PATH of AWAMI - দেশের কথা

PATH of AWAMI - দেশের কথা

Share

বঙ্গবন্ধু-মুক্তিযুদ্ধ-বাংলাদেশ

09/05/2026

কসবা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী Border Security Force (বিএসএফ)-এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত দুইজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (৮ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের পাথারিয়াদ্বার সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন উপজেলার ধ্বজনগর বাতান বাড়ি এলাকার খেবজু মিয়ার ছেলে মোরছালিন (২২) এবং মধুপুর গ্রামের মহরম আলীর ছেলে নবীর হোসেন (৪০)। নিহত মোরছালিন গোপীনাথপুর শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের একজন এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।

আহত দুই যুবককে উদ্ধার করে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

09/05/2026

সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেলেন আফরান নিশো, স্মরণ করলেন হুমায়ূন ফরিদীকে।

09/05/2026

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের মন্তব্য ঘিরে আলোচনা
সাংবাদিক Anis Alamgir সাংবাদিকতার নীতিবোধ ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন, যা নিয়ে সাংবাদিক মহলে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
পোস্টে তিনি Management and Resources Development Initiative (এমআরডিআই) আয়োজিত একটি মিডিয়া কনফারেন্স প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে বলেন, বিদেশি অর্থায়নে আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের চেয়ে সাংবাদিকদের বাস্তব সংকট ও নির্যাতনের বিষয়ে আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি অভিযোগ করেন, “ইউনূসের সেই আঠারো মাসের দুঃশাসনের সময় তারা কোথায় ছিলেন?”— এমন প্রশ্ন তুলে অনেক সাংবাদিক ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নীরবতার সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, সাংবাদিক নির্যাতন, মিথ্যা মামলা ও গণমাধ্যমের ওপর চাপের বিষয়ে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রকাশ্যে অবস্থান নেননি।
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, বর্তমানে দেশের সাংবাদিকতা যেন “দুই মেরুতে বিভক্ত”— একদিকে রাজধানীকেন্দ্রিক প্রভাবশালী সাংবাদিকরা, অন্যদিকে গ্রামীণ পর্যায়ের মাঠকর্মী সাংবাদিকরা।

09/05/2026

'ভাসুর মা/রা গেলে আমি জেল সুপারের পা দুইটা ধরতে বাকি রেখেছিলাম- শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি, ঢাবি শামসুন্নাহার হল ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি

09/05/2026

আগামী রবিবার চিন্ময় কৃষ্ণের জামিন হতে পারে: জোর গুঞ্জন
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

ইসকন নেতা ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর কারামুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। হত্যাসহ পৃথক পাঁচটি মামলায় তাঁর জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী রবিবার (১০ মে, ২০২৬) উচ্চ আদালত এই বিষয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবেন।

আদালতের সর্বশেষ পরিস্থিতি:
গত বৃহস্পতিবার বিচারপতি কেএম জাহিদ সরওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে দীর্ঘ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি শুনে রায়ের জন্য রবিবার দিন ধার্য করেছেন। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাসহ আগের মামলাগুলোতে জামিন পাওয়ার পর নতুন করে দেওয়া এই পাঁচ মামলায় জামিন মিললে তাঁর কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা থাকবে না।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সমীকরণ:
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চিন্ময় কৃষ্ণের কারাবন্দী থাকা একটি স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। কূটনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে যে, ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফরের পর থেকেই এই আইনি প্রক্রিয়াগুলোতে গতি আসতে দেখা যাচ্ছে।

যা ঘটেছিল:
২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণের বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং পরবর্তীতে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় উসকানির অভিযোগ আনা হয়েছিল। যদিও তাঁর আইনজীবীরা শুরু থেকেই এই মামলাগুলোকে 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে দাবি করে আসছেন।

আগামী রবিবারের রায়ের দিকেই এখন তাকিয়ে আছে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষ। জামিন কি সত্যি হবে, নাকি আইনি লড়াই আরও দীর্ঘায়িত হবে—তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে পরশু পর্যন্ত।

#চিন্ময়দাস

09/05/2026

হাসনাত আব্দুল্লাহ ম/ব করে শেখ মুজিবের বাড়ি ভে/ঙে/ছে: সাঈদ খান

08/05/2026

মাইলস্টোনের দগ্ধ শিশুদের চিকিৎসায় ডা. সামন্ত লালকে আসতে দেয় নাই ইউনূস

08/05/2026

গুলশানে ‘শহীদ তাজউদ্দীন স্মৃতি পার্ক’ নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন বিতর্ক

ঢাকা প্রতিনিধি

রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ-এর নামে প্রতিষ্ঠিত “শহীদ তাজউদ্দীন স্মৃতি পার্ক”-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে সোহেল তাজ-এর একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে সোহেল তাজ লিখেছেন, “আমি এখন সরকারকে অনুরোধ করবো তেজগাঁওয়ে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণি নামক সড়কটির নামটাও যেন পরিবর্তন করা হয়।” এরপরই তিনি স্মরণ করিয়ে দেন মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তাজউদ্দীন আহমদের সেই ঐতিহাসিক উক্তি—
“মুছে যাক আমার নাম, বেঁচে থাকুক বাংলাদেশ।”

পোস্টে আরও উঠে আসে একটি পুরোনো ঘটনার উল্লেখ। ১৯৭৮-৭৯ সালে ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোড সম্প্রসারণের সময় রাস্তার দুই পাশের প্রায় সব গাছ কেটে ফেলা হলেও একটি আমগাছ অক্ষত রাখা হয়েছিল। কারণ, গাছটি নিজ হাতে লাগিয়েছিলেন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ। সে সময় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগতভাবে গাছটি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে পোস্টে দাবি করা হয়। সেই প্রসঙ্গ টেনে সোহেল তাজ প্রশ্ন রাখেন—“আর এখন?”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদের অবদান ইতিহাসে অনস্বীকার্য। ফলে তাঁর নামে স্থাপনার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে অনেকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং ইতিহাস ও রাজনৈতিক বার্তার অংশ হিসেবেও দেখছেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সোহেল তাজ অতীতে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন। ফলে তাঁর এই ক্ষোভ প্রকাশ রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—যে ব্যক্তির নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার পরিচালিত হয়েছিল, তাঁর স্মৃতিকে ঘিরে এমন সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিক?

এদিকে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নাম পরিবর্তনের কারণ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সিদ্ধান্তটি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হওয়ার আভাস মিলছে।

08/05/2026

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঘোড়া: খরচের চাপে চ্যাপ্টা সাধারণ ভোক্তা

বিশেষ প্রতিবেদন | ঢাকা
০৯ মে ২০২৬

​দেশ যখন মধ্যম আয়ের তকমা পেরিয়ে উন্নত শিখরের দিকে ধাবমান হওয়ার দাবি করছে, ঠিক তখনই সাধারণ মানুষের হেঁশেল থেকে আসছে দীর্ঘশ্বাসের শব্দ। গত তিন মাসের ব্যবধানে দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে যে ভয়াবহ অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তাতে কেবল সাধারণ মানুষের পকেটই কাটছে না, বরং সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার কঙ্কালসার চেহারাও উন্মোচিত হয়েছে।

​বাজারের আগ্নেয়গিরি: তিন মাসে যে রূপান্তর
​গত ৮ই মে ২০২৬ তারিখের বাজার দর বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের দাম এখন সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার সীমানা পেরিয়ে গেছে। বাজার বিশ্লেষণকারী সংস্থা এবং সাধারণ ভোক্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের ব্যবধানে এমন কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে যা অকল্পনীয়।
​সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে সবজির বাজারে। কাঁচা পেঁপে, যা সাধারণত সাধারণ মানুষের সাশ্রয়ী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হতো, তার দাম বেড়েছে প্রায় ১৬৭ শতাংশ। যে পেঁপে তিন মাস আগে ৩০-৪০ টাকায় পাওয়া যেত, তা এখন ১০০ টাকার ঘর স্পর্শ করছে। বেগুনের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। কাঁচাকলার হালি ৪০ টাকা থেকে লাফিয়ে ৬০ টাকায় ঠেকেছে। শতাংশের হিসাবে এই বৃদ্ধি কোনোভাবেই স্বাভাবিক অর্থনৈতিক মুদ্রাস্ফীতি দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়।

​এলপি গ্যাস ও জ্বালানির ধাক্কা
​জ্বালানি খাতের অব্যবস্থাপনা সরাসরি আঘাত করেছে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে। ১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম তিন মাসে ৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এই বিশাল উল্লম্ফন কেবল রান্নার খরচই বাড়ায়নি, বরং পরিবহন খরচ বাড়িয়ে বাজারের অন্যান্য পণ্যের দামকেও উস্কে দিয়েছে। সরকার বারবার ভর্তুকি কমানোর কথা বললেও এর প্রভাব সরাসরি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ওপর কীভাবে পড়ছে, তা নিয়ে কার্যকরী কোনো পরিকল্পনা নেই।

​প্রোটিন এখন বিলাসিতা
​আমিষের বাজারেও একই অস্থিরতা। গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৮০০ টাকা ছাড়িয়ে ৮২০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। ডিমের দাম ডজন প্রতি ২১-২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় মাঝে মাঝে ডিম ও মাংসের দাম নির্ধারণ করে দিলেও মাঠপর্যায়ে তার কোনো বাস্তবায়ন নেই। নির্ধারণ করা দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
​সরকারের ব্যর্থতা যেখানে স্পষ্ট

​বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দ্রব্যমূল্যের এই লাগামহীন ঘোড়া কেবল আন্তর্জাতিক বাজারের কারণে নয়, বরং সরকারের অভ্যন্তরীণ কিছু ব্যর্থতার কারণে আজ এই পর্যায়ে:
​১. সিন্ডিকেটের কাছে আত্মসমর্পণ: দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজার মূলত গুটিকয়েক বড় আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীর নিয়ন্ত্রণে। সরকার বারবার কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিলেও বাস্তবে বড় কোনো অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
২. তদারকি সংস্থার অকার্যকারিতা: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজার মনিটরিং টিম কেবল ঢাকাভিত্তিক কিছু অভিযানেই সীমাবদ্ধ। এর ফলে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বাজার দর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীন।
৩. ভুল পরিসংখ্যানের রাজনীতি: সরকার যখন মুদ্রাস্ফীতিকে ১০ শতাংশের নিচে দাবি করছে, বাজারের বাস্তব চিত্র তখন বলছে ভিন্ন কথা। পরিসংখ্যানের সাথে বাস্তব জীবনের মিল না থাকায় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
​সাধারণ মানুষের আহাজারি
​কারওয়ান বাজারে আসা এক বেসরকারি চাকুরে বলেন, "গত তিন মাসে আমার বেতন বাড়েনি এক টাকাও, কিন্তু বাজারের প্রতিটি জিনিসের পেছনে খরচ বেড়েছে অন্তত ৩০ শতাংশ। এখন আর মাছ-মাংস খাওয়ার সাহস হয় না, এমনকি সবজি কিনেও পেট ভরে খাওয়ার জো নেই। সরকার যদি শুধু মেগা প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত থাকে আর আমাদের পেটের খবর না রাখে, তবে এই উন্নয়নের কোনো মানে নেই।"

​উপসংহার
​উন্নয়নের সূচক আর বড় বড় স্থাপনা দিয়ে ক্ষুধার জ্বালা মেটে না। দ্রব্যমূল্যের এই সীমাহীন ঊর্ধ্বগতি এখন কেবল অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, এটি একটি মানবিক সংকটে রূপ নিয়েছে। সাধারণ মানুষ এখন মনে করছে, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। সিন্ডিকেটের হাত থেকে বাজারকে মুক্ত করে সাধারণ মানুষের পাতে দুমুঠো অন্নের নিশ্চয়তা দিতে না পারলে এই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ যেকোনো সময় জনরোষে রূপ নিতে পারে।
​এক নজরে তিন মাসের মূল্যের পার্থক্য:
​কাঁচা পেঁপে: ৩০০% পর্যন্ত বৃদ্ধি।
​এলপি গ্যাস: ৪৩% বৃদ্ধি।
​ফার্মের ডিম: ডজন প্রতি ২৫-৩০ টাকা বৃদ্ধি।
​গরুর মাংস: কেজিতে ৫০-৭০ টাকা বৃদ্ধি।
​সময় এখন কঠোর হওয়ার। সরকার যদি এখনই অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য না থামায়, তবে "চ্যাপ্টা ভোক্তা" আর দাঁড়াতে পারবে না।

08/05/2026

হাতিরঝিল: একসময়ের ভাগাড় থেকে শেখ হাসিনার হাত ধরে ঢাকার আধুনিক বিনোদন কেন্দ্র
যুগান্তকারী মেগা প্রজেক্টগুলোর মধ্যে হাতিরঝিল প্রকল্পের আধুনিকায়ন শেখ হাসিনার সরকারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ। যানজট নিরসন আর সৌন্দর্যবর্ধনে এই প্রকল্প এখন বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত। রাজধানীর সৌন্দর্য নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার রূপকার তিনি।

08/05/2026

বিয়ের ১১ বছর পর সন্তান জন্ম, মৃত্যু হামে
#হাম

Want your business to be the top-listed Government Service in Kosti?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Bangladesh
Kosti
1000