29/03/2026
প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের একটু খানি স্বস্তির আশায় ছুটে যাওয়া সমুদ্রের পাড়ে…গৌধুলীর রঙে সমুদ্রের নীল জলের নীলিমায় রেড সীর অপরূপ সৌন্দর্য আর অপার বিশালতায় সত্যিই প্রাণ জুড়িয়ে গেল।
চারিদিকে সুনশান নীরবতা, নিস্তব্ধতা—আর দৃষ্টির সীমানা পেরিয়ে অনেক দূরে ঢেউয়ের উত্তাল গর্জন।
সমুদ্রের নীল জলরাশি, তার চল্ চল্, কল্ কল্ শব্দ কানে এসে যেন এক মধুর সুরের স্নিগ্ধতা ছড়িয়ে দেয়।
প্রকৃতির এই শান্ত, নির্জন, মনোমুগ্ধকর রূপ ক্লান্ত প্রাণকে এক অপার্থিব প্রশান্তিতে ভরে দিল।
আহা… কী এক অনির্বচনীয় শান্তি প্রাণে বেজে উঠল!
ঢেউয়ের গর্জনে মনে প্রাণে শান্তির সূর বেজে উঠলো, আর আমি গুনগুন করে, একা একা আনমনে গেয়ে উঠলাম রবীন্দ্রসঙ্গীতের সেই চিরচেনা পঙ্ক্তি—
“আমারও পরানে যাহা চায়, তুমি তাই… তাই গো…” 🎶
মনে হচ্ছিল,
আমার গানের সুর আর হৃদয়ের স্পন্দন যেন সমুদ্রের নীল ঢেউয়ের সঙ্গে মিশে গিয়ে
দৃষ্টির সীমানা পেরিয়ে অনেক দূরে, দূর দিগন্তে হারিয়ে যাচ্ছে।
গোধূলির মেঘে ঢাকা আকাশের নীল আর সমুদ্রের বিস্তৃত জলরাশি
এক অপরূপ মায়াবী আবেশে মিলে-মিশে যেন একাকার হয়ে গেল।
আমি যেন আমার স্বপ্নের পৃথিবীতে, স্বর্গীয় সুখের এক অপার্থিব ছোঁয়ায়,
স্বপ্নপুরীতে, জোছনার আলোয় অবগাহনের প্রতীক্ষায় অধীর আগ্রহে দাঁড়িয়ে আছি।
অস্তমিত সূর্যের লালচে কিরণ সমুদ্রের নীল জলে যে ছায়া ফেলেছে—
আহা! এ কী অপরূপ, মনোরম, মনোমুগ্ধকর দৃশ্য প্রকৃতির!
আমি আমার হৃদয়ের অফুরান, অতল ভালোবাসা দিয়ে সেই সৌন্দর্য অবলোকন করেছি।
সেই মুহূর্তে মনে পড়ে গেল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর পঙ্ক্তি—
“মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই।”
মহান স্রষ্টার কাছে অসীম কৃতজ্ঞতা জানাই
প্রকৃতির এই অপার, অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য।
আলহামদুলিল্লাহ। 🤍
03/03/2026
Excited to share that I just got recognized as one of Abid Hasan Nirob's top fans! 🎉
30/01/2026
হঠাৎ দেখা
হঠাৎ যদি দেখা হয় তোমার আমার—
হঠাৎ যদি দেখা হয়ে যায়,
মেঠোপথে তোমার আর আমার!
ধানক্ষেতের ফাঁক গলে নেমে আসে নরম বিকেল,
চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে সময়, থমকে যায় সব কোলাহল।
চোখে চোখ পড়তেই বুঝে যাই—
এতোদিনের নীরবতা কথা বলতে চায়,
ঠোঁটের কোণে লুকোনো হাসি,
হাওয়ায় ভাসে পুরোনো কোনো ব্যথা-ভরা গান গাই।
তোমার চোখে পড়লে আমার ফেলে আসা দিন,
আমার চোখে জ্বলে উঠবে পুরনো কোন ঋণ!
হাঁটবো পাশাপাশি, মাঝখানে অদৃশ্য দেওয়াল,
একই আকাশ, তবুও পথ দুটো আলাদা চিরকাল।
আমি বলি না কিছু, তুমিও নও প্রশ্নমুখর,
মাটির গন্ধে মিশে যায় আমাদের অপরাধ না -অপরাধহীন স্মৃতিময় অবিরত স্বর।
হেঁটে যাই দু’পাশে—একই পথে, তবু আলাদা,
হঠাৎ দেখা—হঠাৎই, তবু যেন চিরচেনা।
আর বিদায়ের আগে, গোধুলির মায়াবী লগ্নে, সন্ধ্যার আলোয়, নক্ষত্রের রুপোলী আগুন ভরা রাতে,
পূর্নিমার জোছনা ভরা রাতে,
সিউলী ফুলের মূহু মুহু ঘ্রাণে!
একটুখানি নীরবতা রেখে যাই দু’জনেই—
যেন আবার কখনো, এই মেঠোপথেই
হঠাৎ করে, দেখা হয়ে যায় তোমার আর আমার।
মো: হুমায়ুন কবির। নিওম, সৌদি আরব। ৩০-০১-২০২৬
31/12/2025
সকল হিংসা ও বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে, আসুন আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর ও সুখী দেশ গড়ে তুলি।
নতুন বছর আমাদের জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিকতা।
সবাইকে ইংরেজি নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
25/12/2025
তুমি কেমন বাঙালি?
---------------
তুমি কেমন বাঙালি—বল তো শুনি আজ,
তোমার নাম শুনে কাঁপে ইতিহাসের সাজ।
তোমার ভয়ে থরথর করে এক বৃদ্ধের বুক,
যার রক্তে কেনা স্বাধীনতা—আজ তারই দুঃখ সুখ!
তোমার গুলিতে ঝরে পড়ে কত নিরীহ প্রাণ,
মায়ের আঁচল শূন্য হয়, নিস্তব্ধ হয় গ্রাম।
তোমার হৃদয়ে কি আছে করুণা-মমতার সুর?
নাকি পাথর হয়ে গেছে মানবতার পুর?
মঞ্চে উঠে নীতির কথা, বজ্রকণ্ঠে ভাষণ,
অন্ধকারে লুকিয়ে রাখো সন্ত্রাসের আসন।
তোমার ভয়ে কেঁপে ওঠে কত শত নারীর প্রাণ,
আর তুমি গড়ো ক্ষমতার রক্তাক্ত সিংহাসন!
মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতা—কী ভয়ংকর দৃশ্য!
রাজাকারের উল্লাসে ভরে ওঠে তোমার ইচ্ছা।
দেশপ্রেমিক নাম শুনলেই চোখে আগুন জ্বলে,
রক্ত ঝরালে তবেই বুঝি আনন্দ তোমার ফলে!
হাতে তোমার অস্ত্র ঝিলিক, পেছনে বিদেশি ছায়া,
দেশমাতার বুকে ওঠে ঝড়—তুমি তার নিষ্ঠুর মায়া।
যে সত্যের বুকে দাঁড়ায় বুক পেতে নির্ভীক,
তাকেই তুমি গুলি করো—তোমার নিয়ম নীতিক!
ধর্ষিতার আর্তনাদে কাঁপে না তোমার বুক,
হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিঁড়ে খাও সব সুখ।
বিদ্রোহের নামে বাজাও লড়াইয়ের ডঙ্কা,
তার আড়ালে চাঁদাবাজি—লুটে নাও মানুষের শঙ্কা।
তুমি বিপ্লবী নও—তুমি রক্তচোষা ছায়া,
তুমি দেশপ্রেমিক নও—তুমি বিশ্বাসঘাতক মায়া।
ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াবে একদিন তুমি,
রায় লেখা থাকবে স্পষ্ট—তুমি দেশদ্রোহী খুনি!
মো: হুমায়ুন কবীর
২৫-১২-২০২৫
আমার কবিতায় ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
23/12/2025
কেউ যখন কারও উপর অন্যায় বা জুলুম করার কথা ভাবে, তখন একবার থেমে নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত—
আজ তুমি শক্তিশালী, ক্ষমতাবান।
কিন্তু কাল কী হবে?
আজ যার উপর তুমি জুলুম চালাচ্ছ, সময়ের চক্রে সে-ই একদিন তোমার থেকেও বেশি শক্তিমান হয়ে উঠতে পারে। আর সেদিন যদি সে-ও একই ভুল করে বসে—তাহলে দায়টা কার?
বিজ্ঞান যেমন বলে—
“Every action has a reaction.”
জীবনও ঠিক তেমনই। অন্যায় কখনো একতরফা থেকে যায় না, তা একদিন ফিরে আসেই।
তাই শক্তির অহংকার নয়, মানবিকতাকেই শক্তি বানাও।
কারণ ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু ন্যায়বোধই চিরস্থায়ী।
10/10/2025
নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া কোন দয়া নয়, এটা মানুষের মৌলিক দায়িত্ব। নারী কে প্রতিপক্ষ নয়, সহযাত্রী ভাবতে শেখাই সভ্যতার প্রকৃত শিক্ষা। আজকাল বাংলাদেশে হাটে মাঠে গ্রামে গঞ্জে শহরে বন্দরে আদালত চত্বরে নারী কে নির্মম নিষ্ঠুরভসবে হেনস্থা হামলা মামলা খুন ধর্ষনের স্বীকার হতে দেখি। তখন হৃদয়ে রক্ত ক্ষরন হতে থাকে। এই সরকার বৈষম্য বিরুধী বলে ক্ষমতায় এসে, নারীর প্রতি চরম বৈষম্য চলছে। গত ৫৪ বছরে যা আমরা কখনো দেখিনি। নারীকে আক্রমণ করে যে নীজেকে বীর পুরুষ মনে করে। আসলে সে কাপুরষ।
07/05/2025
যুদ্ধ নয় শান্তি চাই, পৃথিবীর কোথাও কোন দেশ বা জাতি অহেতুক যুদ্ধে জড়িয়ে কোন অর্জন নেই ক্ষতি ছাড়া। জীবন হানি সম্পদ বিনষ্ট সম্পর্ক নষ্ট। বড়ো এবং শক্তিশালী দেশগুলো বিশ্ব মোড়লরা সব সময় যুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে অস্ত্র ব্যবসা জমজমাট করার চেষ্টা চালিয়ে থাকে। পৃথিবীর সকল দেশের শান্তিকামি মানুষ ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে ঐক্যমত তৈরি করা উচিত যুদ্ধের বিরুদ্ধে। যেকোনো সমস্যা সংঘাত সংঘর্ষ পরিহার করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা উচিত। বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ করে শান্তির সুবাতাস বয়ে যাক, সকল জাতিতে দেশে মনুষ্যত্বের জয় হউক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিপাত যাক। মানবতার জয় হউক।