29/10/2024
আলহামদুলিল্লাহ!
দীর্ঘ ১৫ বছর পর কলেজের বন্ধুর সাথে সাক্ষাত ও সুন্নাহ হিসেবে হিজামা করে গেলো। আলহামদুলিল্লাহ! রেগুলার যোগাযোগ আছে এখনো, আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহ পাক শেফায়ে কামেলা আঝেলা দায়েমা নসীব করুন।
শাফাকাল্লাহুম্মা 🤲
28/10/2024
গুনাহ হচ্ছে সাময়িক শান্তি
কিন্তু পরক্ষনে দিবে শাস্তি।
জ্বালিয়ে দিবে মনের শান্তির হাওয়া
প্রশান্তির জন্য তওবা এস্তেগফার ই একমাত্র দাওয়া
18/10/2024
صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
10/10/2024
আলহামদুলিল্লাহ!
৩য় সেশান হিজামা নিলেন সাবেক NAVY অফিসার।হিজামার প্রতি উনার আস্থা ও বিশ্বাস মা শা আল্লাহ।
শাফাকাল্লাহুম্মা 🤲
07/10/2024
সকাল-সন্ধ্যার আমলগুলো একজন মুমিনের প্রধান নিরাপত্তবলয় ও সুরক্ষা হিসেবে কাজ করে। এগুলো ঈমানকে নিরাপত্তা দেয়, আমলকে তরতাজা রাখে, মনের অশান্তি দূর করে, বদনজর থেকে সুরক্ষা দেয় এবং শয়তান ও নিকৃষ্ট জ্বিনের আক্রমণ থেকে হেফাজত করে।
আল্লাহ বলেন—
“হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো এবং সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর মহিমা ঘোষণা করো।” [সুরা আহযাব, আয়াত: ৪১-৪২]
“অতএব, তোমরা আল্লাহর মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করো, যখন তোমরা সকাল করো এবং যখন তোমরা সন্ধ্যায় উপনীত হও।” [সুরা রুম, আয়াত: ১৭]
“তুমি তোমার রবের প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করো সকালে ও সন্ধ্যায়।” [সুরা গাফির, আয়াত: ৫৫]
এরকম অসংখ্য আয়াত আছে কুরআনে। আর আল্লাহ তাআলার এসব নির্দেশনার আলোকে তাঁর নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সকাল-সন্ধ্যার বিভিন্ন আমল, আযকার ও তাসবিহাতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে গিয়েছেন।
যারা সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহকে ডাকে, তাদেরকে যেন দূরে ঠেলে দেওয়া না হয়, সেজন্য নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, “যারা সকাল-সন্ধ্যায় তাদের রবকে ডাকে তাঁরই সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে, তাদেরকে আপনি দূরে সরিয়ে দেবেন না।” [সুরা আনআম, আয়াত: ৫২]
জীবনের সার্বিক নিরাপত্তা, শান্তি ও সফলতার জন্য সকাল-সন্ধ্যার আমলগুলোর কোনো বিকল্প নেই। আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিগণ এসব আমলকে জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ বানিয়ে নিয়েছিলেন।
সকাল-সন্ধ্যার আমলগুলো করলে যেসব উপকার ও ফজিলতের কথা হাদিস থেকে জানা যায়, সেগুলোর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
— বদনজর, জাদু, শয়/ তানের প্রভাব-কুমন্ত্রণা ও নিকৃষ্ট জিনের আক্র/ মণ থেকে নিরাপত্তা;
— আল্লাহর পক্ষ থেকে গুনাহমাফি এবং কিয়ামতের দিন আল্লাহর সন্তুষ্টির সুসংবাদ;
— জাহা/ ন্নাম থেকে মুক্তি ও জান্নাতের সুসংবাদ;
— দুঃখ-বেদনা ও পেরেশানি থেকে মুক্তিলাভ;
— জীবনের সার্বিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।
আজ কোনো হাদিসের রেফারেন্স উল্লেখ করছি না। সামনের পর্বগুলোতে এসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ।
15/07/2024
ভেঙ্গে পড়ো না, নিরাশ হয়ো না, সাহায্য আসবেই এটা আল্লাহর ওয়াদা!
"জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে"!
[সূরা-বাকারা:২১৪]
16/06/2024
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিংকুম
ঈদ মোবারক 🌙
16/06/2024
যার কথা যত সত্য তার স্বপ্ন তত স্বপ্ন
12/06/2024
রাতের অন্ধকারে জিকির আমল করলে ৫ টি ফায়েদা লাভ হয়
১/চেহারা সুন্দর
২।অন্তর সুন্দর .
৩/জীবন সুন্দর (বরকত)
৪/শরীর সুস্থতা দান করেন
৫/ মাখলুকের অন্তরে ভালবাসা ঢেলে দেন
11/06/2024
ভেবে দেখেনতো শেষ কবে তাদের মাগফেরাতের জন্য দোয়া করেছেন?
আপনার বাবা মা স্ত্রী সন্তান যারা মারা গেছেন তাদের জন্য হয়তো দোয়া করেন, কিন্তু আপনার দাদা,দাদী,বড় বাবা, বড় মা ফুফা ফুফু, নানা নানী যারা আপনাকে আদর স্নেহ করত, এখন কবর বাসী হয়েছেন। তাদের জন্য রব্বির হামহুমা বলার কেউ নেই,তাদের জন্য কি কখনো দোয়া করেছেন? যারা চলে গিয়েছে তাদের জন্য দোয়া করার মতো থেকে ও হয়তো কেউ নেই? একদিন আমরা চলে যাব আমাদের জন্য হয়তো কয়েকদিন বা ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে স্ত্রী সন্তান নাতি নাতনী রা দোয়া করবে কিন্তু একটা পর্যায়ে হয়তো বন্ধ হয়ে যেতেও পারে। তারা পরকালে কোন কিছু হয়তো আর পাবোনা।এজন্য যার যার নেক আমল বেশী বেশী করে যাওয়া,নিজের পুজি নিজে নিয়ে যাওয়া, গুনাহমুক্ত জীবন গঠন, বেশী বেশী সদকায়ে জারিয়াহ এর কাজ করা,নেক সন্তান গঠনের চেষ্টা ও দোয়া করা। আর রব্বির হামহুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরাহ---- এর পাশাপাশি পিতৃসূত্রীয় মাতৃসূত্রীয় যারা চলে গেছেন তাদের জন্য করা তাহলে আল্লাহ হয়তো আমাদের জন্য পরকালের জীবন কে শান্তিময় করবেন। আল্লাহ আমাদের বেশী বেশী নেক আমল এর তৌফিক দান করুক।যারা চলে গিয়েছেন তাদের কে ক্ষমা করে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুক।তাদের জন্য বেশী বেশী দোয়া করার তৌফিক দান করুক।
17/02/2023
জুমার দিনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ পাঁচটি আমল যা অবশ্যই করা উচিত
[১]বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর থেকে শুক্রবার মাগরিবের পূর্ব মূহুর্ত পর্যন্ত অধিকহারে দূরূদ পাঠ করা।
[২]অবশ্যই ফজরের নামাজ জামায়াতের সাথে আদায় করা।
[৩]সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করা।
[৪]সকালবেলা আগেভাগে ঘুম থেকে উঠে উত্তমরূপে গোসল করে, পায়ে হেটে মসজিদে যাওয়া,ইমামের কাছাকাছি বসা,অনর্থক কথা না বলা চুপচাপ খুতবা শোনা।
[৫]দোয়া কবুলের মূহুর্ত তালাশ করা।বিশেষ করে জুমআর দিন সারাদিনই দোয়া করে বিশেষ ভাবে আসরের পর থেকে মাগরিবের আগ মুহুর্ত পর্যন্ত দোয়া করা।
https://youtu.be/BMxebfp-Gcw
11/03/2022
মাওলানা তারিক জামিল সাহেবের অমূল্য কয়েকটি খাছ নসিহত
চার জায়গাতে ৪ জিনিসের হেফাজত করা খুবই জরুরী,
১.মজলিসে জবানের
২.বাজারে চোখের
৩.দস্তারখানায় পেটের
৪. নামাজে দেমাগের।
আরো বললেন, ৪টি জিনিস যা খুবই সর্তকতার সাথে সর্বাবস্হায় হেফাজত করা ফরজ,
১.চোখের হেফাজত
২.জবানের হেফাজত
৩.কানের হেফাজত
৪. দ্বীলের হেফাজত (শিরিক থেকে পাক রাখা)
গল্পের মধ্যখানে একবার বললেন , আমার শায়েখ হযরতজী হাজী ছাহেব দাঃবাঃ বলেছেন , দৈনিক ৪টি কাজ অবশ্যই করা চাই,
১. প্রতিদিন তেলাওয়াত
২. প্রতিদিন দাওয়াতের মেহনত
৩.দৈনিক লম্বা সময় প্রাণ ভরে দোয়া করা।
৪.শেষ রাতে তাহাজ্জুদের এহতেমাম করা।
অন্য আরেক সময় বললেন, মাওলানা ৪টি কাজের এহতেমাম ছাড়া কখনো বুযুর্গি লাভ করা সম্ভব নয়,
১.তাকবিরে উলা
২. মেসওয়াক
৩.নফলিয়াতের এহতেমাম
৪.সকাল বিকাল তিন তাছবিহ আদায়।
আরো কিছু নসিহত শুনার আগ্রহ প্রকাশ করলে বললেন , বেটা ৪টি কারনে দ্বীনের উপর চলা সম্ভব হয়না ,
১.বিলাসিতা
২.গাফলাতি
৩.লৌকিকতা
৪.সেচ্চাচারিতা
উলামাদের খাছ এক মজলিসে বললেন, চারটি জজবার কুরবানী না হলে দ্বীনের হাকীকত কখনো আসবে না,
১.আরামের জজবা
২.মালের জজবা
৩.বড়ত্বের জজবা
৪.খাহেশাতের জজবা।
বললেন , প্রত্যেক ঈমান ওয়ালার ৪টি কাজ জরুরী,
১.ঈমানকে শিখা -দাওয়াতের দ্বারা
২.ঈমানকে পাকানো-কষ্ট মুজাহাদার দ্বারা
৩.ঈমানকে বাঁচানো- আখলাকের দ্বারা
৪.ঈমানকে ছড়ানো-হিজরতের দ্বারা।
তিনি আরো বললেন, যখন পরস্পরে বিবেদ তৈরি হবে তখন আর কোন আমলই আসমানে উঠবে না । তাই পারস্পারিক মহব্বত আর ঐক্য প্রত্যেক মুমিনের জন্য জরুরী। ইস্তেমায়িতের জন্য চারটি
কাজ করতে হবে।
১.বিনয়,ধৈর্য ও ক্ষমা করা
২.পরামর্শ করে কাজ করা
৩.অর্থ ও স্বার্থের চিন্তা বাদ দিতে হবে।
৪.ব্যক্তিত্ব , হছদ ও অহংকার ত্যগ করা।
বিদায় বেলা সর্বশেষে দুটি নসিহত করলেন, তার মধ্যে ১টি হলো, দ্বীনের যাবতীয় কাজে ৪টি বিষয়কে অবশ্যই একত্রে রাখতে হবে, দাওয়াত, তালিম, জিকির ও জেহাদ।
১.দাওয়াতঃ তালিম, জিকির, জেহাদ ছাড়া ক্যনভাসার।
২.তালিমঃ জিকির, জিহাদ ও দাওয়াত ছাড়া গ্রীজার পার্দ্রী।
৩.জিকির(তাযকীয়া) : দাওয়াত, তালিম, জেহাদ ছাড়া সন্নাসী।
৪.জিহাদ: দাওয়াত, তালিম (শরীয়ত) ও জিকর ছাড়া ধোকাবাজী।
সর্বশেষে বললেন, মাওলানা সারা দুনিয়াতে ৪লাইনে দ্বীনের মেহনত চলছে, সব মেহনত কামিয়াব হবে না, ঐমেহনত কামিয়াব হবে যে মেহনতের মিল রাসুলের মেহনতের সাথে হবে ।