১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের আজকের এই তারিখেই পাক হানাদার বাহিনীর প্রায় ৯৩ হাজার সদস্য মিত্রবাহিনীর কাছে ঢাকার সোহরাওর্দী উদ্যান (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) এ আত্মসমর্পণ করে। পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে এক নতুন দেশের মানচিত্র অংকিত হয়। ১৯৪৭ এ পাকিস্তান জন্মের পর থেকেই এক অসম বৈষম্য, নির্যাতন ও নিপীড়ন এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) এর জনগণ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সর্বদাই শাসক ও শোষক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ছিলেন। ২৫শে মার্চ ১৯৭১ কালো রাতে পাক হানাদার বাহিনী বাংলার ঘুমন্ত, নিরস্ত্র মানুষের উপর ঝাঁপিয়ে পরে। বাংলার মাটিতে বাংলার সন্তানদের রক্তের বন্যা বইতে শুরু করে। বাংলার দামাল সন্তানেরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে শুরু করে। শুরু হয় এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের। দীর্ঘ নয় মাস ধরে চলতে থাকে যুদ্ধ। এই যুদ্ধে ৩০ লাখ লোক শহীদ হন, সম্ভ্রম হারান ২ লক্ষ মা-বোন, আহত ও পঙ্গু হন অগণিত মানুষ। গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়, প্রায় ১ কোটি মানুষ আশ্রয় নেয় সীমন্তবর্তী দেশ ভারতে। এতো মানুষের জানের, মালের, ইজ্জতের ত্যাগের বিনিময় আমাদের এই সুজলা-সুফলা, শশ্য-শ্যামলা প্রানের প্রিয় মাতৃভূমি "বাংলাদেশ"।
এই বাংলার, এই লাল-সবুজের পতাকার জন্য যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের প্রতি জানাই অসীম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা।
বাংলাদেশের সকল মানুষের প্রতি বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
🇧🇩❤️🇧🇩
🇧🇩✌️🇧🇩
🇧🇩✌️🇧🇩❤️🇧🇩
WE Love Bangladesh.from Abroad.
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from WE Love Bangladesh.from Abroad., Social service, ROAD NO 05, Abu Dhabi.
WE the people of Bangladesh who lives far away from country,,,,,,,WE are trying to do something better for our motherland from abroad..........From our deep heart ............
ছাত্রের ফেলের খবর দেয়া শিক্ষকের সাথে ছাত্রের বাবার দারুণ কথোপকথন:-
-আপনি কি মলয় দাস ?
-আজ্ঞে, বলছি।
-সাগর দাস কি আপনার ছেলে?
-আজ্ঞে, আপনি কে বলছেন?
-আমি আপনার ছেলের ইউনিভার্সিটি থেকে বলছি।
তন্ময় বেরা। হেড অফ ডিপার্টমেন্ট।
-ও, আচ্ছা। কেমন আছেন, স্যার?
- আজ্ঞে, ভালো। আপনার ছেলে সম্পর্কে কিছু কথা বলার ছিল। ও তো কিছুদিন আগে থার্ড সেমিস্টার শেষ করেছে। সেমিস্টার ফাইনালের রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে দুই দিন আগে। আপনার ছেলে দুই কোর্সে ফেল করেছে। আপনাকে কি বলেছে?
- আজ্ঞে, বলেছে।
-আমাদের ইউনিভার্সিটিতে কিছু নিয়ম-কানুন আছে। ফেল করলে আমরা ছাত্রদের আবারও পরীক্ষায় বসে পাস করার সুযোগ দেই। এরপরও ফেল করলে ইউনিভার্সিটিতে রাখার নিয়ম নেই।
-তা এসব আমাকে কেন বলছেন?
থতমত খেয়ে গেলেন ও প্রান্তের ব্যক্তি।!
-না, মানে, আমি বলছিলাম আপনার ছেলে ফেল করেছে। আপনার কি উচিত না তার পড়াশোনার প্রতি খেয়াল রাখা?
-আমাকেই যদি তার পড়াশোনার দায়ভার নিতে হয়, তাহলে আপনি কী জন্যে আছেন?
-না, মানে আমি বলছিলাম আপনি কাউন্সেলিং করতে পারেন, বোঝাতে পারেন।
-অবশ্যই আমি তার সাথে কথা বলতে পারি। কিন্তু শিক্ষক হিসেবে আপনি কি তার সাথে কথা বলেছেন?
-মানে? বুঝলাম না!
-আমি বলতে চাইছি, আমার ছেলে যে ফেল করল, গলদটা কোথায় বোঝার চেষ্টা করেছেন কি? দোষ পুরোটা কি ওর একার? আপনার কোনও দায়ভার নেই?
-কী বলতে চাইছেন আপনি?
-দেখুন, স্যার, খুব স্পষ্ট আর সহজ ভাষায় বলছি। এভাবে ছাত্রের ব্যর্থতায় সরাসরি মা-বাবাকে তলব করার আগে আপনাদের পাঁচবার ভাবা উচিত। পড়াশোনার জন্য ছেলেকে পাঠিয়েছি আপনাদের কাছে। তাকে পড়াতে না পারার, পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে না পারার, সফলতার পথ দেখাতে না পারার ব্যর্থতাটুকু পুরোপুরি আপনাদের।
বাবা-মা কোনও শিক্ষক নন যে এসব পালন করবেন। এ দায়িত্বটুকু পালনের ভার আপনাদের উপরে দেয়া হয়েছে। কই, বেতন তো ঠিকই নেন। ছাত্রের সফলতারও ভাগ চান। তাহলে ব্যর্থতার ভার কেন শুধু ছাত্র আর মা-বাবার ওপরে চাপবে?
-আমি আসলে ওভাবে বুঝাতে চাইনি।
-কোনওভাবেই বোঝানোর দরকার পড়ত না, যদি যথাযথ শিক্ষকের দায়িত্ব আপনারা পালন করতে পারতেন।
-আমি রাখছি।
-আপনার বাবার ফোন নম্বরটা পাঠিয়ে দেবেন।
-মানে? কেন?
-ব্যর্থ ছাত্রের পিতাকে ফোন করে যে দায়িত্ব আপনি পালন করেছেন, ব্যর্থ শিক্ষকের বাবাকে ফোন করে আমিও একই দায়িত্ব পালন করতে চাই!
(Collected)
Congratulations
25/10/2020
প্রবাসী বাংলাদেশীদের আর্থিক নিরাপত্তায় করনীয়ঃ
সঞ্চয়ের প্রয়োজনীয়তা কি শুধু বাংলাদেশে যারা থাকে তাদের? প্রবাসীদের কি সঞ্চয়ের প্রয়োজন নেই?
এই প্রশ্ন মনের মধ্যে অনেক দিন ধরেই ঘুরপাক খাচ্ছে, কিন্তু এর সঠিক উত্তর খুজে পাচ্ছিনা। তবে কিছু আনুষঙ্গিক বিষয়ের আলোচনা করতেই পারি এই প্রশ্নের প্রসঙ্গে।
বাংলাদেশের প্রায় এক কোটির বেশি মানুষ পৃথিবীর নানা দেশে প্রবাসী হিসেবে জীবনযাপন করছে। এদের উপার্জনের সিংহভাগ বাংলাদেশে তাদের পরিবারের কাছে যায় হুন্ডির মাধ্যমে আর অল্পকিছু যায় ব্যাংকিং চ্যানেলে। এই অল্প পরিমাণ টাকাই বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি হয়ে দেখা দিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হইলো প্রবাসীদের সঞ্চয়ের কোনো সঠিক পথ নেই। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের সরকার তার জনগনের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য নানান ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আমাদের সরকারও দেশ ও দশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য নানা প্রকারের প্রকল্প বাস্তবায়ন করে চলেছে নিরন্তর। কিন্তু প্রবাসী বিপুল পরিমাণ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পরিকল্পনা চোখে পড়ছে না।
বর্তমানের এই বৈশ্বিক মহামারীর সময় সকল কাজেকর্মে বিবিধ পরিবর্তন ও উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ব্যাংকিং মানুষের জীবনের আজ এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষ এখন খুব সহজেই ঘরে বসেই ব্যাংক হিসাব খুলতে পারে, তাকে ব্যাংকে যেতে হয় না। যা মানুষের অনেক দুর্ভোগ লাঘব করেছে। তবে এই সেবা শুধুমাত্র বাংলাদেশের মানচিত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এই সেবাকে যদি বৈশ্বিক করা যায় অর্থাৎ বিশ্বের আনাচেকানাচে যতো বাংলাদেশী মানুষের বসবাস, তারা যদি মোবাইল এর এপ্লিকেশন এর মাধ্যমে নিজ নিজ মোবাইল নাম্বার, ইমেইল এড্রেস, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার ইত্যাদির মাধ্যমে একাউন্ট খোলার সুবিধা পেতো তাহলে খুবই উপকৃত হতো।
কিভাবেঃ
প্রবাসী বাংলাদেশীরা সাধারনত তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে তাদের উপার্জনের সকল টাকা পয়সা দিয়ে থাকে আর পরিবারের লোকেরা তা খরচ করেন। খুব কম লোকই আছে যারা ঐ টাকা পাঠানো লোকের কথা চিন্তা করে বা তার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সঞ্চয় করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় একজন প্রবাসী যখন প্রবাস জীবন শেষ করে দেশে ফিরে যায় তখন তার সঞ্চয় বলে কিছুই থাকেনা, সে যে কোনো একটা ব্যবসা-বাণিজ্য করবে অর্থের অভাবে সম্ভব হয়ে ওঠেনা। প্রকৃতপক্ষে সে হয়ে পড়ে বেকার, যা দেশের জন্য বোঝা। এখন যদি এই প্রবাসীরা বিদেশে থেকেই একটা একাউন্ট করতে পারে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে, তাহলে তার মধ্যে সঞ্চয় করার জন্য একটা আগ্রহ তৈরি হবে। সে প্রয়োজনে তার সমস্ত টাকা তার অ্যাকাউন্টে জমা করবে এবং মোবাইলের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে প্রয়োজন অনুযায়ী তার পরিবারের লোকজনের কাছে প্রয়োজনীয় টাকা নিজ হাতে ট্রান্সফার করবে। এতে করে তার সঞ্চয় বাড়বে এবং সে খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। ফলে তাকে আর তার পরিবারের লোকজনের কাছে সমস্ত টাকা-পয়সা দিয়ে দিনশেষে দেউলিয়া হওয়ার ভয় থাকবে না। সে যখন দেশে ফিরে আসবে তার সঞ্চয় এর টাকা দিয়েই সে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবসা-বাণিজ্য চাইলেই করতে পারবে। একটা আর্থিক নিরাপত্তার পরিবেশ তৈরি হবে। আমার মনে হয় আমাদের সরকারের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় এমন একটা সুযোগ প্রবাসীদের জন্য করা বা রাখা আজ সময়ের দাবি। এতে করে প্রবাসীদের উপার্জিত টাকা বাংলাদেশে বৈধ পথে বেশি পরিমাণে আসার সুযোগ তৈরি হবে এবং প্রবাসীরা আর্থিকভাবে নিরাপদ হবেন।
সঞ্চয় প্রতিটি মানুষের জীবনে দরকার, আমাদের বাংলাদেশে সঞ্চয়ের অনেক ব্যবস্থাই আছে কিন্তু প্রবাসীদের জন্য সঞ্জয়ের খুব একটা ব্যবস্থা নেই। সরকারের উচিত প্রবাসীদের কথা চিন্তা করে, প্রবাসীদের আর্থিক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সময়োপযোগী এই সিদ্ধান্ত নেয়া। এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো বেশি সমৃদ্ধ হবে। তৈরি হবে আমাদের সুখী-সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলাদেশ, যার স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
MD ISMAIL HOSSAIN
AL AIN, UNITED ARAB EMIRATES
[email protected]
বাংলাদেশের ইলিশ ও প্রবাসী জীবনঃ
বাংলাদেশের প্রত্যেকটা ছেলে মেয়ে যারা আশি ও নব্বই এর দশকে স্কুলে গিয়েছে তারা জানেন যে, বাংলাদেশ নদীমাতৃক, রুপালী ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ এবং আমরা মাছে ভাতে বাংঙালী। আমাদের দেশের নদ-নদী, খাল-বিল, হাওড়-বাওড় ও জলাশয় নানা প্রজাতির মাছে পরিপূর্ণ। একসময় আমাদের দেশে সকল প্রকার মাছ ই সস্তায় পাওয়া গেলেও দেশের অর্থনীতি যতোই বড়হচ্ছে, মাছ সহ প্রায় সকল পন্যের ই দাম দিনদিন বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি মানুষ নানান শ্রেনী-পেশায় বিদেশে কর্মরত। এরা প্রতিনিয়ত তাদের শ্রমের-ঘামের মূল্য বাংলাদেশে পাঠিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়িয়ে চলেছে এবং দেশের উন্নতিতে নিরন্তর অবদান রেখে চলেছে। এই প্রবাসী শ্রমিকেরা দেশের মাটি ও মানুষের গন্ধ ও স্পর্শ খুব সহজে খুব একটা পায় না। বাংলাদেশের স্বাদ পাওয়ার জন্য এরা যখনই কোনো পন্য কিনতে চায় বা যায় তখন তারা সাধারণত বাংলাদেশী পন্য খোজে। এরমধ্য অন্যতম হলো মাছ, মশলা, শক-সব্জি, কাপড়, জুতা, বেল্ট, মানিব্যাগ, চা পাতা, বিস্কিট / টোস্ট এবং আরো অনেক পন্য। অথচ এইসব পন্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের থেকে মায়ানমার ও ভারতের পন্যের সহজলভ্যতা অনেক বেশি। বাংলাদেশের পন্যের দাম বেশি হয় সাধারণত, তবুও যতক্ষণ পাওয়া যায়, মানুষ অন্য দেশের পন্য এড়িয়েই চলে। এখন কথা হলো বাংলাদেশের ইলিশ মাছের উপরে অধিকার কি এইসকল প্রবাসী শ্রমিকদের বেশি যারা বাংলাদেশে টাকা পাঠায় নাকি ওই ভারতীয় দের বেশি যাদের কাছে বাংলাদেশ হচ্ছে তাদের দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সবচেয়ে বড়ো বাজার, প্রশ্নটা থেকেই যায়। যারা প্রতিনিয়ত আমাদের দেশের নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষদের উপর গুলি চালিয়ে হত্যা করে, যাদের দেশের দশ লাখের ও অধিক মানুষ আমাদের দেশে কাজ করে, আমাদের দেশে তাদের দেশের পন্য ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার জন্য বন্যা ও খরা চাপিয়ে দেয়। এগুলো আসলেই ভাবার বিষয়। আমরা প্রবাসে বসে বাংলাদেশের পরিবর্তে ভারত ও মায়ানমার এর মাছ খেতে বাধ্য হই আর আমাদের দেশের ইলিশ মাছ ভারতে অল্পমূল্যে এমনকি নাম মাত্র মূল্যে রপ্তানি করা হয়। এই প্রবাসী বাংলাদেশী মানুষদের অপরাধ টা কি তাহলে? আশাকরি গুনীজন রা বিষয়টা ভাবার মতো বলে বিবেচনা করবেন।
MD ISMAIL HOSSAIN
AL AIN, UNITED ARAB EMIRATES
করনাকালীন রেমিটেন্স বৃদ্ধিঃ
২০২০ সাল, যা সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য একপ্রকার বিপর্যয় এর বছর বললে খুব একটা ভুল হবেনা বলেই মনেকরি। এর কারন হলো কোভিড–১৯ বা করোনাভাইরাস সংক্রমণ। যা সমগ্র পৃথিবীর অর্থ ব্যাবস্থা স্থবির করে দিয়েছে। সীমিত হয়েছে সকল প্রকার সেবা। এমন পরিস্থিতির পরেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিন দিন বেড়েই চলেছে, যার অন্যতম কারন হলো প্রবাসী বাংলাদেশী দের পাঠানো রেমিটেন্স। এখন প্রশ্ন হলো এটা কিভাবে সম্ভব? অনেকেই এমনকি খোদ বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী বলেছেন সরকারি ২% প্রণোদনা র জন্য এমনটা হচ্ছে। এখানে আমি পুরোপুরিভাবে একমত নই। আমি সংযুক্ত আরব আমিরাত এ আট বছরের বেশি সময়কাল ধরে বসবাস করছি। আমার জানামতে আরব আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশী দের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫% মানুষ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পাঠায়, আর বাকি টাকা বাংলাদেশে যায় হুন্ডি র মাধ্যমে। যখন বিমান বা ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক ছিলো তখন এই হুন্ডি ব্যবসায়ী রা প্রতিনিয়ত নানান ধরনের বিলাসী পন্য, যার জন্য উচ্চ শুল্ক পরিশোধ করতে হয় সেসব পন্য বাংলাদেশ, ভারত ও মায়ানমার এ পাচার করতো। আর সেই সব অনৈতিক কার্যক্রম এর মাধ্যমে বাংলাদেশ এর লাখো কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যেতো। এই করনাকালীন সময়ে ফ্লাইট চলাচল সীমিত হবার ফলে অর্থ ও পন্য পাচার কিছুটা কম, যার ফলে রেমিটেন্স উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তবুও কমে যায়নি হুন্ডি ব্যবসায়ী দের দৌরাত্ম্য। এখনে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, বেশিরভাগ আরব দেশেই চলছে নিয়ন্ত্রিত চলাচল, মানুষ যেখানে বাসার বাইরে নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেই বের হতে পারেনা, সেখানে ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউজে গিয়ে টাকা পাঠানোর প্রশ্নই আসেনা। সরকার বা নীতিনির্ধারক মহল যদি দেশে আসা রেমিটেন্স এর ট্রানজেকশন গুলো দেখেন তবেই বুঝতে পারবেন, যারা টাকা পাঠাচ্ছেন এদের আগে টাকা পাঠানোর রেকর্ড গুলো কেমন? আসলে দায়সারা ভাবে চিন্তা করে মন্তব্য করলেই হবে না, আমাদের সমস্যা গুলো খুজে বের করতে হবে। প্রতিনিয়ত বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি র মাধ্যমে যে অর্থ সংগ্রহীত হয় তা আসলে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কিভাবে যায়? সবথেকে সহজ উপায় হলো হুন্ডি। আমার ধারনা, সকল প্রবাসী বাংলাদেশী যদি ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধমে বাংলাদেশে টাকা পাঠায় তাহলে প্রতিমাসে দেড় থেকে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিটেন্স বাংলাদেশে আসবে। আমাদের দেশের নীতিনির্ধারক মহলের উচিৎ দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন করা, এই অনৈতিক হুন্ডি ব্যবসার বিরুদ্ধে। সরকারের উচিৎ একটা এপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট ডেভেলপ করা, যাতে সকল প্রবাসী তার সকল বৈধ ডকুমেন্ট ও তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করবে এবং সরকার তা মনিটর করবে, এই এপ্লিকেশন এ প্রবাসী তার পাঠানো রেমিটেন্স এর বিবরণ বা এক্সচেঞ্জ হাউজ থেকে পাওয়া রিসিপ্ট আপলোড করবে। যার ফলে সরকার জানতে পারবে কোন প্রবাসী কি পরিমান বেতন পায় বা উপার্জন করে আর কি পরিমান টাকা দেশে পাঠায়। এভাবে মনিটর করলে হয়তোবা হুন্ডি অনেকাংশে কমবে বলে আমার বিশ্বাস।
MD ISMAIL HOSSAIN
AL AIN, UNITED ARAB EMIRATES
08/08/2020
আমার এক বন্ধু বই এর লিংক গুলো দিয়েছেন, তাকে ধন্যবাদ।
1. অসমাপ্ত আত্মজীবনী; https://drive.google.com/open?id=19L9Noriw1KJl7LyPFYHfgyIjKuJL0ACJ
2. The Unfinished Memoirs; https://drive.google.com/open?id=13FnCn5f4jlwm5bZDcWBw6GBHqvKZNZcp
3. কারাগারের রোজনামচা; https://drive.google.com/open?id=1gTNqh1lUQuYTziSZTqVR5QQFXDfKqrxG
4. এই দেশ এই মাটি; https://drive.google.com/open?id=1Y9R9LjFBPe3uSLfa-l71wVdnCJmnD7In
5. শেখ মুজিব আমার পিতা; https://drive.google.com/open?id=1KQ1F8hsxc6yPwSp0EsDnsIVhyLZFznfI
6. সাদা কালো; https://drive.google.com/open?id=1JGI-iY_rtIGI7BRQ2IQYiYJ1qTodiVh3
7. দারিদ্র্য দূরীকরণ:কিছু চিন্তাভাবনা; https://drive.google.com/open?id=1Z01dKy9l8MQE9Yr61MnGpso9n4ymZvK7
8. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নে শেখ হাসিনা; https://drive.google.com/open?id=1D9tM-EY6IVovBA4wedHOpwmA72KKk7P-
9. ওরা টোকাই কেন; https://drive.google.com/open?id=1pNDRl8B-dw15JVS8kFUWPEo_WI2RaVvy
10. বিপন্ন গণতন্ত্র, লাঞ্চিত মানবতা; https://drive.google.com/open?id=17ze4NEZolgSFrLBxbFdyIXngDV1wOMDA
11. সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র; https://drive.google.com/open?id=136rHVgOtLuQ-wY_Ya2ipGF_0zaSjPHap
♦♦ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বেবী মওদুদের লিখিত বইয়ের অনলাইন ভার্সনঃ
1. শেখ মুজিবের ছেলেবেলা - বেবী মওদুদ https://view.publitas.com/liberationwarbangladesh/shekh-mujiber-chelebelaa-bebii-modud/page/1
2. বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - শেখ হাসিনা ও বেবী মওদুদ সম্পাদিত - https://view.publitas.com/liberationwarbangladesh/baanlaadesh-jaatiiyy-snsde-bnggbndhu-shekh-mujibur-rhmaan-shekh-haasinaa-o-bebii-modud-smpaadit/page/1
3. ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ - শেখ হাসিনা ও বেবী মওদুদ সম্পাদিত - https://view.publitas.com/liberationwarbangladesh/15-aagstt-1975-shekh-haasinaa-o-bebii-modud-smpaadit/page/1 ♦♦
মুজিব ভাই- এবিএম মুসা https://drive.google.com/open?id=1lWo4KTmjZ39oQD2PIzrZz7aHOvKN3pc0
করোনা ভাইরাসের লক্ষনঃ-----
করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত রোগীরা নিজেরাই
অনুভব করতে পারেন:-------
০১। নাক দিয়ে জল পরা ।
০২। হাচি এবং কাশি ।
০৩। গলা ব্যাথা ।
০৪। শুকনা কাশি ।
০৫। শ্বাসকষ্ট ।
০৬। জ্বর(১০০ ডিগ্রি বা বেশি) ।
০৭। শ্বাস কষ্ট (গুরুতর ক্ষেত্রে) ।
০৮। পাতলা পায়খানা ( severity বেশি হলে) ।
তাই উপরোক্ত লক্ষন যদি থাকে আপনার
প্রথম কাজ ঘরেই থাকুন ।
জ্বর, ঠান্ডা, কাশি হলে ডাক্তারের কাছে আগেই আসার দরকার নেই । নিম্নোক্ত প্রেসক্রিপশনে সাতদিন ঔষধ খেতে থাকুন ।
Tab. Napa rapid 500mg/Napa Extend/ 665mg ( ভরা পেটে) ।
১+১+১-------------------- ৭দিন ।
Tab. Deslor / Tab. Fexo (120/180)
১+0+১-----------৭ দিন ।
Tab. Monas/Trilock/Lumona10mg
০+০+১----------৭দিন ।
Syp.Ambrox/ Dexpofen/Tuska plus
২ চামচ করে ৩ বেলা----------- ৭দিন
(কাশি বের হলে) ।
Tab.Ometid 20mg
১+০+১------------- ৭ দিন
( খাবার আগে) ।
যদি শ্বাসকস্ট হয় :------
Inhaler Bexitrol F
১ কাফ ১২ ঘন্টা পর পর ।
হাপানি রোগীরা বাড়িতে আগে থেকে অবশ্যই
নেবুলাইজার মেশিন রাখবেন এবং windal plus দিয়ে নেবুলাইজ করবেন ।
#অন্যান্যঃ----
প্রচুর পরিমান পানি খাবেন ।
গরম পানি খাবেন, গরম পানির কুলকুচি করবেন ।
৭ দিন ঘরে অবস্থান করবেন ।
মাস্ক পরিধান করবেন ।
হাত হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে
পরিস্কার করুন ।
হাচি কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করুন ।
#দোয়াপড়ুন:---- বেশি বেশি (মুসলিমদের জন্য)ঃ
০১। আল্লাহুমা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বারাসি,ওয়াল জুনুনি,ওয়াল জুযামি, ওয়া মিন শাইয়্যিল আসক্বম ।
০২। সুরা ফাতিহা প্রতিদিন ০৭ বার ।
০৩। সুরা ইখলাস ০৩ বার, সুরা ফালাক ০৩ বার, এবং সুরা নাস ০৩ বার করে পড়ুন ।
০৭ দিন পরও সুস্থ না হলে করোনা ভাইরাস চিকিৎসার নির্দিষ্ট হাসপাতাল গুলোতে যোগাযোগ করুন এবং আইডিসিআর এ ফোন দিয়ে তাদের আপনার অবস্থা বিষয়ে অবহিত করুন ।
আর করোনার লক্ষন গুলো আপনাদের মাঝে থাকলে আইইডিসিআর( IEDCR) খবর দিন ।
যোগাযোগ ঃ 16263,
# 01550064901-05
# 01401184551,
# 01401184554-56,
# 01401184559-60
# 01401184559-60
# 01401184563,
# 01401184568
# 01927711784-85
# 01937000011
# 01937110011
In sha Allah will save us from this disaster...
এটি শেয়ার করে সকলকে অবহিত করুন,
আপনার একটি শেয়ার হয়তো কারো জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে ।
Credit: Dr. Sumaiya Simu
কি করছি,কি করবো,কি করবো না:(প্লীজ পড়ুন)
—————————————————-
শখের লম্বা লম্বা নখগুলা কেটে ফেলুন। এদের চিপাচোপায় করোনা লুকিয়ে থাকতে পারে।
গয়নাগাঁটি, হ্যান্ড ব্যান্ড, শরীরের চিপায়চোপায় লুকনো বিভিন্ন মেটাল, নাক্ফুল, ঠোঁটফুল, থুতনিফুল, জিহ্বাফুল, আইব্রুফুল, নাভিফুল ইত্যাদি খুলে ফেলুন। আইব্রু লম্বা হয়ে যাচ্ছে? ছোট কাঁচি দিয়ে কাজ সেরে ফেলুন। চুল লম্বা হয়ে যাচ্ছে? সেলুনে কিন্তু যেতে পারবেন না বহুদিন। একজন আরেকজনেরটা কেটে দিন কিংবা কার্ল মার্কস বা ফ্রেডরিক এঙ্গেলসের মতো লম্বা চুলদাঁড়ি রাখুন। বেচারাদের বহু গালিগালাজ করেছেন এখন অন্তত ওঁদের মতো কিছুটা হয়ে যান। করোনা যে আইবো সেটাতো ওরা বহু আগেই অসিয়ত করে গেছে! যাই হৌক, ফেসিয়াল জরুরী হয়ে পড়েছে? জ্বী ঐটা ভুলে যান। কতোদিনের জন্য? জানিনা। আপাতত ঘরে বসেই লেবু, মুলতানি মাটি, শসা, হলুদ, চন্দন ইত্যাদি দিয়ে কাজ সেরে ফেলুন (সাবধান কাঁচা ডিমের কুসুমে হাত দিবেন না কিন্তু, পোলট্রি সাবধানে ডিল করুন)।
লেবু, জাম্বুরা, কামরাঙা, লাইম, আনারস, কমলা, ম্যান্ডারিন, রসুন, এভোকাডো, আম, তেঁতুল ইত্যাদি টকজাতীয় খাবার বেশী বেশী খান। এদের pH লেভেল করোনার pH লেভেল থেকে বেশী। যারা মধু, কালোজিরা খেতে চান, খান। আমি সারা বছরই খাই এগুলো। যারা ট্রাডিশনাল চাইনিজ মেডিসিন (TCM) বা ভেষজ/আয়ুর্বেদ খেতে চান, খান। শুধু মনে রাখবেন এগুলো করোনার ঔষধ না। এগুলো আপনার ইমিউনিটি বাড়াতে পারে শুধু। ভাত/রুটি খাওয়া কমিয়ে প্রোটিন বাড়ান। প্রতিদিন ডাল, ডিম, দুধ খান।
কতোদিন খাবো এগুলো? উত্তর জানি না। হয়তো ২০২০ সাল পুরোটাই! এখানকার হামলাটা কখন হবে বুঝতে পারছি না। তবে সুনামি না হলেও হামলা একটা হবে এটা জানি।
কোয়ারেন্টিন ভালোভাবে মানুন। সম্পর্কের চেইন ভেঙে দিন। আমি আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ইতালি এবং ফ্রান্সে কথা বলে দেখেছি যে উনারা পুরোপুরি কোয়ারেন্টিন মানছেন না। তিনটা প্রশ্ন করি। তিন নাম্বার প্রশ্নে গিয়েই দেখি যে এটা কোয়ারেন্টিন না। প্রথম প্রশ্ন: ভাই কেমন আছেন? উত্তর: মোটামুটি আছি। দ্বিতীয় প্রশ্ন: বাসায় কোন অসুবিধা নেই তো? উত্তর: না, আপাতত নেই। তৃতীয় প্রশ্ন: বাসার বাহিরে যান নাতো? উত্তর: না ভাই। একদম ঘরে বন্দি। শুধুমাত্র বাসার নীচে একটা সাবওয়ে থেকে ছোট ছেলেটার জন্য একটা ফুট-লং নিয়ে আসি মাঝেমধ্যে! কোথাও যাই না ভাই, শুধুমাত্র সবজি আনতে যাই সামনের ভিয়েতনামিজ গ্রসারী থেকে! কোথাও যাই না, শুধুমাত্র ছেলেটিকে ড্রপ করে আসি তার কেয়ার জবে! এতে করে কোয়ারেন্টিন চেইন কিন্তু ভেঙ্গে গেলো। ঢাকাতেও তাই দেখছি। বাঁধা কাজের লোক। তিনদিন খাবার না দিলেও চলবে কিন্তু বিকেল বেলা অন্যান্য বাসার কাজের মেয়েদের সাথে একটু কথা বলে নীচে গিয়ে। সবাই বাঁধা লোক। সমস্যা নাই। বুঝেন নাই ব্যাপারটা?
যারা বলছেন আমাদের গন ইমিউনিটি আছে, এখানে হামলা হবে না তারা হয়তো বোকার স্বর্গে বাস করছেন। অনেকে বলছেন হামলা নয়, ভারতীয় উপমহাদেশে হলে হবে সুনামী। যারা বলছেন বিসিজি টিকা দেয়া আছে তারা হয়তোবা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। কোন বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা এখনো এটা কনফার্ম করে নাই। আমি পড়েছি কয়েকটা পেপার। ফাইনাল কিছু না। চায়নাতেও কিন্তু পঞ্চাশের দশক থেকেই ইউনিভার্সাল টিকাদান কর্মসূচি চালু আছে। বাংলাদেশের যে প্রায় শতাধিক মানুষ ইউরোপ এবং আমেরিকাতে করোনায় মারা গেলেন তাদেরও কিন্তু বিসিজি দেয়া ছিলো। তাহলে? অনেকে বলছেন আমাদের এসোনোফিল হাই। তাহলে কি হয়েছে? এই এসোনোফিল নিয়ে কি এই অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ লোক ভাইরাল ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয় নাই। অনেকে বলছেন হাই টেম্পারেচার লো হিউমিডিটির কথা। সেটা একটা ফ্যাক্টর হতে পারে কিন্তু দিল্লী, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াতে তাহলে কি হচ্ছে? গরমে যদি আমিষ করোনার বাহিরের ফ্যাট গলে যায় তাহলে দিল্লী, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ুতে শত শত লোক এই গলিত করোনা দ্বারা আক্রান্ত? অবশ্যই না। করোনা এখানে তার রূপ আরেকবার পরিবর্তন করেছে। ধরুন, এই কয়মাস সে এখানে থাবা দিল না কিন্তু এতে এটা মিন করে না যে সে এখানে শীতে এসে হামলা করবে না। সেতো ভাইরাস। তার তো কোন মরণ নাই ভাই। সে লক্ষ লক্ষ লোকের ভিতর এসিম্পটোমেটিক হয়ে মাইগ্রেশান করতে থাকবে সময় সুযোগের অপেক্ষায়। একসময় গিয়ে সে দুর্বল হয়ে যাবে। অথবা আপনি ফ্লু-শট (ভ্যাকসিন) পেয়ে যাবেন। সেটা কবে? আমি নিশ্চিত সেটা ২০২২ এর আগে না। তাই যদি হয় তাহলে ধরে রাখুন বাংলাদেশের মতো প্রান্তিক এবং অত্যন্ত গরীব দেশগুলো করোনা ইফেক্টে একদম ভঙ্গুর হয়ে যাবে। ইতোমধ্যেই আপনি কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছেন। সেটার পরিমাণ কতো তা বুঝতে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে আর মাত্র ৪ সপ্তাহ!
গতকাল দ্য ইকোনোমিস্ট বলেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির দিকে যাচ্ছে এবং আমাদের প্রবৃদ্ধি ৩.৫ এ নেমে আসতে পারে। অর্থমন্ত্রী এবং এডিপি বলেছে প্রবৃদ্ধি ১.৫ থেকে ২.৫ কমে যেতে পারে। এর মানে কি জানেন তো? এর মানে নতুন চাকুরি গোল্লা মারেন বরং ৮০-৯০ লক্ষ লোক তাদের বর্তমান চাকুরি হারাবে। ১ কোটি টাকার ফ্ল্যাট আপনি ৪০ লাখ টাকায়ও ক্রেতা খুঁজে পাবেন না। পঞ্চাশ লক্ষ টাকা কাঠা জমির মূল্য হবে ১০ লক্ষ টাকা। ব্যাংকের সুদের হার নেমে আসতে পারে ৩% থেকে ৪% এ। রেমিটেন্স এবং গার্মেন্টস অর্ধেক হয়ে যেতে পারে। এতে বাংলাদেশের মানুষ হয়তো না খেয়ে মারা যাবে না কিন্তু এদেশটাকে যেমন দেখছেন এখন আপনি হয়তো সেরকম আর দেখবেন না বহুদিন। এককভাবে কোন একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে হয়তো এটাকে সামাল দেয়া সম্ভবপর নাও হতে পারে। একটা সর্বদলীয় কোয়ালিশানে যেতে হতে পারে।
তবে আমি মনে করি বাংলাদেশ ঠিকে যাবে শুধুমাত্র ১ কোটি ১০ লক্ষ প্রবাসীর জন্য, ২.৫ কোটি কৃষকের জন্য, ৪০ লক্ষ মাছ চাষীর জন্য আর ৩০ লক্ষ গার্মেন্টস কন্যার জন্য। ধান, সবজি, মাছ, লবণ আর পোলট্রি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার জন্য।
আরেকটা কথা, ইউএনের বরাতে বিবিসি, দ্য অস্ট্রেলিয়ানসহ বিশ্বের বহু গনমাধ্যম জানাচ্ছে যে বাংলাদেশে ৫-৭ কোটি লোক করোনায় আক্রান্ত হবে এবং ২০ লক্ষ লোক মারা যাবে। আমি এই প্রজেকশনে বিশ্বাস করি না। বিশ বছর ধরে পাবলিক হেলথ, এপিডেমিওলোজি, ইমারজিং এবং রিইমার্জিং এপিডেমিক এবং ভাইরাস পড়াই ক্লাসে। এদেশের ৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩টি পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট আমার হাতে কিংবা প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে তৈরি করা। ফলে এখানে কী হতে পারে সেটা আমরা বুঝি। প্যানিক করার দরকার নেই। দরকার শুধু ভালন্যারেবল জনগুষ্টির দিকে নজর রাখা যেমন ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা, ৯০ হাজার কারাবন্দি, ৫০/৬০ লক্ষ বস্তিবাসী এবং বিদেশ থেকে আগত লোকজন। র্যাপিড এন্টিবডি টেস্টের দিকে আমাদের যেতেই হবে, পরে কনফার্মেটরি পিসিআর টেস্ট। গনস্বাস্থ্য যেটা করতে চাচ্ছে বা সাউথ কোরিয়া যেটা করেছে সেটাকে সরকার গ্রহণ করলে ভালো হবে। তবে সঠিক টেস্টের কোন বিকল্প নেই। আগামী দিনগুলোতে আমাদের প্রতিদিন প্রায় ১০,০০০ টেস্ট করার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে খুবই সাবধানতার সহিত। মনে রাখতে হবে সরকার যে ২০টি পিসিআর ল্যাব করতে যাচ্ছে এবং প্রাইভেটে যে আরো ১০ টার মতো পিসিআর ল্যাব আছে সেগুলো কিন্তু WHO এর বায়োসেফটি লেভেল-২ দ্বারা পরিচালিত। এগুলোর সেফটি লেভেল অবশ্যই লেভেল-৩ এ তুলতে হবে। নতুবা বিপদ ঘটে যেতে পারে। আর ভেন্টিলেটর আনতে হবে মিনিমাম ৫০০০। গাজীপুরের আমাদের ম্যাশিন টুলস ফ্যাক্টরি ভেন্টিলেটর বানাতে পারবে বছরে ১০,০০০। আমি দাবী করেছিলাম দিনে ২,০০০ টেস্ট করার জন্য, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দিনে ১,০০০ টেস্ট করার জন্য। এই টেস্টগুলো যেন আব্দুল টেস্ট না হয়। আব্দুল টেস্ট কি? বরিশাল বি এম কলেজের রসায়ন বিভাগের একসময় ল্যাব বিয়ারার ছিল নাম আব্দুল। সে Salt জিহবায় স্পর্শ করে বলতে পারত কোন Salt, যার নাম আব্দুল টেস্ট। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী লগ্নে এসেও আমরা এখনও যেন আব্দুল টেস্টেই না থাকি (আব্দুল টেস্টের কথা আমার এক আমলা বন্ধুর পোস্ট থেকে নেয়া)।
বিশ্ব কতোদিনের জন্য থেমে গেলো সেটা এখন বলা যাচ্ছে না। অনেকে বলছেন স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি কবে খুলবে? আমি আসলে জানি না। ঈদের আগে তো অবশ্যই না। আমেরিকা এবং ইউরোপের মহামারীর চিত্র যতদিন লোকজন টিভিতে দেখবে ততদিন তারা তাদের বাচ্চাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো বন্ধ রাখবে এটা ধরে নিতে পারেন। জোর করে অফিস আদালত খুলে দিতে পারেন কিন্তু অনেক কিছুই আনসার্টেন হয়ে পড়েছে। তাই বাচ্চাকে বাসায় লম্বা সময় পড়ানোর প্রিপারেশান নিন।
আর ম্যাডাম/স্যারদেরকে বলছি, ইয়ে বাচ্চেকি খেল নেহি হ্যায়। প্রনোদনা দিতে হবে। ১০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে প্রস্তুত হোন। বিশ্ব ব্যাংক-এডিপির কাছে টাকা চেয়েছেন শুনলাম। তাড়াতাড়ি টাকাটা ছাড় করান। ২ লক্ষ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কাটছাঁট করে সেখান থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে আসুন। অবশ্য এই টাকাও তো মানুষের পকেটে। মানুষ এই বিপদে টাকা দিবে কিনা সেটাও বলা যাচ্ছে না। ইনকাম না থাকলে মানুষ ট্যাক্স দিবে কোথা থেকে?
আমরা আশা করি এই দুর্যোগ আমরা সামাল দিতে পারব। কিন্তু আমরা শুধুমাত্র আশার উপর বিশ্বাস করে কাজ করলে হবে না। আগামী দুই বছরের পরিকল্পনা এক্ষুনি করতে হবে। আমাদের আরো আগে জাম্প দেয়া দরকার ছিলো, আমরা সময় নষ্ট করেছি ইত্যাদি ইত্যাদি বলে আর সময় নষ্ট করার সময় আমাদের হাতে নেই। এগুলোর উত্তর আমরা আজকে নয়, আগামীকাল নয়, এগুলোর উত্তর আমরা খুঁজবো অনেক পরে, সময় আছে সেটার। এখন একজন আরেকজনকে ব্লেম দেয়ার সময় নয়। এখন সময় কাজের। মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর উচিত সব বিরোধী দলের সাথে বসে একটা সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা। একই সঙ্গে করোনা থেকে মুক্তি এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান, এই সুযোগ প্রকৃতি উনাকে করে দিয়েছে, এটাকে কাজে লাগানো দরকার।
আপনাদের সবার মঙ্গল কামনায়।
অধ্যাপক ড. আমানুল্লাহ ফেরদৌস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
০৩/০৪/২০২০
Collected
কখন ১ টাকায় ৪টা লজেন্স পাওয়া যেতো?? মনে আছে?? আমি মনে করিয়ে দিচ্ছি,
যখন হাসপাতালে গেলে প্যারাসিট্যামল, কৃমিনাশক ওষুধ, চুলকানির ওষুধ, খাবার স্যালাইন ফ্রি ফ্রি পাওয়া যেত। ব্রিজের উপর থেকে বা গাছের মগডাল থেকে পুকুরে বা খালে ঝাপ দিলে ঘন্টা দুয়েক পর নাকের নিচে কাদার গোফ পাওয়া যেত। কিন্তু হাজার খুঁজলেও এখনকার মত পকেট ভর্তি ইয়াবা আর ফোন ভর্তি পর্ণ পাওয়া যেত না। ও হ্যা, আমরা মাছ ধরতাম। ঠ্যালা জাল চেনো? তিনকোণা নীল রঙা জাল, আবার কখনো কখনো তো লুঙ্গী বা গামছা দিয়ে বানানো হইতো জাল। তখন পুটি মাছ পেয়ে যেন ইলিশের আনন্দ নিতাম।
সন্ধ্যে হওয়ার আগেই বাসাই ফিরতে হত। রোজ হারিকেন টা মুছে কেরোসিন তেল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার দ্বায়িত্ব টা ছিলো আমার উপর, একসাথে মাদুর বিছিয়ে পড়তে বসতাম ভাই বোন মিলে, আর রাতে যখন আশেপাশে কেউ থাকতো না, তখন বইয়ের ভেতরের ময়ূরের পালক বের করে মাপতাম। এরপর তাকে চকের গুঁড়ো খেতে দিয়ে আবার যথাস্থানে রেখে দিতাম। আমরা ভাবতাম ময়ূরের পালক(পর) বড় হয়! যার কাছে যত ময়ূরের পালক(পর) তাকে ততো সমীহ করে চলতাম যদি সে দয়া করে একটা ময়ূরের বাচ্চা (ছোট পালক) দেয়। এভাবেই আমাদের গল্পে ময়ূর আর চকের গুঁড়ো মিশে আছে যার গন্ধ আমরা এখনো পাই প্রতিটা বইয়ের পাতায়। তোমরা যখন চিনি দেখলে কোকেন বলে মনে কর, আমরা ৯০ এর দশকের ছেলেরা প্রথমে তাকে চকের গুঁড়ো ভাবি। এটাই আমাদের সরলতা।
রাত পেরিয়ে সকাল হলেই দল বেধে যাইতাম মক্তবে বা মসজিদে কোরআন পড়তে, কেউ কোরান পড়তে না পারা ছিলো অত্যন্ত লজ্জাস্কর। এরপরে দলবেঁধে স্কুলে যাইতাম পায়ে হেটে। শীতের দিনে দিন পেরিয়ে সন্ধ্যা হলে আমরা পলিথিন, খড়কুটা, গাছের শুকনো পাতা জোগাড় করতাম, জড়ো করতাম আগুন জ্বালাবার জন্য। মা বলতো উলের সোয়েটারে নাকি আগুন লাগে তাই সোয়েটার খুলে আমরা আগুনের কাছে যেতাম। আগুনের ভেতর থেকে হাত পা ঘুরিয়ে আনা, আর সুচ দিয়ে আঙুল এর চামড়া ফুটো করে গেথে রাখা ছিল তৎকালীন সময়ে স্মার্টনেসের সর্বোচ্চ নিদর্শন। আগুন জ্বালালে তাতে নষ্ট কলম পোড়ানো ছিল ট্রেন্ড। এই জেনারেশন কখনোই অনুভব করবে না এসব পোড়া গন্ধ, কিভাবে চামড়ায় সুচ আটকে রাখা যায় তা তারা শিখে নিতে পারবে কিন্তু রোমাঞ্চকর কোন অনুভূতি পাবেনা। কারণ তারা এখন রোমাঞ্চ পায় ইরোটিক ক্লিপ আর সবজী, লাল পানি খাওয়াতে।
আমরা দেখেছি কিভাবে কেরোসিন আনার জন্য কাচের স্প্রাইটের বোতলের মাথায় দড়ি বাধা হতো। আস্তে আস্তে কিভাবে দড়ি কালো হয়ে যেত আর বোতলের গায়ে ময়লার আবরণ পড়তো। ডাংগুলি, বৌ-ছি খেলা তো এখনকার জেনারেশন চিনে কিনা সন্দেহ আছে! কত যে রোমাঞ্চকর ছিল পরিবেশ টা। জায়গায় জায়গায় মারবেল খেলা, লাটিম ঘুরানো, সিগারেটের প্যাকেট এর নকল টাকা দিয়ে কত রকম যে খেলা ছিল!!!
২০২০ সাল কখনওই জানবে না ষ্টোভ নেভানোর পর কেরোসিন পুড়ে কেমন সুঘ্রাণ বের হয়, সন্ধ্যাবেলায় প্রতিটা বাড়ি থেকে কিভাবে এক এক্কে এক, দুই এক্কে দুই পড়ার আওয়াজ, যা ব্যাঙ এর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙরকেও হার মানাতো, এরা কখনওই ধারাপাত, আদর্শলিপি বই চিনবে না। এরা জানে ইউটিউবের টিউটোরিয়াল, সারাদিনের স্কুলে পরে থাকা মোজার গন্ধ আর বিদেশী রাইটারের বই।
সময় পাল্টেছে, আমি যুগের দোষ দেবোনা, সময়ের দোষ দেব না, এই জেনারেশনের দোষ দেব না। দোষ দেব আমাদের, দোষ দেব এই ৯০ এর দশকের। কেন তারা এত সুন্দর ছিল যে পরবর্তী দিনগুলোকে তাদের ধারে কাছেও আসতে দিল না? সেই দিনগুলো ফেসবুক ইউটিউবে বন্দী ছিল না তাই আমাদের শৈশব কেটেছে মাঠেঘাটে, হাওড় বাওড়ে, আগুনে পানিতে, জলাজঙ্গলে। তোমরা তোমাদের গেম অফ থ্রোনস, পাব-জি, ইউটিউব আর ফেসবুক দিয়ে আমাদের ম্যাকগাইভার, আলিফ লায়লা আর নতুন কুঁড়িকে চাপা দিতে পারবে কখনো ? কি মনে হয় ? পারবে ???
আমি ৯০ এর দশক এর কথা বলছি 😊
সংগ্রহীত ও সংশোধিত
16/12/2019
❤🇧🇩💚 বিজয় দিবস এক্সক্লুসিভঃ বিজয় অর্জনের চেয়ে বিজয় রক্ষা করা কঠিন 💚🇧🇩❤
বাংলাদেশ যে স্বাধীন হয়নি, একথা সত্য নয়। বাংলাদেশ অনেকবারই স্বাধীন হয়েছে কিন্তু সেই স্বাধীনতা কখনই ধরে রাখতে পারেনি। একইভাবে, বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সর্বাত্মক সহযোগিতায় বাংলাদেশ বিজয়ী হলেও সেই বিজয় ৪৮ বছরে ধরে রাখতে পারেনি।
কখনো কী নিজেদের প্রশ্ন করে দেখেছেন যে, দেশের জন্য গত ৪৮ বছরে কতটুকু কাজ করেছি আমরা ? গত ৪৮ বছরে এই দেশের কতটুকু উন্নয়ন দেখলাম আমরা ? রাষ্ট্রের নাগরিক হিশেবে কতটুকুই বা পেলাম গত ৪৮ বছরে ? প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির মধ্যে কী কোনো সমতা অর্জিত হয়েছে ?
আজকে অনেকেই বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নিজেদের টাইমলাইনে, কাছের মানুষদের ইনবক্সে। তাদের শুভেচ্ছা অবশ্যই ইতিবাচক কিন্তু ব্যাপারটি কেমন যেন একটি গতানুগতিক ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে এবং এই গতানুগতিকতা মোটেও ইতিবাচক কিছু নয়। সত্যিকারভাবে বলতে গেলে - দেশের জন্য কাজ করে ১৯৭১ সালের বিজয়টিকে ধরে রাখার বিষয়টি কতটুকু রক্ষিত হয়েছে, তা ব্যাপকভাবে প্রশ্নের দাবি রাখে।
প্রকৃত বিজয় তখনই অর্জিত হবে যখন -
✅ ০১) সকলে নিজের অবস্থান থেকে পেশাগত ও দেশের প্রতি যে দায়িত্ব রয়েছে, সেটুকু নিষ্ঠার সঙ্গে করে যাবে, যে যেই বিষয়ে দক্ষ নয়, সে সেই বিষয়ে 'সবজান্তা শমসের' হিশেবে নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা থেকে একেবারেই বিরত থাকবে
✅ ০২) দেশের জনসংখ্যা সমস্যার জন্য ছেলে হোক মেয়ে হোক দুই সন্তানই যথেষ্ট - নীতির কঠোর বাস্তবায়ন ঘটানো যাবে
✅ ০৩) প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে তথা রাজধানী ঢাকার ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে দেশে প্রাদেশিক পদ্ধতি (Provincial System) চালু করে প্রত্যেকটি প্রদেশে স্থানীয় সরকার (Local Government) স্থাপিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে
✅ ০৪) কৃষক, শ্রমিক, নারী ও যুবসমাজের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রত্যেকটি পেশা থেকে সৎ এবং দক্ষ বলে প্রমাণিত ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে দেশকে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে যেমন - ইলিয়াস কাঞ্চন, হানিফ সংকেত, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ ইত্যাদি।
✅ ০৫) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা ও নিজ ভাষায় উচ্চতর শিক্ষা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে, পাশাপাশি পাঠ্যসূচী থেকে ধর্মকে বাদ দিয়ে সেখানে সাধারণ জ্ঞান, নীতিবিদ্যা-যুক্তিবিদ্যা, নৃত্য, চিত্রকলা, সঙ্গীত ও চলচ্চিত্রকে একীভূত করে প্রণীত বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে
✅ ০৬) প্রচলিত ১৮৬০ সালের অচল, বাস্তবতাবিবর্জিত উদ্ভট আইনব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে দেশে আইনের কার্যকরী শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে
✅ ০৭) দেশের গ্রামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ডোবা-নালা, জলাভূমি ও বাড়িঘরের আশেপাশের স্থানগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সরকার থেকে বাড়ির মালিকদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা আরোপ করা হবে এবং নির্দেশনা পালন না করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
✅ ০৮) বনায়নের মাধ্যমে এবং ট্যুরিস্ট সাইটগুলোর পেছনে পর্যাপ্ত অর্থব্যয় করে সেগুলোকে ঢেলে সাজানো হবে
✅ ০৯) ৩য় বিশ্বে বাস্তবে অকার্যকর সংসদীয় গণতন্ত্র বাতিল করে পুনরায় রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা ফেরত আনা হবে এবং ক্ষমতা শুধুমাত্র পার্টি প্রধানদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না - এমন আইন প্রণয়ন করা হবে
✅ ১০) পরিবারকেন্দ্রিক রাজনীতি ও নামকরণ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে দেশে সুস্পষ্ট আইন থাকতে হবে
✅ ১১) ছাত্র-রাজনীতি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে
✅ ১২) সিগারেট ও মদ্য আমদানির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বা রাজস্বের লোভ না করে এগুলোকে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে
✅ ১৩) সৃজনশীল প্রশ্নের মাধ্যমে দুর্বল মানের প্রশ্ন প্রণয়ন করা এবং গণহারে শিক্ষার্থীদের জিপিএ ৫ দেওয়া বন্ধ করতে হবে, ইংরেজি শিক্ষার প্রতি বিশেষভাবে জোর দেওয়া হবে
✅ ১৪) সম্পর্ক, বিবাহ, ডিভোর্স, সন্তানের অধিকার ইত্যাদির ক্ষেত্রে পুরুষ যাতে চাইলেই যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সেজন্য নারী বান্ধব তথা সমানাধিকারমূলক আইনকানুন প্রণয়ন করতে হবে
✅ ১৫) দেশে ফিটনেসবিহীন যানবাহন বাতিল করতে হবে এবং যাতায়াত ভাড়া নির্ধারিত করে দিতে হবে যার ব্যতিরেকে বিনামূল্যে মোবাইল থেকে তাৎক্ষণিক কল করে পুলিশে জানানোর ব্যবস্থা থাকতে হবে
✅ ১৬) নির্ধারিত স্থান ব্যতীত কোন স্থানে ময়লা, কফ, থুতু, বর্জ্য ফেলা হলে তার জন্য শাস্তিমূলক আইন করতে হবে এবং বাস্তবে তার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে
✅ ১৭) দেশের খাদ্যে উপাদানগত জেনেটিক পরিবর্তন আনতে হবে এবং যেখানে যেখানে সম্ভব ভিটামিন আলাদাভাবে খাদ্যে সংযোজন (Vitamin Fortification) করতে হবে যেন অদূর ভবিষ্যতে আকারে লম্বা, সুগঠিত দেহ ও প্রাণশক্তিসম্পন্ন একটি শক্ত-সমর্থ নতুন প্রজন্ম তৈরি হতে পারে
✅ ১৮) দেশের সামরিক বাহিনীকে দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ব্যবহার করতে হবে, দেশকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে ও ভবিষ্যতে পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার জন্য এখন থেকেই কাজ শুরু করতে হবে
✅ ১৯) দেশীয় পণ্যের প্রসার করতে হবে, ভারতীয় ও বিদেশী পণ্যের গায়ে কড়া ট্যাক্স চাপিয়ে বা কিছু কিছু প্রোডাক্ট আমদানি বন্ধ করে দেশীয় শিল্পকে সামনে নিয়ে আসতে হবে
✅ ২০) শুধুমাত্র ব্যক্তিগত পর্যায়ে ধর্ম পালন করার ১০০% স্বাধীনতা থাকবে কিন্তু সরকার যে কোন ধর্মীয় কার্যকলাপ থেকে বিরত থেকে সকল ধর্মের প্রতি সমান বা নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখবে
এটি একটি অসম্পূর্ণ তালিকা, এগুলো যদি বাংলাদেশে যথাযথভাবে কার্যকরী করা যায়, তবেই বাংলাদেশের প্রকৃত বিজয় অর্জিত হবে। ১৬ই ডিসেম্বরে আমরা যেন দেশকে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে গড়ে তোলার জন্য মনে মনে এই তালিকায় উল্লেখিত নীতিগুলোকে মানার ও বাস্তবে পালন করার দীক্ষা নেই।
এই সবকিছু সুনিপুণভাবে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশে একজন সৎ, জ্ঞানী, আগ্রহশীল, কঠোর এবং দক্ষ শাসক খুবই প্রয়োজন। গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র/কমিউনিজম, ইসলামিক শাসনতন্ত্র - ইত্যাদি মতবাদ নিয়ে অযাচিত ও অতিরঞ্জিত তথা অপ্রয়োজনীয় মাতামাতি ও মারামারির কারণেই ৪৮ বছরে বাংলাদেশের কোন দিক থেকেই আশানুরূপ উন্নয়ন হয়নি। সত্যিকারের উন্নয়নের জন্য এই জাতিকে আওয়ামী-বিএনপি তথা পরিবারতন্ত্রের বলয় থেকে বের হয়ে আসতেই হবে।
তালিকায় উল্লেখিত নীতিগুলোর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা সহকারে আপনাদের সুচিন্তিত মন্তব্য প্রত্যাশা করছি। সকলকে ধন্যবাদ।
Collected post
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
ROAD NO 05
Abu Dhabi
88888
