17/04/2016
কারো কারো ভালো না লাগলেও বাবু গয়েশ্বর রায়ের কথাগুলো শুনতে হবে বার বার-
‘জাতি আজ নিঃশ্বাস ফেলতে পারছে না। তার চলনে, কথায় সবকিছুতে আজ বাধা। সেখানে আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে আমরা কতটুকু সফল হচ্ছি? আমরা বারবার চেষ্টা করছি, কিন্তু লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছি না। কেন? এর জবাবটা আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। তবে শুধু জবাব দেয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। পদ বিতরণ আর পদের সন্ধানে শুধু ব্যস্ত থাকলে হবে না, রাজপথের লোকদের মূল্যায়ন করতে হবে। পথের (রাজপথ) মানুষকে পদ দিতে হবে, তাহলে আন্দোলন সফল হবে, মানুষের আকাঙ্ক্ষাও পূরণ হবে।’
‘এখন রাজপথ বলতে কোনো পথ নেই। মানুষ খুব আশা করে আছে আমাদের ওপর। কিন্তু আমরা পথের সন্ধান করি না, সব সময় ব্যস্ত থাকি পদের সন্ধানের জন্য। পদের প্রতিযোগিতায় রাজপথ শূন্য। সুতরাং পদই যেখানে মানুষকে বড় করে, সেখানে রাজপথ শূন্য থাকবে, এটাই স্বাভাবিক।’
‘আমাদের এবারের কাউন্সিলের স্লোগান ছিল— দুর্নীতি দুঃশাসন হবেই শেষ গণতন্ত্রের বাংলাদেশ। ‘দুর্নীতিমুক্ত মানুষ ছাড়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই সম্ভব নয়। সুতরাং ডানে-বামে তাকিয়ে দেখতে হবে, ওই উপসর্গে আক্রান্ত কোনো লোক আছে কি না। যদি থাকে, তাদেরকে দিয়ে আন্দোলনের মাঝপথে আঁতাত হয়ে যেতে পারে।’ ‘আমরা এখন বিরোধী দলে আছি। আমাদের সীমাবদ্ধতাও আছে। এটি মেনে নিয়েই বলছি, আমাদেরকে আন্দোলন করতে হবে জেতার লক্ষ্য নিয়ে। সেখানে মরতে হয় মরব— এই নীতিকে ধারণ করেই অতীতে সফল আন্দোলন হয়েছে। ভবিষ্যৎ আন্দোলন সফলে আমাদেরকেও এই নীতি অবলম্বন করতে হবে। আমরা মরব না, কিন্তু বেহেশতে যেতে চাইব। সেটি হবে না। ঠিক তেমনি আমরা আন্দোলনে রাজপথে নামব না, আবার আন্দোলনের সফলতা চাইব— সেটিও হবে না। এ ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ হতে পারলে সকল প্রশ্নের জবাব একদিন আসবেই।”
11/03/2016
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট দিন।
11/03/2016
ষড়যন্ত্র নিপাত যাক,
বিএনপি মুক্তি পাক।
01/11/2015
৯০ এর এরশাদ বিরোধী আন্দোলন রাজপথে দেশনেত্রী ।
মাটি ও মানুুষের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম জিয়াকে আবারও জনতার কাতারে দেখতে চাই ১৭ কোটি বাঙ্গালি ।
01/11/2015
দেশনায়ক তারেক রহমান যে দিন বাংলার মাটিতে পাঁ রাখবেন , সে দিন হবে.....
# # বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গনজমায়েত,
# # সবচেয়ে বড় আনন্দ মিছিল ,
# # স্মরনকালের সবচেয়ে বড় জনসভা ।
01/11/2015
৭১ থেকে ৮১-মাত্র দশটি বছর; মেজর জিয়া থেকে রাষ্ট্রপতি জিয়া। ৩৫ বছরে স্বাধীনতার ঘোষণা,৩৬ বছরে স্বাধীনতা অর্জন এবং বীরউত্তম উপাধি লাভ,৩৯ বছরে সেনাবাহিনী প্রধান, ৪১ বছরে রাষ্ট্র প্রধান এবং ৪৫ বছরে লক্ষ কোটি মানুষকে কাঁদিয়ে চিরবিদায়। সৌভাগ্যের এই ক্ষণ জন্মা মহানায়ক ২৫ মার্চ ১৯৭১ হতে ৩০ মে ১৯৮১ পর্যন্ত দশ বছরে প্রতিটি দিনকে বিভিন্ন পর্যায়ে ও ধাপে কাজে লাগিয়ে একটি আত্ম নির্ভরশীল দেশ গঠনে নিজেকে অকাতরে নিবেদন করেন। জাতির প্রতিটি ক্রান্তি লগ্নে আল্লাহর অসীম কৃপায় জিয়ার আবির্ভাব ঘটেছিল উল্কার মত। আধুনিক মানসিকতা সম্পন্ন এই সিংহ পুরুষের জীবনের চারটি পর্বের কার্যক্রম দেশ, জাতি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাঁকে অসাধারণ কৃতিমান রাজনৈতিক নেতৃত্তের স্থানে আসীন করে । তাঁর কাজের মাধ্যমে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জিয়া একজন উজ্জল স্টেটসম্যান হিসেবে কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেন। তাঁর সৃষ্ট জাতীয়তাবাদী আদর্শ আজ জাতীয় জীবনে অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ।
01/11/2015
"দুঃশাসনের যন্ত্র নয়, নিষ্পেষণের মন্ত্র নয় , অবরুদ্ধ গনত্রন্ত্র নয়,
স্বাধীন সার্বভৌম থাকবে দেশটা, এই লক্ষেই বিএনপি'র প্রতিষ্ঠা "
______ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান
14/04/2015
বুলেটের জবাব ব্যালটে দিন ।
সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২০ দলীয় জোট প্রার্থীগণ এবং তাঁদের প্রতীক।
অবৈধ স্বৈরাচারী সরকারকে হটানোর পদক্ষেপ হিসেবে আপনার এলাকায় ২০দলীয় জোট প্রার্থীকে নির্বাচিত করুন।