NCP Diaspora Italy

NCP Diaspora Italy

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from NCP Diaspora Italy, Rupayan Trade Center, Level 15, 114 Kazi Nazrul Islam Avenue, Dhaka.

জুলাই অভ্যুত্থানে অসামান্য অবদান রাখা প্রবাসী বাংলাদেশিদের রাষ্ট্র পুনর্গঠনমূলক কাজে সংগঠিত করার লক্ষ্যে এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি।

10/06/2026
06/06/2026

Who is coming as a student in 🇮🇹 from Bangladesh

05/06/2026

Congratulations 🎉

05/06/2026

সান মারিনোর মাটিতে ইতিহাস গড়ার প্রত্যয়ে মাঠে নামছে বাংলাদেশ
----------------------------------------------

আজ, ০৫ জুন ২০২৬, সান মারিনো-র বিপক্ষে সান মারিনো স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মাঠে নামছে আমাদের গর্ব, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল।

আমরা বিশ্বাস করি- দেশে ও ইতালিসহ সারাবিশ্বে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভালোবাসা ও সমর্থনে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল দেশের জন্য সাফল্য বয়ে নিয়ে আসবে।

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাদের প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম-এর আন্তরিক শুভেচ্ছা, সমর্থন ও শুভ কামনা রইল।

এগিয়ে যাও বাংলাদেশ!
জয় হোক লাল-সবুজের। 🇧🇩⚽

Embassy of Bangladesh, Rome, Italy

01/06/2026

NCP Diaspora Italy really appreciates the initiative taken by the Embassy of Italy 🇮🇹 in Dhaka, Bangladesh.

Ambasciata d'Italia a Dhaka - Embassy of Italy in Dhaka

01/06/2026

লাল-সবুজ এখন সান মারিনোতে - শুভকামনা টাইগারদের জন্য
------------------------------------------------

সান মারিনোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলতে আজ বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল রোমের ফিউমিচিনো এয়ারপোর্টে পৌঁছেছে। দূতাবাসের পক্ষ থেকে দূতালয় প্রধান জনাব মোঃ মারজুক ইসলাম বাংলাদেশ ফুটবল দলকে এয়ারপোর্টে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশ দল রোম থেকে বাসযোগে সান মারিনোর উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। আগামী ০৫ জুন ২০১৬ তারিখে সান মারিনোর সেরাভাল্লে অলিম্পিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বাংলাদেশ ফুটবল দলের জন্য শুভকামনা।

01/06/2026

সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্র এস আলম গ্রুপের মাধ্যমে ব্যাংক খাত দখল ও বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বিষয়টি নতুন নয়; বরং বহু বছর ধরে এ নিয়ে নানা আলোচনা ও অভিযোগ ছিল। প্রশ্ন হচ্ছে—যখন ঘটনাগুলো ঘটছিল, তখন সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে তথ্য থাকা সত্ত্বেও কেন সেগুলো সামনে আনা হয়নি? এখন হঠাৎ করে এই প্রতিবেদন প্রকাশের পেছনে রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার পরিবর্তনও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে সামনে এসেছে।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ বহুদিনের। কিন্তু এত বড় আর্থিক অনিয়মের পরও জনপরিসরে শক্তিশালী রাজনৈতিক আলোচনা, কার্যকর তদন্ত কিংবা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা খুব কমই দেখা গেছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে—পাচার হওয়া অর্থ দেশের বাইরে চলে গেলে তা পুনরুদ্ধার করা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া।

বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে তীব্র বিভাজন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক দলের অনুসারীরা বর্তমান সরকার, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি কিংবা নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মগুলোর ভুলত্রুটি ও বিতর্কিত বিষয়গুলোকে আক্রমণাত্মকভাবে প্রচার করছে। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতবিরোধ ব্যক্তিগত আক্রমণ, হুমকি এবং অসহিষ্ণুতার পর্যায়ে পৌঁছে যাচ্ছে। এর পেছনে একটি বড় কারণ হলো—দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অভিযোগগুলোর দৃশ্যমান বিচার প্রক্রিয়া এখনো যথেষ্ট শক্তিশালীভাবে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া।

রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমা ও পুনর্মিলনের গুরুত্ব থাকলেও, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাও সমানভাবে জরুরি। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক ব্যক্তি এখনো প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে অবস্থান করছেন—এমন অভিযোগ জনপরিসরে ব্যাপকভাবে আলোচিত। সমালোচকদের মতে, প্রশাসনিক এই প্রভাবের কারণেই অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি সহজেই দেশত্যাগ করতে সক্ষম হয়েছে, যখন সাধারণ কর্মী বা সমর্থকেরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে, বর্তমান বিরোধী রাজনীতির মধ্যেও পারস্পরিক দোষারোপ, অভ্যন্তরীণ বিভাজন এবং ব্যক্তি আক্রমণের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড কিংবা রাজনৈতিক সংস্কারের চেয়ে অনেক সময় ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিতর্ক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক প্রচারণা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। এর ফলে গঠনমূলক রাজনৈতিক চর্চা দুর্বল হয়ে পড়ছে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ব্যক্তিত্বও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের অপপ্রচার ও ব্যক্তিগত আক্রমণের শিকার হয়েছেন। এটি দেখায় যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে তথ্য-প্রমাণভিত্তিক সমালোচনার পরিবর্তে অনেক সময় চরিত্রহনন ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা সহজ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

গণতন্ত্রের জন্য সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি, তথ্যভিত্তিক সমালোচনা এবং পারস্পরিক সহনশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিকদের উচিত যেকোনো রাজনৈতিক সংবাদ বা প্রচারণা যাচাই-বাছাই করে দেখা এবং আবেগের পরিবর্তে তথ্য ও যুক্তির ভিত্তিতে মতামত গঠন করা। কারণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, বিভাজন এবং অবিরাম সংঘাতের সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে এগোতে পারবে না।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Rupayan Trade Center, Level 15, 114 Kazi Nazrul Islam Avenue
Dhaka