষ্ঠা করে সাধারণভাবে সারা ভারতে এবং বিশেষ করে বাংলায় বিপ্লবী শক্তিগুলিকে সুসংহত করতে প্রয়াসী হন।
তিনি ফরওয়ার্ড ব্লক ও কিষাণ সভার যুক্ত উদ্যোগে ১৯৪০ সালের মার্চে বিহারের রামগড়ে এক আপোসবিরোধী সম্মেলনের আয়োজন করেন। ১৯৪০ সালের জুন মাসে নিখিল ভারত ফরওয়ার্ড ব্লকের নাগপুর অধিবেশনে তাঁর নেতৃত্বে ভারতে অস্থায়ী জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপন করা হয়। ১৯৪০ সালের জুলাই মাসে সুভাষচন্দ্র বসুকে কলকাতার হলওয়েল মনুমেন্ট অপসারণ আন্দোলনে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। কারাবন্দি থাকাকালে তিনি অনশন ধর্মঘট শুরু করেন এবং ডিসেম্বর মাসে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে স্বগৃহে অন্তরীন হন। কিন্তু ১৯৪১ সালের ২৬ জানুয়ারি সুভাষচন্দ্র গোপনে কলকাতা ত্যাগ করেন। পরে কাবুল হয়ে বিপদসঙ্কুল পথ পেরিয়ে রাশিয়ায় যান। সেখান থেকে বার্লিনে পৌঁছানোর পর তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন সংগঠনের জন্য জার্মানির সমর্থন লাভ করেন। তিনি ভারতের জন্য অস্থায়ী স্বাধীন সরকার গঠন করেন এবং বার্লিন থেকে নিয়মিত বেতার সম্প্রচারের মাধ্যমে তাঁর ধ্যানধারণা প্রচার করতে থাকেন। তিনি জার্মানি থেকে জাপানের সঙ্গেও যোগাযোগ স্থাপন করেন। জার্মানি ও জাপান সরকারের সমর্থন লাভ করে সুভাষ সিঙ্গাপুর অভিমুখে একটি সাবমেরিনে তাঁর যাত্রা শুরু করেন এবং ১৯৪৩ সালের ২ জুলাই সেখানে পৌঁছেন। জাপানিদের হাতে ভারতীয় যুদ্ধবন্দিরা সিঙ্গাপুরে তাঁর উপস্থিতিতে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা প্রকাশ করে। ইতিমধ্যে জাপানে অবস্থানরত অন্যতম ভারতীয় বিপ্লবী রাসবিহারী বসু পূর্ব এশিয়ায় ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন সংগঠিত করেন। তিনি আজাদ হিন্দ ফৌজ (Indian National Army) গঠন করেন। রাসবিহারী বসু আনুষ্ঠানিকভাবে আজাদ হিন্দ ফৌজের দায়িত্বভার সুভাষ বসুকে অর্পণ করেন। ১৯৪৩ সালের ২৫ আগস্ট সুভাষ আই.এন.এ-র (INA) সর্বাধিনায়ক হন এবং ঐ একই বছর ২১ অক্টোবর অস্থায়ী আজাদ হিন্দ সরকার গঠনের কথা ঘোষণা করেন। ১৯৪৪ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি রেঙ্গুনে আইএনএ-র সদরদপ্তর স্থানান্তর করেন। তিনি রেঙ্গুন থেকে ভারত-বার্মা সীমান্তে ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেন এবং ভারতের দিকে অগ্রসর হন। ১৯৪৪-এর মার্চ মাসে তিনি তাঁর এ অগ্রাভিযানে ইম্ফল ও কোহিমায় দুটি ব্রিটিশ সামরিক চৌকি দখল করেন ও সেখানে স্বাধীন ভারতের পতাকা উত্তোলন করেন। ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে তাইহোকুতে এক বিমান দুর্ঘটনায় পড়েন তিনি।
আজ যখন দেশের শাসক ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্রে পরিনত করতে উঠেপড়ে লেগেছে, তখন সুভাষচন্দ্রের জীবনাদর্শের কথা ব্যাপকভাবে প্রচার করা প্রয়োজন। তাঁর ভাবনায় স্বাধীন ভারত হবে 'সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র' যেখানে প্রতিটি নাগরিক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দাসত্ব থেকে মুক্ত হবে। তিনি যে কর্মসূচি রচনা করেন তাতে কৃষক, শ্রমিক, যুবক ও নারীদের সংগঠিত করা, জাতিভেদ প্রথার অবসান ঘটানো, সর্বপ্রকার সামাজিক ও ধর্মীয় কুসংস্কার সমূলে উৎপাটন করা ইত্যাদির প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
সুভাষ চন্দ্র বসু বলতেন এক সৈনিক হিসেবে সর্বদা তিনটি আদর্শ দ্বারা চালিত হবে। এই আদর্শগুলি হল- সত্য, কর্তব্য ও আত্মবলিদান। যে সিপাহী দেশের প্রতি বিশ্বস্ত থাকে এবং দেশের জন্য কর্তব্য ও বলিদান দিতে সর্বদা প্রস্তুত থাকে, সে অজেয়। তুমিও যদি অজেয় হতে চাও তাহলে এই তিনটি আদর্শ মেনে চল। সিঙ্গাপুরে দেওয়া একটি বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন, সব থেকে বড় অপরাধ অন্যায়কে সহ্য করা এবং অন্যায়কারীর সঙ্গে সমঝোতা করা।
ভারতের এই মহান সন্তানকে কুর্নিশ জানাই।

ভাঙড় বিধানসভা, আইএসএফ

Want your business to be the top-listed Government Service in KOLKATA?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Kolkata