বিজয় দিবস বাংলাদেশে
বিশেষ দিন
হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে
দেশের সর্বত্র
পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ই
ডিসেম্বর
বাংলাদেশে দিনটি
বিশেষভাবে পালিত
হয়। ২২ জানুয়ারি, ১৯৭২
তারিখে প্রকাশিত
এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে
বাংলাদেশে
জাতীয় দিবস হিসেবে
উদযাপন করা হয়
এবং সরকারীভাবে এ
দিনটিতে ছুটি
ঘোষণা করা হয়। ৯ মাস যুদ্ধের
পর ১৯৭১
সালের ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
হানাদার
পাকিস্তানী বাহিনীর
প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য
বাংলাদেশ ও ভারতের
সমন্বয়ে গঠিত
যৌথবাহিনীর কাছে
আনুষ্ঠানিকভাবে
আত্মসমর্পণ করে। এর ফলে
পৃথিবীর বুকে
বাংলাদেশ নামে একটি
নতুন স্বাধীন ও
সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয়
ঘটে। এ উপলক্ষে
প্রতি বছর বাংলাদেশে
দিবসটি যথাযথ
ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল
উৎসাহ-উদ্দীপনার
সাথে পালিত হয়। ১৬ই
ডিসেম্বর ভোরে ৩১
বার তোপধ্বনির মাধ্যমে
দিবসের সূচনা
ঘটে। জাতীয় প্যারেড
স্কয়ারে অনুষ্ঠিত
সম্মিলিত সামরিক
কুচকাওয়াজে
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
, বাংলাদেশ
নৌবাহিনী এবং
বাংলাদেশ
বিমানবাহিনীর সদস্যরা
যোগ দেন।
কুচকাওয়াজের অংশ
হিসেবে সালাম গ্রহণ
করেন দেশটির প্রধান মাননীয়
রাষ্ট্রপতি
কিংবা প্রধানমন্ত্রী। এই
কুচকাওয়াজ
দেখার জন্য প্রচুরসংখ্যক মানুষ
জড়ো হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা
যুদ্ধে যারা
শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি
শ্রদ্ধা
নিবেদনের অংশ হিসেবে
ঢাকার অদূরে
সাভারে অবস্থিত জাতীয়
স্মৃতিসৌধে
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী,
বিরোধী দলীয়
নেতা-কর্মী, বিভিন্ন
সামাজিক ও
সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ
সর্বস্তরের মানুষ
পুষ্পস্তবক অর্পণ করে থাকেন।
S P C Kafurpura High School & College
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from S P C Kafurpura High School & College, Government Organization, Bagerhat.
★★বাংলাদেশের ব্যাংক-বৃত্তান্ত★★
অনেক বড় পোস্ট......... আপনার
সুবিধাজনক সময়ে পড়তে ও অন্যদেরকে
জানার সুযোগ করে দিতে শেয়ার করে রেখে
দিন নিজের টাইমলাইনে।নিজে
জানুন,অন্যকে জানান।
১. বাংলাদেশে প্রচলিত ব্যাংক নোটের
সংখ্যা কত?
উত্তর : ৭টি।
২. বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নরের
নাম কী?
উত্তর : আ.ন.ম. হামিদুল্লাহ্।
৩. বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক
ব্যাংকগুলোর নাম কী?
উত্তর : সোনালী ব্যাংক, জনতা
ব্যাংক,অগ্রণী ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংক।
৪. বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নরের
নাম কী?
উত্তর : ড. আতিউর রহমান।
৫. বিশ্বব্যাংকের ঢাকাস্থ কার্যালয়ের
বর্তমান নাম কী?
উত্তর : ‘ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বাংলাদেশ
ফিল্ড
অফিস’।
৬. বাংলাদেশে গ্রামীণ ব্যাংক চালু হয় কত
খ্রিস্টাব্দে?
উত্তর : ১ অক্টোবর,১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে।
৭. উপমহাদেশে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু হয়
কোন শাসন আমলে?
উত্তর : মুঘল শাসনামলে।
৮. বাংলাদেশের কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়
কত খ্রিস্টাব্দে?
উত্তর : ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে।
৯. বাংলাদেশ ব্যাংকের স্থপতি কে?
উত্তর : শফিউল কাদের।
১০। দেশে নোট প্রচলন করে কোন
ব্যাংক?
উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংক।
১১. বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত
হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
উত্তর : ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে।
১২. বেকার যুবক সমাজের কর্মসংস্থানের
সুযোগ সৃষ্টির জন্য সরকার কোন ব্যাংক
চালু করেছেন?
উত্তর : কর্মসংস্থান ব্যাংক।
১৩. দ্যা ওরিয়্যান্টাল ব্যাংকের পূর্ব নাম
কী ছিল?
উত্তর : আল-বারাকা ইসলামী ব্যাংক
লিমিটেড।
১৪. পূবালী ব্যাংকের পূর্ব নাম কী ছিল?
উত্তর : দি ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক
লিমিটেড।
১৫. বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর
নাম কী কী?
উত্তর : বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, বাংলাদেশ
শিল্প ব্যাংক, শিল্প ঋণ সংস্থা, হাউজ
বিল্ডিং ফিন্যান্স কর্পোরেশন, রাজশাহী
কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
১৬. সোনালী ব্যাংকের পূর্ব নাম কী?
উত্তর : ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড।
১৭. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বা সোনালী
ব্যাংকের প্রথম মহিলা উপব্যবস্থাপনা
পরিচালক কে?
উত্তর : আনিসা হামেদ (প্রথম মহিলা এই
পদে)।
১৮. ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ অনলাইন
ট্রেডিং সিস্টেম চালু হয় কবে থেকে?
উত্তর : ১০ আগস্ট, ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে।
১৯। ঐড়ঃ সড়হবু বলতে কী বোঝায়?
উত্তর : যে মুদ্রার বিনিময় মূল্যহ্রাস
পাওয়ার ভয়ে জনসাধারণকে বাজারে ছেড়ে
দেবার জন্য ব্যস্ত থাকতে হয়।
২০. ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট পদ্ধতিকে
প্রচলিত ভাষায় কী বলে?
উত্তর : নোটিং পদ্ধতি।
২১. কত খ্রিস্টাব্দে প্রথম সিকিউরিটি
প্রিন্টিং প্রেস থেকে ১০ টাকার নোট
মুদ্রণ শুরু হয়?
উত্তর : ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে।
২২. বাংলাদেশে কত খ্রিস্টাব্দে দশমিক
মুদ্রা চালু হয়?
উত্তর : ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে।
২৩. ৫০ ও ১০০ টাকার নোটে কার সাক্ষর
থাকে?
উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের।
২৪. বাংলাদেশে প্রচলিত সর্বোচ্চমানের
ব্যাংক নোটটি কত টাকার?
উত্তর : ১০০০ টাকার।
২৫. বাংলাদেশে প্রচলিত নোটগুলোর
মধ্যে
কোন নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংক নোট নয়?
উত্তর : ১ ও ২ টাকার নোট।
২৬. বাংলাদেশে ১ টাকার ধাতব মুদ্রা চালু
হয়
কবে থেকে?
উত্তর : ৯ মে, ১৯৯৩ খ্রিস্টাব্দ।
২৭. বাংলাদেশে কত খ্রিস্টাব্দে
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণ
করা হয়?
উত্তর : ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে।
২৮. বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক
ব্যাংক
কোনটি?
উত্তর : সোনালী ব্যাংক।
২৯. বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোকে
কবে থেকে বিরাষ্ট্রীয়করণ শুরু করা হয়?
উত্তর : ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে।
৩০. বাংলাদেশের বাণিজ্যিক
ব্যাংকগুলোকে তার মোট আমানতের কত
অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখতে হয়?
উত্তর : ২৫ অংশ।
৩১. সর্বপ্রথম দেশী-বিদেশী যৌথ
মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত বেসরকারী ব্যাংক
কোনটি?
উত্তর : আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক
লিমিটেড।(এবি ব্যাংক)
৩২. সর্বপ্রথম বিরাষ্ট্রীয়করণকৃত ব্যাংক
কোনটি?
উত্তর : উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড।
৩৩. বাংলাদেশে প্রথম টেলিফোন ব্যাংকিং
চালু করে কোন ব্যাংক?
উত্তর : স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।
৩৪. ‘নিকাশ ঘর’ হিসেবে কোন্ ব্যাংক
দায়িত্ব পালন করে থাকে?
উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংক।
৩৫. বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক
ব্যাংক কতটি?
উত্তর : ৪টি।
৩৬. কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়
কত খ্রিস্টাব্দে?
উত্তর : ২৬ এপ্রিল ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে।
৩৭. বাংলাদেশের কোন ব্যাংকটি দীর্ঘদিন
মালদ্বীপে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে কাজ
করে?
উত্তর : আইএফআইসি ব্যাংক।
৩৮. কোন কোন ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে
সোনালী
ব্যাংক গঠিত হয়?
উত্তর : দি ন্যাশনাল ব্যাংক অব
পাকিস্তান,
দি প্রিমিয়াম ব্যাংক লি., দি ব্যাংক অব
ভাওয়ালপুর লি. এর সমন্বয়ে।
৩৯. বাংলাদেশের কোন্ ব্যাংকের বিদেশে
সবচেয়ে বেশি শাখা রয়েছে?
উত্তর : সোনালী ব্যাংক।
৪০. দেশের প্রথম মুদ্রা জাদুঘর কোথায়
অবস্থিত?
উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান
ভবনে।(মতিঝিল, ঢাকা।)
৪১. মুদ্রা জাদুঘরে (কারেন্সি মিউজিয়াম)
কী সংরক্ষণ করা হয়েছে?
উত্তর : উপমহাদেশের প্রাচীন ও বর্তমান
কালের সব ধরনের মুদ্রা সংরক্ষণ করা
হয়েছে।
# এমসিকিইউ_প্রাকটিসঃ
বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট কতটি শাখা
রয়েছে???
(ক) ৮টি
(খ) ১০টি
(গ) ১২টি
(ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
প্রশ্ন : বাংলাদেশের
সংবিধান এ পর্যন্ত কত বার
সংশোধন করা হয়েছে?
উত্তর : ১৬ বার ।
প্রশ্ন: ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
হয়েছিল বাংলা কত সনে?
উত্তর : ১১৭৬ সনে
প্রশ্ন: বাংলাদেশের
পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়
কোথায়?
উত্তর :ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
(২ মার্চ, ১৯৭১)
প্রশ্ন: বাংলাদেশে প্রথম
ইন্টারনেট চালু হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯৯৬ সালে।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের একমাত্র
পাহাড়ী দ্বীপ কোন টি?
উত্তর : মহেশখালী।
প্রশ্ন: ইন্টারনেটের মাধ্যমে
কম খরচে ফোন করার প্রযুক্তির
নাম কি?
উত্তরঃ ভয়েস ওভার
ইন্টারনেট প্রটোকল বা
ভিওআইপি।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম
মোবাইল ফোন কোম্পানীর
নাম কি?
উত্তরঃ সিটিসেল
ডিজিটাল, ১৯৯৩ সাল।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রথম
অনলাইন কুরিয়ার সার্ভিসের
নাম কি?
উত্তরঃ ইজি-পোস্ট।
প্রশ্ন:বাংলাদেশে কবে
প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন
ব্যবস্থা
চালু হয়?
উত্তরঃ ৪ জানুয়ারী, ১৯৯০।
প্রশ্ন: বাংলাদেশে কখন
থেকে কার্ড ফোন চালু হয়?
উত্তরঃ ১৯৯২ সালে।
প্রশ্ন:দেশে মোট কয়টি
মোবাইল ফোন কোম্পানী
সার্ভিস প্রদান করছে?
উত্তরঃ ৬ টি।
লক্ষ্য
-ফাতেমা জাহান লুবনা
যদি লক্ষ্য না থাকে স্থির,
নদীর মাঝি হারিয়ে ফেলে তীর,
পথহারা পাখি পায় না খুঁজে নীড়,
বড় যোদ্ধাও হয় না কভু বীর,
যদি লক্ষ্য না থাকে স্থির।
স্রষ্টার সন্তুষ্টিই মোর জীবনের লক্ষ্য,
সবকিছুতে হই বা না হই দক্ষ,
তাঁর ভালোবাসায় ভরা থাকুক বক্ষ,
তাঁর চেয়ে অধিক নেই কারো সনে সখ্য,
স্রষ্টার সন্তুষ্টিই মোর জীবনের লক্ষ্য।
কোন কিছু পাই বা না পাই
তাঁর খুশিকে চাই,
মেঘলা আকাশ-ঝড়ের রাত্রি
সব পেরিয়ে যাই।
তাঁর সন্তুষ্টির জন্য আমি
রাখব জীবন বাজি,
মানব আমি সৃষ্টির সেরা
করব তাঁকে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তি প্রক্রিয়া শুরুর তারিখ
ঘোষণা
“এসএসসি ও এইচএসসির ফলের
ভিত্তিতে শিক্ষার্থী
ভর্তি করা হবে। কোনো
ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা
হবে না।” এই শিক্ষাবর্ষের
ক্লাস শুরু হবে ১ ডিসেম্বর
থেকে।
জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তি প্রক্রিয়া শুরুর
তারিখ ঘোষণা
কান্ডারী হুশিয়ার!
(কাজী নজরুল ইসলাম)
দুর্গম গিরি কান্তার-মরু দুস্তর
পারাবার
লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি
নিশীথে যাত্রীরা হুশিয়ার!
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে
জল, ভূলিতেছে মাঝি পথ,
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে
হাল, আছে কার হিম্মৎ?
কে আছ জোয়ান, হও আগুয়ান,
হাঁকিছে ভবিষ্যত।
এ তুফান ভারী, দিতে হবে
পাড়ি, নিতে হবে তরী পার!!
তিমির রাত্রি, মাতৃমন্ত্রী
সান্ত্রীরা সাবধান!
যুগ-যুগান্ত সঞ্চিত ব্যথা
ঘোষিয়াছে অভিযান!
ফেনাইয়া উঠে বঞ্চিত বুকে
পুঞ্জিত অভিমান,
ইহাদের পথে, নিতে হবে
সাথে, দিতে হবে অধিকার!!
অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া,
জানেনা সন্তরণ,
কান্ডারী! আজ দেখিব
তোমার মাতৃমুক্তিপণ!
“হিন্দু না ওরা মুসলিম?” ওই
জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী! বল ডুবিছে মানুষ,
সন্তান মোর মা’র!
গিরি-সংকট, ভীরু যাত্রীরা,
গুরু গরজায় বাজ,
পশ্চাৎ-পথ-যাত্রীর মনে সন্দেহ
জাগে আজ
কান্ডারী! তুমি ভূলিবে কি
পথ? ত্যজিবে কি পথ-মাঝ?
‘করে হানাহানি, তবু চল
টানি’, নিয়াছ যে মহাভার!
কান্ডারী! তব সম্মুখে ঐ
পলাশীর প্রান্তর,
বাঙ্গালীর খুনে লাল হ’ল
যেথা ক্লাইভের খঞ্জর!
ঐ গঙ্গায় ডুবিয়াছে হায়,
ভারতের দিবাকর
উদিবে সে রবি আমাদেরি
খুনে রাঙিয়া পুনর্বার।
ফাঁসির মঞ্চে যারা গেয়ে
গেল জীবনের জয়গান,
আসি’ অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে
তারা, দিবে কোন বলিদান?
আজি পরীক্ষা জাতির অথবা
জাতের করিবে ত্রান?
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে
জল, কান্ডারী হুঁশিয়ার!
কবর
(জসীম উদ্দিন)
এই খানে তোর দাদির কবর
ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে
রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু
সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল
বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া
ফিরিতে ভেবে হইতাম
সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা
মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ
তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিলাম
গাঁয়ের ও পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে
তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব
মোরে তামাশা করিত শত।
এমনি করিয়া জানি না কখন
জীবনের সাথে মিশে
ছোট-খাট তার হাসি ব্যথা
মাঝে হারা হয়ে গেনু দিশে।
বাপের বাড়িতে যাইবার
কাল কহিত ধরিয়া পা
আমারে দেখিতে যাইও কিন্তু
উজান-তলীর গাঁ।
শাপলার হাটে তরমুজ বেচি
পয়সা করি দেড়ী,
পুঁতির মালার একছড়া নিতে
কখনও হত না দেরি।
দেড় পয়সার তামাক এবং মাজন
লইয়া গাঁটে,
সন্ধাবেলায় ছুটে যাইতাম
শ্বশুরবাড়ির বাটে!
হেস না হেস না মোন দাদু,
সেই তামাক মাজন পায়ে,
দাদি যে তোমার কত খুশি হত
দেখিতিস যদি চেয়ে!
নথ নেড়ে নেড়ে কহিত
হাসিয়া, এতদিন পরে এলে,
পথ পানে চেয়ে আমি যে
হেথায় কেঁদে মরি আঁখি
জলে।
আমারে ছাড়িয়া এত ব্যথা
যার কেমন করিয়া হায়,
কবর দেশেতে ঘুমায়ে রয়েছে
নিঝঝম নিরালা!
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ
দাদু,আয় খোদা! দয়াময়,
আমার দাদরি তরেতে যেন
গো ভেস্ত নসিব হয়।
তারপর এই শূন্য জীবনে যত
কাটিয়াছি পাড়ি
যেখানে যাহারে জড়ায়ে
ধরেছি সেই চলে গেছে
ছাড়ি।
শত কাফনের, শত কবরের অঙ্ক
হৃদয়ে আঁকি,
গণিয়া গণিয়া ভুল করে গণি
সারা দিনরাত জাগি।
এই মোর হাতে কোদাল ধরিয়া
কঠিন মাটির তলে,
গাড়িয়া দিয়াছি কত
সোনামুখ নাওয়ায়ে চোখের
জলে।
মাটিরে আমি যে বড়
ভালবাসি, মাটিতে
মিশায়ে বুক,
আয়-আয় দাদু, গলাগলি ধরি
কেঁদে যদি হয় সুখ।
এইখানে তোর বাপজি ঘুমায়,
এইখানে তোর মা,
কাঁদছিস তুই? কী করিব দাদু!
পরাণ যে মানে না।
সেই ফালগুনে বাপ তোর এসে
কহিল আমারে ডাকি,
বাজান, আমার শরীর আজিকে
কী যে করে থাকি থাকি।
ঘরের মেঝেতে সপটি
বিছায়ে কহিলাম বাছা
শোও,
সেই শে শোয়া তার শেষ হবে
তাহা কী জানিত কেউ?
গোরের কাফনে সাজায়ে
তাহারে চলিলাম যবে বয়ে,
তুমি যে কহিলা বা-জানরে
মোর কোথা যাও দাদু লয়ে?
তোমার কথার উত্তর দিতে
কথা থেমে গেল মুখে,
সারা দুনিয়ার যত ভাষা আছে
কেঁদে ফিরে গেল দুখে!
তোমার বাপের লাঙল-
জোয়াল দুহাতে জড়ায়ে ধরি,
তোমার মায়ে যে কতই
কাঁদিতে সারা দিনমান ভরি।
গাছের পাতার সেই বেদনায়
বুনো পথে যেতো ঝরে,
ফালগুনী হাওয়া কাঁদিয়া
উঠিত শুনো-মাঠখানি ভরে।
পথ দিয়া যেতে গেঁয়ো
পথিকেরা মুছিয়া যাইত চোখ,
চরণে তাদের কাঁদিয়া উঠিত
গাছের পাতার শোক।
আথালে দুইটি জোয়ান বলদ
সারা মাঠ পানে চাহি,
হাম্বা রবেতে বুক ফাটাইত
নয়নের জলে নাহি।
গলাটি তাদের জড়ায়ে
ধরিয়া কাঁদিত তোমার মা,
চোখের জলের গহীন সায়রে
ডুবায়ে সকল গাঁ।
ঊদাসিনী সেই পল্লী-বালার
নয়নের জল বুঝি,
কবর দেশের আন্ধারে ঘরে পথ
পেয়েছিল খুজি।
তাই জীবনের প্রথম বেলায়
ডাকিয়া আনিল সাঁঝ,
হায় অভাগিনী আপনি পরিল
মরণ-বিষের তাজ।
মরিবার কালে তোরে কাছে
ডেকে কহিল, বাছারে যাই,
বড় ব্যথা রল, দুনিয়াতে তোর
মা বলিতে কেহ নাই;
দুলাল আমার, যাদুরে আমার,
লক্ষ্মী আমার ওরে,
কত ব্যথা মোর আমি জানি
বাছা ছাড়িয়া যাইতে
তোরে।
ফোঁটায় ফোঁটায় দুইটি গন্ড
ভিজায়ে নয়ন জলে,
কী জানি আশিস করে গেল
তোরে মরণ ব্যথার ছলে।
ক্ষণপরে মোর ডাকিয়া কহিল
আমার কবর গায়
স্বামীর মাথার
মাথালখানিরে ঝুলাইয়া
দিও বায়।
সেই যে মাথাল পচিয়া
গলিয়া মিশেছে মাটির সনে,
পরাণের ব্যথা মরে নাকো সে
যে কেঁদে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে।
জোড়মানিকেরা ঘুমায়ে
রয়েছে এইখানে তরু ছায়,
গাছের শাখারা স্নেহের
মায়ায় লুটায়ে পড়েছে গায়।
জোনকি মেয়েরা সারারাত
জাগি জ্বালাইয়া দেয়
আলো,
ঝিঁঝিরা বাজায় ঘুমের নূপুর কত
যেন বেসে ভালো।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ
দাদু, রহমান খোদা! আয়;
বেহেস্ত নসিব করিও আজিকে
আমার বাপ ও মায়!
এখানে তোর বুজির কবর, পরীর
মতন মেয়ে,
বিয়ে দিয়েছিনু কাজিদের
বাড়ি বনিয়াদি ঘর পেয়ে।
এত আদরের বুজিরে তাহারা
ভালবাসিত না মোটে,
হাতেতে যদিও না মারিত
তারে শত যে মারিত ঠোঁটে।
খবরের পর খবর পাঠাত, দাদু যেন
কাল এসে
দুদিনের তরে নিয়ে যায়
মোরে বাপের বাড়ির দেশে।
শ্বশুর তাহার কশাই চামার,
চাহে কি ছাড়িয়া দিতে
অনেক কহিয়া সেবার
তাহারে আনিলাম এক শীতে।
সেই সোনামুখ মলিন হয়েছে
ফোটে না সেথায় হাসি,
কালো দুটি চোখে রহিয়া
রহিয়া অশ্রু উঠিছে ভাসি।
বাপের মায়ের কবরে বসিয়া
কাঁদিয়া কাটাত দিন,
কে জানিত হায়, তাহারও
পরাণে বাজিবে মরণ বীণ!
কী জানি পচানো জ্বরেতে
ধরিল আর উঠিল না ফিরে,
এইখানে তারে কবর দিয়েছি
দেখে যাও দাদু! ধীরে।
ব্যথাতুরা সেই হতভাগিনীরে
বাসে নাই কেহ ভালো,
কবরে তাহার জড়ায়ে রয়েছে
বুনো ঘাসগুলি কালো।
বনের ঘুঘুরা উহু উহু করি কেঁদে
মরে রাতদিন,
পাতায় পাতায় কেঁপে উঠে
যেন তারি বেদনার বীণ।
হাত জোড় করে দোয়া মাঙ
দাদু, আয় খোদা! দয়াময়।
আমার বুজীর তরেতে যেন গো
বেস্ত নসিব হয়।
হেথায় ঘুমায় তোর ছোট ফুপু,
সাত বছরের মেয়ে,
রামধনু বুঝি নেমে এসেছিল
ভেস্তের দ্বার বেয়ে।
ছোট বয়সেই মায়েরে
হারায়ে কী জানি ভাবিত
সদা,
অতটুকু বুকে লুকাইয়াছিল কে
জানিত কত ব্যথা!
ফুলের মতন মুখখানি তার
দেখিতাম যবে চেয়ে,
তোমার দাদির ছবিখানি
মোর হদয়ে উঠিত ছেয়ে।
বুকেতে তাহারে জড়ায়ে
ধরিয়া কেঁদে হইতাম সারা,
রঙিন সাঁঝেরে ধুয়ে মুছে দিত
মোদের চোখের ধারা।
একদিন গেনু গজনার হাটে
তাহারে রাখিয়া ঘরে,
ফিরে এসে দেখি সোনার
প্রতিমা লুটায় পথের পরে।
সেই সোনামুখ গোলগাল হাত
সকলি তেমন আছে।
কী জানি সাপের দংশন
পেয়ে মা আমার চলে গেছে।
আপন হস্তে সোনার প্রতিমা
কবরে দিলাম গাড়ি,
দাদু! ধর¬ধর¬ বুক ফেটে যায়, আর
বুঝি নাহি পারি।
এইখানে এই কবরের পাশে আরও
কাছে আয় দাদু,
কথা কস নাকো, জাগিয়া
উটিবে ঘুম¬ভোলা মোর যাদু।
আস্তে আস্তে খুঁড়ে দেখ
দেখি কঠিন মাটির তলে,
ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিয়ে ঘন
আবিরের রাগে,
অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িত বড়
সাধ আজ জাগে।
মজিদ হইতে আযান হাঁকিছে
বড় সুকরুণ সুরে,
মোর জীবনের রোজকেয়ামত
ভাবিতেছি কত দূরে।
জোড়হাত দাদু মোনাজাত কর,
আয় খোদা! রহমান।
ভেস্ত নসিব করিও সকল মৃত্যু
ব্যথিত প্রাণ।
আমার কুঁড়েঘরে
(হুমায়ুন আজাদ)
আমার কুঁড়েঘরে নেমেছে
শীতকাল
তুষার জ’মে আছে ঘরের মেঝে
জুড়ে বরফ প’ড়ে আছে
গভীর ঘন হয়ে পাশের নদী ভ’রে
বরফ ঠেলে আর তুষার ভেঙে
আর দু-ঠোঁটে রোদ নিয়ে
আমার কুঁড়েঘরে এ-ঘন শীতে
কেউ আসুক
আমার গ্রহ জুড়ে বিশাল মরুভূমি
সবুজ পাতা নেই সোনালি
লতা নেই শিশির কণা নেই
ঘাসের শিখা নেই জলের
রেখা নেই
আমার মরুভূর গোপন কোনো
কোণে একটু নীল হয়ে
বাতাসে কেঁপে কেঁপে
একটি শীষ আজ উঠুক
আমার গাছে গাছে আজ একটি
কুঁড়ি নেই
একটি পাতা নেই শুকনো
ডালে ডালে বায়ুর ঘষা
লেগে
আগুন জ্ব’লে ওঠে তীব্র
লেলিহান
বাকল ছিঁড়েফেড়ে দুপুর
ভেঙেচুরে আকাশ লাল ক’রে
আমার গাছে আজ একটা ছোট
ফুল ফুটুক
আমার এ-আকাশ ছড়িয়ে আছে
ওই
পাতটিনের মতো ধাতুর চোখ
জ্বলে প্রখর জ্বালাময়
সে-তাপে গ’লে পড়ে আমার
দশদিক
জল ও বায়ুহীন আমার আকাশের
অদেখা দূর কোণে
বৃষ্টিসকাতর একটু মেঘ আজ জমুক
আমার কুঁড়েঘরে নেমেছে
শীতকাল
তুষার জ’মে আছে ঘরের মেঝে
জুড়ে বরফ প’ড়ে আছে
গভীর ঘন হয়ে পাশের নদী ভ’রে
বরফ ঠেলে আর তুষার ভেঙে
আজ দু-ঠোঁটে রোদ নিয়ে
আমার কুঁড়েঘরে এ-ঘন শীতে
কেউ আসুক।
ঐ যে দূড়ে মেঘের পাশে
খুঁজেছি তোমায়
নদীর তীরে, কাঁশের ফুলে
খুঁজেছি তোমায়
ভোরের বেলায়, শিউলি
ভেজা গাছের তলায়,
রাতের বেলা চাঁদের নীচে
খুঁজেছি তোমায় ।
পায়নি খুঁজে আমার পাশে
তোমায় ।
জীবনে তোমায় হারাইনি
আমি
তবে পায়নি খুঁজে তোমায় ।
______________________ সঞ্জয়
কখনও কোন মূর্খের সাথে তর্ক
করতে যেও না...দেখা যাবে
সে তোমাকে তার পর্যায়
নামিয়ে এনে তোমাকে
হারিয়ে দিবে...
____হুমায়ূন আহমেদ
কবিতা
এমন যদি হতো
___সুকুমার বড়ুয়া
এমন যদি হতো
ইচ্ছে হলে আমি হতাম
প্রজাপতির মতো
নানান রঙের ফুলের পরে
বসে যেতাম চুপটি করে
খেয়াল মতো নানান ফুলের
সুবাস নিতাম কতো ।
এমন হতো যদি
পাখি হয়ে পেরিয়ে যেতাম
কত পাহাড় নদী
দেশ বিদেশের অবাক ছবি
এক পলকের দেখে সবই
সাতটি সাগর পাড়ি দিতাম
উড়ে নিরবধি ।
এমন যদি হয়
আমায় দেখে এই পৃথিবীর
সবাই পেতো ভয়
মন্দটাকে ধ্বংস করে
ভালোয় দিতাম জগৎ ভরে
খুশির জোয়ার বইয়ে দিতাম
এই দুনিয়াময় ।
এমন হবে কি ?
একটি লাফে হঠাৎ আমি
চাঁদে পৌঁছেছি !
গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে
দেখে শুনে ভালো করে
লক্ষ যুগের অন্ত আদি
জানতে ছুটেছি
নভেম্বর মাসের ১ তারিখ থেকে জে এস সি পরীক্ষা শুরু.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Bagerhat
1
