13/10/2025
Now, bribe is a fundamental duty of any official..
About our education and education related information..
13/10/2025
Now, bribe is a fundamental duty of any official..
প্রত্যেকটা মানুষ এখন দুর্নীতি করতে চাইছে। এর জন্যই দেশের এই বাজে অবস্থা।
2 ঘন্টার বৃষ্টি কোলকাতার জন্য বিপদ হলেও,
উত্তরে ল্যান্ডস্লাইড কিন্তু ওদের জন্য বিপদ নয়।
বাহ, ক্যা সীন হ্যায়।
বিজেপির অমানুষেরা দেশে অশান্তি তৈরি করছে।
আজও ভাষণবাজি করবেন🤣🤣
09/09/2025
🤔🤔উদ্ভিদ সূর্যালোকের দিকে আকর্ষিত হয় কেন?
👉👉👉
#বাংলা
👉👉উদ্ভিদের আলোকের দিকে আকর্ষিত বা হেলে যাওয়া ব্যাপারটিকে বলা হয় ফটোট্রপিজম (Phototropism)। বিখ্যাত ইংরেজ প্রকৃতিতত্ত্ববিদ চার্লস ডারউইন (Charles Darwin) সর্বপ্রথম এই তত্ত্বটি আবিষ্কার করেন। তিনি পরীক্ষামূলকভাবে দেখান যে গাছের ক্রমবর্ধমান অঙ্কুর আলোর দিকেই আকর্ষিত হয়। তোমরা কি জানো কেন উদ্ভিদ আলোর দিকে ঝুঁকে যায় বা কোন্ প্রক্রিয়ায় এই ঘটনা ঘটে।
👉👉আমরা জানি উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষ (Photosynthesis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্য প্রস্তুত করে এবং তা গ্রহণ করে। উদ্ভিদের পাতাগুলিতে ক্লোরোফিল (Chlorophyll) নামক সবুজ রঙের তত্ত্বরঞ্জক কণা থাকে। সূর্যকিরণের সংস্পর্শে এসে এই সবুজ কণাগুলি জল এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডকে অক্সিজেন এবং শর্করায় রূপান্তরিত করে। এই অক্সিজেন বাতাসে ছড়িয়ে যায় এবং শর্করা গাছের খাদ্যরূপে থেকে যায়। এভাবেই গাছের পাতা সালোকসংশ্লেষের মাধ্যমে খাদ্য প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে সূর্যালোকের দিকে ধাবিত হয়।
👉👉এখন প্রশ্ন হল, উদ্ভিদ এই প্রক্রিয়াটি কীভাবে সম্পন্ন করে। উদ্ভিদের বেঁচে থাকার বা বৃদ্ধির উপাদানপূর্ণ কোষগুলিকে বলে আউরিন (Aurine)। এই আউরিনগুলির প্রবণতা হল সূর্যালোক থেকে সরে যাওয়া। এই পদার্থটি পাতার অন্তর্গত কোষগুলি অপেক্ষা, অন্ধকারে থাকা কোষগুলির বিকাশসাধন দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় কারণেই গাছের শাখা এবং পাতাগুলি সূর্যের দিকে হেলে যায়। সূর্যালোকে বিনষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলেই সম্ভবত অন্ধকারের দিকের পাতার আউরিনগুলি বেশি করে কেন্দ্রীভূত হয়।
👉👉উদ্ভিদের যে অংশটি (পাতা এবং শাখা) আলোর দিকে হেলে যায় সেটিকে বলা হয় ধনাত্মক আলোক-অনুবর্তী (Positively Phototropic) এবং যে ভাগটি আলো থেকে দূরে সরে থাকে সেটিকে ঋণাত্মক আলোক-অনুবর্তী (Negatively Phototropic) বলা হয়।
👉👉একটি সহজ পরীক্ষার দ্বারা এটিকে বোঝানো যেতে পারে। একদিকে জানালাবিশিষ্ট একটি কালো রঙের বাক্স নাও। বাক্সের মধ্যে একটি টবে কয়েকটি ছোটো ছোটো গাছের চারা রেখে দাও। এখন বাক্সের জানালাটি সূর্যালোকের দিকে রাখো। কয়েকদিন পরেই আমরা দেখতে পাব যে, সব চারাগুলিই জানালার দিকে অর্থাৎ আলোকের উৎসের দিকে হেলে পড়েছে।
👉👉বস্তুত আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে গাছপালার মধ্যে এই ক্রিয়া দৃষ্টিগোচর হয় না। এর কারণ হল, গাছপালার বৃদ্ধি হয় খুব ধীরগতিতে। এই বৃদ্ধি আমরা সাধারণভাবে দেখতে পাই না। কিন্তু যদি কোনো দ্রুতগতিসম্পন্ন ফিল্মে ফটো তুলে দেখি তাহলে দেখতে পাব ফুল এবং পাতারা আশ্চর্যজনকভাবে ক্ষণে ক্ষণে বিকশিত হয়ে উঠছে।
নেতাজি কিন্তু আজকের ভারত চাননি।
শয়তান ও তার দলবল
ভালো ব্যক্তিত্বকে কখনই স্বীকার করতে পারবে না।
20/08/2025
Solar light is now the previous lamp of the streets
13/08/2025
The Giant Lizard
#বাংলা
08/08/2025
উত্তরকাশীর ধরালি গ্রামে যে বিধ্বংসী ঘটনাটি ঘটেছে, প্রাথমিকভাবে সেটিকে 'ক্লাউড বার্স্ট' বা মেঘভাঙা বৃষ্টি বলে মনে করা হলেও, আবহাওয়াবিদ এবং বিশেষজ্ঞদের মতে এর পেছনে অন্য কারণ থাকতে পারে।
#বাংলা
অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এটি আসলে গ্লেসিয়ার লেক আউটবার্স্ট ফ্লাড (GLOF) বা হিমবাহের হ্রদ ফেটে যাওয়া অথবা কোনও হিমবাহের অংশ ভেঙে পড়ার কারণে সৃষ্ট একটি বিপর্যয়। এর কয়েকটি কারণ নিচে দেওয়া হলো:
✅✅বৃষ্টির পরিমাণের অভাব: আবহাওয়া দফতরের (IMD) রেকর্ড অনুযায়ী, ঘটনার সময় উত্তরকাশী ও তার আশেপাশের অঞ্চলে খুব বেশি বৃষ্টিপাত হয়নি, যা সাধারণত মেঘভাঙা বৃষ্টির ক্ষেত্রে হয় না। মেঘভাঙা বৃষ্টিকে সংজ্ঞায়িত করা হয় যখন এক ঘণ্টার মধ্যে ১০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়। কিন্তু সেখানে তেমনটা হয়নি।
✅✅ হিমবাহের উপস্থিতি: স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবিতে দেখা গেছে যে ওই এলাকার উপরে হিমবাহ এবং হিমবাহ থেকে তৈরি হওয়া কয়েকটি হ্রদ আছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রবল বৃষ্টি বা তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারণে এই হ্রদের জল হঠাৎ করে ভেঙে নিচে নেমে আসে, যা তীব্র হড়পা বানের সৃষ্টি করে। এর ফলে কাদামাটি, পাথর এবং বরফ একসঙ্গে প্রবল গতিতে গ্রামের উপর আছড়ে পড়ে।
✅✅কেদারনাথের ঘটনার সঙ্গে মিল: এই ঘটনাটির সঙ্গে ২০১৩ সালের কেদারনাথের বিপর্যয়ের অনেক মিল রয়েছে, যেখানে মূলত হিমবাহের হ্রদ ফেটে যাওয়ার কারণেই বড় ধরনের বন্যা ও ভূমিধস হয়েছিল।
যদিও স্থানীয় কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের কাছে এটি 'ক্লাউড বার্স্ট' হিসেবেই পরিচিতি লাভ করেছে, তবে বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত বলছে, এটি মেঘভাঙা বৃষ্টি নয়, বরং একটি হিমবাহ সংক্রান্ত প্রাকৃতিক বিপর্যয়।
07/08/2025
পৃথিবীর অক্সিজেনের প্রধান উৎস আসলে গাছপালা নয়, মহাসাগর।
বন-জঙ্গলকে আমরা বেশিরভাগ সময় বলি "পৃথিবীর ফুসফুস"। কিন্তু বাস্তবে তারা মোট অক্সিজেনের মাত্র ২৮% উৎপাদন করে।
আসল নায়ক হলো ফাইটোপ্ল্যাংকটন—সমুদ্রের উপরিভাগে ভাসমান অতি ক্ষুদ্র জীব। এরা গাছের মতোই সূর্যালোক ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি করে। এই ক্ষুদ্র প্রাণীরাই পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের অন্তত ৫০% উৎপাদন করে।
মজার ব্যাপার কী—আমরা যে অক্সিজেন শ্বাসের সাথে নিই তার বেশিরভাগই বায়ুমণ্ডলে জমা হয়েছে কোটি কোটি বছর ধরে। এই সঞ্চয়ে অবদান রেখেছে উভয়ে—জমিনের গাছপালা আর দরিয়ার প্রাণীকূল।
এরপর থেকে বুকভরে শ্বাস নেবার সময় মনে রাখবেন: শুধু গাছপালা নয়, পৃথিবীর বেশিরভাগ জায়গা জুড়ে থাকা নীল মহাসাগরই আসলে আমাদের প্রাণবায়ুর প্রধান উৎস।
Collected