21/05/2026
অভিনন্দন নতুন নেতৃত্বকে!
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মোসাম্মত বেগমকে আহ্বায়ক ও রুবিনা ইয়াসমিনকে সদস্যসচিব করে গ্রামীণ জনপদের নারীদের সংগঠিত করতে 'বাংলাদেশ কিষানী সভা'র পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হলো।
এছাড়াও বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য তাহমিদা ইসলাম তানিয়া, জাহিমা খাতুন সহ ঝালকাঠি, বরিশাল, কিশোরগঞ্জ কেরানীগঞ্জ ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
15/05/2026
বাংলাদেশ কৃষক-মজুর সংহতি হাওড় অঞ্চলের বিপন্ন কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান রাষ্ট্রের কর্তাদের বধির কানে তুলে ধরতে চায়।
প্রবীণ কৃষকনেতা ও সংগঠনের সভাপতি দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু, শ্রমিক নেতা বাচ্চু ভুঁইয়া ও সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক জাফর মুহাম্মদ মিলে কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনার বিভিন্ন উপজেলায় যাচ্ছেন।
প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব:
স্থানীয় সংগঠক শফিকুল ভাই নিয়ে গেলেন মাগুড়া বিল, আজ দুপুরে পৌছালাম নেত্রকোনার আটপাড়ায়। স্থানীয় সংগঠক শফিকুল ভাই নিয়ে গেলেন মাগুড়া বিল, সোনাই বিল সংলগ্ন হাওড় অঞ্চলে। আকাশে তখন মেঘের আনাগোনা। ত্রস্ত পায়ে ঘরে ফিরছেন কৃষক। অধিকাংশ রাস্তায় ছড়িয়ে আছে ভেজা ধান। কোন কোন অংশে বেড়িয়ে গেছে অংকুর। কেউ কেউ নৌকা ঠেলে ফিরছেন তলিয়ে যাওয়া ধান নিয়ে। পানির নিচে থেকে কালো হয়ে যাওয়া ধান।
একে একে সাদেকুল ভাই, সুমন ভাই, আজিজুল ভাইসহ অনেকেই শোনালেন তাদের কথা। মহাজনী ঋণ, এনজিও ঋণ আর ব্যাংক ঋণ নিয়ে তারা আবাদ করেছিলেন। আজিজুল ভাই বর্গা নিয়েছিলেন সাতকাঠা জমি। যার তিনকাঠা একেবারেই তলিয়ে গেছে। আর বাকি চারকাঠার ধান কাটতে পারলেও পানির নিচে থেকে কালো হয়ে গেছে। ৭ কাঠা জমি বর্গা নিয়েছিলেন ২৫০০টাকা/কাঠা হিসেবে। সে হিসেবে শুধু বর্গা নিতেই তার খরচ গেছে ১৭,৫০০ টাকা। এরপর সার আছে, বীজ আছে- মজুরি আছে। সব মিলিয়ে খরচ যা হয়েছে তার পুরোটাই এসেছে মহাজনী সুদি ঋণ থেকে। প্রতিমাসে তার সুদই গুণতে হবে ২০০০টাকা করে। তার ভাষ্যমতে এই সুদ তিনি দেবেন দিনমজুরি করে। দিনমজুরি করে যা আয় হয় সেই আয় দিয়ে স্ত্রী আর পাঁচ সন্তান নিয়ে দিন গুজরান করতেই হয়রান হয়ে যেতে হয় সেখানে আবার সুদ! মূল ঋণ যেটা আছে সেটা শোধ দেবার হিসাব আলাদা।
তার ডুবে যাওয়া ধান কালো হয়ে যাওয়ায় ব্যাপারি সে ধানও কিনবেনা। ফলে রোদে শুকিয়ে কিছুটা যদি খোরাকের জোগাড় হয় সে আশাতেই নৌকা নিয়ে ডুবে যাওয়া ধান, কালো হয়ে যাওয়া ধান টেনে টেনে রাস্তায় তুলছেন তিনি। মহাজনী এই ঋণ কবে শোধ হবে সেই ভরশাও নেই ফলে আগামী মৌসুমে তিনি আর বর্গা নিয়ে আবাদ করবেন কিনা সে প্রশ্নটাও ভীষণভাবে ভাবাচ্ছে৷
ঘুরে ঘুরে এসবই শুনছি। আপনাদের সকলের সহযোগিতায় কৃষকদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছি। আশা করছি বাংলাদেশ কৃষক-মজুর সংহতি'র উদ্যোগে এই সফরনামা দ্রুতই প্রকাশিত হবে। যারা এই সফরে নানান ভাবে এবং নানান মাত্রায় পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা।
( Jafar Muhammad এর স্ট্যাটাস থেকে)
12/05/2026
কৃষকই ঠকবেন, কৃষকই মরবেন!সেটা হোক হাওড়, সমতল কিংবা পাহাড়, বন্দোবস্ত একটাই!
কাজুবাদামের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বান্দরবানের কৃষক, সক্রিয় আড়তদার-ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট
বান্দরবানের রুমা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলতি মৌসুমে ব্যাপক হারে কাজুবাদাম উৎপাদন হলেও সিন্ডিকেট চক্র বাজার নিয়...
10/05/2026
হাওরে মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ নিয়ে ডেইলি অবজারভারের প্রতিবেদন।
Protest rally demands punishing responsible WDB officials
Leaders of the Bangladesh Krishak Mojur Sanghati (BKMS) at a protest rally on Saturday demanded the exemplary punishment for those
09/05/2026
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৯ মে ২০২৬
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
*হাওরে বিপর্যয়ে দায়ীদের বিচার করতে হবে: দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু*
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) ও বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির সভাপতি জননেতা দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে হাওরের কৃষকদের দুইটা দাবি মানা হলেও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিশ্চুপ থাকতে দেখছি। আমরা আজ দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি দাবি করে গেলাম। এটার বাস্তবায়ন দেখতে চাই।
আজ শনিবার, ৯ মে ২০২৬ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হাওর অঞ্চলে মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের জন্য দায়ী পাউবো ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের গাফিলতির দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশের সভাপতির বক্তব্যে এই কথা বলেন।
সমাবেশে গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ রুমী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির বড় তিনটি খাত হলো ফসলের উৎপাদন, গার্মেন্ট শিল্পের সস্তা শ্রমিক, বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স প্রবাহ। এই সবগুলোর যোগান দেয় এই বাংলার কৃষক পরিবার। অথচ কৃষকদের তাকিয়ে নীতিনির্ধারকরা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করেন না।
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম বলেন, হাওড়ের সাতটি জেলার কৃষকের ধান ডুবেছে, স্বপ্ন ডুবেছে। ২০১৭ সালের বন্যাতেও ডুবেছিলো, প্রতিবারই ডোবে। এই রাষ্ট্রের কাঠামোগত ব্যর্থতার কারণে কৃষকদের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়াটাই নিয়তি। হাওরের এই মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের পেছনে দায়ী পাউবো ও জেলা প্রশাসকদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে নতুন করে হাওর ব্যবস্থাপনা সাজাতে হবে।
নিলফামারী জেলা শাখার কৃষক নেতা মিজানুর রহমান মিজানের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী সমিতির সভাপতি বাচ্চু ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক আলিফ দেওয়ান, বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুর রহমান, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ, বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতির অর্থ সম্পাদক কামরুল হাসান লিটন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাফর মুহাম্মদ ও নেতৃবৃন্দ।
বার্তা প্রেরক
জাফর মুহাম্মদ শাফি
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
যোগাযোগ: ০১৭৩২-৯০৫৯১১
08/05/2026
কৃষকই মরবে!
কৃষকই উচ্ছেদ হবে, এটাই বন্দোবস্ত!!