Bangladesh Online Awami League

Bangladesh Online Awami League

Share

সকল আওয়ামীপন্থী ভাইবোনেরা পেজটি ফলো দিয়ে রাখেন। যেকোনো তথ্য দিতে বা জানতে চাইলে পেজের ইমেইলটি ব্যবহার করুন। পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে।

01/11/2025

লীগের আন্তর্জাতিক কুটনীতি এখনো চোখে পড়ার মত নয়। নেতাকর্মীরা নিষিদ্ধ নগরীতে প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে মিছিলে মিছিলে ক্লান্ত।

নীতি নির্ধারিত মহল মুখে বলেই ক্লান্ত। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ অন্যান্য অংগ সংগঠনের কত অসংখ্য নেতাকর্মী বিনাদোষে, বিনা বিচারে জেলে তার হিসেব সম্ভবত উচ্চ পর্যায়েত কাছে নেই।

যারা দুর্নীতি করেছে, বিএনপি জামাতকে পকেটে কিংবা লুংগির নিচে নিয়ে রাজনীতি করে বিরাট কিছু হয়েছে, তারা কোথস্য? অনলাইন অফলাইন কোথাও তাদের ছায়া আজ দেখা যায় না। দুর্নীতিবাজ কয়জন ধরা খেয়েছে? দুয়েকজন ছাড়া কেউ ধরা খায়নি। আসলে তাদের ধরিয়ে দেয়া উচিত। এরা আওয়ামী লীগার নয়, কিছুতেই হতে পারে না।

সুশান্তের মত পাতলা পোলাও ইদানিং ডাকসাইটে নেতা। কিন্তু নেতারা কোথায়?

কেন্দ্রীয় কমিটি ভেংগে দেয়া হোক। প্রতিটি জেলা, উপজেলা কমিটি ভেংগে অনলাইনে নতুন করে কমিটি দেয়া হোক। শেখ হাসিনাতে দেশের মানুষের আস্থার ঘাটতি নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে যে নিয়ামক থাকা উচিত তা নেই। সাধারণ মানুষের কাছে মূল নিয়ামক শক্তি ত দিতে হবে। নুনুচের শাসন ব্যবস্থায় মানুষ অতিষ্ট। কিন্তু গাইডেড আন্দোলন ছাড়া তাদেরকে কাহিল করা সম্ভব নয়।

আমি আগেই বলেছিলাম, লীগকে ফিরতে হলে রীতিমত যুদ্ধ করে ফিরতে হবে। এমনকি সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হতে হবে। এজন্য করণীয় দ্রুত নির্ধারণ করা না হলে মুশকিল হবে। সবাই শুধু শেখ হাদিনার মুখের পানে তাকিয়ে থাকলে চলবে কেন?

আগের কমিটিগুলো বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন করে কমিটি দেয়া উচিত। যাদের কাজ করার সাহস ও সামর্থ্য আছে তাদেরকে কমিযটির দায়িতে দেয়া হোক। নুনুচ তিন দিন টিকতে পারবে না।

জয় বাংলা
জয় বংগবন্ধু
জয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

যাদের পক্ষে সম্ভব পোস্টটি শেয়ার করবেন বা কপি করে পোস্ট করবেন।

27/10/2025

হাল ছেড়ো না। কারো কোনো কথা শুনার দরকার নেই। নিজেদের মত কাজ করো

25/10/2025

আশেপাশে খেয়াল করে থাকবেন যে, কোন কোন সন্তান তার পিতার খাইছলত পায়, আবার অনেক সন্তান পায় না। কিন্তু বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে তার পিতার খাইছলত পেয়েছে এটা স্পষ্ট। তার পিতাও তো পশ্চিম পাকিস্তানের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলছেন যে, পশ্চিম পাকিস্তানের বীর মুক্তিযোদ্ধা নিজামী- মীর কাসিম আলী- সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে নাকী মিথ্যা মামলায় ফাসি দেওয়া হইছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই বক্তব্যে অবাক হওয়ার কিছু নাই। উনি উনার পিতার খাইছলত পাইছে, এখানে আমার-আপনার কী করার আছে!

এটাই বাস্তবতা।

24/10/2025

আওয়ামী লীগকে আরো ফেরোসাস হতে হবে। সবাইকে হাতে তুলে নিতে হবে লগি বৈঠা বলতে যা বুঝায়।

23/10/2025

ডিসেম্বর ৭, ২০২৫

20/10/2025

ঝিমিয়ে পড়লে চলবে না। সক্রিয় থাকুন। আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হবে না।

19/10/2025

আপনাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাব দশ মাস আগে।

২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ রাতে বাংলাদেশের প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে আগুন লেগে পুড়ে যায় ২০০ টি কক্ষ। এই ভবনেই ছিলো দুই ছাত্র অপদেষ্টা আসিফ ও নাহিদের দফতরগুলো।

আসিফ তখন হেলিকপ্টর যোগে কম্বল বিতরণের জন্য রংপুর ছিলো। আগুন লাগার সাথে সাথেই আসিফ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়, আওয়ামী লীগ সরকারের দূর্নীতি নিয়ে কাজ শুরু করায় প্রমাণ লোপাট করতে এই আগুন লাগানো হয়েছে। একই সুরে স্ট্যাটাস দেয় হাসনাত ও সার্জিস। অর্থাৎ, সচিবালয়ের আগুন লাগানোর জন্য সরাসরি আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হয়।

ফিরে আসি সচিবালয়ে। আগুন লাগার পর পরই আগুন নিভাতে আসা ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মী সচিবালয়ের সামনে দ্রুতগামী ট্রাকের চাপায় মারা পড়ে এবং ঠিক সেখানেই উপস্থিত থাকতে দেখা যায় সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামকে। অথচ তখন পর্যন্ত অগ্নিকান্ডের খবর ঠিকভাবে প্রচারও হয়নি। এই সেই হাসিব, যে টিভি টকশোতে প্রকাশ্যে পুলিশ হত্যা এবং মেট্রোরেলে আগুন লাগানোর স্বীকারোক্তি দিয়েছিল।

অগ্নিকান্ডের পর ফায়ার সার্ভিসের ডিজি অগ্নিকান্ডের ধরন দেখে সম্ভাব্য নাশকতার আশংকার কথা জানান। কেননা একই সাথে বিল্ডিং এর দুই প্রান্তে অগ্নিকান্ডের শুরু হয়। অপদেষ্টা রেজওয়ানা হাসানও সংবাদ সম্মেলনে একই আশংকার কথা জানায়।

কিন্তু চমক শুরু হয় এরপরই। সচিবালয়ের মতো জায়গায় অগ্নিকান্ডের তদন্তে যেখানে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার কথা, সেখানে ক্রাইম সিন প্রটেক্ট না করে পরদিনই আগুন লাগা ভবনে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অবাধে ঢুকতে দেয়া হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পরিবর্তে সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয় সচিবালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে। স্বরাষ্ট্র অপদেষ্টা জানায় আগুনে পুড়ে সিসিটিভি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অথচ, পুরো সচিবালয় সিসিটিভির আওতাভুক্ত এবং সচিবালয়ের নিজস্ব নিরাপত্তা টিম ছাড়াও এনএসআই ও ডিজিএফআই এর কাছেও সচিবালয়ের সিসিটিভির একসেস রয়েছে।

অগ্নিকান্ডের ঘটনায় যে তদন্ত কমিটি করা হয় তাতে জায়গা পায় হিজবুত তাহেরীর সাথে সম্পৃক্ত বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক মাকসুদ হেলালী। ইন্টারেস্টিং বিষয় হলো তখন তিনি বুয়েটের শিক্ষকও ছিলেন না, দেশদ্রোহী মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কয়েক বছর আগে স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছিলেন। এই তদন্ত কমিটি মাত্র পাঁচদিন পরেই রিপোর্ট দেয় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। এই চমৎকার (!) রিপোর্টের পুরষ্কার হিসেবে মাকসুদ হেলালীকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে পুনরায় বুয়েটের অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়, কিছুদিন আগে বানানো হয়েছে কুয়েটের উপাচার্য।

তদন্ত রিপোর্টকে বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য গণমাধ্যমে একটা সিসিটিভি ফুটেজও সরবরাহ করা হয়, যদিও স্বয়ং স্বরাষ্ট্র অপদেষ্টা বলেছিলো সিসিটিভি ফুটেজ পুড়ে গেছে। ফারুকী নির্মিত এই সিসিটিভি ফুটেজকে আকর্ষণীয় করতে একটি কুকুরকে অগ্নিকান্ডে পুড়ে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রীতিমতো এপিটাফ লিখে ডাস্টবিন শফিক। অথচ ফুটেজে কোন দিন তারিখ ছিলো না।

সচিবালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়ে শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লাগা সম্ভব না। তাছাড়া আগুন লাগা ভবনে সাদা গান পাউডারের উপস্থিতি ছিলো, যে বিষয়ে তদন্ত কমিটিকে জানালেও তারা গ্রাহ্য করেনি। আরো জানা যায় ২৫ ডিসেম্বর সরকারি ছুটির কারণে সচিবালয় বন্ধ থাকা সত্ত্বেও সেদিন নাহিদের দেয়া পাশ নিয়ে সচিবালয়ে ঢুকেছিলো বেশ কয়েকজন ছাত্র প্রতিনিধি।

সচিবালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, সচিবালয়ের অগ্নিকান্ড কোন দূর্ঘটনা ছিলো না। তাছাড়া অগ্নিকান্ড পরবর্তী সময়ে অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকান্ডই প্রমাণ করে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বিশেষত নাহিদ ও আসিফের সরাসরি সম্পৃক্ততাতেই এই আগুন লাগানো হয়েছিল।

কিন্তু কথা হচ্ছে, কেন সচিবালয়ের মতো জায়গায় আগুন লাগানো হয়েছিলো?

অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই সচিবালয়ে তথাকথিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের অবাধ বিচরণ শুরু হয়। তাদের লাগামহীন তদ্বির, সুপারিশ ও নিয়োগবাণিজ্য নিয়ে সচিবালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে ছিলো চাপা ক্ষোভ। তাছাড়া নানা দাবী দাওয়া নিয়ে তখন আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলো সচিবালয়ের কর্মচারীরা। এর প্রেক্ষিতে হাসনাত আবদুল্লাহ একাধিকবার প্রশাসনের বিরুদ্ধে হুংকার দিয়েছিলো, হুমকি দিয়েছিলো সচিবালয়কে গণভবনের পরিণতি ভোগ করানোর।

এই অগ্নিকান্ডের মাধ্যমে সচিবালয়ের উপর আধিপত্য বিস্তার করে এই ছাত্র নামধারী দূর্বৃত্তরা। পাশাপাশি নিজেদের করা দূর্নীতির প্রমানও লোপাট করে। অগ্নিকান্ডের পরপরই আসিফ তার দফতর নিয়ে যায় নগর ভবনে, এখন অব্দি সেখানেই আছে। হাজার হাজার কোটি টাকার দূর্নীতি হচ্ছে সেখান থেকে। সচিবালয়ের বাইরে হওয়ায় নগর ভবনে বসে সকল অপকর্ম নির্বিঘ্নে করে যাচ্ছে। এটা হয়ে উঠেছে তদ্বির বাণিজ্য এবং দূর্নীতর আখড়া।

ফিরে আসি বর্তমানে। ১৩ তারিখ মিরপুরে পোশাক কারখানায় আগুন লেগে ১৬ জন মারা যায়। তার দুইদিন পর ১৬ তারিখ সিইপিজেডে শ্রমিকদের সংঘর্ষে বন্ধ হয়ে যায় দেশের বৃহত্তম ডেনিম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান প্যাসিফিক গ্রুপের সাতটি প্রতিষ্ঠান। একইদিন আগুন লাগে সিইপিজেডেরই ৭ তলা একটা ভবনে যেখানে ছিলো দুটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি। আর গতকাল আগুন লেগেছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অন্ততপক্ষে এক বিলিয়ন ডলার।

বিমানবন্দরের অগ্নিকান্ডের পর পরই অবৈধ সরকার ও হাসনাত-সার্জিস গং আওয়ামীলীগকে দায়ী করে পোষ্ট দিয়েছে। অথচ অগ্নিকান্ডের স্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরাই জানাচ্ছে, আগুন ছোট পরিসরে থাকা অবস্থাতে নিভানোর চেষ্টা তো করা হয়ই নি, বরং সিভিল এভিয়েশনের পারমিশনের দোহাই দিয়ে ফায়ার সার্ভিসকেও এঙ্গেজ হতে দেয়া হয়নি। দেড়ঘন্টা ধরে আগুন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর ফায়ার সার্ভিস কাজ শুরু করে।

ঠিক যেন সচিবালয়ের অগ্নিকান্ডের ঘটনার পুনরাবৃত্তি। ডাস্টবিন শফিকও দৃষ্টি সরানোর জন্য পোষ্ট দিয়েছে ফুচকা খাওয়ার ছবি, যেন মানুষ অগ্নিকান্ডের ইস্যু বাদ দিয়ে তাকে গালাগালি করে। আমরা এটাও দেখেছি আগুন নিভানোর কাজ ঠিকভাবে না করে ড্রোন দিয়ে ফুটেজ নেয়া হচ্ছে। হয়তো ফারুকী সচিবালয়ের সিসিটিভি ফুটেজের মতোই কোন নাটক বানাবে কিছুদিনের মাঝে।

এ সবই এই অবৈধ ইউনুস গং এর মেটিক্যুলাস ডিজাইন। প্রশ্ন আসতে পারে, কেন?

প্রথমত, দেশকে অস্থিতিশীল বানিয়ে নির্বাচনের আলাপ দূরে সরিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতা দখল করে রাখা।

দ্বিতীয়ত, দেশের বিমান ও সমূদ্র বন্দর সমূহকে নিরাপত্তার অজুহাতে বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়া।

এবং তৃতীয়ত দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো ভেঙ্গে ফেলে দূর্ভিক্ষ পরিস্থিতি তৈরি করে সাধারণ মানুষকে নিজেদের একবেলা খাওয়া যোগানোতে ব্যস্ত রেখে দেশবিক্রির নীল নকশা বাস্তবায়ন করা।

আপনাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে এই দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র তুলে ধরলাম। এরপরও যদি না বুঝেন তাহলে কিছু করার নেই। জেগে জেগে ঘুমাতে চাইলে সেই ঘুম কখনোই ভাঙ্গানো সম্ভব না। এখন সিদ্ধান্ত আপনার। তাকিয়ে তাকিয়ে এই ইউনুস গং এর ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেখবেন, নাকি প্রত্যেকে নিজেদের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তুলবেন।

এখন আর এটা কোন রাজনীতি বিষয় না। এটা দেশের অস্তিত্বের বিষয়, জনগনের বাঁচা মরার বিষয়। এখনই এই দেশদ্রোহী ইউনুস গং কে রুখে দিতে না পারলে সোনার বাংলা আক্ষরিক অর্থেই শ্মশানে পরিণত হবে। আপনাদের সকলের বোধোদয় হোক। দেশকে বাঁচান, নিজে বাঁচুন।

15/10/2025

জেনারেল ওয়াকার গৃহবন্দী?

15/10/2025

ওয়াকারে জামাতের লাভ।
ফয়েজে বিম্পির লাভ।
আর্মি মাইনাস গেলে জনগণের লাভ।

13/10/2025

একটা সুশৃংখল বাহিনী ধ্বংসের মূল কারিগর বর্তমান সেনাপ্রধান ওয়াকার।

13/10/2025

লিংক কমেন্টে

13/10/2025

ওয়াকারের মত এত অথর্ব সেনাপ্রধান বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কেউ ছিল না।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address


Dhaka
1212