Soudi Arabia

Soudi Arabia

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Soudi Arabia, Bawadi, Riyadh.

15/04/2022

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
পাকিস্তান থেকে আসা ( 521 ) Emarat Airlines এর একটি বিমান Sharjah Airport এ লেন্ডিং গিয়ার ব্লক হয়ে যাওয়ার কারনে অবতরণ করার সময় মাটিতে আছড়ে পড়ে ২০৮ জন যাত্রীর মধ্যে ১৭৪ জন মৃত্যু বরণ করেন এবং ৩৪ জন প্রাণে বাঁচলেও তাদের অবস্হা গুরুতর।

Quba: Islam’s first mosque to expand tenfold, says Saudi crown prince 08/04/2022

: Saudi Crown Prince Mohammed bin Salman offers prayers at the Prophet’s Mosque and Quba Mosque, receives dignitaries during Madinah visit

Quba: Islam’s first mosque to expand tenfold, says Saudi crown prince RIYADH: Quba Mosque, the first mosque built by Prophet Muhammed, will increase in size tenfold, Saudi Arabia’s crown prince announced. The new project will mean the mosque in Madinah will see the largest development in its history, expanding to 50,000 square meters. Named after the Saudi monarch, ...

10/03/2020

বিংশ শতাব্দীতে যতজন শাসকের আগমন ঘটেছে তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রপাগাণ্ডা ও মিথ্যাচারের স্বৃকার হয়েছে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।
প্রকৃত সত্য হলো, একটি দেশ বা জাতিকে অর্থনৈতিক সামরিক ও কূটনীতিক ভাবে এগিয়ে নিতে হলে দরকার একজন সাহসী ও মেধাবী নেতা !
মোহাম্মদ বিন সালমানের বয়স ৩৩ বছর।
আর তার বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীদের সাথে বয়স যথাক্রমে-
এরদোগানের ৬৫+
খোমেনির ৭৫+
নেতানিহাহু ৬৫+
সবগুলো মোহাম্মদ বিন সালমানের দ্বীগুন বয়সি, অথচ দিন শেষে বিশ্বের সকল মিডিয়া প্রিন্সকে নিয়েই ব্যাস্ত।
এবার ২০১৯ সালের সৌদি ও সৌদি বিরুধী প্রধান চক্রান্তকারী দেশগুলোর জিডিপি লক্ষ্য করুন....
১. সৌদি: ৭৯৫ বিলিয়ন ডলার।
২. তুরস্ক: ৬৩১ বিলিয়ন ডলার।
৩. ইরান: ৩৩৩ বিলিয়ন ডলার।
৪. ইজরায়েল: ৩৭৬ বিলিয়ন ডলার।

দীর্ঘজীবী হও শাহাজাদা মোহাম্মদ বিন সালমান,
দুর্নীতি মুক্ত অর্থনীতির মাধ্যমে বিশ্বে নিজেদের প্রমান করো।

09/03/2020

The Corona virus or COVD-19 will reach any country sooner or later, and there is no doubt that many countries do not have any sophisticated diagnostic kits or equipment.
Please use as much * natural vitamin C as possible * to strengthen your immune system. Currently, the virus does not contain a vaccine or specific treatment Unfortunately, due to the genetic mutation that made it very dangerous. This disease appears to be caused by the fusion of the gene between a snake and a bat, and has acquired the ability to infect mammals, including humans.
It is important to have greater knowledge of the disease: Professor Chen Horin, CEO of Beijing Military Hospital, said: "Sliced ​​lemon in a glass of warm water can save your life".
So whatever you are doing, take a look at this message and pass it on to other people!
Hot lemon can kill cancer cells! Cut the lemon into three parts and put it in a glass, then pour hot water and transform it into (alkaline water), drink it every day, it will definitely benefit everyone. Treatment with this extract destroys only malignant cells and does not affect healthy cells.
Second, the carboxylic acid in lemon juice can regulate high blood pressure, protect narrow arteries, regulate blood circulation and reduce blood clotting.
.
After reading the message, transfer it to the person you love and take care of your personal health.
Advice: Professor Chen Horin notes that whoever receives this message is at least guaranteed to save someone's life ... I did my job and I hope you can help me develop it too.
God bless us.🙏🙇😿

10/10/2018

যারা খুব তাড়াতাড়ি ট্রেনে ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্যে

Photos from Soudi Arabia's post 26/09/2018

মক্কা টু জেদ্দাহ টু মদিনা দ্রুত গতির ইলেকট্রনিক্স ট্রেনের উদ্বোধন করলেন কিং সালমান..

আজ ২৫/০৯/২০১৮ ইং মঙ্গলবার সৌদি বাদশা কিং সালমান বিন আবদুল আজিজ মক্কা-জেদ্দা-কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর টু মদিনা পর্যন্ত দ্রুত গতির ইলেকট্রনিক্স ট্রেইনের উদ্ভোধন করলেন। ৩ ধাপে নির্মান করা এই প্রকল্প মুলত হাজীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই করা হয়েছে।

সৌদি ট্রান্সপোর্ট অথরিটির চেয়ারম্যান আল রোমিয়াহ জানান, ঘন্টাই ৩০০ কিলোমিটার বেগে ছুটে চলা এই ট্রেইনের বৎসরে ৬ কোটি যাত্রী পরিবহন করার ক্ষমতা রয়েছে। মোট ৩৫ টি ট্রেইন যুক্ত থাকবে এই সেবায়। মক্কা হতে মদিনা পর্যন্ত ৪৫০ কিলোমিটারের এই সংযোগ সড়ক তৈরী করতে ১৩০ টি ব্রীজ নির্মান করতে হয়েছে।

13/08/2018

সংক্ষেপে রাসুল (সাঃ)এর জীবনী

31/07/2018

#ওয়াহহাবী_কারা? তাদের আকিদা কি? কেন তাদের কে ওয়াহহাবী বলা হয়? জেনে_রাখা_দরকার।
সংক্ষেপে তুলে ধরা হল:

=> আল্লাহ বলেন, ‘আর আমরা যাদের সৃষ্টি করেছি, তাদের মধ্যে একটি দল রয়েছে, যারা সত্য পথে চলে ও সে অনুযায়ী ন্যায়বিচার করে’। ‘যারা আমাদের আয়াত সমূহে মিথ্যারোপ করে আমরা তাদেরকে ক্রমান্বয়ে পাকড়াও করব এমনভাবে যে তারা বুঝতেও পারবে না’। ‘আর আমি তাদেরকে অবকাশ দেই। নিশ্চয়ই আমার কৌশল অতি সুনিপুণ’। ‘তারা কি ভেবে দেখে না যে তাদের সাথীর (মুহাম্মাদ) মধ্যে কোন মস্তিষ্ক বিকৃতি নেই? তিনি তো একজন স্পষ্ট সতর্ককারী মাত্র’ (আ‘রাফ ৭/১৮১-৮৪)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ এই উম্মতের জন্য প্রতি শতাব্দীর মাথায় একজন ব্যক্তিকে পাঠাবেন, যিনি উম্মতের কল্যাণে তাদের দ্বীনকে সংস্কার করবেন’ (আবুদাঊদ হা/৪২৯১; মিশকাত হা/২৪৭)। মিসরের খ্যাতনামা বিদ্বান শায়খ মুহাম্মাদ হামেদ আল-ফাক্বী (১৮৯২-১৯৫৯ খৃ.) বলেন, ‘ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহ্হাব ছিলেন ‘দ্বাদশ শতাব্দী হিজরীর মুজাদ্দিদ’। মুসলিম সমাজে এ আন্দোলনের প্রভাব কিরূপ ছিল সে সম্পর্কে মরক্কোর স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা প্রখ্যাত শল্যবিদ ও দার্শনিক আব্দুল করীম আল-খত্বীব (১৯২১-২০০৮ খৃ.) বলেন, ‘নিঃসন্দেহে ওয়াহহাবী আন্দোলন ছিল এক প্রচন্ড নিনাদসম্পন্ন মিসাইলের মত; যা বিস্ফোরিত হয়েছিল এক গভীর রাতের অমানিশার মাঝে, যখন মানুষ ছিল নিদ্রামগ্ন। এর আওয়াজ ছিল এমনই তীব্র ও সুদূরপ্রসারী যে তা সমগ্র মুসলিম সমাজকে জাগিয়ে তুলেছিল এবং তা যেন সুদীর্ঘকাল পর নিদ্রাচ্ছন্ন বুভুক্ষ পাখীকে আপন বাসস্থানে চঞ্চল করে তুলেছিল’ (‘আত-তাহরীক’ জুন’১১ পৃ. ২৯)।

নাজদের অবস্থা : ওয়াহ্হাবী সংস্কার আন্দোলনের উপর সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য ইতিহাসবিদ হুসাইন বিন গান্নাম (মৃ. ১৮১১ খৃ.) বলেন, নাজদের শহরাঞ্চলের মানুষ কবরপূজা, বৃক্ষপূজা, পাথরপূজা, পীরপূজা প্রভৃতিতে লিপ্ত ছিল। জুবাইলাতে হযরত যায়েদ ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ)-এর কবরপূজা হ’ত। এছাড়াও সেখানে আরও বহু ছাহাবীর নাম সংযুক্ত কবর ছিল। যেখানে পূজা হ’ত। কার্যতঃ নাজদের প্রতিটি গোত্রে ও উপত্যকায় বিশেষ বৃক্ষ ও কবর ছিল, যেখানে পূজা হ’ত। তারা সরাসরি মূর্তিপূজা না করলেও কবরপূজাকে তারা মূর্তিপূজার মতই করে ফেলেছিল। তাদের অবস্থা এমনই হয়েছিল যে, তারা আল্লাহর চাইতে কবরবাসীকেই বেশী ভয় পেত এবং তাকেই অধিক প্রয়োজন পূরণকারী মনে করত’। হুসাইন বিন গান্নাম আরও বলেন, কেবল নাজদেই নয়, এমনকি খোদ মক্কাতেও বিভিন্ন ছাহাবীর নামে মাযার গড়ে উঠেছিল। মদীনায় রাসূল (ছাঃ)-এর কবরকে রীতিমত তীর্থস্থানে পরিণত করা হয়েছিল। লোকেরা হজ্জের চাইতে নবীর কবর যেয়ারতকে অধিক গুরুত্ব দিত’।

মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহ্হাব (১৭০৩-১৭৯২ খৃ.)-এর আবির্ভাব : এমনি এক নাযুক পরিস্থিতিতে বর্তমান সঊদী আরবের রাজধানী রিয়াদের ৭০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ‘উয়ায়না’ শহরে ১১১৫ হি./১৭০৩ খৃ. মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহ্হাব-এর জন্ম হয়। পরে সেখানকার আমীরের সাথে মতপার্থক্যের কারণে তাঁর পিতা ১১৩৯ হি./১৭২৬ খ্রিষ্টাব্দে হুরায়মিলাতে হিজরত করেন। সেখানে ১৭২৯ সালে পিতার মৃত্যুর পর তীক্ষ্ণ ধীসম্পন্ন এই যুগসংস্কারক সেখানে ১৪ বছর পুরোদমে দাওয়াতী কাজ করেন (১১৩৯-৫৩ হি./১৭২৬-৩৯ খৃ.)। বছরাতে গিয়ে তিনি যখন বলেন, আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তখন লোকেরা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকত। অবশেষে তিনি নেতাদের কোপানলে পড়েন। তিনি ‘কিতাবুত তাওহীদ’ বই লেখেন। তাতে আলেমগণ ক্ষিপ্ত হন। ইতিমধ্যে সর্বত্র তাঁর দাওয়াত ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর ১১৫৩ বা ১১৫৫ হিজরীতে তিনি জন্মস্থান উয়ায়নাতে ফিরে যান। সেখানকার আমীর ওছমান বিন মুহাম্মাদ শায়খের দাওয়াত কবুল করেন। অতঃপর তাঁর সহযোগিতায় তিনি যখন নির্ভেজাল তাওহীদের দাওয়াতে মনোনিবেশ করেন, তখন বিদ‘আতী আলেম ও ছূফীবাদীরা একযোগে তার বিরুদ্ধে নানা অপবাদ দিতে থাকে। তারা পার্শ্ববর্তী আহসা রাজ্যের আমীর সুলায়মানের নিকট নানাবিধ মিথ্যা অভিযোগ পেশ করে। তিনি শায়খের সমাজ সংস্কারমূলক তৎপরতাকে নিজের জন্য হুমকি মনে করলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উয়ায়নার আমীর ওছমানের উপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করেন। ফলে তিনি শায়খকে উয়ায়না থেকে চলে যেতে বলেন। অতঃপর শায়খ ১১৫৭ হি./১৭৪৬ খৃ. দিরঈইয়াতে গমন করেন। যা রাজধানী রিয়াদ থেকে প্রায় ২০ কি.মি. উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। সেখানকার স্বাধীনচেতা আমীর মুহাম্মাদ বিন সঊদ তার দাওয়াত কবুল করেন এবং আনুগত্যের বায়‘আত নেন। এই বায়‘আতই ঐতিহাসিক ‘দিরঈইয়া চুক্তি’ নামে পরিচিত। যা দুই মুহাম্মাদের ভাগ্যকে একসূত্রে গেঁথে দেয়। আর এর মাধ্যমেই আরব উপদ্বীপের ধর্মীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন মোড় নেয়। সূচনা হয় আধুনিক ইসলামী রেনেসাঁ ও আরবীয় গণজাগরণের পাদপীঠে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়’। এই চুক্তির পর ছোট্ট দিরঈইয়া রাজ্য অতি শীঘ্র ধর্মীয়, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতির দিকে ধাবিত হয় এবং শায়খের দাওয়াতী তৎপরতাও বাধামুক্ত হয়। ফলে নাজদের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষের ঢল নামা শুরু হয় তার দরসগাহে’। নাজদ সহ রিয়াদ, আল-ক্বাছীম, হায়েল, সুদায়ের, আহসা, মক্কা ও মদীনাসহ আরবের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর দাওয়াত পৌঁছে যায়। হজ্জের সময় আগত হাজীদের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে তথা মিসর, সুদান, সিরিয়া, ইরাক, ইয়ামন, ভারতবর্ষ প্রভৃতি শিরক-বিদ‘আত অধ্যুষিত এলাকায় তাঁর দাওয়াত ছড়িয়ে পড়ে। এতে সাধারণ মানুষ ছাড়াও অনেক আলেম-ওলামা তাঁর সমর্থনে এগিয়ে আসেন। তখন ১১৫৮ হিজরীতে পার্শ্ববর্তী উয়ায়না রাজ্যের আমীর ওছমান তাঁর হাতে বায়‘আত গ্রহণ করেন এবং স্বীয় রাজ্যে ইসলামী শাসনব্যবস্থা কায়েমের অঙ্গীকার করেন। এছাড়া হুরায়মিলা ও মানফূহার অধিবাসীরাও তাঁর হাতে বায়‘আত নেন। এভাবে জাযীরাতুল আরবে তাঁর আন্দোলন এক মযবূত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে যায়। এভাবে বাতাস যখন এ আন্দোলনের অনুকূলে প্রবাহিত হচ্ছিল, চতুর্দিকে সম্প্রসারিত হচ্ছিল, তখন নাজদ ও আরব উপদ্বীপের ঈর্ষান্বিত বিদ‘আতপন্থী আলেম-ওলামা, ছূফী, কবরপূজারী এবং রাজনৈতিক ক্ষমতাধর আমীর-ওমারাগণ তাঁর চূড়ান্ত বিরোধিতায় লিপ্ত হয়। তারা তাঁকে খারেজী, কাফের, বিদ‘আতী নানা অপবাদ দিয়ে সাধারণ মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলে এবং আন্দোলনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে মুখোমুখি সংঘাতের চক্রান্ত করে। ফলে দিরঈইয়ার আমীরের সাথে তাদের সশস্ত্র সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে পড়ে। এরপর থেকে বিভিন্ন যুদ্ধ-বিগ্রহ শেষে ১৯৩২ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর রিয়াদ দখলের মাধ্যমে আমীর আব্দুল আযীয ইবনে সঊদ-এর নেতৃত্বে মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহ্হাবের বিশুদ্ধ ইসলামী দাওয়াতের বৈশিষ্ট্যযুক্ত আধুনিক সঊদী আরবের গোড়াপত্তন হয়। যা আজও অব্যাহত রয়েছে।

মৌলিকভাবে ৬টি বিষয়ে তাঁর দাওয়াত সমাজে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে : (১) তাওহীদে ইবাদত : আল্লাহ বলেন, ‘আমরা প্রত্যেক সম্প্রদায়ের নিকট রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর এবং ত্বাগূত থেকে দূরে থাক’ (নাহল ৩৬)। এর আলোকে তিনি সর্বক্ষেত্রে আল্লাহর দাসত্বের আহবান জানান ও অন্যের নামে নযর-মানত নিষেধ করেন। (২) অসীলা পূজা : আল্লাহ বলেন,

‘হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর ও তাঁর নৈকট্য সন্ধান কর’ (মায়েদাহ ৩৫)। এখানে বৈধ অসীলা হ’ল আল্লাহর উদ্দেশ্যে সৎকর্ম। আর অবৈধ অসীলা হ’ল মৃত ব্যক্তি বা জড়বস্ত্ত। (৩) স্থানপূজা : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, নেকীর উদ্দেশ্যে কা‘বাগৃহ, মসজিদ নববী ও মসজিদে আক্বছা তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোথাও সফর করা যাবে না’ (বুঃ মুঃ)। এর আলোকে তিনি লোকদের বিভিন্ন স্থানপূজা, বৃক্ষপূজা ইত্যাদি থেকে নিষেধ করেন। (৪) কবরপূজা : আল্লাহ বলেন, ‘তুমি কোন কবরবাসীকে শুনাতে পারো না’ (নামল ৮০)। রাসূল (ছাঃ) কবর পাকা করতে, তার উপরে সৌধ নির্মাণ করতে ও সেখানে বসতে নিষেধ করেছেন’ (মুসলিম)। সেকারণ তিনি কবরে গিয়ে ফরিয়াদ করা, কবরে গেলাফ চড়ানো, সেখানে বাতি দিতে নিষেধ করেন। (৫) তাওহীদে আসমা ওয়া ছিফাত তথা আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর একত্ব : অর্থাৎ কোনরূপ পরিবর্তন, শূন্যকরণ, প্রকৃতি নির্ধারণ, তুলনাকরণ ও আল্লাহর উপর ন্যস্তকরণ ছাড়াই আল্লাহর নাম ও গুণাবলী যেভাবে বর্ণিত হয়েছে, সেভাবেই তার উপর ঈমান আনতে হবে। যাতে মানুষ সর্বাবস্থায় কেবল আল্লাহকেই ডাকে ও তার উপর ভরসা করে। অন্য কাউকে শরীক না করে। (৬) সর্বপ্রকার বিদ‘আতের বিরোধিতা : যেমন মীলাদ মাহফিল, আযানের পূর্বে যিকর ও পরে দরূদ পাঠ, মুখে নিয়ত পাঠ এবং ছূফীদের আবিষ্কৃত নানাবিধ বিদ‘আতী রীতি। এসবের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ তাঁর আন্দোলনকে ওয়াহ্হাবী, তাকফীরী, খারেজী ইত্যাদি মিথ্যা অপবাদে আখ্যায়িত করা হয়। তিনি ‘কারামতে আউলিয়া’কে অস্বীকার করেন বলেও মিথ্যাচার করা হয়। যেভাবে ভারতবর্ষে পরিচালিত আহলেহাদীছ আন্দোলনকে বৃটিশ ভারতে ওয়াহ্হাবী আন্দোলন বলে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছিল এবং আজও বিদ‘আতীরা এই মহান সংস্কার আন্দোলনের অনুসারীদেরকে লা-মাযহাবী, বেদ্বীন ইত্যাদি বলে গালি দিয়ে থাকে। এইসব সংস্কার আন্দোলন নিয়ে সেযুগের স্বার্থপররা যেমন চিন্তা করেনি, এ যুগের স্বার্থপররাও তেমনি চিন্তা করে না। আল্লাহ সেযুগের শক্তিমানদের যেভাবে অবকাশ দিয়ে পর্যুদস্ত করেছেন, এযুগের শক্তিমানদেরও তেমনি অবকাশ দিয়ে পর্যুদস্ত করছেন। এভাবে ক্বিয়ামত পর্যন্ত এই সংস্কার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে আল্লাহর ইচ্ছায়। বিরোধীরা তাদের কোনই ক্ষতি করতে পারবে না (মুসলিম)। বিভিন্ন দেশে যেনামেই পরিচয় থাক না কেন, আহলেহাদীছ আন্দোলন ছাড়া তা আর কিছুই নয়। ইমাম আবুদাঊদের ভাষায়, যদি আহলেহাদীছগণ না থাকত, তাহ’লে ইসলাম মিটে যেত’ (শারফ ২৯ পৃ.)।

এটাই স্বাভাবিক যে, যেকোন আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতার অবর্তমানে তার অনুসারীদের মধ্যে শৈথিল্য দেখা দেয়। আধুনিক সঊদী আরব তার ব্যতিক্রম নয়। এই রাষ্ট্রের রাজনৈতিক শত্রুর চাইতে ধর্মীয় শত্রু বেশী। বিশেষ করে ৫৪১ বছর পর ১৩৪২ হি./১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে কা‘বাগৃহের চারপাশে প্রতিষ্ঠিত চার মাযহাবের চার মুছাল্লা উৎখাত করা হ’লে এবং শিরক ও বিদ‘আতের ঘাঁটি সমূহ নিশ্চিহ্ন করা হ’লে এসবের শিখন্ডীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মাধ্যমে তাওহীদ ও সুন্নাহর পতাকাবাহী এই আদর্শ রাষ্ট্রটিকে পুনরায় বিদ‘আতীদের কব্জায় আনার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা শুরু করে। যা আজও অব্যাহত আছে। এমতাবস্থায় সঊদী নেতৃত্ব যদি কথিত উদারতাবাদের ধোঁকায় পড়ে আদর্শচ্যুত হয়, তাহ’লে তাদের উপর থেকে আল্লাহর রহমত উঠে যাবে। বিশ্বের দিকে দিকে কোটি কোটি তাওহীদপন্থী মুসলমান হতাশ হবে। যারা এই রাষ্ট্রটিকে মনে-প্রাণে ভালবাসে। অতএব আমরা সর্বদা মুসলিম বিশ্বের উপর হারামায়েন শরীফায়েন-এর তত্ত্বাবধায়ক এই রাষ্ট্রের অব্যাহত নৈতিক নেতৃত্ব কামনা করি। আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুন- আমীন!

30/07/2018
28/07/2018

অসংখ্য সাহাবী রাদিঅাল্লাহু তাআ'লা আনহুম আজমায়ীন এই বাকিউল গারকাদে সমাধিস্থ হয়েছেন।

23/07/2018

♦♦"আত্মহত্যা"♦♦
=================

আত্মহত্যা একটি মহাপাপ। যেভাবেই সে আত্মহত্যা করুক না কেন।

আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন:

«وَلَا تَقْتُلُوْا أَنْفُسَكُمْ، إِنَّ اللهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيْمًا»

‘‘এবং তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু’’। (নিসা’ : ২৯)

জুন্দাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

كَانَ بِرَجُلٍ جِرَاحٌ فَقَتَلَ نَفْسَهُ، فَقَالَ اللهُ: بَدَرَنِيْ عَبْدِيْ بِنَفْسِهِ، حَرَّمْتُ عَلَيْهِ الْـجَنَّةَ.

‘‘জনৈক ব্যক্তি গুরুতর আহত হলে সে তার ক্ষতগুলোর যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করলো। অতঃপর আল্লাহ্ তা‘আলা বললেন: আমার বান্দাহ্ স্বীয় জান কবযের ব্যাপারে তড়িঘড়ি করেছে অতএব আমি তার উপর জান্নাত হারাম করে দিলাম’’। (বুখারী ১৩৬৪)

সাবিত্ বিন্ যাহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

مَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِشَيْءٍ فِيْ الدُّنْيَا عَذَّبَهُ اللهُ بِهِ فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ.

‘‘যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন বস্ত্ত দিয়ে আত্মহত্যা করলো আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে জাহান্নামে সে বস্ত্ত দিয়েই শাস্তি দিবেন’’।

(বুখারী ১৩৬৩, ৬০৪৭, ৬১০৫, ৬৬৫২; মুসলিম ১১০)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

مَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِحَدِيْدَةٍ فَحَدِيْدَتُهُ فِيْ يَدِهِ يَتَوَجَّأُ بِهَا فِيْ بَطْنِهِ فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيْهَا أَبَدًا، وَمَنْ شَرِبَ سُمًّا فَقَتَلَ نَفْسَهُ فَهُوَ يَتَحَسَّاهُ فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيْهَا أَبَدًا، وَمَنْ تَرَدَّى مِنْ جَبَلٍ فَقَتَلَ نَفْسَهُ فَهُوَ يَتَرَدَّى فِيْ نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيْهَا أَبَدًا.

‘‘যে ব্যক্তি কোন লোহা বা লোহা জাতীয় বস্ত্ত দিয়ে আত্মহত্যা করলো সে লোহা বা লোহা জাতীয় বস্ত্তটি তার হাতেই থাকবে। তা দিয়ে সে জাহান্নামের আগুনে নিজ পেটে আঘাত করবে এবং তাতে সে চিরকাল থাকবে। তেমনিভাবে যে ব্যক্তি বিষ পান করে আত্মহত্যা করলো সে জাহান্নামের আগুনে বিষ পান করতেই থাকবে এবং তাতে সে চিরকাল থাকবে। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি পাহাড় থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করলো সে জাহান্নামের আগুনে লাফাতেই থাকবে এবং তাতে সে চিরকাল থাকবে’’। (বুখারী ৫৭৭৮; মুসলিম ১০৯)

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে আরো বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:

الَّذِيْ يَخْنُقُ نَفْسَهُ يَخْنُقُهَا فِيْ النَّارِ، وَالَّذِيْ يَطْعَنُهَا يَطْعَنُهَا فِيْ النَّارِ.

‘‘যে ব্যক্তি গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলো সে জাহান্নামে গিয়ে এভাবেই করতে থাকবে এবং যে ব্যক্তি নিজকে বর্শা অথবা অন্য কোন কিছু দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যা করলো সেও জাহান্নামে গিয়ে এভাবেই করতে থাকবে’’। (বুখারী ১৩৬৫)

আত্মহত্যা জাহান্নামে যাওয়ার একটি বিশেষ কারণ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে আগাম সংবাদ দিয়েছেন।

আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমরা একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ’হুনাইন্ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলাম। পথিমধ্যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক মুসলিম সম্পর্কে বললেন: এ ব্যক্তি জাহান্নামী। যখন যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলো তখন লোকটি এক ভয়ানক যুদ্ধে লিপ্ত হলো এবং সে তাতে প্রচুর ক্ষত-বিক্ষত হলো। জনৈক ব্যক্তি বললো: হে আল্লাহ্’র রাসূল! যার সম্পর্কে আপনি ইতিপূর্বে বললেন: সে জাহান্নামী সে তো আজ এক ভয়ানক যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে মৃত্যু বরণ করলো। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবারো বললেন: সে জাহান্নামী। তখন মুসলিমদের কেউ কেউ এ ব্যাপারে সন্দিহান হলো। এমতাবস্থায় সংবাদ এলো: সে মরেনি; সে এখনো জীবিত। তবে তার দেহে অনেকগুলো মারাত্মক ক্ষত রয়েছে। যখন রাত হলো তখন লোকটি আর ধৈর্য ধরতে না পেরে আত্মহত্যা করলো। এ ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সংবাদ দেয়া হলে তিনি বলেন: আল্লাহ্ সুমহান। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই আমি আল্লাহ্ তা‘আলার বান্দাহ্ ও তাঁর প্রেরিত রাসূল। অতঃপর তিনি বিলাল (রাঃ) কে এ মর্মে ঘোষণা দিতে বললেন যে,

إِنَّهُ لَا يَدْخُلُ الْـجَنَّةَ إِلاَّ نَفْسٌ مُسْلِمَةٌ، وَإِنَّ اللهَ يُؤَيِّدُ هَذَا الدِّيْنَ بِالرَّجُلِ الْفَاجِرِ.

‘‘একমাত্র মু’মিন ব্যক্তিই জান্নাতে প্রবেশ করবে। তবে আল্লাহ্ তা‘আলা কখনো কখনো কোন কোন গুনাহ্গার ব্যক্তির মাধ্যমেও ইসলামকে শক্তিশালী করে থাকেন’’। (মুসলিম ১১১)

গ্রন্থঃ হারাম ও কবিরা গুনাহ
অধ্যায়ঃ হারাম ও কবীরা গুনাহ্ পরিচিতি
____________________________

যারা অল্পতেই ধৈর্যহারা হয়ে আত্মহত্যা করার মত মন-মানসিকতায় পতিত হন, তারা এই পোষ্ট টা মনোযোগ সহকারে পড়বেন ইনশা-আল্লাহ।
মহান আল্লাহ আমাদেরকে এরকম মহাপাপ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন, আমিন।।

30/06/2018

#তাকওয়ার_পরকালীন_উপকারিতা:‎

■ তাকওয়ার ফলে আখেরাতে আল্লাহর নিকট সম্মান লাভ হবে।

👉 আল্লাহ্ তা'আলা বলেন:‎
﴿ إِنَّ أَكۡرَمَكُمۡ عِندَ ٱللَّهِ أَتۡقَىٰكُمۡۚ ١٣ ﴾ [الحجرات: ١٣]
“তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই অধিক মর্যাদাসম্পন্ন যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়া সম্পন্ন।” [সূরা হুজুরাত: (১৩)]‎

■ তাকওয়া পরকালীন সফলতা ও কামিয়াবির চাবিকাঠি।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَيَخۡشَ ٱللَّهَ وَيَتَّقۡهِ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡفَآئِزُونَ ٥٢ ﴾ [النور: ٥٢]
“আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর তাকওয়া অবলম্বন করে, তারাই ‎কৃতকার্য।” [সূরা হুজুরাত: (৫২)]‎

■ কিয়ামতের দিন তাকওয়ার ফলে আল্লাহর শাস্তি থেকে নাজাত মিলবে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ وَإِن مِّنكُمۡ إِلَّا وَارِدُهَاۚ كَانَ عَلَىٰ رَبِّكَ حَتۡمٗا مَّقۡضِيّٗا ٧١ ثُمَّ نُنَجِّي ٱلَّذِينَ ٱتَّقَواْ وَّنَذَرُ ٱلظَّٰلِمِينَ فِيهَا جِثِيّٗا ٧٢ ﴾ [مريم: ٧١، ٧٢] وقال تعالى: ﴿ وَسَيُجَنَّبُهَا ٱلۡأَتۡقَى ١٧ ﴾ [الليل: ١٧]
“আর তোমাদের প্রত্যেককেই তা অতিক্রম করতে হবে, এটি তোমার রবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তারপর আমি এদেরকে মুক্তি ‎‎দেব যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে। আর যালিমদেরকে আমি সেখানে রেখে দেব নতজানু অবস্থায়।” [সূরা মারইয়াম: ‎‎(৭১-৭২)]
“আর তা থেকে দূরে রাখা হবে পরম মুত্তাকীকে।” [সূরা লাইল: (১৭)]‎

■ তাকওয়ার ফলে আমল কবুল হয়।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ قَالَ إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ ٱللَّهُ مِنَ ٱلۡمُتَّقِينَ ٢٧ ﴾ [المائ‍دة: ٢٧]
“অন্যজন (হাবিল) বলল, ‘আল্লাহ কেবল মুত্তাকীদের থেকে গ্রহণ করেন।” [সূরা মায়েদা: (২৭)]‎

■ তাকওয়ার ফলে আখেরাতে জান্নাতের মিরাস ও উত্তরাধিকার লাভ হবে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ تِلۡكَ ٱلۡجَنَّةُ ٱلَّتِي نُورِثُ مِنۡ عِبَادِنَا مَن كَانَ تَقِيّٗا ٦٣ ﴾ [مريم: ٦٣]
“সেই জান্নাত, আমি যার উত্তরাধিকারী বানাব আমার বান্দাদের মধ্যে তাদেরকে যারা মুত্তাকী।” [সূরা মারইয়াম: (৬৩)]‎

■ তাকওয়া অবলম্বনকারীদের জন্য আখেরাতে জান্নাতে সুদৃঢ় প্রাসাদ থাকবে, যার উপরেও থাকবে প্রাসাদ।

👉 আল্লাহ ‎তা‘আলা বলেন:‎
﴿ لَٰكِنِ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوۡاْ رَبَّهُمۡ لَهُمۡ غُرَفٞ مِّن فَوۡقِهَا غُرَفٞ مَّبۡنِيَّةٞ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُۖ وَعۡدَ ٱللَّهِ لَا يُخۡلِفُ ٱللَّهُ ٱلۡمِيعَادَ ٢٠ ﴾ [الزمر: ٢٠]
“কিন্তু যারা নিজদের রবকে ভয় করে তাদের জন্য রয়েছে কক্ষসমূহ যার উপর নির্মিত আছে আরো কক্ষ। তার নিচ দিয়ে ‎নদী প্রবাহিত। এটি আল্লাহর ওয়াদা; আল্লাহ ওয়াদা খেলাফ করেন না।” [সূরা যুমার: (২০)]‎

👉 হাদীসে এসেছে:‎
{ إن في الجنة لغرفاً يرى بطونها من ظهورها، وظهورها من بطونها } فقال أعرابي: لمن هذا يا رسول الله؟ قال: { لمن أطاب الكلام، وأطعم الطعام، وصلّى بالليل والناس نيام }.
“নিশ্চয় জান্নাতের মধ্যে এমন কিছু প্রাসাদ রয়েছে, যার অভ্যন্তর বাহির থেকে দেখা যাবে এবং বাহির ভেতর থেকে দেখা ‎যাবে। এক বেদুঈন জিজ্ঞাসা করল: হে আল্লাহর রাসূল, এ প্রাসাদগুলো কার জন্যে হবে ? তিনি বললেন: “যে সুন্দর কথা ‎বলবে, খানা খাওয়াবে ও মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকবে, তখন সে সালাত পড়বে।‎

■ মুত্তাকীগণ তাকওয়ার ফলে কিয়ামতের দিন পুনরুত্থানের মুহূর্তে, হাশরের ময়দানে, চলার পথে ও বসার ‎‎স্থানে কাফেরদের উপরে অবস্থান করবে। তারা জান্নাতের সুউচ্চ স্থানে সমাসীন হবে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ زُيِّنَ لِلَّذِينَ كَفَرُواْ ٱلۡحَيَوٰةُ ٱلدُّنۡيَا وَيَسۡخَرُونَ مِنَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْۘ وَٱلَّذِينَ ٱتَّقَوۡاْ فَوۡقَهُمۡ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِۗ وَٱللَّهُ يَرۡزُقُ مَن يَشَآءُ بِغَيۡرِ حِسَابٖ ٢١٢ ﴾ [البقرة: ٢١٢]
“যারা কুফরী করেছে, দুনিয়ার জীবনকে তাদের জন্য সুশোভিত করা হয়েছে। আর তারা মুমিনদের নিয়ে উপহাস করে। ‎আর যারা তাকওয়া অবলম্বন করেছে, তারা কিয়ামত দিবসে তাদের উপরে থাকবে। আর আল্লাহ যাকে চান, বেহিসাব রিযক ‎‎দান করেন।” [সূরা বাকারা: (২১২)]‎

■ তাকওয়ার ফলে আখেরাতে জান্নাত লাভ হবে, কারণ জান্নাত মুত্তাকীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা ‎বলেন:‎
﴿وَسَارِعُوٓاْ إِلَىٰ مَغۡفِرَةٖ مِّن رَّبِّكُمۡ وَجَنَّةٍ عَرۡضُهَا ٱلسَّمَٰوَٰتُ وَٱلۡأَرۡضُ أُعِدَّتۡ لِلۡمُتَّقِينَ ١٣٣ ﴾ [ال عمران: ١٣٣] وقال تعالى: ﴿ وَلَوۡ أَنَّ أَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ ءَامَنُواْ وَٱتَّقَوۡاْ لَكَفَّرۡنَا عَنۡهُمۡ سَيِّ‍َٔاتِهِمۡ وَلَأَدۡخَلۡنَٰهُمۡ جَنَّٰتِ ٱلنَّعِيمِ ٦٥ ﴾ [المائ‍دة: ٦٥]
“আর তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতের দিকে, যার পরিধি আসমানসমূহ ও ‎জমিনের সমান, যা মুত্তাকীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।” [সূরা আলে ইমরান: (১৩৩)]
“আর যদি ‎কিতাবিরা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত তবে অবশ্যই আমি তাদের থেকে পাপগুলো দূর করে দিতাম এবং ‎অবশ্যই তাদেরকে আরামদায়ক জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাতাম।” [সূরা মায়েদা: (৬৫)]‎

■ আখেরাতে তাকওয়া গুনাহের কাফফারা হবে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ وَمَن يَتَّقِ ٱللَّهَ يُكَفِّرۡ عَنۡهُ سَيِّ‍َٔاتِهِۦ وَيُعۡظِمۡ لَهُۥٓ أَجۡرًا ٥ ﴾ [الطلاق: ٥] وقال تعالى: ﴿ وَلَوۡ أَنَّ أَهۡلَ ٱلۡكِتَٰبِ ءَامَنُواْ وَٱتَّقَوۡاْ لَكَفَّرۡنَا عَنۡهُمۡ سَيِّ‍َٔاتِهِمۡ ٦٥ ﴾ [المائ‍دة: ٦٥]
“আর যে আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার গুনাহসমূহ মোচন করে দেন এবং তার প্রতিদানকে মহান করে দেন।” [সূরা তালাক ‎‎: (৫)]
“আর যদি কিতাবিরা ঈমান আনত এবং তাকওয়া অবলম্বন করত তবে অবশ্যই আমি তাদের ‎‎থেকে পাপগুলো দূর করে দিতাম।” [সূরা মায়েদা: (৬৫)]

■ তাকওয়ার ফলে আখেরাতে মনের চাহিদা পূরণ হবে ও চোখের শীতলতা লাভ হবে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন: ‎
﴿ جَنَّٰتُ عَدۡنٖ يَدۡخُلُونَهَا تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُۖ لَهُمۡ فِيهَا مَا يَشَآءُونَۚ كَذَٰلِكَ يَجۡزِي ٱللَّهُ ٱلۡمُتَّقِينَ ٣١ ﴾ [النحل: ٣١]
“স্থায়ী জান্নাতসমূহ যাতে তারা প্রবেশ করবে, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে নহরসমূহ। তারা চাইবে, তাদের জন্য তার ‎মধ্যে তাই থাকবে। এভাবেই আল্লাহ মুত্তাকীদের প্রতিদান দেন।” [সূরা নাহাল: (৩১)] ‎

■ তাকওয়ার ফলে আখেরাতে ভয় ও পেরেশানি দূর হবে এবং কিয়ামতের দিন কোন অনিষ্ট মুত্তাকীকে স্পর্শ করতে পারবে না।

👉 আল্লাহ তা‘আলা ‎বলেন:‎
﴿ وَيُنَجِّي ٱللَّهُ ٱلَّذِينَ ٱتَّقَوۡاْ بِمَفَازَتِهِمۡ لَا يَمَسُّهُمُ ٱلسُّوٓءُ وَلَا هُمۡ يَحۡزَنُونَ ٦١ ﴾ [الزمر: ٦٠] وقال تعالى: ﴿ أَلَآ إِنَّ أَوۡلِيَآءَ ٱللَّهِ لَا خَوۡفٌ عَلَيۡهِمۡ وَلَا هُمۡ يَحۡزَنُونَ ٦٢ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَكَانُواْ يَتَّقُونَ ٦٣ ﴾ [يونس: ٦٢، ٦٣]
“আর আল্লাহ মুত্তাকীদেরকে তাদের সাফল্যসহ নাজাত দেবেন। কোন অমঙ্গল তাদেরকে স্পর্শ করবে না। আর তারা চিন্তিতও হবে না।” ‎তিনি আরো বলেন: “শুনে রাখ, নিশ্চয় আল্লাহর বন্ধুদের কোন ভয় নেই, আর তারা পেরেশানও হবে না। যারা ঈমান এনেছে ‎এবং তাকওয়া অবলম্বন করত।” [সূরা ইউনুস: (৬২-৬৩)]‎

■ তাকওয়ার ফলে কিয়ামতের দিন মুত্তাকীদের অভিযাত্রী দল হিসেবে (বর যাত্রীর ন্যায়) উপস্থিত করা হবে। তারা বাহনে চড়ে ‎আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে, এরাই সর্বোত্তম অভিযাত্রী।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ يَوۡمَ نَحۡشُرُ ٱلۡمُتَّقِينَ إِلَى ٱلرَّحۡمَٰنِ وَفۡدٗا ٨٥ ﴾ [مريم: ٨٥]
“যেদিন পরম করুণাময়ের নিকট মুত্তাকীদেরকে সম্মানিত মেহমানরূপে সমবেত করব।” [সূরা মারইয়াম: (৮৫)]‎

👉 ইবনে কাসীর রহ. নুমান ইব্‌ন বাশির (রা:) থেকে বর্ণনা করেন:‎
( كنا جلوساً عند علي فقرأ هذه الآية: يَوْمَ نَحْشُرُ الْمُتَّقِينَ إِلَى الرَّحْمَنِ وَفْدًا.. قال: لا والله ما على أرجلهم يحشرون، ولا يحشر الوفد على أرجلهم، ولكن بنوق لم ير الخلائق مثلها، عليها رحائل من ذهب، فيركبون عليها حتى يضربوا أبواب الجنة ).
আমরা আলী (রা:) নিকট বসে ছিলাম, তিনি আমাদেরকে উপরোক্ত আয়াত তিলাওয়াত করে শুনালেন। তিনি বললেন: ‎আল্লাহর শপথ, তারা তাদের পায়ে ভর করে হাশরের ময়দানে উপস্থিত হবে না। আর অভিযাত্রীদের পায়ে হেঁটে উপস্থিত ‎করানো হয় না, বরং এক ধরণের বাহন থাকবে, অনুরূপ বাহন কেউ দেখেনি। তার উপর স্বর্ণের শিবিকা থাকবে, তার উপর ‎চড়ে তারা জান্নাতের দরোজাসমূহ অতিক্রম করবে। ‎

■ আখেরাতে মুত্তাকীদের কাছে নিয়ে আসা হবে জান্নাত।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ وَأُزۡلِفَتِ ٱلۡجَنَّةُ لِلۡمُتَّقِينَ ٩٠ ﴾ [الشعراء: ٩٠] وقال تعالى: ﴿ وَأُزۡلِفَتِ ٱلۡجَنَّةُ لِلۡمُتَّقِينَ غَيۡرَ بَعِيدٍ ٣١ ﴾ [ق: ٣١]
“আর মুত্তাকীদের জন্য জান্নাত নিকটবর্তী করা হবে।” [সূরা শুআরা: (৯০)]
“আর জান্নাতকে ‎মুত্তাকীদের অদূরে, কাছেই আনা হবে।” [সূরা ক্বাফ: (৩১)]‎

■ আখেরাতে মুত্তাকীরা তাকওয়ার কারণে পাপী ও কাফেরদের বরাবর হবে না।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ أَمۡ نَجۡعَلُ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَعَمِلُواْ ٱلصَّٰلِحَٰتِ كَٱلۡمُفۡسِدِينَ فِي ٱلۡأَرۡضِ أَمۡ نَجۡعَلُ ٱلۡمُتَّقِينَ كَٱلۡفُجَّارِ ٢٨ ﴾ [ص: ٢٨]
“যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে আমি কি তাদেরকে জমিনে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের সমতুল্য গণ্য করব? নাকি আমি ‎মুত্তাকীদেরকে পাপাচারীদের সমতুল্য গণ্য করব?” [সূরা সাদ: (২৮)]‎

■ সকল বন্ধুত্ব কিয়ামতের দিন শত্রুতায় পরিণত হবে, শুধু মুত্তাকীদের বন্ধুত্ব ব্যতীত।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন‎‎:‎
﴿ ٱلۡأَخِلَّآءُ يَوۡمَئِذِۢ بَعۡضُهُمۡ لِبَعۡضٍ عَدُوٌّ إِلَّا ٱلۡمُتَّقِينَ ٦٧ ﴾ [الزخرف: ٦٧]
“সেদিন বন্ধুরা একে অন্যের শত্রু হবে, মুত্তাকীরা ছাড়া।” [সূরা যুখরুফ: (৬৭)]‎

■ আখেরাতে মুত্তাকীদের জন্য নিরাপদ স্থান, জান্নাত ও ঝর্ণাধারা থাকবে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ إِنَّ ٱلۡمُتَّقِينَ فِي مَقَامٍ أَمِينٖ ٥١ فِي جَنَّٰتٖ وَعُيُونٖ ٥٢ يَلۡبَسُونَ مِن سُندُسٖ وَإِسۡتَبۡرَقٖ مُّتَقَٰبِلِينَ ٥٣ كَذَٰلِكَ وَزَوَّجۡنَٰهُم بِحُورٍ عِينٖ ٥٤ يَدۡعُونَ فِيهَا بِكُلِّ فَٰكِهَةٍ ءَامِنِينَ ٥٥ لَا يَذُوقُونَ فِيهَا ٱلۡمَوۡتَ إِلَّا ٱلۡمَوۡتَةَ ٱلۡأُولَىٰۖ وَوَقَىٰهُمۡ عَذَابَ ٱلۡجَحِيمِ ٥٦ ﴾ [الدخان: ٥١- ٥٦]
“নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে নিরাপদ স্থানে, বাগÑবাগিচা ও ঝর্নাধারার মধ্যে, তারা পরিধান করবে পাতলা ও পুরু রেশমী বস্ত্র ‎এবং বসবে মুখোমুখী হয়ে। এরূপই ঘটবে, আর আমি তাদেরকে বিয়ে দেব ডাগর নয়না হুরদের সাথে।সেখানে তারা ‎প্রশান্তচিত্তে সকল প্রকারের ফলমূল আনতে বলবে। প্রথম মৃত্যুর পর সেখানে তারা আর মৃত্যু আস্বাদন করবে না। আর ‎তিনি তাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করবেন।” [সূরা দুখান: (৫১-৫৬)]‎

■ আখেরাতে মুত্তাকীদের জন্য আল্লাহর নিকট তাদের তাকওয়া অনুপাতে বিভিন্ন আসন থাকবে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ إِنَّ ٱلۡمُتَّقِينَ فِي جَنَّٰتٖ وَنَهَرٖ ٥٤ فِي مَقۡعَدِ صِدۡقٍ عِندَ مَلِيكٖ مُّقۡتَدِرِۢ ٥٥ ﴾ [القمر: ٥٤، ٥٥]
“নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে বাগÑবাগিচা ও ঝর্ণাধারার মধ্যে। যথাযোগ্য আসনে, সর্বশক্তিমান মহাঅধিপতির নিকটে।” [সূরা ‎কামার: (৫৪-৫৫)]‎

■ মুত্তাকীরা তাকওয়ার ফলে আখেরাতে বিভিন্ন নহরে গমন করতে পারবে। যেমন পরিচ্ছন্ন পানির নহর, সুস্বাদু দুধের নহর যার স্বাদ কখনো নষ্ট হবে না এবং মজাদার শরাব, যা পানকারীদের জন্য হবে সুপেয়।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ مَّثَلُ ٱلۡجَنَّةِ ٱلَّتِي وُعِدَ ٱلۡمُتَّقُونَۖ فِيهَآ أَنۡهَٰرٞ مِّن مَّآءٍ غَيۡرِ ءَاسِنٖ وَأَنۡهَٰرٞ مِّن لَّبَنٖ لَّمۡ يَتَغَيَّرۡ طَعۡمُهُۥ وَأَنۡهَٰرٞ مِّنۡ خَمۡرٖ لَّذَّةٖ لِّلشَّٰرِبِينَ وَأَنۡهَٰرٞ مِّنۡ عَسَلٖ مُّصَفّٗىۖ وَلَهُمۡ فِيهَا مِن كُلِّ ٱلثَّمَرَٰتِ وَمَغۡفِرَةٞ مِّن رَّبِّهِمۡۖ كَمَنۡ هُوَ خَٰلِدٞ فِي ٱلنَّارِ وَسُقُواْ مَآءً حَمِيمٗا فَقَطَّعَ أَمۡعَآءَهُمۡ ١٥ ﴾ [محمد: ١٥]
“মুত্তাকীদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে তার দৃষ্টান্ত হল, তাতে রয়েছে নির্মল পানির নহরসমূহ, দুধের ঝরনাধারা, ‎যার স্বাদ পরিবর্তিত হয়নি, পানকারীদের জন্য সুস্বাদু সুরার নহরসমূহ এবং আছে পরিশোধিত মধুর ঝরনাধারা। তথায় ‎তাদের জন্য থাকবে সব ধরনের ফলমূল আর তাদের রবের পক্ষ থেকে ক্ষমা।” [সূরা মুহাম্মদ: (১৫)]

👉 হাদীসে এসেছে, ‎রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:‎
{ إذا سألتم الله تعالى فاسألوه الفردوس، فإنه أوسط الجنة وأعلى الجنة، ومنه تفجر أنهار الجنة، وفوقه عرش الرحمن }.
“তোমরা যখন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবে, তখন জান্নাতুল ফেরদাউসের প্রার্থনা করবে। কারণ এটা মধ্যবর্তী ও সর্বোচ্চ ‎জান্নাত, সেখান থেকে নহরসমূহ প্রবাহিত। তার উপরে রয়েছে আল্লাহর আরশ।‎

■ আখেরাতে তাকওয়ার ফলে মুত্তাকীরা জান্নাতের বৃক্ষসমূহের তলদেশ দিয়ে বিচরণ করবে ও তার ছায়া উপভোগ করবে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ إِنَّ ٱلۡمُتَّقِينَ فِي ظِلَٰلٖ وَعُيُونٖ ٤١ وَفَوَٰكِهَ مِمَّا يَشۡتَهُونَ ٤٢ كُلُواْ وَٱشۡرَبُواْ هَنِيٓ‍َٔۢا بِمَا كُنتُمۡ تَعۡمَلُونَ ٤٣ ﴾ [المرسلات: ٤١، ٤٣]
“নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকবে ছায়া ও ঝর্ণাবহুল স্থানে, আর নিজদের বাসনানুযায়ী ফলমূল-এর মধ্যে। (তাদেরকে বলা হবে) ‎তোমরা যে আমল করতে তার প্রতিদানস্বরূপ তৃপ্তির সাথে পানাহার কর।” [সূরা মুরসালাত: (৪১-৪৩)]‎

👉 আনাস (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
فعن أنس بن مالك قال: قال رسول الله: { إن في الجنة شجرة يسير الراكب في ظلها مائة عام لا يقطعها } [البخاري].
“নিশ্চয় জান্নাতে একটি বৃক্ষ রয়েছে, আরোহী যার ছায়া তলে একশত বছর ভ্রমণ করেও শেষ করতে পারবে না”। [বুখারী]

■ তাকওয়ার ফলে মুত্তাকীরা আখেরাতের মহাভীতির কারণে পেরেশান হবে না। তাদের সাথে ফেরেশতারা সাক্ষাত করবে।

👉 ‎আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ أَلَآ إِنَّ أَوۡلِيَآءَ ٱللَّهِ لَا خَوۡفٌ عَلَيۡهِمۡ وَلَا هُمۡ يَحۡزَنُونَ ٦٢ ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ وَكَانُواْ يَتَّقُونَ ٦٣ لَهُمُ ٱلۡبُشۡرَىٰ فِي ٱلۡحَيَوٰةِ ٱلدُّنۡيَا وَفِي ٱلۡأٓخِرَةِۚ ٦٤ ﴾ [يونس: ٦٢- ٦٤]
“শুনে রাখ, নিশ্চয় আল্লাহর বন্ধুদের কোন ভয় নেই, আর তারা পেরেশানও হবে না। যারা ঈমান এনেছে এবং তাকওয়া ‎অবলম্বন করত। তাদের জন্যই সুসংবাদ দুনিয়াবি জীবনে এবং আখিরাতে।” [সূরা ইউনুস: (৬২-৬৪)‎]

ইবনে কাসীর রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন:‎ আর তাদের আখেরাতের সুসংবাদ আল্লাহর এ বাণীতে ধ্বনিত হয়েছে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿ لَا يَحۡزُنُهُمُ ٱلۡفَزَعُ ٱلۡأَكۡبَرُ وَتَتَلَقَّىٰهُمُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ هَٰذَا يَوۡمُكُمُ ٱلَّذِي كُنتُمۡ تُوعَدُونَ ١٠٣ ﴾ [الانبياء: ١٠٣]
“মহাভীতি তাদেরকে পেরেশান ‎করবে না। আর ফেরেশতারা তাদেরকে অভ্যর্থনা জানিয়ে বলবে, ‘এটাই তোমাদের সেই দিন, যার ওয়াদা তোমাদেরকে ‎‎দেয়া হয়েছিল।” [সূরা আম্বিয়া: (১০৩)]‎

■ আখেরাতে মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে চমৎকার ঘর।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেন:‎
﴿ وَلَدَارُ ٱلۡأٓخِرَةِ خَيۡرٞۚ وَلَنِعۡمَ دَارُ ٱلۡمُتَّقِينَ ٣٠ ﴾ [النحل: ٣٠]
“আর নিশ্চয় আখিরাতের আবাস উত্তম এবং মুত্তাকীদের আবাস কতইনা উত্তম!” [সূরা নাহাল: (৩০)‎]

■ আখেরাতে মুত্তাকীদের তাকওয়ার কারণে তাদের নেকি ও প্রতিদান বহুগুন বর্ধিত করা হবে।

👉 আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন: ‎
﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ ٱتَّقُواْ ٱللَّهَ وَءَامِنُواْ بِرَسُولِهِۦ يُؤۡتِكُمۡ كِفۡلَيۡنِ مِن رَّحۡمَتِهِۦ وَيَجۡعَل لَّكُمۡ نُورٗا تَمۡشُونَ بِهِۦ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡۚ ٢٨ ﴾ [الحديد: ٢٨] كفلين: أي أجرين.
“হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আন, তিনি স্বীয় রহমতে তোমাদেরকে দ্বিগুণ ‎পুরস্কার দেবেন, আর তোমাদেরকে নূর দেবেন যার সাহায্যে তোমরা চলতে পারবে এবং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করে ‎‎দেবেন।” [সূরা হাদীদ: (২৮)]

এখানে كفلين অর্থ দু’টি প্রতিদান ও সাওয়াব। আল্লাহ ভাল জানেন ৷
--- মুহাম্মদ ইব্‌ন সালেহ আল-উসাইমীন

Want your business to be the top-listed Government Service in Riyadh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Bawadi
Riyadh
2341