সংবাদ মাধ্যম একটা বিরাট চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর গভীর যোগাযোগের এবং যার ফলে এই রাজ্যের কংগ্রেস কর্মীদের মনে এক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্য কংগ্রেসের কোন গুরুত্ব এই মুহূর্তে সর্বভারতীয় কংগ্রেসের কাছে কতটা এটা কিন্তু প্রশ্নে চিহ্ন রেখে দিচ্ছে। কারণ যেভাবে সংবাদ মাধ্যমের তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রাহুল গান্ধীর প্রচার হচ্ছে তাতে কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে আশঙ্কা সৃষ্টি হচ্ছে আগামী নির্বাচনে এই রাজ্যের কংগ্রেসের কি অবস্থা দাঁড়াবে। দ্বিতীয় প্রশ্ন দুর্নীতি সম্পর্কে সর্বভারতীয় কংগ্রেস কি বিজেপি শাসিত রাজ্যের দুর্নীতি কে গুরুত্ব দেবেন এবং পশ্চিমবাংলার দুর্নীতিকে যা দেশের সর্বোচ্চ আদালতে মান্যতা পেয়েছে তার কোন গুরুত্ব দেওয়া হবে না এটা কি এই রাজ্য কংগ্রেস প্রকাশ্যে বলার ক্ষমতা রাখতে পারে। এই রাজ্যে নির্বাচন ভোটার লিস্ট নিয়ে তৃণমূল এত বেশি উদগ্রীব কেন। এখানে মৃত ভোটার ভোট দিতে পায় এখানে ভুয়া ভোটার আছে তাছাড়া তো ভোটের দিন বুথ লুট করা হয়। রাজ্য কংগ্রেসের কাছে এই রাজ্যের ভোটার লিস্টের কোন সমীক্ষা করানো আছে বলে মনে হয় না যেটা রাহুল গান্ধী তিন-চারটি রাজ্যের ভোটার লিস্ট সমীক্ষা করে তথ্য সামনে প্রমাণ করতে চাইছেন কিভাবে ভোটার লিস্টের কারচুপি হয়। রাজ্য কংগ্রেসের কাছে অনুরোধ এই রাজ্যের ভোটার লিস্টের সমীক্ষা করে প্রমাণ করার চেষ্টা করুন। এখানে ভোটার লিস্টের কত ভুতুড়ে ভোটার আছে।
Ajoy Congress Party
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ajoy Congress Party, Kolkata, KOLKATA.
আজ কলকাতার রাজপথ ছিল জনতার দখলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উঁকড়ে দেওয়ার। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খুব থাকতেই পারে কারণ রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী। তিনি এই ঘটনায় এতোটুকুন সাহায্য অবয়ব বাবা-মাকে করেননি। কিন্তু সিবিআই কি করল। বিরোধী দলনেতা যাদের সরকার কেন্দ্রে নিয়ন্ত্রণে সিবিআই তাদের ব্যর্থতা কে ঢাকা দেবার জন্যই কি বিরোধীদের জন্য নেতা আজকের মিছিলের আগে। সিবিআই এই মামলা থেকে সরে যেতে চাইছে এই কথাটা অভাব আমাকে বলেছে। কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি এই রাজ্যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে যখন নেমেছেন তখন আপনি আপনার দলে সিবিআই সম্পর্কে এই রাজ্যের মানুষের যে মনোভাব তার দায়িত্ব এগিয়ে যেতে পারেন না। আজকে রাস্তায় তামান্নার মা এবং অভয়ার মা। বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে। এই মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত ভোটার লিস্ট বাংলা ভাষাকে নিয়ে। এটাও একটা রাজনৈতিক ভন্ডামি। কারণ ভোটার লিস্ট নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের একটা মামলা চলছে। সর্বোচ্চ আদালত যা নির্দেশ দেবে সেই অনুযায়ী ভোটার লিস্টের কাজ হবে। বিজেপি বাংলা ভাষা দিয়ে যে ধরনের কুৎসিত মন্তব্য করে চলেছে। এটা এই দলের রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যেই পড়ে।
রাহুল গান্ধী কংগ্রেস সংসদ তথাবিরোধী নেতা গত দুদিন যাবত বিজেপি ভোটার লিস্টে যেভাবে কারচুপি করেছে এবং নির্বাচন কমিশন কে ব্যবহার করে সেই তথ্য সাংবাদিক সম্মেলন করে তুলে ধরছেন। অন্যদিকে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভোটার লিস্ট নিয়ে বা আধিকারিকদের সাসপেন্ড করা নিয়ে নির্বাচন কমিশন কি? হুমকি দিয়ে চলেছে। অথচ রাহুল গান্ধী অভিষেক ব্যানার্জি এবং মমতা ব্যানার্জি রাজনৈতিক গুরুত্ব দিয়ে বারবার আহবান করে চলেছে কিন্তু একবারের জন্য মমতা ব্যানার্জি বলছেন না। যে রাহুল গান্ধী যে তথ্য কার্যকর বিষয় তুলে ধরেছে আমি তা সমর্থন করি। কারণ একটাই এই রাজ্য ে মমতার পায়ের তলার মাটি তখনই দুর্বল হবে, ঠিক যখন কংগ্রেস এই রাজ্যে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হবে। ঠিক এই কারণে অত্যন্ত কৌশলে অভিষেক ব্যানার্জিকে ইন্ডিয়া জোটের সামনে শাড়িতে পাঠিয়ে এই রাজ্যের ধর্ষণ খুন দুর্নীতি ছাব্বিশ হাজার যোগ্য শিক্ষকের চাকরি বিষয় যেভাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এ শাসক সেনের বিরুদ্ধে ক্রমাগত বিক্ষোভ দেখিয়ে চলেছে ঠিক এই জায়গা থেকে জনগণের দৃষ্টি ঘোরাবার জন্য বাংলা ভাষা বিপন্ন এবং ভোটার লিস্ট এর কারচুপির বিষয় জনগণকে পরিচালনা করতে চাইছেন এবং ইন্ডিয়া জোটকে ব্যবহার করতে চাইছে।
আজকের রাজপথ অভয়ার মা-বাবার দখলে এর বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী দিকে আছেন রাজ্যের পুলিশ বাহিনী। জনগণ শুধু ধিক্কার এই প্রশাসক প্রধানকে। সিবিআই এবং রাজ্য প্রশাসন উভয়ে মিলে কোন শক্তিকে বাঁচাচ্ছে এই প্রশ্নটা আজকে সকলের মনে। জনতার আদালতে আজকে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। আসলে জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে তিনি রূপান্তরিত হয়েছেন একজন ডিক্টেটর।
তৃণমূল দলে একটা কথা খুবই প্রচলন আছে প্রদেশ নেতা থেকে অঞ্চলের কর্মী পর্যন্ত। যে কথাটি হলো যে তৃণমূল ৩৬৫ দিন জনগণের সঙ্গে থাকে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি কি বলছে যে তৃণমূলের যারা রাজনীতিতে রয়েছে তাদের এই দলটা করার একটাই উদ্দেশ্য দলে থেকে রোজকার করা। আবার দেখুন মেদিনীপুরে তৃণমূল অফিসে ডেকে অঞ্চল সভাপতি এক মহিলাকে বিজেপি করার অপরাধে তাকে ধর্ষণ। এরা ৩৬৫ দিন জনগণের সঙ্গে কেন থাকে বুঝতে পারছেন। এদের কোনো রাজনৈতিক আদর্শ নেই তাই বিরোধিতা করলে পুলিশ এদের সঙ্গে থাকে বিরোধীদের দমন করার জন্য। বর্তমান পুলিশ প্রশাসন ধর্ষকের সমর্থনে দাঁড়ায় এর বিরুদ্ধে যারা বিক্ষোভ আয়োজন করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বর্তমান পুলিশ প্রশাসন।
ছত্রিশগড়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা ভূপেশ বাঘেলের বাড়িতে ইডিহানা দিল। সর্বভারতীয় কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ভূপেশ বাঘেল এবং তার সঙ্গে পাঞ্জাবের আগামী নির্বাচনে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এটাই বিজেপির একটা কৌশল কিভাবে ভূপেশ বাঘেল কে আটকানো যায় বিজেপির শাখা সংগঠন কেন্দ্রীয় এজেন্সি ই ডি কে দিয়ে অথচ ওই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংহের ছেলে জামাইয়ের দুর্নীতির যেসব প্রমাণ আছে সেখানে ই ডি নিরব
বঙ্গ টিভি মুসলিম সাংবাদিক রোজিনাকে কুৎসিতভাবে একজন মৌলানা সে ধরনের আক্রমণ করেছে তার নিন্দার কোন ভাষা নেই।। কাকে সন্তুষ্ট করতে এই ধরনের বিকৃত মানসিকতার পরিচয় দিলেন ওই মৌলানা তার একটা সঠিক তদন্ত হওয়ার প্রয়োজন। এবং এই বাংলার বুকে এই ধরনের বিকৃত মানসিকতার আইনগত প্রতিকার করা উচিত বলে আমরা মনে করি। আগামী দিনে কোন মহিলাকে নিয়ে এই ধরনের কুৎসিত মন্তব্য থেকে যাতে বিরত থাকে তার জন্য প্রয়োজন এই মানসিকতার সম্পন্ন মাওলানা আইনগত শাস্তি।
সুপ্রভাত। আমার সকল সহকর্মীকে নমস্কার। তাদের পরিবারবর্গের সুস্থতা কামনা করি।
পশ্চিমবাংলার রাজনীতিতে তৃণমূল নেত্রী তার দীর্ঘ লড়ায়ের পর বামপন্থী শাসনের অবসান ঘটানো কৃতিত্ব এই রাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষক থেকে আরম্ভ করে বুদ্ধিজীবীরা অনেকেই বিষয়টি বারে বারে তুলে ধরেন। বাম শাসনের অবসানে পর শাসক শ্রেণীতে রূপান্তরিত হয়ে তৃণমূল নেত্রী এই রাজ্যের জনগণকে কি উপহার দিয়েছে এটার একটু বিশ্লেষণ করে নাও ভালো নয় কি। এই মুহূর্তে কালীঘাটের কাকু অর্থাৎ সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র। কোন কোম্পানিতে কাজ করতো। উত্তর হবে লিভস এন্ড বাউনসে। কোম্পানির মালিক প্রত্যেকেই জানে। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে এই কোম্পানিটার নাম জড়িয়ে গেছে সিবিআই এর দেওয়া অভিযোগ পত্রে। আজ কালীঘাটের কাকু সর্বোচ্চ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কিছুদিন আগে সন্দেশখালীর শাহজাহান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। আরজি করে ধর্ষণকাণ্ডে সন্দীপ ঘোষ এবং সিভিক ভলেন্টিয়ারের কার্যকলাপ নিয়ে দেশের মানুষের কাছে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে গিয়েছিল। গণতন্ত্র কি পশ্চিমবাংলায় ফিরে পেয়েছে তৃণমূল নেত্রী রাজত্বে বিশেষ করে যেখানে বিরোধী শূন্য পশ্চিমবাংলা তিনি দেখতে চান। এক কথায় বলা যেতে পারে গোটা পশ্চিমবাংলা য় দুর্নীতির পাহাড়ে উঠে বসে আছে। আমরা যদি তৃণমূল নেত্রীর বাম শাসনের অবসানে মূল্যায়ন করতে গিয়ে চা উপহার পশ্চিমবাংলার মানুষকে এই মুহূর্তে দিয়েছেন তা যদি পর্যালোচনা করা যায় তাহলে একটা কথাই বলা যেতে পারে রাজনৈতিকভাবে তৃণমূল নেত্রী আগামী প্রজন্মের কাছে সফল হিসেবে চিহ্নিত হতে পারবেন না। হে শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলে এবং যে সমস্ত রাজনৈতিক মানসিকতা অর্থাৎ গণতান্ত্রিক একককেন্দ্রিকতার বিরুদ্ধে লড়াই করার পর এই রাজ্যে নতুন করে নতুন শাসক শ্রেণীর গণতান্ত্রিক মানসিকতার চেয়ে পরিচয় এই রাজ্যের মানুষ দেখেছে তা আগামী প্রজন্মে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। লড়াই করেছি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য আর সুযোগ যখন পেয়েছিলাম তখন ব্যর্থ হয়েছি সেই গণতন্ত্রকেই রাজ্যের মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিতে। এটাই তো আজকের তৃণমূল ের রাজত্বের মূল্যায়নের হিসাব। বেকারদের চাকরি নেই নতুন নতুন কলকারখানা নেই চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ সবার উপরে বিরোধী শক্তিকে প্রশাসনের সাহায্যে দমিয়ে রাখা। আজকের পশ্চিমবাংলা কে তৃণমূল সরকার এই উপহার দিয়েছে কিন্তু ব্যর্থতা এই রাজ্যের বিরোধী শক্তির। যারা শুধু সাংবাদিকদের সামনে বিবৃতি দিয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পর ভারতের ভাগ্য আকাশে কি অন্ধকার নেমে এসেছে। আবার সামরিক ক্ষেত্রে চীনের বাজেটে যে বেশি পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে কারণ একটাই চীনের সাম্রাজ্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি আজও বদলায় নাই।। যদিও বামপন্থীদের একটাই মাত্র বক্তব্য ছিল যে কোন সমাজতান্ত্রিক দেশ অপর দেশকে আক্রমণ করতে পারে না। কিন্তু আজ চীন পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন ছোট ছোট রাষ্ট্রকে গ্রাস করতে যাচ্ছে ঠিক যেমনভাবে ভারতকে দমিয়ে রাখতে চাইছে পাকিস্তানকে মদত দিয়ে। অন্যদিকে এই মুহূর্তে আমেরিকা নতুন প্রেসিডেন্ট তার উগ্র মানসিকতা বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রকে দাবিয়ে রাখার যে প্রচেষ্টা তা বারে বারে নগ্ন রূপে প্রকাশ পাচ্ছে। আমেরিকা থেকে অন্যান্য রাষ্ট্রের নাগরিকদের হেনস্তা করে বহিষ্কার করার যে প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে তাকে এক কথায় বলা যেতে পারে সাম্রাজ্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি বারে বারে প্রকাশ পাচ্ছে। সব থেকে আশ্চর্য ভারত বর্ষ আজকে আমেরিকার কাছে কেন নতজানু হতে চলেছে বারে বারে। এক সময় ভারতবর্ষে প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু যখন আমেরিকায় যান তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ কেনেডি। জহরলাল নেহেরু কে অভ্যর্থনা জানাতে গিয়ে বিমানবন্দরে দুই ঘন্টা অপেক্ষা করেছিলেন এই কারণে যে জহরলাল নেহেরুর মত ব্যক্তিত্বকে দেখার সৌভাগ্য লাভ করার জন্য। পরবর্তীকালে ইন্দিরা গান্ধী সঙ্গে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে টেবিলের মাঝে বসে বিতর্কে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং তাদের হুমকির কাছে মাথা নত না করে বেরিয়ে এসেছিলেন এবং তা আমেরিকার আকাশে মনোভাবের জবাবও দিয়েছিলেন পরবর্তী ক্ষেত্রে অর্থাৎ বাংলাদেশ যুদ্ধের সময়। সেই সময় চীন পাকিস্তান এবং আমেরিকা এই এই রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ইন্দিরা গান্ধী ভারতবর্ষের মর্যাদা কে রক্ষা করেছিলেন। এই কথাটাকে স্মরণ করুন এবং ভারতবর্ষের মর্যাদার কথাকে মনে করুন। লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর মতো প্রধানমন্ত্রীও আমেরিকার হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। কিন্তু আজ ৫৬ ইঞ্চি ছাতি প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় গিয়ে মাথা নত করে ফিরে এলেন। প্রতিটি ভারতবাসীর একটা মর্যাদা আছে। এবং সেই মর্যাদাটা রক্ষা করার দায়িত্ব বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের। শুধু ধর্ম ধর্ম বলে বিভাজন সৃষ্টি করা কোন সুস্থ রাজনীতির লক্ষণ নয়।
10/11/2024
আমার নাতি দিহান মজুমদারের আঁকা এই ছবিটি আপনাদের আশীর্বাদ প্রার্থনা করে।
আজ রবিবার ২৩ শে জুন। আমি নতুন ফেসবুক পেজ খুলেছি অজয় কংগ্রেস নাম দিয়ে। আজ সন্ধ্যা সাতটায় আমি একটি ফেসবুক লাইভে থাকতে চাই। আপনাদের অনুরোধ আমার এই লাইভটি উপলব্ধি করার চেষ্টা করবেন।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Culinary Team
Attire
Website
Address
Kolkata
700082
