Jaago Bahey-জাগো বাহে

Jaago Bahey-জাগো বাহে

Share

আমরা জনগণকে সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে শিক্ষিত ও সচেতন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

16/05/2026

ভারতের বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া প্রসঙ্গে

বন্ধুত্বের প্রকৃত ভিত্তি কাঁটাতারের বেড়া নয়, বরং পারস্পরিক আস্থা, সম্মান এবং ন্যায়সঙ্গত আচরণ। সীমান্তে কাঁটাতার নিরাপত্তার প্রতীক হতে পারে, কিন্তু তা মানুষের হৃদয়ের দূরত্ব কমায় না। সত্যিকারের বন্ধুত্ব দেয়াল নির্মাণ করে না—সেতুবন্ধন গড়ে তোলে।

16/05/2026

ব্যাংকিং খাতে লুটপাট
লেখক: এম কবির হাসান প্রফেসর অব ফিন্যান্স এবং মফেট চেয়ার প্রফেসর, ইউনিভার্সিটি অব নিউ অরলিন্স, যুক্তরাষ্ট্র।

📌 প্রবন্ধের সারকথা
১. ব্যাংকিং সংকটের মূল কারণ কারিগরি নয়, নৈতিক
লেখকের মতে, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সমস্যাকে অনেকেই অনাদায়ী ঋণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বা নিয়ন্ত্রক দুর্বলতার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখেন। কিন্তু প্রকৃত সমস্যা আরও গভীরে—রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি এবং নৈতিক পতন।
________________________________________
২. খেলাপি ঋণের ভয়াবহ চিত্র
২০২৪ সালের শেষ নাগাদ অনাদায়ী ঋণের হার ২০.২ শতাংশে পৌঁছেছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড পর্যায়ের। এর প্রায় ৮০ শতাংশই রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর। এটি দেখায় যে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলো রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
________________________________________
৩. গবেষণার ফলাফল: রাজনৈতিক হস্তক্ষেপই প্রধান কারণ
লেখকের গবেষণায় ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক, একাডেমিয়া ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে:
• ২৮% উত্তরদাতা নৈতিক ব্যর্থতার প্রধান কারণ হিসেবে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপকে চিহ্নিত করেছেন।
• ৭৫% বলেছেন, দলীয় চাপের কারণে ঋণ অনুমোদন ও পুনঃতফসিলীকরণে ব্যাপক আপস হয়েছে।
• একজনও প্রযুক্তিগত অদক্ষতাকে প্রধান কারণ বলেননি।
________________________________________
৪. রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ব্যাংক লুট
লেখক উদাহরণ হিসেবে Beximco Group এবং S. Alam Group-এর কথা উল্লেখ করেছেন।
• বেক্সিমকো একাই Janata Bank থেকে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।
• এস আলম গ্রুপ Islami Bank Bangladesh PLC-সহ একাধিক ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়ে আর্থিক ব্যবস্থা দুর্বল করেছে।
________________________________________
৫. ইসলামি ব্যাংকিংও রাজনৈতিক দখলের শিকার
ইসলামি ব্যাংকিংয়ের নৈতিক ভিত্তি—সুদবিরোধিতা, সম্পদভিত্তিক অর্থায়ন, স্বচ্ছতা—থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক শক্তি এসব প্রতিষ্ঠানকেও নিয়ন্ত্রণ করেছে। শরিয়াহ সুপারভাইজরি বোর্ড অনেক ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় বা প্রভাবিত হয়েছে।
________________________________________
৬. বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা
লেখক দেখিয়েছেন যে Bangladesh Bank-ও অনেক ক্ষেত্রে নীরব দর্শক বা সহযোগীর ভূমিকা পালন করেছে। নিয়ম শিথিলকরণ, সুদের হার কৃত্রিমভাবে নির্ধারণ, পরিদর্শন স্থগিত রাখা—এসব সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে।
________________________________________
৭. আইন যথেষ্ট নয়, দরকার নৈতিক পুনর্গঠন
২০২৫ সালের ‘ব্যাংক রেজোল্যুশন অর্ডিন্যান্স’কে লেখক ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তবে তাঁর মতে, আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়; রাজনৈতিক সদিচ্ছা, নৈতিক নেতৃত্ব এবং প্রতিষ্ঠানগত স্বাধীনতা ছাড়া প্রকৃত সংস্কার সম্ভব নয়।
________________________________________
🎯 লেখকের মূল বার্তা
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সংকটকে কেবল আর্থিক বা প্রশাসনিক সমস্যা হিসেবে দেখলে হবে না। এটি মূলত একটি নৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট। যতদিন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ না হবে, ততদিন কোনো প্রযুক্তিগত সংস্কারই কার্যকর হবে না।
________________________________________
🏛️ বৃহত্তর শিক্ষা
এই নিবন্ধের অন্তর্নিহিত শিক্ষা হলো:
প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয় তখনই, যখন নৈতিকতা ও জবাবদিহি ভেঙে পড়ে।
একটি দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা তার অর্থনীতির হৃদপিণ্ড। যদি এই হৃদপিণ্ড রাজনৈতিকভাবে আক্রান্ত হয়, তবে পুরো অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

25/04/2026

📢 সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা সেবা—আহ্বান, নাকি বাস্তবতা?
সমাজকল্যাণমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কিন্তু এমন আহ্বান নতুন কিছু নয়—এর আগেও বহুবার বলা হয়েছে, অথচ বাস্তবে দৃশ্যমান পরিবর্তন খুবই সীমিত।
⚠️ সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা কী বলে?
👉 প্রায় সময় ডাক্তার পাওয়া যায় না—তারা প্রাইভেট ক্লিনিকে কাজ করেন।
👉 যন্ত্রপাতি ও ওষুধ সব চুরি হয়ে যায়

৫০ বছর আগের সরকারি হাসপাতালের অবস্থা বর্তমানের চেয়ে ভালো ছিল।
🔴 প্রশ্ন হলো—এ অবস্থা কিভাবে বদলাবে?
শুধু নির্দেশ বা আহ্বানে নয়,
👉 জনগণের সক্রিয় ভূমিকা ছাড়া স্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়
👥 কী করতে পারে জনগণ?
• স্থানীয়ভাবে সংগঠিত হওয়া
• হাসপাতালের সেবা পর্যবেক্ষণ করা
• হাসপাতাল প্রশাসনের উপর সামাজিক চাপ সৃষ্টি করা
• অনিয়মের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে আওয়াজ তোলা
✅ জবাবদিহিতা নিশ্চিত হলে তবেই সেবার মান উন্নত হবে।
স্বাস্থ্যসেবা কোনো দয়া নয়—
👉 এটি জনগণের অধিকার।

30/03/2026

📢 ইরানের যুদ্ধ কোন দিকে যাচ্ছে?

বিশ্বের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানকে যেহেতু কাবু করা যায়নি, তাই আমেরিকার পরবর্তী পদক্ষেপ হতে পারে স্থলপথে আক্রমণ। তারা এটাও মনে করেন যে এটি আমেরিকার জন্য আত্মঘাতী হতে পারে। মনে রাখতে হবে ইরান এই যুদ্ধের জন্য প্রায় ৩০ বছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আমেরিকার স্থল আক্রমণের ক্ষেত্রে যা হতে পারে—
👉 আমেরিকা হয়তো প্রাথমিকভাবে কিছু সাফল্য লাভ করবে, কিন্তু দ্রুতই এটি ভিয়েতনাম, ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে পরিণত হবে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে ইরানের পাতা এই ফাঁদে পা দিলে আমেরিকার কপালে অনেক খারাবি আছে।
👉 যুদ্ধ দীর্য় হলে ইরান পারমাণবিক বোমা তৈরি করে ফেলবে, যার ফলে ইসরাইল বা আমেরিকা তার ওপর সহজে পারমাণবিক হামলা চালাতে আর সাহস পাবে না।
👉 নিজ দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে দীর্ঘ সময় ইরানের মত একটি শক্তির সাথে যুদ্ধ চালালে আমেরিকার সামরি শক্তি ও অর্থনীতি ব্যাপক সম্পুর্ণ ধশে পড়বে। ফলে সুপারপাওয়ার হিসেবে তার অবস্থান আর থাকবে না-তার অবস্থা হবে ব্রিটেনে মত কাগজের বাঘ।
👉 আমেরিকা দুর্বল হওয়ার কারনে ইসরাইলকে সাহায্য করার ক্ষমতা সে হারাবে। ফলে ইসরাইলের অস্তিত্ব সংকট দেখা দিবে এবং সে ইরানের উপর পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের করবে। ইরান এত বড় যে কয়েকটি বোমা তাকে নিশ্চিন্ন করতে পারবে না।
👉 ইরান পাল্টা পরমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে। ইসরাইল একটি ছোট দেশ (চট্টগ্রাম বিভাগের চেয়েও ছোট), তাই সে হয়ত পৃথিবীর মানচিত্র হতে উদাও হয়ে যাবে।
👉 মধ্যপ্রাচ্যের দেশে রাজনৈতিক রাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার অবসান ঘটবে-কারনে রাজতন্ত্র এখনও টিকে আছে আমেরিকার সাহয্যে ।
________________________________________
🙏 আমরা কেউই এমন পরিস্থিতি চাই না।
আমরা চাই শান্তি। আশা করা যায়, শান্তির একটি পথ বের হবে—অথবা সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলো সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি বুঝে পিছিয়ে আসবে।
মনে রাখতে হবে—ইরান এখন এমন এক অবস্থায় পৌঁছেছে, যেখানে তাদের পিছু হটার সুযোগ খুবই সীমিত।

26/03/2026

সাপ্তাহিক খবর সারসংক্ষেপ: ২৭ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার

🔴 ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি: কূটনৈতিক সমাধানের আভাস
ইরান–ইসরাইল–আমেরিকা উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র এখন সংঘাত থেকে বের হওয়ার কূটনৈতিক পথ খুঁজছে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় ভবিষ্যতে স্থল অভিযানের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা চলছে। তবে সামরিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন—এ ধরনের পদক্ষেপ সংঘাতকে আরও দীর্ঘ ও জটিল করতে পারে।

⛽ মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব: এশিয়ায় জ্বালানি সংকট
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইনে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ভোক্তা পর্যায়ে দীর্ঘ লাইনের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

🚨 টেকনাফ সীমান্তে বিপুল ইয়াবা উদ্ধার
কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। অভিযানের সময় পাচারকারীরা মাদক ফেলে পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষ।

🏛️ স্বাধীনতা দিবস অনুষ্ঠান বর্জন: রাজনৈতিক বিতর্ক
ঝিনাইদহের মহেশপুরে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দেয়। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।

⚫ দৌলতদিয়ায় বাসডুবি: নিহত বেড়ে ২৬
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় একটি যাত্রীবাহী বাস নদীতে ডুবে যায়। উদ্ধার অভিযান শেষে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ জনে। প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন তথ্য পাওয়া গেলে উদ্ধার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

🚗 ঈদে যমুনা সেতুতে টোল আদায় সাড়ে ১৭ কোটি টাকা
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় যমুনা সেতুতে গত আট দিনে প্রায় ১৭.৬৫ কোটি টাকার টোল আদায় হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

📊 স্বচ্ছতার উদাহরণ: ব্যয়ের তালিকা প্রকাশ
ঈদ উপলক্ষে সরকারি বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ করে স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

👮 মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিতে গিয়ে এক এএসআই-এর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে শোকের সৃষ্টি করেছে।

📌 সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ:
বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সংঘাতের প্রভাব শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়—এর প্রভাব অর্থনীতি, জ্বালানি সরবরাহ ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায়ও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

21/03/2026
18/03/2026

📢 ঢাকার ঈদবাজারে পাঁচ লাখ টাকার পাঞ্জাবি—আরেক প্রান্তে বঞ্চনার গল্প

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর অভিজাত বিপণিবিতানগুলোতে জমে উঠেছে পাঞ্জাবির বাজার। এ বছরের ঈদবাজারে দামের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে বনানীর বুটিক ব্র্যান্ড ‘হাউস অব আহমেদ’। এখানে একটি পাঞ্জাবির দাম পৌঁছেছে পাঁচ লাখ টাকায়।

অন্যদিকে একই দেশের আরেক প্রান্তে ভিন্ন এক বাস্তবতা—
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ছোট বান্দেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জোহরা বেগম (৪০)। তিনি ও তাঁর স্বামী শফিকুল ইসলাম—দুজনেই দিনমজুর। ঈদ উপলক্ষে কী পরিকল্পনা—এ প্রশ্নে তিনি জানান, নিজের জন্য নয়, সন্তানের জন্য একটি নতুন পোশাক কিনতে না পারার কষ্টই তাকে সবচেয়ে বেশি পীড়া দিচ্ছে।

💔 এক দেশে দুই বাস্তবতা—একদিকে বিলাসিতা, অন্যদিকে বঞ্চনা।

❓ ১৯৭১ এবং ২০২৪-এর প্রতিজ্ঞা ছিল ধনী-গরিবের ব্যবধান কমিয়ে আনা।
👉 প্রশ্ন হচ্ছে—সেই প্রতিজ্ঞা কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে?

13/03/2026

📰 সাপ্তাহিক খবর | শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

✈️ ইরাকের আকাশে মার্কিন কেসি-১৩৫ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরাকের আকাশসীমায় একটি মার্কিন KC-135 রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম), যা বর্তমানে ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি তদারকি করছে।

🛫 কাতারে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইটের উদ্যোগ
উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কাতারে আটকে পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের দেশে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে দোহাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। এ বিষয়ে কাতার সরকার ও কাতার এয়ারওয়েজ-এর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে।

🏛️ সম্মিলিত আন্দোলনের ফলে ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হয়ে তা একসময় ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।
ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, প্রবাসীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত আন্দোলনের ফলেই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন সরকারের পতন ঘটে এবং একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

💰 দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল আওয়ামী লীগ: সংসদে রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে ২০০১ সালের জুন মাসে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিয়েছিল।

📜 সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে সভাপতি করে ১৫ সদস্যের কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়। জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী স্পিকার স্বয়ং এই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

⚠️ হট্টগোলের মধ্যে রাষ্ট্রপতির ভাষণ, বিরোধী দলের ওয়াকআউট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় প্ল্যাকার্ড হাতে প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। এতে সংসদে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

⛽ রাশিয়ার তেল আমদানিতে ভারতের মতো ছাড় চায় বাংলাদেশ
রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন চেয়েছে বাংলাদেশ। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে যে ধরনের ছাড় দিয়েছে, বাংলাদেশও ওয়াশিংটনের কাছে তেমন সুবিধা চেয়েছে।

11/03/2026

📢 মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য বিপদ কী?

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শুধু ওই অঞ্চলের জন্যই নয়, বাংলাদেশের জন্যও বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ হতে পারে। কারণ আমাদের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার একটি বড় অংশই মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল।

বাংলাদেশ বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভর করে—
⛽ তেল ও গ্যাসের সরবরাহ
🌾 ইউরিয়া সার
💰 এবং সর্বোপরি প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিটেন্স, যা দেশের অর্থনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

যদি এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, সরবরাহ সংকট এবং রেমিটেন্স প্রবাহে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে। এর প্রভাব সরাসরি পড়বে বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর।

⚠️ তাই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের সামনে একটি গভীর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

08/03/2026

📢 ইরান অন্তত ৬ মাস তীব্র যুদ্ধ চালাতে সক্ষম—আইআরজিসির দাবি

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর এক কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, বর্তমান মাত্রার সংঘাত অন্তত আরও ছয় মাস চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য ইরানের রয়েছে।
যদি এই দাবি বাস্তবে সত্য প্রমাণিত হয়, তবে তা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। শক্তিধর দেশগুলোর জন্য দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। খুব বেশি দিন হয়নি, আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘ যুদ্ধের পর সরে আসতে হয়েছে।
⚠️ তাই অনেক বিশ্লেষকের মতে,
যদি একটি তুলনামূলকভাবে ছোট শক্তির দেশ ইরান সবচেয়ে শক্তিধর সুপারপাওয়ারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তা সুপারপাওয়ারের ভাবমূর্তি নস্ট হয়ে যাবে—১৯৯১ সালে আফগানিস্তান যুদ্ধ সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পরে আমেরিকার পালিয়ে যাওয়া।

Want your business to be the top-listed Government Service in Auckland?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Auckland