Gen -Z, We believe in 1971

Gen -Z, We believe in 1971

Share

আমরা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণের বিশ্বাসী।

03/14/2026

রাজাকার পার্লামেন্টে।

লাল বৃত্তে যে ছবিটি দেখা যাচ্ছে সেটি হলো যুদ্ধাপরাধী খুনি এ. টি. এম. আজহারুল ইসলাম। আজ সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেছে ১৯৭১ সালে ১,৪০০ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে হত্যায় অংশ নেওয়া যুদ্ধাপরাধী খুনি এ. টি. এম. আজহারুল ইসলাম।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল, যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াত নেতা এ. টি. এম. আজহারুল ইসলাম পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে রংপুরের কয়েকটি গ্রামে ১,৪০০ জন নিরস্ত্র বাঙালিকে হত্যা করে। অন্যান্য স্থানেও সে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করে এবং অসংখ্য মানুষ হত্যায় অংশ নেয়।

(১) ১৯৭১ সালের ১৬ এপ্রিল, যুদ্ধাপরাধী আজহারুল ইসলাম পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এবং জামায়াত সদস্যদের সঙ্গে মিলে মোকসেদপুর গ্রামে আক্রমণ চালায়। তারা বাড়িঘরে লুটপাট চালায়, অগ্নিসংযোগ করে এবং অসংখ্য নিরস্ত্র সাধারণ মানুষকে হত্যা করে।

(২) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল, আজহারুল ইসলাম রংপুরের ঝাড়ুয়ার বিলের কাছে হিন্দু-অধ্যুষিত একাধিক গ্রামে পরিকল্পিত হামলায় অংশ নেয়। এতে প্রায় ১,২০০ জন নিহত হয় এবং আরও ২০০ জনের বেশি মানুষকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ (JCE)–এর অধীনে এই আজহারুল দোষী সাব্যস্ত হয়।

(৩) ১৯৭১ সালের ৩০ এপ্রিল, আজহারুল ইসলাম রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে চারজন হিন্দু অধ্যাপক ও একজন অধ্যাপকের স্ত্রীকে অপহরণ করে। পরে তাদের হত্যা করা হয়। সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে আজহারুল অপহরণ ও হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছিল।

ইতিহাসের একটি কলঙ্কিত অধ্যায় আজ। সংসদে যুদ্ধাপরাধী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী এবং একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি অংশ নিয়েছে। এটি গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং সভ্যতার বিরুদ্ধে একটি যাত্রার শুরু।
এই হলো নতুন বাংলাদেশ!

03/11/2026

দেশরত্ন শেখ হাসিনা রাশিয়া, জাপান, চীন—এই দেশগুলো থেকে কী আনেননি?রাশিয়া থেকে অস্ত্র ও যুদ্ধ সরঞ্জাম, চীন থেকে সাবমেরিন ও বিমান, জাপানের জাইকা সহ উন্নয়ন সহযোগিতা—কী নেই সেই তালিকায়?

তখন কি মোড়ল দেশগুলোর অনুমতি নেওয়া হয়েছিল? না, নেওয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা এসব রক্তচক্ষুকে পরোয়া করেননি, দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছেন।

তাহলে এখন রাশিয়া থেকে তেল আনতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি লাগবে কেন?স্বাধীন দেশের সিদ্ধান্ত কি অন্যের অনুমতির উপর নির্ভর করবে?

এই অনুমতি কি আজাদী ও ইনসাফের বুলি ছোড়া চেতনাবাজদের সাথে মানানসই? 😋😋
দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহসই তো প্রকৃত স্বাধীনতার পরিচয়। যা জননেত্রী শেখ হাসিনায় একমাত্র করে দেখাতে পেরেছিল✊

তারেখ জিয়া কি পারবে সে মোডলদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে দেশের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিতে????

03/10/2026

এক সময় একশ্রেণির গুজববাজ ও জামাতের বট বাহিনী প্রচার করেছিল—এই পাইপলাইন দিয়ে নাকি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সব গ্যাস ভারতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন, তাই নাকি দেশে গ্যাস সংকট! না জেনে, না বুঝে অনেকেই সেই মিথ্যা বয়ানকে সমর্থন করে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়েছিলেন।
কিন্তু বাস্তবতা আজ স্পষ্ট।
এটি আসলে শেখ হাসিনার উদ্যোগে তৈরি করা ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন, যার মাধ্যমে ভারত থেকে সরাসরি তেল আনা সম্ভব—তাও প্রায় কোনো পরিবহন খরচ ছাড়াই। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
মজার বিষয় হলো, যাঁরা একসময় এই প্রকল্প নিয়ে গুজব ছড়িয়েছিলেন, বাস্তবতার মুখে আজ তারাই এই পাইপলাইনের সুবিধা নিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই বিএনপি সরকার এই পাইপলাইনের মাধ্যমেই প্রায় ৫ লক্ষ মেট্রিক টন তেল আমদানির অর্ডার দিয়েছে।
সত্যকে যতই আড়াল করার চেষ্টা করা হোক, সময়ই শেষ পর্যন্ত বাস্তবতাকে সামনে নিয়ে আসে।

03/07/2026

আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ।
--------------------------------------
আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বুঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে।

আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়। কী অন্যায় করেছিলাম, নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ সম্পূর্ণভাবে আমাকে আওয়ামী লীগকে ভোট দেন। আমাদের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি বসবে, আমরা সেখানে শাসনতন্ত্র তৈয়ার করব এবং এই দেশকে আমরা গড়ে তুলব, এ দেশের মানুষ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, তেইশ বৎসরের করুণ ইতিহাস বাংলার অত্যাচারের, বাংলার মানুষের রক্তের ইতিহাস। তেইশ বৎসরের ইতিহাস মুমূর্ষু নর–নারীর আর্তনাদের ইতিহাস; বাংলার ইতিহাস এ দেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস। ১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা গদিতে বসতে পারি নাই। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান মার্শাল ল জারি করে দশ বৎসর পর্যন্ত আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৬ সালে ছয় দফা আন্দোলনে ৭ই জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯-এর আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন হওয়ার পর যখন ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, তিনি বললেন, দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন, গণতন্ত্র দেবেন। আমরা মেনে নিলাম।

তারপরে অনেক ইতিহাস হয়ে গেল, নির্বাচন হলো। আমি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি, শুধু বাংলার নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা হিসাবে তাঁকে অনুরোধ করলাম, ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখে আপনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেন। তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন ভুট্টো সাহেবের কথা। তিনি বললেন, প্রথম সপ্তাহে মার্চ মাসে হবে। আমরা বললাম, ঠিক আছে, আমরা অ্যাসেম্বলিতে বসব। আমি বললাম, অ্যাসেম্বলির মধ্যে আলোচনা করব; এমনকি আমি এ পর্যন্ত বললাম, যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও, একজনও যদি সে হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব।

জনাব ভুট্টো সাহেব এখানে এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন যে আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরও আলোচনা হবে। তারপর অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ করলাম, আপনারা আসুন বসুন, আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈয়ার করি। তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসেন, তাহলে কসাইখানা হবে অ্যাসেম্বলি। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলে দেওয়া হবে। যদি কেউ অ্যাসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত দোকান জোর করে বন্ধ করা হবে। আমি বললাম, অ্যাসেম্বলি চলবে। তারপর হঠাৎ ১ তারিখে অ্যাসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হলো।

ইয়াহিয়া খান সাহেব প্রেসিডেন্ট হিসাবে অ্যাসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাব। ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপরে হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হলো। দোষ দেওয়া হলো বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হলো আমাকে। বন্দুকের মুখে মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল।

আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কলকারখানা সবকিছু বন্ধ করে দেন। জনগণ সাড়া দিল। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল। তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলো।

মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ্।
কী পেলাম আমরা? যে আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরিব-দুঃখী আর্ত মানুষের বিরুদ্ধে, তার বুকের উপর হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু। আমরা বাঙালিরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি, তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। টেলিফোনে আমার সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, জনাব ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কীভাবে আমার গরিবের উপরে, আমার বাংলার মানুষের উপরে গুলি করা হয়েছে, কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে। আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তিনি বললেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ১০ তারিখে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স ডাকব।

আমি বলেছি, কিসের বৈঠক বসবে, কার সঙ্গে বসব? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসব? হঠাৎ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন, সমস্ত দোষ তিনি আমার উপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের উপর দিয়েছেন।

ভাইয়েরা আমার, ২৫ তারিখে অ্যাসেম্বলি কল করেছে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। আমি ১০ তারিখে বলে দিয়েছি যে ওই শহীদের রক্তের উপর পা দিয়ে কিছুতেই মুজিবুর রহমান যোগদান করতে পারে না। অ্যাসেম্বলি কল করেছে। আমার দাবি মানতে হবে: প্রথম, সামরিক আইন মার্শাল ল উইথ ড্র করতে হবে, সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত নিতে হবে, যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে, আর জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে । তারপর বিবেচনা করে দেখব, আমরা অ্যাসেম্বলিতে বসতে পারব কি পারব না। এর পূর্বে অ্যাসেম্বলিতে বসতে আমরা পারি না।

আমি, আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না। আমরা এ দেশের মানুষের অধিকার চাই। আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দিবার চাই যে আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাচারি, আদালত-ফৌজদারি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। গরিবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে, সে জন্য সমস্ত অন্যান্য জিনিসগুলো আছে, সেগুলির হরতাল কাল থেকে চলবে না। রিকশা, গরুর গাড়ি চলবে, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে; শুধু সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট, সেমি গভর্নমেণ্ট দপ্তরগুলো, ওয়াপদা কোনো কিছু চলবে না।

২৮ তারিখে কর্মচারীরা বেতন নিয়ে আসবেন। এর পরে যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকদের হত্যা করা হয়, তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে, এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু, আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে। আমরা ভাতে মারব, আমরা পানিতে মারব। তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাকো, কেউ তোমাদের কিছু বলবে না। কিন্তু আর আমার বুকের উপর গুলি চালাবার চেষ্টা করো না। সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দমাতে পারবে না।

আর যে সমস্ত লোক শহীদ হয়েছে, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, আমরা আওয়ামী লীগের থেকে যদ্দুর পারি তাদের সাহায্য করতে চেষ্টা করব। যারা পারেন আমার রিলিফ কমিটিতে সামান্য টাকাপয়সা পৌঁছিয়ে দেবেন। আর এই সাত দিন হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইরা যোগদান করেছেন, প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাঁদের বেতন পৌঁছায়ে দেবেন। সরকারি কর্মচারীদের বলি, আমি যা বলি তা মানতে হবে। যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হবে খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো, কেউ দেবে না। মনে রাখবেন, শত্রুবাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটপাট করবে। এই বাংলায় হিন্দু মুসলমান বাঙালি অবাঙালি যারা আছে, তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের উপরে। আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন রেডিও টেলিভিশনের কর্মচারীরা, যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনেন, তাহলে কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে যাবেন না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোনো বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। দুই ঘণ্টা ব্যাংক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মায়নাপত্র নিবার পারে। কিন্তু পূর্ব বাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সঙ্গে নিউজ পাঠাতে চালাবেন। কিন্তু যদি এ দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালিরা বুঝে–শুনে কাজ করবেন। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ্। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।

জয় বাংলা।

02/11/2026
02/02/2026

শিবিরের সাথী ভাইয়েরা যখন এই পোস্টার দেখবে তখন নিশ্চয়ই এই পোস্টারের কাহিনি জানতে চেয়ে গেমস অফ থ্রোন দেখা শুরু করবে।

কিন্তু যখনই সিজন ওয়ানের লাস্ট এপিসোডে দেখতে পাবে জেমি আর সার্সির চদরমদর, সিজন টুতে জন স্নো আর ইগ্রিটের ঝর্ণা স্নান, দ্রুগো আর মাদার অফ ড্রাগনের মেহেদি অনুষ্টানের রমরমা আর সবশেষে যখন আরিয়া স্টার্কের জীবনের শেষ মুহুর্ত উপভোগের দৃশ্যটা তখন কি হবে?

মোটামুটি আন্দাজ করা যায় এখানে শফিক দাদুকে জন স্নোর সাথে তুলনা করা হয়েছে। কিন্তু জন স্নো সিজনের শেষে ফুফির সাথে যে আকামটা করছে আমি নিশ্চিত সাথী ভাইয়েরা যদি জানত তাহলে কখনো জন স্নোর সাথে তুলনা করত না।

জামাত শিবিরের ভাইয়েরা দয়া করে এই ছবির রহস্য খুঁজতে যাবেন না।
বিনীত অনুরোধ। 🌚

Winter is coming.

01/14/2026

দেশপ্রেম কখনো অপরাধ হতে পারেনা।
দেশপ্রেমিকরা কখনো অপরাধী হয়না।

01/11/2026

জীবনে এত কিসের অনুশোচনা!!!
দেখো একটা পবিত্র আর স্নেহময় প্রাণ ডায়ালাইসিসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে।।।😔

03/14/2025

মাগুরার শিশুর শোক শেষ না হতেই সিরাজগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ধ’র্ষ’ণে’র শিকার!
সূত্র :বাংলা ট্রিবিউন

03/13/2025

আসিয়া মারা গেলো আজ ১৩ই মার্চ।

আজকের দিনে আমরা , Gen -Z, We believe in 1971 ঘোষণা করলাম, বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী শক্তির মূল্যায়নের স্বপক্ষে যারা কাজ করবেন আমরা তাদের রাজনীতি সমর্থন করবো । আজীবন নারীর বিপক্ষে যেই শক্তি ই রাজনীতি করুক,আমরা এর বিরোধিতা করে যাবো।

আমরা হারবোনা, পরাজয় মানবোনা!
💝

সবাই যার যার টাইমলাইনে শেয়ার করুন।

Gen -Z, We believe in 1971 03/13/2025

আমরা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্বাসী।

Gen -Z, We believe in 1971 আমরা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ বিনির্মাণের বিশ্বাসী।

Want your business to be the top-listed Government Service in New City?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

New City, NY