16/06/2024
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সব থেকে বড় শক্তি নরেন্দ্র মোদী, এবং বাংলাতে তৃণমূলকে হারাতে পারে একমাত্র BSP, বিজেপি না
=================================
সবার আগে বোঝা যাক যে বাংলাতে তৃণমূলকে কেনো শুধুমাত্র BSP হারাতে পারে, বিজেপি না ! এই কথাটি যদিও আমরা BSPর কর্মীরা বলে আসছি, কিন্তু আমাদের সমাজ কখনও সেটা মানেনি। যাইহোক এর পিছনে অংক বোঝা যাক।
সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে, বাংলার প্রায় সব মুসলিম ভোট বিজেপি'র বিরুদ্ধে গেছে, যার মধ্য প্রায় ৮০% তৃণমূল পেয়েছে। মুসলিমরা সাধারণত বর্নহিন্দু এবং SC/ST/OBC'দের থেকে বেশি মাত্রায় ভোটদানে অংশগ্রহণ করে। তাহলে যা মোট ভোট পড়েছে বাংলাতে, তার ধরে নেওয়া যাক মোটামুটি ২৫% হলো তৃণমূলের পাওয়া মুসলিম ভোট। প্রতিটা ভোটে এর খুব বেশি তারতম্য হয়না।
বিভিন্ন অর্থ দেওয়া কার্যক্রম যেমনি লক্ষী ভাণ্ডার, ইত্যাদি দিয়ে ধরে নেওয়া যাক বিষেশত সমাজের প্রান্তিক মহিলাদের মধ্যে তৃণমূলের একটা ভোট ব্যাংক তৈরী হয়েছে, যা কম করে ধরলেও মোট ভোটার এর ১০%।
এছাড়াও একটি শ্রেণী আছে, যারা বিজেপি'র RSS-BJP মার্কা হিন্দুত্ব কিছুতেই হজম করতে পারেনা। এটা কতো, সে নিয়ে বিভিন্ন লোকের ভিন্ন মতামত, কিন্তু কেউ বলেনা যে এটা ৫% এর কম।
উপরের তিনটি আমরা যদি জুড়ি, তাহলে মোট হয়ে যায় প্রায় ৪০%। এই হলো তৃণমূলের "বেস ভোট" বাংলাতে। অর্থাৎ, বিজেপি'কে বাংলা জিততে গেলে, বাকি ৬০% এর মধ্য ৫১% বের করতে হবে - যেটা হাস্যকরভাবে অসম্ভব। আর তাছাড়াও বিজেপি তাদের সর্বশক্তি ইতিমধ্যেই লাগিয়ে দিয়েছে ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে। এখন বাংলাতে BJPর একটাই গতি - নিচের দিকে। আর বাংলার ইতিহাস বলছে, সেটা অত্যন্ত দ্রুত হতে পারে।
এবার আসা যাক BSPর বিষয়ে।
মাঠে-ময়দানে BSPর হয়ে কাজ করতে গিয়ে আমরা বাংলার মুসলিমদের মধ্যে দুটি জিনিষ দেখি :
1. তাদের ৯০%+ তৃণমূলকে আর মন থেকে চায়না। এদের সাথে আটকে আছে শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদীকে আটকানোর জন্য।
2. প্রায় প্রতিটি মুসলিম বুঝে গেছে যে বাংলাতে এবং ভারতে তাদের সার্বিক উন্নতি সম্ভব শুধুমাত্র বাবা সাহেবের সংবিধানের পথে।
এবার যদি আমরা DBT (Direct Benefit Transfer) বা সোজাসুজি অর্থ প্রদান প্রকল্পগুলির দিকে তাকাই যেমনি লক্ষী ভাণ্ডার, ইত্যাদি, ভারতবর্ষে এর শ্রেয় যায় বহিনজী'র নেতৃত্বে BSPর শাসনে। শাসন করতে গেলে পিছিয়ে রাখা সমাজকে যে কিছু দিতে হয়, সেই পথ প্রথম দেখান বহিনজী। তার সাথে সাথে বহিনজী যে কাজটি করেন, যা আজ পর্যন্ত ভারতের অন্য কোনও শাসক করেনি - সেটা হলো সবার জন্য উচ্চ-মানের সরকারি শিক্ষা।
এখানে বাবা সাহেবের উক্তি আমাদের ভুললে চলবে না - তিনি বলছিলেন - "ওরা তোমাদের সব কিছু দেবে, কিন্তু শিক্ষা দেবেনা - কারণ শিক্ষা প্রশ্নের জন্ম দেয়"।
কেউ যদি ভাবে বা বলে যে জাত-পাতের রাজনীতি বাংলার না, ভিন-দেশীয় - তাহলে সে সব থেকে বেশি গণ্ড-মূর্খ। বাংলা হলো এর আসল জননী। বাংলা ও দেশ-ভাগ করাই হয়েছিলো জাত-পাতের কারণে, যাতে বাংলাতে বর্ণহিন্দুদের শাসন চালিয়ে যাওয়া যায়।
বাংলা যখন কাঁশীরামজীর দেখানো পথে জাতকে ব্যবহার করে করা রাজনীতির এতোটাই উর্বর জমি, তাহলে আমরা পারিনি কেনো এখনও ?? দুটি প্রধান কারণ :
1. বাংলাতে তথাকথিত শিক্ষিতদের মধ্য হাতে-গোনা কয়েকজন ছাড়া, কারো কাঁশীরামজীর দেখানো পথে চলার ক্ষমতা নেই।
2. কাঁশীরামজীর দেখানো পথে চলার ক্ষমতা নেই - সেটা স্বীকার না করে, এরা সমাজের মধ্য বাবা সাহেবের দয়াতে পাওয়া নিজেদের স্ট্যাটাস দেখিয়ে, নিজেদের কথার দাম বাড়িয়ে, তার পরে BSPর নেতৃত্বের ব্যাপারে মিথ্যে বদনাম আর সন্দেহ প্রকাশ করে গেছে - নিজেদের অক্ষমতা আর অযোগ্যতা ঢাকতে। দিনের পর দিন এটা চলতে থাকার কারণে, আমাদের যোগ্য নেতৃত্বের উপর আমাদের সমাজ বিশ্বাস পাচ্ছে না। অথচ মজার ব্যাপার, নেতৃত্ব তো অনেক দূরের ব্যাপার - নেতৃত্বের তৈরী করা কর্মীর সামনে এই সব তথাকথিত শিক্ষিতদের রাজনীতির বিষয়ে সোজা হয়ে ৫ মিনিট দাঁড়ানোর ক্ষমতা নেই - সে তার যতোই ডিগ্রি হোক আর যতোই বড় চাকরি হোক।
উপরোক্ত কারণগুলির জন্যই বাংলাতে তৃণমূলকে BSPর দ্বারা হারানোর চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে আমাদেরই বৃহত্তর সমাজের মধ্য এইটা ব্যাপকভাবে প্রচলিত হওয়া, যে BSPর ভিতরে এসে মাথা পেতে কাঁশীরামজীর শিক্ষা না নিলে - SC/ST/OBC'দের গাছের সাথে বেঁধে পিটালেও মাথায় রাজনীতি ঢোকেনা - সে তার যতোই বড় আর বেশি ডিগ্রি হোক বা যতো বড়ই চাকরি করুক।
শেষমেষ প্রশ্ন হলো, নরেন্দ্র মোদী কিভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সব থেকে বড় শক্তি ! খুব সহজ উত্তর ! উপরোক্ত হিশেব অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার পরিবার, তার চেলা-চামুন্ডারা যাই দোষ করুক, যাই চুরি করুক, চাকরি না দিক, শিক্ষা না দিক, ইত্যাদি - তবুও RSS/BJP নামক ডাকাতকে আটকানোর জন্য চোখ বুঁজে প্রায় ৩০%+ ভোট গ্যারান্টি সহকারে পায় - যার প্রধান কারণ হলো নরেন্দ্র মোদী। তাহলেই খুব সহজেই বলা যেতে পারে যে, নরেন্দ্র মোদী হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধান শক্তি।
জয় ভীম, জয় ভারত
BSP জিন্দাবাদ
🐘🐘🐘🐘🐘🐘
17/05/2018
সকল প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের প্রতি এবং সমাজের সকল স্তরের শান্তিপ্রিয় মানুষের প্রতি একটি জরুরী আবেদন
----------------------------------------
আসুন, সকল প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসার এক হই এবং কিছু সিদ্ধান্ত নিই।
নির্বাচন কমিশন আমাদের কোনো দায় নেয় না, বিপদে ঠেলে দিয়ে চুপ ক'রে থাকে। আমাদের কোনো নিরাপত্তা থাকে না। সম্মান থাকে না। আমরা রাজনৈতিক লুম্পেনদের ধমক খাই। অসহায় ভাবে বোমাবাজি, বুথ দখল, ভোটারদের হেনস্তা ও ছাপ্পা দেওয়া সহ্য করি। দুই যুযুধান দলের মাঝে পড়ে গেলে প্রাণ বাঁচাতে ছুটতে শুরু করি। প্রতিবাদ করলে রায়গঞ্জের প্রিসাইডিং-এর মতো নিখোঁজ ও পরে টুকরো করা লাশ হয়ে যাই। আর বাড়িতে আমাদের প্রিয়জনদের মনের অবস্থা কী, তা না বলাই ভালো।
এই অবস্থায় আমরা যদি ঘুরে না দাঁড়াই, নির্বিবাদী ভেড়া হ'য়ে সব মেনে নিই, তাহলে আরও বড় বিপদ আমাদের জন্য অপেক্ষা করবে।
আসুন, এবার সব ভয়-দ্বিধা ছেড়ে প্রতিবাদে গর্জে উঠি। আমাদের দাবি:
দাবি ১- আগামী দিনে যে কোনো স্তরের ভোট নিতে পাঠাতে হলে প্রত্যেক পোলিং পার্টিকে আধুনিক অস্ত্রধারী কেন্দ্রীয় ফোর্স কমপক্ষে ৬ জন দিতে হবে। ২ জন ভোট কক্ষে, ৪ জন বাইরে।
দাবি ২- স্পর্শকাতর বুথে এই ফোর্স সংখ্যা দ্বিগুণ করতে হবে।
দাবি ৩- বিপদকালে মৌখিক না, সত্যি সত্যি বুথে সাহায্য পাঠানোর মতো পর্যাপ্ত ফোর্স ও ক্ষমতা সেক্টর অফিসারকে দিয়ে রাখতে হবে। তাদের ঠুঁটো জগন্নাথ বানিয়ে রাখা চলবে না।
দাবি ৪- ভোটের আগের দিন (P-1 day) ও ভোটের দিন পোলিংপার্টি ও ফোর্সের ভাইদের যাবতীয় খাবারের(টিফিন, ডিনার, ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ) ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষকে করতে হবে। আমরা এলাকার মানুষকে ম্যানেজ ক'রে খাবারের ব্যবস্থা কেন করবো? ওই ব্যবস্থা DC-RC তে থেমে গেলে ভোটটাও ওখানেই তুলুন।
দাবি ৫- লরি, ট্রাক বা অন্য কোনো মালবাহী বা অপরিচ্ছন্ন যানবাহনে আমাদের নিয়ে যাওয়া চলবে না।
দাবি ৬- পোলিং অফিসারদের বেতন বৈষম্য ঘোচাতে হবে এবং প্রত্যেকের বেতন বাড়াতে হবে। অন্য ক্ষেত্রে টাকার ফোয়ারা। আমাদের কেন বঞ্চনা? ভোটের সব থেকে risk zone-এ আমরা থাকি ।
দাবি ৭- নমিনেশনে বাধা, ভোটারদের ভীতি প্রদর্শন ও বুথ দখলের উস্কানিতে জড়িত নেতা ও ব্যক্তিদের অনেক আগে থেকে চিহ্নিত ক'রুক কমিশন। এরপর আইনানুগ ব্যবস্থা নিক।
উপরোক্ত প্রত্যেকটি দাবি অনুসারে পর্যাপ্ত বন্দোবস্ত হলো কিনা, তা যাচাই করার অধিকার আমাদের থাকবে।
এই ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত, আসুন অঙ্গীকার করি :
১- আমরা আগামী দিনে যাবতীয় ভোটের ট্রেনিং আর ডিউটি সম্পূর্ণ বয়কট করবো।
২- এরপর শোকজের ডাক এলে এতজন একসঙ্গে যাবো যে, বসার জায়গা দিতে গিয়ে ও কৈফিয়ত নিতে গিয়ে কর্তৃপক্ষ নাজেহাল হয়ে যাবে। প্রয়োজন মতো জনস্বার্থে বিচার ব্যবস্থার সাহায্য নেবো।
মনে রাখুন বন্ধুরা, এতটুকু করার সাহস,সদিচ্ছা আর ধৈর্য্য রাখতে পারলে দাবিগুলো মিটতে বাধ্য।
এভাবে শুধুমাত্র পোলিং-পার্টি রূপী সরকারী কর্মীদের একটা অংশই ইতিহাস তৈরী করে দিতে পারেন।
এতে শুধু আমরা নয়, উপকৃত হবেন ভোটাররাও। হয়তো কিছুটা হলেও বিশ্বাস আসতে পারে গণতন্ত্রের প্রতি।
রাজনৈতিক দালাল আর কাপুরুষ দাঙ্গাবাজরা এতে কিছুটা নির্বিষ হ'তে বাধ্য।
মনে রাখবেন, চাকরি নেওয়ার সময় আমরা কোনো রাষ্ট্রযন্ত্র, সরকার বা রাজনৈতিক দাদা-দিদির চরণে আমাদের জীবন আর আমাদের প্রিয়জনদের ভবিষ্যৎ বলি দেওয়ার মুচলেকা দিইনি।
আন্দোলনই ভালো থাকার ও রাখার একমাত্র রাস্তা।
দুদিনেই এই যাবতীয় অনিশ্চয়তা, টেনশান, অবহেলা, অপমান, মৃত্যুভয়, লাঞ্ছনা ভুলে না গিয়ে আসুন একটি
একতা-মঞ্চ গড়ে তুলি। আপাতত whatsappই যথেষ্ট। কোনো নেতার দরকার নেই। সহমত হ'লে সমর্থন জানান ও মেসেজটি ভুক্তভোগীকে share করুন।
আপাতত এভাবেই এই প্রতিবাদ আন্দোলনের চেহারা অর্জনে এগোক। চিহ্নিত হওয়ার চিন্তা ক'রে লাভ নেই বন্ধু। প্রজার ভয়ই রাজার পুঁজি।
এই চেষ্টা ব্যর্থ হলে হোক। পৃথিবীতে কোনো আন্দোলন বাহ্যিক ভাবে ব্যর্থ হলেও তার প্রভাব থেকেই যায়। কোনো কিছুই সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয় না। অপেক্ষায় রইলাম।
27/01/2017
কেন বহুজন সমাজ পার্টি(BSP) ?
বর্তমানে গণতান্ত্রিক
পদ্ধতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক
দল তাদের কাল্পনিক মতবাদ
(IDEOLOGY) বা আদর্শ নিয়ে ভোট
যুদ্ধে অবতরন করছে ।
যেমন- কংগ্রেস পার্টি র এক
মতবাদ,বিজেপি’র এক
মতবাদ,কমিউনিস্ট পার্টি
গুলির আরেক মতবাদ। বর্তমানে
এই রাজ্যের শাসক দল
তৃণমূকংগ্রেসের (TMC) মতবাদও
কংগ্রেস পার্টি র মতো ।কেউ
গান্ধী বাদী সমাজ গড়তে চায়
কেউ হিন্দুত্ব বাদী সমাজ গড়তে
চায় ।
এরকম আরও অনেক পার্টি আছে
জারা আঞ্চলিক সমস্যা
সমাধানকে পাথেয় করে ভোটে
লড়াই করে। তবে বাস্তবে দেখা
গেছে প্রায় সব পার্টি গুলোই
ভোটে জেতার জন্য একই পদ্ধতি
অবলম্বন করছে। ফলে সমাজের
মুষ্টিমেয় মানুষের বেশী
উপকার হচ্ছে আর দৈন্য
দুর্দশার শিকার হচ্ছে আর্থ-
সামাজিক দিক দিয়ে পিছিয়ে
পরা মানুষেরা যাদের সংখ্যা
ভারতে সব থেকে বেশী। অথচ এই
বৃহদাংশ মানুষের ভোটেই
সরকার তৈরি হয় ।
অন্যান্য পার্টি র কর্মকাণ্ড ও
তাদের প্রকিত মতবাদ থেকে
সরে এসে বহুজন সমাজ পার্টি
(BSP) বস্তুত মতবাদ ও আদর্শ
নিয়ে ভোটের ময়দানে
প্রতিদ্বন্ধিতা করছে। BSP এর
মতবাদ রাজনীতি,শিক্ষা,জন
উন্নয়নমূলক কাজ ইত্যাদি
ধর্মের প্রভাব থেকে মুক্ত
রাখা,সামাজিক পরিকাঠামোর
উন্নতি ও দলিত সাম্যবাদ
প্রতিস্থাপন করা।
দেশের প্রায় সব পার্টি গুলি
(কংরেস,বিজেপি,কমুইনিস্ট
পার্টি বা রাজ্যে টিএমসি)
তাদের মতবাদ গুলো বই বন্দী
করে রেখেছে। আসলে নিজেদের
মধ্যে লড়াই করার খেলা কায়েম
রেখে দেশের গদি দখল করার
চেষ্টা করছে।
তাই তারা নির্বাচনী
ইস্তেহারে বিভিন্ন ভাষণ ও
লোভনীয় কথা বলে সাধারন
মানুষের মন জয় করতে চায়।এবং
ক্ষমতা যাতে কখনোই BSP এর
হাতে না আসে তার চেষ্টা করে।
এর জন্য নির্বাচনী রণকৌশলে
মানি,মিডিয়া আর মাফিয়ার
সাহায্যে ভোটে জেতে। যা
গণতন্ত্রের পক্ষে খুবই
ক্ষতিকারক (বিশেষ করে আর্থ
সামাজিক ভাবে পিছিয়ে থাকা
মানুষদের)। ভারতের মতো গরীব
দেশে যেখানে ধনী-গরীবের
মধ্যে বিস্তর সামাজিক
পার্থক্য ও দেশের ৮০% এর
বেশী মানুষ দরিদ্রসীমার
নীচে বসবাস করে সেখানে
শুধুমাত্র দু-তিন টাকা দরে চাল-
গম বিক্রির ব্যবস্থা করলেই
নিপীড়িত মানুষের উন্নয়ন
সম্ভব নয়।প্রতিটি মানুষের
সমান সামাজিক ন্যায় বিচারও
প্রয়োজন।
সারা দেশে BSP একমাত্র পার্টি
যে আলাদা ভাবে কোনও
নির্বাচনী ইস্তেহার বা
ঘোষণাপত্র প্রকাশ করে না,বরং
কাজে বিশ্বাস করে। সেখানে
অন্যান্য পার্টি গুলি
নির্বাচনের সময় কেবলই
জল,রাস্তা,বিদ্যুত,বন্ধ
কারখানা খোলার মতো মিথ্যে
প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। এই
ভাবেই প্রতি ভোটেই সাধারন
মানুষেরা বঞ্চনার শিকার হয়।
BSP চায় সমাজের সকল স্তরের
মানুষের সমান সামাজিক
অধিকার ও সমান ন্যায় বিচার,
বিশেষ করে আর্থ-সামাজিক দিক
দিয়ে পিছিয়ে থাকা দলিত
(SC,ST) ও অন্যান্য অনগ্রসর
শ্রেনীর (OBC)। কারণ দেশের এই
৮৫% মানুষের উপর ভিত্তি
করেই দেশের উন্নয়ন সম্ভব হয়।
ভারতের বেশীরভাগ সাধারন
মানুষ এতদিন যাবত ঐসব পার্টি
গুলোর (কংরেস,বিজেপি,ক
মুইনিস্ট পার্টি বা তৃণমূল
কংগ্রেস) দ্বিচারিতার শিকার।
ফল স্বরুপ এক পার্টি আরেক
পার্টির বদনাম করা ছাড়া আর
কন উন্নয়ন করেনি। লক্সান
হয়েছে সাধারন মানুষের
বিশেষ করে আরথ-সামাজিক দিক
দিয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষের।
সামাজিক পরিকাঠামোর
উন্নতি,সকল স্তরের মানুষের
মধ্যে মেলবন্ধন ও সকল স্তরের
মানুষের সমান সামাজিক
স্বীকৃতির জন্য আপনাদের
সবাইকে বহুজন সমাজ পার্টিতে
(BSP) যোগদানের আহ্বান
জানাই।
আরও বিশদ জানতে বা পার্টি
সম্পর্কে কোনও জিজ্ঞাস্য
থাকলে অবস্যই যোগাযোগ করুন।
05/05/2016
West bengal a ki bsp seat pabe?