25/05/2025
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর অবদান মনে রাখার মত✨
[{(ক্ষণস্থায়ী জীবন)}]
25/05/2025
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর অবদান মনে রাখার মত✨
আর্তুগল গাজীর ঘরে ওসমানের আগমন ❤️
23/05/2025
প্রফেসর ইউনূস দায়িত্ব নেওয়ার আগে একটাই শর্ত দিয়েছিলেন—স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ চাই।
তিনি শুধু নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে আসেননি।
তিনি চেয়েছিলেন, এমন একটি ব্যবস্থা রেখে যেতে যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ ফ্যাসিস্ট হতে না পারে।
একটি সহনশীল, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলা।
তিনি ভেবেছিলেন, সদিচ্ছা আর সম্মিলিত গুড উইল দিয়েই সব ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু রাজনীতি এতটা সরল নয়।
এখানে প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে চাপ, বোঝাপড়া আর অদৃশ্য শক্তির হিসাব।
ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, গুড উইল—সব কিছুই এখানে অবহেলিত।
একজন মানুষ হেরে যাননি,
হেরে গেছে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা।
আমি চাই না, রক্তঝরা জুলাই আর ফিরে আসুক।
— এক শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের প্রার্থনা।
ক্ষণস্থায়ী জীবন 🖤
23/05/2025
রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে পীর সাহেব চরমোনাই আহ্বানে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ৫টি দলের জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত।
দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম পীর সাহেব চরমোনাইর আহ্বানে ঢাকার পুরানা পল্টনস্থ ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার রাতে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ৫টি দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের জরুরী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরু, ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমদ, এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের, আহমদ আবদুল কাইয়ুম, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ লোকমান, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন, গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফ প্রমুখ।
বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় এবং যে কোন মূল্যে ফ্যাসিবাদ বিরোধী সকল রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়। কোন কুচক্রি মহল যাতে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
আগামীতে দেশ গঠনে এবং দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় আরো ঘনিষ্ঠভাবে ঐক্যবদ্ধ কৌশল গ্রহণের বিষয়ে বৈঠকে বিষদ আলোচনা হয়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মোহাম্মদ ইউনুছের নেতৃত্বে প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানে নেতৃবৃন্দ একমত পোষণ করেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. মোহাম্মদ শফিকুর রহমান মুঠোফোনে এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
গুঠিয়ায় যারা রাজত্ব করতে আছেন, তারা কি স্বৈরাচার পতনের শিক্ষা নিছে?
নাকি তাদেরও পালাতে হবে?
(ক্ষণস্থায়ী জীবন)