19/08/2025
19-08-2025
একটি শোক সংবাদ-
তারাগন পশ্চিম উত্তর পাড়া নিবাসী জনাব (মোঃ মুতি মিয়া) কিছুক্ষণ আগে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল ফরমায়েছেন 😭 (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন) মরহুমের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেতনা জ্ঞাপন করছি আমিন🤲
17/10/2024
17-10-2024
একটি শোক সংবাদঃ-
তারাগন নোয়া বাড়ি নিবাসী, এবং তারাগন ৯ নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর জনাব (মানিক মিয়া) আজ সকাল ৬:৩০ মিনিটে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে এই দুনিয়ার মায়া ছেড়ে চলে গিয়েছেন।( ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) মরহুমের রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করি আমিন 🤲
27/08/2024
Thank You এর পরিবর্তে আসুন "জাযাকাল্লাহু খায়ের" বলি
ধন্যবাদ বা থ্যাঙ্ক ইউ, যাকে বলা হয় সে জানে যে তার অবদানকে মূল্যায়ন করা হলো। ‘জাযাকাল্লাহু খাইর’ বললে কিন্তু মূল্যায়ন করাও হয়, পাশাপাশি উপকারী ব্যক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দুআও করা হয়। ‘জাযাকাল্লাহু খাইর’ মানে হচ্ছে ‘আল্লাহ তোমাকে উত্তম প্রতিদান দিন’, কি সুন্দর দুআ। কেউ কোন উপকার করলে আমরা মাঝে মাঝে বলি, কিভাবে যে ধন্যবাদ দেব বা আপনাকে কিভাবে প্রতিদান দেব বুঝতে পারছি না। সহজ উপায়, তার জন্য দুআ করুন ‘জাযাকাল্লাহু খাইর’।
এতে শুধু যে দুআ করা হলো তাই না, রাসুলুল্লাহ সা. এর একটি সুন্নাহ পালনের কারণে আল্লাহর কাছে আপনি নিজেও প্রতিদান পেলেন। ধন্যবাদ বা থ্যাঙ্ক ইউ বললে এর কিছুই হলো না।
‘জাযাকাল্লাহু খাইর’ বলা বাধ্যতামূলক নয়। তাই কেউ যদি ধন্যবাদ বা নিজের ভাষায় অন্য কিছুও বলেন কোনো পাপ হবে না। কোনো সামাজিক বা কর্মক্ষেত্রে যদি ধন্যবাদ বা থ্যাঙ্ক ইউ বলার প্রচলন বেশি হয় তবে সেটা বলতেও সমস্যা নেই। তবে রাসুল সা. এর সুন্নাহ আমাদের মনে রাখা উচিৎ এবং উপকারীর জন্য দুআ করতে বিব্রতবোধ করার কোন কারণ নেই।
22/08/2024
ভারতের উপর তার আশেপাশের কোন প্রতিবেশী রাষ্ট্র সন্তুষ্ট নয়। সে কারো সাথে ইনসাফের সম্পর্ক বজায় রাখেনি। আমরা নিজেদেরকে দুর্বল অথবা ছোট ভাবার কোন কারণ নাই।
আমাদের সকলের সচেতনতাই পারে ভারতকে জালিম হওয়া থেকে ঠেকাতে।
21/08/2024
অনেকে বলছে, যে বাঁধ না খুললে ভারতের ত্রিপুরা ডুবে যেতো, তারা বাধ্য হয়ে ছেড়েছে। পরে বাঁধ অটো ভেঙেই যেতো। তখন আরো বেশী ক্ষতি হত। তাই এখানে আসলে ভারতের দোষ নেই। চলুন এই কথাটার ফাঁকটা বুঝার চেষ্টা করি একটু।
নদী চলবে নদীর মত। এতে তারা বাঁধ দিল কেনো শুরুতেই? কারণ তারা বাংলাদেশকে পানি বঞ্চিত করে রেখেছিল এতদিন। নদীকে নদীর মত চলতে দিলে, নদীর গভীরতা এবং প্রশস্ততা ঠিক থাকতো। হঠাৎ বেশী পানি আসলেও নদী তা সহ্য করতে পারতো। পানি সহজে সমুদ্রে পৌছতো।
কিন্তু বাঁধ দেয়ার কারণে, বাংলাদেশের নদীগুলো শুঁকিয়ে খালের মত হয়ে গিয়োছে। পলি জমে অগভীর হয়ে গিয়েছে, জায়গায় জায়গায় চর জন্মেছে। এখন হঠাৎ পানি ছেড়ে দিলে এই অগভীর এবং চিকন নদীগুলো সেই পানি ধারণ করতে না পেরে আশেপাশের সব ডুবিয়ে দেয়। এবার বুঝেছেন আসল কাহিনী?
কোন লোক এখন ভারতের সাফই গাইতে আসলে, বা কোন ধানাই পানই করলে, যেমন ভারতের তো উপায় ছিল না, তাই বাধ্য হয়ে বাঁধ ছেড়েছে, ওরে চটকনা মেরে বলবেন, তাহলে বাঁধটা শুরুতে দিয়েছিল কেনো?
- সংগৃহীত লেখা
20/08/2024
মসজিদের উন্নয়নের দিকে আমরা যত ব্যস্ত হয়ে পড়ি মুসল্লির উন্নয়নের প্রতি হয়ে পড়ি তত উদাসীন। আর গরিবের হকের ব্যাপারে কথা বলা তো হয়ে পড়ে অন্যায়। দান খয়রাতের যত বয়ান হয় তার সবগুলো মসজিদ কেন্দ্রিক, মদ্রাসা কেন্দ্রিক আর ওয়াজ মাহফিল কেন্দ্রিক।
কিন্তু কুরআন আমাদের কি শিক্ষা দেয়?
আপনি কি জানেন, পবিত্র কুরআনে মসজিদে দানের ব্যাপারে একটা আয়াতও নাই। একেবারে একটাও না।
তাহলে কুরআন কাদেরকে দান করতে বলেছে? জি, অনেক বার কুরআনে দান করতে বলা হয়েছে ক্ষুধার্তদেরকে, ধূলি মলিন মিসকিনদেরকে, এতিমদেরকে, যারা অভাবী হয়েও লজ্জায় চাইতে পারে না তাদেরকে, প্রতিবেশী, আত্মীয় এবং মুসাফিরদেরকে, যারা আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করছে তাদেরকে।
একবার দুইবার না। অনেক অনেক বার এই খ্যাঁট গুলোর উল্লেখ আছে একের পড় এক সুরায়।
কিন্তু বিশ্বাস করেন, মসজিদে জুমার নামাজে এই বয়ান গুলো আমি পাই না। আপনারা আপনাদের মসজিদে পান কি?
অথচ মসজিদের উন্নয়নের অভাবে ইসলাম কোনদিন পিছিয়ে যায় নাই। মুমিনদের উন্নয়নের অভাবে ইসলাম পিছিয়ে গেছে। যেই মুসলিম জাতি গরিব, বেকার, অভাবী ও ক্ষুদার্তদের হক নিয়ে কথা বলে না এবং মুসল্লিদের উন্নয়নের চেয়ে বরং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে তারাই ইসলামের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়।
অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকে তো মনোযোগী ছিল ফেরাউন। সেজন্য আজ পর্যন্ত তার স্থাপত্যগুলো আমরা দেখতে পাই কিন্তু তাকে ভালবাসে এমন কাউকে খুঁজে পাই না। সেই তুলনায় রাসূল সা. এর ঘর দেখাতে পারবেন কেউ আমাকে? নাকি হযরত আবু বকরের? তাদের তৈরি করা প্রাসাদ কই? কিংবা সুরম্য মসজিদ।
তারা তো কিছু রেখে যান নাই। কিন্তু তার পরেও তারা কত জীবন্ত। তাদের নামে গালি দিলে কোটি মানুষ সৈনিকের ন্যায় দাঁড়িয়ে যায়। জীবন দিয়ে লড়াই করে। সকাল সন্ধ্যায় তাদের কথা আলোচনা হয়।
অথচ আমরা মসজিদে ধনীদের সম্মান করি। তাদের বিরুদ্ধে হক কথা বলতে ভয় পাই। যেহেতু তাদের অনেকেই দুর্নীতি ও সুদের সাথে জড়িত, এসকল বয়ান করি না।
আমরা পরিষ্কার রাখতে পছন্দ করেন তাই মসজিদের দরজা তালা মেরে রাখি। আদর করে তাদের কাছে ডেকে বসাই। অন্যদিনে মুত্তাকী গরিবকে পাত্তা দেই না। তাদেরকে মসজিদ কমিটিতে স্থান দেই না।
চিন্তা করে দেখেন তো, আমরা আসলে আল্লাহর দেখানো মডেল নাকি ফেরাউনের মডেল অনুসরণ করছি?
মুখে আমরা বলি বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলবো কিন্তু এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকলে গালিগালাজ শুরু করি, মসজিদে এসি খুঁজি, উন্নত জীবনের জন্য মৃত্যুকে পরোয়া না করে ইউরোপে যাই।
আবার জবানে বলি ইসলামের জন্য বিপ্লব করে ফেলবো। বিপ্লব এতোই সোজা। যেই অন্তর দুনিয়ার মোহ এবং বিলাসিতার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে সেই অন্তর দিয়ে কি ইসলামের আবাদ হবে? মসজিদ তো হওয়ার কথা ছিল এমন জায়গা যেখানে মুমিনের অন্তরের আবাদ হবে। কিন্তু এখন মসজিদ হয়ে গেছে বিলাসিতার শিক্ষা দেওয়ার কেন্দ্র। ধ্বংস আমাদের হবে না তো কি অন্য কোন জাতির হবে?
মোহাইমিন পাটোয়ারী
18/08/2024
আমাদের ইচ্ছাই যথেষ্ট দেশকে গড়ার জন্য। তেমনি আমরা নিজেরাই গড়তে পারি নিজেদের এলাকা। ইনশাআল্লাহ হবে!
18/08/2024
আপনি যদি একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হন, তাহলে দুনিয়ার যেকোনো জায়গায় কোনো মজলুমকে নিপীড়িত হতে দেখলে আপনার মনে ঐ জালেমের প্রতি ঘৃণা জন্মাবেই।